Blog

  • বিরো-ধ ভুলে ধানের শীষকে বি-জয়ী করতে হবে : আবদুস সোবহান

    বিরো-ধ ভুলে ধানের শীষকে বি-জয়ী করতে হবে : আবদুস সোবহান

    কে এম সোয়েব জুয়েল।।

    স্টাফ রিপোর্টার ঃ দলের মধ্যে বিরোধ থাকলে ধানের শীষকে বিজয়ী করা সম্ভব হবেনা। তাই সকল বিরোধ ভুলে আগে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান।

    এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী অন্যান্য নেতারা যখন মনোনয়ন পাওয়ার আশায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে লবিং ও তদবিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন, ঠিক তখনই ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে তারেক রহমানের সালাম পৌঁছে দেয়ার জন্য নিজ নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান।

    তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের তৃণমূল পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থকসহ সর্বস্তরের ভোটারদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান আরও বলেছেন-আমাদের নেতা তারেক রহমানকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনতে হলে দলের মধ্যে কোন ধরনের বিভেদ রাখা যাবেনা। সকল বিভেদ ভুলে আগে ধানের শীষকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করতে হবে।

    বার্থী ইউনিয়নের বেজগাতী এলাকায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে সবার কাছে পরিচিত ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান বলেন-বিগত ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে আমি নিজে কখনও সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, দখলবাজির সাথে জড়িত ছিলাম না। তাই আমার কোন সমর্থকদের বিরুদ্ধেও কোন চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক বিক্রি কিংবা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগ নেই।

    আমার নেতা তারেক রহমান কোন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি কিংবা দখলবাজিকে পছন্দ করেননা। যেকারণে ইতোমধ্যে যাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ প্রমানিত হয়েছে, তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যার ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    বিগত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে চমক দেখানো প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান আরও বলেছেন-আগামী নির্বাচনে আমি যদি দলীয় মনোনয়ন পাই আর গৌরনদী-আগৈলঝাড়াবাসী যদি ভোট দিয়ে আমাকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করেন, তাহলে আমি কথা দিচ্ছি আমার দ্বারা কারো কোনদিন ক্ষতি হবেনা।

    পাশাপাশি আর কোনদিন হিন্দু সম্প্রদায়সহ অন্যান্য ধর্মের কাউকে রামশীল গিয়ে পালিয়ে থাকতে হবেনা। কাউকে চাঁদা দিতে হবেনা, কারো সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে কেউ নিতে পারবেনা।

    বিগত পতিত সরকারের সময়ে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে একাধিকবার হামলা ও অসংখ্য মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগ করা ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান আরও বলেছেন-ধর্ম এবং রাজনীতি আলাদা বিষয়, কারণ ধর্ম হলো ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিকতা। আর রাজনীতি হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও সরকার পরিচালনা সম্পর্কিত বিষয়। তাই কেউ যেন ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

    অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল লোকমান, সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার সাদাত তোতা, বরিশাল জেলা উত্তর যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম মোর্শেদ মাসুদ, গৌরনদী উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মনির হোসেন হাওলাদার, আগৈলঝাড়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শোভন রহমান মনির, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি এসএম হীরা সহ স্থানীয় বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

    শেষে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহ তাদের পরিবারের সদস্যদের সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো’র রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সবশেষে ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান উপস্থিতিদের মাঝে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার লিফলেট বিতরন করেন।

  • জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা ও বিভাগীয় সাংগঠনিক বৈঠক ও আলোচনা স-ভা অনুষ্ঠিত

    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা ও বিভাগীয় সাংগঠনিক বৈঠক ও আলোচনা স-ভা অনুষ্ঠিত

     তরিকুল ইসলাম তরুন, 

    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা ও বিভাগীয় সাংগঠনিক বৈঠক ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত৩০ শে অক্টোবর বিকাল  ৩ টায় নগরীর কান্দিড়পাড় রুচি বিলাস রেস্তোরাঁর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠান টি জ্যাকজমক পূর্ণ  পরিবেশে কুমিল্লা জেলা সভাপতি দৈনিক বাংলা পত্রিকার কুমিল্লা দঃ প্রতিনিধি সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম তরুনের সভাপতিত্বে সংস্থার কুমিল্লা জেলা কমিটির 

    সাধারন  সম্পাদক সাংবাদিক জুয়েল রানা মজুমদারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় মহাসচিব আলমগীর গনি।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির নীতি নির্ধারনী সদস্য মোহাম্মদ মনজুর হোসেন, কুমিল্লা জেলা কমিটির উপদেষ্টা বিশিষ্ট ক্রীড়া বিদ মাহবুবুল আলম চপল,উপদেষ্টা ওমর ফারকী তাপস,  আইন উপদেষ্টা এডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট মাহমুদা খানম শিল্পী, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার আবদুর রহমান,  রোটাঃ আহমেদ ইমন, বিভাগীয় সভাপতি সাংবাদিক হারেছুর রহমান, এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সহসভাপতি আঃ রহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, সাংবাদিক মনোয়ার হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক কামরুজ্জামান, মুরাদনগর উপজেলার কমিটির সভাপতি এমকেআই জাবেদ,বুড়িচং উপজেলা কমিটির সভাপতি সৌরভ মাহমুদ হারুন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কমিটির সভাপতি সুজন,সহসভাপতি ইউসুফ, সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম কালবেলা, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক এনামুল হক, সাংবাদিক শিরিন আক্তার, সাংবাদিক রোখসানা আক্তার সুখী, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন উপজেলার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

  • তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা একটি যুগো-পযোগী রোডম্যাপ – আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া

    তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা একটি যুগো-পযোগী রোডম্যাপ – আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,পটিয়া।। পটিয়া উপজেলা কমল মুন্সিরহাট ও শোভনদন্ডী রশিদাবাদ ও অলির হাট বাজারে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান কর্তৃক জাতির সামনে উপস্থাপিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামত ৩১ দফার লিফলেট বিতরণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র আহবায়ক ও সাবেক সফল উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন
    দক্ষিণ জেলা বিএনপি সদস্য জাহাঙ্গীর কবির, ইব্রাহিম কমিশনার, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মফজল আহমেদ, হুরুন চৌধুরী, এ কে এম জসিম উদ্দিন, জাগীর মেম্বার,জিল্লুর রহমান,মো নাছির, এডভোকেট ফোরকান, জাফর চৌধুরী,আব্দুল মাবুদ,মাষ্টার সেলিম, জসিম উদ্দিন সওদাগ,কাশেম চেয়ারম্যান, এডভোকেট জসিম উদ্দিন, জিয়াউর রহমান, নুর মোহাম্মদ, সিদ্দিক মেম্বার, তরুণদলের সোহেল সওদাগর ফারুক চৌধুরী, আরাফাত আলী চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন রুবেল। পটিয়া পৌরসভা বিএনপি নেতা ফরিদুল আলম,নাজিম উদ্দিন, মো জিয়া, মো ইব্রাহিম মির্জা, মো কামাল,মো শহিদ পটিয়া উপজেলা ছাত্রদলনেতা আশরাফ উদ্দিন ময়ন, মো মুহিত সায়েদ উল্লাহ, বাদশাহ, মো তানবীর বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    এসময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া বলেন,জনাব তারেক রহমান কর্তৃক জাতির সামনে উপস্থাপিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রতিটি নাগরিক ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও প্রকৃত স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে কৃষক, শ্রমিকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে, বেকারত্ব দূর হবে। ৩১ দফা শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি জনগণের মুক্তির রূপরেখা। রাষ্ট্র মেরামতে এ কর্মসূচি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে কাজ করছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
    চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া আরো বলেন, দুর্নীতি ও জনদুর্ভোগ থেকে দেশকে মুক্ত করতে তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা একটি যুগোপযোগী রোডম্যাপ। এ কর্মসূচি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অঙ্গীকারবদ্ধ।

  • জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নলছিটিতে ইলেন ভুট্রোর গ-ণসংযোগ 

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নলছিটিতে ইলেন ভুট্রোর গ-ণসংযোগ 

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে বঝালকাঠি -২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, ঝালকাঠি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো নলছিটিতে গণসংযোগ  করেছেন। 

    শুক্রবার (৩১ শে অক্টোবর)  সকাল ১০ টায় উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়ন এর তেতুলবাড়িয়া,উকিল বাজার, তেতুলবাড়িয়া ফেরীঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় এ গনসংযোগ করেছেন তিনি। এ সময় তিনি 

    বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনগনের মাঝে লিফলেট বিতরন করেন এবং তাদের সাথে মত বিনিময় করেন।

    মতবিনিময়ের সময় ইলেন ভুট্টো বলেন, গত ১৭ বছরে নলছিটি – ঝালকাঠির মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে  দেশের মানুষের ভাগ্যে পরিবর্তন হবে। তারেক রহমানের নির্দেশে রাস্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা নিয়ে আমি আপনাদের কাছে এসেছি।

    এ সময় গনসংযোগে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, খন্দকার অহিদুল ইসলাম বাদল, উপজেলা বিএনপির সহ- সভাপতি শহিদুল ইসলাম শহিদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইদুল ইসলাম রনি, রানাপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নেছাব আলী,মোল্লার হাট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম হাওলাদার  সহ বিএনপির শত শত নেতাকর্মী।

  • তানোরে বৈ-রী আবহাওয়ার প্রভাবে আমণখেতে ব্যাপক ক্ষ-তি

    তানোরে বৈ-রী আবহাওয়ার প্রভাবে আমণখেতে ব্যাপক ক্ষ-তি

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    বৈরী আবহাওয়া, ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে রাজশাহীর তানোরে আমনের পাকা ধানগাছ নুয়ে পড়েছে। পাশাপাশি ক্ষতির মুখে পড়েছে শীতকালীন আগাম শাক-সবজিসহ বিভিন্ন ধরনের রবিশস্য। ঘরে তোলার সময় ধানগাছ নুয়ে পড়ায় কৃষকেরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে,গত বুধ ও বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে হঠাৎ করেই ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসের কারণে অনেক আমণখেতের পাকা ও আধা পাকা ধানগাছ মাটিতে নুয়ে পড়েছে। এছাড়াও শীতকালীন আগাম শাক-সবজির খেতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে ঝড়ো-বৃষ্টির পর অনেক এলাকায় আমণখেতে পচন ও পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। তবে বৃষ্টি-ঝড়ো হাওয়ায় কি পরিমাণ আমণখেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেই তথ্য কৃষি বিভাগ দিতে পারেনি।উপজেলার কামারগাঁ ইউপির কৃষক সুমন আলী বলেন গত দুই দিন ঝড় হাওয়া ও বৃষ্টি হওয়ায় ধানগাছ মাটিতে শুইয়ে পড়েছে ফলন নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায় পড়েছি। অন্যদিকে কৃষক রবিউল ইসলাম জানান, “গত বছর ধানের ভালো দাম পাননি। এ নিয়ে হতাশায় ছিলেন। আগামি সপ্তাহ থেকে তার ১০ বিঘা জমির ধান কাটা শুরু হবে। কিন্তু হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে বেশিরভাগ ধান গাছ মাটিতে শুয়ে পড়েছে।
    এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ যেন ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’।” কৃষক আয়ুব আলী ও আব্দুল আলী বলেন, “বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসের কারণে ইতিমধ্যে চরম ক্ষতি হয়ে গেছে। এক একর জমিতে আগে প্রায় ৫০ মণ ধান পাওয়া যেত, এখন সেখানে ৩০ মণ আসতে পারে। এছাড়াও শিব নদীর পাড় ও নিচু এলাকায় আমণখেতে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২২ হাজার ৬৩৫ হেক্টর। এর মধ্য হাইব্রিড ২৮ হেক্টর, উফশী জাত ২২ হাজার ১১৭ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের চাষ হয়েছে ৫৫০ হেক্টর। চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ২৯৮ মেট্রিক টন। উপজেলার স্বর্ণপদক প্রাপ্ত স্বশিক্ষিত কৃষি বিজ্ঞানী নুর মোহাম্মাদ জানান, রোপা-আমণ রোপণের শুরুর দিকে কৃষকদের প্রচুর বেগ পেতে হয়েছে। অতি বৃষ্টি ও সার নিয়ে ছিল অসহীয় সিন্ডিকেট। আর শেষ মুহুর্তে বৃষ্টি-ঝড়ো হাওয়ায় নুয়ে পড়া আমণের উৎপাদন কিছু হ্রাস পাবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি কল গ্রহণ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।#

  • পাইকগাছায় বিদ্যালয়ের পাশে পোল্ট্রি ফার্মে দুর্গ-ন্ধে পাঠদান ব্যাহত — প্রশাসনের হ-স্তক্ষেপ দাবি

    পাইকগাছায় বিদ্যালয়ের পাশে পোল্ট্রি ফার্মে দুর্গ-ন্ধে পাঠদান ব্যাহত — প্রশাসনের হ-স্তক্ষেপ দাবি

    পাইকগাছা (খুলনা ) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ২৬ নং মানিকতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে দুটি পোল্ট্রি ফার্ম থাকার কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শ্রেণি পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নাকাল হতে হচ্ছে দুর্গন্ধে।

    এছাড়াও এখানে উপজেলা প্রাইমারী এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার শিক্ষকদের বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়া নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষকরা। কেন্দ্রের পাশে একটি পোল্ট্রি ফার্ম থাকায় সারাক্ষণ দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। ফলে প্রশিক্ষণ চলাকালীন শিক্ষক প্রশিক্ষণার্থীরা নাক চেপে ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।

    বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় মো. নুরুজ্জামানের মালিকানাধীন দুটি পোল্ট্রি ফার্ম বিদ্যালয়ের একেবারে সংলগ্ন স্থানে স্থাপিত। ফার্মগুলো থেকে নির্গত দুর্গন্ধ ও বর্জ্য পদার্থের কারণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দূষণ ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে শীত মৌসুমে দুর্গন্ধের মাত্রা বেড়ে যায়, যা শিক্ষার্থীদের জন্য অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে।

    বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকরা জানান, দুর্গন্ধের কারণে শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ দিয়ে পাঠদান ও পাঠগ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা অনেক সময় অসুস্থও হয়ে পড়ে। এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার ফার্ম মালিককে অনুরোধ করা হলেও তিনি কোনো গুরুত্ব দেননি। এমনকি স্যানিটারি ইনস্পেক্টর ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের তাগিদেও ফার্ম মালিক কর্ণপাত করেননি।

    উপজেলা প্রাইমারী এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার এর ইন্সট্রাক্টর মো. ঈমান আলী জানান, এটা নিয়ে আমরা একাধিকবার ইউএনও অফিসে আবেদন করেছি। ফার্ম কর্তৃপক্ষ সময় নিয়েও সেটা এখনো অপসারণ করে নাই। উক্ত বিষয়ে উপজেলা স্যনিটারি ইন্সপেক্টর উদয় মন্ডল পরিদর্শন করেছে কিন্তু তার কাছ থেকেও সময় নিলেও এখনো পর্যন্ত সেটা অপসারণ করা হয়নি।

    বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), পাইকগাছা বরাবর লিখিতভাবে বিষয়টি অবহিত করেছে। আবেদনপত্রে বিদ্যালয়ের পাশের দুটি পোল্ট্রি ফার্ম অপসারণ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীন জানান, বিষয়টি নিয়ে আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি এটা তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

    স্থানীয় সচেতন মহল বিদ্যালয়ের শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • বিনামূল্যে পাঁচশতাধিক ব্যক্তি পেলেন চি-কিৎসাসহ ঔষধ

    বিনামূল্যে পাঁচশতাধিক ব্যক্তি পেলেন চি-কিৎসাসহ ঔষধ

    কে এম সোয়েব জুয়েল।।

    ষ্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

    প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দা অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের পাঁচ শতাধিক নারী ও পুরুষ একসাথে পেলেন বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চিকিৎসা সেবা এবং ওষুধ। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকাল নয়টা থেকে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের মাধ্যমে এ সেবা পেয়ে বেজায় খুশি প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের নারী-পুরুষরা।

    জানা গেছে, বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত মৈস্তারকান্দি গ্রামের ব্যাপিস্ট চার্চ মিশন মাঠে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইনিং ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি।

    দিনব্যাপী ওই ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছেন গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালের গাইনী ও প্রসূতি বিশেষ্ণ এমবিবিএস চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান নাঈম এবং মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. গৌরব মজুমদার বিক্রম। তাদের সহযোগি হিসেবে হাসপাতালের দুইজন নার্স মেডিক্যাল ক্যাম্পে সহায়তা প্রদান করেছেন।

    ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজক সাইনিং ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল রায় বলেন-দীর্ঘবছর যাবত গ্রামের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষে সাইনিং ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সদস্যরা স্বেচ্ছায় কাজ করে যাচ্ছেন।

    তারই ধারাবাহিকতায় অর্থাভাবে চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র পরিবারের রোগীদের বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসদের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দিয়ে ওষুধ বিতরণ করার জন্য আমাদের এ মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজন। তবে মেডিক্যাল ক্যাম্পে গ্রামাঞ্চলের সর্ব শ্রেনীর পেশার মানুষ চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন।

    মেডিক্যাল ক্যাম্পে সংগঠনের ক্যাশিয়ার পল্লব বৈদ্য, উপদেষ্টা রেভা বিদ্যুৎ রায়, শিশু রঞ্জন ঢালীসহ অন্যান্য সদস্যরা সহযোগিতা করেছেন।

    চিকিৎসা সেবা নেয়া রঞ্জিত বাড়ৈ, সুম্মিতা বালা, ইলিয়াস হোসেন, রেবেকা বেগমসহ এই ক্যাম্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চিকিৎসা সেবা এবং ওষুধ পেয়ে সকলেই মহাখুশি। তারা সকলেই আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

    গ্রামের দরিদ্র পরিবারের নারী-পুরুষদের দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিতে পেরে নিজেদের ধন্য মনে করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান নাঈম এবং ডা. গৌরব মজুমদার বিক্রম বলেন-এভাবে অন্যান্য সংগঠনগুলো এগিয়ে আসলে আমরা তাদের ক্যাম্পে গিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করবো।

    গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শাহতা জারাব সালেহিন বলেন-প্রথম উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্যার আমাকে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের বিষয়টি অবহিত করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি আমার কাছে খুব ভাল মনে হওয়ায় হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ নার্সদের ওই ক্যাম্পে পাঠিয়েছি। ভবিষ্যতে স্বেচ্ছায় কোন সংগঠন থেকে এধরনের মহতি উদ্যোগ গ্রহণ করলে তাদেরকেও সহযোগিতা করা হবে।

    গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম বলেন-সাইনিং ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নেতৃবৃন্দরা যখন স্বেচ্ছায় ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প করার জন্য অনুমতি নিতে আমার কাছে এসেছেন, তখন তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য শুনে আমার খুব ভাল লেগেছে। এভাবে তাদের (সাইনিং ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি) মতো অন্যান্য সংগঠনগুলো স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসলে প্রত্যন্ত এলাকার দরিদ্র পরিবারের কেউ অর্থাভাবে আর চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হবেন না।

    এমন উদ্যোগ নিয়ে কোন সংগঠন এগিয়ে আসলে তাদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

  • আশুলিয়ায় জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর অ-ভিযানে বিদেশি অ-স্ত্র ও বিপুল মা-দকসহ গ্রে-ফতার ৪

    আশুলিয়ায় জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর অ-ভিযানে বিদেশি অ-স্ত্র ও বিপুল মা-দকসহ গ্রে-ফতার ৪

    হেলাল শেখঃ দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার আশুলিয়ার গাজীরচট এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীরা স্থানীয়দের মধ্যে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো,
    অবশেষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপে ভেঙে যায় সেই দাপট।

    গত বুধবার (৩০ অক্টোবর ২০২৫ইং) গভীর রাতে আশুলিয়ার গাজীরচট এলাকায় আকস্মিকভাবে পাঁচ রাউন্ড গুলির শব্দে পুরো এলাকা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এলাকাবাসীর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সন্ত্রাসীদের আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করেন।

    অভিযানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ৪জনকে গ্রেফতাট করতে সক্ষম হোন। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃতদের স্বীকারোক্তি ও নির্দেশনা অনুযায়ী সেনা ও পুলিশ সদস্যরা যৌথভাবে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি অস্ত্র, গুলি, দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেন।

    উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মাদকের মধ্যে রয়েছে-১টি বিদেশি পিস্তল, ৮ রাউন্ড গুলি, ২টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ১৭টি শটগানের কার্তুজ, ১৬টি পিস্তলের কার্তুজ, ৪টি দেশি অস্ত্র (চাপাতি, ছুরি), ১টি হকি স্টিক, ২টি ইলেকট্রিক শকার, ১৩টি মোবাইল ফোন, ৩টি ওয়াকি-টকি, ৩০৪০ পিস ইয়াবা, ৭০০ গ্রাম গাঁজা এবং ৪ লিটার বিদেশি মদ।

    অভিযানে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- মেহেদী হাসান মিঠুন (২৪), গাজীরচট, আশুলিয়া,
    মোঃ মোজাম্মেল ভূঁইয়া (৪৪), গাজীরচট, আশুলিয়া ,মোঃ জাহিদুল আলম (২৪), রাণীনগর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাসুমা আক্তার রিয়া (২৩), মধ্য গাজীরচট, আশুলিয়া ।

    গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী।
    অভিযান শেষে আটক আসামি ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র-গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্য আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনী জানান।

  • গোপালগঞ্জ সদরের উলপুর গ্রামের আলমগীর ফকিরের বিরুদ্ধে সালিশের অর্থ আ-ত্মসাতের অ-ভিযোগ

    গোপালগঞ্জ সদরের উলপুর গ্রামের আলমগীর ফকিরের বিরুদ্ধে সালিশের অর্থ আ-ত্মসাতের অ-ভিযোগ

    কে এম সাইফুর রহমান।।
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ১২ নং উলপুর ইউনিয়নের আন্ধারকোঠা গ্রামের বাসিন্দা, ছিরু ফকিরের ছেলে আলমগীর ফকির (৫৫) -এর বিরুদ্ধে ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ -এর অভিযোগ উঠেছে। এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে অসহায়দের নির্যাতন, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারিতে জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    অভিযোগের ভিত্তিতে সম্প্রতি একাধিক গণমাধ্যমকর্মী সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী এবং সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানাগেছে, গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই বেপরোয়া হয়ে ওঠে আলমগীর ফকির। এ সময় তিনি এলাকায় অসহায় মানুষের জমি দখল, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং মাদক কারবারিতে প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েন। কেউ তার অপরাধের প্রতিবাদ করলেই তাঁদেরকে মিথ্যা মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে হুমকি-ধমকি দেন‌ এবং অসহায়দের
    মার-ধর করেন।

    আলমগীরের নির্যাতনের স্বীকার- একই এলাকার বাসিন্দা মোঃ খসরুল আলম শেখ, একাধিক গণমাধ্যমকে জানান- আমি একজন সাধারণ কৃষক, আমার ছেলে সবুজ শেখ ও সুজন শেখকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে হাফিজ মোল্লা,
    পিতা- মৃত ইলিয়াস মোল্লা, সাং উলপুর পূর্বপাড়া, আমার নিকট থেকে ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা নেয়। পরবর্তীতে হাফিজ মোল্লা আমার ছেলেকে প্রবাসে পাঠাইতে ব্যর্থ হয়। আমি বিভিন্ন সময় হাফিজ মোল্লার নিকট পাওনা টাকা ফেরত চাই। তখন আলমগীর ফকির স্থানীয় প্রভাবশালী মাতুব্বর হওয়ায় সে আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে। এবং আমার কথা বলে ইলিয়াসের কাছ থেকে আড়াই লক্ষ টাকা নেয়। আমি টাকা চাইলে আমাকে পুরো টাকা ফেরত না দিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং জীবননাশের হুমকি দেয়।

    অভিযুক্ত আলমগীর ফকিরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে না পাওয়ায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    এ বিষয়ে আমি গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিকালে বিশ্বস্ত সুত্রে জানতে পারি, বৌলতলী পুলিশ ফাঁড়ির সাব ইন্সপেক্টর আফজাল মোল্লার নেতৃত্বে, আলমগীর ফকিরকে নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম বলেন, একাধিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আলমগীর ফকিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সাভারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের  শিক্ষার্থীদের জি-ম্মি হাম-লা ও অ-গ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অবশেষে পা-ল্টাপাল্টি মা-মলা

    সাভারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জি-ম্মি হাম-লা ও অ-গ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অবশেষে পা-ল্টাপাল্টি মা-মলা

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের বেসরকারি ড্যাফোডিল ও সিটি ইউনিভার্সিটির মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষার্থী জিম্মির ঘটনায় অবশেষে একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করেছে উভয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    গতকাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল মিঞা।

    পুলিশ জানায়, সকালে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা পৃথকভাবে সাভার মডেল থানায় অভিযোগ দাখিল করলে তা মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। এখন আইনি প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    উল্লেখ, গত রবিবার রাতে থুতু ফেলাকে কেন্দ্র করে সাভারের খাগান এলাকায় সংঘর্ষে জড়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রাতভর চলা এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের শতাধিকের বেশি শিক্ষার্থী আহত হয়। ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয় সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন, পরিবহনসহ বিভিন্ন স্থাপনায়।

    অভিযোগ রয়েছে, এসময় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১১ শিক্ষার্থীকে সিটি ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। পরে সোমবার লিখিত মুচলেকা নিয়ে তাদের ফেরত দেয়া হয়।

    অভিযোগ রয়েছে, সংঘর্ষের সময় ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে পরদিন লিখিত মুচলেকা নিয়ে তাদের ফেরত দেয়া হয়।

    সংঘর্ষের পর দিন সিটি ইউনিভার্সিটি এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, হামলায় তাদের ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তুলে ধরেন এবং ড্যাফোডিল কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি জানায়।

    পরবর্তী দিন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে তাদের শিক্ষার্থীদের জিম্মি ও আহত করার অভিযোগ তুলে ধরে সিটি ইউনিভার্সিটির বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করে।

    সবশেষে গতকাল বুধবার, উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ই হামলা, ভাঙচুর ও জিম্মির অভিযোগে একে অপরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।