Blog

  • উজিরপুরে মাছের ঘের নিয়ে দ্ব*ন্দ্বে দুজনকে কু*পিয়ে খু*ন।

    উজিরপুরে মাছের ঘের নিয়ে দ্ব*ন্দ্বে দুজনকে কু*পিয়ে খু*ন।

     

    জুনায়েদ খান সিয়াম,
    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ ইদ্রিস হাওলাদার তার চাচাতো ভাই সাগর হাওলাদার কে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আত্মীয় পূর্ব সাতলা ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রবিউল ইসলাম। 

    স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়,২৪ আগস্ট রাত ১১ টার দিকে ব্যবসায়ী ইদ্রিস হাওলাদার (৪০) ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে তার চাচাতো ভাই সাগর হাওলাদার (২৭)এর মোটরসাইকেল যোগে নিজ বাড়ি পশ্চিম সাতলা ২নং ওয়ার্ডে ফিরছিলেন পথিমধ্যে সাতলা বড় ব্রিজের পশ্চিম পাড়ের ঢালে গেলে একদল অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তরা তাদের গতিরোধকরে ব্যবসায়ী ইদ্রিসকে কুপিয়ে ও পায়ের রগ বর্তন করে দেয় এ সময় মোটরসাইকেল চালক তার চাচাতো ভাই সাগর বাধা দিলে তাকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তাদের আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে  এসে তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে আগৈলঝারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য  তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে রাত ১.৪৫ মিনিটে ব্যবসায়ী ইদ্রিস হাওলদার মৃত্যুবরণ করেন তার কয়েক ঘন্টা পরে সাগরও মৃত্যুবরণ করেন। নিহত ইদ্রিস হাওলাদার পশ্চিম সাতলা গ্রামের সোহরাব হাওলাদারের পুত্র ও সাগর হাওলাদার একই বাড়ির শাহাদাত হাওলাদারের পুত্র। এ বিষয় নিহতদের চাচা সাবেক ইউপি সদস্য মোনাফছের হাওলাদার সাংবাদিকদেরকে অভিযোগ করে বলেন সাতলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার ও  তার চাচাতো ভাই যুবলীগ নেতা আসাদ হাওলাদারের নেতৃত্বে ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তিনি সাংবাদিকদের কে আরো জানান,গত ১৭ মার্চ গভীর রাতে ইদ্রিস হাওলাদারের মালিকানাধীন মাছের ঘের, মুরগির খামার, পানি শেচ পাম্পে অগ্নি সংযোগ এর ঘটনায় ইদ্রিস হাওলাদার ও সাতলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহীন হাওলদারের ও তার চাচাতো ভাই আসাদ হাওলাদার সহ ৪০ -৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় শাহীন চেয়ারম্যান কে জেল খাটতে হয়। তার প্রতিশোধ নিতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।    

     উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহমেদ জানান, নিহত ইদ্রিস হাওলাদার এর সাথে একটি মাছের ঘের নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে এই জোড়া হত্যাকান্ড সংঘটিত হতে পারে বলে প্রাথমিক অবস্থায় ধারনা করা যাচ্ছে। অপরাধীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে  ও মামলা প্রস্তুতি চলছে।

  • সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ও হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন 

    সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ও হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন 

    শহিদুল ইসলাম,

    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধনে চট্টগ্রামে বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের প্রধান সমন্বয়ক সাংবাদিক আরিয়ান হাসান লেনিনকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন গণমাধ্যমকর্মীরা।

    চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে ২৪ আগষ্ট বিকাল ৫ টার সময় এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রতিবাদ করা হয়,

     
    চট্টগ্রামের নিউ মার্কেটে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার ওপর গুলি বর্ষণ ও হামলার অভিযোগে শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাতে সিএমপির কোতোয়ালি থানায় ৩৫১ জনের নাম উল্লেখ ককে১০০০/১২০০ জনকে অজ্ঞাতো আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মঈন উদ্দিন রাজীব (৪০)

     

    মামলাটিতে ৮৭। নাম্বারে সাংবাদিক আরিয়ান হাসান লেনিনকে আসামি করা হয় এবিষয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে গণমাধ্যমকর্মীরা 

    এসময় সাংবাদিকরা বলেন আরিয়ান লেনিন আমাদের প্রধান সমন্বয়ক তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে, ৫ ই আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগের পর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আমাদের বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের আন্দোলনে সমন্বয়ক এবং নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন সাংবাদিক আরিয়ানার লেনিন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক কমিটি আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া কিছু প্রেততাত্মা ও দালাল চক্রান্ত করে আমাদের এই আন্দোলনকে দমিয়ে  দেওয়ার জন্য মিথ্যা মামলায় আমাদের আরিয়ান হাসান লেনিনের নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এইসব মামলা হামলা দিয়ে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে না, বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের আন্দোলন চলছে চলবে।

  • সুজানগরে হারুন মোল্লার ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে হারুন মোল্লার ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত

    সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি: পাবনার সুজানগর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সফল সভাপতি মোঃ হারুন-অর রশিদ হারুন মোল্লার ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার উপজেলা পরিষদ মডেল মসজিদে বাদ আছর অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে সুজানগর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মোল্লা, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান মোল্লা, সুজানগর পৌরযুবদলের সাবেক আহব্বায়ক সিদ্দিক বিশ্বাস, উপজেলা যুবদলের আহব্বয়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু, উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান খোকন, সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হাসান শান্ত, সাবেক ছাত্রদলের আহব্বায়ক শফিউল আলম বাবু, পৌরযুবদলের আহব্বায়ক আনোয়ার মোল্লা, বিএনপি নেতা মজিবর খাঁ, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল বাতেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহব্বায়ক শেখ কেরামত আলী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহব্বায়ক শফিকুল ইসলাম, এন,এ কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল- মামুন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নবী মোল্লা, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আলম মন্ডল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম তুষার সহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা মযেল মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আরিফ বিল্লাহ। উল্লেখ্য, প্রয়াত নেতা মোঃ হারুন-অর রশিদ হারুন মোল্লা ১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি এবং ২০১২ সাল থেকে প্রায় এক যুগ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি হিসেবে এবং পরবর্তীতে সুজানগর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ সালের ২৪ আগষ্ট ৫৫ বৎসর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর,পাবনা।

  • তানোর বিএনপি নেতা মিজানের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা জনমনে ক্ষোভ

    তানোর বিএনপি নেতা মিজানের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা জনমনে ক্ষোভ

    আলিফ হোসেন,তানোর
    রাজশাহীর তানোর উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক, তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র, সেরা সংগঠক, আদর্শিক,পরীক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্বের আইডল মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে গায়েবী অভিযোগ ও প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলছে, বিএনপির একশ্রেণীর আদর্শচ্যুৎ জনবিচ্ছিন্ন ও
    বিপদগামী নেতার ইন্ধনে একশ্রেণীর গণমাধ্যমে কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়া মিজানের বিরুদ্ধে মানহানিকর খবর প্রচার করা হয়েছে। এদিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপির নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্রক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে, দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ তিনি বিএনপি নেতা হলেও দীর্ঘ ১৫ বছর তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে ‘আঁতাত’ করে চলেছেন। যা সম্পুর্ন মিথ্যা-ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও মানহানিকর। প্রকৃত ঘটনা হলো মিজান একমাত্র নেতা যিনি দীর্ঘ ১৫ বছর বলতে গেলে প্রায় একক প্রচেষ্টায় রাজনীতির মাঠে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কর্মসুচি দিয়ে মাঠে ছিলেন। যেকারণে এই ১৫ বছরে মিজানের বিরুদ্ধে ২৭টি মামলা হয়েছে, এবং এখানো ১৩টি মামলা চলমান রয়েছে, এসব রাজনৈতিক মামলায় তাকে দীর্ঘদিন কারাভোগও করতে হয়েছে। এমনকি তানোর পৌর মেয়রের দায়িত্ব পালনের সময় সাবেক এমপি ফারুক চৌধুরীর কথা মতো কাজ না করায়, তার বিরুদ্ধে ৭০ কেজি চাল চুরির কথিত অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদুক) মামলা করা হয়েছে। তাহলে কি বিবেচনায় মিজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হলো মিজান বিগত ১৫ বছর সাবেক এমপি ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে সমঝোতা করে চলেছে এটা হাস্যকর নয় কি ?
    দ্বিতীয় অভিযোগ, মিজান আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হয়েছেন। এটাও সম্পুর্ণ মিথ্যা-ভিত্তিহীন-বানোয়াট ও মানহানিকর। কারন বিগত ১৯৯৮ সালে মিজান ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক এবং ২০০৩ সালে পুকুর ইজারা নিয়ে বানিজ্যক মাছ চাষ ও জমি ভাড়া নিয়ে আমবাগান তৈরী এবং আলু চাষ করে আসছেন। এছাড়াও তিনি ইলেক্টনিক্স ও সুপার সপ ব্যবসা করেছেন। তার স্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাহলে তিনি অবৈধ সম্পদের মালিক হলেন কি ভাবে ?
    তৃতীয় অভিযোগ মিজান শিবির নেতা ছিলেন এটাও প্রোপাগান্ডা ছড়ানো ব্যতিত কিছু নয়। কারণ মিজানের রাজনীতি তার মামা প্রযাত এমরান আলী মোল্লার হাত ধরে। এমরান আলী মোল্লা ছিলেন তানোর বিএনপির প্রাণ পুরুষ বা কর্ণধার। তাহলে মিজান শিবির নেতা কিভাবে হয়, তাদের কথায় যদি শিবির নেতা হয় তবে তার পদ কি সেটা বলা হোক ?
    চতুর্থ অভিযোগ, গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মিজানের আরো পোয়াবারো অবস্থা। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) চার শতাধিক গভীর নলকূপের দখল নিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি টাকা। এটাও মনগড়া, উদ্দেশ্যে
    প্রণোদিত ও কুরুচিপুর্ণ। কারণ ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে আর ৭ আগস্ট কারগার থেকে মিজান মুক্ত হয়েছেন। এর পর ৮ আগস্ট উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন এবং পরবর্তীতে মিজান প্রতিটি ইউপিতে নেতাকর্মী ও সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে সকলের প্রতি আহবান জানান, কেউ যেনো গভীর নলকুপ দখল, ভাঙচুর বা আইনশৃংখলাবিরোধী কাজ না করেন।যারা করবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। অথচ মিজানের বিরুদ্ধে এমন মানহানিকর প্রচারণা করা হচ্ছে।
    পঞ্চম অভিযোগ, মিজান তার ছোট ভাই-বোন, ভগ্নিপতি, ভাইয়ের ছেলে এবং তার স্ত্রীর চাকরি বাগিয়ে নিয়েছেন কিনেছেন ২৫ বিঘা জমি। রাজশাহী শহরে নামে-বেনামে বেশ কয়েকটি প্লট ও ফ্ল্যাট কিনেছেন। সম্প্রতি তিনি ৭০ লাখ টাকা দিয়ে টয়োটা ব্র্যান্ডের একটি হ্যারিয়ার গাড়ি কিনেছেন। তাদের এসব অভিযোগও ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। কারণ মিজানের কোনো ভাই নাই, আবার এসব চাকরি নেয়ারক্ষেত্রে মিজানের কোনো হাত নাই, যদি থাকতো তাহলে তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিস্ঠানে নিয়োগ বানিজ্যে করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিতে পারতেন। তাহলে তিনি চাকরি দিলেন কি ভাবে ? এছাড়াও মিজান তার ব্যবহৃত পুরাতন গাড়ী বিক্রি করে আবারো পুরাতন গাড়ি কিনেছেন। আবার রাজশাহী শহরে তার একাধিক প্লট-ফ্ল্যাট তো দুরের কথা ভাড়া বাড়িও নাই, এমনকি শশুরের কাছে থেকে তিনি কোর্ট এলাকায় যে জায়গা পেয়েছেন সেখানেও বাড়ি করতে পারেননি। তাহলে তার বিরুদ্ধে এসব প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর হেতু কি ?
    ষষ্ঠ অভিযোগ, গত ৮ আগস্ট কলমা ইউনিয়নে মিজান চোরখৈর গ্রামের ডিশ ব্যবসায়ী ফয়সাল আহমেদের কন্ট্রোল রুমে হামলার পর লুট করেছেন। এটাও স্ববিরোধী মিজান যদি আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে চলেন, তাহলে তিনি ওই ডিসের কন্ট্রোল রুমে হামলা করবেন কেন ? ওই ডিসের মালিক উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। স্থানীয়রা জানান, কলমা ইউপির কিছু দুর্বৃত্তরা চৌরখৈর গ্রামের ডিসের কন্ট্রোল রুমে ভাঙচুর করেছে। যেদিন এই ঘটনা ঘটে সেদিন মিজান উপজেলা সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।
    অথচ একটি জনবিচ্ছিন্ন অশুভ চক্র
    মিজানের নামে এসব প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে হেতু কি ?
    এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য,দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর। তানোরের সর্বক্ষেত্রে মিজানুর রহমান মিজানের গুরুত্ব বেড়ে গেছে। এটা বিএনপির একশ্রেনীর জনবিচ্ছিন্ন ও বিপদগামী নেতা মানতে পারছেন না। মুলত তারাই মিজানকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতে মিজানের প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে মিজানুর রহমান মিজান বলেন, তার কোনো অবৈধ সম্পদ নাই।তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন,কেউ যদি প্রমান দিতে পারেন তিনি কোনো পুকুর-ডিপ দখল বা ভাঙচুর করেছেন তাহলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দিবেন। তিনি বিএনপির সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজনীতি করার আহবান জানান। #

  • ক্ষমতা কারো জন্য চিরস্থায়ী নয় – রফিকুল ইসলাম খান

    ক্ষমতা কারো জন্য চিরস্থায়ী নয় – রফিকুল ইসলাম খান

    জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন,ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারের মিথ্যা মামলায় ১৫ বছর ৭ মাস পর কারাগার থেকে মুক্তি হয়েছি।শেখ হাসিনা দেশের লাখ লাখ মানুষকে গণহত্যা করে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিল।কিন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুথানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়।তিনি বলেন,
    ক্ষমতা কারো জন্য চিরস্থায়ী নয়। কিন্তু রক্ত পিপাসু শেখ হাসিনা বিচার ব্যবস্থাকে ধ্বংশ করে,খুনিবাহিনী, পুলিশ,বিডিআর,ছাত্রলীগ,যুবলীগ দিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে গিয়ে শেষে নিজেই দেশ থেকে বিতাড়িত হলেন।সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান আরও বলেন,রাজাকারের বাচ্চা শ্লোগানই শেখ হাসিনার পতন হয়েছে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছিল। আর দেশের জন্য এবারে যারা প্রাণ দিলেন তারা হলেন স্বাধীন যোদ্ধা। শনিবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯ টায় সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানা মাঠে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    তিনি আক্ষেপ করে আরও বলেন,আমার বাবা,চাচা,বড় ভাই,বোন,ফুফু মারা গেলেও তাদের দেখার জন্য জেলখানা থেকে ছাড় দেয় নি। রাজবন্দি হলেও বেড়ি পরিয়ে আমাকে কোর্টে আসতে হয়েছে।দীর্ঘদিন পরে আমি উল্লাপাড়া-সলঙ্গার মানুষের কাছে আসতে পেরেছি। আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা থাকলে উল্লাপাড়া-সলঙ্গাকে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ মুক্ত করতে চাই ইনশাআল্লাহ।
    পথ সভায় সলঙ্গা থানা জামায়াতের আমির হুসাইন আলীর সভাপতিত্বে ও রাশেদুল ইসলাম শহীদের পরিচালানায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শাহিনুর আলম,সেক্রেটারি অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম,এ্যাড. সদরুল ইসলাম, মাও.আব্দুল গফুর, মাও.আব্দুর রহমানসহ অনেকে।
    এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জের নলকা ব্রিজ এলাকায় পৌছলে তাকে হাজার হাজার মোটর সাইকেল নিয়ে অভ্যর্থনা জানান হয়। প্রথমে সিরাজগঞ্জ রোড গোল চত্বর,এরপর দবিরগঞ্জ,প্রতাপসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা করেন।

  • পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদত্যাগ

    পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদত্যাগ

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু । তিনি ২৪ আগস্ট শনিবার প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সহ আওয়ামী লীগের সকল পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
    তিনি নিজ স্বাক্ষরিত পদত্যাগ পত্রে উল্লেখ করেন আমি দীর্ঘদিন কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন জটিল রোগের কারণে শারীরিক ভাবে অসুস্থ। এ কারণে প্রায়শই আমাকে হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়। শারীরিক এ-সব সমস্যার কারণে সদ্য সমাপ্ত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে আমি সরে দাড়িয়েছিলাম।অনেক দিন যাবৎ দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশ গ্রহণ ও সহযোগিতা করতে পারি নাই। বর্তমানে আমার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। এ কারণে পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করার পাশাপাশি দলীয় সব কর্মকাণ্ড থেকে অব্যাহতি নেন তিনি। নিজের অজান্তে ব্যবহারে কেউ নুন্যতম কোন কষ্ট পেয়ে থাকলে তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করেন। এছাড়া আন্দোলনে সকল নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান আনোয়ার ইকবাল মন্টু।

  • পাইকগাছার দেলুটির দুর্গত মানুষের পাশে দাড়িয়েছে – বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী

    পাইকগাছার দেলুটির দুর্গত মানুষের পাশে দাড়িয়েছে – বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছার দেলুটির দুর্গত মানুষের পাশে দাড়িয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। জরুরি চিকিৎসা প্রদান, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ও পানি বন্দি মানুষ কে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সহ অন্যান্য সদস্যরা। উল্লেখ্য গত ২২ আগস্ট বৃহস্পতিবার উপজেলার দেলুটি ইউনিয়নের কালিনগর এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ২২ নং পোল্ডারের ১৩ টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে ১৫ হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে। এদিকে মানবিক সহায়তা নিয়ে দুর্গত এলাকার মানুষের পাশে এসে দাড়িয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
    ইতোমধ্যে জরুরি চিকিৎসা প্রদান, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ও পানি বন্দি মানুষ কে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে নৌবাহিনী। কমান্ডার খুলনা নৌ অঞ্চলের তত্ত্বাবধানে লেঃ মাহফুজুর রহমান, (এক্স) বিএন এর নেতৃত্বে নৌবাহিনী বৃহস্পতিবার দিনভর দেলুটির ফুলবাড়ি, বিগোরদানা, হরিণখোলা ও দারুণ মল্লিক সহ ২২ নং পোল্ডারের বিভিন্ন স্থানে দুর্গত মানুষের মাঝে জরুরি চিকিৎসা প্রদান, ত্রাণ ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ এবং পানি বন্দি মানুষ কে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার কাজ করেন। ইনচার্জ মোঃ মিন্টু হোসেন এর নেতৃত্বে নৌ ফাঁড়ি পুলিশ নৌবাহিনীর এ কাজে সহযোগিতা করে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনী দুর্গত মানুষের পাশে থাকবেন এবং মানবিক সহায়তার কাজ চলমান থাকবে বলে জানান লেফটেন্যান্ট মাহফুজুর রহমান।

  • ৩ দিনে ও মেরামত করা যায়নি পাইকগাছার দেলুটির ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ ; পানি বন্দি মানুষের মানবেতর জীবন যাপন

    ৩ দিনে ও মেরামত করা যায়নি পাইকগাছার দেলুটির ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ ; পানি বন্দি মানুষের মানবেতর জীবন যাপন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা)।।
    পাইকগাছার দেলুটির ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ গত ৩ দিনে ও মেরামত করা যায়নি। ফলে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে দুর্গত এলাকায়। সুপেয় পানির চরম সংকট সহ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পানি বন্দি হাজার হাজার মানুষ। প্রয়োজনীয় আশ্রয় কেন্দ্র না থাকায় ওয়াপদার বেড়িবাঁধে আশ্রয় নিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ।
    উল্লেখ্য গত ২২ আগস্ট বৃহস্পতিবার উপজেলার দেলুটি ইউনিয়নের কালিনগর এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গিয়ে ২২ নং পোল্ডারের ১৩ গ্রাম প্লাবিত হয়। উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেলুটি ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল ও সোলাদানা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হকের নেতৃত্বে হাজার হাজার মানুষ গত ৩ দিন বাঁধ মেরামতের চেষ্টা করছে। প্রথম দুই দিন যেটুকু মেরামত করা হয় তা জোয়ারের পানিতে ভেসে যায়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার প্রায় দুই হাজার মানুষ দিনভর কাজ করে তিন ভাগের দুই ভাগ মেরামত করতে সক্ষম হয়। এদিকে বাঁধ মেরামত কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে দুর্গত এলাকায়। প্রায় ১৫ হাজার মানুষ গত তিন দিন পানি বন্দি হয়ে রয়েছে। শত শত কাঁচা ঘরবাড়ি ধ্বসে যাওয়ায় আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে এখানকার মানুষ। দুর্গত এলাকায় প্রয়োজনীয় সাইক্লোন শেল্টার না থাকায় ওয়াপদার বেড়িবাঁধে আশ্রয় নিয়েছে বেশির ভাগ মানুষ। দারুণ মল্লিক গ্রামের শিমুল সরকার বলেন এখানে তেমন কোন আশ্রয় কেন্দ্র নাই , যার কারণে নিরাপদ কোন আশ্রয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা নাই। সুপেয় পানির চরম সংকট সহ রান্না খাওয়া দাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই বলে জানান গৃহবধূ সীমা সরকার। ঘরবাড়ি ধ্বসে যাওয়ায় আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন বলে জানান সবিতা সরকার। ভেঙ্গে পড়েছে স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা। গত ৩ দিন মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে জানান ৭৫ বছরের বৃদ্ধ রবি মন্ডল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত বাঁধ মেরামত সহ পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন দুর্গত এলাকার মানুষ। রোববার বাঁধ মেরামত কাজ সম্পন্ন হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল। সরকারি সহায়তা প্রদান এবং বাঁধ মেরামত কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিতে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন।

  • ধামইরহাট প্রেস ক্লাবের আহবায়ক কমিটি গঠন

    ধামইরহাট প্রেস ক্লাবের আহবায়ক কমিটি গঠন

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট, নওগাঁ প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটের কলম সৈনিকদের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘ধামইরহাট প্রেস ক্লাব’ এর আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় ধামইরহাট প্রেস ক্লাবের আগামী ৩ মাসের জন্য আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে প্রবীন সাংবাদিক শাইখ আব্দুল্লাহ হামিদীকে আহবায়ক ও বরেন্দ্র ভূমির ইতিহাস ঐতিহ্য বিষয়ের গবেষক, বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় লেখক অধ্যাপক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক রাজুকে সদস্য সচিব এবং মাসুদ সরকারকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়।
    তরুন গণমাধ্যমকর্মী গণের বিশ্বাস গঠিত এই আহ্বায়ক কমিটি একটি স্বচ্ছ পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দিবে, যারা ছাত্র জনতার এই নব অভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
    নব-নির্বাচিত আহবায়ক শাইখ আব্দুল্লাহ হামিদী ও সদস্য সচিব অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক রাজু জানান, যারা প্রকৃত লেখক ও সাংবাদিক এবং এই পেশার সাথে নিজেকে নিবেদিত রেখেছে তাদের সমন্বয়ে তরুণদের সম্পৃক্ততায় ধামইরহাট প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি উপহার দেওয়া হবে, যারা সকল দল ও মতের উর্ধে থেকে নিরপেক্ষতার সাথে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবে।
    উল্লেখ্য ১১/৮/২০২৪ তারিখে ধামইরহাট প্রেস ক্লাবে গঠিত কমিটি বাতিল করে নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন করা হলে স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ নতুন আহ্বায়ক কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ প্রতিনিধি ।।

  • বানারীপাড়ায় ভাসমান সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকরা

    বানারীপাড়ায় ভাসমান সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকরা

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি: বানারীপাড়ায় ভাসমান সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকরা। উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নের মধ্যে সবচেয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চল বিশারকান্দি ও ইলুহার ইউনিয়ন। এক সময় এ এলাকার জনবসতিদের আয়ের উৎস ছিল কৃষি। এখান থেকে বিভিন্ন লঞ্চে হাটবার কাঁচা তরকারী দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিবহন হতো। আধুনিক যোগাযোগ হওয়ায় এখন ট্রাক, ট্রলি, পিকআপ, ট্রলার এবং ছোট নৌকায় বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। বৈঠাকাটা ও চৌমহনা মোকাম থেকে। এখানে লঞ্চ এখন দেখা মিলেনা।

    এই এলাকায় প্রতিবছর বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন সবজির ফলন কৃষকরা ফলিয়ে থাকে। এ বছর বিভিন্ন ভাসমান ঢুপে কৃষকরা সবজির
    বীজতলা বিভিন্ন ভাবে তৈরী করে বীজ রোপন করছে। এ ব্যপারে পদ্মবুনিয়া গ্রামের কৃষক আ: রহিম জানান, প্রতি বছরই ভাসমান ঢুপ সাছিয়ে রাখতে হয় এবং সুবিধামত সময়ে( শ্রাবণ মাসে) বীজ বপন করতে হয়। কৃষক আলী হাওলাদার জানান, আগের চেয়ে চলতি মৌসুমে অনেকটা নাব্যতা কমে গেছে। যার কারনে ঢুপ সাজাতে আগেরমতো কষ্ট হয়না। সহজেই ঢুপ করা যায়। এখানে সব মৌসুমেই যে ফলন হয় তা বাজারজাত করা হয়। তবে দাম পাওয়া যায়না কিন্তু শহরে অনেক দাম।

    বিশারকান্দির ভাসমান ফষলের বিষয়ে বানারীপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাফুজুর রহমান জানান, বিশারকান্দির ভাসমান কৃষিটিকে “খরিপ-০২” কৃষি। এখানের কৃষকরা জীববৈচিত্র্যের সাথে তাল মিলিয়ে কৃষিকাজ করে। এলাকার বিশেষ করে বিশারকান্দি এবং ইলুহার ইউনিয়নে ভাসমান কৃষি কাজটি হয়ে থাকে। উপজেলার এ অঞ্চলে ৯০ হেক্টর এলাকায় ভাসমান কৃষি কাজে ব্যস্ত থাকে।।#