Blog

  • মহালছড়িতে সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে দরিদ্র পরিবারের মাঝে বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান

    মহালছড়িতে সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে দরিদ্র পরিবারের মাঝে বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান

    মিঠুন সাহা,পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।।

    ‘শান্তি সম্প্রীতি ও উন্নয়ন’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় সদর দপ্তর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের দিকনির্দেশনা ও খাগড়াছড়ি রিজিয়নের তত্বাবধানে এবং মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে ‘মহালছড়ি শিশু মঞ্চ উচ্চ বিদ্যালয়ের’ উদ্বোধন ও  দরিদ্র পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী প্রদানের আয়োজন করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (১ লা আগস্ট) সকালে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অধীনস্থ মহালছড়ি জোনের অন্তর্গত মহালছড়ি শিশু মঞ্চ উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্বোধন এবং সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উপহার সামগ্রী বিতরণের উদ্দেশ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মোঃ আমান হাসান, এসপিপি, এনডিসি, পিএসসি, কমান্ডার ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড ও রিজিয়ন কমান্ডার, খাগড়াছড়ি রিজিয়ন মহোদয় আগমন করেন।

    এ সময় রিজিয়ন কমান্ডার সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় ৫০টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী, আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ৫টি সেলাই মেশিন, বসতঘর নির্মাণের জন্য ১০টি পরিবারকে ঢেউটিন, ৫০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ এবং ০২টি ক্লাবের মাঝে খেলাধুলার সামগ্রী উপহার হিসেবে প্রদান করেন।

    উক্ত অনুষ্ঠানে লেঃ কর্ণেল শাহরিয়ার সাফকাত ভূইয়া, জোন কমান্ডার, মহালছড়ি জোন,

    মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু চেয়ারম্যান পার্বত্য জেলা পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মহালছড়ি সহ অন্যান্য সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন

  • আশুলিয়ায় সবকিছু স্বাভাবিক ও শান্তিপ্রিয় ভাবে চলছে-ওসি এ.এফ.এম সায়েদ এর বার্তা

    আশুলিয়ায় সবকিছু স্বাভাবিক ও শান্তিপ্রিয় ভাবে চলছে-ওসি এ.এফ.এম সায়েদ এর বার্তা

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ.এফ.এম সায়েদ বলেছেন, আশুলিয়ায় সবকিছু শান্তিপ্রিয় ভাবে চলছে। বুধবার ৩১ জুলাই ২০২৪ইং এসব কথা বলে এক বার্তা প্রকাশ করেছেন তিনি।
    রাজধানী ঢাকার পাশেই অবস্থিত আশুলিয়া থানা। দেশের চলমান কোটা আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে স্বাভাবিক ভাবেই চলছে আশুলিয়া থানা এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কল কারখানা গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য ব্যবসা বাণিজ্য সবকিছু সাভাবিক ও শান্তিপ্রিয়ভাবে চলছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ.এফ. এম সায়েদ। তিনি আরো বলেন, আমাদের আশুলিয়া থানা এড়িয়াতে এখন আর কোনো প্রকার সহিংসতা নেই। বর্তমানে সবকিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। সবকিছুই নিয়ম-শৃঙ্খলা অনুযায়ী চলছে। তিনি আরো বলেন, আমি গণমাধ্যমের কাছে বলতে চাই যে, যারা বিভিন্ন ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং গুজব ছড়াচ্ছেন, তাদেরকে বলবো জেনে শুনে তথ্য যাচাই করে নিবেন। অযথা মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে জনসাধারণকে হয়রানি করবেন না। গুজব ছড়ানো আইনগত অপরাধ। যেকোনো বিষয় অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করার আগে ভালো ভাবে যাচাই-বাছাই করে শেয়ার করুন। অযথা গুজব ও ভুয়া তথ্য শেয়ার থেকে সবাই বিরত থাকুন। আমাদের থানা এড়িয়ায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। যার ফলসরূপ আজক আপনারা নিরাপদে আছেন।
    জনগণের উদ্দেশ্যে আশুলিয়া থানার ওসি এ.এফ.এম সায়েদ বলেন, সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে আশুলিয়া থানা পুলিশ বদ্ধপরিকর। আমরা প্রতিটি পুলিশ সদস্য আপনাদের সেবায় নিয়োজিত আছি। আনাদের সেবা নিশ্চিত করতে ২৪ ঘন্টা মনিটরিং করছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। তিনি আরো বলেন, দেশে চলমান কোটা আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জড়িত আছে আপনারা তা জানেন এবং দেখছেন। সুতরাং রাজনৈতিক জেরে কোনো প্রকার গুজব ও ভুয়া তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়াবেন না। প্রিয় আশুলিয়াবাসী আপনাদের সুস্থতা আমাদের একান্ত কাম্য। সবাই ভালো খাকবেন এবং সুস্থ্য থাকবেন এই প্রত্যাশা করি। সেই সাথে আমি সাবধান করছি আইন বিরোধী কর্মকান্ড করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
    জানা গেছে, বাংলাদেশ পুলিশের গর্ব ও সাধারণ মানুষের প্রিয় বন্ধু (ওসি) এ এফ এম সায়েদ। তিনি ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানা থেকে ২২-০৫-২০২১ইং তারিখে নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জ থানায় যোগদান করার পর থেকে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং এ এফ এম সায়েদ অফিসার ইনচার্জ রূপগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নারায়নগঞ্জ জেলা- জুলা/২২ জেলা পুলিশ, নারায়নগঞ্জ সম্মাননা পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি রূপগঞ্জ থানার এই সাবেক অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এফ এম সায়েদ সাহেব অনেক আগে আশুলিয়া থানা ও ধামরাই থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন, এর মধ্যে ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি’র (ওসি) ছিলেন এবং সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে সততা ও সাহসী ভুমিকায় দায়িত্ব পালন করেছেন। অনেকেই বলেন, এরকম (ওসি) আশুলিয়া থানায় খুবই প্রয়োজন ছিলো। আশুলিয়ায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলছিলো, যেখানে সেখানে মানুষের লাশ পাওয়া যায় এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তাই আশুলিয়া থানায় সৎ সাহসী (ওসি) এ এফ এম সাহেদকে বদলি করা হয়, তিনি আশুলিয়ায় যোগদান করে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
    সূত্র জানায়, জনগণের নিরাপত্তা ও সঠিকভাবে কাজ করায় বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর মানবিক পুলিশের অনেক সদস্য এই (ওসি) এ. এফ. এম সায়েদ’কে প্রশংসা করেন। তিনি একজন চৌকস পুলিশ অফিসার ইনচার্জ (ওসি)। সর্বসাধারণের সাথে হাসিমুখে কথা বলেন, তাঁর সুন্দর ব্যবহার ও সততার কারণে মানুষের ভালোবাসায় তিনি বিশেষ সম্মান অর্জন করেছেন। তবে আশুলিয়া থানায় কিছু পুলিশ সদস্য আছেন যারা বাদির অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে বিবাদীর কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার কারণে অসহায় গরীব মানুষ বিচার পায়না বলে একাধিক ভুক্তভোগীর অভিযোগ রয়েছে। ওসি সায়েদ বলেন, এরকম অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • ঢাকা জেলার সাভার আশুলিয়াসহ তিন থানায় ২২টি মামলা, ২১০ জনকে গ্রেফতার

    ঢাকা জেলার সাভার আশুলিয়াসহ তিন থানায় ২২টি মামলা, ২১০ জনকে গ্রেফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার ধামরাই, সাভার ও আশুলিয়া থানাসহ তিনটি থানায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে ৩টি থানায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়াল ২১০ জন।

    কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর, হামলা ও লুটপাটসহ নানারকম ঘটনায় গত কয়েক দিনে তিন থানায় মোট ২২টি মামলা করা হয়।

    এরমধ্যে ধামরাই থানায় একটি, আশুলিয়া থানায় ছয়টি ও সাভার মডেল থানায় ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ঢাকার সাভারে কয়েক দিন ধরে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের সময় সরকারি-বেসরকারি ভবন, দোকানপাট ও বিপণিবিতানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। আগুন দেওয়া হয় চারটি বাস, একটি ট্রাক, পিকআপ ও মাইক্রোবাসে।

    ওই সংঘর্ষের ঘটনায় সাভারে অন্তত নয়জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এছাড়াও প্রায় দুই শতাধিক আহতের ঘটনা ঘটেছে।

    পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পাওয়া ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস ও ট্রাফিক, উত্তর বিভাগ) মো. আবদুল্লাহিল কাফী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সরকারবিরোধী একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধনে দুষ্কৃতকারীরা এসব ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতার করাসহ দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’ এদিকে আশুলিয়া থানা পুলিশের দাবী এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে, জনগণ নিরাপদে আছে।

  • আদর্শ লাইব্রেরির উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ

    আদর্শ লাইব্রেরির উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছায় আদর্শ লাইব্রেরির উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন এর সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনন্দ মোহন বিশ^াস, ওসি ওবাইদুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান স ম আব্দুল ওয়াহাব বাবলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অনিত রানী মন্ডল, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার, কাজল কান্তি বিশ^াস, জিএম আব্দুস সালাম কেরু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, আদর্শ লাইব্রেরীর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সাহিদুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিষ্ণুপদ বিশ^াস, সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ^াস, প্রাক্তন অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা’র সভাপতিত্বে এইচএম শফিউল ইসলাম ও সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আব্দুল আজিজ। অনুষ্ঠানে আদর্শ লাইব্রেরীর মানবিক সহায়তা কর্মসূচীর আওতায় উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের হরিদাশকাটী গ্রামের প্রতিবন্ধী হাফিজা খাতুন ও গড়ইখালী ইউনিয়নের কুমখালী গ্রামের প্রতিবন্ধী শতাব্দী মৃধাকে হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • শেখ হাসিনা সরকার মৎস্য সম্পদ উৎপাদনে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়েছে… এমপি রশীদুজ্জামান

    শেখ হাসিনা সরকার মৎস্য সম্পদ উৎপাদনে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়েছে… এমপি রশীদুজ্জামান

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান বলেছেন মৎস্য সম্পদ আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আর্থসামাজিক উন্নয়ন, দারিদ্র বিমোচন ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় সংসদের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও মৎস্য সপ্তাহকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, জাতির পিতার যোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে বাস্তবমুখী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় ব্যাপকভাবে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৎস্য সম্পদ উৎপাদনে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে মাছেÑভাতে বাঙালি প্রবাদটি সার্থক করেছেন। দেশে বর্তমানে মাছ মাংসের কোন ঘাটতি নেই উল্লেখ করে এমপি রশীদুজ্জামান পরিবেশ বান্ধব মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের দিক নির্দেশনা ও পরামর্শ দেন। পাশাপাশি প্রজনন মৌসুমে সবধরণের মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বুধবার সকালে নির্বাচনী এলাকা পাইকগাছায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। এরআগে তিনি বর্ণাঢ্য সড়ক র‌্যালিতে নেতৃত্বদেন এবং উপজেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট লোনাপানি কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম, ওসি ওবাইদুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান স ম আব্দুল ওয়াহাব বাবলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অনিতা রানী মন্ডল। পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ এর স ালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান কওসার আলী জোয়াদ্দার, কাজল কান্তি বিশ^াস, জিএম আব্দুস সালাম কেরু, সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা (সাস) এর নির্বাহী পরিচালক ঈমান উদ্দীন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিষ্ণুপদ মন্ডল, উপজেলা কৃষি অফিসার অসীম কুমার দাশ, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, প্রাক্তন অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ আকন, এসডিএফ কর্মকর্তা নাসিম আনসারী, ক্ষেত্র সহকারী রণধীর সরকার ও চিংড়ি চাষী আলহাজ¦ জিএম রেজাউল করিম। অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্মরূপ চিংড়ি চাষী হিসেবে লতার আদর্শ মৎস্য খামারের রমেশ সানা, মৎস্য চাষী হিসেবে আলহাজ¦ জিএম রেজাউল করিম, মৎস্য ব্যবসায়ী হিসেবে কাগুজী মৎস্য আড়ৎ এর শওকত মোড়ল, ব্লু স্টার হ্যাচারীর বাবন কান্তি দাশ ও মৎস্যজীবী সংগঠন হিসেবে দেবদুয়ার মৎস্যজীবী সমিতিকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

  • জনগণের দোরগোড়ায় পেনশন স্কিম পৌঁছে দিতে সবাইকে এক সাথে কাজ করতে হবে-জেলা প্রশাসক

    জনগণের দোরগোড়ায় পেনশন স্কিম পৌঁছে দিতে সবাইকে এক সাথে কাজ করতে হবে-জেলা প্রশাসক

    হারুন অর রশিদ।।
    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
    জনগণের দোরগোড়ায় পেনশন স্কিম পৌঁছে দিতে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী
    বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে
    সর্বজনীন পেনশন স্কীম জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণে মত বিনিময় সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নেহের নিগার তনু’র সভাপতিত্বে ও সমাজ সেবা অফিসার কামরুল ইসলামের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী এসময় তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী গণ অবসর কালীন পেনশন স্কিম থাকলেও গ্রামের বয়স্ক মানুষের সার্বজনীন পেনশন স্কিম থাকলেও শেষ বয়সে কারো কাছে হাত পাততে হবে না। এজন্য সবাইকে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় নেওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, সুনামগঞ্জের জনগণ খুবই শান্তি প্রিয়, চলমান রাজনৈতিক থেকে এই এলাকার জনগণ দূরে রয়েছে।
    এছাড়াও তিনি উপজেলা বিভিন্ন দপ্তর সহ সুরমা ইউনিয়নের রাবার ড্যাম পরিদর্শন করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন দোয়ারাবাজার উপজেলার নবাগত সহকারী কমিশনার (ভূমি) সান্ত শিংহ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট
    মোস্তাফিজুর রহমান ইমন, নাসরিন আক্তার,দীপান্বিতা দেবী, হাসিবুল হাসান ডিও,
    মোহাম্মদ সোয়াদ সাত্তার চৌধুরী, মেহদী হাসান,হৃদয়,মোঃ ফজলুল করিম টিপু,
    ভাইসচেয়ারময়ান,প্রভাশক আবুবকর ছিদ্দিক, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বদরুল হাসান, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শফর আলী,সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ, বি.আর ডিবি কর্মকর্তা শাহিন আহমেদ,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আম্বিয়া আহমদ,প্রধান সহকারী মোশাররফ হোসেন, সমবায় অফিসার মোফাজ্জল হোসেন,মহিলা বিষয়য়ক অফিস সহকারী এনামুল হক সহ বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত কর্মচারীগণ।

  • ফুলবাড়িয়ায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

    ফুলবাড়িয়ায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

    মোঃ সেলিম মিয়া ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ
    ভরবো মাছে মোদের দেশ,গড়বো র্স্ম্টা বাংলাদেশ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য দিবস পালিত হয়েছে।

    বুধবার ৩১ জুলাই ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য দিবস উপলক্ষে সড়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফুলবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাবেরী জালাল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৫১, ময়মনসিংহ-৬, ফুলবাড়িয়া থেকে নির্বাচিত মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্হায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ মোঃ আব্দুল মালেক সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হারুন অর রশিদ, পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোঃ গোলাম কিবরিয়া, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রাকিব, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সঙ্গীতা রানী সাহা।স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মৎস্য সিনিয়র অফিসার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান তালুকদার।

  • রাজশাহীর চারঘাটে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৪ উদ্বোধন 

    রাজশাহীর চারঘাটে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৪ উদ্বোধন 

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    “ভরবো মাছে মোদের দেশ, গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীর চারঘাটেও জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৪ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় চারঘাট উপজেলা পরিষদ থেকে একটি র‍্যালী বের হয়ে চারঘাট বাজারের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদের পুকুরে এসে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

    এরপর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদা খানম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চারঘাট-বাঘার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহরিয়ার আলম।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুল হাসান মামুন, চারঘাট পৌর মেয়র একরামুল হক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ আহমেদ লনি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জমেলা বেগম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন, সরদহ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাসানুজ্জামান মধু, চারঘাট মডেল থানার (ওসি) এ এস এম সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান, ও ভায়ালক্ষীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ।

    জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ওয়ালিউল্লা মোল্লা।

    সব শেষে অনুষ্ঠানে উপজেলা শ্রেষ্ঠ মৎস্যজীবি ও মৎস্য চাষিদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর থেকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ৪৫ জনের মাঝে ৫০ হাজার টাকার চেক বিতরণ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ৩২ জন কে সেলাই মেশিন ও প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ৪ আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সাইকেল ও উপবৃত্তির টাকা প্রদান করা হয়।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • পানছড়িতে অনির্বাণ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

    পানছড়িতে অনির্বাণ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ।।

    খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পানছড়ি উপজেলায় অরাজনৈতিক সাংস্কৃতিক সংগঠন অনির্বাণ শিল্পীগোষ্ঠী কর্তৃক অনুষ্ঠিত অনির্বাণ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উপলক্ষে বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২৭ জুলাই) বিকাল ৩টার সময় পানছড়ি উপজেলা অডিটরিয়াম ভবনে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

    আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠন এর সভাপতি জয়নাথ দেব এর সভাপতিত্বে ও।সাংস্কৃতিক সংগঠক নুরুল ইসলাম টুকু ও আবৃত্তিকার পিংকি বড়ুয়ার যৌথ সঞ্চালনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলার নির্বাহী অফিসার মৌমিতা দাশ।

    এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নবাগত সহকারী কমিশনার ( ভূমি) জসীম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার দেব, সংগঠন এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নুরুল আবচার,শিক্ষক ও সাহিত্যিক ইউসুফ আদনান। এতে শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠন এর সাধারণ সম্পাদক মিঠুন সাহা।

    আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এই ধরনের সুন্দর উদ্যোগ এর জন্য সংগঠন এর নেতৃবৃন্দদের ধন্যবাদ জানান।এবং এই ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ জানান।

    জানা যায়, গত ২৯ জুন শনিবার পানছড়ি অনির্বাণ শিল্পীগোষ্ঠীর আয়োজনে সারাদিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিযোগিতার বিষয় ছিলো সঙ্গীত, আবৃত্তি, নৃত্য, তবলা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। এতে ৫টি ইউনিয়ন থেকে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছিল।

  • “দীর্ঘদিন পর ফেসবুক চালু হলো” সাংবাদিকের বিবেক ও আবেক দিয়ে দায়িত্ব পালন নয়

    “দীর্ঘদিন পর ফেসবুক চালু হলো” সাংবাদিকের বিবেক ও আবেক দিয়ে দায়িত্ব পালন নয়

    মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) ডিজিটাল বাংলাদেশে “দীর্ঘদিন পর আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক চালু করা হলো” অনলাইন সাংবাদিকসহ প্রকৃত সাংবাদিকের বিবেক ও আবেক দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন নয়, আবেক দিয়ে সবকিছুর বিচার চলে না। সমাজ, দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হলে সমাজ ও দেশ বিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধ করুন।
    বিশেষ করে সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ, সাংবাদিক হলো দেশ ও জাতির বিবেক। দেশে বর্তমানে কাগজপত্রসহ সকল জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও সংবাদপত্রের দাম বাড়েনি এবং সাংবাদিকদের সম্মান বাড়েনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও অনলাইন পোর্টালে ২৪ ঘন্টা প্রচারণা চলমান থাকার পর হঠাৎ করে কোটা দিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঢাল বানিয়ে একটি মহল দেশ ও জাতির বিশাল ক্ষয়ক্ষতি করেছে, এর কারণে ফেসবুক দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ৩১ জুলাই ২০২৪ইং আবারও চালু করা হয়েছে। তবে ফেসবুক ব্যবহারকারী সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং আইন মেনে ফেসবুক ব্যবহার করুন।
    মহান পেশা সাংবাদিকতা অথচ নিজেদের ভেতরে বাইরে শক্রতা সৃষ্টি করায় অন্যরা নিচ্ছে সুযোগ সুবিধা আর হয়রানির শিকার হচ্ছেন প্রকৃত সাংবাদিক। সাংবাদিক ও পুলিশ একে অপরের বন্ধু ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি জনাব হাবিবুর রহমান এমনটি বলেছেন। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় কোনো বাঁধা সৃষ্টিকারীদেরকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন কিছু পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান ও সাংবাদিক নেতারা। সাংবাদিক নেতা অনেকেই বলেন, সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা বন্ধ করতে হবে কিন্তু কিছু কথিত সাংবাদিক পরিচয়পত্র নিয়ে ফিটিংবাজি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে, এদের সাথে থাকে কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য, তারা তীলকে তাল বানিয়ে অবৈধভাবে ফায়দা লুটছে।
    দেশের যেসকল সম্পাদক ও সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা ও নির্যাতন করা হয়েছে, সেইসকল ঘটনা ও অপরাধের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)। তিনি বলেন, সাংবাদিকদেরকে ঘাঁয়েল করতে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় একটি মহল। সাংবাদিকদের মহান পেশাকে অসম্মান করার অধিকার কারো নেই। তবে কিছু সম্পাদক সাংবাদিকদের বেতন দেন না, উল্টো প্রতি মাসে প্রতিনিধিদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এরকম সত্য কেউ প্রকাশ করতে চায় না কারণ, তাদের স্বার্থে আঘাত লাগবে তাই। এর কারণে অনেক সাংবাদিক এই মহান পেশা সাংবাদিকতা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। বিশেষ করে প্রিন্ট প্রত্রিকা-সংবাদপত্র নিয়মিত ছাপানো অনেক কঠিন, প্লেট ও কাগজপত্রের দাম বেড়েছে। সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা সৃষ্টি করছে যারা তাদের অপকর্ম, অনিয়ম, দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। অনলাইন পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার ও সাংবাদিকতায় এক পর্যায়ে কাজ করছে কিছু অসাধু লোকজন, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাগণ। সাংবাদিক দাবিদার নিজেদের মধ্যে যারা শক্রতা সৃষ্টি করছেন তারা বেশিরভাগই সংবাদ লিখতে পারেন না, অন্যের সংবাদ কপিরাইট করে সাংবাদিকতা করছে। প্রকৃত সাংবাদিকরা কখনো কারো বদনাম করেন না, নিজেদের মধ্যে শক্রতা সৃষ্টি করেন না, জাতির বিবেক হওয়া এতো সহজ নয়। সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা, এই পেশাকে যারা ছোট করে দেখেন, যারা প্রকৃত সাংবাদিকদেরকে অপমান করছে, হামলা, মামলা করছে, তাদেরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। প্রকৃত সাংবাদিক ও লেখক কখনো কোনো হামলা মামলার ভয় করে না। নেতা বা মেম্বার চেয়ারম্যান, এমপি মন্ত্রী আপনারা যে পেশা থেকেই আসেন না কেন, দয়া করে কেউ সাংবাদিকদের অপমান করবেন না, এমনকি যেকোনো পুলিশ অফিসার সাংবাদিকদের অপমান করার অধিকার রাখেন না। আপনাদের ইতিহাস প্রকৃত সাংবাদিকরা জানেন। দেশের গণমাধমের প্রকাশক ও সম্পাদকসহ প্রকৃত সাংবাদিকরা আপনাদের অনেকের প্রকৃত চরিত্র ও ইতিহাস জানেন। আপনারা কে কেমন প্রকৃতির মানুষ বা কে কেমন অপরাধ করেছেন? কে কেমন অপরাধী ? কে কেমন চরিত্রবান তা সাংবাদিকরা জানেন। রাজধানী ঢাকা, ধামরাই ও সাভার আশুলিয়াসহ সারাদেশেই একের পর এক প্রকৃত সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল।
    সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার হুমকি’র বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা। বিশেষ করে নিউজ লেখতে হবে সকল সাংবাদিকদেরকে সবার সংশ্লিষ্ট মিডিয়ায় তা নিয়মিত প্রকাশ করতে হবে। ভয় করলে সাংবাদিকতা করা যায় না। নতুন সাংবাদিকদের অবশ্যই সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বইসহ বেশি বেশি বই পড়া জরুরি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকতার মূলধারায় এগিয়ে যেতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে এবং অন্যদেরকেও সচেতন করতে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। কলম সৈনিক কখনো কারো মিথ্যা সংবাদ লিখে প্রকাশ করে না। যারা কলম হাতে নিয়ে মিথ্যা কোনকিছু লিখে তা প্রচার করে, এটাকে অপপ্রচার বলা হয়, অপপ্রচারকারীরা দেশ ও জাতির শক্র। দেশের ভেতরে যারা দেশ ও জাতিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক বলে দাবী জানান সাংবাদিক নেতারা।সাংবাদিকরা না খেয়ে থাকলেও লজ্জায় কারো কাছে বলতে পারেন না, হাত পেতে সাহায্য নিতে পারেন না আর অভাব যাদের সেই ব্যক্তিরা সাংবাদিকতায় আসা ঠিক না। ৩৬৫ দিনে এক বছর, জীবনে কোনদিন ছুটি নেই সাংবাদিকদের। ৩৬৪ দিন ভালো কাজ করেন আর একদিন একজনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করবেন এতে একটু ভুল হলেই সেই সাংবাদিক খারাপ হয়ে যাবে তাদের কাছে। অপরাধীরা অপরাধ করবে তাদের বিরুদ্ধে কোনকিছু লেখা যাবেনা, ১দিন যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ প্রকাশ করছেনতো সাংঘাতিক হবেন। সাংবাদিক জাতির বিবেক, সেই বিবেককে গালি দিয়ে বলা হয় সাংবাদিকরা খারাপ ও সাংঘাতিক, এটা কি মানুষের ধর্ম আর এটা কি বিচার ?। অনেকেই নিজেদেরকে বড় মনে করেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য শক্রতা সৃষ্টি করেন আর একজন অন্যজনের ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন এটা মানুষের কাজ হতে পারেনা। সবাই ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বয় করে কাজ করার মধ্যে আনন্দ আছে, “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। আমাদের লেখার মধ্যেও অনেক ভুল হয়। এই জন্য সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়া দরকার। বিশেষ করে “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক দেশ ও জাতির বিবেক, ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন, বিশেষ সম্মান অর্জন করার লক্ষ্যে কাজ করতে গিয়ে সম্মান অর্জন না হয়ে উল্টো বদনাম হচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদের। সাংবাদিকতা করতে শুধুমাত্র মানুষের সুখ, দুঃখ, আনন্দ বেদনা, দুর্ঘটনাসহ সকল বিষয়ে জাতির কাছে তুলে ধরতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই চোখ কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে।
    পুলিশকে বলা হয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা করবেন কিন্তু তার উল্টো দেখা যায়, পুলিশ সাংবাদিক কি কখনো বন্ধু হতে পেরেছেন? কেউ কি খবর নিয়েছেন যে, সাংবাদিকরা কেমন আছেন? কোনো সহযোগিতা লাগবে কি না?। অনেক সাংবাদিক আজকাল মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জনগণের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন সাংবাদিকরা, এর বিনিময়ে কি পাচ্ছেন তারা? নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অনেক সাংবাদিক, হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই তার কোনো হিসাব নেই। দেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণ, সেই তুলনায় আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম, তবুও আমরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছি। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা মানুষের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। অনেকেই জানেন না যে, ১/ সাংবাদিক মানে জাতির বিবেক। ২/ সাংবাদিক মানে দেশ প্রেমিক। ৩/ সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক। ৪/ সাংবাদিক মানে জাতির দর্পণ। ৫/সাংবাদিক মানে জাতির সেবক। ৬/সাংবাদিক মানে শিক্ষিত জাতি। ৭/সাংবাদিক মানে স্বাধীনভাবে কাজ করা। ৮/সাংবাদিক মানে সম্মানিত জাতি। ৯/ সাংবাদিক মানে তদন্তকারী। ১০/ সাংবাদিক মানে আইন বিষয়ে জানা। ১১/ সাংবাদিক মানে সিস্টেম পরিবর্তন করা। ১২/ সাংবাদিক মানে সকল তথ্য বিষয়ে জানা। স্বাধীনতা ও সম্মান অর্জন করার চেয়ে তা রক্ষা করা অনেক কঠিন। সবাই সচেতন হোন, ফেসবুক ব্যবহারে আইন মেনে কাজ করুন।