Blog

  • অধ্যক্ষ  ও ইউপি চেয়ারম্যান মজিবরের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    অধ্যক্ষ ও ইউপি চেয়ারম্যান মজিবরের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় অবস্থিত প্রেমতলী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মজিবুর রহমানের অপসারনের দাবিতে মানবন্ধন করেছে এলাকাবাসী। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৯ টার সময় প্রেমতলী ডিগ্রী কলেজেরে সামনে চাপাইনবাবগঞ্জ- রাজশাহী (ভিতরপাশ) মহাসড়কে শত শত মানুয এ মানববন্ধ করে।
    মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, আওয়ামীলীগ দলের প্রভাবশালী নেতা মজিবুর রহমান দলের প্রভাব খাটিয়ে সরকারী বিধি লঙ্ঘন করে কলেজের অধ্যক্ষ ও ৫নং গ্রোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ দখল করে রয়েছে। একই ব্যাক্তি সরকারী বিধি লঙ্ঘন করে কিভাবে দুই পদে বহাল থাকতে পারে তা নিয়ে প্রশাসনের দিকে প্রশ্ন তুলেছেন মানবন্ধনে আসা শতশত জনসাধারন।
    প্রেমতলী গ্রামের হামিদুর জামান ছবি বলেন, মজিবুর আওয়ামীলীগের প্রভাব বিস্তার করে প্রেমতলী ডিগ্রী কলেজে অধ্যক্ষ হয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক এমপি ওমরফারুক চৌধূরীর আস্থা ভাজন হওয়ায় তিনি কলেজে যোগদান করার পর থেকে কলেজের লেখা পড়ার মান নষ্ঠ হয়েছে। তিনি নামে বেনামে বিভিন্ন বিল ভাওচারের মাধ্যমে কলেজের অর্থ আত্বসাস করলেও তার বিরুদ্ধে কেউ কথা কলতে পারেনি। তার বিরুদ্ধে কথা বললে নাশকতার মামলায় আসামী করে হয়রানি করতো সাধারন মানুষকে। যার ফলে তার বিরুদ্ধে কেউ ভয়ে কথা বলতে পারেনি। অধ্যক্ষ মজিবুরকে অপসারন করে প্রেমতলী ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনার জোর দাবি এ বক্তার।
    প্রেমতলী গ্রামের নাজমুল হক টিপু বলেন, অধ্যক্ষ মজিবুর কলেজে যোগদান করার পর থেকে তিনি ঠিকমত কলেজে আসতেন না। সব সময় তিনি কলেজ বাদ দিয়ে রাজনীতি নিয়ে ব্যাস্ত থাকতো। কলেজ সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে ছাত্র অভিভাবকেরা কলেজে এসে অধ্যক্ষকে কলেজে না পেয়ে দিনের পর দিন হয়রানী হতে হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ৫ অক্টোবর আওয়াশীলীগ সরকার পতনের পর থেকে আজ ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত একদিনও কলেজে আসেননি। এতে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে কলেজের বিভিন্ন কাজকর্মসহ শিক্ষা ব্যবস্থা।
    মাটিকাটা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য জাকারিয়া বলেন, এই অধ্যক্ষ এর আগে মাটিকাটা কলেজে দলের প্রভাব খাটিয়ে উপধ্যক্ষ পদে যোগদান করে সেই কলেজের লেখাপড়ার মান নষ্ট করে এসে আবারো প্রেমতলী কলেজে দলের প্রভাব খাটিয়ে অধ্যক্ষ হয়েছেন। মজিবুর আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় সরকারী বিধি লঙ্ঘন করে কলেজে অধ্যক্ষ ও ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে রয়েছে। তিনি ঠিকমত ইউনিয়ন পরিষদে জাননা। সপ্তাহে একদিন বা ১৫ দিন পর একদিন ইউনিয়ন পরিষদে যান। এমনকি প্রায় ৩ মাস থেকে তিনি ইউনিয়ন পরিষদে যায়নি।
    যার ফলে ইউনিয়ন পরিষদের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ইউনিয়নবাসী। তাই তিনার অপসারনের জোর দাবি জানাচ্ছি।
    ফরাদপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ বাবলু বলেন, মজিবুর চেয়ারম্যান ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যানপ্রার্থী হয়রত আলীর কাছে বিশাল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হলেও আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি ওমর ফারুক চেীধুরীর ও আওয়ামীলীগ নেতা মজিবুর রহমান দলের প্রভাব খাটিয়ে হযরত আলীর কাছ থেকে বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে মজিবুর প্রশাসানকে দিয়ে জোর করে নিজকে বিজয়ী ঘোষনা করে ৫ নং গোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হয়েছে। এই বিষয়ে হযরত আলী আইনের আশ্রায় গ্রহন করেছে। আদালতে এ বিষয়ে মামলা চলমান রয়েছে। তাই মজিবুরকে চেয়ারম্যানপদ থেকে অপসারণ করে হযরত আলীকে চেয়ারম্যানপদে বসিয়ে তার অধিকার ফিরেয়ে দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

    ৫নং গ্রোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার মিজানুর রহমান ভোলা বলেন, চেয়ারম্যানপ্রার্থী হযরত আলীর চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হলেও অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে জোর করে প্রশাসনকে দিয়ে নিজেকে চেয়ারম্যান হিসাবে বিজয়ী ঘোষনা করেছেন। হযরত আলী এ নিয়ে আদালতে মামলা করেছে। মজিবুরকে চেয়ারম্যান থেকে অপসারণ করে হযরত আলীকে য়োরম্যান পদ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এই মানবন্ধন থেকে দবি জানাচ্ছি।
    শত শত এলাকাবাসী মানবন্ধনে অংশগ্রহন করে অধ্যক্ষ মজিবুর রহমানের অপসারণের দবিতে শ্লোগান দিতে থাকে। প্রশাসনের নিকট অধ্যক্ষ মজিবুর রহমানের অপসারণের জোর দাবি জানায়।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী

  • আ’লীগের সাবেক তিন সংসদ সদস্যসহ ৪৬৮  জনের বিরুদ্ধে বিএনপির মামলা

    আ’লীগের সাবেক তিন সংসদ সদস্যসহ ৪৬৮ জনের বিরুদ্ধে বিএনপির মামলা

    আতিকুর রহমান,
    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র কার্যালয় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আ’লীগের সাবেক তিন সংসদ সদস্য ও ঝিনাইদহ সদর পৌর মেয়রসহ ৪৬৮ জনের নাম উল্লেখ করে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। জেলা বিএনপি’র সহ-দপ্তর সম্পাদক সাকিব আহমেদ বাপ্পি বাদী হয়ে সোমবার দুপুরে সদর থানায় এ মামলা দায়ের করেন। ঝিনাইদহ সদর থানার মামলা নং- ১৬/২৪। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ৪ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময়ে আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীরা অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে বিএনপি’র জেলা কার্যালয় ভাংচুর শেষে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে থাকা আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে যায়। মামলায় ঝিনাইদহ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নায়েব আলী জোয়ারদার, ঝিনাইদহ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সফিকুল ইসলাম অপু, তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি, ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র কাইয়ূম শাহরিয়ার জাহেদী হিজল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি জীবন কুমার বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বিশ্বাস, জেলা ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মো শাহীন উদ্দিন জানান, জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনায় ৪৬৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন জেলা বিএনপির এক নেতা।

  • ছাত্র বিপ্লবের লাল রংয়ে সেজেছে ঝিনাইদহ শহর

    ছাত্র বিপ্লবের লাল রংয়ে সেজেছে ঝিনাইদহ শহর

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ছাত্র বিপ্লবের আদর্শকে তারুণ্যের রূদয়ে ছড়ানো ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার লক্ষ নিয়ে ঝিনাইদহ শহরে “টিম-দুর্বার” নামের ব্যানারে সাধারণ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার উদ্দ্যোগে লাল রঙের ফেস্টুন টাঙ্গানো কর্মসুচি পালিত হয়। সোমবার (১৯ আগস্ট) ভোরে শহরের পোষ্ট অফিস মোড় থেকে পায়রা চত্বর হয়ে শহীদ মিনার পর্যন্ত কর্মসূচির অংশ হিসাবে বিভিন্ন শ্লোগান সম্বলিত লাল রঙের ফেস্টুন টাঙ্গানো কর্মসুচি পালন করা হয়। শহরের বিভিন্ন সড়কের বৈদ্যুতিক পোলে লাল রঙের ফেস্টুন টাঙ্গানো শুরু করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। “টিম-দুর্বার” এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সাজিদ মাহমুদ, এইচ এম জহুরুল ইসলাম, ওসমান গনি, সিদ্দিকুর রহমান, ইসহাত আলী, মনিরুল ইসলাম, রিয়াদ হোসেন, শরিফ খান, তুহিন মোল্লা ও শাহেদ মাহমুদ। সাজিদ মাহমুদ বলেন, কোনো অফিসে যদি সরকারি ফি’র বাইরে কেউ অতিরিক্ত টাকা দাবি করে, তাহলে নিজে প্রতিবাদ করুন। না হলে আমাদেরকে জানান। ছাত্র সমাজ তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সবাই সহযোগিতা না করলে, দূর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে না। আমরা কাউকে ঘুষ দিবো না। কারোর পকেটে মোটা করতে আমরা টাকা দিবো না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে অবস্থান করতে হবে। সমাজ থেকে চাঁদাবাজি ও দূর্নীতি দূর করবো। শান্তি স¤প্রীতি ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ

  • ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না ঝিনাইদহ সদর  উপজেলা শিক্ষা অফিসে

    ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসে

    আতিকুর রহমান,
    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস দূর্নীতির আখড়ায় পরিনত হয়েছে। শিক্ষক নিবন্ধ থেকে পদায়ন, এমপিও থেকে নিয়োগ সব কিছুই হয় টাকার বিনিময়ে। জাল সদনে চাকরী প্রদান ও ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনও হয় অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে। আর এই কাজে সিদ্ধহস্ত ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান। ২০২১ সালের ১৮ অক্টোবর ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হিসাবে যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়ম দূর্নীতির সাথে নিজে সম্পৃক্ত রেখেছেন কামরুজ্জামান। ঘুষ ছাড়া ওই অফিসে কোন কাজই হয় না। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে মোটা অংকের টাকা দাবী করেন। এদিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মোশাররফ হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিভুক্ত করতে জাল সদনে ভুয়া নিয়োগ দেখিয়ে কোরাম পূর্ণ করেন। এই বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত করতে অযোগ্য প্রধান শিক্ষককে অর্থের মাধ্যমে যোগ্য বানিয়ে এমপিও আবেদনে সাক্ষর করে ২৩ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন এমন কথা চাউর হয়েছে। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুহাটী ইউনিয়নের একটি স্কুলে অর্থের বিনিময়ে জাল সদনে চাকরী দিতে ম্যানেজিং কমিটির কাছে সুপারিশ করেন শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান। এদিকে সারা দেশ ব্যাপী “পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডরী ইন্সটিটিউটশনস” (চইএঝও) প্রকল্পের ২০২২-২৩ অর্থ বছরে প্রথম ধাপে সদর উপজেলার ১৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়। পাঁচটি খাতে এই টাকা বরাদ্দের কথা ছিল। কিন্তু সেই টাকা ভুয়া বিল ভাউচারে পকেটস্থ করা হয়েছে। শিক্ষা কর্মকর্তা সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনুদান প্রাপ্ত স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে ২০ হাজার টাকা সম্মানী হিসাবে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। একই ভাবে পিবিজিএসআই প্রকল্পের ২০২৩- ২৪ অর্থ বছরে সদর উপজেলার অনুদান প্রাপ্ত ৭ টি স্কুল থেকেও অর্থ আদায় করেছেন তিনি। সরজমিনে তথ্য নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের বেড়শুলা মাদ্রাসা ও হলিধানী আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির অনৈতিক সুবিধা পাইয়ে দিতে লাখ লাখ হাতিয়ে নিয়েছেন শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। আমি দুর্নীতি করি না কাউকে করতে দিই না। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা অফিসার আজহারুল ইসলাম জানান, নতুন যোগদানের কারনে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। তবে স্কুল নিয়ে জেলায় যদি কেউ দূর্নীতি করে তবে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যদি কাউকে পাওয়া যায় তবে তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নড়াইলে মাসিক কল্যাণ সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কার গ্রহণ

    নড়াইলে মাসিক কল্যাণ সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কার গ্রহণ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কার গ্রহণ। পুলিশ সুপার-নড়াইল দিকনির্দেশনায়। অফিসার ইনচার্জ, ছাব্বিরুল আলম জেলা গোয়েন্দা শাখা ( ডিবি) তত্ত্বাবধানে, এস আই ফারুক হোসেন নেতৃত্বে। এ এস আই- মাফুজ, কং সুপিয়ান, সুব্রত, ফয়সালদের সহযোগিতায়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, সোমবার নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায়। জেলা গোয়েন্দা শাখা কর্তৃক শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার (যৌথভাবে) নির্বাচিত। মাসিক কল্যাণ সভায় জুলাই/২৪ মাসের নড়াইল জেলার মাদক উদ্ধারকারী শ্রেষ্ঠ টিম নির্বাচিত হওয়ায় ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেন (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ টিমের প্রত্যেকটা সদস্যর। নড়াইলে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কার গ্রহণ। অপরদিকে নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার স্যারের দিক নির্দেশনায়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা-নড়াইল তত্ত্বাবধানে। এস আই আলী, ফিরোজ,ফারুক নেতৃত্বে, নড়াগাতি থানার নিয়মিত ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা কালে-একই দিনে উক্ত ডাকাত দল কর্তৃক ডাকাতি সংগঠনকালে ডাকাতদলকে গ্রেফতার এবং ডাকাতি করা মালামাল উদ্ধার। উক্ত কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুলিশ সুপার নিকট থেকে পুরস্কার গ্রহণ।

  • ঘাটাইলে ১২ বছর পর নিজ গ্রামে ফিরলেন ছাত্রদল নেতা সোহেল রানা

    ঘাটাইলে ১২ বছর পর নিজ গ্রামে ফিরলেন ছাত্রদল নেতা সোহেল রানা

    মোঃ রায়হান মিয়া ঘাটাইল প্রতিনিধি
    দীর্ঘ ১২ বছর তথা এক যুগ পর নিজ গ্রামের বাড়িতে ফিরেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা।
    শনিবার (১৭আগস্ট) সোহেল রানা টাঙ্গাইল জেলায় ঘাটাইল উপজেলা জামুরিয়া ইউনিয়নের ফুলহারা নিজ গ্রামের বাড়িতে যান।
    সোহেল রানা বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় জর্জরিত থাকার কারণে দীর্ঘ ১২ বছর তিনি বাড়িতে ফিরতে পারেননি। বিগত বছরগুলোতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও পুলিশ-প্রশাসনের বাধায় নিজ বাড়িতে এক রাতও মায়ের সাথে ঘুমাতে পরেনি।
    এ সময় সোহেল রানা নিজ গ্রামে ফেরার খবরে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে দেখতে ছুটে আসেন এবং নেতাকর্মীরা তাকে স্লোগানে স্লোগানে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেতে চাইলে সোহেল রানা বলেন আমাকে নয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ কারিদের বরণ করে নিন।
    সোহেল রানা জানান, বহুবার গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করলেও যেতে পারেননি। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ সরকরের পদত্যাগের দাবিতে ২০২২ সাল থেকে একদফা দাবিতে বিএনপি আন্দোলন শুরু করলে তার গ্রামের বাড়ি ফেরা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ফলে তিনি ঢাকায় থেকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
    সর্বশেষ গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ও তার সরকারের পতন ঘটলে তিনি বাড়িতে ফিরেন বলে জানান।

  • সুনামগঞ্জে ডাঃ মাহবুবুর রহমানের বদলীর দাবীতে সদর হাসপাতালে মানববন্ধন

    সুনামগঞ্জে ডাঃ মাহবুবুর রহমানের বদলীর দাবীতে সদর হাসপাতালে মানববন্ধন

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জ জেলা ২৫০শয্যা সদর হাসপাতালে আউটসোর্সিং কর্মীদের চাকরি বহাল রাখার দাবিতে এবং দূর্নীতিবাজ তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ মাহবুবুর রহমানের বদলীর দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯শে আগষ্ট রোজ সোমবার সকালে সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আউটসোর্সিং কর্মীদের আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে ভোক্তভোগী ৬৪ জন কর্মীরা জানান ২০১৭সাল হইতে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চাকরী করে আসছেন তারা। রোগীদের সেবা ও হাসপাতালে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে দিনরাত মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রতি বছর টৈন্ডার বাণিজ্যের কারনে সারা বছর চাকরি করে যে টাকা বেতন পান চাকরি ঠিকাতে বছরে বছরে টেন্ডার বানিজ্যের কারনে মোটা অংকের ঘোষ দিতে হয় তাদের? অন্যথায় তাদের হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। এবার ও ঠিক সেটি হয়েছে। গত ২৯ জুন ২০২৪ইং আওয়ামী লীগ সরকার থাকা কালীন সময়ে নবাগত তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ মাহবুবুর রহমান যোগদানের পরপরই সদর হাসপাতালে কর্মরত ৬৪ জন আউটসোর্সিং অভিজ্ঞ নারী ও পুরুষ কর্মীদের হাসপাতাল থেকে বের করে দেন এবং মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কর্মীদের কাছে এক লাখ টাকা করে ঘোষ দাবি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘোষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ঐ সমস্ত আউটসোর্সিং কর্মীদের ২মাসের বেতন আটকিয়ে নতুন করে টেন্ডার হবে বলে হাসপাতাল থেকে বের করে দেন তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ মাহবুবুর রহমান ও আরএমও ডাঃ রফিকুল ইসলাম। অপরদিকে তত্ত্বাবধায়কের ইচ্ছে মতো অন অভিজ্ঞ লোকজনকে হাসপাতালে কাজ করার সুযোগ দিচ্ছেন বলে জানান মানব বন্ধননে বক্তারা। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সরকার পতনের পর সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের দূর্নীতিবাজ তত্ত্বাবধায়কের বদলীর জন্য এবং অসহায় আউটসোর্সিং কর্মীদের চাকরি বহাল রাখার জন্য বর্তমান সরকারের প্রদান উপদেষ্টা কমিটির কাছে দাবী জানান ঐ সমস্ত কর্মীরা। পাশাপাশি টেন্ডার প্রক্রিয়া বাতিল করে কর্মস্থলে তাদের মেয়াদ বাড়িয়ে বহাল রেখে চাকুরী করার সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ ও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভোক্তভোগী অসহায় আউটসোর্সিং কর্মীরা। মানব বন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে আউটসোর্সিং কর্মীদের স্বাক্ষরিত আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়। এব্যাপারে জানতে চাইলে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মাহবুবুর রহমানের সাথে দেখা করতে তার অফিসে গিয়ে তাকে না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি এবং হাসপাতালের আরএমও ডাঃ রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি ? তিনি জানান এসব বিষয়ে যা বলার তত্ত্বাবধায়ক বলবেন বলে তিনি সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান। বর্তমান অন্তর্ভুক্ত কালীন সরকার ঐ সমস্ত অসহায় আউটসোর্সিং কর্মীদের হাসপাতালে বহাল রেখে দূর্নীতিবাজ তত্ত্বাবধায়কের বিরূদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মানব বন্ধনে বক্তারা।

  • “সেনাগৌরব পদক” পেলেন আলোচিত ক্যাপ্টেন আশিক

    “সেনাগৌরব পদক” পেলেন আলোচিত ক্যাপ্টেন আশিক

    পেশাদারিত্ব এবং ধৈর্যের পরিচয় দেয়ায় সেনাগৌরব পদক (এসজিপি) অর্জন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলোচিত ক্যাপ্টেন আশিক।

    গতকাল রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে সেনাবাহিনীর প্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের কার্যালয়ে গেলে তাকে এ সম্মাননা দেয়া হয়।

    এ সময় প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও পেশাদারিত্ব বজায় রাখায় ক্যাপ্টেন আশিককে সাধুবাদ জানান তিনি। তাকে ভবিষ্যতের জন্যও অনুপ্রাণিত করেন সেনা প্রধান।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে ক্যাপ্টেন আশিক অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতির সামাল দেন এবং সেটির সমাধান করেন।

  • গণহ*ত্যার বিচার দাবিতে সুজানগরে বিএনপির বিশাল সমাবেশ

    গণহ*ত্যার বিচার দাবিতে সুজানগরে বিএনপির বিশাল সমাবেশ

    এম এ আলিম রিপন ঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়ে গণহত্যার প্রতিবাদে ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের বিচারের দাবিতে সুজানগর উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় এন এ কলেজ মাঠে শনিবার পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কামাল হোসেন বিশ^াসের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফের স ালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। অন্যদের মাঝে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ¦ এবিএম তৌফিক হাসান, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সম্পাদক ও রাণীনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহাতাব আলী মৃধা, বেড়া উপজেলা বিএনপি নেতা আব্দুল গনী ফকির,সুজানগর পৌর বিএনপির সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন বিশ^াস, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক শাহজাহান আলী শেখ,সদস্য সচিব আব্দুল মজিদ মন্ডল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বলেন, স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগ সরকার দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে জনগণকে কোনঠাসা করে রেখেছিল। তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারেনি। বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীন দেশে স্বাধীন হিসেবে মুক্ত হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করে দেশকে নতুন ভাবে গঠন করার এখনই সময়। এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে ও সকল ধর্মের মানুষের সম্প্রীতির সমাজ গড়তে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি। সমাবেশ পরবর্তীতে আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা, বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য ও শেখ হাসিনার নির্দেশে কোটা আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণে যারা মৃত্যুবরণ করেছে তাদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে ছুটি নিয়ে পালালেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক

    ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে ছুটি নিয়ে পালালেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের আন্দোলনের মুখে ছুটি নিয়ে পালালেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক এসএম রফিকুল ইসলাম। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের দুর্নীতি, দলীয়করণ, ঘুষ বাণিজ্য ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য পাচারের অভিযোগ এনে ছাত্ররা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করে। এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কর্মীরা জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেন। ছাত্রদের কঠোর মনোভাবের কারণে জেলা প্রশাসক এসএম রফিকুল ইসলাম দীর্ঘ মেয়াদি ছুটি নিয়ে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে যান। এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু হুরায়রা, সাইদুর রহমান, এলমা খাতুন, রত্না খাতুন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এসএম সোমেনুজ্জামান সোমেন, সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মানিক, ইবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহেদ আহমেদ ও ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন, বখতিয়ার মাহমুদ, মাহবুব আলম মিলু ও আব্দুস সালাম।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।