Blog

  • সুজানগরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান জামায়াতের আমীরের

    সুজানগরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান জামায়াতের আমীরের

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ঃ পাবনার সুজানগরে সকল ধরনের নৈরাজ্য বর্জন করে শান্তিপুর্ণভাবে জীবন ব্যবস্থা পরিচালনার লক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক কে এম হেসাব উদ্দিন। বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্য করে তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আপনারা নিরাপদে থাকবেন,শান্তিতে থাকবেন, কাউকে আপনাদের উপর অন্যায় অত্যাচার, জুলুম,নির্যাতন, বাড়িঘরে হামলা লুটপাট করতে দেওয়া হবে না। উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা আপনাদের পাশে আছে এবং থাকবে ইনশআল্লাহ। যদি এ ধরনের কোন সমস্যায় আপনারা পড়েন তাহলে সঙ্গে সঙ্গে জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে খবর দেবেন।প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ওই সকল অপকর্ম ও সন্ত্রাসীদের এমন ধরণের ঘৃণ্য কাজের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। মত বিনিময় সভায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এমন ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করায় এবং তাদের পাশে থাকার জন্য জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সভায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি শ্রী সুবোধ কুমার নটো, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খিস্ট্রান ঐক্য পরিষদ সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি শ্রী রণজিত কুমার,সাধারণ সম্পাদক মি.তরিত কুমার কুন্ডু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার সেক্রেটারী টুটুল হোসাইন বিশ্বাস, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর পৌর নায়েবে আমীর রফিকুল ইসলাম খান, জামায়াতে ইসলামী সুজানগর পৌর শাখার আমীর অধ্যাপক ফারুক-ই-আযম,সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল মমিন, গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে দৈনিক যায়যায়দিনের উপজেলা প্রতিনিধি এম মনিরুজ্জামান,দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী বিজন কুমার পাল, সুজানগর পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী জয়ন্ত কুমার কুন্ডু,সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ কুমার রায়, সুজানগর বাজার মন্দির কমিটির সভাপতি তপন কুমার ঘোষ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অশোক কুমার, সুজিত কুমার ঘোষ ,সুদেব কুমার ঘোষ, শ্রী স্বপন কুমার বিশ্বাস, উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আব্দুল মমিন ও সেক্রেটারী সাগর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় সুজানগর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া এদিন পৃথক পৃথকভাবে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় করণীয় বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান, পাবনা সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) রবিউল ইসলাম ও থানা অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দিনের সাথে তাদের নিজ নিজ কার্যালয়ে মত বিনিময় করেন সুজানগর উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • নড়াইলে শহর বিভিন্ন রাস্তায় পরিচ্ছন্নে হাত লাগালো শিক্ষার্থীরা

    নড়াইলে শহর বিভিন্ন রাস্তায় পরিচ্ছন্নে হাত লাগালো শিক্ষার্থীরা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

    নড়াইলে শহর পরিচ্ছন্নে হাত লাগালো শিক্ষার্থীরা। শহরের বিভিন্ন রাস্তায় জমে থাকা জঞ্জাল অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে মাঠে নামেন তারা। উজ্জ্বল রায়, নড়াইলজেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (৭ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের পুরাতন বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে শুরু করে রূপগঞ্জ অভিমুখে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়।

    ফারইষ্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন সম্মান বিভাগের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল নূর, ঢাকা কলেজের শাওনসহ নড়াইলের সন্তান কয়েকজনের উদ্যোগে এ কার্যক্রমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয়। শহর পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি সমাজ গঠনে ভবিষ্যতে তাদের নানা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও শিক্ষার্থীরা জানায়।

  • তানোর বিএনপিতে ফের প্রাণচাঞ্চল্য

    তানোর বিএনপিতে ফের প্রাণচাঞ্চল্য

    আলিফ হোসেন, তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান জামিনে মুক্ত হয়েছেন।জানা গেছে, ৬ আগস্ট মঙ্গলবার রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন তানোর বিএনপির তরুণ কর্ণধার মিজানুর রহমান মিজান। এদিন প্রায় সহস্রাধিক মোটরসাইকেল শোডাউন নিয়ে নেতাকর্মীরা মিজানকে বরণ করেন। এসব নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের ভাল বাসায় সিক্ত হয়েছেন মিজান। তানোর বিএনপির নিপীড়িত-নির্যাতিত নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের উচ্ছ্বাস মিজান। বিএনপির তৃণমুলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের অশ্রুসজল ভালবাসা আকুন্ঠ সমর্থন প্রমাণ করেছে,তানোর বিএনপির রাজনীতিতে মিজানের কোনো বিকল্প নাই।
    এদিকে মিজানের মুক্তিতে তানোরে দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক পর উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে দেখা দিয়েছে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য। তানোর বিএনপিার তৃণমূলে পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন মিজান। তানোর বিএনপিতে মিজানের কোনো বিকল্প নাই তাকে ঘিরে ইতমধ্যে বিএনপিতে বইছে ঐক্যর হাওয়া।অন্যদিকে মিজানের মুক্তিতে
    বিএনপির রাজনীতিতে রাতারাতি নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। এতদিন যে সকল নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা কারণে নিজেদের রাজনীতি থেকে দুরে সরিয়ে রেখেছিল তাঁরা আবারো রাজনীতিতে সক্রীয় হয়েছে। আবারও গা-ঝাড়া দিয়ে নবউদ্দ্যোমে দলীয় কার্যক্রমে অংশ নিতে শুরু করেছেন। যে কারণে দীর্ঘদিন পর এখানে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের রাজনীতিতে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য।
    অথচ আওয়ামী লীগের বাধার কারণে
    তানোরে দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক বিএনপির তেমন কোনো কার্যক্রম ছিল না। তবে তানোর বিএনপির তরুণ নেতৃত্ব মিজানুর রহমান মিজানের কারা মুক্তিতে সেই চিত্র রাতারাতি পাল্টে গেছে। মিজানের নেতৃত্বে বিএনপির নেতা ও কর্মী-সমর্থকরা অতীতের সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

  • গাজীপুরে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর আ:লীগ নেতার হা*মলা, নিহ*ত ১

    গাজীপুরে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর আ:লীগ নেতার হা*মলা, নিহ*ত ১

    গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
    গাজীপুর সদর উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর হামলা
    চালিয়েছে ইউপি সদস্য। এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের এক জন নিহত সহ তিন জন আহত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের বর্তাপাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তি পিরুজালী ইউনিয়নের বর্তাপাড়া গ্রামের সফিউর রহমান মাস্টারের ছেলে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজ এর ছোট ভাই মোতালেব হোসেন (৫২)। এ সময় মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী সন্তান সহ আরো কয়েক জন আহত হয়।

    নিহতের পরিবার জানায়, সরকার পতনের পর বিজয় মিছিল থেকে ফিরে আসার সময় পিরুজালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদ ও তার ছেলে নাহিদ এবং ভাতিজা শাওন সহ আরো অজ্ঞাত ৫/৬ জন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজ এর পরিবারের উপর। এসময় মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজ এর ছোট ভাই মোতালেব কে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদ।

    এ সময় তাকে বাঁচাতে গেলে মুক্তিযোদ্ধা সহ তার পরিবারের আরো ৩ সদস্য আহত হয়। পরে আহতদেরকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোতালেবকে মৃত ঘোষণা করে।

    মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজ জানাযায়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আমার এবং আমার পরিবারের উপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে আমার ছোট ভাই নিহত হয়েছে এবং আমি সহ পরিবারের অনেকেই আহত হয়েছে। এছাড়াও আমার পরিবারের আরো কয়েকজন সদস্য গুরুতর আহত হয়। তবে এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়া দিন রয়েছে বলেও জানান এ মুক্তিযোদ্ধা।

    জয়দেবপুর থানায় পুলিশ শূন্য থাকায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইবরাহিম খলিল কে ফোন করলে তিনি রিসিভ করেননি।

    রাসেল শেখ
    গাজীপুর

  • কাশিমপুর কারাগার থেকে পালিয়েছে ২০৯ বন্দি গু*লিতে নিহ*ত ৬

    কাশিমপুর কারাগার থেকে পালিয়েছে ২০৯ বন্দি গু*লিতে নিহ*ত ৬

    গাজীপুর প্রতিনিধি:গাজীপুরে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় গুলিতে ৬ বন্দি নিহত হয়েছেন। এসময় কারাগার থেকে পালিয়ে গেছেন ২০৯ জন বন্দী। মঙ্গলবার বিকালে কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে এ ঘটনা ঘটে। কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহতরা হলেন, নরসিংদীর রায়পুরা থানার নলভাটা গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে মোঃ জিন্নাহ (২৯), সিলেটর মৌলভী বাজার কমলগঞ্জ থানার রামেশ্বরপুর এলাকার মকবুল মিয়ার ছেলে ইমতিয়াজ পাভেল (২৭), নওগঁার আব্দুস সালাম সরদারের ছেলে আসলাম হোসেন (২৭), আফজাল হোসেন (৬৩) তার পিতার নাম রইজ উদ্দিন, স্বপন শেখ কালু (৪৫) পিতা আব্দুর রাজ্জাক শেখ ও রাধে শ্যাম হরিজজন জমাদ্দার (৬৭) পিতা মৃত রাম হরিজন। তিনজনের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।

    জেল সুপার জানান, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে কারাগারের বন্দীরা হঠাৎ বিদ্রোহ শুরু করে। তারা কারাগার থেকে বের হওয়ার জন্য বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে এবং ফটক ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কারারক্ষীরা তাদের নিভৃত করার চেষ্টা করলে বন্দিরা কারারক্ষীদের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে সেনাবাহিনীকে খবর দেওয়া হলে সেনাবাহিনী কমান্ডো অভিযান চালিয়ে বিদ্রোহ দমন করেন।

    বন্দীদের মধ্যে ২০৯ জন দেয়ালটপকে পালিয়ে গেছে। এ সময় গুলিতে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। রাত তিনটার দিকে নিহতদের লাশ ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মোস্তাক আহমেদ জানান, রাত ৩টা ৪০ মিনিটে কারাগার থেকে ছয়টি লাশ হাসপাতালে আসা হয়।

    তিনি আরো জানান, পুলিশ না থাকায় লাশগুলো পড়ে থাকে। পরে পুলিশ কমিশনার কার্যালয় থেকে একজন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এসে লাশের সুরতহাল করেন। লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন্ন হলে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    কারাগারে বন্দি নিহতের খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা হাসপাতালে ভিড় করেন। এসময় স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। নিহত বন্দী ইমতিয়াজের ভাই সোহেল আহমেদ বলেন, আমার ভাই আড়াই বছর ধরে কারাগারে বন্দি ছিল। সকালে খবর পাই কারাগারে সে গুলিতে মারা গেছে।

    এ ব্যাপারে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোঃ সফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। বিস্তারিত খবর নিয়ে জানাতে পারবো।

    রাসেল শেখ
    গাজীপুর

  • তানোরে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইউএনও’র মতবিনিময়

    তানোরে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইউএনও’র মতবিনিময়

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বিএনপি-জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় পার্টির বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান।
    জানা গেছে, গত ৭ আগষ্ট বুধবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনিক হলরুমে তানোরের সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য এই সভার আয়োজন করা হয়।
    এদিন সভার শুরুতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সেই সঙ্গে তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল করা হয়।
    মতবিনিময় সভায় রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন, সরকারি কোনো সম্পত্তিতে আঘাত করা যাবে না। তানোরে স্বাভাবিক জীবন যাপন যেন পরিচালিত হতে পারে তার জন্য আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। আমরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবো। যারা বিভিন্ন অনিয়ম করে আমাদের প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইবে, আমাদের ছাত্র জনতার অর্জনকে নষ্ট করতে চাইবে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
    উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন বলেন, স্বৈরশাসকের পতন হয়েছে। এত অন্যায় অত্যাচার খুন গুম করেছে এত লুটপাট করেছে পাপের ভার আল্লাহ সহ্য করতে পারে নাই। তাই এত ঘৃণ্যভাবে পতন হয়েছে। আমরা যারা তানোরে রাজনীতি করি সকলেই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ জনকল্যাণে একনিষ্ঠ হয়ে কাজ করি করবো।
    সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা একটি সুন্দর তানোর উপজেলা চাই। সুশাসন যেখানে থাকবে ন্যায়বিচার থাকবে মানুষ স্বাধীনভাবে চলতে পারবে সেরকম একটি তানোর চাইলে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। সুন্দর তানোরের জন্য কাজ করতে হবে। আপনারা আমাদের সার্বিক সহযোগিতা করবেন।’
    এসময় অন্যন্যের মধ্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশতুরা আমিনা, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খাঁন, তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম মোল্লা, উপজেলা পরিষদ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নেতা আব্দুর রহিম মোল্লা, উপজেলা জামায়াতের ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক আক্কাস আলী, তানোর পৌর জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক আজহার আলী সরদার, উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক সামসুদ্দিন মন্ডল, তানোর উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, তানোর পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহাবুব মোল্লাপ্রমুখ।
    এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি এবং তাঁদের সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীগণ উপস্থিত
    ছিলেন।#

  • ১১ দফা দাবিতে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের কর্মবিরতি

    ১১ দফা দাবিতে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের কর্মবিরতি

    জহিরুল ইসলাম জয়, দোয়ারাবাজার থেকে-
    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের ১১ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতি পালন করছে পুলিশ সদস্যরা। 
    বুধবার (৭ আগস্ট) দুপুরে দোয়ারাবাজার থানার সম্মুখে দাড়িয়ে সকল পুলিশ সদস্যরা প্রেসব্রিফিংগে ১১ দফা দাবি উপস্থাপন করেন। 
    দাবি গুলো হলো, ১, বর্তমান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যে সকল পুলিশসদস্য মৃত্যুবরণ করেছে তাদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত পুলিশের কর্মবিরতি ঘোষণা।
    ২,পুলিশ কোন সরকারের অধীনে কাজ করবে না নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে জনগণের সেবা করবে।
    ৩,পুলিশ কোন এমপি মন্ত্রী কে প্রোটোকল দিবে না।
    ৪,পুলিশ কোন সিনিয়র অফিসার কে প্রোটোকল দেবে না।
    ৫, পুলিশ ৮ ঘণ্টার বেশি ডিউটি করবে না।
    ৬,পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যেভাবে দ্রুত পদোন্নতি পায় ঠিক সেইভাবে অধিনস্থ  কর্মচারীরিকেও দ্রুত পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে।
    ৭,পুলিশের ২০ দিন ছুটি বৃদ্ধি করে ৬০ দিন করতে হবে।
    ৮, ঊর্ধ্বতন অফিসারের মত অধিনস্থ কর্মচারীদের ও সোর্স মানি দিতে হবে।
    ৯,পুলিশকে প্রত্যেক মাসে ১০ তারিখের মধ্যে টিএ বিল নিশ্চিত করতে হবে।
    ১০,পুলিশের ঝুঁকিবাতা বৃদ্ধি করতে হবে।
    ১১,প্রত্যেক পুলিশ সদস্যদের নিজ রেঞ্জে বদলি করতে হবে।
    এসময় দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)  মো. বদরুল হাসান বলেন, নির্মমভাবে নিহত পুলিশ সদস্যদের হত্যার সুষ্ঠু বিচার, পুলিশ বাহিনী সংস্কার ও বৈষম্য দূরীকরণসহ সারা বাংলাদেশব্যাপী পুলিশ বাহিনীর ডাকা কর্মবিরতির অংশ হিসাবে সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার থানার পুলিশের পক্ষ থেকে একাত্মতা পোষণ করে কর্মবিরতি ঘোষণা করলাম।

  • হাসিনার পতনের পর পটিয়ার সাবেক এমপি জুয়েল সমর্থিত বিএনপির নেতাকর্মীদের বিজয় মিছিল

    হাসিনার পতনের পর পটিয়ার সাবেক এমপি জুয়েল সমর্থিত বিএনপির নেতাকর্মীদের বিজয় মিছিল

    মহিউদ্দীন চৌধুরী।। ১৭ বছরে যুদ্ধের অবসান ও সৈরাচারি খুনী হাসিনার পতনের পর স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম দিনে পটিয়ার সাবেক এমপি গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান জুয়েল এর পক্ষ থেকে পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যেগে বিজয় মিছিল করেছে। মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য, সাবেক যুবনেতা, বদরুল খায়ের চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোজাম্মেল হক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি, চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল জলিল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোনাফ, পটিয়া উপজেলার নব নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান এমদাদুল হাসান, জেলা বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন মাষ্টার, পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক জাহেদুল হক, বিএনপি নেতা জিল্লুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, মুজিবুর রহমান, ইদ্রিস পানু, নজরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন মিয়া, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজী মোহাম্মদ মনির, পটিয়া উপজেলা বিএনপি নেতা, মনছপ আলী, আমিনুর রহমান, , রিজুওনাল হক রিজু, আবুল হোসেন, বছিরুল আলম, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ ওসমান, হাসমত আলী, যুবদল নেতা, মাইমুনুল ইসলাম জমির উদদীন আজাদ, মামুন, নাসির উদদীন, আবু শহীদ রমজান, জমির উদদীন, মোহাম্মদ আনিস, মোরশেদ, আজম, সালাউদ্দিন, বক্কর, শাহজাহান সিরাজ, খোকন শাহ, গাজী দিদার, মোহাম্মদ শাহআলম, মঈনুল হাসন, মোহাম্মদ ফারুক, সেলিম উদদীন, মোহাম্মদ ফোরকান,,সেলিম মেম্বার, ছাত্রদল নেতা, জাহেদুল ইসলাম সুজন, নাঈম উদদীন, আবদুল লতিফ, শাকের, নাজমুল, নজরুল আনিস , শফি, আরফাত,, জাবেদ, সহ নেতৃবৃন্দ।

  • গোদাগাড়ীতে সবদলের নেতাকর্মীদের নিমন্ত্রণ করলেন  ইউএনও

    গোদাগাড়ীতে সবদলের নেতাকর্মীদের নিমন্ত্রণ করলেন ইউএনও

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিমন্ত্রণে ১৭ বছর পর বিএনপি, জামায়াতসহ অন্যান্য নেতাকর্মীর যোগ দেন।

    বুধবার সকাল ১১ টান সময় উপজেলা পরিষদ অডিটারিয়ামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল হায়াতের সভাপতিত্বে বিএনপির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম শাওয়াল, সাধারন সম্পাদক আনারুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি ব্যারিষ্টার মাহাফুজুর রহমান মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক মহাবুবুল ইসলাম পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রুলু, সিনিয়র সহঃ আব্দুল অহাব সভাপতি সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম বাবু, আব্দুল হান্নান, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ ইমামীম মোবিনপ্রমূখ। জামায়াত পশ্চিম জেলা আমিল অধ্যাপক আব্দুল খালেক, ড. মোঃ ওবাইদুল্লাহ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামসহ বিভিন্ন পর্যারের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    আব্দুস সালাম শাওয়াল বলেন, প্রায় ১৮ বছর পর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমাদের নেতাকর্মীদের দাওয়াত দিয়েছেন। এর আগে কোন প্রশাসনের কোন কর্মকর্তা নিমন্ত্রণ করেন নি এমন কি অফিসে আসতে পারিনি। বৃক্ষ কি ফলে পরিচয় আগামী দিনে কার্যক্রম দিয়ে উনি প্রমান করবেন কতটা যোগ্য প্রশাসক, আন্তরিক, দেশ প্রেমিক, ঘুষ, দুর্নীতি, বৈষম্যমূলক প্রশাসন গড়ে তুলবেন।

    গোদাগাড়ী উপজেলা ও পৌর, বিএনপি ছাত্রদলের সকল স্তরের নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান আমরা সবাই সুশৃংখল বিজয় উদযাপন করবে। একটি কুচক্রী মহল কেউবা কারা বিএনপি’র ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটে ব্যস্ত রয়েছেন। লুটপাটকারীদের সাথে বিএনপি, ছাত্রদলের কোন সম্পর্ক নেই। এর দায়ভার বিএনপি নিবে না। আপনারা সকলে সাবধান, সর্তক এবং তৎপর থাকবেন এরকম ঘটনা কেউ ঘটাতে গেলে তাকে ধরে প্রশাসনের হাতে তুলে দিবেন।
    জামায়াত নেতা ড. ওবাইদুল্লাহ বলেন, ইউএনও অফিস, গোদাগাড়ী মডেল থানাপুলিশ, শিক্ষা অফিস মানুষের জুলুম করেছেন, অত্যাচার করেছে তার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে জনতা। দ্রুত পুলিশের কার্যক্রম শুরু করতে হবে। ঘুষ, দুর্নীতি, অত্যাচার বৈষম্যপূলক প্রশাসন গড়ে তুলতে হবে। ঘুষ দেননি বলে অনেকের বছরের পর বছর কাজ হয় নি। আমরা সন্ত্রাস, লুটপাটের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। যারা লুটপাট করেছে তাদের নিকট থেকে সকল সম্পদ উদ্ধার করতে হবে। কেউ করলে সেনাবাহিনী, প্রশাসনকে খবর দিয়ে তা প্রতিরোধ করতে হবে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল হায়াত এ প্রসংগে বলেন, সব দলের নেতা কর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছি। সবাই নিয়ে আমরা ভাল থাকতে চাই। কেউ কোন ভাবে ব্যক্তিগত সম্পদ, রাষ্টীয় সম্পদ, ভ্যাংচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট করবে না। সবদলের নেতাকর্মীরা আমাদের কথা দিয়েছে এব্যপারে সহযোগিতায় করবেন। তৃতীয় পক্ষ এটা করলে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। যেখানে এধরনের অপরাধ করবেন তাদের ধরে আমাদের খবর দিবেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো। আমরা চিঠি দিয়ে দিচ্ছি মসজিদে মসজিদে ইমামগণ বলবেন, কউ যেন জনগনের জানমালের ক্ষতি না করেন। জনগনের ট্রাস্কের টাকায় নির্মিত সরকারী সম্পদের যেন কেউ কোনভাবে ক্ষতিসাধন না করেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • নলছিটিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শহীদ সেলিমের নামে স্মৃতি চত্তরের নামকরন

    নলছিটিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শহীদ সেলিমের নামে স্মৃতি চত্তরের নামকরন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়া সেলিম তালুকদারের নামে নলছিটি বাস স্ট্যান্ডের একটি চত্তরের নামকরণ করা হয়েছে। আগে সেটি বিজয় উল্লাস নামে পরিচিত ছিলো।
    নলছিটি উপজেলার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ০৭ আগস্ট বিকেলে শহীদ সেলিমের ছবি সহ একটি ফলক লাগানো হয়।এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে নলছিটির বালী তাইফুর রহমান তূর্য এবং এফ এইচ রিভান,ঝালকাঠির সমন্বয়কারী খালিদ সাইফুল্লাহ কাজটি সম্পন্ন করেন।
    শহীদ সেলিম তালুকদার গত জুলাই মাসের ১৮ তারিখে আন্দোলন চলাকালীন সময়ে পুলিশের গুলিতে আহত হন,পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ জুলাই তার মৃত্যু হয়।তিনি নলছিটি পৌরসভার মল্লিকপুর টিঅ্যান্ডটি এলাকার সুলতান তালুকদারের ছেলে। তাঁরা সপরিবার বাড্ডা লিংক রোডে বসবাস করতেন।সেলিম বিজিএমই ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে দুই বছর আগে স্নাতক সম্পন্ন করে নারায়ণগঞ্জের মেট্রো নিটিং অ্যান্ড ডাইং মিলস লিমিটেডের সহকারী মার্চেন্ডাইজার পদে চাকরি করতেন।