Blog

  • নড়াইলে পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তাসহ কয়েকটি দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ মিছিল

    নড়াইলে পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তাসহ কয়েকটি দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ মিছিল

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে পুলিশ সদস্যরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। তারা নিরাপত্তাসহ কয়েকটি দাবিতে বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) সকাল থেকে সাদা পোশাকে পুলিশ লাইনসে এ কর্মসূচি পালন করেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, পুলিশ সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা, থানায় হামলাসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে হামলাকারীদের বিচারের দাবি করেন। তারা বলেন, তাদের আলাদা পুলিশ কমিশন গঠন করতে হবে। তারা রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে কাজ করতে চান। তবে সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাদের হত্যার শিকার হতে হয়। নিহত পুলিশের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং তাদের শহীদের মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানান। রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে দেশের জন্য কাজ করতে চায় পুলিশ সদস্যরা। আহত পুলিশ সদস্যদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। অপরদিকে যারা পুলিশ লাইনসে আছেন! তারা নিরাপত্তাহীনতায় মধ্যে আছেন। তাদের ভাষায় এই অবস্থার অবসান করতে হবে। পুলিশ হত্যাসহ সব পুলিশি স্থাপনায় ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে অতিদ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। অপরদিকে পুলিশের নিয়োগ বিধিমালা বিশেষ করে সাব-ইন্সপেক্টর,সার্জেন্ট নিয়োগ পিএসসির অধীনে এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টারের অধীনে কনস্টেবল নিয়োগে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানান পু‌লিশ সদস‌্যরা। পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান ধৈর্য্য ধরে তাদের দাবি-দাওয়ার কথা শোনেন এবং বলেন, এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন প্রমূখ।

  • চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের দূর্নীতিগ্রস্থ সাংবাদিকদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

    চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের দূর্নীতিগ্রস্থ সাংবাদিকদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    বৈষম্যবিরোধী সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সম্মুখে ৯ আগস্ট রোজ শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব অন্তবর্তী কালীন কমিটির সদস্য মোঃ সাইফুল ইসলাম শিল্পী। বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অন্তবর্তীকালীন কমিটির সদস্য আরিয়ান লেনিনের সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থান এর মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর যখন প্রেসক্লাবে বিক্ষিপ্ত ছাত্রজনতা আক্রমণ করতে উদ্ভূত হয় তখন তৃণমূল সাংবাদিকরা দেশের সম্পদ প্রেসক্লাবকে রক্ষা করে। বিক্ষুদ্ধ ছাত্র জনতার অভিযোগ বিগত দিনে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ প্রেসক্লাবকে দলীয় কাজে ব্যবহার করেছেন,আন্দোলন কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলেন, এমনকি ছাত্রদের চলমান আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের পুলিশ ভ্যানে তুলে দেয়। এটা হচ্ছে অপসংবাদিকতা, সাংবাদিকরা কখনো এক পক্ষ হয়ে কাজ করতে পারে না। জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সাংবাদিক ও প্রেসক্লাবের বিলুপ্ত কমিটির নেতারা নেতৃত্বে থেকে ক্লাবটিকে মাদক ও জুয়ার আসরে পরিণত করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া বক্তারা বলেন,প্রেসক্লাবে ছিলো শুধুমাত্র ক্লাবের সদস্যদের প্রবেশাধিকার,সাধারণ সাংবাদিকদের জন্য ছিলো এটি ক্যান্টনমেন্ট। কিন্তু গণমাধ্যম কর্মীদের নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান তৈরিতে দেশের বিভিন্ন মানুষের অবদান রয়েছে। নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থলে সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন যাবত সদস্য পদ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তৃণমূল সাংবাদিকরা জেগে উঠেছে। অতীতের সকল দুর্নীতি ও অনিয়মের শৃংখল ভেঙে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবকে বৈষম্যহীন প্রেসক্লাব হিসেবে গড়ে তোলার আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা যা পুরণ না হলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।ছাত্রদের বুকে নির্বিচারে গুলি চালানোর নেপথ্যের সহযোগিতাকারী সেসব সাংবাদিক নেতাদের অবিলম্বে গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনার দাবী জানান বৈষম্যবিরোধী সাংবাদিক সমাজ।এছাড়াও সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সাংবাদিক নেতাদের দূর্নীতি খতিয়ে দেখে তাদের বিচারের দাবী জানান বক্তারা,সেসকল সাংবাদিকদের অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয় মানববন্ধন থেকে।
    এসময় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ আমিনুল ইসলাম, কিরন শর্মা,শিব্বির আহমেদ ওসমান এবং মোঃজালাল উদ্দিন সাগর, কামরুজ্জামান রনি, আমিনুল হক শাহিন, রাশেদুল আজীজ,মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন বাহার, মোঃ শহিদুল ইসলাম মোঃ আশরাফ উদ্দিন সহ মানবন্ধনে যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

  • সেনাবাহিনীর সহায়তায় লক্ষ্মীপুরে কাজে ফিরতে শুরু করেছে পুলিশ 

    সেনাবাহিনীর সহায়তায় লক্ষ্মীপুরে কাজে ফিরতে শুরু করেছে পুলিশ 

    নাজিম উদ্দিন রানা :
    সেনাবাহিনীর সহায়তায় লক্ষ্মীপুরে থানায় যোগ দিতে শুরু করেছে পুলিশ।তবে এখনো পুড়িয়ে দেয়া রামগঞ্জ থানায় যোগদান করেনি কোন পুলিশ।
    শুক্রবার (৯ আগস্ট) রাতে লক্ষ্মীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়াছিন ফারুক মজুমদার বিষয়টি জানান।তবে দায়িত্বরত পুলিশের সংখ্যা কম দেখা গেছে। থানায় ও বাহিরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় মাঠে নামার কথা জানিয়েছেন তারা।যদিও এখনো কোন কার্যক্রম শুরু হয়নি।ডিউটি অফিসারের চেয়ারেও দেখা যায়নি কোন পুলিশ সদস্যকে।
    লক্ষ্মীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিন ফারুক মজুমদার বলেন,সেনাবাহিনীর সদস্যরা থানায় অবস্থান নিয়েছেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ জন পুলিশ থানায় হাজির হয়েছে। আরও প্রায় ৩০ জন সদস্য শীঘ্রই থানায় ফিরবেন বলে আসাবাদী তিনি। 
    তিনি আরও বলেন, যে কোন বিষয়ে জনগণকে সহায়তা করা হচ্ছে।নাগরিকরা তার যেকোন অভিযোগ থানায় এসে দিতে পারে।সবার সম্মিলিত সহযোগিতা চলমান সংকট দ্রুতই কেটে যাবে আশা পুলিশের।
    এদিকে থানায় দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন,জেলার প্রতিটি থানায় সেনাবাহিনীর ২১-২২ জন সদস্য অবস্থান নিয়েছেন।তারা পুলিশকে সহযোগিতা করবেন।

  • ডাসারে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে বিএনপির নেতার মতবিনিময় সভা

    ডাসারে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে বিএনপির নেতার মতবিনিময় সভা

    রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ

    মাদারীপুরের ডাসারে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সহ গন-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন।
    শনিবার (৯ আগস্ট) বিকালে ৫টার দিকে উপজেলার ধামুসা গ্রামের ইঞ্জিনিয়ার রনজিৎ দে’র বাড়ির দূর্গা মন্দিরে সামনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    পরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ফুলের শুভেচ্ছা ও উলুধ্বনি দিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাকে বরণ করে নেন। এসময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে ডাসার উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী সহ কালকিনি ও মাদারীপুর জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    উক্ত সভার সভাপতিত্ব করেন প্রাত্তন শিক্ষক বাবু শ্রীকান্ত রায়।
    সঞ্চালনায় ছিলেন সুজন ঢালী।

    আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন বলেন, ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে এবং হাজারো ছাত্র ও পুলিশের শহীদের বিনিময়ে আমাদের এই অর্জন। আমাদের দলের নেতাকর্মি ও জনগনের উর্দেশে বলছি,পিছনে বাংলাদেশ আর আগামী দিনের বাংলাদেশ কিন্তু অনেক তফাৎ।
    কোন রকম অনাচার-অত্যাচার করতে পারবেন না। সকল নাগরিককে সমান অধিকার দিতে হবে। তাহলে সকল শহীদের অত্মা শান্তি পাবে। এ দেশের মানুষের মাঝে কোন ভেদাভেদ নেই। আমরা সবাই হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ও মুসলিম’রা সম্প্রতির মাধ্যমে বসবাস করি।

  • রাস্ট্র মেরামতে নাগরিক সমাজ” অনিয়ম,দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধে ছাত্র ও নাগরিকদের নতুন উদ্যোগ

    রাস্ট্র মেরামতে নাগরিক সমাজ” অনিয়ম,দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধে ছাত্র ও নাগরিকদের নতুন উদ্যোগ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    “রাস্ট্র মেরামতে সচেতন নাগরিক ছাত্র ও যুব সমাজ ” নলছিটি শহরের শৃঙ্খলা রক্ষা ও একটি মডেল নগরী গড়তে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে নলছিটি উপজেলার ছাত্র,যুবক ও নাগরিক সমাজ।আজ শুক্রবার বিকাল পাচটায় নগরীর শহীদ সেলিম তালুকদার স্মৃতি চত্তরে এক আলোচনা সভায় তারা এ কথা জানান।
    কোটা সংস্কার আন্দোলনের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে সরকার পতনের পরে অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে রাস্ট্র মেরামতের জন্য।এরই প্রেক্ষিতে রাস্ট্রীয় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনিয়ম দুর্নীতি মুক্ত করতে,সেবা গ্রহনে নাগরিকদের হয়রানি বন্ধে এবং বিশৃঙ্খল নগরীতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সেচ্ছাসেবীদের নিয়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।সমাজকর্মী ও সুজন- সুশাসনের জন্য নাগরিক নলছিটি পৌর কমিটির সমন্বয়ক বালী তাইফুর রহমান তূর্য প্রতিবেদককে জানান,শিক্ষার্থী ও জনতার রক্তে অর্জিত এই দ্বিতীয় স্বাধীনতা আমাদেরকে সুযোগ করে দিয়েছে ভেঙে পরা রাস্ট্রীয় কাঠামো ঢেলে সাজানোর।আমরা এবার আর শহীদদের রক্তে অর্জিত এই স্বাধীনতা বৃথা যেতে দিতে পারি না।তাই অনিয়ম দুর্নিতী রুখতে এবং শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনকে সার্বিক সহযোগিতা করতেই এই নাগরিক কমিটি করা হচ্ছে।এতে নগরীর সচেতন নাগরিক সমাজ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন স্তরের দেশপ্রেমিক জনতাকে নিয়ে একটি সেচ্ছাসেবী কমিটি গড়ে তোলা হচ্ছে।মূলত,নাগরিকদের সেবা নিশ্চিতে নানামুখী সহযোগিতামূলম কর্মকাণ্ডই এ কমিটির উদ্দ্যশ্য।এর মধ্যে অন্যতম হবে,নলছিটি উপজেলার বাস স্ট্যান্ডে শৃঙ্খলা ফেরানো।বাস এবং ভ্যানের জন্য পেছনের দিকে খালি যায়গা নির্ধারণ।শহরের মধ্যে বাদুরতলার রাস্তায় শৃঙ্খলা ফেরানো,রাস্তার জ্যাম রোধে সকল সবজির দোকান তাদের জন্য নির্ধারিত স্থান পুরান বাজারে স্থানান্তর ।
    শহরের মধ্যে কোনো সবজির ভ্যান থাকবে না।এছাড়াও নলছিটির স্কুল, কলেজ সহ সকল সরকারী দপ্তরের যাতে অসহায় গরীব দুঃখী সহ সকল নাগরিকদের সাথে সুন্দর এবং ভলো ব্যবহার করে হয়রানি মুক্ত বিনা ঘুষে সেবা নিশ্চিত করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করা।
    নলছিটি হাসপাতালের শৃঙ্খলা নিশ্চিতে সহযোগিতা, পরিচ্ছন্নতা,খাদ্যের মানউন্নয়নে এবং সেবা নিশ্চিতে কাজ করা। ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেনটেটিভরা যাতে রোগীদের পেসক্রিপশন টেনে ছবি না তোলে সেই ব্যবস্থা করা এবং নির্ধারিত সময় ছাড়া যেনো তারা হাসপাতালে না যান সেটি নিশ্চিত করা। হাসপাতালের খাবারের মান উন্নয়নে নিয়মিত তদারকি করা। বিভিন্ন এলাকার অতি গুরুত্বপূর্ণ যে সকল রাস্তা ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে গেছে সেগুলো চলাচলের ব্যবস্থা করার করা।স্কুল থেকে ছাত্র রাজনীতি সম্পূর্ণ বের করে দেয়া।সকল শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলায় ফেরানো ও স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পরে যাতে রাস্তায় আড্ডাবাজি না করে বাসায় পড়ার টেবিলে ফেরত যায় সেটি নিশ্চিতে কাজ করা।প্রবাসীদের বাড়িতে যদি কোনো সহযোগিতা প্রয়োজন হয় সেই সেবা নিশ্চিত করা।পুলিশ কাজে ফেরার আগ পর্যন্ত শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ চালিয়ে যাওয়া।রাতে পাহাড়ার ব্যবস্থা করা। এ ছাড়াও একটি হয়রানি দুর্নীতিমুক্ত, পরিচ্ছন্ন নিরাপদ নলছিটি গড়ে তুলতে বর্তমান চ্যালেঞ্জ হিসেবে হাতে নিয়েছে।নির্বাচিত সরকার আসার আগেই একটা মডেল নলছিটি উপজেলা উপহার দিতে তরুন ছাত্র ও যুব সমাজ উক্ত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।এ লক্ষ্যে অতি সিগ্রই তারা একটি সচেতন নাগরিক সমাজের কমিটি করে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কাজ শুরু করবেন বলেও জানা গেছে।

  • ভৈরবে অস্থায়ী থানার  উদ্ধোধন করলেন সেনাবাহিনী

    ভৈরবে অস্থায়ী থানার  উদ্ধোধন করলেন সেনাবাহিনী

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির. বিশেষ প্রতিনিধি : আজ ৯ আগস্ট শুক্রবার কিশোরগঞ্জের ভৈরবে থানা পুড়িয়ে দেয়া  অস্ত্র ও মালামাল লুটের পর ভৈরবে শহীদ আইভি রহমান পৌর ষ্টেডিয়াম ভবনে ভৈরব থানার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্ধোধন করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত থানা পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা,জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা।
    আজ শুক্রবার বিকালে  থানার উদ্ধোধন করেছেন ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল হুসাইন মোহাম্মদ মাসিহুর রহমান । এ সময় সাথে ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তরিকুল ইসলাম,লেফটেন্যান্ট কর্ণেল  ফারহানা আফরিন,কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ,পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ,ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাকিলা বিন মতিন ,  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল মনসুর,কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শরিফুল আলমসহ জনপ্রতিনিধিও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্ররা । পরিদর্শন শেষে মেজর জেনারেল হুসাইন মোহাম্মদ মাসিহুর রহমান বলেন, থানাটা পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে । থানার কার্যালয় উদ্ধোন করা হয়েছে । পুলিশ মনোবল নিয়ে কাজ করবে । পুলিশ সমাজের জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ ।থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ছাত্ররা ও জনগন ফেরত দিয়েছে । কিছু অস্ত্র উদ্ধার বাকি আছে সেগুলো ফেরত দিবে আশা করছি । তবে পুলিশ কাজ শুরু করেছে ।  আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছে । সকলের সহযোগিতায় সুন্দও পরিবেশ বজায় থাকবে ।তবে কেউ আইন শৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটালে ব্যবস্থা নেয়া হবে । লুট করা মালামাল ফেরত দেয়ার আহবানও করেন তিনি।

  • অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন

    বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন করেছেন।

    আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ সংক্রান্ত তথ্য জানানো হয়েছে।

    ড.মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। রাতে বঙ্গভবনে ১৭ সদস্যের অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ জন শপথ নেন। আজ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন করা হলো।

    দেখে নেয়া যাক প্রধান উপদেষ্টা সহ কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন—

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস—মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্ৰণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    সালেহ উদ্দিন আহমেদ—অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

    ড. আসিফ নজরুল—আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

    আদিলুর রহমান খান—শিল্প মন্ত্রণালয়।

    হাসান আরিফ—স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

    মো. তৌহিদ হোসেন—পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান—পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

    শারমীন এস মুরশিদ—সমাজকল্যান মন্ত্রণালয়।

    ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন—স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন—ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

    ফরিদা আখতার—মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

    নূরজাহান বেগম—স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

    মো. নাহিদ ইসলাম—ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

    আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

  • অন্তরবর্তীকালীন সরকারকে অবৈধ ঘোষনা করে গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগ’র বিক্ষাভ

    অন্তরবর্তীকালীন সরকারকে অবৈধ ঘোষনা করে গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগ’র বিক্ষাভ

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির.বিশেষ প্রতিনিধি:

    অন্তর্র্বতীকালীন সরকারকে অবৈধ ঘোষনা করে বিক্ষাভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন। 

    আজ শুক্রবার দুপুরে জেলা আওয়ামী কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। 

    মিছিলটি কোর্ট মসজিদ, কোর্ট এলাকাসহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় চৌরঙ্গী গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ সমাবেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অন্তত ৫ হাজার কর্মীসমর্থক অংশ নেয়। 

    জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব আলী খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাব উদ্দিন আজম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সিকদার নজরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। এসময় পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম কবির, সাধারণ সম্পাদক আলীমুজ্জামান বিটুসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে জাতীয় নির্বাচনে মাধ্যমে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী করার আহবান জানান।

  • সড়ক পরিষ্কার করতে ব্যস্ত , বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা

    সড়ক পরিষ্কার করতে ব্যস্ত , বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা

    খলিলুর রহমান খলিল, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি।।
    রংপুরের তারাগঞ্জে সড়ক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন, সড়কে চলাচলকারী মোটরসাইকেলে হেলমেট ব্যবহার করতে তাদের সচেতনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তারাগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে মহাসড়ক ও শহীদ মিনারসহ তারাগঞ্জ বাজারের সড়ক গুলোতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কাজে অংশ নেন তারা।

    শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস আশরাফী বলেন, সকাল থেকেই আমরা তারাগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন স্থানের সড়ক ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করেছি। আমরা চাই একটা নতুন বাংলাদেশ হোক, যে বাংলাদেশে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে পারি।

  • শিক্ষার্থীরা নিয়েছেন ট্রাফিকের দায়িত্ব

    শিক্ষার্থীরা নিয়েছেন ট্রাফিকের দায়িত্ব

    খলিলুর রহমান খলিল, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি ।।
    রংপুরের তারাগঞ্জে নতুন চৌপতি বাস স্ট্যান্ড সহ তারাগঞ্জের ব্যস্ততম রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) তারাগঞ্জের ব্যস্ততম পয়েন্ট গুলোতে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করেন তাঁরা। ঐদিন বেলা ১১টায় তারাগঞ্জের ব্যস্ততম সড়কগুলোতে সরজমিনে গিয়ে এই চিত্র দেখা যায়।

    নতুন চৌপতি বাস স্ট্যান্ড মোড়ে স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীরা গাড়ির সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ করছেন দিচ্ছেন হেলমেট পড়ারও তাগিদ । সেখানে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালনকারী আলামিন ইসলাম বলেন , ‘আমরা গতকাল সকালে বাসায় ফেরার সময় দেখলাম তারাগঞ্জে কোনো ট্রাফিক পুলিশ নেই। এতে ব্যস্ততম সড়ক গুলিতে যানবাহন চলাচলে একধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। তাই আজকে আমরা কয়েকজন শিক্ষার্থী মিলে রাস্তায় দায়িত্ব নিয়েছি। ট্রাফিক পুলিশ যে দায়িত্বটুকু পালন করে, আমরা সেটুকু পালন করছি।’

    সেখানে দায়িত্ব পালন করা আরেক শিক্ষার্থী তূর্য বলেন বলেন, ‘রাস্তায় গাড়ির শৃঙ্খলা ফেরাতে আমরা এখানে দায়িত্ব পালন করছি। এ ছাড়া আমাদের বিকল্প আরেকটি গ্রুপ প্রস্তুত আছে, তারা বেলা ৩টার পর দায়িত্ব গ্রহণ করবে।’ ওই সময় কথা হয় পথচারী লিমন হোসেনের সাথে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা সত্যিই আগামী ভবিষ্যৎ , ওরা আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে দেশপ্রেম কাকে বলে।