Blog

  • তানোরে সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদত্যাগ

    তানোরে সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদত্যাগ

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোর সরকারি একে
    সরকার কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছেন।
    গত সোমবার দুপুরে পদত্যাগ করেন অধ্যক্ষ। পদত্যাগের পর বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা বিক্ষোভ মিছিলসহ উপজেলা পরিষদ যায়। এদিকে অধ্যক্ষের পদত্যাগের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা তার সময়ে করা
    নানা অনিয়ম দূর্নীতির তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।
    জানা গেছে, বিগত ২০২১ সালের জুন মাসে নীতিমালা লঙ্ঘন ও রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রভাষক সাইদুর রহমানকে
    (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ করা হয়।
    এদিকে সাইদুর রহমান দায়িত্ব পাবার পরপরই আওয়ামী লীগ মতাদর্শী একশ্রেণীর শিক্ষকের যোগসাজশে
    কলেজে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক বলায় তৈরি করেন। এছাড়াও রাজশাহী শহরে বসবাসরত ও স্থানীয় শিক্ষকদের মাঝে দেখা মতবিরোধ ও কাঁদা ছোঁড়া-ছুড়ি। অধ্যক্ষের অনুগত শহরে বসবাস করা অধিকাংশ শিক্ষক নিয়মিত কলেজে উপস্থিত না হয়েও সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। এতে কলেজে পাঠদান মুখ থুবড়ে পড়ে।
    অন্যদিকে স্থানীয় শিক্ষকদের নিয়মিত কলেজে উপস্থিত হতে চাপ দেয়া হতো বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
    এদিকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান আওয়ামী লীগ মতাদর্শী শিক্ষকদের যোগসাজশে অভিভাক ও শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে কলেজে ভর্তি ও ফরম পুরুনে ব্যবস্থাপনা-ফি ৫০ টাকার স্থলে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং ফরম পুরুণে ৮০০ থেকে হাজার টাকা করে বেশী নেয়া হয়।
    এছাড়াও একাডেমিক কাউন্সিল ফি ২০০ টাকা হলেও আদায় করা হয় ৩০০ টাকা। ওদিকে কলেজে কোনো শিক্ষক পরিষদ না থাকলেও (ভারপ্রাপ্ত)
    অধ্যাক্ষ মনগড়াভাবে নেকছার আলী নামের এক শিক্ষককে সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়ে তার মাধ্যমে যাবতীয় কাজ করেছেন। অবশেষে ১৯ আগষ্ট সোমবার বৈষমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয় (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান। এবিষয়ে জানতে চাইলে (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান জানান, ছাত্ররা সাদা কাগজে লিখে এনে আমাকে জোর করে পদত্যাগ করাতে বাধ্য করেন। তিনি বলেন, সব শিক্ষক অফিসে বসেছি, ইউএনও স্যারের কাছে সবাই মিলে যাব। অনিয়ম দূর্নীতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পদত্যাগ পত্র পেয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার পর যে নির্দেশনা দিবেন সে অনুযায়ী কাজ করা হবে।#

  • নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা ও কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

    নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা ও কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

    নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা ও কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত।
    নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সোমবার (১৯ আগষ্ট) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জুলাই/২০২৪ খ্রিঃ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন জনাব মোহাঃ মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার, নড়াইল । অপরাধ পর্যালোচনা সভার শুরুতে পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও
    অপরাধ চিত্র তুলে ধরেন তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), নড়াইল।
    অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুলিশ সুপার মামলা তদন্ত, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, ওয়ারেন্ট তামিল, গুরুত্বপূর্ণ মামলা সমূহের অগ্রগতি, মামলার রহস্য উদঘাটন, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই সহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অপরাধীদের গ্রেফতার, সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়সহ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
    ব্যাংক বীমাসহ সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং জুয়েলার্স দোকানগুলোতে চুরি, ডাকাতি যেন না হয় সেজন্য রাতে টহল জোরদার করতে পুলিশ সুপার নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের আয়ের একমাত্র অবলম্বন গরু, ছাগল যাতে চুরি না হয় সেজন্য চেকপোস্ট জোরদার করতে বলেন। রাত পর সন্দেহজনক লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশ প্রদান করেন। সাধারণ জনগণ যাতে হয়রানি ছাড়াই তাৎক্ষণিক প্রত্যাশিত আইনি সেবা পায় তা নিশ্চিত করতে বলেন। তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা, উঠান বৈঠক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুধীজনসহ সর্বস্তরের মানুষের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা করে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রতিটি বিটে ভিলেজ ডিফেন্স পার্টি (ভিডিপি) গঠন করে রাতে পালাক্রমে টহল ডিউটি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেন। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রেখে জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সকলকে দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সাথে নিজ নিজ কর্তব্য পালনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জনের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন।
    অপরাধ পর্যালোচনা সভায় জনাব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ); তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল); কিশোর রায়, সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পুলিশ সুপার, সিআইডি, নড়াইল, হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক, সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, জেলা বিশেষ শাখার পুলিশ পরিদর্শক, অপরাধ শাখার পুলিশ পরিদর্শক, গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, জেলার সকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, পুলিশ ফাঁড়ি ও ক্যাম্প ইনচার্জগণ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এসআই এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে
    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত
    সোমবার (১৯ আগষ্ট) সকালে পুলিশ লাইনস্ ড্রিলশেডে আগস্ট/২০২৪ খ্রি: মাসের কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতেই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ০১ মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়। অতঃপর পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়। কল্যাণ সভায় বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি, তদন্ত কেন্দ্র, ক্যাম্প থেকে আগত বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্স এবং পুলিশ লাইনস্ এর অফিসার ও ফোর্স তাদের সামগ্রিক সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। পুলিশ সুপার তাদের উল্লেখিত সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারদের নির্দেশ প্রদান করেন। সকল পুলিশ সদস্যকে এক হয়ে জনগণ ও দেশের কল্যাণের জন্য কাজ করে স্মার্ট পুলিশ গঠনে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে নিয়মমাফিক ছুটি, আবাসন ব্যবস্থা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা, মানসম্মত খাবারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি থানা, তদন্ত কেন্দ্র এবং পুলিশ ক্যাম্প সমূহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতি সপ্তাহে একদিন শনিবার “ক্লিনিং ডে” পালন করায় সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি পুলিশ সদস্যদের নিয়মানুবর্তিতা, দায়িত্ববোধ, পিতা-মাতার প্রতি উত্তম আচরণ, নৈতিকতা, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন, অশোভন আচরণ পরিহার করা ইত্যাদি বিষয়ে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
    পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান মহোদয় নড়াইল জেলা পুলিশের মনোবল বৃদ্ধি ও কর্তব্যকর্মে সচেষ্ট থাকতে ক্যাম্প, ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রে অফিসার-ফোর্সদের খেলাধুলার সামগ্রী(ক্যারাম বোর্ড, দাবা, লুডু এবং ফুটবল) প্রদান করেন।
    আগস্ট/২০২৪ মাসে পিআরএল গমনকারী পুলিশ সদস্য এএসআই (সশস্ত্র)/১৩ মোঃ আবু তালেব, এএসআই (সশস্ত্র)/১৪৩ মোঃ আব্দুর রহমান, কনস্টেবল/১৪৯ অসীম কুমার দাস, কনস্টেবল/২১৫ মোঃ জাফরুল ইসলাম, কনস্টেবল/১৪৪ মোঃ আমিনুর রহমান, কনস্টেবল/১৩৯ মোহাম্মদ তৈমুর ইসলাম, কনস্টেবল/১১২ চুনু মিয়া, কনস্টেবল/১২৬ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, কনস্টেবল/২৩০ মুহাম্মদ মাহফুজুল হক, কনস্টেবল/২৩১ এস এম এমদাদ হোসেন গণদের সম্মাননা স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট ও পুরস্কার প্রদান করেন।
    জুলাই/২০২৪ মাসে নড়াইল জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ মামুনুর রহমান, শ্রেষ্ঠ এএসআই (নিঃ) মোঃ বাচ্চু শেখ, ট্রাফিক শাখার শ্রেষ্ঠ চৌকস অফিসার হিসেবে টিএসআই মোঃ জসিম রানা, শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার হিসেবে নড়াইল সদর থানার এসআই (নিঃ) মোঃ মেহেদী হাসান ও এএসআই নিঃ) মারুফ আহমেদ, নড়াগাতি থানার এএসআই (নিঃ) মোঃ ইকবাল হোসেন, জেলা গোয়েন্দা শাখার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার হিসেবে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন, এএসআই (নিঃ) মোঃ মাহফুজুর রহমান ও এএসআই (নিঃ) মোঃ আনিসুজ্জামানদের অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন। এছাড়া ১ বছরের ঊর্ধ্বে সাজা পরোয়ানা তামিলকারী অফিসার হিসেবে নড়াগাতি থানার এসআই (নিঃ) মোঃ খাইরুল আলম, লোহাগড়া থানার এসআই (নিঃ) আব্দুস শুকুর, এএসআই (নিঃ) সাকের আলী, এএসআই (নিঃ) মোঃ মিকাইল হোসেনদের আর্থিক পুরস্কার প্রদান করেন। নড়াগাতী থানা, জেলা গোয়েন্দা শাখা ও সিসিআইসি টিমের যৌথ অভিযানে নড়াগাতি থানার ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধার সংক্রান্তে বিশেষ পুরস্কার হিসাবে উল্লিখিত টিমদের আর্থিক পুরস্কার প্রদান করেন। জেলা বিশেষ শাখার শ্রেষ্ঠ অফিসার এএসআই (নিঃ) মোঃ হাবিবুর রহমান ও ওয়াসার কনস্টেবল/২১৩ মোঃ তরিকুল ইসলামকে অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন। পুলিশ লাইনস্ নড়াইল কম্পাউন্ড এলাকার মধ্যে বিভিন্ন প্রকার গাছের ডালপালা কেটে অন্ধকারাচ্ছন্ন দূর করায় সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ পুলিশ পরিদর্শক (সশস্ত্র) মোঃ আলমগীর হোসেনকে অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন। ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, ঝিনাইদহে ৬ দিন মেয়াদী “গার্ড এন্ড স্কট” কোর্সে প্রথম স্থান অধিকার করায় নায়েক/২৫৬ বিশ্বজিৎ মন্ডলের হাতে অর্থ পুরস্কার তুলে দেন।
    পুলিশ সুপার এএসআই (নিঃ) হতে এসআই (নিঃ) পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত হওয়ায়
    মোঃ জিয়াউর রহমানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন এবং তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
    এছাড়া ওয়ারেন্ট তামিল ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারে সহযোগিতা করায় পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান মহোদয় নড়াগাতী থানার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের জমির হোসেনকে শ্রেষ্ঠ গ্রাম পুলিশ হিসেবে ক্রেস্ট ও অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন।
    কল্যাণ সভায় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত; তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্); মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল); জনাব কিশোর রায়, সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল); সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, জেলা বিশেষ শাখার পুলিশ পরিদর্শক, ইন্সপেক্টর ক্রাইম, জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক, কোর্ট ইন্সপেক্টর, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, জেলার সকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, পুলিশ ফাঁড়ি ও ক্যাম্প ইনচার্জগণসহ পুলিশ লাইনসের অফিসার ও ফোর্স এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • পীরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

    পীরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

    সাইদুর রহমান মানিক, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :
    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিএনপি’র অস্থায়ী কার্যালয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান সড়ক সংলগ্ন এ সভার আয়োজন করেন। পরে আলোচনা সভা শেষে র‌্যালীটি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।

    আলোচনা সভায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান জাহিদ ও সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জিয়া, সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জুয়েল, উপজেলা বিএনপি সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি বাকাউল হক জিলানি রিংকু, পৌর বিএনপি সভাপতি রহুল আমীন ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল কমির রাজা, উপজেলা যুবদল সভাপতি নজমুল হুদা মিঠু, উপজেলা সেস্বচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বান্না প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি’র বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

  • সাভারে বহুল আলোচিত জামাল হত্যা মামলার তিন আসামী কারাগারে

    সাভারে বহুল আলোচিত জামাল হত্যা মামলার তিন আসামী কারাগারে

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারে ব্যবসায়ী জামাল হোসেন গোলদার হত্যা মামলায় ৩ জনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। 

    মঙ্গলবার (২০ আগষ্ট) ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

    আজ বিকেলে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক হেলাল উদ্দিনের আদালতে হাজির হয়ে উচ্চ আদালতের ৬ সপ্তাহের দেওয়া জামিনের পর স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন ওই ৩ আসামি। বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

    মামলার আসামিরা হলেন, সাভার পৌরসভার দক্ষিণ রাজাসন এলাকার আব্দুল হামিদ মাওলানার ছেলে ফোরকান হাকিম (৪৮), লোকমান হাকিম (৫১) ও গোফরান হাকিম (৪৫)। প্রাথমিক তদন্তে এই ঘটনায় আরেক অভিযুক্ত কাঞ্চন সিয়ালী ওরফে দ্বীন মোহাম্মদের সম্পৃক্ততা না থাকায় পুলিশের আবেদনের পেক্ষিতে তাকে অব্যাহতি দেন আদালত। 

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে বাসা থেকে বের হন নিহত জামাল হোসেন গোলদার।   দক্ষিণ রাজাসন সাইনবোর্ড এলাকার ফোরকান হাকিমের বাড়িতে ডেকে নিয়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। পরে স্ট্রোকজনিত কারণে জামাল হোসেনের মৃত্যুর সংবাদ ছড়ায় আসামিরা। পরে ময়নাতদন্ত ছাড়াই জোরপূর্বক জামাল হোসেনকে দাফন করতে বাধ্য করেন ফোরকান হাকিম ও তার লোকজন।

    শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকায় ব্যবসায়ী জামাল হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হলে মামলার প্রস্তুতি নেয় নিহতের পরিবার। পরবর্তীতে নিহতের ভাই ইমরান হোসেন গোলদার বাদী হয়ে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সাভার মডেল থানাকে নির্দেশ দেন।

    এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দাফনের ২২ দিন পর ৮ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে সাভার পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের আলবেদা বাইতুন নূর জামে মসজিদের সামাজিক কবরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন করে নিহতের ময়নাতদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করলে আদালত মামলাটি এফআইআর হিসেবে নথিভুক্ত করতে থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন। 

    নিহত জামাল হোসেন দক্ষিণ রাজাসন ঘাসমহল কাইজ্জারটেক এলাকার মৃত ফরিদ আহমেদ গোলদারের ছেলে। তিনি ঢাকার গাবতলী এলাকায় ইঞ্জিন ওয়েলের ব্যাবসা করতেন এবং রাজাসন এলাকার রিয়াদ ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী ছিলেন।

    জামাল হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) আব্দুল্লা বিশ্বাস জানান, মামলাটির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অধিকতর তদন্তের স্বার্থে বিজ্ঞ আদালতে পুলিশের পক্ষ থেকে তিন আসামির ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে। এ ঘটনায় আরো কেউ জড়িত  থাকলে তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

    সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও লিগ্যাল সলিউশন চেম্বারের হেড অফ চেম্বারস ও বাদী পক্ষের আইনজীবী আল মামুন রাসেল বলেন- এই হত্যাকাণ্ডের পর আসামিদের ক্ষমতার কারণে থানায় মামলা গ্রহণ করেনি, আমরা আদালতে মামলা করলে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে ২২দিন পর লাশ উত্তোলন করা হয়। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও মেডিকেল রিপোর্টে প্রমাণিত হয় আঘাতের কারণে জামাল হোসেন গোলদার হত্যাকাণ্ডের শিকার। আজ আসামীরা আত্মসমর্পণ করলে আদালত সকল আসামীকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

  • কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হলেন বার্ডের ডিজি সাইফ উদ্দিন আহমেদ

    কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হলেন বার্ডের ডিজি সাইফ উদ্দিন আহমেদ

    কুমিল্লা থেকে মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, 

    কুমিল্লা  সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) প্রশাসক হিসেবে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড), কুমিল্লার মহাপরিচালক সাইফ উদ্দিন আহমেদকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কুসিকের  মেয়র তাহসীন বাহার সূচনাকে অপসারণ করে তাঁকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বর্তমান সরকার।

    গত সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় মন্ত্রনালয় থেকে। 

    একই সঙ্গে দেশের ১২ সিটি করপোরেশনের মেয়রকেও  অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ দেয় সরকার। 

    প্রশাসকরাই এসব সিটি করপোরেশনে মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। 
    সোমবার দুপুরে এ সংক্রান্তে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর ২৫ (ক) এর উপধারা (১) প্রয়োগ করে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১২ কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো। ঐ পজ্ঞাপনের তালিকায় 

    বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) মহাপরিচালককে (অতিরিক্ত সচিব) কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব পালন করবেন নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে তারা এ দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধি মোতাবেক দায়িত্ব ভাতা প্রাপ্য হবেন। এছাড়া অন্য কোনো আর্থিক বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন না।

    এর আগে গত শুক্রবার স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪, জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ও উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর খসড়া অনুমোদন করেছে অন্তর্র্বতী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। পরে তা অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়।

  • সুন্দরগঞ্জ পুলিশি অভিযানে ৫ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার 

    সুন্দরগঞ্জ পুলিশি অভিযানে ৫ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার 

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ০৫ কেজি গাঁজা, ১টি মোটরসাইকেলসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছেন।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ সুপার, গাইবান্ধা মহোদয়ের দিক-নির্দেশনা মোতাবেক সুন্দরগঞ্জ থানাকে মাদকমুক্ত রাখার লক্ষ্যে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলম পিপিএম, এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুলিশ ২০/০৮/২০২৪ তারিখ ১৮.০০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে সুন্দরগঞ্জের হরিপুর ইউনিয়নের লখিয়ারপাড়া মৌজাস্থ কাশেম বাজার খেয়া ঘাট হতে পাশ্ববর্তী কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী থানার বেলদহ গ্রামের মৃত মফিজুল ইসলামের ছেলে মাদক কারবারি মোঃ আরিফুল ইসলাম (৩০)কে গ্রেফতার করেন। পাশাপাশি তার নিকট থেকে ০৪ (চার) কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য শুকনো গাঁজা উদ্ধার করেন পুলিশ।

    অপরদিকে এসআই (নিঃ) মোঃ ইমরান খান সঙ্গীয় ফোর্সসহ ২০/০৮/২০২৪ তারিখ ১৩.২৫ ঘটিকার সময়  সুন্দরগঞ্জের তারাপুর ইউনিয়নের চর খোদ্দা গ্রামে অভিযান চালিয়ে জনৈক মোঃ রেজাউল হক (৩৫), পিতা-মৃত আব্দুল হক মণ্ডলের বাড়ির সামনের কাঁচা রাস্তার উপর কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য গাঁজা ক্রয় বিক্রয়ের সময় কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি থানার কিশামত শিমুলতলী গ্রামর ফরজ আলীর ছেলে মাদক কারবারি মোঃ শাহিন আলম (২২) এর মোটরসাইকেলটি তল্লাশী করলে মোটরসাইকেলের সীট কভারের নিচ হতে সাদা রংয়ের প্লাস্টিকের ব্যাগের ভিতর ০১ (এক) কেজি অবৈধ শুকনো গাঁজা পাওয়া যায়। পরে মাদকদ্রব্য পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত কালো লাল রংয়ের বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেলটি সহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    এব্যাপারে থানা অফিসের ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, এখন থেকে পূর্বের ন্যায় অভিযান জোরালোভাবে চলতেই থাকবে।

  • ডাসারে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

    ডাসারে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

    রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
    ডাসারে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। আজ ২০ আগস্ট মঙ্গলবার বিকেলে ডাসার উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ভুরঘাটা-শশিকর সড়কের কাজীবাকাই চৌরাস্তা থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চৌরাস্তা বাসস্ট্যান্ডে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    এ সময় ডাসার উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ আতিকুর রহমান আজাদ এর সভাপতিত্বে ও যুগ্ন আহবায়ক মোঃ সাত্তার আকন এর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন ডাসার উপজেলার প্রস্তাবিত সভাপতি আলহাজ্ব আলাউদ্দিন তালুকদার, বিএনপি নেতা মোঃ নুরুজ্জামান তালুকদার নুরু,ইসমাইল হাওলাদার, মোঃ জব্বার হোসেন, ডাসার ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রিপন খান, যুগ্ম আহবায়ক জালাল ফকির, ইব্রাহিম, মোঃ রানা,কাজীবাকাই ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কাজী আশিক, সেচ্ছাসেবক নেতা রকিব মৃধা,হারুন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাইদুর রহমান রুবেল, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ শাহআলম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান সহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    এ সময় ডাসার উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ আতিকুর রহমান আজাদ বলেন, আজ বহুদিন পরে স্বৈরাচারী হাসিনার পালিত গুন্ডা বাহিনীর হামলা ছাড়া প্রোগ্রাম করলাম। আমাদের নেতা আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন ভাইর নির্দেশনা অনুযায়ী পথ চলতেছি। কারন বিএনপি জনগণের দল এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের তৈরি সুসংগঠিত সংগঠন।
    এখনও যারা হায় হাসিনা, হায় হাসিনা করছেন, তারা এখনও ভুলের জগতে আছেন।
    একটু বালিশে মাথা দিয়ে চিন্তা করুন, বাংলাদেশের মানুষকে এতো হত্যা নির্যাতন,গুম করেছে, তা আজ জাতির সামনে পরিস্কার।
    তার ভিতরে আপনার কোন না কোন আত্মীয় ছিল।
    বিএনপি প্রতিশোধের রাজনীতি করে না,দেশের সকল জনগণের অধিকার আদায়ের রাজনীতি করে

  • এক দফা এক দাবি  আনোয়ারুল চেয়ারম্যান কবে যাবি

    এক দফা এক দাবি  আনোয়ারুল চেয়ারম্যান কবে যাবি

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী: এক দফা এক দাবি  এই প্রতিপাদ্য  কে সামনে  রেখে  

    নীলফামারীর ডিমলা উপজেলাধীন ১নং পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ারুল হক সরকারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ করেছে পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইউনিয়নের ঠাকুরগঞ্জ হাট/বাজারে এই মিছিল থেকে তার পদত্যাগের আহ্বান জানান ইউনিয়নবাসী। এর আগে সকাল ১১.০০ ঘটিকায় ইউপি কার্যালয়ে এলাকাবাসী তালা লাগিয়ে দিয়েছিল। ইউনিয়নবাসীর অভিযোগ আনোয়ারুল হক সরকার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে স্বেচ্ছাচারিতা ও অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তিনি পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হয়েও নিজ ইউনিয়নে তাকে পাওয়া যায় না। তিনি অন্য ইউনিয়নে তাঁর শ্বশুর বাড়িতে থাকেন। ইউনিয়নবাসী তার কাছ থেকে কোন ধরনের সেবা পান না। ইউনিয়নের গ্রাম্য বিচার সালিশ বা গ্রাম্য আদালত তিনি কোন দিনও করেন নি। তিনি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়েও আসতেন না। উল্লেখ্য, তিনি গত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

  • গৌরনদীতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী পালিত

    গৌরনদীতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী পালিত

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ বরিশালের গৌরনদীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার ২০ আগষ্ট বিকেল ৫ টায় গৌরনদী উপজেলা চত্বরে সেচ্ছাসেবক দলের গৌরনদী উপজেলার পৌর আহবায়ক মোঃ ছরোয়ার হোসেন পান্নুর সভাপতিত্বে এই কর্মসুচি পালন করা হয়েছে।

    এ সময় দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের হাজারেরো অধিক নেতা কর্মির উপস্হিতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দলের সার্বিক দিক তুলে ধরে মুল্যবান বক্তব্য দেন গৌরনদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ কামাল হোসেন বিপ্লব।

    এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার যুগ্ম আহবায়ক গৌরনদী পৌর বিএনপি , মোঃ হাফিজুর রহমান হফিজ,সহ-সভাপতি বরিশাল জেলা ছাত্র দল,দেলোয়ার হোসেন সরদার, আহবায়ক গৌরনদী পৌর কৃষক দল,

    এ ছারাও অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মোঃ সফিকুল ইসলাম রোকন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক গৌরনদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, মোঃ বায়জিদ হাচান যুগ্ম আহবায়ক গৌরনদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, মোঃ মনির হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক গৌরনদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, এস এম সিবলুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল, মোঃ স্বপন বয়াতি,মোঃ মিজান সরদার, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ নজরুল খলিফা নলচিড়া ইউনিয়ন যুবদল নেতা প্রমুখ।

  • গোদাগাড়ী সরকারী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন

    গোদাগাড়ী সরকারী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল স্বারকলিপি প্রদান। আজ ২০ আগষ্ট মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কগণসহ স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকমন্ডলী অধ্যক্ষ মোঃ মইনুল ইসলামের পদতাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। মিছিলটি স্কুল এন্ড কলেজ থেকে শুরু করে ডাইংপাড়া পাঁচমাথার মোড় থেকে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। বিক্ষোভ শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আবুল হায়াতের নিকট একটি দরখাস্ত দেয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছাত্র/ শিক্ষকদের শাস্ত করে বলেন, যেহেতু অধ্যক্ষ মো: মাইনুল ইসলাম অনেক দিন যাবত প্রতিষ্ঠানে আসছে না অনুপস্থিত থাকছে সেহেতু তার পরিবর্তে সিনিয়ারিটির ভিত্তিতে অন্য শিক্ষককে দায়িত্ব প্রদান করা হবে।

    গোদাগাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মাইনুল ইসলাম একটি সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ হয়েও গোদাগাড়ী উপজেলা আ’লীগের সহ সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

    প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় করণের জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের নিকট হতে বিভিন্ন উপায়ে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ৭৫ লক্ষ টাকা জোর পূর্বক চাঁদা আদায় করেন। এ টাকা শিক্ষক কর্মচারীদের নিকট হতে প্রভাষক সারোয়ার জাহান ডাবলু আদায় করতেন। চাঁদার টাকা প্রদানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করাই সহকারি প্রধান শিক্ষক আসরাফুজ্জামান মাসুম এর অফিস ভেঙ্গে ফেলেন এবং তাকে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে জোরপূর্বক অপসারন করে সোনাদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলামকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

    অধ্যক্ষ মইনুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠানে না এসেও পরের দিন খাতায় দেখা যায় তার স্বাক্ষর আছে সেটা কিভাবে সম্ভব? এ ক্ষেত্রে অধ্যক্ষ মইনুল ইসলামসহ তার অনুসারী শিক্ষকদের অপসারণের দাবি জানান প্রতিষ্ঠানের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

    দলীয় প্রভাব খাটিয়ে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক/ ছাত্রদের জিম্মি করে রেখেছিলেন। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটিকে তিনি দলীয় কার্যালয়ে রূপান্তর করেছিলেন বলে দরখাস্তে উল্লেখ করা হয়। তিনি নিয়োগ পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানের অর্থ কেলেংকারীর ঘটনাও ঘটেছে। তিনি দলীয় কতিপয় শিক্ষকদের নিয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করে অন্যান্য শিক্ষকদের অর্থিক ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে আসছেন দীর্ঘদিন থেকে। অভ্যান্তরীণ হিসাব-নিকাশ এর ক্ষেত্রে নিজ ইচ্ছানুযায়ী নিরীক্ষা কমিটি করে ব্যয় ভাউচারের তথ্য গোপন করে স্বাক্ষর করিয়ে নেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।