পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
আগামী ২ আগস্ট জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র পিসি রায়ের ১৬৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন এ প্রস্তুতি সভার আয়োজন করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনন্দ মোহন বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান স ম আব্দুল ওয়াহাব বাবলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অনিতা রাণী মন্ডল, ওসি ওবাইদুর রহমান, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ শাহদাত হোসেন বাচ্চু, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সমরেশ রায়। উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ, শেখ জিয়াদুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ গোলদার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র ঘোষ, হাবিবুল্লাহ বাহার, উপাধ্যক্ষ উৎপল কুমার বাইন, প্রধান শিক্ষক গৌতম মন্ডল ও সঞ্চয় মন্ডল, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন ও মোঃ আব্দুল আজিজ সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠান প্রধানগন। সভায় শোক দিবসের উপর শ্রদ্ধা রেখে আগামী ২ আগস্ট জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র পিসি রায়ের ১৬৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান সফল করতে বিভিন্ন উপ কমিটির দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করতে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
Blog
-

বিজ্ঞানী পিসি রায়ের ১৬৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
-

ইমতিয়াজ আহমেদ জাবিরের দাফন সম্পন্ন
আজিজুল ইসলামঃ
সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে ঢাকার আন্দোলনে যোগ দিয়ে সংঘর্ষে নিহত ইমতিয়াজ আহমেদ জাবির (২৩) যশোরের ঝিকরগাছার দেউলি গ্রামে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার রাতে ঝিকরগাছা উপজেলার দেউলি গ্রামের আতিয়ার রহমান খান হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জাবিরের বাবা জানান ১৭ জুলাই সাউথইষ্ট ভার্সিটির ক্যাম্পাসের সামনের রাস্তায় গুলিতে আহত হন জাবির। ওই দিনই বিকেলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। খবর পাওয়া মাত্রই একমাত্র মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নওশের আলী দম্পত্তি ঢাকা মেডিকেলে ছুটে যান।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ছেলের কাছে আমরা পৌঁছাতে পারি। ততক্ষনে জাবির কোমায় চলে গেছে। বার বার ছেলেকে ডেকেও শেষ কথাটি শুনতে পারিনি। তারপরও বুকে আশা নিয়ে ছেলের কাছে ছিলাম। কিন্তু গতকাল শুক্রবার সকালে সবাইকে শোক সাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমায় জাবির।
মেডিকেলের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।উল্লেখ্য যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি গ্রাম দেউলী। এই গ্রামের এক মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারের সন্তান ইমতিয়াজ আহমেদ জাবির (২৩)। কৃষক নওশের আলী ও গৃহিনী শিরিনা আক্তার দম্পত্তির ২ সন্তানের মধ্যে জাবির বড়।
জাবির ২০১৮ সালে বাগআঁচড়া হাই স্কুল থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নাভারণ আকিজ কলিজিয়েটস্কুল এন্ড কলেজে উচ্চমাধ্যমিকে (আইএ) ভর্তি হন। এই কলেজ থেকে মানবিক বিভাগের ছাত্র হিসেবে জিপিএ-৫ পেয়ে ২০২১ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়। জাবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ না পেয়ে ২০২১-২২ শিক্ষা বর্ষে ঢাকার সাউথইস্ট ইউনির্ভাসিটিতে বিবিএ কোর্সে ভর্তি হন। -

ছনহরায় মোখলেছুর রহমান শাহ মাজারের পুনঃনির্মাণ কাজ শুরু
মহিউদ্দীন চৌধুরী।।
পটিয়া উপজেলার ছনহরায় শাহ সূফী মোখলেছুর রহমান শাহ আল- মাইজভান্ডারীর (রহ.) মাজারের পুনঃনির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে মাজার প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুনঃনির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে খতমে কুরআন, মিলাদে মোস্তফা (দ.) ও সবশেষে মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।খন্দকার মাস্টার মুহাম্মদ আব্দুল গণির সার্বিক পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, মাজার উন্নয়ন ও ওরশ পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার আনিছ আহমদ। উপস্থিত ছিলেন ছাদেকুর রহমান, এখলাছুর রহমান আলমদার, আব্দুস সালাম আলমদার, বেলাল চৌধুরী, ওসমান আলমদার, রিজুয়ানুল হক আলমদার, রফিক মেম্বার, বাদশা মিঞা লেদু মুন্সি, ছৈয়দুলক চৌধুরী, হাবিবুল্লাহ মাস্টার, আরমান আলমদার, আইয়ুব আলমদার, আব্দুর রাজ্জাক, আবুল হোসেন, নুর হোসেন, শহীদুল ইসলাম তালুকদার, তৈয়ব আলী আলমদার, আরিফ আলমদার লিটন, হাবিবুল্লাহ আলমদার, মুহাম্মদ আবছার আলমদার, মো. মঈন আলমদার, মো. শহীদ আলমদার, মো. নাছির আলমদার, মো. আইয়ুব আলী, মো. ফজল খন্দকার, মো. খালেক খন্দকার, মো. ইলিয়াছ, খোরশেদ আলমদার, মুজিব চৌধুরী, রাসেল আলমদার, আরিফ আলমদার, সেলিম উল্লাহ খন্দকার প্রমুখ।
-

অনলাইন ভিত্তিক সংগঠন ঝিনেদার আঞ্চলিক ভাষা ফাউন্ডেশনে’র সভা অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
আঞ্চলিক ভাষা রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে শনিবার সকালে ঝিনাইদহের অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় সংগঠন ঝিনেদার আঞ্চলিক ভাষা ফাউন্ডেশনের এক মতবিনিময় সভা ও গ্রæপ ক্রিয়েটর আমেরিকা প্রবাসি তরিকুল ইসলাম মিঠুর সংর্বধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।ঝিনাইদহ জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক আসিফ ইকবাল কাজল।দুই দিন ব্যাপী এই সংর্বধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ঝিনাইদহ চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা জোহান ড্রিম ভ্যালির মালিক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম মিঠু, সাইফুল ইসলাম লিকু, মাসুদ রানা, ফিরোজা জামান আলো, মোরশেদ আলম, নাজমুল হাসান সবুজ, সাইদুল ইসলাম টিটো, মহাব্বত আলী, নিপা জামান, সুরভি ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, জাম্মিম সবুজ, কবি ও সাহিত্যিক এমদাদ শুভ্র, মেহেদী হাসান সুমন, শরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মেন্দি ও আনিছুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে পরিচালনা করেন আঞ্চলিক ভাষার গবেষক ও বিশিষ্ট ব্যাংকার এনামুল হক।প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ঝিনাইদহ চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, জেলার আঞ্চলিক ভাষা আমাদের প্রাণ। শিশুকাল থেকে আমরা মায়ের ভাষা রপ্ত করে আঞ্চলিকতা প্রাধান্য দিয়ে আসছি। ঝিনেদার আঞ্চলিক ভাষা চার্চার মাধ্যমে এই ভাষাকে সমুন্নত রাখতে সংগঠনটি প্রধান ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। তিনি নিজ নিজ সন্তানদেরকে আঞ্চলিক ভাষা শেখানোর পাশাপাশি তাদের আদার ও শাসন করার তাগিদ দেন।সংর্বধনার জবাবে গ্রæপ ক্রিয়েটর ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমেরিকা প্রবাসি তরিকুল ইসলাম মিঠু বলেন, বিশ^ব্যাপী আঞ্চলিক ভাষা ছড়িয়ে দেওয়ার এক যুগ সন্ধিক্ষনে এই সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। ঝিনেদার আঞ্চলিক ভাষা ফাউন্ডেশন এখন অনেক বড় একটি অনলাইন ভিক্তিক প্লাটফর্ম। অনুষ্ঠানের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক আসিফ ইকবাল কাজল বলেন, ঝিনাইদহের ভাষা মিষ্টি ও মধুর। এই ভাষায় রয়েছে মাটির টান। আমরা জেলার আঞ্চলিকা ভাষা হারিয়ে যেতে দেব না। নিয়মিত নিজের সন্তানকে এই ভাষা শিখিয়ে আঞ্চলিকতাকে পুর্নতা দিতে বদ্ধপরিকর। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের ক্রেষ্ট ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ। -

পাইকগাছায় ৪ দলীয় নক আউট ফুটবল টূর্ণামেন্টের উদ্বোধন
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।
পাইকগাছার দেবদুয়ার শেখপাড়া ফুটবল একাডেমী কর্তৃক আয়োজিত ৪ দলীয় নক আউট ফুটবল টূর্ণামেন্ট-২০২৪ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের দেবদুয়ার শেখপড়া মাঠে তিনদিন ব্যাপি এ ৪ দলীয় নক আউট ফুটবল টূর্ণামেন্টের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতম দিনের উদ্বোধনি খেলায় খোরশেদ ফুটবল একাডেমী ধামরাইল ও ফকরাবাদ আদর্শ যুব সংঘ অংশ গ্রহণ করে। খেলার উদ্বোধন করেন ২নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ আমিনউদ্দীন গাজী ও মোঃ শাহাবুদ্দিন গাইন। দেবদুয়ার শেখপাড়া ফুটবল একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ রাসেল হোসেন রাজার সভাপতিত্বে খেলায় উপস্থিত ছিলেন, শেখ রফিকুল ইসলাম, শেখ আহম্মদ আকুঞ্জি, শেখ রিয়াজুল আকুঞ্জি, শেখ এনামুল হোসেন, মোঃ আলী সরদার, মোঃ শাহাজাদা খান, শেখ টিকু আকুঞ্জি, শেখ মিকাইল আকুঞ্জি, শেখ রাসেদুজ্জামান ফিনিশ, শেখ আছাদুজ্জামান ময়না, শেখ তারিপ আকুঞ্জি, সাবেক ইউপি সদস্য শেখ ইবাদুল হক, শেখ সোহেল রানা, শেখ হাবিবুর রহমান, শেখ ফয়সাল আকুঞ্জি, শেখ আজমল হোসেন, খেলায় স্বাগতিক দেবদুয়ার শেখপাড়া ফুববল একাডেমী বনাম কাদাকাটি ফুটবল একাদশ অংশ গ্রহণ করবেন। আগামী রবিবার বিকালে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন খেলার সমন্বয়ক শেখ রাসেল হোসেন রাজা।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা, খুলনা। -

শীঘ্রই স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যেতে পারবো আমরা – মোংলায় নৌবাহিনী প্রধান
বায়জিদ হোসেন।।
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেছেন, গত ২০জুলাই সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের পরই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এবং খুব শীঘ্রই স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যেতে পারবো আমরা। দেশের স্বার্থ বিরোধী ও অপতৎপরতা রোধে সশস্ত্রবাহিনী অন্যান্য বাহিনীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাবে।
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে মোংলা বন্দরসহ সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তার বিষয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জেটিতে সাংবাদিকদের সাথে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি বন্দরসহ এ এলাকায় নৌবাহিনীর কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন নৌবাহিনীর খুলনাঞ্চলের এরিয়া কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোঃ শাহীন রহমান। তিনি আরো বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি বেড়েছে। এজন্যই মোংলা বন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দর ও সংলগ্ন ইপিজেড, এলপিজি জোন, পাওয়ার গ্রীডের মত গুরুত্বপূর্ণ এ সকল স্থাপনার নিরাপত্তায় নৌবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে।
সশস্ত্রবাহিনী মোতায়েনের ফলে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। আমাদের এই কর্মকাণ্ডে আপনাদের (গণমাধ্যম) মাধ্যমে আপামর জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি আরো বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য দায়িত্বশীল মিডিয়ার কোন বিকল্প নেই। তাই আপনারা উন্নয়ন-অগ্রগতিসহ সার্বিকভাবে আমাদের কর্মকান্ডে সহায়তা করবেন। -

লাখো মুসল্লির জানাজা শেষে ছারছীনা শরীফের পীর সাহেবের দা*ফন সম্পন্ন
আনোয়ার হোসেন
স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি //ছারছীনা শরীফের পীর সাহেব আলহাজ্ব মাওলানা শাহ মুহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহর(৭০) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা মরহুম পীর সাহেব মাওলানা নেছার উদ্দিন আহমেদ, পিতা মাওলানা আবু জাফর মুহাম্মদ ছালেহ’র পাশে তাকে দাফন করা হয়েছে। তিনি মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২ টা ১১ মিনিটে ঢাকার সেন্ট্রাল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন(ইন্নালিল্লাহি——রাজিউন)। বুধবার সকালেই তার লাশ ঢাকার মহাখালির গাউসুল আজম মসজিদে নেওয়া হয়। সেখান থেকে বিকেল সাড়ে চারটার সময় তার কফিন নিয়ে রওয়ানা করে রাত সোয়া ১১ টায় ছারছীনা শরীফে পৌছায়। পথে পথে তার ভক্ত মুরিদরা দাড়িয়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সেকারনে কফিনবাহী বহর সাড়ে ৩ ঘন্টার পথ পাড়ি দিতে ৮ ঘন্টা সময় লেগেছে। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে গোটা দেশ থেকে ছারছীনা দরবারের মুরিদ,ভক্ত,রা ছারছীনায় আসতে শুরু করে। হাজার হাজার মুরিদরা অনবরত ছারছীনায় প্রবেশ করছেন। রাতে যখন কফিন নিয়ে ছারছীনা দরবারে পৌছায় তখন হাজার হাজার মুৃরিদান জড়ো থাকায় গাড়ীর বহরে থাকা অর্ধশতাধিক গাড়ীর মধ্যে মাত্র ৬ টি গাড়ী প্রবেশ করতে পেরেছে। মাগুরা থেকে দরবারে গেট হয়ে পীরসাহেবের বৈঠকখানা(কুতুবখানা) পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার পথ মানুষে সয়লাব হয়ে যায়। বুধবার সকাল থেকে মাদ্রাসার হাজার হাজার শিক্ষক, ছাত্র ও খাদেমগন কুরআন খতম দোয়া ও তসবিহ পাঠ করতে থাকেন। মূল ফটকে গাড়ীর বহর পৌছার সাথে সাথে গোটা ছারছীনার আকাশবাতাস কান্নার রোলে ভারী হয়ে ওঠে। লাশ বহনকারী গাড়ীসহ বহরের ৬ টি গাড়ী এ পথ অতিক্রম করতে আধাঘন্টা সময় লেগে যায়।
এসময় নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরুজ্জামান, স্বরূপকাঠি পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম কবির, ওসি গোলাম সরোয়ার, ভান্ডারিয়া থানার ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন, ছারছীনা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রুহুল আমীন অফসারী ,সাবেক অধ্যক্ষ ড,সৈয়দ শরাফত আলী, মাদ্রাসার শিক্ষক মন্ডলী ও দরবারের সিনিয়র মুরিদ খাদেমগন উপস্থিত থেকে সব কিছু পর্যবেক্ষন ও নিয়ন্ত্রন করেন। রাতেই দরবারের স্থায়ী মঞ্চে সকলের দেখার জন্য কফিন রাখা হয়। পীরসাহেবকে শেষ বারেমত দেখার জন্য দীর্ঘ লাইন রাত থেকে জানাজার পূর্ব পর্যন্ত শেষ হয়নি। অনেক বয়েবৃদ্দ মুরিদরা ভীর ঠেলে শেষ বারের মত শায়েখের লাশ দেখতে না পারার আফসোস করে দু’হাত তুলে বলেছেন আল্লাহ শায়েখকে জান্নাতবাসী করান।
বেলা ৩ টায় লাখো মুসল্লির অংশ গ্রহনে জানাজা পড়ান পীর সাহেবের বড় সাহেবজাদা,বর্তমান দায়ীত্ব গ্রহন করা গদীনশীন পীর সাহেব আলহাজ মাওলানা শাহ আবু নসর নেছার উদ্দিন হোসাইন আহমেদ। এর পূর্বে পীর সাহেবের ওয়াছিহতের কথা ঘোষনা করেন ফুরফুরা শরীফের পীর সাহেব মাওলানা মেশকাত ছিদ্দিকী। এরপর চিলছিরত এর নিয়ম অনুযায়ী বর্তমান দ্বায়ীত্ব প্রাপ্ত পীরসাহেবের কাছে সকল মুরিদানরা বয়াত হন এবং মোনাজাত করেন।জানাজায় শরীক হন মো. মহিউদ্দিন মহারাজ, সাবেক সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামীলগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএমএ আউয়াল, পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামীলীগের জাতিয় পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মো.শাহ আলম, বরিশাল-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. শাহে আলম, বরিশাল সিটি করেপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদেক আব্দুল্লাহ, মাওলানা কাফিল উদ্দিন ছালেহী সহ বিভিন্ন স্থান থেকে আগত বিশিষ্ট জনেরা।
-

পানছড়িতে মা মনসা পুঁথি পাঠের আসর জমে উঠেছে গোপাল হাজারীর বাড়িতে
মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়ির পানছড়িতে মনসাপূজা উপলক্ষে মাসব্যাপী বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে গোপাল হাজারীর বাড়িতে দলবেঁধে মনসা পুঁথি পাঠ করছেন পুরুষরা।এই সময় বিভিন্ন গানের সুরের সঙ্গে একজন একজন করে একাধিক পুরুষ পুঁথির কলি পাঠ করছেন এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত নারী ও পুরুষরা তাতে ঠোঁট মিলিয়ে গেয়ে যাচ্ছেন।
১৭ জুলাই (বুধবার ) রাত ১১ টার সময় পানছড়ি বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল হাজারীর উদ্যোগে তার বাড়িতে জমজমাট পুঁথি পাঠের আসরের দৃশ্য দেখা যায়।যা চলবে ভোর রাত পর্যন্ত।
জানা যায়, মনসা একজন লৌকিক দেবী। তার অসাধারণ জনপ্রিয়তার কারণে হিন্দু সমাজের সকল সম্প্রদায় তাকে দেবী হিসেবে মর্যাদা দেয়।দেবী মনসার পূজা আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে পালন করে। বর্ষার প্রকোপে এ সময় সাপের বিচরণ বেড়ে যায়, তাই সাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ভক্তকূল দেবীর আশ্রয় প্রার্থনা করে। এছাড়া ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্তুতির জন্য সর্পদেবীর ভক্ত তার দ্বারস্থ হয়।
মনসা পূজা উপলক্ষে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার নারী/পুরুষরা শ্রাবণ মাসের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি ঘুরে মনসার পুঁথি পাঠ করেন। পুঁথিপাঠের আসরের এ আয়োজন চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। সারাদিনের সকল কাজকর্ম সেরে রাত ১১টা থেকে পুঁথিপাঠে অংশ নেন পুরুষরা।আর নারীদের অংশগ্রহণ দেখা যায় বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত।
পুঁথিপাঠক বিপ্লব পাল বলেন,আমরা অনেক বছর যাবত দেবী মনসার পূজা উপলক্ষে পুঁথি পাঠ করি। আমি ছোট বয়স থেকে বিভিন্ন বাড়িতে বাড়িতে,বিভিন্ন মন্দিরে বন্ধুদের সঙ্গে পুঁথিপাঠে অংশগ্রহণ করে আসছি।
গোপাল হাজারী বলেন, মনসার পুঁথিপাঠের বিষয়টি শুধুই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি একই সঙ্গে সংস্কৃতির অংশ। মনসার কাহিনি নিয়ে কালজয়ী সাহিত্য রচিত হয়েছে। তবে অঞ্চলভেদে পুঁথি ও তার পঠনরীতি আলাদা। শ্রাবণ মাসের প্রথম দিন থেকে এই পুঁথিপাঠ আরম্ভ হয়, চলে মাসব্যাপী।আর পানছড়িতে প্রথম আমার বাবা জোগেশ চন্দ্র হাজারী ও মা শিশুবালা হাজারি ১৯৪৮ সালের দিকে পুঁতি পাঠের আসর দিয়েছিলেন।আর সেখান থেকে পানছড়ির বিভিন্ন এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে পুঁতি পাঠের আসর হতো।প্রতিবছর আমরা শ্রাবণ মাসের প্রথম দিন ও শেষ দিন পুঁতি পাঠের আসরের আয়োজন করে থাকি।
পালাগান, কবিগান ও পুঁথিপাঠের আসর মানুষের মাঝে দারুণ প্রভাব ফেলে। অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশে গ্রামীণ ও লোকজ সংস্কৃতির এ ধরনের অনুষ্ঠানে নানা বর্ণের মানুষের ভিড় থাকত চোখে পড়ার মতো। একসময় গ্রামেগঞ্জে প্রতিনিয়ত এসব অনুষ্ঠান হলেও কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে যাচ্ছে।
-

কোট বি*রোধীদের উপর হাম*লার প্রতি*বাদে ঝিনাইদহে ছাত্রদলের বিক্ষো*ভ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর হামলা ও তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে বুধবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদল। দুপুরে সাড়ে ১২টার দিকে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের মডার্ন মোড় এলাকায় শেষ হয়। মিছিল শেষে এক সমাবেশ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এস এম সোমেনুজ্জামান সোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মানিক, ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন, মাহবুব মিলু, আব্দুস সালাম ও শাহেদুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, এই ফ্যাসিষ্ট হাসিনা ও তার পেটোয়া বাহিনী সাধারণ ছাত্রদের উপর গুলি চালিয়ে কোট আন্দোলন নসাৎ করতে চাই। কিন্তু তাদের ইতিহাস জানা নেই যে, ছাত্ররা রাজপথে নামলে পালানোর পথ থাকে না। ছাত্র নেতৃবৃন্দ পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও সেনাবাহিনীকে নিরপেক্ষ থাকার আহবান জানিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়ানোর আহবান জানান। এদিকে একই সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা লাঠি ও লাল সবুজের পতাকা নিয়ে ঝিনাইদহ শহরের শেরে বাংলা সড়ক থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি সরকারী বালক বিদ্যালয় এলাকা থেকে শুরু হয়ে শহরে প্রবেশ করতে চাইলে খাদ্যগুদাম এলাকায় পুলিশ বাধা দেয়। ফলে তারা শহরের গোরস্থান এলাকায় সমাবেশ শেষ করে।আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ। -

নবাগত গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফুলদিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন যুবলীগ সভাপতি
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার নবাগত নির্বাহী অফিসার মো: আবুল হায়াতের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন গোদাগাড়ী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহঃ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, সুনন্দন দাস ওরফে রতন দাস। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা পরিষদ অডিটারিয়ামে
পরে যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ
৯ টি ইউনিয়ন থেকে আগত আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকগণ ফুলের শুভেচ্ছা জানান নবাগত ইউএনও কে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল সরকার, মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ খাইরুল ইসলাম, রিশিকুল ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম টুলু, ছাত্রলীগ নেতা পারভেজ মোশারফ বাবু প্রমূখ।
মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী।