Blog

  • পটিয়া পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

    পটিয়া পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার।। । পটিয়া পৌরসভার ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। ৩০ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় পৌরসভা মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে মেয়র আইয়ুব বাবুল ১৬০ কোটি ২৭ লক্ষা ৮৭  হাজার টাকার বাজেট ঘোষনা করেন। এর মধ্যে রাজস্ব বাজেট রাজস্ব বাজেট ২৩ কোটি ২ লক্ষ এবং উন্নয়ন বাজেট ধরা হয় ১৩৭ কোটি ২৫ লক্ষ। বাজেটে পটিয়া পৌরসভা ভবনের পশ্চিম পাশে অত্যাধুনিক অফিস কাম বাণিজ্যিক ভবন, ইন্দ্রপোল ও বাস টার্মিনাল গোল চত্বরে নান্দনিক ফোয়ারা নির্মাণ, পৌর এলাকা সম্প্রসারণ, পুরাতন থানা হাটে বহুতল বিশিষ্ট কিচেন মার্কেট নির্মাণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য জমি ক্রয় ডাম্পিং স্টেশন, আধুনিক ওর্য়াকশপ নির্মান, পৌর এলাকায় বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ, জনসমাগম স্থলে সুপেয় পানির ব্যবস্থা ও গণশৌচাগার নির্মাণ, জলবায়ু প্রকল্পের আওতায় পৌর এলাকায় সোলার লাইন স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষনা করা হয়। বাজেট ঘোষণায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি নুরুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক গোলাম কাদের, কাউন্সিলর রূপক কুমার সেন, গোফরান রানা, শেখ সাইফুল ইসলাম, শফিউল আলম, জসীম উদ্দিন, সরওয়ার কামার রাজীব, গিয়াস উদ্দীন আজাদ, বুলবুল আকতার, ফেরদৌস বেগম, ইয়াসমিন আকতার চৌধুরী। পৌরসভার প্রধান নির্বাহী নেজামুল হক, প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, হিসাব রক্ষক হারুনুর রশিদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা করুনা কান্তি বড়–য়া। এসময় মেয়র আইয়ুুুব বাবুল পটিয়া পৌরসভাকে একটি উন্নত আধুনিক এবং স্মার্ট নগরীতে পরিণত করতে সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

  • মধুপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন  উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    মধুপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
    “ভরবো মাছে মোদের দেশ, গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের মধুপুরে মৎস্য সম্পদের সুরক্ষা ও সম্বৃদ্ধি অর্জনে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সকালে মধুপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্যকর্মকর্তার অফিস কক্ষে মধুপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান এর সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা কৃষিবিদ শাকুরা নাম্নী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিনুর রহমান, সমাজসেবা অফিসার গোলাম মোস্তফা, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মনির সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিক গন উপস্থিত ছিলেন।
    আলোচনা সভায় মৎস্যকর্মকর্তা আতিয়ার রহমান জানান, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে ৩০ জুলাই হতে ৫ আগষ্ট পর্যন্ত গৃহিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে র‍্যালী, আলোচনা সভা, মাছের পোনা অবমুক্ত করণ,পুকুরের পানির রাসায়নিক গুনাগুন পরীক্ষা, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মাইকিং সহ প্রচার প্রচারনা চালানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।

  • তানোর হাসপাতালে কাঙ্খিত সেবা পেয়ে রোগীরা খুশি

    তানোর হাসপাতালে কাঙ্খিত সেবা পেয়ে রোগীরা খুশি

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর উপজেলা সরকারি হাসপাতালে জনবল সঙ্কট থাকলেও লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া, বেড়েছে চিকিৎসা সেবার মান।ভাল কিছু করার ইচ্ছে শক্তি থাকলেই শত প্রতিকুলতার মাঝেও ভাল কিছু করা যায় তানোর উপজেলা
    হাসপাতালের কর্মকর্তা (টিএইচও) ডাঃ বার্নাবাস হাসদাক সেটা প্রমাণ করেছে। জনবল সঙ্কটের পরেও এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মেলিত প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিন পর মানুষ কাঙ্খিত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে।
    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলা হাসপাতালে ২৯ জন চিকিৎসক পদের মধ্য ৪ জন চিকিৎসকের পদ শূণ্য রয়েছে। সার্জারি, নাক-কান-গলা, চর্ম-যৌন ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ। এছাড়াও জুনিয়র মেকানিক এক জন, অফিস সহকারী দু’জন, ক্যশিয়ার একজন, মাঠকর্মী ১৩ জন, ইন্সেপক্টর দু’জন, জুনিয়র ফ্যাকো দুটি ও কামারগাঁ ইউপি উপ-স্বাস্থকেন্দ্রে চিকিৎসক একটি পদ শূণ্য রয়েছে। এছাড়াও পুরাতন ভবনের সংস্কার জরুরী হয়ে পড়েছে। কিন্ত্ত এতো প্রতিকুলতার পরে চিকিৎসকদের স্বদিচ্ছার কারণে চিকিৎসা সেবা মান বেড়েছে। এখন প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৫ থেকে ৬শ’ রোগী আউটডোরে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন।
    জানা গেছে,স্থানীয় সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর নির্দেশনায়-হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না ও টিএইচও ডাঃ বার্নাবাস হাসদাকের
    কঠোর নজরদারি হাসপাতালের পুরো চিত্র বদলে দিয়েছে। এখন আর নেই সেই আগের মতো দালালদের দৌরাত্ম্য ও চিকিৎসা সেবা নিতে আশা সাধারণ মানুষের হয়রানি। দীর্ঘদিন পর উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লীসহ এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছে বিনামূল্যে উন্নত স্বাস্থ্য সেবা পাবার বিশস্ত প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে।উপজেলা
    হাসপাতাল। রাজশাহী জেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দুরে তানোর পৌর এলাকার আমশো মহল্লায় উপজেলা হাসপাতালের অবস্থান। এছাড়াও উপজেলার প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ কৃষিজীবী জীবনধারণও সাধারণ। ফলে এসব মানুষ চাইলেও উন্নত চিকিৎসা সেবা নিতে জেলা শহরে যেতে পারে না। আবার উপজেলার বিভিন্ন ক্লিনিকে টাকা দিয়েও সাধারণ মানুষ কাঙ্খিত সেবা পায় না। তবে নিঃখরচায় এসব মানুষের উন্নত স্বাস্খ্য সেবা প্রদানের অঙ্গীকার ও কাঙ্খিত মাণের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে চলেছে উপজেলা হাসপাতাল। উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিস্ট সরকারি হাসপাতাল এখন উপজেলার মানুষের স্বাস্থ্য সেবার বিশস্ত প্রতিষ্ঠান। মফস্বল এলাকায়
    উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানে তানোর উপজেলা হাসপাতাল অন্যদের থেকে এক ধাপ এগিয়ে।
    জানা গেছে, উপজেলা হাসপাতালের আধুনিক সুবিধা সংবলিত নতুন ভবন, নিজস্ব বিদ্যুৎ, অক্সিজেন ও পরিবহণ ব্যবস্থা, সার্বনিক একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও আল্ট্রসনোগ্রাফি, শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত ও আধূনিক যন্ত্রপাতি সম্মৃদ্ধ অপারেশন থিয়েটার, দালাল ও ধুমপানমুক্ত উন্নত পরিবেশ, নিয়ম-শৃঙ্খলা, রোগী, ওষুধ, পথ্য-মানসম্মত খাবার সরবরাহ ও স্বজনদের সঙ্গে সুন্দর আচরণ ইত্যাদির মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে চিকিৎসা সেবায় আস্থা ও ভরসার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে উপজেলা
    হাসপাতাল। ফলে এথানে প্রতিনিয়ত বাড়ছে চিকিৎসা সেবা গ্রহণকারীদের সংখ্যা। আবার হাতের কাছে উন্নত চিকিৎসা সেবা পেয়ে এই জনপদের মানুষও হাসপাতাল নিয়ে খুশি। এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা, বার্নাবাস হাসদাক বলেন, তারা মানব সেবার প্রত্যয় নিয়ে চিকিৎসক হয়েছেন। তিনি বলেন, তারা সব সময় সাধারণ মানুষকে উন্নত চিকিৎসা সেবা দেবার চেস্টা করে যাচ্ছেন,আগামি দিনেও তাদের এই চেস্টা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো বলেন, এখন হাসপাতালের রোগীদের উন্নত মানের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। এবিষয়ে তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান ও হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, এমপি মহোদয়ের নির্দেশনা রয়েছে, সাধারণ মানুষের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন,
    এর জন্য যা যা করা প্রয়োজন আমরা সব করবো ইনশাআল্লাহ্।#

  • নাগরপুরে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক দিয়ে হস্তশিল্প

    নাগরপুরে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক দিয়ে হস্তশিল্প

    মো. আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ও বেকরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে হস্তশিল্প কাজ করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। পরিত্যাক্ত প্লাস্টিক দিয়ে হস্তশিল্প এ যেন সম্ভাবনাময়, বেকারত্ব দূরের বাংলাদেশ।

    দেশের টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিলের পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় ওয়ানটাইম বেল্ট থেকে এ হস্তশিল্পের তৈরি হয়েছে। গড়ে উঠেছে বিভিন্ন মালিকানাধীন কারখানা। এসকল কারখানার মালিকরা শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানা থেকে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় বেল্ট কিনে নিয়ে আসেন, এই প্লাস্টিক দিয়ে গ্রামীণ নারী-পুরুষেরা মিলে তৈরি করেন- সিলিং, ডোল কিংবা বেড়া।

    এ সকল পণ্যের চাহিদা রয়েছে সারাদেশেই, স্থানীয় হাট-বাজার ছাড়াও কারখানা থেকে তাদের তৈরি পণ্য ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন গ্রাহকরা। বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুমে এ ডোল, বেড় এর চাহিদা একটু বেশি। সারা বছর তৈরি করা পন্যর চাহিদা হলেও বছরে অন্যান্য সময়ে কারখানা পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় বেল্ট দিয়ে কারিগররা তৈরি করেন, ঘরের সিলিং, বেড়াসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র। প্লাস্টিকের তৈরি হলেও এ আসবাবপত্রগুলো দেখতে বাঁশ ও বেতের তৈরীর মতোই মনে হয়, টেকসই ও মজবুত হওয়ায় এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। গ্রামীণ জনপদের নারী-পুরুষ সামান্য প্রশিক্ষণ নিয়ে তৈরি করছেন এমন পণ্য। তাদের তৈরি এ পণ্য স্থানীয় চাহিদা মিটিয়েও যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়, এতে করে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে এ শিল্পকে ঘিরে।

    ফলে সংসারে অভাব-অনটন অনেকটাই লাঘব করতে সক্ষম হচ্ছেন নারীরা, এই শিল্পের মাধ্যমে পাল্টে যাচ্ছে তাদের পারিবারিক চিত্র।

    বারাপুষা গ্রামের ইসহাক জানান, তার কারখানায় মোট ৭০ জন শ্রমিক কাজ করছে। তবে প্রায় নারীকর্মীরা তাদের নিজ নিজ বাড়িতেই এ কাজগুলো করে নিয়ে আসে, কারখানায় এসকল কর্মীরা গড়ে ১৫/২০ পিস করে চেগার(আকার ভেদে) ও একজন কারিগর একটি করে ডোল বানাতে পারে। তিনি আরো জানান, সিলিং, চেগারসহ উৎপাদিত পণ্যে বিক্রি কেজি ধরে।

    এ শিল্প কাজের সাথে জরিত কয়েকজনের সাথে কথা বললে জানা যায়, তাদের উৎপাদিত পণ্য বেশ চাহিদা থাকলেও অর্থের অভাবে সরবরাহ করতে পারছেন না, ক্রেতার চাহিদা মতো পণ্য। তবে ব্যাংক কিংবা কোন এনজিও প্রতিষ্ঠান সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করলে হয়তো এ শিল্প-কারখানা আরো প্রসারিত করা সম্ভব হতো বলে জানিয়েছেন কারিগররা।
    উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা রেজা মো. মাসুম প্রধান জানান, এ শিল্পের সম্প্রসারণের উদ্যোক্তারা আগ্রহী হলে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।

    নাগরপুর, টাঙ্গাইল।

  • তেঁতুলিয়ায় তিন লাখ টাকা মূল্যের গাছ জব্দ

    তেঁতুলিয়ায় তিন লাখ টাকা মূল্যের গাছ জব্দ

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতূলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক বিরোধপূর্ণ জমি থেকে ৩ লাখ টাকা মূল্যের ইউক্যালিপ্টাস গাছের ২১৭পিস লক জব্দ করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২৬ জুলাই) বিকালে উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদের ১০০ গজ পশ্চিমে প গড়-তেঁতুলিয়া জাতীয় মহাসড়ক সংলগ্ন উত্তর পার্শে¦ মাগুরমারী চৌরাস্তা নামক এলাকায় এই জব্দের ঘটনাটি ঘটে। রোববার (২৮ জুলাই) বিকাল পর্যন্ত চলে জব্দের কার্যক্রম। জব্দকৃত লক গুলো দেবনগড় ইউনিয়ন ভূমি অফিস চত্বরে রাখা হয়েছে।

    জানা যায়, কারফিউ চলাকালীন ও তার দু’একদিন আগে ওই জব্দকৃত গাছ গুলো কাটেন উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের উষাপাড়া গ্রামের নবিবর রহমানের ছেলে মনিরুজ্জামান মিন্টু।

    সরে জমিনে গিয়ে জানা যায়, পরিষদ কর্তৃক বিরোধপূর্ণ জমিতে গাছ কেটে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পেয়ে গত শুক্রবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বিকালের দিকে দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হয়। সঙ্গে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল হাসান, আনসার ও পুলিশ সদস্য। বিরোধপূর্ণ গাছ গুলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার জব্দের নির্দেশ দেয়। এসময় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছলেমান আলী, ইউপি সদস্যগণ, সাংবাদিক বৃন্দ, গ্রাম পুলিশ, মনিরুজ্জামান মিন্টু ও নুর আলমসহ আরো অনেকেই পরিষদ কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন।

    ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আমজুয়ানী মৌজার জে.এল.নং ২৮ এর এস.এ ৭৫৪ নং খতিয়নের ৪৫৬৩ নং দাগে ৯৬শতক জমির মধ্যে ৫০শতক জমি গত ১৯৮৫ সালের ৩ মার্চ সতরমগছ গ্রামের মৃত আজিম উদ্দিনের ছেলে হাফিজ উদ্দিন ও মফিজ উদ্দিনের কাছ থেকে ৭৪৪নং দলিল মূলে ক্রয় করেন ৭নং দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদ। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই খতিয়ানের অন্যতম রেকর্ডীয় মালিক সলিম উদ্দিন তার বারো আনা হিস্যা মতে হাফিজ উদ্দিন ও মফিজ উদ্দিনের কাছে কবলা দলিলে বিক্রি করেন। পরিষদ জমি ক্রয়ের পর ১৯৮৬ সালের ১১ জানুয়ারি দুই দলিলে ৪টি দাগে এক একর জমির ৮৩৮ নং খারিজ খতিয়ান খুলে নেয়।
    ইউনিয়ন ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, ওই মৌজায় একই জে.এল নং এর এস.এ ৭৫৪ নং খতিয়ানের ৪৫৬৩ নং দাগে ৯৬ শতক জমির মধ্যে ৪১শতক জমির আরও একটি ৯৫০ নং খারিজ খতিয়ান হয়। এই খতিয়ানটি হাওয়াজোত গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে তৈয়বুল হোসেনের নামে দেখা গেছে। দাগটিতে দুটি খারিজ খতিয়ান সৃজন হওয়ার পর ৫শতক জমি অবশিষ্ট রয়েছে। তবে বর্তমানে দখলকৃত কোন ব্যক্তি ওই খারিজ খতিয়ান দুটিকে বাতিল করতে পারেনি।

    সরেজমিনে গিয়ে আরও জানতে পারা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ দাবিদার বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে ৬৩টি ইউক্যালিপ্টাস গাছ কাটা হয়েছে। সেকশন করার পর ওই গাছগুলোর ২১৭টি লক ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জব্দ দেখানো হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে অন্যতম ১টি লক হায়দারের করাত মিলে রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে ভজনপুর গাছ ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান বলেন, তিনি ৩লাখ ২০হাজার টাকায় গাছ গুলো ক্রয় করেছেন।

    ঘটনার দিন মুঠোফোনে মনিরুজ্জামান মিন্টু বলেন, গাছ গুলো আমার। টাকা নেওয়ার জন্য কয়েকজন মেম্বার এই সব কাজ করছেন। আপনাকে (সাংবাদিক) কে সংবাদ দিয়েছে বলেন তো, সাংবাদিকরা কখনো সোর্স এর নাম প্রকাশ করেনা।
    নুর আলম বলেন, এই জমি আমরা চার আনা অংশে ২৪শতক জমি পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত হই। দুই ভাইয়ের মধ্যে আমি আমার অংশ মনিরুজ্জামানের নিকট বিক্রি করেছি।

    ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছলেমান আলী বলেন, ওই দাগে ৯৬শতক জমির মধ্যে ৫০শতক জমি আমাদের পরিষদের নামে রয়েছে। যার খারিজ করা হয়েছে। কারফিউ এর ফাঁকে মনিরুজ্জামান গাছ গুলো কেটেছে, আমি জানতাম না। পরবর্তীতে জানতে পেরে গাছ গুলো অন্যত্র সরিয়ে না নিতে বাধা-নিষেধ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) উভয় পক্ষের মধ্যে সালিশী বৈঠক হলে জটিলতা থাকায় গাছগুলো বিক্রি কিংবা সরিয়ে না নেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু জানতে পারলাম জুম্মার নামাযের ফাঁকে মনিরুজ্জামানরা গাছ গুলো ভ্যান যোগে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। পরে দুই জন ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে দিলে তাদেরকেও কোনো তোয়াক্কা করেননি। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ড মহোদয় সরেজমিনে এসে গাছ গুলো জব্দ করেন।
    ইউপি সদস্য আইবুল হক ও ওবায়দুল হক বলেন, আমরা বাধা দিলে কোনো তোয়াক্কা করেননি মনিরুজ্জামান মিন্টুর লোকজন। বাধ্য হয়ে ইউএনও মহোদয়কে অবগত করা হয়। আইবুল হক বলেন, মিন্টুর সঙ্গে আমার মুঠোফোনে কথা হলে তিনি কেন ইউএনও স্যারের সঙ্গে যাবেন বরং ইউএনও স্যার তার কাছে আসবেন জানিয়েছেন।

    ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল গণি বলেন, তিনি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে জানতে পারেন ওই দাগে পরিষদের নামে জমি রয়েছে। পরে এবিষয়ে চেয়ারম্যানে বাসায় উভয়পক্ষ বসলে কি সিদ্ধান্ত হয় তা তিনি জানেননা। তিনি আরও বলেন, পরিষদের জায়গা থেকে গাছ কাটা হয়েছে এবং সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকে জানতে পেরে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে আসেন। এরপর ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশক্রমে ২৬-২৮ জুলাই পর্যন্ত ছোট-বড় ২১৭ পিস লক অফিস চত্বরে নিয়ে গিয়ে জব্দ তালিকা প্রণয়ন করেন।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফজলে রাব্বি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ জব্দ করা হয়েছে। গাছ কর্তনের জায়গায় পরিষদের নামে ক্রয়কৃত সম্পত্তি রয়েছে। মনিরুজ্জামান মিন্টু ও নুর আলমকে তাদের উপযুক্ত কাগজপত্র নিয়ে বসতে বলা হয়েছে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • বর্ষায় জমে উঠেছে পাইকগাছার গদাইপুর মাঠে ফুটবল খেলা

    বর্ষায় জমে উঠেছে পাইকগাছার গদাইপুর মাঠে ফুটবল খেলা

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় বর্ষায় জমে উঠেছে গদাইপুর মাঠে ফুটবল খেলা। বৃষ্টিতে ভিজতে কার না ভালো লাগে। বৃষ্টির পানি জমে থাকা মাঠে ফুটবল খেলার মজাই আলাদা। সে মজায় মেতেছে গ্রামের দামাল ছেলেরা। বৃষ্টি নামলেই ফুটবল প্রেমিদের মনে নামে আনন্দের বৃষ্টির খেলা। শ্রাবণের মুশল দারায় বৃস্টি এই রোদ,আবার ভারী বৃস্টি, কখন হালকা কখন ঝিরি ঝিরি বৃস্টি হচ্ছে।বৃস্টি হলে গদাইপুর মাঠে খেলা হবে। যারা নিয়মিত খেলে না তারাও খেলবে। কে ভালো খেলে আর কে খারাপ খেলে তা দেখার নেই। সবাই দল বেঁধে হৈ হুল্লোড় করে বৃষ্টিতে মাঠে নামবে, গায়ে কাঁদা মাখবে, পানি ছিটাবে, গড়াগড়ি করবে। ছোটবড় সবাই মিলিয়ে যেনো বাঁধ ভাঙ্গা আনন্দ সবার মনে।
    বৃষ্টি হলেই ফুটবল খেলায় মেতে ওঠে ছোট-বড় সবাই। কাদা-পানিতে জমে ওঠে খেলা। সারাদিনই চলে ফুটবল খেলা। বৃষ্টি ভেজা মাটির গন্ধে তারা খেলেছে ফুটবল। দুই দলে বিভক্ত হয়ে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বি হয়ে গোলবারে ফুটবল নিয়ে যাচ্ছে। একে অপরকে টেনে ধরছে। কেউ বা আবার মাটিতে আঁছড়ে পড়ছে। এক দলের খেলা শেষ হলে অন্যদল নেমে পড়ে মাঠে। অপেক্ষায় থাকে অন্যদল মাঠে নামার জন্য। খেলার মাঠের বিরাম নেই। ভোর থেকে ১১টা পর্যন্ত বড়দের খেলা চলে। এ সময় অপেক্ষায় থাকে ছোটরা কখন বড়দের খেলা শেষ হবে। ছোটরা মাঠে তেমন সুযোগ না পাওয়ায় দুপুর বেলায় মাঠে খেলতে নেমে পড়ে। আর বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বড়দের খেলা চলে। খেলায় মেতেছে স্থানীয় ফুটবলপ্রেমী ও সৌখিন খেলোয়াড়রা। এলাকা ছাড়াও বাহির থেকেও গাড়ীতে করে গদাইপুর মাঠে ফুটবল খেলার জন্য ভীড় জমাচ্ছে।মাঠে আসার যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব ভালো। ঐতিহ্যবাহী গদাইপুর মাঠটি মেইন সড়ক সংলগ্ন হওয়ায় সকলের কাছে আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।
    খেলোয়াড়দের পাশাপাশি এলাকার ক্রীড়ামদীরা বৃষ্টি ভেজা মাঠে কাদামাটিতে ফুটবল খেলার আনন্দ উপভোগ করছে। দেখে মনে হবে এই আনন্দের শেষ নেই। গ্রামের মাঠে বৃষ্টিতে ফুটবল খেলার অপর নাম কাঁদায় কুস্তি খেলা। বছরে অন্য সময় তেমন একটা খেলাধুলা না হলেও বর্ষা মৌসুমে গদাইপুর মাঠের জৌলুস ফিরে আসে। ফুটবল ক্রীড়ামদীরা পানি কাদায় পড়ে খেলোয়াড়দের কাদা মাখামাখি হয়ে ফুটবল খেলা দেখার জন্য মাঠে ভীড় জমাচ্ছে। বিকালে বৃষ্টি ভেজা মাঠে কাদামাটিতে ফুটবল খেলার আনন্দ উপভোগ করতে প্রচুর দর্শকের সমাগম ঘটে।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • নড়াইলে সরকারি খালে পানির গতিপথ বন্ধ করে রাস্তা নির্মাণ

    নড়াইলে সরকারি খালে পানির গতিপথ বন্ধ করে রাস্তা নির্মাণ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার গোবিন্দ নগর গ্রাম সংলগ্ন ভক্তডাঙ্গা বিলের মধ্যবর্তী সরকারি খুলনা-কালিয়া ওয়াবদা বড় খালের পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করে রাস্তা নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি খালে অবৈধভাবে এই রাস্তা নির্মাণের সঙ্গে স্থানীয় ঘের মালিক শিববর্মনসহ কয়েকজন ঘেরমালিক জড়িত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার প্রাবশালীদের ম্যানেজ করে প্রায় এক বছর ধরে নিজেদের সুবিধা পাওয়ার জন্য খালের ওপর বাঁধ দিয়ে খালের পানি প্রবাহ নষ্ট করে চলেছেন ঘের শিববর্মনসহ বেশ কয়েকজন ঘের মালিক। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এলাকার প্রান্তিক চাষীরা। তারা অতি দ্রুত খালের বাঁধ অপসারণ করে পানি উন্মুক্ত করার দাবি জানান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, খালের পানিপথ বন্ধ করে বাঁধ দেওয়ার কারণে ফসলী জমির জন্য পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ করতে না পারায় ফসল উৎপাদনে চরমভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন কৃষকরা। সরকারি খালে বাঁধ দেওয়ার বিষয়ে শিববর্মন বলেন, এ ব্যপারে আমাকে কেউ কিছু বলেননি। তবে অভিযোগ আসায় বাঁধটি ছেড়ে বা কেটে দেওয়া হবে। কালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনু সাহা বলেন, সরকারি খাল সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। কারো ব্যক্তি স্বার্থে খালে রাস্তা নির্মাণ কিংবা বাঁধ দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • তানোরে নিরহ কৃষকের জমি জবরদখল

    তানোরে নিরহ কৃষকের জমি জবরদখল

    আলিফ হোসেন,তানোর
    রাজশাহীর তানোরে এক নিরহ কৃষকের জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে।উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের(ইউপি)
    মোহনপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গত ২৯ জুলাই সোমবার ভুক্তভোগী উপজেলার মোহনপুর গ্রামের এলাহী বক্সের পুত্র
    রইস উদ্দিন বাদি হয়ে কচুয়া গ্রামের কমলা কর্মকারের পুত্র দুলাল কর্মকারের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। উপজেলার জেল নম্বর ৮০ মৌজা কচুয়া,আরএস খতিয়ান নম্বর ০৭, আরএস দাগ নম্বর ১৮১, শ্রেণী ধানী,পরিমাণ ০.৩৬০০ একর।
    এদিকে রইস উদ্দিনের লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছ, উক্ত তফশীল বর্ণিত ভিপি সম্পত্তি তিনি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী লীজ গ্রহণ করিয়াছেন। যাহার ভিপি কেস নম্বর ৩১/৮৮ ইং। সরকারি বিধি মোতাবেক তিনি নিয়মিত খাজনা-খারিজ পরিশোধ করে আসছেন। কিন্তু বিবাদী তার কাছে থেকে উক্ত বর্গা নিয়ে এখন জোরপুর্বক জবরদখল করেছেন। এঘটনায় পাঁচন্দর ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) লিখিত অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গ্রাম আদালত রইস উদ্দিনের পক্ষে রায় দেন।কিন্ত্ত অবৈধ দখলদার দুলাল সম্পত্তির দখল না ছেড়ে উল্টে রইস উদ্দিনকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন।। এমনকি সম্পত্তিতে গেলে রইস উদ্দিনকে জানে মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেয়া হচ্ছে।এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এবিষয়ে পাঁচন্দর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, উক্ত সম্পত্তি রইস উদ্দিনের, কিন্তু দুলাল কর্মকার জোরপুর্বক দখল করেছে।এবিষয়ে জানতে চাইলে দুলাল কর্মকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,রইস উদ্দিনের কাছে থেকে ৫৫ হাজার টাকায় তিনি এসব জমি কিনে নিয়েছেন।

  • পাইকগাছায় বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত

    পাইকগাছায় বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ পাইকগাছায় বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত হয়েছে। পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবি’র উদ্যোগে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে ২৯ জুলাই সোমবার সকাল ১১ টায় নতুন বাজারস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, ছড়াকার এ্যাড. শফিকুল ইসলাম কচি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, অনারারি ক্যাপ্টেন মোহন লাল দাশ, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাধুরী রানি সাধু, দপ্তর সম্পাদক কবি রোজী সিদ্দিকী। বক্তৃতা করেন, ব্যাবসায়ী গৌতম ভদ্র, পরিবেশ কর্মি শাহিনুর রহমান, দিবাশিস সাধু, গনেশ দাশসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাঘ সুরক্ষায় সুন্দরবন সংলগ্ন জনপদের মানুষকে আরো বেশি সচেতন করতে হবে। তাহলে সুন্দরবনের বাঘও ভালো থাকবে।

    পাইকগাছার নবারুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ নিয়ে মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ পাইকগাছার খড়িয়া নবারুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় প্রকাশ চন্দ্র সরকার ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য উপাস্থপনের প্রতিবাদে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র মন্ডল সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শুক্রবার সকালে প্রেসক্লাব পাইকগাছার কার্যালয়ে খড়িয়া নবারুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র মন্ডল লিখিত বক্তব্যে বলেন ২৮মার্চ ২০২১ সালে প্রকাশিত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুসারে ১ অক্টোবর ২০২৩ সালে সৃষ্ট পদে অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী, অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা কর্মী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও আয়া পদে ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। প্রকাশ চন্দ্র সরকার আবেদনের শর্তে যোগ্য না থাকায় আবেদন না করতে পেরে নিয়োগ পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের উত্তেজিত করে কতিপয় ব্যক্তিদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে ফুসলিয়ে আমার এবং ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সর্বশেষ সরকারি নীতিমালার আলোকে নিয়োগ পরীক্ষার সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আমি ভিত্তিহীন প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ।

  • সহিংসতায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত

    সহিংসতায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    সম্প্রতি সময়ে দেশব্যাপী সহিংসতায় নিহতদের পরলৌকিক আত্মার শান্তি কামনায় ও আহতদের আশু সুস্থতা কামনায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পাইকগাছা উপজেলা ও পৌরসভা কমিটির যৌথ উদ্যোগে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা মন্দির সরল কালীবাড়িতে এবং পৌরসভা বাজার মন্দিরে এ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমীরণ সাধু, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনন্দ মোহন বিশ্বাস, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ রায়, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক তৃপ্তি রঞ্জন সেন, পূজা উদযাপন পরিষদের পৌর সভাপতি বাবুরাম মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক জগদীশ রায়, সাংবাদিক বি সরকার ও স্নেহেন্দু বিকাশ, সুনিল চন্দ্র মন্ডল, উত্তম কুমার সাধু, শ্যামসুন্দর ভদ্র, সঞ্জীব রায়, শংকর কর্মকার, উপজেলা কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি সুরঞ্জন চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল মন্ডল, মৃত্যুঞ্জয় সরদার, ত্রিনাথ বাছাড়, উজ্জ্বল মন্ডল, তাপস ঘোষ, প্রশান্ত মন্ডল, শেখর মন্ডল (গোপাল), বিপ্লব মন্ডল, শ্যামল চন্দ্র মন্ডল, বাসুদেব মন্ডল, শ্যামপদ মন্ডল, সুভাষ চন্দ্র মন্ডল, খোকন সরদার। প্রার্থনা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্বপন চক্রবর্ত্তী।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।