পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় দিনব্যাপী ফল মেলা অনুষ্ঠিত ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর আয়োজন করে। মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া মেলায় স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন এর সভাপতিত্বে মেলা ও গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনন্দ মোহন বিশ্বাস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসীম কুমার দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সম আব্দুল ওয়াহাব বাবলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অনিতা রাণী মন্ডল ও সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, বি এ ডি সি’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক নাহিদুল ইসলাম । উপস্থিত ছিলেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিষ্ণু পদ বিশ্বাস, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এস এম মনিরুল হুদা, সহকারী সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহজাহান আলী, খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান, শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যুৎ রঞ্জুন সাহা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, সমাজ সেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস, সমবায় কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির, সহকারী প্রোগ্রামার মৃদুল কান্তি দাশ, ইউ আর সি ইন্সট্রাক্টর ঈমান উদ্দিন, একাডেমিক সুপার ভাইজার মীর নূরে আলম সিদ্দিকী, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ঘোষ, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখ তোফায়েল আহমেদ তুহিন, বিশ্বজিৎ দাশ, এনামুল হক, সরাজ উদ্দিন মোড়ল, আফজাল হোসাইন, সুব্রত দত্ত, আবুল কালাম আজাদ, ইয়াসিন আলী, নাহিদ মল্লিক, এস এম মফিজুর রহমান, ইমরান হোসেন, উত্তম কুমার কুন্ডু, ফয়সাল আহমেদ, সুমিত দেবনাথ, জান্নাতুল ফেরদৌস মুনিয়া, আব্দুল্লাহ, আতাউল্লাহ, মৃণাল সরকার, আনোয়ার হোসেন, রুবাইয়া খাতুন, কমলেশ দাশ, শামীম আফজাল, তাপস সরকার, দেবদাস রায়, তারিফুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, সোহাগ হোসেন, আকরাম হোসেন, শিক্ষার্থী মুক্তা খাতুন, নয়ন মনি বিশ্বাস, তুরানি আক্তার রাসা, পম্পা চক্রবর্তী, পূজা মন্ডল ও ফারজানা ইয়াসমিন।
Blog
-

পাইকগাছায় ফল মেলা অনুষ্ঠিত ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ
-

চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণ সভায় বক্তারা পাইকগাছা কয়রার মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন সাবেক এমপি নুরুল হক
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
আধুনিক পাইকগাছা কয়রা গড়ার উন্নয়নের রুপকার ছিলেন সাবেক এমপি এডভোকেট শেখ মোঃ নুরুল হক। তিনি নব্বই দশকে দুঃসময়ে আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিক ভাবে ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী করেন। পাশাপাশি দুই উপজেলার প্রতিটি এলাকা উন্নয়নের আওতায় নিয়ে আসেন। তিনি দুই বার সংসদ সদস্য ছিলেন। এমন কোন এলাকা নাই যেখানে তার উন্নয়নের ছোঁয়া নাই। তিনি তার কর্মের মাঝে পাইকগাছা কয়রার মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। সোমবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণ প্রয়াত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোঃ নুরুল হক নিয়ে এমন স্মৃতি চারণ করেন দলীয় নেতাকর্মীরা। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও সাবেক এমপি এডভোকেট সোহরাব আলী সানা। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনন্দ মোহন বিশ্বাস এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি পুত্র ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সমীরণ সাধু, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গী, রুহুল আমিন বিশ্বাস, আলহাজ্ব মুনছুর আলী গাজী, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়ার্দার, রিপন কুমার মন্ডল, কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সম আব্দুল ওয়াহাব বাবলু, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অনিতা রাণী মন্ডল, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, আওয়ামী লীগ নেতা হেমেশ চন্দ্র মন্ডল, নির্মল মন্ডল, শেখ হেদায়েত আলী টুকু, নির্মল অধিকারী, বিভূতি ভূষণ সানা, বিজন বিহারী সরকার, গোলাম রব্বানী, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, জি এম ইকরামুল ইসলাম, ভূধর চন্দ্র বিশ্বাস, মশিউর রহমান, মৃন্ময়, তৃপ্তি রঞ্জন সেন, যুবলীগ নেতা অহেদুজ্জামান মোড়ল, অখিল কুমার মন্ডল, শেখ রাজু আহমেদ, পবিত্র মন্ডল, মিজানুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, সুব্রত সানা, জুলি শেখ, নাজমা কামাল, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক ফাইমিন সরদার। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা তারেক মাহমুদ। অনুরূপভাবে বিকালে মরহুমের পুরাইকাটীস্থ বাসভবনে পারিবারিক ভাবে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সাবেক এমপি পুত্র আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা উপাধ্যক্ষ আফসার আলী, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, শেখ আব্দুল ওহাব, শেখ সেলিম, আলাউদ্দিন, শেখ মাসুদুর রহমান, শেখ সোহরাওয়ার্দী, মাহফুজ হক কিনু, শেখ তোফায়েল আহমেদ তুহিন, তৌফিক হোসেন তাজ, কারী লিয়াকত আলী, মুজিবুর রহমান মোড়ল, ছাত্রলীগ নেতা শেখ আশফাকুল ইসলাম সম্পদ, আশরাফুল ইসলাম শামস, ইয়াসিন আরাফাত ও রাকিব। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা শরিফুল ইসলাম। -

ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের বিকল্প নাই,এমপি ফারুক চৌধুরী
আলিফ হোসেন, তানোরঃ
রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিতসভা আয়োজন করা হয়েছে। জানা গেছে, গত ২৭ জুলাই শনিবার উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপনের সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকারের সঞ্চালনায় আয়োজিত বর্ধিতসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান তানভির রেজা ও সোনীয়া সরদার প্রমুখ।এছাড়াও দুটি পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়নের (ইউপি) আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের সকল কমিটির সভাপতি-সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন।
এদিন প্রধান অতিথি তার বক্তব্য ফারুক চৌধুরী এমপি দেশবিরোধী অপশক্তি জামায়াত-বিএনপিকে মোকাবেলার জন্য সকলকে প্রস্তুত থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, দেশ পরিচালনায় আওয়ামী লীগ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার যেমন কোনো বিকল্প নাই, ঠিক তেমনি রাজনৈতিক লক্ষ্যে পৌচ্ছাতে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে
ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নিজেদের অস্থিত্ব রক্ষায় যেমন ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের প্রয়োজন: তেমনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক গণতন্ত্রের ধারক-বাহক আওয়ামী লীগকেও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, অন্যথায় আওয়ামী লীগের পক্ষে তার রাজনৈতিক লক্ষ্যে পৌচ্ছা ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে বিএনপি-জামায়াত ফের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা আবারো জ্বালাও-পোড়াও-অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করেছে। তিনি বলেন, তাদের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ ও তাদের রুখে দিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে নিয়ে জামায়াত-বিএনপি অপশক্তিকে প্রতিহত করার পাশাপাশি আওয়ামী লীগকে জ্ঞানভিত্তিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এজন্য ঐক্যবদ্ধ
আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নাই।
তিনি বলেন, তৃণমুল নেতাকর্মীদের মাঝে পৌচ্ছে দিতে হাবে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দর্শন। তার মতে মূখে কেবল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের কথা বললেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দর্শন কি, অর্থনৈতিক কর্মসূচী তথা উৎপাদন, উন্নয়ন, বিনিয়োগ-কর্মসংস্থান এবং আধিপত্যবাদ-সম্প্রসারণবাদ কি ও তার ক্ষতির দিকগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা যে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের নেই প্রশ্নে আপোষহীণ সে বিষয়টি সকল নেতাকর্মীদের হৃদয়ে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তা ছড়িয়ে দিতে হবে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে। বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে আমরা কি পেয়েছি। তিনি বলেন, আমরা কেনো আওয়ামী লীগ করি, অন্যদলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পার্থক্য কি, মানুষ কেনো আওয়ামী লীগকে ভালোবাসে ও সমর্থন করে-এসব বিষয়ে তৃণমুল পর্যায় থেকে শুরু করে সকল নেতাকর্মীদের মাঝে সুস্পষ্ট ধারণা তথা দিকনির্দেশনা থাকতে হবে। তাহলে তারা দলের প্রতি আরও নিবেদিত হয়ে কাজ করতে পারবেন। আগামীতে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে নিয়ে এলাকায় আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিক ভাবে আরো শক্তিশালী, বেগবান ও সু-প্রতিষ্ঠিত করা হবে। পাশাপাশি এই অঞ্চলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। আওয়ামী লীগ হলো অসাম্প্রদায়িক, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের প্রতীক। মানুষ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতেই আওয়ামী লীগকে বার বার রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চাই। সাধারণ মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার রক্ষায় আওয়ামী লীগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, আগামীতেও যাবে। আওয়ামী লীগ আগামীতে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলন ছিল গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরণ। তিনি সম্পূর্ণ অহিংস পদ্ধতিতে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বহুমাত্রিক প্রতিভাসম্পন্ন ত্রিকালদর্শী পুরুষ ছিলেন, তিনি অতীত জানতেন, বর্তমান বুঝতেন ও ভবিষ্যত পড়তে পারতেন। তার ইতিহাস বোধ বাঙালী জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছিল। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের সোনার বাংলা গড়ার পথ দেখিয়েছেন। বাঙালীর কি চাওয়া, তাদের দাবি, আশা ও আকাঙ্ক্ষা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। মানুষের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা খুব গভীর ছিল। তার ডাকে সকল মানুষ এক হয়ে যেত। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, যারা বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করে তারা মুলত বাংলাদেশকেই অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, জামায়াত-বিএনপি দেশব্যাপী যে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃস্টি ও রাস্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করেছেন, এর বিচার তিনি জনগণের উপর ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশের মানুষ এদের বিচার করবেন।# -

পাইকগাছার চাঁদখালীতে সাবেক হুইপ সুজা’র স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক হুইপ এস এম মোস্তফা রশিদী সুজার ষষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে পাইকগাছার চাঁদখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ এ স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে । স্বেচ্ছাসেবক লীগের ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুনছুর আলী গাজী। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাংবাদিক তৃপ্তি রঞ্জন সেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ক সম্পাদক জিএম তৈয়বুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক জিএম বাশারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক ও সাংবাদিক বি সরকার। কমল জিয়ার পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন আ’লীগ নেতা আ: রহিম সরদার, ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি মোঃ আঃ করিম মোড়ল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের তেজেন মন্ডল, হিল্লোল সরকার, হাফিজুল ইসলাম, মোঃ জাহিদ হাসান, মোঃ আখতারুজ্জামান গোলাম রব্বানী, বাহারুল ইসলাম বাবু, নান্টু সরদার, সেলিম হোসেন, ফিরোজ সরদার, মাসুম, রাসেল কবির, মহিদুল ইসলাম, আবু সায়েদ, হেলাল গাইন, মোঃ জামশেদ, আবু মুছা, রবিউল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম ডাবলু, গৌতম মন্ডল, তুষার কান্তি বাছাড়, ইসমাইল হোসেন, সুজন গাজী, রবিউল ইসলাম রবি ও আইয়ুব আলী গাইন। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ আতাউল গনি।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা, খুলনা। -

বিজ্ঞানী পিসি রায়ের ১৬৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
আগামী ২ আগস্ট জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র পিসি রায়ের ১৬৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন এ প্রস্তুতি সভার আয়োজন করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনন্দ মোহন বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান স ম আব্দুল ওয়াহাব বাবলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অনিতা রাণী মন্ডল, ওসি ওবাইদুর রহমান, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ শাহদাত হোসেন বাচ্চু, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সমরেশ রায়। উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ, শেখ জিয়াদুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ গোলদার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র ঘোষ, হাবিবুল্লাহ বাহার, উপাধ্যক্ষ উৎপল কুমার বাইন, প্রধান শিক্ষক গৌতম মন্ডল ও সঞ্চয় মন্ডল, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন ও মোঃ আব্দুল আজিজ সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠান প্রধানগন। সভায় শোক দিবসের উপর শ্রদ্ধা রেখে আগামী ২ আগস্ট জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র পিসি রায়ের ১৬৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান সফল করতে বিভিন্ন উপ কমিটির দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করতে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। -

ইমতিয়াজ আহমেদ জাবিরের দাফন সম্পন্ন
আজিজুল ইসলামঃ
সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে ঢাকার আন্দোলনে যোগ দিয়ে সংঘর্ষে নিহত ইমতিয়াজ আহমেদ জাবির (২৩) যশোরের ঝিকরগাছার দেউলি গ্রামে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার রাতে ঝিকরগাছা উপজেলার দেউলি গ্রামের আতিয়ার রহমান খান হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জাবিরের বাবা জানান ১৭ জুলাই সাউথইষ্ট ভার্সিটির ক্যাম্পাসের সামনের রাস্তায় গুলিতে আহত হন জাবির। ওই দিনই বিকেলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। খবর পাওয়া মাত্রই একমাত্র মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নওশের আলী দম্পত্তি ঢাকা মেডিকেলে ছুটে যান।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ছেলের কাছে আমরা পৌঁছাতে পারি। ততক্ষনে জাবির কোমায় চলে গেছে। বার বার ছেলেকে ডেকেও শেষ কথাটি শুনতে পারিনি। তারপরও বুকে আশা নিয়ে ছেলের কাছে ছিলাম। কিন্তু গতকাল শুক্রবার সকালে সবাইকে শোক সাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমায় জাবির।
মেডিকেলের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।উল্লেখ্য যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি গ্রাম দেউলী। এই গ্রামের এক মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারের সন্তান ইমতিয়াজ আহমেদ জাবির (২৩)। কৃষক নওশের আলী ও গৃহিনী শিরিনা আক্তার দম্পত্তির ২ সন্তানের মধ্যে জাবির বড়।
জাবির ২০১৮ সালে বাগআঁচড়া হাই স্কুল থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নাভারণ আকিজ কলিজিয়েটস্কুল এন্ড কলেজে উচ্চমাধ্যমিকে (আইএ) ভর্তি হন। এই কলেজ থেকে মানবিক বিভাগের ছাত্র হিসেবে জিপিএ-৫ পেয়ে ২০২১ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়। জাবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ না পেয়ে ২০২১-২২ শিক্ষা বর্ষে ঢাকার সাউথইস্ট ইউনির্ভাসিটিতে বিবিএ কোর্সে ভর্তি হন। -

ছনহরায় মোখলেছুর রহমান শাহ মাজারের পুনঃনির্মাণ কাজ শুরু
মহিউদ্দীন চৌধুরী।।
পটিয়া উপজেলার ছনহরায় শাহ সূফী মোখলেছুর রহমান শাহ আল- মাইজভান্ডারীর (রহ.) মাজারের পুনঃনির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে মাজার প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুনঃনির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে খতমে কুরআন, মিলাদে মোস্তফা (দ.) ও সবশেষে মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।খন্দকার মাস্টার মুহাম্মদ আব্দুল গণির সার্বিক পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, মাজার উন্নয়ন ও ওরশ পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার আনিছ আহমদ। উপস্থিত ছিলেন ছাদেকুর রহমান, এখলাছুর রহমান আলমদার, আব্দুস সালাম আলমদার, বেলাল চৌধুরী, ওসমান আলমদার, রিজুয়ানুল হক আলমদার, রফিক মেম্বার, বাদশা মিঞা লেদু মুন্সি, ছৈয়দুলক চৌধুরী, হাবিবুল্লাহ মাস্টার, আরমান আলমদার, আইয়ুব আলমদার, আব্দুর রাজ্জাক, আবুল হোসেন, নুর হোসেন, শহীদুল ইসলাম তালুকদার, তৈয়ব আলী আলমদার, আরিফ আলমদার লিটন, হাবিবুল্লাহ আলমদার, মুহাম্মদ আবছার আলমদার, মো. মঈন আলমদার, মো. শহীদ আলমদার, মো. নাছির আলমদার, মো. আইয়ুব আলী, মো. ফজল খন্দকার, মো. খালেক খন্দকার, মো. ইলিয়াছ, খোরশেদ আলমদার, মুজিব চৌধুরী, রাসেল আলমদার, আরিফ আলমদার, সেলিম উল্লাহ খন্দকার প্রমুখ।
-

অনলাইন ভিত্তিক সংগঠন ঝিনেদার আঞ্চলিক ভাষা ফাউন্ডেশনে’র সভা অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
আঞ্চলিক ভাষা রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে শনিবার সকালে ঝিনাইদহের অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় সংগঠন ঝিনেদার আঞ্চলিক ভাষা ফাউন্ডেশনের এক মতবিনিময় সভা ও গ্রæপ ক্রিয়েটর আমেরিকা প্রবাসি তরিকুল ইসলাম মিঠুর সংর্বধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।ঝিনাইদহ জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক আসিফ ইকবাল কাজল।দুই দিন ব্যাপী এই সংর্বধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ঝিনাইদহ চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা জোহান ড্রিম ভ্যালির মালিক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম মিঠু, সাইফুল ইসলাম লিকু, মাসুদ রানা, ফিরোজা জামান আলো, মোরশেদ আলম, নাজমুল হাসান সবুজ, সাইদুল ইসলাম টিটো, মহাব্বত আলী, নিপা জামান, সুরভি ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, জাম্মিম সবুজ, কবি ও সাহিত্যিক এমদাদ শুভ্র, মেহেদী হাসান সুমন, শরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মেন্দি ও আনিছুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে পরিচালনা করেন আঞ্চলিক ভাষার গবেষক ও বিশিষ্ট ব্যাংকার এনামুল হক।প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ঝিনাইদহ চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, জেলার আঞ্চলিক ভাষা আমাদের প্রাণ। শিশুকাল থেকে আমরা মায়ের ভাষা রপ্ত করে আঞ্চলিকতা প্রাধান্য দিয়ে আসছি। ঝিনেদার আঞ্চলিক ভাষা চার্চার মাধ্যমে এই ভাষাকে সমুন্নত রাখতে সংগঠনটি প্রধান ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। তিনি নিজ নিজ সন্তানদেরকে আঞ্চলিক ভাষা শেখানোর পাশাপাশি তাদের আদার ও শাসন করার তাগিদ দেন।সংর্বধনার জবাবে গ্রæপ ক্রিয়েটর ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমেরিকা প্রবাসি তরিকুল ইসলাম মিঠু বলেন, বিশ^ব্যাপী আঞ্চলিক ভাষা ছড়িয়ে দেওয়ার এক যুগ সন্ধিক্ষনে এই সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। ঝিনেদার আঞ্চলিক ভাষা ফাউন্ডেশন এখন অনেক বড় একটি অনলাইন ভিক্তিক প্লাটফর্ম। অনুষ্ঠানের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক আসিফ ইকবাল কাজল বলেন, ঝিনাইদহের ভাষা মিষ্টি ও মধুর। এই ভাষায় রয়েছে মাটির টান। আমরা জেলার আঞ্চলিকা ভাষা হারিয়ে যেতে দেব না। নিয়মিত নিজের সন্তানকে এই ভাষা শিখিয়ে আঞ্চলিকতাকে পুর্নতা দিতে বদ্ধপরিকর। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের ক্রেষ্ট ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ। -

পাইকগাছায় ৪ দলীয় নক আউট ফুটবল টূর্ণামেন্টের উদ্বোধন
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।
পাইকগাছার দেবদুয়ার শেখপাড়া ফুটবল একাডেমী কর্তৃক আয়োজিত ৪ দলীয় নক আউট ফুটবল টূর্ণামেন্ট-২০২৪ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের দেবদুয়ার শেখপড়া মাঠে তিনদিন ব্যাপি এ ৪ দলীয় নক আউট ফুটবল টূর্ণামেন্টের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতম দিনের উদ্বোধনি খেলায় খোরশেদ ফুটবল একাডেমী ধামরাইল ও ফকরাবাদ আদর্শ যুব সংঘ অংশ গ্রহণ করে। খেলার উদ্বোধন করেন ২নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ আমিনউদ্দীন গাজী ও মোঃ শাহাবুদ্দিন গাইন। দেবদুয়ার শেখপাড়া ফুটবল একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ রাসেল হোসেন রাজার সভাপতিত্বে খেলায় উপস্থিত ছিলেন, শেখ রফিকুল ইসলাম, শেখ আহম্মদ আকুঞ্জি, শেখ রিয়াজুল আকুঞ্জি, শেখ এনামুল হোসেন, মোঃ আলী সরদার, মোঃ শাহাজাদা খান, শেখ টিকু আকুঞ্জি, শেখ মিকাইল আকুঞ্জি, শেখ রাসেদুজ্জামান ফিনিশ, শেখ আছাদুজ্জামান ময়না, শেখ তারিপ আকুঞ্জি, সাবেক ইউপি সদস্য শেখ ইবাদুল হক, শেখ সোহেল রানা, শেখ হাবিবুর রহমান, শেখ ফয়সাল আকুঞ্জি, শেখ আজমল হোসেন, খেলায় স্বাগতিক দেবদুয়ার শেখপাড়া ফুববল একাডেমী বনাম কাদাকাটি ফুটবল একাদশ অংশ গ্রহণ করবেন। আগামী রবিবার বিকালে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন খেলার সমন্বয়ক শেখ রাসেল হোসেন রাজা।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা, খুলনা। -

শীঘ্রই স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যেতে পারবো আমরা – মোংলায় নৌবাহিনী প্রধান
বায়জিদ হোসেন।।
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেছেন, গত ২০জুলাই সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের পরই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এবং খুব শীঘ্রই স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যেতে পারবো আমরা। দেশের স্বার্থ বিরোধী ও অপতৎপরতা রোধে সশস্ত্রবাহিনী অন্যান্য বাহিনীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাবে।
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে মোংলা বন্দরসহ সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তার বিষয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জেটিতে সাংবাদিকদের সাথে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি বন্দরসহ এ এলাকায় নৌবাহিনীর কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন নৌবাহিনীর খুলনাঞ্চলের এরিয়া কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোঃ শাহীন রহমান। তিনি আরো বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি বেড়েছে। এজন্যই মোংলা বন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দর ও সংলগ্ন ইপিজেড, এলপিজি জোন, পাওয়ার গ্রীডের মত গুরুত্বপূর্ণ এ সকল স্থাপনার নিরাপত্তায় নৌবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে।
সশস্ত্রবাহিনী মোতায়েনের ফলে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। আমাদের এই কর্মকাণ্ডে আপনাদের (গণমাধ্যম) মাধ্যমে আপামর জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি আরো বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য দায়িত্বশীল মিডিয়ার কোন বিকল্প নেই। তাই আপনারা উন্নয়ন-অগ্রগতিসহ সার্বিকভাবে আমাদের কর্মকান্ডে সহায়তা করবেন।