Blog

  • নড়াইলে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন বন্ধ সহ আট দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    নড়াইলে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন বন্ধ সহ আট দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন বন্ধ সহ আট দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন বন্ধ সহ আট দফা দাবিতে সোমবার দুপুরে নড়াইলে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। সনাতনী শিক্ষার্থী ও জাগ্রত সনাতনী সমাজ নামে একটি সংগঠন এ কর্মসূচির আয়োজন করে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, পথে পথে বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে জেলার দূর দূরান্ত থেকে হাজার হাজার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বিক্ষোভ মিছিলসহকারে নড়াইল শহরের বাধাঘাট মন্দির চত্বরে জড়ো হয়। এখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন সনাতনী ছাত্র সমাজের সমন্বয়ক রাজিব বিশ্বাস, সমন্বয়ক অমিয় চক্রবর্তী, সূর্য, দিপু, সমিরন,জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি পংকোজ বিহারী ঘোষ,,পংকোজ সরকার,রনজিৎ টিকাদার,প্রদ্যুৎ কুমার রায় ওরফে আবুল সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা । অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক রাজিব বিশ্বাস বলেন,দেশের সরকার পরিবর্তনের পর হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর যে অত্যাচার-নির্যাতন শুরু হয়েছে তা বন্ধ করতে হবে। মন্দিরে মন্দিরে হামলা করা হচ্ছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে ভাংচুর লুটপাট করা হচ্ছে। আমরা এ দেশেরই মানুষ। তিনি বলেন,হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই মিলেমিশে থাকতে চাই। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, অপর সমন্বয়ক অমিয় চক্রবর্তী বলেন,আমরা সরকার পরিবর্তনের আন্দোলন করছি না। সুস্থ্য ও স্বাভাবিকভাবে বাচার অধিকারের দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি। তিনি বলেন, সমাবেশে আসার সময় আমাদেরকে পথে পথে বাধা প্রদান করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার জন্য প্রশাসনের সদয় দৃষ্টি কামনা করেন।

    পরে এখান থেকেএকটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে জড়ো হয়। কথায় কথায় ইন্ডিয়া,আমরা কি দেশের মানুষ না?,আমি কে তুমি কে বাঙ্গালি-বাঙ্গালি,মন্দিরে হামলা কেন জবাব চাই জবাব চাই,আমার মাটি বাংলাদেশ ছাড়বো না ছাড়বো না। মিছিল থেকেিএমন করে গগন বিদারী শ্লোগান দেওয়া হয়।

    জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌছালে আন্দোলনকারীদের নেতৃস্থানীয় কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় আন্দোলনকারীদের ৮ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। আট দফা দাবির মধ্যে রয়েছে ১। সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দোষীদের দ্রততম সময়ে শাস্তি প্রদান,ক্ষতিগ্রস্থদের যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। ২। অনতিবিলম্বে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে। ৩। সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে। ৪। হিন্দুধর্মীয় কল্যাণট্রাষ্টকে হিন্দু ফাউন্ডেশনে উন্নীত করতে হবে। ৫। পাশাপাশি বৌদ্ধ ও খ্রীষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টকেও ফাউন্ডেশনে উন্নীত করতে হবে। ৬। দেবোত্তর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন এবং অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন যথাযথ বাস্তবায় করতে হবে। ৭। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংখ্যালঘুদের জন্য উপাসনালয় নির্মাণ এবং প্রতিটি হোষ্টেলে প্রার্থনা কক্ষ বরাদ্দ করতে হবে। ৮। সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড আধুনিকায়ন করতে হবে। শারদীয় দূর্গা পূজায় ৫ তিন ছুটি দিতে হবে।
    জেলা প্রশাসক সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার্থে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। আন্দোলণকারীদের স্মারকলিপি সশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে পাঠানোর আশ্বাস দেন। এ সময় নড়াইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা,পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান উপস্থিত ছিলেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছা বিএনপির সাধারন সম্পাদককে দল থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানববন্ধন

    পাইকগাছা বিএনপির সাধারন সম্পাদককে দল থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানববন্ধন

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও সোলাদানা ইউনিয়নের সাবেক বার বার নির্বাচিত
    চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হককে দলীয় পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়ায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে হিন্দু সমপ্রদায়ের হাজার হাজার
    মানুষ চেয়ারম্যান এনামুলের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের জন্য মানববন্ধন করে এবং বিএনপির নেতৃবৃন্দ বাজার জিরোপয়েন্টে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। উল্লেখ্য গত ১০আগষ্ট খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান ও সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি সাক্ষরিত পত্রে এস এম এনামুল হককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন যঙ্গেশ্বর কাত্তিক, প্রভাষক সুজিৎ কুমার মন্ডল, কিশোর কুমার মন্ডল রমেশ মন্ডল, উদয় সানা, দেবাশীষ সরদার, দীনবন্ধু সানা, প্রিতিস মন্ডল, প্রণব মন্ডল, দেবু সরদার, প্রশান্ত মন্ডল, সমিরন মন্ডল,জ্যোতিষ মন্ডল রবি শংকর গাইন, দিলীপ, অশেষ ঢালী, জয়দেব রায় কল্যাণী রায়, শংকরী মন্ডল, রিক্তা মন্ডল, শ্যামলী সানা, পূর্ণিমা মন্ডল, কিয়া রানী মন্ডল, প্রভাস মন্ডল, শিবপদ মন্ডল,শৈলেন মন্ডল নির্মল চন্দ্র মন্ডল ডাক্তার নিত্য রঞ্জন মন্ডল ইউপি সদস্য পলাশ রায় মনি শংকর মন্ডল রিতা রানী মন্ডল তন্ময় পরিমল চন্দ্র মন্ডল প্রমূখ।
    অপরদিকে সন্ত্রাস বিরোধী গনমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশে আসলাম পারভেজের সভাপতিত্বে ও এস এম এমদাদুল হকের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, তৌহিদুজ্জামান মুকুল, সাজ্জাদ আহমেদ মানিক, ইমরান সরদার, সোহেল গাজী, শেখ ইমাদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম তারিখ,শেখ সাদেকুজ্জামান, আবুবক্কার সানা, মিজান জোয়ারদার আব্দুস সাত্তার, আনারুল কাদির, মমিনুর রহমান, আব্দুল গফুর, শেখ ইব্রাহিম, হাবিবুর রহমান, মাসুদ পারভেজ, লিপ্টন সরদার, হযরত গাজী, জুয়েল, তৈবুর রহমান, হাবিবুর রহমান হবি মোল্লা, মেম্বার আব্দুল হাকিম, সন্তোষ কুমার গাইন, ইউনুস মোল্লা প্রমুখ।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • নড়াইলের সকল থানায় পুলিশের কার্যক্রম পুরোদমে চালু

    নড়াইলের সকল থানায় পুলিশের কার্যক্রম পুরোদমে চালু

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি, নড়াইল থেকে

    নড়াইলে পুলিশের কার্যক্রম পুরোদমে চালু। নড়াইলের সকল থানার কার্যক্রম চালু
    টানা ৬ দিন পরে নড়াইলের সকল থানায় পুলিশের কার্যক্রম পুরোদমে চালু হলো। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি, নড়াইল থেকে জানান, সোমবার সকাল থেকে জেলার সড়কে ট্রাফিক, কোর্টে পুলিশ এবং থানায় সরব উপস্থিতি ও কর্মচঞ্চল দেখা যায়। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি, নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টায় পুলিশ লাইন্স থেকে জেলা পুলিশের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা সহ একটি মোটর শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে শেষ হয়। সেখানে পুলিশ সুপার (এসপি) মোহা.মেহেদী হাসান পুলিশের দাবী দাওয়া ও সীমাবদ্ধতা বিষয়ে উদ্দীপনামূলক বক্তব্য রাখেন।
    এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আনোয়ার হোসেন, তারেক আল মেহেদী (ক্রাইম এন্ড অপস্) সদর থানার ওসি মো.সাইফুল ইসলামসহ সকলে উপস্থিত ছিলেন। এরপর সকলে যার যার কর্মক্ষেত্রে ফিরে যান।
    সড়কে ট্রাফিক ফিরলেও ছাত্ররা তাদের ডিউটি পালন করছে। থানায় যথারীতি সেনাসদস্যের পাথারা রয়েছে। পুলিশ সদস্যরা বলছেন, তাদের ১১ দফা দাবির ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আশ্বাস দিয়েছেন, তাই তারা কাজে ফিরেছে। সাধারণ মানুষ থানায় কাজ করতে পেরে খুশি।

    এ সময় নড়াইলের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহা. মেহেদী হাসান গণমাধ্যমকে সকল কাজের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে পুলিশ কাজে ফিরেছে বলে দাবি করেন।

  • দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের সহকর্মী হত্যার প্রতিবাদে কর্মবিরতি অবশেষে কাজে যোগদান

    দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের সহকর্মী হত্যার প্রতিবাদে কর্মবিরতি অবশেষে কাজে যোগদান

    হারুন অর রশিদ দোয়ারাবাজারঃ
    দেশের বিভিন্ন থানায় হামলা ও সহকর্মীদের হত্যার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংগঠন। ৭ আগস্ট বুধবার বিকেলে সারা দেশের পুলিশের সাথে একাত্মতা পোষণ করে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদরুল হাসানের নেতৃত্বে কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ।
    এসময় বিক্ষুব্ধ পুলিশ সদস্যরা নানা স্লোগান দিতে থাকেন। তাদের মূল দাবি, রাজনৈতিকভাবে তাদের যেন কেউ ব্যবহার করতে না পারে এবং সিনিয়রদের তাঁবেদারি না করা।
    এর আগে গণমাধ্যমে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ বদরুল হাসান বলেন, গত কয়েক বছর ধরে পুলিশের কতিপয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দলীয়করণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পুলিশের ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। যার ফলে গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর থেকে সারা দেশের পুলিশ সদস্যদের উপর এবং পুলিশের প্রতিষ্ঠান সমূহের উপর নির্বিচারে হামলা চালানো হয়েছে।
    সাধারণ কনস্টেবল ও এস আই, এ এস আই গণ বলেন, অসংখ্য পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছে এবং প্রায় ৪৫০টি থানা ও ৭০টির মত পুলিশ স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, লুটপাট চালানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ পুলিশের ‘অধিনস্থ কর্মচারী সংগঠন’ মঙ্গলবার থেকে দেশব্যাপী অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করেছিলেন। দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বদরুল হাসান বলেছেন এখন ফলপ্রসূ আলোচনার সাপেক্ষে আমরা আমাদের কাজে যোগদান করেছি। এখন থেকে জন কল্যাণে মানুষের সেবা করতে পারি। ১২ আগষ্ট সোমবার থেকে দোয়ারাবাজার থানার সকল কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হল।

  • বৈষম্যবিরোধী সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় খাগড়াছড়িতে আলোচনা সভা ও সাংবাদিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে

    বৈষম্যবিরোধী সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় খাগড়াছড়িতে আলোচনা সভা ও সাংবাদিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে

    নুরুল ইসলাম (টুকু)
    জেলা প্রতিনিধি,খাগড়াছড়ি।

    ১২ ই (আগস্ট) ২০২৪ রোজ সোমবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বৈষম্যবিরোধী সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় খাগড়াছড়িতে পুনর্গঠিত খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব এর বর্তমান সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক সমীর মল্লিকের সঞ্চালনায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দীন মজুমদার। সভায় জেলার নয় উপজেলার সিনিয়র সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।এসময় সকল সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এক মহা মিলন মেলায় পরিনত হয় প্রেসক্লাব।

    এসময় বক্তারা বলেন জেলা প্রেসক্লাব সকল সাংবাদিক এর জন্য উন্মুক্ত থাকবে।এটা কারো ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান নয়।

    এতে উপজেলা প্রেসক্লাব থেকে বক্তব্য রাখেন, মো.মোবারক হোসেন, এসএস জাহাঙ্গীর আলম, মো. নুরুল আলম, দীপক সেন, কেফায়েত উল্লাহ, মো.শাহজাহান সাজু, মো. মহসিন, শ্যামল রুদ্র, নিজাম উদ্দিন লাভলু, নুরুল ইসলাম টুকুসহ প্রমূখ।

    এছাড়া সভায় উপস্থিত থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও গণমানুষের ন্যায্য দাবী সম্পর্কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য মো. মুন্না, মো. আফিক, মাজহারুল ইসলাম প্রমূখ।

    ছাত্র নেতারা বলেন, সাংবাদিক সমাজ দেশ ও জাতির চর্তুথ স্তম্ভ এবং সমাজের আয়না। তাঁরা এই সমাজ ও দেশ উন্নয়নে রেফারীর ভূমিকা নিয়ে লুটপাট, দুর্নীতি,অনিয়মের বিরুদ্ধে কাজ করবে, সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলা শেখাতে হবে। অযথা সংবাদ বা নিউজকে আকর্ষনীয় করতে গিয়ে সত্যকে আঁড়াল করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সোশাল মিডিয়ার কোন কথা গুরুত্ব না দিয়ে প্রকৃত সত্য জানাতে ভূমিকা রাখতে হবে।

    এই ছাত্র আন্দোলন করতে গিয়ে আহত বা ক্ষতিগ্রস্তরা কোন ছাত্র আন্দোলনের জন্য কোন সুবিধা নেবে না! ছাত্রদের এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ দেশ ও সমাজের জন্য উৎসর্গ করা হয়েছে। ছাত্র আন্দোলনের নামে কোন অর্থ সংগ্রহ হবে না! এটা হয়ে থাকলেও তা গ্রহন করা হবে না। ফান্ডের প্রয়োজন দেখা দিলে, তা জাতিকে অবশ্যই জানানো হবে।

  • ঘাটাইলে শহীদদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও গনভোজ

    ঘাটাইলে শহীদদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও গনভোজ

    রায়হান,
    ঘাটাইল প্রতিনিধি

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় গতকাল টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌর বিএনপি উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট ওবায়দুল হক নাসিরের নির্দেশনায় ঘাটাইল পৌর বিএনপি’র তত্ত্বাবধায়নে ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে, কোটা সংস্কার আন্দোলনে শহীদ শিক্ষার্থীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় ও বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া প্রার্থনা ও গণভোজের আয়োজন করা হয়।

    পৌর বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাইল উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো: সিরাজুল হক সানা, ঘাটাইল উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ বেলাল হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ করিম,পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মো: আনোয়ার হোসেন হেলাল,পৌর বিএনপি সহ সভাপতি আজাহার,সদস্য রফিকুল ইসলামসহ ঘাটাইল উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দলসহ  বিএনপির সহযোগী সংগঠন ও অঙ্গর সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • যশোরে ১১ মাসের শিশু পুত্রকে হ*ত্যা করে  বাবার আত্মহ*ত্যা

    যশোরে ১১ মাসের শিশু পুত্রকে হ*ত্যা করে  বাবার আত্মহ*ত্যা

    আজিজুল ইসলামঃ পারিবারিক কলহের জের ধরে যশোরে ১১ মাসের শিশু পুত্র আয়মান হোসেনকে হত্যা করে গলায় ফাঁস দিয়ে বাবা ইমামুল হোসেন নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।

    ইমামুল হোসেন যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার শরীফপুর গ্রামের আমজাদ গাজীর ছেলে।

    রোববার দিবাগত রাত দশটার দিকে নিজ বাড়িতে  ঘরের ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে  তিনি আত্মহত্যা করেন।

    স্থানীয়রা জানান, ইমামুল দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে থাকতেন। তার স্ত্রী মমতাজ বেগম কে তার পিতার বাড়িতে যেতে দিতেন না। বিষয়টি নিয়ে স্ত্রী মমতাজ ও ইমামুলের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে মমতাজ এগারো মাসের শিশু সন্তান আইমানকে ইমামুলের কাছে রেখে বাবার বাড়ি হাড়িয়া দিয়া গ্রামে চলে যান। শিশু বাচ্চাটি দুধের জন্য কান্দাকাটি শুরু করে। সে কান্না থামাতে না পেরে বাচ্চাটিকে গলাটিপে হত্যা করেন। এরপর বাবা ইমামুল রাতের কোন এক সময়ে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

    ইমামুলের মা রহিমা বেগম বলেন, গতকালকে আমার বৌ-মা মমতাজ বেগম আর ছেলে ইমামুল দু’জনে বৌ-মার বাপের বাড়ি যাওয়া নিয়ে গন্ডগোল করে। একপর্যায়ে ছোট্ট শিশুটিকে ফেলে রেখে সে বাবার বাড়ি চলে যায়। দিনের বেলায় আমি বাচ্চাটাকে খাওয়া দাওয়া করিয়ে কোন রকম রেখেছিলাম। কিন্তু ছোট্ট শিশুটিকে নিয়ে আমার ছেলে এনামুল ঘুমায়। সকালে উঠে দেখি আমার ছেলের মৃত্যু দেহটি রশিতে ঝুলছে। পাশে বিছানায় আমার ছোট্ট আয়মানের মৃত্যু দেহ পড়ে রয়েছে।

     

    ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন ভূইয়া বলেন, সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জানতে পেরেছি পারিবারিক কলহের জেরে ইমামুল আত্মহত্যা করেছে। ইমামুলের ঘরে তার ছোট্ট শিশু সন্তান আয়মান কেও মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।

  • নলছিটিতে ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত

    নলছিটিতে ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার( ১২ আগষ্ট) দুপুর সাড়ে বারোটায় সরকারি নলছিটি ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদল এ বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করে।

    এসময় কলেজ প্রাঙ্গনে ফলজ ও বনজ বৃক্ষ চারা রোপন করা হয়। সরকারি নলছিটি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. মনিরুজ্জামান,ছাত্রদলের সরকারি নলছিটি ডিগ্রি কলেজের আহবায়ক মো. রাকিব গাজী,সদস্য সচিব হিমেল হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    তারা জানান, নলছিটি সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল শাখা শিক্ষাবান্ধব রাজনীতি করতে চায়। এছাড়া আমরা বিভিন্ন সামাজিক কাজে যুক্ত থাকতে চাই তারই অংশ হিসেবে আজকে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে।

  • হাসপাতালেও ছাত্রদের মনিটরিং,এ যেনো এতিম মুমূর্ষু একটি হাসপাতালের আদর্শ চিত্র

    হাসপাতালেও ছাত্রদের মনিটরিং,এ যেনো এতিম মুমূর্ষু একটি হাসপাতালের আদর্শ চিত্র

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    বিপ্লবের হাওয়া এখন দেশের চারদিকে, সারাতে হবে সমাজ,মেরামত করতে হবে রাস্ট্রীয় ভেঙে পরা কাঠামো। আর এই দায়িত্ব ছাত্র ও জনতার কাধেই।।
    নলছিটিতে আজ সকাল থেকে ছাত্রদের একটি টিম নগরীর বাজার,দোকান মনিটরিং করছিলো।এরই ধারাবাহিকতায় তারা দুপুর বারোটার দিকে উপস্থিত হয় নলছিটি উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্সের খোজখবর নিতে।কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত হাসপাতালটিকে একরকম এতিম অবস্থায় পাওয়া যায়।ছাত্ররা দুপুর বারোটার সময় গিয়েও দেখেন নতুন পতাকা স্ট্যান্ড খালি পরে আছে,উত্তোলন করা হয়নি জাতীয় পতাকা।হাসপাতালের নানাবিধ সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে উপজেলা সাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে গিয়ে দেখা যায় তিনি তখনও অফিসে আসেন নি।তার কক্ষের দায়িত্বে থাকা পিওন জানান তিনি ঝালকাঠিতে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে মিটিংয়ে আছেন।সত্যতা যাচাই করতে ঝালকাঠির সিভিল সার্জনের কাছে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়া পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসলে সেখানেও নেই।তাহলে তিনি কোথায় গেলেন,হাসপাতালের দায়িত্বই বা কার কাছে?এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে ছাত্ররা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসকের সন্ধান করেন,কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে হাসপাতালে তাকেও খুজে পাওয়া যায়নি।এসময় হতাশ হয়ে ছাত্ররা বলতে থাকেন হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ কে তাহলে এখন, তখন একজন সেবা গ্রহীতা বলে ওঠেন হাসপাতালটি আপাতত এতিম,এর কেউ নেই।বাস্তবেও দেখা গিয়েছে এমনই চিত্র।ভর্তি রোগীদের বেডে দেয়া হয়না মশারি,চাইলেও বদলে দিতে চায়না ময়লা হওয়া চাদর,আউটডোরে চিকিৎসা দিচ্ছেন মাত্র তিন জন চিকিৎসক,রোগ নির্নয়ে এক্সরে মেশিনের নেই ফিল্ম তাই সেটিও অচল প্রায় দুই মাস।বহুদিন ধরে বিকল হয়ে পরে আছে নতুন আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন,নেই মেরামতের উদ্যোগ। প্যাথলজিতে চালু করা হয়নি নতুন সেল কাউন্টার মেশিন,বহুদিন আগে আনা হলেও পরে আছে সেটি।এক প্রকার প্রকৃত এতিম অবস্থায় মুমূর্ষু একটি হাসপাতালের আদর্শ চিত্র যেনো নলছিটি উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্সের।এ বিষয়ে উপজেলা সাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যস্ত পাওয়া যায়।

  • কুমিল্লায় পুলিশের লুট হওয়া ২৮ অ*স্ত্র ৬৬৭ রাউ*ন্ড গু*লি উদ্ধার করেছে আনসার- ভিডিপি

    কুমিল্লায় পুলিশের লুট হওয়া ২৮ অ*স্ত্র ৬৬৭ রাউ*ন্ড গু*লি উদ্ধার করেছে আনসার- ভিডিপি

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,
    কুমিল্লা থেকে,

    কুমিল্লার বিভিন্ন থানা এরিয়া থেকে লুট হওয়া ২৮ টি অস্ত্র ও ৬৬৭ টি গুলি উদ্ধার করছে আনসার ভিডিপি কুমিল্লার কমান্ড্যান্ট রাশেদুজ্জামান ।
    তিনি সাংবাদিক দের জানান, বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করে এসব উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
    আনসার জেলা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুলাই দুপুরে সরকার পরিবর্তনের খবরে কুমিল্লার বিভিন্ন থানা ও কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স থেকে অস্ত্র লুট হয়। পরে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আনসার ভিডিপি সদস্যরা এসব অস্ত্র উদ্ধারে কাজ শুরু করে।
    কুমিল্লা জেলা অফিসের তত্ত্বাবধানে ২৮ টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬৬৭ রাউন্ড গুলি, ১১ টি খালি ম্যাগজিন, হ্যান্ডকাফ ও চাবি উদ্ধার করা হয়েছে।

    জেলা কমান্ডেন্ট আরো জানান, আমাদের সদস্যদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পরিত্যক্ত অবস্থায়- ড্রেনের ভেতর, বন জঙ্গল থেকে খোঁজাখুঁজি করে এবং এলাকার মসজিদের মাইকে জানান দিয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে এসব অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সাথে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
    আনসার ভিডিপি কুমিল্লা রেঞ্জ পরিচালক আশীষ কুমার ভট্টাচার্য জানান,শুধু কুমিল্লায় নয় নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং চাঁদপুরেও বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, থানা পাহারা এবং ট্রাফিকিংয়ের কাজে আনসার ভিডিপি সদস্যরা সচেষ্ট রয়েছে। এসব কার্যক্রম চলমান থাকবে।