Blog

  • রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপারের  সাথে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপারের সাথে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময় করেছেন রাজশাহী জেলা জামায়াত ইসলামীর পশ্চিম ও পূর্ব শাখার নেতৃবৃন্দ।

    রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটের সময় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তারা এ সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময় করেন।

    মতবিনিময়কালে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ পুলিশ সুপারকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত আছে। নেতাকর্মীরা সংকটময় মুহূর্তেও মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় কাজ করেছে ও ভবিষ্যতেও করবে। মন্দির রক্ষায় নেতাকর্মীরা কাজ করেছে। কোনো জায়গায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি করতে দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও কোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠী চক্রান্ত চেষ্টার পরিকল্পনা করলে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা রুখে দিবে বলে এসপিকে জানান নেতৃবৃন্দ। এছাড়া জামায়াত নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং নিমূলে পুলিশকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহবান জানান। পুলিশ সুপার জামায়াত নেতৃবৃন্দকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জামায়াত নেতাকর্মীদের পুলিশের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা পশ্চিম শাখা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক, পূর্ব জেলা আমীর রেজাউর রহমান, পশ্চিম জেলা সেক্রেটারী আব্দুল খালেক, পূর্ব জেলা সেক্রেটারী নাজমুল হক, জেলা পশ্চিমের সহকারী সেক্রেটারী ড. ওবায়দুল্লাহ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের রাজশাহী পশ্চিম জেলা সেক্রেটারী আব্দুল কাদির, শিবিরের জেলা সভাপতি রুবেল আলী প্রমূখ।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • পিডিবিএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মউদুদ উর রশিদ সফদারের- পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন

    পিডিবিএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মউদুদ উর রশিদ সফদারের- পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন

    সুমন খান:

    পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নানা অনৈতিক কর্মকান্ড আর ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়মের কারণে মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের মাঝে নানা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সেচ্ছাচারিতার কোন জবাবদীহি না থাকার কারণে যা ইচ্ছা তাই করছে নিজ অধিনস্থ কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে। এতে চরম ক্ষোভে ফুঁসে উঠছে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন এর মাঠ পর্যায়ে সহ প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। এরি ধারাবাহিকতায় রবিবার অবৈধভাবে চুক্তিভিত্তিক দ্বিতীয়বার নিয়োগ প্রাপ্ত পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মউদুদ উর রশিদ সফদারের পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন করেছেন কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

    রবিবার ১৮ আগস্ট সকাল ১০ টার দিকে মিরপুর শিয়ালবাড়ী রোডে অবস্তিত পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) এর প্রধান কার্যালয় সামনে মানববন্ধনের সময়ে কর্মকর্তা কর্মচারীরা এ দাবি জানায়।

    তারা বলেন, মউদুদ উর রশিদ সফদার অবৈধ ভাবে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ বাতিল সহ সকল দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, লুটতারাজ, স্বেচ্ছাচারিতা, দুঃশাসন ও বদলি বানিজ্যের দ্রুত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠ তদন্ত পূর্ব কঠিন শাস্তি এবং পদত্যাগের দাবিও করা হয় মানববন্ধনে। এ সময়ে মানববন্ধন থেকে নানা শ্লোগান আসতে শোনা যায় তখন শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) ভবনের প্রধান ফটক।

    তারা আরো বলেন, পিডিবি এফ থেকে একজন যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিকে নিয়োগ মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংসের হাত থেকে মুক্তি করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবীও জানানো হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে।এছাড়া এমডির ক্ষমতার দাম্ভিকতা দির্ঘদীন অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়ে ৭ জন কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে বলেও মানববন্ধন থেকে জানানো হয়।

    বক্তারা বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের ৪ হাজার কর্মকর্তা কর্মচারী এমডির অমানবিক নির্যাতনের মধ্য দিয়েই দীর্ঘদিন যাবত দুঃসহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে বাধ্যহয়ে চাকরি করছেন তারা। এর থেকে পরিতানের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে। মানববন্ধন থেকে আরও জানানো হয়, আগস্টের ৫ তারিখ থেকে অফিস না করে আত্মগোপনে থেকে তার বিশ্বস্ত লোক দিয়ে অফিসের ফাইল পত্র বাসায় নিয়ে স্বাক্ষর করেন তিনি। যাহা আইনের পরিপন্থী এমন্ত অবস্থায় এমডি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত কর্মবিরতি ও লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দেন তারা মানববন্ধনে অংশগ্রহন কারিরা।

  • নড়াইলের ঐতিহ্যবাহী গোয়ালবাথান মুন্সীবাড়ি মসজিদ

    নড়াইলের ঐতিহ্যবাহী গোয়ালবাথান মুন্সীবাড়ি মসজিদ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে এক রাতেই নির্মিত হয় ঐতিহ্যবাহী গোয়ালবাথান মুন্সীবাড়ি মসজিদ। ৪০০ বছর আগে মোগল শাসনামলে এক রাতে নির্মাণ করা হয় নড়াইল সদর উপজেলার গোয়ালবাথান ঐতিহ্যবাহী মুন্সীবাড়ি মসজিদ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, মসজিদের ছাদের ওপরে চারপাশে ছোট ছোট চারটি মিনার এবং মাঝখানে একটি বড় গম্বুজ রয়েছে। ছোট ইট আর চুন-সুড়কির গাঁথুনির মাধ্যমে নির্মাণ করা হয়েছে এ মসজিদটি। জনশ্রুতি রয়েছে, ওই মসজিদটি জ্বীনদের দিয়ে নির্মাণকাজ করা হয় এবং ওই সময় জ্বীনরাও নামাজ আদায় করতেন।
    এলাকায় জনশ্রুতি আছে, মোগল শাসনামলে প্রায় ৪০০ বছর আগে একদিন এই গ্রামে এসে হঠাৎ করে বসবাস শুরু করেন মুন্সী হবৎউল্লাহ নামে এক ব্যক্তি। এর কিছু দিন পর তিনি এক রাতে ওই স্থানে এ মসজিদ এবং এর সংলগ্ন একটি পুকুর খনন করেন। সেই থেকে ওই গ্রামে আস্তে আস্তে জনবসতি শুরু হয় এবং ওই স্থানসহ আশপাশের এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা ওই মসজিদে নিয়মিত নামাজ আদায় করতে থাকেন।
    নড়াইল জেলায় ওই সময় অন্য কোনো মসজিদ না থাকায় জেলার বিভিন্ন এলাকার মুসলিম সম্প্রদয়ের মানুষরা নড়াইলের প্রথম মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসতেন বলেও জনশ্রুতি রয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, ইতিহাস স্বাক্ষ্য দেয়, গোয়ালবাথান গ্রামের মুন্সীবাড়ির এ মসজিদটি নড়াইল জেলার সর্ব প্রথম ও প্রাচীনতম মসজিদ। ছোট ছোট ইট আর চুন সুড়কির গাঁথুনীর মাধ্যমে এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। অবশ্য মুসল্লি বেড়ে যাওয়ায় ১০ বছর আগে সামনের অংশ বর্ধিত করা হয়েছে।
    এলাকাবাসী জানান, ওই এলাকায় কোনো মানুষের বসতি ছিল না। বাগানে ভরা ছিল এলাকাটি। মুন্সী হবৎউল্লাহই ওই গ্রামের প্রথম বাসিন্দা ছিলেস। তার বসবাস শুরুর পর কোনো এক রাতে ওই মসজিদ এবং তার সঙ্গে লাগোয়া একটি পুকুর খনন করা হয়।
    মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা মুন্সী হবৎউল্লাহর বংশধরেরা আজও গোয়ালবাথান গ্রামে বসবাস করছেন। তারাও সঠিকভাবে বলতে পারেন না কত সালে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল এ মসজিদটি। তবে মোগল শাসনামলে এবং কমপক্ষে ৪০০ বছর আগে এটি তাদের পূর্বপুরুষ মুন্সী হবৎউল্লাহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে জানিয়েছেন।
    এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে, ওই মসজিদটি জিনদের দিয়ে নির্মাণকাজ করা হয় এবং ওই সময় জিনরাও এ মসজিদে নামাজ আদায় করতেন। ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারক গোয়ালবাথান গ্রামের মুন্সীবাড়ির মসজিদটি আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদে বিভিন্ন এলাকার মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতে আসেন। এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ মসজিদটি দেখার জন্য আসেন।
    যশোর জেলার ভাঙ্গুরা এলাকার বাসিন্দা শাহরিয়ার হাসান বলেন, আমি গোয়ালবাথান মসজিদে এসে নামাজ পড়েছি। ৪০০ বছরের পুরোনো এই মসজিদটি দেখে খুব ভালো লেগেছে। এই মসজিদটি প্রত্মতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করা হলে আরো ভালো হতো।
    সাব্বির হাসান নামে একজন বলেন, নড়াইলের গোয়ালবাথান মসজিদের নাম শুনেছি। কোনোদিন দেখার সৌভাগ্য হয়নি। নড়াইল জেলায় আমার নানু বাড়ি। নানু বাড়ি বেরাতে এসে আমি মসজিদটি দেখতে এসেছি। এখানে এসে নামাজ আদায় করেছি। মসজিদের গম্বুজ, নকশা ও সামনের পুকুর দেখে ভীষণ ভালো লাগলো। প্রকৃতির রঙের সঙ্গে মসজিদর রঙও মিলে গেছে। সবকিছু মিলে ভীষণ ভালো লেগেছে।
    গোয়ালবাথান গ্রামের বাসিন্দা সমাজ সেবক সৈয়দ সামিউল ইসলাম শরফু বলেন, গোয়ালবাথান মসজিদটি ইতিহাসের পাতায় স্থান পেয়েছে। ৪০০ বছরের পুরোনো এই মসজিদটি দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসেন মানুষ। ৪০০ বছর আগে এই এলাকায় মানুষের বসবাস তেমন ছিলো না। কিন্তু বর্তমানে জনবসতি বেড়ে যাওয়ায় মসজিদটির সবকিছু ঠিক রেখে বর্ধিত করা প্রয়োজন।
    ৩৬৬ বছরের পুরনো মোগল আমলের শাহ সুজা মসজিদ
    মসজিদটিতে ইমামের দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের প্রতিষ্ঠাতার বংশধর ঐতিহ্যবাহী মুন্সীবাড়ির আলেম মুন্সী মাওলানা হাসমত আলী। তিনি বলেন, গোয়ালবাথানের এই মসজিদটি আমাদের পূর্বপুরুষ মুন্সী হবৎউল্লাহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সে কারণে মসজিদ সংরক্ষণসহ সবকিছু আমরা ও মহল্লাবাসী মিলে দেখাশোনা করি। এখানে আমি এলাকাবাসীর সম্মতিতে ইমামতি করি। আমার কাছে খুব ভালো লাগে। তবে মসজিদের উন্নয়নে সরকারের পৃষ্টপোষকতা প্রয়োজন। সরকার কিংবা সমাজের বিত্তশালীরা এগিয়ে এলে শতবর্ষের পুরোনো এই মসজিদটি ধ্বংসের করালগ্রাস থেকে সংরক্ষিত থাকবে।

  • মাউশির প্রদর্শক ও গবেষণা সহকারি পদের ফল প্রকাশের দাবিতে মানববন্ধন

    মাউশির প্রদর্শক ও গবেষণা সহকারি পদের ফল প্রকাশের দাবিতে মানববন্ধন

    আনোয়ার হোসেন,

    মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) প্রদর্শক ও গবেষণা সহকারী সহ সকল পদের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের দাবিতে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে মানববন্ধন করেছে নিয়োগ বঞ্চিত কয়েক শত শত প্রার্থীরা।
    রবিবার ১৮ই আগষ্ট সকাল ১১টায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে মানববন্ধন করে।
    মানববন্ধনে উপস্থিত প্রার্থীরা বলেন গত ২০২১ এর আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে এ সকল পদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নানা জটিলতা কাটিয়ে প্রায় আড়াই বছর পরে গত ২৪/০৪/২০২৪ খ্রি: এ লিখিত পরীক্ষার ফলাফল
    প্রকাশিত হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রায় ৪ বছর এবং ভাইভা শেষ হওয়ার আড়াই মাস পরেও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত না হওয়ায ফলপ্রার্থী পরীক্ষার্থীবৃন্দ এই ফলাফলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং চিন্তিত।

    এ সময় ফলাফল প্রত্যাশীরা কয়েকটি দাবির কথা উল্লেখ করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে, সর্বোচ্চ সংখ্যক শুন্য পদ পূরণ করতে হবে,প্যানেল গঠন করে শূন্য পদ পূরণ করতে হবে,দুর্নীতিমুক্ত মেধা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিউ প্রদান করতে হবে।

    পরিশেষে মাউশির প্রদর্শক, গবেষণা সহকারী সহ অন্যান্য পদের ফলাফল প্রত্যাশীগণ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে স্বারকলিপি করেন।

  • পাইকগাছায় একটি বাঁশের সাঁকো  পারাপারে এলাকাবাসীর  চরম ভোগান্তি

    পাইকগাছায় একটি বাঁশের সাঁকো পারাপারে এলাকাবাসীর চরম ভোগান্তি

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা ( খুলনা )।।

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ডে উত্তর গড়ের আবাদ সরদার বাড়ি জামে মসজিদের সামনে নৌর নদীর উপর বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার যেন মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংস্কারের অভাবে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে পারা পারের। ফলে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। দেখার কেউ নেই। এখানে একটি সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা বা উপজেলা সদরে যেদিকে যাক উত্তর গড়েরআবাদ গ্রামের মানুষ একমাত্র সহজ রাস্তা পূর্বগজালিয়া। সহজে যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন প্রায় শত শত মানুষ ওই বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হয়ে পূর্ব গজালিয়া ডাবল ইটের রাস্তা উঠে। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় এবং বর্তমানে বৃষ্টির সময় হওয়ায় আরও বেশি ভোগান্তিতে পড়ে এলাকাবাসী।

    গ্রামের অনেক গাড়ি চালক মোটরভ্যান, নসিমন, করিমন, পাঁকা রাস্তার উপর, কখনও অন্যের বাড়িতে গাড়ি রেখে সাঁকোপার হয়ে বাড়ি ফেরে। ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ উত্তর গড়ের আবাদ গ্রামটিতে দুই হাজারের বেশি লোকের বসবাস। গ্রামটিতে নেই কোন সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। গ্রামে রয়েছে ৪টি জামে মসজিদ, ২টি ঈদগাঁহ, ২টি কওমি মহিলা মাদরাসা। গ্রামের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রী পূর্ব গজালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যেতে সহজ পথ বাঁশের সাঁকো তা এখন মরণ ফাঁদ হয়ে পড়েছে। শুকনো মওসুমে স্কুল শিক্ষার্থীরা অনেক সময় বাদুড়িয়া ব্রীজ হয়ে, অথবা চৌমুহনি বাজার ঘুরে আধা কিলোমিটার পথ হেটে স্কুলে যেতে হয়। নৌর নদীর উপর অত্র এলাকার একমাত্র অবলম্বন বাঁশের সাঁকো নষ্ট হওয়ায় পারাপারে বিপাকে পড়ছে কয়েক শতাধিক মানুষ।

    স্থানীয় রুহুল কুদ্দুস বলেন, বর্ষাকালে আমাদের উত্তর গড়ের আবাদ গ্রামের মাটির রাস্তাটি চরম দুর্ভোগে পোহাতে হয়। দুর্ভোগে এড়াতে নদীর উপর সাঁকো পার হয়ে চলাচলে সহজ হয়।

    তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, গত কয়েক বছর আগে মসজিদের সামনে বাঁশের সাঁকোটি গ্রামের মানুষের সহযোগীতায় প্রথমে সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছিল। ২ থেকে ৩ বছর যেতে না যেতে সাঁকো নষ্ট হয়ে পড়ে।

    সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জোয়াদুর রসুল বাবু’র আমলে সরকারি বরাদ্দে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আক্কাস ঢালী কিছু পাকা পিলার ও কাঠ দিয়ে নির্মাণ করলে ৩ বছরে মধ্যে সাঁকোটি আবার নষ্ট হয়ে যায়। পুনরায় স্থানীয় মানুষের সহযোগীতায় কোন রকম সংস্কার করলে তা বর্তমানের বাশেঁর সাঁকোটি পারাপারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

    স্থানীয় আবুল কাশেম সরদার বলেন, গ্রামের মানুষের সহযোগিতায় কয়েক বার সাঁকোটি তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু পানিতে ২-৩ বছরের মধ্যে আবার নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য এখানে সরকারিভাবে ব্রীজ নির্মাণ করার দাবি জানাই। স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল সরদার বলেন, নদীর উপর বাঁশের সাঁকো নষ্ট হওয়ায় এলাকার মানুষ পারাপারে ভোগান্তিতে পড়ে। আমি ইউপি চেয়ারম্যানকে ( শাহাজাদা আবু ইলিয়াস ) এবিষয়ে অবহিত করলে তিনি বলেন এই মুহূর্তে পরিষদে কোন বরাদ্দ নাই। পৌষ মাসে নতুন বাজেটে ওখানে টেকসই সাঁকো নির্মাণ করা হবে। পাইকগাছা উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাফিন শোয়েব জানান, আপনার মাধ্যমে অবহিত হলাম। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে একটি আবেদন করলে সেতু প্রয়োজনয়িতা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দপ্তরে পাঠানো হবে।

    এ ব্যাপারে সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • তানোরে দোকানঘর জ*বরদখলের অভিযোগ

    তানোরে দোকানঘর জ*বরদখলের অভিযোগ

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরে এক (অবঃ) বিজিবি সদস্যর দোকানঘর জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মুন্ডুমালা পৌর সদরের মুন্ডুমালাহাটে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১৮ আগষ্ট রোববার তাইফুর রহমান বাদি হয়ে শামসুল আলমসহ চারজনকে বিবাদী করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এবিষয়ে বাদী আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
    অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদি মুন্ডুমালা পৌরসভার ৬৮ নম্বর সাদীপুর মৌজায় বাড়ির সামনে রাস্তার ধারে একটি টিনসেট দোকান ঘর নির্মাণ করে প্রায় ৩০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ-দখল করে আসছেন।এমতাবস্থায় চার নম্বর বিবাদী ফার্নিচার ব্যবসার জন্য দোকানঘর ভাড়া নেন। তবে ভাড়ার মেয়াদোত্তীর্ন হলে তাকে অন্যত্র ঘর ভাড়া নিতে বলা হয়। তিনি মালামাল নিয়ে চলে যাবার পর ঘরে তালা দিয়ে বন্ধ রাখা হয়।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চলতি বছরের ২ জুন বিবাদীগণ দোকান ঘরের তালা ভেঙ্গে জোরপূর্বক দোকান ঘর দখল করেছে। বাদী এর প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীগণ উল্টো তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও তা শার্টের গলার ধরে তাকে মাটিতে ফেলে এলোপাথাড়ী কিল, ঘুষি ও লাথি মারে। বিবাদীগণ যাবার সময় হুমকি দেয় এর পর যে দোকানের দাবী করে আসবে তাকে জানে মেরে ফেলবো।তাতে পরে যা হয় দেখা যাবে। বিবাদীগণের অব্যাহত হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনে বাদী তাইফুর রহমান পরিবার নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেযেছেন। তিনি বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    এবিষয়ে জানতে চাইলে শামসুল আলম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে তাইফুর রহমান বলেন, বিবাদীগণ যেকোন সময় তার বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেন। তিনি বলেন, ইতমধ্যে মুন্ডুমালা পুলিশ ফাড়িতে তিনি একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। কিন্ত্ত এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত বা সুষ্ঠু সমাধান হয়নি।#

  • অবৈধ আখ্যা দিয়ে ঝিনাইদহ পৌরসভার  মেয়রের কক্ষে তালা

    অবৈধ আখ্যা দিয়ে ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়রের কক্ষে তালা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী হিজলের রুমে তালা দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। একদলীয় নির্বাচনের “অবৈধ মেয়র” আখ্যা দিয়ে রোববার বিকালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কয়েক’শ নেতাকর্মী ঝিনাইদহ পৌরসভায় গিয়ে মেয়র কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী হিজলের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে “অবৈধ মেয়রের প্রবেশ নিষেধ” লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়। এ সময় মেয়রের নেমপ্লেটটি সরিয়ে ফেলেন তারা। ছাত্র আন্দোলনে হাসিনা সরকার পতনের পর মেয়র হিজল পৌরসভায় আসতেন না। তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীকে বিপুল ভোটে হারিয়ে স্বতন্ত্র ভাবে মেয়র নির্বাচিত হলেও দলের মিছিল মিটিংয়ে সরব থাকতেন। পৌর মেয়রের রুমে তালা ঝুলানোর বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এসএম সোমেনুজ্জামান সোমেন অভিযোগ করেন, একদলীয় নির্বাচনে মেয়র হয়ে কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী হিজল বেপরোয়া কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। পৌরসভার টেন্ডার সব তিনি এবং তার শ্যালকের নামে হাতিয়ে নিচ্ছেন। হাট বাজার বেনামে দখল করেছেন। মেয়র হিজল গোপনে বিভিন্ন পদে অবৈধভাবে নিয়োগের পায়তারা করছেন। এছাড়া তিনি জনগনের এই সম্পত্তি জাহেদী ফাউন্ডেশন বানিয়ে পৌরসভার প্রতিটি চেয়ার টেবিলে জাহেদী ফাউন্ডেশন লিখে মানুষের মাঝে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছেন বলে ছাত্র নেতারা অভিযোগ করেন। এ সময় পৌরসভায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এসএম সোমেনুজ্জামান সোমেন, সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মানিক, মাহবুব আলম মিলু, ইমরান হোসেন, ইবির ছাত্র নেতা শাহেদ আহম্মেদ, ছাত্রদল নেতা বখতিয়ার আহম্মে, নয়ন হাওলাদার ও আব্দুস সালাম প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • রাঙ্গাবালীতে কৃষি কাজ করতে গিয়ে ব*জ্রপাতে কৃষকের মৃ*ত্যু

    রাঙ্গাবালীতে কৃষি কাজ করতে গিয়ে ব*জ্রপাতে কৃষকের মৃ*ত্যু

    রফিকুল ইসলাম :
    পটুয়াখালী রাঙ্গাবালীতে কৃষি কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে ইদ্রিস গাজী (৩৮) নামের এক কৃষক মারা গেছেন। শনিবার বিকেলে রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের কানকুনি পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    ইদ্রিস গাজী পশুরীবুনিয়া গ্রামের মৃত বশির গাজীর ছোট ছেলে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে বৃষ্টির মধ্যে খেতে চাষাবাদ করতে যান ইদ্রিস গাজী। বড়বাইশদিয়া কানকুনিপাড়া গ্রামের আবু হাওলাদারের সাথে কাজ করেন তিনি। বিকেল থেকেই মুশাল ধারে বৃষ্টি আর বজ্রপাতের কারণে চাষাবাদের ট্রাক্টর বন্ধ করে দেন। কাজের মালিকের বাড়িতে আসার পথে হঠাৎ বজ্রপাতে মারা যান। রবিবার সকালে কৃষি খেতে ইদ্রিসের মরাদেহ দেখতে পান এলাকার লোকজন। কাজের বাড়ির লোকজন বলেন, আমরা ভাবছি বৃষ্টির কারণে ইদ্রিস রাতে মসজিদে শুয়ে আছে।

    রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, বজ্রপাতে নিহতের পরিবার থেকে আমাদের কাছে কেউ আসেনি। বিশেষভাবে আমি জানতে পারছি বজ্রপাতে ইদ্রিস গাজী নামে এক ব্যক্তি মারা গেছে।

    ##

  • নড়াইলে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি জবর দখলের চেষ্টা-পাশে দাঁড়ালো বিএনপি

    নড়াইলে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি জবর দখলের চেষ্টা-পাশে দাঁড়ালো বিএনপি

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে

    নড়াইলে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি জবর দখলের চেষ্টা ! পাশে দাঁড়ালো বিএনপি। নড়াইলের লোহাগড়া পৌর শহরের কুন্দশী এলাকার মালোপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ১০ শতাংশ জমি জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক একজন নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ওই ভুক্তভোগী লোহাগড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিকে ভুক্তভোগীর এহেন দু:সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন স্হানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, থানায়,দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়া পৌরসভার কুন্দশী এলাকার মৃত জিতেন্দ্রনাথ সরকারের ছেলে উত্তম সরকার ও তার ভাই পৈতৃক সূত্রে ৮৬ নং কুন্দশী মৌজায় ১৯৭ নং খতিয়ানে আরএস ২৮৩ দাগে ৪০ শতাংশ জমি ভোগদখল করে আসছিল। অভিযোগ সূত্রে আরও জানা গেছে, গত ১৪ আগষ্ট সকাল ১০টার দিকে লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা সলিমুল্লাহ পাপ্পু’র নেতৃত্বে ১২০/১৫০ জনের একদল দূর্বৃত্ত নিয়ে অতর্কিতভাবে উত্তম সরকারের ৪০ শতাংশ জমির মধ্যে ১০ শতাংশ জমি দখল করে সেখানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। ভুক্তভোগী উত্তম সরকার কান্না জড়িত কন্ঠে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ‘জমি জবর দখলের সময় দূর্বৃত্তদের বাঁধা দিলে তারা, অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে জীবননাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় তিনি ১৬ আগষ্ট লোহাগড়া থানায় একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন এবং তিনি সৃষ্ট ঘটনার বিচার চেয়েছেন’।
    এদিকে লোহাগড়ার মালোপাড়ায় একজন আওয়ামী লীগের সাবেক নেতার বিরুদ্ধে জমি জবর দখলের ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে লোহাগড়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি খান মাহমুদ আলম, শ্রমিকদল নেতা জহির শেখসহ অন্যরা ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তার দখল হওয়া জমি উদ্ধারের জন্য সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আলাপকালে জানিয়েছেন।
    এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা সলিমুল্লাহ পাপ্পু কে একাধিক বার ফোন করে ও পাওয়া যায় নাই। কথা হয় লোহাগড়া থানার এসআই ও মল্লিকপুর ইউনিয়নের পুলিশের বিট অফিসার সৈয়দ আলীর সাথে। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর শনিবার (১৭ আগষ্ট) ঘটনাস্হল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • পুঠিয়ার বিরালদহ সৈয়দ করম আলী দারুছ-ছুন্নাত ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রসার শিক্ষক দেশের বাইরে থেকেও নিয়মিত বেতন ভাতা তুলছেন

    পুঠিয়ার বিরালদহ সৈয়দ করম আলী দারুছ-ছুন্নাত ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রসার শিক্ষক দেশের বাইরে থেকেও নিয়মিত বেতন ভাতা তুলছেন

    পুঠিয়া প্রতিনিধিঃ পুঠিয়া উপজেলার বিরালদহ সৈয়দ করম আলী দারুছ-ছুন্নাত ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার শিক্ষক সেলিম হোসেন দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থেকেও নিয়মিত বেতন ভাতা তুলছেন। মাদ্রাসা সূত্রে জানাগেছে, শিক্ষক সেলিম হোসেন গত বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের ১২ তারিখ ইংল্যান্ডে গিয়েছেন। একাধিক শিক্ষকের অভিযোগ মাদ্রাসার অধ্যক্ষের যোগসাজোসে তার বেতন ভাতা উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে মাদ্রাসা এলাকাবাসী ও ছাত্র-ছাত্রীরা। সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, উপজেলা বানেশ^র ইউনিয়নের বিরালদহ  সৈয়দ করম আলী দারুছ-ছুন্নাত ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রসার প্রভাষক (জীববিজ্ঞান) সেলিম হোসেন গতবছর ছুটির জন্য আবেদন করলে ছুটি না মঞ্জুর করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তারপরেও তিনি সেদিকে তোয়াক্কা না করে চলে যায় দেশের বাইরে। অধ্যক্ষ উক্ত শিক্ষকের সাথে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তার বেতন বিল ব্যাংক একাউন্টে পাঠাচ্ছেন এবং যথারীতি বেতন ভাতা উত্তোলন করছেন। বর্তমানে প্রভাষক সেলিম হোসেনর অনুপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদেও পড়ালেখার ক্ষতি ও শৃংখলা ভঙ্গ হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান  প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত আসেন না। আসলেও একদিন আগের স্বাক্ষর করে চলে যান। বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে ২০১১ সাল থেকে এই পর্যন্ত তিনি তিনবার সাসপেন্ড হয়েছেন। আরবি বিভাগের প্রভাষক হাবিবুল্লাহ  বলেন, আমি এই প্রতিষ্ঠানে নতুন যোগদান করেছি। যোগদানের পর থেকেই দেখছি আমাদের সহকর্মী সেলিম স্যার ও অধ্যক্ষের দুর্নীতির অনেক অভিযোগ করেন। শিক্ষকদের সঙ্গে অসৎ আচরণ বিভিন্ন খাতের অর্থ আত্মসাৎ নিয়মিত মাদ্রাসায় না আসা। স্যারের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে  আমরা শিক্ষা অফিসার বরাবর একটা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। প্রতিষ্ঠানের কমিটির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) সাজ্জাদ হোসেন সজল বলেন, আসলে এগুলা বিষয় ঘটেছে সাবেক  সভাপতি সময়। আমার তেমন কোন কিছু জানা নেই। আর্থিক বিষয়গুলো যৌথ একাউন্টের মাধ্যমে অধ্যক্ষ  স্যার দেখাশোনা করে। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লাইলা জাহান বলেন, গতবছর এ বিষয়ে আমি তদন্ত করে রিপোর্ট আমাদের উর্ধ¦তন দপ্তরে পাঠিয়েছি। মাদ্রাসার গর্ভানিং বডি সর্বময় ক্ষমতার রয়েছে। গর্ভানিং বডির সভাপতি এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে বলে এ কর্মকর্তা জানান। #

    মাজেদুর রহমান (মাজদার) 

    পুঠিয়া, রাজশাহী।