Blog

  • ছাত্র জনতার দ*খলে ঝিনাইদহের রাজপথ আহ*ত ৩৭ বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালসহ বিভিন্ন স্থপনা ভাংচু*র অ*গ্নিসংযোগ

    ছাত্র জনতার দ*খলে ঝিনাইদহের রাজপথ আহ*ত ৩৭ বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালসহ বিভিন্ন স্থপনা ভাংচু*র অ*গ্নিসংযোগ

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে পুলিশের প্রতি ইটপাটকেল নিক্ষেপ, থানায় প্রবেশের চেষ্টা, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালসহ বিভিন্ন স্থপনা ভাংচুরের মধ্য দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসুচির প্রথম দিন অতিবাহিত হয়। এ সময় পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট ও টিয়ারশেলে শিক্ষার্থী-সাংবাদিকসহ ৪০ জন আহত হন। ভাংচুর করা হয় দুইটি পুলিশ বক্স ও ঝিনাইদহ ডাকঘর। আহতদের মধ্যে ২৪ জনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ও ১৩ জনকে ব্যাপারীপাড়ার একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন, জান্নাতুল ফেরদৌস, সাবিক, সবুজ, আপন, মহিবুল্লাহ, আল-কাবির, মৃদুল, পারভেজ, সিফাত, পিকুল, ফয়সাল সোয়াদ, সজল রাব্বি, সাব্বির, রাজু, হাসিব, মেহেদী, আসিফ, নয়ন, আবিদ, সাগর ও শাওন। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ নুসরাত জাহান জানান, আহত শিক্ষার্থীদের বয়স ১৬ থেকে ২১ বছরের মধ্যে। এদের মধ্যে ১৩ জনের গায়ে রাবার বুলেট বিদ্ধ হয়েছে। বাকীরা কাঁদানে গ্যাসে আহত হয়েছেন। এদিকে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাংচুরের ছবি তুলতে গিয়ে গনমাধ্যমকর্মী মেরাজ সুজন, কাজী একরামুল হক লিটু ও হাসান বিক্ষোভকারীদের হাতে আহত হন। এ সময় চুয়াডাঙ্গা বাসষ্ট্যান্ডে অবস্থিত ‘ঝিনেদা টিভি’ নামে একটি অনলাইন ভিত্তিক মিডিয়া অফিসের গাড়ি ভাংচুর করা হয়। দুপুর ১২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ঝিনাইদহ শহরের বিভিন্ন এলাকা বিক্ষোভকারীদের দখলে ছিল। জেলা সদরের সব পুলিশ এ সময় সদর থানার মধ্যে অবস্থান গ্রহন করে। রোববার সকাল থেকেই ঝিনাইদহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ন পয়েন্ট দখল করে নেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা। বেল ১১টা থেকে জেলা বিভিন্ন স্থান থেকে ছাত্ররা ঝিনাইদহ শহরে সমবেত হতে থাকেন। এরপর ঝিনাইদহ পাবলিক হেলথ জামে মসজিদ, আরাপপুর ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে এক যোগে ছাত্র জনতার বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিল ও শ্লোগানে শ্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে ঝিনাইদহ শহর। প্রথম থেকেই ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। দুপুরের দিকে মিছিলটি পায়রা চত্বর থেকে থানার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষোভকারীরা জানতে পারে তাদের দুই শিক্ষার্থীকে পুলিশ আটক করেছে। তাদের ছাড়াতে ছাত্র জনতা জোটবদ্ধ হয়ে থানায় প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় বিক্ষোভকারীরাও থানার মধ্যে অবস্থান নেয়া পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। ঘন্টাব্যাপী চলার পর আবারো জোটবদ্ধ হয়ে তারা পায়রাচত্বর ও পোষ্ট অফিস মোড়ে অবস্থান নিয়ে আওয়ামীলীগ নেতাদের ব্যানার, ফেষ্টুন, দুইটি পুলিশ বক্স, প্রেরণা একাত্তরে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাংচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কারী শারমিন সুলতানা, রায়হান ও হুসাইন কর্মসুচি শেষ করার ঘোষনা দেয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা বাড়ি ফেরার পথে পানি উন্নয়ন বোর্ড, দুর্নীতি দমন কমিশন, শহরের মডার্ন মোড়ে নির্মিত আ’লীগের সভামঞ্চ ও বিদ্যুত উন্নয়ন অফিসের সামনে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর করতে দেখা যায়। এসময় আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের কোন নেতাকর্মীকে মাঠে দেখা যায়নি। তবে তারা বিকাল ৪টার পর মাঠে নামবেন বলে জেলা আ’লীগের সভাপতি সফিকুল ইসলাম অপু দলের এক বর্ধিত সভায় ঘোষনা দেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • রাজশাহীর গোদাগাড়ীতেও ১ দফা দাবীতে ছাত্র-জনতার বিক্ষো*ভ মিছিল

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতেও ১ দফা দাবীতে ছাত্র-জনতার বিক্ষো*ভ মিছিল

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের উপর হামলা ও হত্যার প্রতিবাদে ১ দফা দাবিতে সারাদেশের মত রাজশাহীর গোদাগাড়ীর ফিরোজ চত্তরে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্র-জনতা।

    রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় পূর্বঘোষনা অনুযায়ী ছাত্র জনতা গোদাগাড়ীতে অবস্থান করে। বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে গোদাগাড়ী, মহিশালবাড়ীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে তারা। বিভিন্ন পর্যারের শিক্ষার্থী, সাধারণ জানতাসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন এতে। বিভিন্ন দিক থেকে ছোট-বড় মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।
    এদিকে যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগসহ নেতাকর্মী ফেসবুকে সকাল ৯ টা থেকে ফিরোজ চত্তরে থাকার ঘোষনা দিলেও তাদের দেখা পাওয়া যায়নি।

    পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি থাকলেও মিছিলে বাধা দিতে দেখা যায়নি। তারা প্রধনমন্ত্রী শেখ হাসিনা’কে ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানান ।

    গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি আব্দুল মতিনের যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান কোন অপ্রতিকর ঘটনা ঘটেনি শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল ও বিক্ষাভ সমাবেশ করেছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • নাটোর জেলা কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত

    নাটোর জেলা কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত

    মোল্লা মোঃ এম এ রানা নাটোর প্রতিনিধি।

    নাটোর জেলা কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সভা আজ শনিবার সাহারা প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সাংগঠনিক সভায় কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অ্যাডভোকেট বাকি বিল্লাহ রশিদীর সঞ্চালনায়, অ্যাডভোকেট আলেক শেখের সভাপতিত্বে সভার কার্যক্রম শুরু করা হয়।

    এ সময় উক্ত প্রেস ক্লাবের সকল সদস্য গনের পরিচয় পর্ব পেশ করেন, অত্র সংগঠন পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা,গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটি, কল্যাণ তহবিল বিষয়ক উপ- কমিটি, প্রশিক্ষণ বিষয় উপ-কমিটি, সদস্য সুরক্ষা উপ-কমিটি গঠন করা সহ বিভিন্ন বিষয় প্রস্তাব গ্রহন করা হয় অত্র প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ সকল বিষয় একমত পোষণ করেন।

    অত্র সভায় , পরিচালনা করেন অত্র প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, রেজাউল করিম মিন্টু। অত্র সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা মো: এমরান আলী রানা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা: তানিয়া আক্তার, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো: রাসেল শেখ , সন্মানিত সহ সভাপতি ও সহ সাধারন সম্পাদকগন সহ উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা কেন্দ্রীয় প্রেস ক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ।

  • দেশব্যাপী তা*ন্ডব, না*শকতা ও নৈ*রাজ্যের কারণে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী আব্দুল ওয়াদুদ দারা

    দেশব্যাপী তা*ন্ডব, না*শকতা ও নৈ*রাজ্যের কারণে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী আব্দুল ওয়াদুদ দারা

    পুঠিয়া, (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ রাষ্ট্রবিরোধী সংঘাত জড়িত বিএনপি-জামাত-শিবির দেশব্যাপী অপূরণীয় ক্ষতি করেছে বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং রাজশাহী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ (দারা) এমপি। শনিবার বিকাল ৫টায় পুঠিয়া উপজেলা অডিটোরিয়াম হলে পুঠিয়া উপজেলার স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা প্রধানগণের সমন্বয়ে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল ওয়াদুদ দারা এমপি আরো বলেন, সন্ত্রাসীরা সাধারণ ছাত্রদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রসীরা সাধারণ ছাত্রদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে দেশব্যাপী যে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে এবং জীবন ও সম্পদের যে ক্ষতি করেছে তা অপূরণীয়। আগামী কয়েক দশকেও এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কষ্টসাধ্য হবে। বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-মাদ্রসার প্রধানগণ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রত্যেক পাড়া-মহল্লায়, প্রত্যেক ওয়ার্ডে, প্রত্যেক ইউনিয়নে সকলে মিলে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী যেই হোক তাকে প্রতিহত করুন। ঘরে বসে থাকার সময় এখন না। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী-৪ রাগমারা আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ। রাজশাহী জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ও বানেশ্বর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ একরামুল হকের সভাপতিত্বে ও পুঠিয়া উপজেলা আ’লীগের আয়োজনে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন,পুঠিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এড্যাঃ আব্দুস সামাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যন আব্দুল মতিন মুকল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মৌসুমি রহমান, পুঠিয়া পৌর সভার সাবেক মেয়র রবিউল ইসলাম রবি, পুঠিয়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খ, ম জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল, শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন মুকুল প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কলেজ, মাদ্রাসা, ও স্কুলের প্রধানগণ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, রাজশাহী জেলা আ’লীগের সদস্য অধ্যক্ষ গোলাম ফারুক। অনুষ্ঠানে পুঠিয়া উপজেলা আ’লীগ, ইউনিয়ন আ’লীগ ও যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। #

    মাজেদুর রহমান( মাজদার)
    পুঠিয়া, রাজশাহী।

  • বরিশাল ডিবি পুলিশের অভিযানে উজিরপুরে ৯ কেজি গাঁজাসহ মাদক সম্রাট তোফাজ্জেল গ্রেফ*তার

    বরিশাল ডিবি পুলিশের অভিযানে উজিরপুরে ৯ কেজি গাঁজাসহ মাদক সম্রাট তোফাজ্জেল গ্রেফ*তার

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    বরিশাল ডিবি পুলিশের অভিযানে বরিশালের উজিরপুরে ৯ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ কুমিল্লার মাদক সম্রাট কাজী তোফাজ্জেল হোসেন ওরফে ফাহাদকে গ্রেফতার করেছে। এঘটনায় উজিরপুর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বরিশাল জেলা ডিবি অফিসার ইনচার্জ অসীম কুমার নতুন বাজার পত্রিকার প্রতিনিধিকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুরের শিকারপুর বাসষ্ট্যান্ডের সংযোগ সড়কের মুখে ২ আগষ্ট সকালে বরিশাল ডিবি পুলিশের এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে সংগিও ফোঁস নিয়ে অভিযান চালিয়ে ৯ কেজি গাঁজাসহ কাজী তোফাজ্জেল হোসেন ওরফে ফাহাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার খাটরা গ্রামে কাজী গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসা করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এঘটনায় উজিরপুর মডেল থানার ডিবির এস আই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ২রা আগষ্ট দুপুরে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত মাদক সম্রাট তোফাজ্জেলকে ০২ রা আগষ্ট বিকেলে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • নড়াইলে পুলিশের অভিযানে চোরাই মালামালসহ তিন চোর গ্রেফতার

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে চোরাই মালামালসহ তিন চোর গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

    নড়াইল সদর থানার পুলিশের অভিযানে চোরাই মালামালসহ তিন চোর গ্রেফতার। গত ১৩/০৭/২৪ তারিখ ভোর আনুমানিক ৪:৩০ মিনিটের সময় নড়াইল সদর থানার দূর্গাপুর গ্রামের মোসাঃ রাশিদা খাতুন এবং তার স্বামী মোঃ মোশারফ হোসেন বিশ্বাস তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজে চলে যায়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মোসাঃ রাশিদা খাতুনের কন্যা লুবনা ইয়াসমিন (২১) প্রাইমারী নিবন্ধন পরীক্ষা দেওয়ার জন্য একই তারিখ সকাল অনুমান ৮ সময় বাড়ী থেকে বের হয়ে পরীক্ষা শেষে অনুমান ১১:৪০ মিনিটের সময় বাসায় গিয়ে দেখতে পায় যে, দরজার তালা ভাঙ্গা এবং ঘরের ভিতরের সব জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। লুবনা ইয়াসমিন তার মাকে সংবাদ দিলে মোসাঃ রাশিদা খাতুন ও তার স্বামী বাড়ীতে গিয়ে দেখেন, বাসার আলমারীতে থাকা ২টি স্বর্নের নেকলেস, ওজন ৬ ভরি, মূল্য অনুমান ৪,৮০,০০০/- টাকা; ০
    ২ টি স্বর্ণের চেইন, ওজন ২ ভরি, মূল্য-১,৬০,০০০/- টাকা; ৩টি স্বর্ণের রুলি, ওজন ০১ ভরি ৪ আনা, মূল্য ১,১২,০০০/- টাকা; ৪ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, ওজন ১ ভরি ০৬ আনা, মূল্য অনুমান ১,২৮,০০০/- টাকা; ২টি স্বর্ণের আংটি, ওজন ৭ আনা, মূল্য ৩৫,০০০/-টাকাসহ নগদ ৭৩,০০০/-টাকা নেই । এছাড়া মোসাঃ রাশিদা খাতুনের দেবর মোঃ জিল্লুর রহমানের আইএফআইসি ব্যাংকের একটি স্বাক্ষরিত চেকের পাতা যার একাউন্ট নাম্বার-০২১০১২৫২৫২৮৫১, এবং বসত বাড়ীর জমির দলিল ও পর্চা নাই। তাদের ধারণা গত ১৩ জুলাই’২০২৪ সকাল অনুমান-৯ সময় হতে বেলা অনুমান ১১:৩০ সময় মধ্যে যেকোন সময় দিনের বেলায় সঙ্গোপনে অজ্ঞাতনামা চোরেরা তাদের বসত বাড়ীতে প্রবেশ করে বর্ণিত চুরির ঘটনা ঘটায়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মোসাঃ রাশিদা খাতুন নড়াইল সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে নড়াইল সদর থানার মামলা নং-২৩/১৮১, তারিখ-২১ জুলাই ২০২৪ খ্রিঃ, ধারা-৪৫৪/৩৮০ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
    মামলা পরবর্তী নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র নির্দেশনায় আসামি গ্রেপ্তার ও চোরাই মালামাল উদ্ধার অভিযানে নামে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) শোভন কুমার নাগ ও সিসিআইসির এসআই (নিঃ) মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে ১। মোঃ শামীম হোসেন(২০), পিতা-মোঃ জাকির হোসেন, মাতা-ময়না বেগম, সাং-করিমপুর, থানা-বাঘারপাড়া, জেলা-যশোরকে তার নিজ বাড়ী হতে গত ০২/০৮/২৪ তারিখ সকাল ০৮:০০ ঘটিকায়; ২। আব্দুর রহিম হোসেন(২৬), পিতা-মৃত লুৎফর মোল্যা, মাতা-সাহিদা বেগম, সাং-করিমপুর, থানা-বাঘারপাড়া, জেলা-যশোরকে তার নিজ বাড়ী হতে একই দিন সকাল ৯ সময় এবং শিমুল ঘোষ (৪০), পিতা-শিবুপদ ঘোষ, মাতা-রেবা রানি ঘোষ, সাং-মহাকার থানা-অভয়নগর, জেলা-যশোরকে তার জুয়েলারি দোকান হতে একই দিন বেলা ১২:৩০ সময় গ্রেফতার করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের হেফাজতে হতে ৭ আনা ১ রতি ওজনের স্বর্ণ, ৪ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের আংটি ও চোরাই কাজে ব্যবহৃত ২টি স্মার্ট মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন। আসামিরা পেশাদার চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য।
    উক্ত চুরির ঘটনায় তদন্ত জানা যায় যে, ঘটনার দুই তিন দিন আগে চোর শামীম হোসেন বাদীর বাড়ীর আশপাশ দিয়ে ঘোরাফেরা করে। পরবর্তীতে গত ১৩/০৭/২৪ তারিখে সকাল আনুমানিক ০৯:০০ ঘটিকার দিকে শামীম হোসেন এবং আব্দুর রহিমদ্বয় আরিফের নিকট হতে একটি মোটর সাইকেল ভাড়া করে। আনুমানিক সকালে এর দিকে উক্ত মোটর সাইকেল যোগে তারা নড়াইলে এসে পৌঁছে বাদীর বাড়ীর পাশে মেহগনি বাগানের ভিতর মোটর সাইকেলটি রাখে। বাদীর বাড়ীর পিছনের বাড়ীতে রাজ মিস্ত্রীরা কাজ করতে ছিল। সেখান থেকে তাদের অগোচরে চোর রহিম একটা শাবল নিয়ে আসে। বাদীর বাড়ির পিছনের দিকে রান্না ঘরের জানালা খোলা ছিল। জানালার গ্রীল বেয়ে আসামিদ্বয় বাথরুমের ছাদে উঠে। তারপর দোতলার সিঁড়ি বেয়ে তারা নিচে নামে। শাবল দিয়ে চোর রহিম দরজার তালা ভেঙ্গে তারা ঘরের ভিতর প্রবেশ করে। ঘরের ভিতরে থাকা আলমারির তালা শাবল দিয়ে ভেঙ্গে বর্ণিত মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তারা উক্ত স্বর্ণ নিয়ে অভয়নগর থানাধীন চেঙ্গুটিয়া বাজারস্থ রাজিব জুয়েলার্সের মালিক শিমুল ষোষ এর নিকট ২,০৬,০০০/- (দুই লক্ষ ছয় হাজার মাত্র) টাকায় বিক্রয় করে।
    আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আসামিগগণ দোষ স্বীকার করে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছে।

  • মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রক*ম্পিত মিরপুর ১০   গোলচত্বরে বিক্ষোভকারীদের অবস্থান, যান চলাচল বন্ধ

    মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রক*ম্পিত মিরপুর ১০ গোলচত্বরে বিক্ষোভকারীদের অবস্থান, যান চলাচল বন্ধ

    সুমন খান:

    রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় গতকাল শনিবার বেলা ২টা থেকে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারীরা। এতে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মিরপুর ১০ নম্বর থেকে পল্লবী, ফার্মগেট, মিরপুর ১ নম্বর ও ১৪ নম্বরগামী যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

    আন্দোলনকারীদের অবস্থানের কারণে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আজ সারা দেশে বিক্ষোভ করছে। দুপুরে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরের দিকে আসেন। তাঁরা সেখানে বিক্ষোভ করতে থাকেন। শিক্ষার্থীদের বেশির ভাগেরই গলায় পরিচয়পত্র ঝোলানো আছে।

    আন্দোলনকারীরা সেখানে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাঁদের অনেকের মাথায় জাতীয় পতাকা বাঁধা ছিল। কারও কারও হাতে ছিল জাতীয় পতাকা।

    আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে ১০ নম্বর গোলচত্বরের দিকে আসার আগে সেখানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ অবস্থান নিয়েছিল। তবে দলে দলে শিক্ষার্থীরা আসতে থাকলে পুলিশ সেখান থেকে সরে মিরপুর ২ নম্বরে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সামনে অবস্থান নেয়। গোলচত্বর এলাকায় বেশির ভাগ দোকানপাট বন্ধ আছে।

    কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গতকাল শুক্রবার রাতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে। আজ সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল করছে তাঁরা। আগামীকাল রোববার থেকে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তাঁরা।

  • লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্সে পরিদর্শন

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্সে পরিদর্শন

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ৩মাস ব্যাপী ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স পরিদর্শন করেন জেলা আইসিটি অফিসার অনিমেষ চন্দ্র বসুনিয়া। পিএফ আইটি ট্রেনিং সেন্টারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় প্রফিট ফাউন্ডেশন এর বাস্তবায়নে ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বেসিক আইটি ট্রেনিং প্রকল্পের আওতায়- ৩ মাস ব্যাপী ফ্রি কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন প্রশিক্ষণ কোর্স চলমান রয়েছে । প্রশিক্ষণ কোর্স পরিদর্শন করেন লালমনিহাট জেলা আইসিটি অফিসার ও প্রোগ্রামার অনিমেষ চন্দ্র বসুনিয়া।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিএফ এর নিবার্হী পরিচালক মোঃ নুরুজ্জামান আহমেদ, পিএফ এর চেয়ারম্যান মোছাঃ মোতাহারা বেগম। জেলা আইসিটি অফিসার বলেন যে, প্রফিট ফাউন্ডেশন ফ্রী ৩ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম খুবই ভালো ও সুন্দর পরিবেশ । প্রশিক্ষণ কোর্স টি ৪ টি গ্রুপে ২৫ জন করে নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করে। আগামীতে আরো ব্যাপক ভাবে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম করার উৎসাহ প্রদান ও সহযোগীতার আশ্বাস দেন।

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • তেঁতুলিয়ায় তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার ৭মাসেও জালিয়াতির জবাব দেয়নি অধ্যক্ষ

    তেঁতুলিয়ায় তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার ৭মাসেও জালিয়াতির জবাব দেয়নি অধ্যক্ষ

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার এমপিওভুক্ত ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজে জালিয়াতির মাধ্যমে পাঁচ শিক্ষক তালিকাভুক্তে তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার সাত মাসেও সময় চেয়ে জালিয়াতির জবাব দেয়নি অধ্যক্ষ আবু সুফিয়ান। ফলে তদন্ত রিপোর্ট আটকে আছে উপজেলা প্রশাসকের কাছে পৌঁছাচ্ছেনা বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সহ পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের নিকট।

    জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে রাব্বি কর্তৃক গত সালের ২৮ ডিসেম্বর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল হাসানকে আহবায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্টের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে চলতি বছরের গত জানুয়ারি মাসে সরেজমিনে তদন্ত করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল হাসান। ওই মাসেই তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করা হয় উপজেলা নির্বাহী অফিস কার্যালয়ে। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের সভাপতি এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত দুই শিক্ষকের অগ্রায়নপত্র কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালক বরাবরে প্রেরণ করেন এবং অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতাদি স্থগিত করা হয়।

    ওই প্রতিষ্ঠানে জন্মলগ্ন থেকে ৯জন শিক্ষক-কর্মচারীর সঙ্গে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিয়োগে তালিকাভুক্ত দেখানো পাঁচ শিক্ষকরা হলেন- বাংলা বিষয়ের প্রভাষক বিমল কুমার রায়, কম্পিউটার আপারেশন বিষয়ের প্রভাষক সফিকুল আলম, সাচিবিকবিদ্যা বিষয়ের প্রভাষক দিলিয়ারা বেগম, ব্যবস্থাপনা বিষয়ের প্রভাষক দিলারা বেগম এবং নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক/কম্পিউটার অপারেটর উম্মে বিনতে সালমা।

    গত বুধবার (৩১ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কার্যালয় থেকে জানতে পারা যায়, জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ৫শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়ার পরেও প্রতিষ্ঠান প্রধান আবু সুফিয়ান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের সভাপতি এর নিকট ৯জনের স্থলে ১৬জনের নামের তালিকায় স্বাক্ষর নিতে একটি ফাইল জমা করেন। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের সভাপতি তাঁর জালিয়াতির কলাকৌশলের চালাকি স্পষ্ঠভাবে বুঝতে পারেন। কেননা ওই ফাইলে স্বাক্ষর হলেই প্রতিষ্ঠান প্রধান তদন্ত প্রতিবেদনের পরবর্তী কার্যক্রম থেকে বেঁচে যেতেন।

    তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর তদন্ত কমিটির আহবায়ক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল হাসান বলেন, তিনি সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করেছেন। ওই প্রতিষ্ঠানে পাঁচ শিক্ষকের নিয়োগের বিষয়ে সঠিকতার পক্ষে কোনো সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, পাঁচ শিক্ষকের নিয়োগে নম্বর পত্রে ত্রুটি, স্বাক্ষর অমিল সহ নানা সমস্যা রয়েছে। ওই সময়ে ইউএনও’র প্রতিনিধির পক্ষে কোনো দলিলাদি দেখাতে পারেন নাই প্রতিষ্ঠান প্রধান। এছাড়া আপনি(সাংবাদিক) জানেন জালজালিয়াতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের খবর স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে।

    এ ব্যাপারে সভাপতি ভজনপুর নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে রাব্বি বলেন, গত বছরের নভেম্বর মাসের ৫তারিখ আমার কাছে প্রদর্শিত ১৬জন শিক্ষক-কর্মচারীর তালিকার মধ্যে ৫জনের নিয়োগ বিষয়ে কোনো কিছুই জানা ছিলনা, কখন কিভাবে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ রেজুলেশন প্রক্রিযাগুলো সঠিকভাবে যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন মনে হয়। এ জন্যই তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তদন্ত কমিটি সরেজমিন তদন্তপূর্বক আমার কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। ওই প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতাদি স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠান প্রধান পাঁচ শিক্ষক নিয়োগের স্বপক্ষে প্রমাণ্য কাগজপত্রাদি উপস্থাপন ও জবাব দিতে সময় চেয়ে আসছেন। কখন তদন্ত প্রতিবেদন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই প্রতিবেদন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পৌঁছে দেয়া হবে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • পাইকগাছায় ছেলেদের অত্যা*চার থেকে রেহাই পেতে মামলা করে বাড়ি ছাড়া পিতা

    পাইকগাছায় ছেলেদের অত্যা*চার থেকে রেহাই পেতে মামলা করে বাড়ি ছাড়া পিতা

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।
    পাইকগাছায় ছেলেদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ছেলেদের নামে মামলা করে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে অসহায় পিতা ও তার মেয়ে। ছেলেদের মারপিটে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এ অসহায় পিতা। উপায়ন্তর না পেয়ে নিজের বাড়ির অংশ ভাগ বাটোয়ারা ও ছেলেদের অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে আইনের আশ্রয় নেয় বৃদ্ধ পিতা । এতে ছেলেরা ক্ষিপ্ত হয়ে পিতাকে বাড়ি থেকে মারপিট করে বের করে দেয়। বর্তমানে তিনি এক কন্যাকে নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।
    মামলা সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের চেঁচুয়া গ্রামের মোঃ আবু বকর সরদার তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে স্ত্রীর নামে পৈত্রিক রেজিষ্ট্রিকৃত আট শতক জমির উপর শান্তি পূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছিল। যারমধ্যে থেকে চেচুয়া মৌজার এস, এ ৯২ নং খতিয়ান যাহা বি,আর এস ৩৩ নং খতিয়ানের মধ্যে হতে দুই শতক জমি মেয়ে হোসনেয়ারা খাতুনের কাছে গত ৩০/০৩/২০২২ ইং তারিখে ১০১০ নং রেজিস্ট্রি কোবলা দলিলের মাধ্যমে বিক্রি করেন।
    ইতিমধ্যে গত ৫ই মে ২০২৪ ইং সালে আবু বকরের স্ত্রী মৃত্যু বরন করেন। এর কিছু দিন পর দুই ছেলে মোঃ আলতাফ হোসেন, আফজাল হোসেন ও তাদের দুই স্ত্রীরা জায়গা জমির ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে পিতা আবু বকর ও বোন হোসনেয়ারাকে গত ০৪ জুন সকালে বেধম মার পিট করে আহত করে।পরে স্থানীয় লোকজন পিতা আবু বকরকে পাইকগাছা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে।সেখানে তিনি ০৪ জুন থেকে ০৮ জুন পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করে বাড়িতে আসলে ছেলে আলতাফ ও আফজাল আবারও পিতা আবু বকর কে মারপিট করতে থাকে এ সময় মেয়ে হোসনেয়ারা খাতুন পিতাকে ঠেকাতে আসলে ভাইয়েরা বোন হোসনেয়ারা কে মেরে আহত করে।পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি গত ০৮ জুন থেকে ১০ জুন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ভাইদের ভয়ে বাড়িতে না যেয়ে পিতাকে নিয়ে বাড়া বাসায় ওঠেন।তাদের ঘর থেকে কোন আসবাব পত্র বের করতে দিচ্ছে না ভায়েরা এমনকি বাড়ির কাছে গেলে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ভাইয়েরা।
    বর্তমানে ছয় শতক জমি আবু বকরের স্ত্রীর নামে থাকা সত্বেও ছেলেরা তাদের পিতা ও বোনদের কোন জমির ভাগ না দেওয়ার জন্য পিতা ও বোনদের বাড়িতে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। এ ঘটনায় অসহায় পিতা আবু বকর থানায় ছেলেদের নামে অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত,০৩ জুন ২০২৪ ইং তারিখ থানা পুলিশ ছেলেদের ডেকে আনেন।এ সময় ছেলে আলতাফ ও আফজাল পিতাকে ভোরন পোষন দেওয়া ও মারধোর করবেনা এবং যে যার যার দখলীয় জমিতে শান্তি পূর্ণ ভাবে বসবাস করবো
    বলে মুছলেকা দিয়ে বাড়িতে যায়। পরে থানায় অভিযোগ করার কারনে আবারো বড় বোন হোসনেয়ারা ও পিতা আবু বকরকে মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। বর্তমানে আবু বকর ও তার মেয়ে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছেন। এ ঘটনায়
    আবু বকর ছেলেদের অত্যাচার থেকে রক্ষা ও নিজের বাড়িতে শান্তি পূর্ণ ভাবে বসবাস করার জন্য ছেলেদের নামে পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন।যার নং সি আর ৮৫২ তাং ০৭/০৭/২০২৪ ইং।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা, খুলনা।