Blog

  • সুন্দরগঞ্জে কর্ম বিরতি প্রত্যাহার করে ৮ দিন পর কর্মে ফিরেছে পুলিশ

    সুন্দরগঞ্জে কর্ম বিরতি প্রত্যাহার করে ৮ দিন পর কর্মে ফিরেছে পুলিশ

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

    সারা দেশের ন্যায় সুন্দরগঞ্জ থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যগণ পুলিশের সংস্কারের দাবিতে কর্মবিরতিসহ সবধরণের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন।

    রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও আইজিপিসহ ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে বৈঠক শেষে নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পর সোমবার হতে তারা সবাই কাজে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন।

    দাবী দাওয়া পূরণ ও যোগদানের বিষয়টি সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলম ও তদন্ত ওসি মিলন কুমার চ্যাটার্জী নিশ্চিত করেন।

    ৫ আগস্ট দিনসহ আগে ও পরে সহিংসতায় আহত-নিহত পুলিশদের ক্ষতিপূরণ, সংস্কারের পাশাপাশি ১১ দফা দাবিতে বিক্ষোভসহ কর্মবিরতি পালন করে আসছিলেন পুলিশ সদস্যরা। যার কারণে পুলিশবিহীন সারাদেশ কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং আইনশৃংখলার ব্যাপক অবনতি ঘটে। বিষয়টি আপামর জনতা ও সর্ব মহল হারে হারে টের পেয়ে যায় এবং পুলিশের কাজ যে পুলিশ ছাড়া আর কেউ করতে পারবে না তারা বুঝতে সক্ষম হয়। সর্বমহলের দাবীর মুখে পুলিশ জনসার্থে কর্মস্থলে যোগদান করেন।

    যেসব দাবি জানানো হয়েছে
    চলমান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুলিশ হত্যাসহ পুলিশের স্থাপনায় ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে অতি দ্রুত বিচারের আওতায় আনা, নিহত পুলিশের পরিবারকে এককালীন আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়া, আজীবন পেনশন রেশন প্রাপ্তি এবং পরিবারের একজন সদস্যের সরকারি চাকরি নিশ্চিত করা, আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা, গুরুতর আহত পুলিশ সদস্যদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা, পুলিশের নিয়োগ বিধিমালা বিশেষত সাব-ইন্সপেক্টর এবং সার্জেন্ট নিয়োগ বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের অধীনে এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অধীনে কনস্টেবল নিয়োগে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সাব ইন্সপেক্টর এবং সার্জেন্ট পদে বিদ্যমান পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করা, সাব-ইন্সপেক্টর এবং সার্জেন্ট থেকে ইন্সপেক্টর পদে পিএল হওয়ার এক বছরের মধ্যে পদোন্নতি নিশ্চিত করা, কনস্টেবল, নায়েক, এসআই, এএসআই পদোন্নতির ক্ষেত্রে পরীক্ষায় পাসকৃতদের পরবর্তী বছর পুনঃপরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা বাতিল এবং পদোন্নতি প্রদানের ক্ষেত্রে পাসকৃতদের সিনিয়রটি অনুসরণ, পুলিশের কর্মঘণ্টা কমিয়ে ৮ ঘণ্টা নির্ধারণ এবং অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার জন্য ওভারটাইম প্রদান অথবা বছরে দুটি বেসিকের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করা, পুলিশের ঝুঁকি ভাতা বৃদ্ধি, টিএ-ডিএ বিল প্রতিমাসের ১০ তারিখের মধ্যে প্রদান এবং প্রযোজ্য সব সেক্টরে সোর্স মানি নিশ্চিত করা, নৈমিত্তিক ছুটি বৃদ্ধি করে অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ৬০ দিন কার্যকর করা(পূর্বে ছিল ২০ দিন), অভোগকৃত ছুটির বিনিময়ে আর্থিক সুবিধা প্রদান করা, পুলিশ বাহিনীর প্রচলিত পুলিশ আইন এবং পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল সংস্কার করে যুগোপযোগী এবং কার্যকরী করা, পুলিশ বাহিনীকে যেন কোনো সরকার তার রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন করা, পুলিশের সব থানা, ফাঁড়ি,  ট্রাফিক বক্স আধুনিকায়ন করা এবং অধস্তন অফিসারদের জন্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের অধস্তন কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং সব ব্যারাকে বিদ্যমান আবাসন সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করে ব্যারাকগুলোকে আধুনিকায়ন করে ঢেলে সাজানো।

    উল্লেখ্য-সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে অনেক পুলিশ সদস্য নিহত ও আহত হয়। একারণে পুলিশ  গত ৫ আগস্ট থেকে কর্মবিরতি ঘোষণা করেন।

  • গু*লিবিদ্ধ সাজুর মৃ*ত্যু:

    গু*লিবিদ্ধ সাজুর মৃ*ত্যু:

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগর জেলা প্রতিনিধি :

    গুলিবিদ্ধ সাজুর মৃত্যু, তার ১৫ দিন বয়সী ছেলের নাম ‘আবু সাঈদ’ রেখেছিলেন 

    সাজু ইসলাম

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকার পতনের দিন গত ৫ আগস্ট সকালে গাজীপুরে গুলিবিদ্ধ হন সাজু ইসলাম (২৬)। সোমবার (১২ আগস্ট) ভোররাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    সাজু ইসলাম পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার টোকরাভাষা মিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আজহার আলীর ছেলে। তিনি ২০১৫ সালে টোকরাভাষা তহিবননেছা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। সাজু গত ৪-৫ বছর ধরে গাজীপুরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। সেখানে তিনি একাই থাকতেন। পরিবার থাকতো গ্রামে। সাজুর বাবা আজহার আলী রিকশাচালক। চার ভাই-বোনের মধ্যে সাজু বড়। গত দেড় বছর আগে বিয়ে করেন সাজু। দাম্পত্য জীবনে তার ১৫ দিন বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রংপুরের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হওয়ার পর তার ছেলে হলে নাম রাখা হয় আবু সাঈদ। সাজুর দুই বোন নাজমুন নাহার, নিলুফা আক্তার ও ছোট ভাই রাজু আহম্মেদ। এদের মধ্যে দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট ভাই লেখাপড়া করছে।

  • ঘাটাইলে শহিদদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও গনভোজ

    ঘাটাইলে শহিদদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও গনভোজ

    রায়হান,
    ঘাটাইল প্রতিনিধি

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় গতকাল টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌর বিএনপি উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট ওবায়দুল হক নাসিরের নির্দেশনায় ঘাটাইল পৌর বিএনপি’র তত্ত্বাবধায়নে ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে, কোটা সংস্কার আন্দোলনে শহীদ শিক্ষার্থীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় ও বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া প্রার্থনা ও গণভোজের আয়োজন করা হয়।

    পৌর বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাইল উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো: সিরাজুল হক সানা, ঘাটাইল উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ বেলাল হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ করিম,পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মো: আনোয়ার হোসেন হেলাল,পৌর বিএনপি সহ সভাপতি আজাহার,সদস্য রফিকুল ইসলামসহ ঘাটাইল উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দলসহ  বিএনপির সহযোগী সংগঠন ও অঙ্গর সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • যতো অর্জন ছাত্রদের, গোদাগাড়ীতে মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন

    যতো অর্জন ছাত্রদের, গোদাগাড়ীতে মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ

    যতো অর্জন ছাত্রদের। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ছাত্ররা। গত ১৫ বছরে রাজনৈতিক দলগুলো যা করতে পারেনি তা করেছে ছাত্ররা। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনে গোদাগাড়ী উপজেলা, পৌরসভা এবং কাঁকনহাট পৌরসভা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত গণমিছিল এবং পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন, গোদাগাড়ী- তানোর বিএনপির অভিভাবক ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন।

    জানা গেছে, গতকাল বৈকালে গোদাগাড়ী ডাইংপাড়া গোল চত্বরে আয়োজিত পথসভা শেষে গণমিছিল বের হয়। গণমিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।প্রধান অতিথি মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন তার বক্তবে আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের দুঃশাসন থেকে হাসিনা সরকারের পতন ঘটিয়ে এ দেশের জনগনকে মুক্ত করেছেন ছাত্ররা। ছাত্রদের অবদান কখনো ভোলার নয়। তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের দুঃশাসন থেকে এই দেশের জনগনকে মুক্ত করতে ছাত্ররা ১ জুলাই থেকে ৩১ পর্যন্ত বুকের তাজা রক্ত দিয়ে শত শত প্রাণের বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে হাসিনা সরকারের পতন ঘটিয়েছে। শোকের মাস জুলাই মাস।

    বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে শরিফ উদ্দিন বলেন, দেশে দুরবৃত্তরা লুটতারাজ চাঁদাবাজি শুরু করেছে। দুরবৃত্তরা যাতে লুটতারাজ চাঁদাবাজি করতে না পারে, তার জন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের পাড়া-মহল্লায় পাহারা দিতে হবে। যাতে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে। সংখ্যা লঘুদের বাড়িতে বাড়িতে বিএনপির নেতাকর্মীদের পাহরা দিতে হবে। দুর্বৃত্তরা যেনো সংখ্যা লঘুদের উপর কোনো প্রকার অত্যাচার নির্যাতন না করতে পারে। আওয়ামী লীগের মতো দুর্নীতিবাজ,লুটেরা,দুর্বৃত্ত নেতাকর্মী বিএনপি চাই না। গোদাগাড়ী-তানোরবাসীদের বলেন, এখন দেশে লুটপাট ও চাঁদাবাজী শরু হয়েছে। যদি আপনাদের বাড়ীঘর, দোকানপাট, ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্বৃত্তরা গিয়ে লুটপাট বা চাদাঁদাবী করে তাহলে তাদেরও ধরে প্রসাষনের কাছে দিন।

    মিছিল শেষে বিএনপির কার্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় মিলাদ মহাফিল ও দোয়া খায়ের অনুষ্ঠিত হয়। পথসভা ও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন,গোদাগাড়ী-তানোরের বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠন কয়েক হাজার নেতা ও কর্মী-সমর্থক। এর আগে সকালে দুর্বৃত্তদের কাছ থেকে ২টি মটর সাইকেল উদ্ধার করে গোদাগাড়ী মডেল থানায় জমা দেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন।#

  • মহেশপুরে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে বাথরুমের টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ

    মহেশপুরে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে বাথরুমের টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ

    মো,শহিদুল ইসলাম,
    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-
    গত ২০২৩/২৪ অর্থ বছরে বরাদ্দকৃত ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণচন্দ্রপুর বাসষ্টান্ডে সরকারি অর্থ বাজেটের ১লক্ষ টাকার একটি নতুন বাথরুম তৈরির জন্য ইউপির ৮নং ওয়ার্ড সদস্য রেজাউল ইসলাম মন্টুকে পিআইসি করা হয়। ইউপি সদস্য মন্টু বাজেটের নতুন বাখরুমটি নতুন ভাবে নির্মান না করে বাসষ্টান্ডে অবস্থিত সাবেক মেম্বার মৃত ইসমাইল হোসেনের আমলে তৈরি ১টি পুরাতন বাথরুম ঘষে মেঝে নিম্ন মানের প্লাস্টার, প্লেন সিটের দরজা ও নিন্ম মানের টাইল্স ও প্যান বসিয়ে রং করে দিয়ে বাকি টাকা পকেটাস্থ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে এলাকার লোকজনের মুখে মুখে ব্যাপক গুঞ্জন সহ নানা ধরণের সমালোচনার ঝড় বইছে। এছাড়া ইউপি সদস্য আওয়ামী রাজনৈতিক দলের লোক হওয়ায় তার নিজস্ব শক্তিতে গত ১বছর যাবত বাথরুমে কারো বাথরুম করতে দেবে না বালে তালাবদ্ধ করে আটকিয়ে রাখে। এলাকা ও গ্রামবাসি জানান নাম মাত্র সর্বচ্চ ৩০/৩৫ হাজার টাকা ব্যয় করে সমুদয় টাকা গুলো পকেটস্থ করেছে ইউপি সদস্য মন্টু। গ্রাম বাসি সহ বিভিন্ন মাধ্যম বাথরুমটি বার বার খুলে দেওয়ার কথা জানালেও ইউপি সদস্য মন্টু কোন কর্ণপাত করেনি। বিষয়টি নিয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌলী ইঞ্জিনিয়ারকে অবগত করা হয়। এবিষয়ে কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের জনগন ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম হায়দার নান্টুর সাথে কথা বললে তিনি দ্রত ঐ ওয়ার্ডের মহল্লাদার আবু তালেবকে দিয়ে তালাবদ্ধ ঐ বাথরুমের তালা ভেঙে দরজা খুলে দেয়। বাথরুম খুলে দেওয়ায় ইউপি সদস্য মন্টু চেয়ারম্যান সহ স্থানীয় এক সাংবাদিকের উপর ব্যাপকভাবে ক্ষিপ্ত হয়। এসময় স্থানীয় জনগনের রোষে পড়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। সরকারি টাকা আত্মসাৎ ও গত ১বছর ধরে তালাবদ্ধ করে আটকিয়ে রাখায় প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করা যাচ্ছে।

  • দানবীর ফসিয়ার রহমানের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    দানবীর ফসিয়ার রহমানের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজ সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা দানবীর মরহুম আলহাজ্ব ফসিয়ার রহমানের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের পক্ষ থেকে মরহুমের কবর জিয়ারত, কোরআন খতম, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রোববার সকালে কলেজ মিলনায়তনে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উৎপল কুমার বাইন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মরহুম ফসিয়ার রহমানের সহধর্মিণী আলহাজ্ব ফাতেমা রহমান। প্রভাষক গোলাম আজম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহকারী অধ্যাপক সেখ রুহুল কুদ্দুস, সফিয়ার রহমান, রফিকুল ইসলাম, গাজী নুর মোহাম্মাদ, সরদার আব্দুর রাজ্জাক, মুসফেকা হুমায়ুন কবির পিন্টু, আবু সাবাহ গাজী, নুরুজ্জামান, শিক্ষার্থী শিরিন সুলতানা ও তামান্না সুলতানা। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা জালাল উদ্দীন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছায় বিএনপির শান্তি মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় বিএনপির শান্তি মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা(খুলনা) ।।
    পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে শান্তি মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কে সহযোগিতার অংশ হিসেবে দলটির পক্ষ থেকে রোববার সকালে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে শান্তি মিছিল টি আদালত এলাকা শুরু করে জিরোপয়েন্ট হয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বাজার চৌরাস্তা মোড়ে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পৌর বিএনপির আহবায়ক সেলিম রেজা লাকির সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ। উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেনের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, জেলা বিএনপি নেতা এডভোকেট জি এম আঃ সাত্তার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোড়ল শাহাদাৎ হোসেন ডাবলু, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা মোড়ল, বিএনপি নেতা আব্দুল মজিদ গোলদার, শেখ ইমামুল ইসলাম, শেখ আনারুল ইসলাম, নাজির আহম্মেদ, মেছের আলী সানা,আসাদুজ্জামান ময়না, হাবিবুর রহমান, প্রভাষক ইকবাল হোসেন, মাষ্টার বাবর আলী গোলদার, তোফাজ্জেল সরদার, আবু মুছা সরদার, আইনজীবী সাইফুদ্দিন সুমন , আবুল কাশেম সরদার, জেলা যুবদল নেতা আবু হুরায়রা বাদশা, শামসুজ্জামান, শহিদুর রহমান শহীদ, জেলা ছাত্রদল নেতা ফিরোজ আহমেদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক সরোজিৎ ঘোষ দেবেন,পৌর আহবায়ক আরিফুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা ওবায়দুল্লাহ সরদার ও আসাদুজ্জামান মামুন সহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • আশুলিয়া থানায় কার্যক্রম আবার নতুন করে শুরু, স্বাগত জানালো শিক্ষার্থীরা

    আশুলিয়া থানায় কার্যক্রম আবার নতুন করে শুরু, স্বাগত জানালো শিক্ষার্থীরা

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানা পুলিশ ৫ দিন পর আবার নতুন করে কার্যক্রম শুরু করেছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকালে সহিংসতায় থানায় হামলার ঘটনায় সেবামূলক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

    শনিবার (১০ আগস্ট ২০২৪) বিকেলে আশুলিয়া থানায় কাজে যোগদান করেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সহ পুলিশ সদস্যরা। এর আগে, গত রবিবার আশুলিয়া থানায় হামলা চালিয়ে ভাংচুরের পর থানায় অগ্নিসংযোগ করে আন্দোলনকারীরা।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মূল ফটক দিয়ে ঢুকেই থানার ভবনের সামনে স্তুপ করে রাখা হয়েছে পুড়ে যাওয়া জিনিসপত্র। সেখানে পুলিশের পোশাক, ট্রাঙ্ক, গাড়ি, এসিসহ থানার ব্যবহৃত বিভিন্ন পোড়া জিনিস দেখা যায়।

    বিকেলে সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তার সঙ্গে থানায় প্রবেশ করেন ওসিসহ পুলিশ সদস্যরা। তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা।

    পরে ভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে উপস্থিত জনতার সামনে বক্তব্য দেন ওসি। আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, আমরা সবসময় জনগণের নিরাপত্তা দিয়েছি। আমরা ছাত্র ও জনগণের সহযোগিতায় আবারও থানার কার্যক্রম শুরু করেছি। আমরা ছাত্র ও জনগণের সহযোগিতা চাই। তাদের সহযোগিতায় দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনব।

    এর আগে, সকালের দিকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা থানা প্রাঙ্গণ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করে।

    এ সময় তারা পুলিশের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করার কথা জানান। তারা বলেন, নতুন বাংলাদেশ গঠনে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে পুলিশের পাশে থাকবে শিক্ষার্থীরা।

  • সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে চলছে উত্তেজনা কারা রক্ষীদের তোপের মুখে জেল সুপারসহ জেলার

    সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে চলছে উত্তেজনা কারা রক্ষীদের তোপের মুখে জেল সুপারসহ জেলার

    কে এম শহিদুল্লাহ,
    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
    বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির কারণে সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ শফিউল আলম ও জেলার মোঃ: হুমায়ূন কবির পরেছেন কারা রক্ষীদের তোপের মুখে। চলমান ছাত্র আন্দোলনের কারনে এক দিকে যেমন সরকারের পতন ঘটেছে ,সেই সাথে সাধারণ পুলিশ সদস্যরা ও তাদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন দেশ জুড়ে। বিভিন্ন থানা ও জেলা কারাগারের জেল রক্ষীরা ও তাদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে চলেছেন। তারই অংশ হিসেবে এবার সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার ও জেলারসহ দূর্নীতিবাজদের সকল অনিয়ম দুর্নীতির কাল মোখষ খুলে দিতে শুরু করেছেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাধারণ সদস্যরা। এবার জনগণের সামনে ফুটে উঠেছে সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারের তেমন চিত্র। জেল সুপার ও জেলারের নানান অনিয়মের কারনে সাধারণ কারা রক্ষীরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে বাধা গ্রস্থ হচ্ছেন এমনটির চিত্র এবার ফুটে উঠেছে। কারা রক্ষীদের স্বাধীনতা জিম্মি করে অনিয়মের কায়েম রাজত্ব গড়ে তুলেছেন জেল সুপার মোহাম্মদ শফিউল আলম ও জেলার মোঃ হুমায়ূন কবির। আসামিদের খাবারের খাদ্য পন্যের বরাদ্দকৃত সরকারের টাকা আত্মসাৎ, দিগুন দামে পণ্য বিক্রি, কারা রক্ষীদের কাছ থেকে ঘোষ নেওয়া ,বদলী বাণিজ্য , মহিলা কারারক্ষীদের অসামাজিক কার্যকলাপের কুপ্রস্তাব, পুরাতন আসবাবপত্র রাখার গোডাউনে সাধারণ কারা রক্ষীদের থাকার জায়গা করে পানিশমেন্ট দেওয়াসহ আসামিদের প্রতি অন্যায় অবিচার করা,জেল খানার ভিতরে মাদক আদান-প্রদান করা। ঐ সমস্ত কার্যকলাপ সাধারণ কারা রক্ষীদের মন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। সেনাবাহিনীর কাছে দেশ হস্তান্তর করার পর পরই ফুটে উঠতে শুরু করেছে প্রত্যেকটি সেক্টরের বড় বড় অফিসারের অনিয়মের কাল চিত্র। এবার সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারের দূর্নীতিবাজ জেল সুপার ও জেলার পরেছেন কারা রক্ষীদের তোপের মুখে। তাদের বিরুদ্ধে কারা রক্ষীরাই বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। এমনকি জেল সুপার ও জেলারকে গণ ধোলাই দিয়ে জেলখানা থেকে বের করার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন সাধারণ কারা রক্ষীরা।ঐ জেল সুপার ও জেলার কে দ্রুত এখান থেকে না সরালে যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে অপ্রীতিকর ঘটনা। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে কর্মসূচি পালন করেছেন কারা রক্ষীরা। ৯আগষ্ট শুক্রবার রাতে জেলা কারাগারের সকল কারা রক্ষীরা এক হয়ে জেল সুপার ও জেলারের সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েন । এক সময় কারা রক্ষীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে, কারা রক্ষীরা জেল সুপার ও জেলারের প্রতি ক্ষিপ্ত হন এবং গণ ধোলাই দেওয়ার প্রস্তুতি নেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সাংবাদিক ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হলে কারা রক্ষীরা সাংবাদিকদের কাছে জেল সুপার ও জেলারের সকল অনিয়ম দুর্নীতিসহ আসামিদের কাছ থেকে ঘোষ নেওয়াসহ ক্ষমতার অপব্যবহারের সকল তথ্য তুলে ধরেন। এবং জেল সুপারের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে জেল খানার ভিতরে জেতে নিষেধ করেন। এবং ১১দফা দাবিতে কর্মবিরতি অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। জেলা কারাগারে এমন ঘটনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও উপস্থিত হন। সেনাবাহিনীর সুনামগঞ্জ জেলার দায়িত্বরত লে: কর্ণেল নাফিজ ইন্তিয়াজ ও ডিসির প্রতিনিধি মিলে সকল কারা রক্ষীদের বুঝিয়ে তাদের সাথে কথা বলে সকল অনিয়ম দুর্নীতির কথা নোট করে নেন। এবং তদন্ত করে দূর্নীতি বাজ জেল সুপার ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। এসময় সকল কারা রক্ষীদের তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের জন্য অনুরোধ করেন। পরে দূর্নীতিবাজ জেল সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেনাবাহিনীর গাড়িতে তুলে অনত্র নিয়ে যান সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে রাত ১টার দিকে তাকে কোয়াটারে হেফাজতে পৌঁছে দিয়ে আসেন। এব্যাপারে জেল সুপারের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের ক্যামেরায় কোন কথা বলতে রাজি নন বলে জানান।##পর্ব-১

  • নাগরপুরে বিশেষ আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

    নাগরপুরে বিশেষ আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

    মো. আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র ও জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন করে বিজয় লাভ করে। এ বিজয় কে কেন্দ্র করে একটি মহল তাদের স্বার্থ হাসিল করতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় অরাজগতা তৈরি করে চলছে। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। তাই টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সকল রাজনৈতিক দল. ছাত্র সমন্বয়ক, হিন্দু সম্প্রদায়, সাংবাদিক, ইউপি চেয়াম্যান ও সুশিল সমাজের অংশগ্রহণে বিশেষ আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে নাগরপুর উপজেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করে।

    সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল হায়দার। এসময় ছাত্রদের সমন্বয়ক মাহির ফয়সাল, রুনা আক্তার ও ইদ্রিসসহ বিএনপি, জামাত, জাতীয় পার্টি, নাগরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি/সাধারন সম্পাদক, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি চেয়াম্যানগণ বক্তব্য রাখেন। আরো উপস্থিত ছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলেন সদস্য, হিমেল, মনির, ওহাব, মেরিনা মালিহা, সিমান্ত, শামিম, সুজন, সর্দার আশরাফ, জিহাদ, মীম, মিষ্টি ও নাছিমা আক্তার।

    নাগরপুর, টাঙ্গাইল।।