Blog

  • মোরেলগঞ্জে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ মাওলানা জহিরুল ইসলাম শ্রেষ্ঠ শিক্ষক

    মোরেলগঞ্জে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ মাওলানা জহিরুল ইসলাম শ্রেষ্ঠ শিক্ষক

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:খুলনা বিভাগের সর্ববৃহৎ হযরত পীর খানজাহান আলী (রঃ) স্মৃতি বিজড়িত বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা মাদ্রাসাপর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক সহকারি অধ্যাপক মাওলানা জহিরুল ইসলাম পুরস্কার ও সনদপত্র গ্রহণ করেন। আজ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই বিকালে উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস আয়োজিত পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সুন্দরবন সাবসেক্টরের যুদ্ধকালীন কমান্ডার উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী খান।অনুষ্ঠানে সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান, শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান, শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ স্কাউটসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হলো।

    সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার বাকি বিল্লাহ ।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম.তারেক সুলতান সভাপতিত্বে ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস. এম সাইফুলআলম এর সঞ্চালনায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন যুবলীগ নেতা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. রাসেল হাওলাদার, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আজমিন নাহার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.আব্দুল্লাহ আল জাবির, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.আব্দুল্লাহ আল জাবির প্রমুখ। শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপক মাওলানা জহিরুল ইসলাম।
    বিভিন্ন ইভেন্টে ১ম স্থান সহ বিভিন্ন পুরস্কার লাভ করে। বিশেষ কৃতিত্বের তিনি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হতে পারেন সে বিষয়ে সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করেন। মাওলানা জহিরুল ইসলাম মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা (আরবি প্রভাষক) হিসেবে যোগদান করেন।
    বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, তিনিমোরেলগঞ্জ লতিফিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসায়ে যোগদানের পর থেকেই অত্যন্ত সুনাম, সততা, যোগত্য, মননশীলতা ও দক্ষতার সাথে সহকারি অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি প্রশিক্ষণসহ শিক্ষার মান উন্নয়ন ও বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত ক্লাস ও সহ-পাঠ্যক্রমিক, শিক্ষামূলক কার্যক্রম অত্যন্ত সুনামের সাথে ভালো ফলাফল অর্জন করে আসছেন। তার দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি মাদ্রাসার শিক্ষার মান উন্নয়নসহ পারিপার্শিক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন।তিনি বর্তমানে তিন সন্তানের জনক। ব্যক্তিগত জীবনে একজন সৎ, কর্মঠ, পরিশ্রমী ও বিনয়ী মাওলানা জহিরুল ইসলাম তাঁর প্রতি অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালনে সর্বদা সচেতন ও দায়িত্ববান। এই কারণেই তিনি প্রতিষ্ঠানের একজন জনপ্রিয় শিক্ষক হিসেবে সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করেছেন।

    অনুভূতি জানতে চাইলে জনাব মাওলানা জহিরুল ইসলাম বলেন, এই অর্জন ও সম্মান আমার একার নয়, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সহকর্মীদের।

    তাঁর সাফল্যে সম্মানিত মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সহ সকল শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ তাঁকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
    জাতীয় পর্যায়ের জন্য সকলে দোয়া চেয়েছেন। তিনি সকলের নিকট আশির্বাদ/ দোয়া প্রার্থী।

  • নড়াইলের মধুমতি নদী থেকে গ*লিত ম*রদেহ উদ্ধার

    নড়াইলের মধুমতি নদী থেকে গ*লিত ম*রদেহ উদ্ধার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের মধুমতি নদী থেকে ভাঁসমান অবস্থায় এক গলিত অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার কোটাখোল ইউনিয়নের ঘাঘা এলাকায় মধুমতি নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বড়দিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) এস এম মো.বিল্লাল হোসেন মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে লোহাগড়া উপজেলার কোটাখোল ইউনিয়নের ঘাঘা এলাকায় মধুমতি নদীতে একটি মরদেহ ভাঁসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে বড়দিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছে নদী থেকে অজ্ঞাত মরদেহটি গলিত অবস্থায় উদ্ধার করে। তবে প্রাথমিকভাবে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত বা কি কারনে তার মৃত্যু হয়েছে তা জানা যায়নি। এ বিষয়ে বড়দিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) এস এম মো.বিল্লাল হোসেন জানান, রাতে লোহাগড়া উপজেলার ঘাঘা এলাকায় মধুমতি নদীতে ভাঁসমান অবস্থায় অজ্ঞাত গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মরদেহর নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এছাড়া মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • ৬ মিনিটেই মিলছে নির্ভুল জন্ম নিবন্ধন সনদ

    ৬ মিনিটেই মিলছে নির্ভুল জন্ম নিবন্ধন সনদ

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    বাড়ি বাড়ি গিয়ে জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার সাথে সাথেই প্রিন্ট কপি হাতে দিচ্ছেন ধামানগর ইউনিয়ন পরিষদ। ঠিক এমন চিত্র দেখা যায় সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের ক্ষীরতলা এলাকায়। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা রোজিন পলাশ বাড়ির উঠানেই বসে সঠিক তথ্য নিয়ে জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন আবেদন করছেন মাত্র ৪ মিনিটে আর সঙ্গে সঙ্গেই পেমেন্ট সম্পন্ন করে দুই মিনিটেই একজন বাসিন্দার হাতে পৌঁছে দিচ্ছে অনলাইন সম্পন্ন একটি জন্ম সনদ। এমন কার্যক্রমের বিষয়ে জানতে চাইলে এ কর্মকর্তা জানান, নির্ভুল জন্ম- মৃত্যু নিবন্ধন করবো শুদ্ধ তথ্য ভান্ডার গড়বো এই স্লোগান কে সামনে নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় আমাদের এই কার্যক্রম। তবে কর্মব্যস্ততায় অনেকেই সশরীরে ইউনিয়ন পরিষদে হাজির হয়ে জন্ম নিবন্ধন করতে পারেন না। তাদের জন্য সহজ উপায় হলো বাড়িতে বসেই আমাদের টিমকে সঠিক তথ্য দিয়েই সঙ্গে সঙ্গে ঘরে বসেই কয়েক মিনিটেই নির্ভুল জন্ম নিবন্ধন সনদ বুঝে নেওয়া। মাত্র ৬ মিনিটে একটি নির্ভুল জন্ম নিবন্ধন পেয়ে গণমাধ্যম কর্মীকে আবেগ আপ্লূত হয়ে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন ইউনিয়নের ক্ষীরতলা এলাকার বাসিন্দা সোনামণি মাহাতো তিনি জানান, আমার জন্ম নিবন্ধনের জন্য আমাদের মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে পারছিলাম না। বাড়ির কাজ কাজে সময় পাই না তাই ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়া হয় না। আজকে হঠাৎ আমার বাড়িতে এসে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসে তথ্য নিয়ে চেয়ারম্যান রাইসুল হাসান সুমনসহ আমার হাতে জন্ম নিবন্ধন তুলে দিলেন সাথে সাথে আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন সনদও করে দিলেন। এত সহজে যে জন্ম নিবন্ধন নিজের ঘরে বসেই পাবো তা কল্পনাও করতে পারি নাই। ব্যতিক্রম কার্যক্রমে সচেতন মহল বলছেন, গ্রামের মানুষ গুলো কৃষি কাজের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় তারা মাঠের কাজ শেষ করে আর সেভাবে জন্ম নিবন্ধন করতে ইউনিয়ন পরিষদে আসার সময় পান না। জন্ম নিবন্ধনে যেনো বিড়ম্বনা পোহাতে না হয় সে জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের জন্ম নিবন্ধন সনদ করে দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে এক আস্থা অর্জন করেছে ধামাইনগর ইউনিয়ন পরিষদ। ইউপি চেয়ারম্যান রাইসুল হাসান সুমন জানান, কোনো শিশু যাতে ভুল জন্ম তারিখ নিয়ে বেড়ে না ওঠে, নিবন্ধনের বাইরে না থাকে এবং একই ব্যক্তির একাধিক সনদ রোধে সরকারকে সহায়তা করার জন্যেই আমার এই উদ্যোগ। ঘরে ঘরে গিয়ে সঠিক তথ্য নিয়ে আবেদনের মাদ্যমে সঙ্গে সঙ্গেই জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদান করছি। আমার উদ্যোগ আগামীতে চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ।

  • চারঘাটে গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ রোগের প্রাদু*র্ভাব

    চারঘাটে গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ রোগের প্রাদু*র্ভাব

    মোজাম্মেল হক, চারঘাট থেকেঃ

    চারঘাটে গ্রামে গ্রামে গবাদি পশুর (গরু) ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এতে করে প্রান্তিক পর্যায়ের গৃহস্তসহ খামারিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ল্যাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত গরুর সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ। ছাগল ও ভেড়ার পক্স ভাইরাসের সাথে এ রোগের সাদৃশ্য আছে বলে তারা জানান। এ ভাইরাস গরু ছাড়া মহিষকেও আক্রমণ করতে পারে। এক গরু থেকে আরেক গরুতে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্তের সময়কাল সাধারণত বর্ষার শেষে কিংবা শরৎ ও বসন্তের শুরুতে। মশা-মাছির সাহায্যেও এ রোগ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।

    আক্রান্ত গরু প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হয় এবং খাবারের রুচি কমে যায়। জ্বরের সাথে সাথে নাক-মুখ দিয়ে লালা বের হয়, পা ফুলে যায়, দুই পায়ের মাঝে পানি জমে যায়। পশুর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চামড়া পি- আকৃতি ধারণ করে, লোম উঠে যায় এবং ক্ষত সৃষ্টি হয়। আর এ ক্ষত শরীরের অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত হতে পারে। শরীরের কোথাও কোথাও ফুলে যায়, যা ফেটে টুকরা মাংসের মতো বের হয়ে ক্ষত এবং পুঁজ হয়। পাকস্থলি বা মুখের ভেতরে সৃষ্ট ক্ষতের কারণে গরুর পানি পানে অনীহা তৈরি হয় এবং খাদ্য গ্রহণ কমে যায়।

    মশা ও মাছি এ ভাইরাসের প্রধান বাহক বলে তারা জানান। অন্যান্য কীটপতঙ্গের মাধ্যমেও ভাইরাসটি ছড়াতে পারে। আক্রান্ত গরুর লালা গরুর খাবারের মাধ্যমে এবং খামার পরিচর্যাকারী ব্যক্তির কাপড়ের মাধ্যমেও এক গরু থেকে অন্য গরুতে ছড়াতে পারে। আক্রান্ত গাভির দুধেও এ ভাইরাস বিদ্যমান। তাই আক্রান্ত গাভির দুধ খেয়ে বাছুরও আক্রান্ত হতে পারে। এমনকি গ্রামগঞ্জের পশুচিকিৎসকরা একই সিরিঞ্জ ব্যবহার করলে ওই সিরিঞ্জির মাধ্যমেও রোগটি অন্য গরুতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। আক্রান্ত গরুর দুধ উৎপাদন শূন্যের কোটায় নেমে আসে।

    গরু পালনকারীরা জানাচ্ছেন, গরুর শরীর প্রথমে গরম হয়ে জ্বর উঠে যায়। তারপর শরীরের কয়েক জায়গায় ছোট ছোট গুটি উঠতে শুরু করে যা একপর্যায়ে ধীরে ধীরে সারা শরীরেই ছড়িয়ে পড়ে।

    মাথা, ঘাড় ও পায়ে গুটি বেশি দেখা দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় গরুর মুখ দিয়ে লালা পড়া শুরু হয় এবং গরুর খাবারে অনীহা দেখা দেয়, গরু দুর্বল হয়ে পড়ে।

    খামারি ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণত চর্মরোগটি গ্রীষ্মের শেষ ও বর্ষার শুরুর দিকে বছরে দুবার ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত মশা, মাছি ও বিশেষ পোকার মাধ্যমে গরুর দেহে ভাইরাস ছড়ায়। এ ছাড়া সংক্রমিত গরুর সঙ্গে খাবার গ্রহণ করলেও এ রোগ ছড়াতে পারে।

    এ বলেন বিষয়ে জানতে চাইলে  চারঘাট উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সরকার এনায়েত কবির বলেন, বর্তমান চারঘাট উপজেলায় ৩৫০ টি গরুর খামার রয়েছে। তার মধ্যে রেজিষ্ট্রেশন কৃত ১৪ টা খামার রয়েছে বলে তিনি জানান। ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ সাধারণত বর্ষাকালে হয়ে থাকে এ জন্য আতংকিত না হয়ে পূর্ব থেকে সর্তক থাকতে হতে হবে। যেমন: গরুর ঘর সব সময় পরিস্কার রাখতে হবে, গরুর ঘরে ব্রিসিং পাউডার ব্যবহার করতে হবে।

    প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আরও জানান, এই রোগের কোন ভ্যাকসিন বা ঔষধ সরকারি ভাবে উৎপাদন হয়নি। তবে কিছু কিছু কোম্পানি বেসরকারি ভাবে ভ্যাকসিন তৈরি করে বাজারে সরবরাহ করছে তবে সেটা সিমিত।

    তিনি বলেন, এ রোগ প্রতিরোধের জন্য গ্রামে গ্রামে আমি নিজে উপস্থিত হয়ে উঠান বৈঠক করে গরু পালনকারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে এবং গরু আক্রান্ত হলে সাথে সাথে তারা স্থানীয় প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে এসে তাদের সাথে পরামর্শ ও ঔষধ সংগ্রহ করার  জন্য তিনি বলেন। এ ছাড়া প্রত্যেকটি গ্রামে একজন করে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কর্মী আছে তাদের সাথে পরামর্শ করে গরুর চিকিৎসা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • বানারীপাড়ায় বিশারকান্দিতে ৫০ বছর ধরে ভাসমান সবজি চাষে সফল চাষীরা

    বানারীপাড়ায় বিশারকান্দিতে ৫০ বছর ধরে ভাসমান সবজি চাষে সফল চাষীরা

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নে স্বাধীন হওয়ার পর থেকে প্রায় ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে ভাসমান সবজি চাষ করে এখানকার কৃষকরা সফলভাবে লাভবান হয়েছে। বানারীপাড়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল বিশারকান্দি ইউনিয়ন ভাসমান সবজি চাষের কারণে বহুল আলোচিত। এ ইউনিয়নের বেশিরভাগ মানুষ কৃষিপণ্য ও ভাসমান সবজি উৎপাদনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।
    বাংলাদেশের অনেক জেলার দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতা-ব্যবসায়ীরা সবজি ও সবজির চারা কিনতে আসেন। বানারীপাড়া উপজেলার পাশাপাশি ঢাকা-চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, গলাচিপা,ঝালকাঠি, উজিরপুর, বিভিন্ন স্থান থেকে এই সবজি কেনার জন্য ব্যবসায়ীরা আসেন। এখান থেকে পাইকারি মূল্যে সবজিচারা ও সবজি কিনে থাকেন বিভিন্ন ব্যাবসায়ীরা। এখানে বিভিন্ন ধরনের চারা লাউ,করল্লা ,মিষ্টি কুমড়া,সিম,ঢেঁড়স, পেঁপে, বরবটি, কাঁচা মরিচ, টমেটো ইত্যাদি উৎপাদন করা হয়। ভাসমান সবজি চাষ করার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে সিজনে কচুরিপানা ধরে রেখে মেদা বানাতে হয়। এ ছাড়া খরকুটো, পাটকাঠি, বাঁশের কঞ্চি ও জৈব সার দ্বারা সবজি চাষ করা হয়। সবজি বিলে ও খালে, পুকুরেও মেদা বেঁধে চাষ করা হয়। চাষিদের দেখে এই অঞ্চলের শিক্ষিত বেকার যুবকদের পাশাপাশি নানা শ্রেণী পেশার
    পেশাজীবীরা ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা অবসর সময়ে ভাসমান সবজি চাষে সম্পৃক্ত হয়েছেন। বিশারকান্দি বটতলা বাজার এলাকার কৃষক সামছুল হক হাওলাদার জানান, ভাসমান সবজিচারা ও সবজি উৎপাদন করে আমার বছরে কয়েক লাখ টাকা লাভবান হয়েছে । উমারের পাড়ের কৃষক এমরান হোসেন বলেন,আমার প্রধান জীবিকা নির্বাহের কাজই হলো কৃষি। এই সবজি চাষ করে পরিবার-পরিজন পিতা মাতার ভরণপোষণ ও সন্তানদের লেখাপড়া খুব ভালোভাবেই চলে যাচ্ছে। পদ্মবুনিয়া গ্রামের কৃষক আসলাম জানান ভাসমান সবজি চাষের সাথে আমার বাপ দাদা থেকে শুরু করে আমি ও বর্তমানে চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম শান্ত বলেন, ‘ভাসমান সবজি চাষ এই ইউনিয়নের একটি পুরনো ঐতিহ্য। যা বর্তমানে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এ ইউনিয়নে প্রায় ২০০০ পরিবারের ও বেশি ভাসমান সবজির ওপর নির্ভরশীল হয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। সিজনালি ৫ হাজারের বেশি চাষি সরাসরি এ কাজে যুক্ত। এ সবজি দেশ-বিদেশে রপ্তানি করে কৃষকরা লাভবান হবে। এছাড়া তিনি আরো বলেন,আমি জনগণের সেবকের পাশাপাশি আমিও এই সবজি চাষে যুক্ত আছি। বানারীপাড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাহফুজুর রহমান মুঠো ফোনে জানান,বিশারকান্দি ইউনিয়নের ভাসমান সবজিচারা ও সবজি উৎপাদন করে এই এলাকা বেশ আলোচিত হয়েছে। এই ইউনিয়নের কৃষকদের আমরা বিভিন্ন সহায়তা ঔষধ ও সার বিতরণ পোকামাকড় প্রতিরোধে পরামর্শ ও প্রদর্শন করে থাকি। এছাড়াও আমাদের একটি ভাসমান বেড সবজির প্রকল্প রয়েছে তা থেকে ও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা আমরা করে থাকি।

  • আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের ৫ শতাধিক বাসা বাড়ির অ*বৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

    আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের ৫ শতাধিক বাসা বাড়ির অ*বৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের আশুলিয়া থানার আওতাধীন ধনাইদ ইউসুফ মার্কেট ও গোরাট এলাকায় তিতাস কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০ বাসা বাড়ির অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন।

    মঙ্গলবার (১৬ জুলাই ২০২৪ইং) সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী অভিযান চালিয়েছেন তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। আশুলিয়ার ধনাইদ ইউসুফ মার্কেট ও গোরাট এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।

    আশুলিয়া তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক (বিপণন) আবু সাদাৎ মোঃ সায়েম বলেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আশুলিয়ার তিতাস অফিসের আওতাধীন ধনাইদ ও গোরাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় ৮-১০টি পয়েন্টে প্রায় ৫০০/ বাসা বাড়ির প্রায় ২ কিলোমিটার অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ সময় তিনি আরো বলেন, গ্যাস সংশ্লিষ্ট আইনের যতগুলো ধারা আছে আমরা সবগুলো ধারায় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

    কি ধরণের পদক্ষেপ নিলে অবৈধ গ্যাস সংযোগ থামানো যাবে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্যাস আইন ২০১০, তিতাস গ্যাস বিপণন আইন ২০১৪ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী আইনের আওতায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়, তার সর্বোচ্চ আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তারপরেও আইনি দুর্বলতার সুযোগে এই গ্যাস ব্যবহারকারীরা বারবার অবৈধ সংযোগ দিচ্ছে। জনগণের ভেতরে যে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ গ্যাস চুরি, বড় ধরনের অপরাধ জনজীবন ও জান মালের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, প্লাস্টিকের পাইপসহ ২ ইঞ্চি পাইপ দিয়ে অবৈধ সংযোগ নিয়েছে অনেকেই, এটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, যেকোনো সময় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। মানুষের জান মালের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি, এগুলো নিয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতা থাকা দরকার। এ ধরনের অপরাধ বারবার না করে, আমাদের কোম্পানির পক্ষ থেকে এই অবৈধ সংযোগ না দেয় , তার জন্য যত ধরনের পদক্ষেপ আছে আমরা নিবো।

    আশুলিয়া জোনাল অফিসের উপ-ব্যবস্থাপক আনিসুজ্জামান ও সুমনসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এ সময় যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিলো। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযানের সময় সরকারি কাজে বাঁধা সৃষ্টি করেছে স্থানীয় ৬জন সন্ত্রাসী, তারা তিনটি মোটরসাইকেল যোগে এসে গোরাট এলাকায় কাজে বাঁধা দেয় এবং তিতাস অফিসের লোকজনকে হুমকি প্রদান করে উক্ত বিষয়ে মামলা রেকর্ড করা হবে বলে তিতাস কর্মকর্তারা জানান।

  • টুরিস্ট পুলিশ ঢাকা রিজিয়ন এবং টুর অপারেটর এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ এর মত বিনিময়

    টুরিস্ট পুলিশ ঢাকা রিজিয়ন এবং টুর অপারেটর এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ এর মত বিনিময়

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    টুর অপারেটর এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (টুয়াব) এবং টুরিস্ট পুলিশ ঢাকা রিজিয়ন এর মধ্যে পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে একমত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত টুয়াব হেডকোয়ার্টার্সে। এ সময় উপস্থিত ছিল ঢাকা রিজিয়ন টুরিস্ট পুলিশ সুপার জনাব মোঃ নাইমুল হক পিপিএম, ঢাকার রিজিয়ন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোমেনা খাতুন, টুরিস্ট পুলিশ ঢাকা জোন ইনচার্জ রাকিব আহমেদ। তাছাড়া টুয়াবের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রাফিউজ্জামান প্রেসিডেন্ট টুয়াব,আবুল ফয়সাল এমডি সায়েম ডাইরেক্টর লিগ্যাল অ্যাফেয়ারস,মোঃ নুরুজ্জামান সুমন ডিরেক্টর ফাইন্যান্স সহ টুয়াব এবং টুরিস্ট পুলিশ ঢাকা ডিজিয়নের বিভিন্ন পদবীর কর্মকর্তাবৃন্দ। এ সময় টুয়াব এবং টুরিস্ট পুলিশ একসাথে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে পর্যটনের উন্নয়নের স্বার্থে এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে উভয়পক্ষ একমত হয়। টুয়াব সভাপতি মোহাম্মদ রাফিউজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন, টুরিস্ট পুলিশ বর্তমানে ট্যুরিজমের উন্নয়নের স্বার্থে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে। বিশেষ করে পর্যটকদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে টুরিস্ট পুলিশের গৃহীত পদক্ষেপ প্রশংসনীয়। তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে টুরিস্ট পুলিশের কর্মকাণ্ডে টুয়াবের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। ঢাকা রিজিয়ন টুরিস্ট পুলিশ সুপার জনাব মোঃ নাইমুল হক পিপিএম বলেন, টুয়াব বিভিন্নভাবে টুর অপারেটরদের মাধ্যমে জনগণকে সঠিক সেবা প্রদান করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে টুর অপারেটরদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক এবং দেশে বিভিন্ন মেলায় আয়োজন এবং অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছে। ভবিষ্যতে টুরিস্ট পুলিশের সকল কর্মকান্ডে টুয়াবের সমর্থন এবং অংশগ্রহণ তিনি কামনা করেন।

  • গোদাগাড়ীতে গবাদিপশুর ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ সম্পর্কে  উঠান বৈঠক, মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালিত

    গোদাগাড়ীতে গবাদিপশুর ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ সম্পর্কে উঠান বৈঠক, মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের নমিদানপুর গ্রামে গবাদীপশু পালনকারি ও খামারীদের নিয়ে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ সম্পর্কে সচেতেনতা মূলক উঠান বৈঠক ও ফ্রি ভ্যাটেনারী মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়।
    ১৬ জুলাই সকালে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. শায়লা শারমিনের তত্বাবধানে এ ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন, প্রাণিসম্পদ অফিসের ভিএস ডা. রিপা রানী, এলইও ডা. আরিফুল ইসলাম প্রমূখ।

    ডা. শায়লা শারমিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, প্রাণি সম্পদে ভরবো দেশ, গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ এ নীতিব্যাক্যকে সামনে রেখে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেনারি হাসপাতালের আয়োজনে গবাদিপশু পালনকারীদের বিভিন্নভাবে সেবা দেয়া হচ্ছে তারই অংশ হিসেবে উঠান বৈঠক ও ফ্রি ভ্যাটেনারী মেডিকেল ক্যাম্প করা হয়েছে। ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ সম্পর্কে সচেতন করা হয়েছে, এ রোগ প্রতিরোধ, চিকিৎসা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এখানে শতাধিক পশুর চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গবাদিপশু যেন বৃদ্ধি তার জন্য দূরদুরান্ত থেকে নিয়ে আসা গবাদিপশুর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে পেরেছি। মানুষ গবাদিপশু পালনে আগ্রহী হচ্ছেন। তাই জনগনকে আমরা সঠিক সেবা দেয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করচ্ছি। শিক্ষিত লোকজন গবাদিপশুর খামার করতে এগিয়ে আসছেন। এখানে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে। গোদাগাড়ীতে প্রাণিসম্পদে বিপ্লবে ঘটেছে। কিছু দিন আগেও ভারত থেকে গরু মহিষ আসতো এখন গবাদিপশুর ব্যাপক উন্নয়ন হওয়ায় আর গবাদিপশু আনতে হয় না। এবছর কুরবানীর সময় চাহিদা অনুযায়ী খামারীগণ গবাদিপশু রেডি করেছিল । মাংশের চাহিদার বৃদ্ধির সাথে সাথে উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে গবাদিপশু পালনকারী ও খামারীদের জন্য। একদিন এদের হাত ধরে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে ইনসাল্লাহ।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • পাইকগাছায় বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জ*ব্দ

    পাইকগাছায় বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জ*ব্দ

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।
    পাইকগাছায় বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই ব্যবসায়ী কে জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ কৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের বাঁকা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন। এসময় বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ৪০ হাজার মিটার সরকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ এবং কারেন্ট জাল বিক্রয় করার অপরাধে দুই ব্যবসায়ী কে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ এর আওতায় ৭ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা কাওছার আকন ও ক্ষেত্রসহকারী রণধীর সরকার উপস্থিত ছিলেন।

  • পাইকগাছায় পানিতে ডু*বে  শিশুর মৃ*ত্যু

    পাইকগাছায় পানিতে ডু*বে শিশুর মৃ*ত্যু

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি:
    পাইকগাছায় পানিতে ডুবে আব্দুর রহমান নামের এক বছর বয়সের এক শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের দেবদুয়ার এলাকায় হৃদয় বিদারক এ ঘটনা ঘটে। মৃত শিশু আব্দুর রহমান দেবদুয়ার আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা বরকত সানার ছেলে। মৃতের পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় সকাল ১০টার দিকে আব্দুর রহমান বসতবাড়ীতে খেলা করছিল। এসময় সে সকলের অগোচরে বাড়ির পিছনে ঘেরের পানিতে পড়ে গিয়ে ডুবে যায় । পরবর্তীতে অনেক খোঁজা খুঁজির এক পর্যায়ে তার মা রূপালী বেগম ঘেরের পানিতে ভাসতে দেখে তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ শাকিলা আফরোজ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলে ওসি ওবাইদুর রহমান জানান।