Blog

  • ময়মনসিংহে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শাহাদাত বরণকারীগণের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

    ময়মনসিংহে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শাহাদাত বরণকারীগণের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সারাদেশে শাহাদাত বরণকারীগণের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন অর্থনীতিবিদ নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বতীকালীন সরকারের সফলতা কামনাসহ নৈরাজ্য ও অপতৎপরতা রোধে মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার(২৯ আগস্ট) মোমেনশাহী ডি, এস কামিল মাদ্রাসার মিলনায়তনে শিক্ষকদের অন্যতম সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন ময়মনসিংহ মহানগর শাখা আয়োজিত উক্ত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন মোমেনশাহী ডি এস কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. মোঃ ইদ্রিছ খান। প্রধান অতিথি বক্তব্যে ড. ইদ্রিছ খান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত শহীদের জন্য শোক জ্ঞাপন করে বলেন- আমাদের ছাত্রদের রক্তের ও জীবন ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা খুবই গর্বের। আমাদের ছাত্রদের আন্দোলনের মাধ্যমেই দেশের বৈষম্য দূর হয়েছে এবং স্বৈরাচারী শাসনের পতন ঘটেছে। আমরা তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দক্ষিন চরকালিবাড়ী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওঃ মোঃ সুরুজ্জামান।

    আল-অলাবিয়া দাখিল মাদ্রাসা, ময়মনসিংহের সুপার
    আলহাজ্ব মাওঃ নূর আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নাসিরাবাদ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওঃ শফিকুল ইসলাম, আল্লামা শাহ সূফি খাজা সাইফুদ্দিন রহ, দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওঃ মোঃ নবী হোসেন আল মোজাদ্দেদী।এছাড়াও বক্তব্য রাখেন মাও: মো: জামাল উদ্দিন, প্রভাষক হালিমা সিদ্দিকা, মাও: মো: শামছুল আলম সহ প্রমুখ।

    আলোচনা সভায় ড.ইদ্রিস খান আরো বলেন, পরিকল্পিতভাবে সারা দেশে আন্দোলনকারী ছাত্রদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর নারকীয় হামলা-নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান তিনি।

    এসময় অন্যান্য বক্তারা বলেন, ‘একটি যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলনরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানিয়েছে। আমরা এই ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আলোচনা সভা শেষে শাহাদাত বরণকারীগণের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • ২ কোটি টাকা আ’ত্ম’সাতে অভি’যুক্ত প্রধান শিক্ষক খুরশীদুল জান্নাতের পদত্যাগের দাবী

    ২ কোটি টাকা আ’ত্ম’সাতে অভি’যুক্ত প্রধান শিক্ষক খুরশীদুল জান্নাতের পদত্যাগের দাবী

    মোঃ কাউছার উদ্দীন শরীফ,ঈদগাঁওঃ

    কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খুরশীদুল জন্নাতকে পদত্যাগসহ ২৮ দফা উপস্থাপনসহ বিক্ষোভ মিছিল স্মারকলিপি দিয়েছে বিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবক ফোরাম। ২৯ আগস্ট বিকেলে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে ঈদগাঁও বাজার,বাস-স্টেশন প্রদক্ষিণ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। শিক্ষক- শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, ২৬টি দফাতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের কল্যাণে বিভিন্ন দাবী তুলে ধরা হয়। ২৭ নং দফায় তারা লিখেন, আমরা জানি এবং পত্র-পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বরাতে দেখেছি উপরের ২৬টি দফার প্রত্যেকটির বিপরীত কাজ করে আপনি বিদ্যালয়ের মান-সম্মান ক্ষুন্ন করেছেন, শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করেছেন। আমরা নিজেরাও এর ভূক্তভোগী। তাই কেন আমরা আপনার পদত্যাগ দাবী করব না তার সুনিদিষ্ট তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণ দিন। ২৮ নং দফায় তারা লিখেছেন, ২৭ নং পূরণ করতে না পারলে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে পদত্যাগ করুন। শিক্ষার্থীরা জানান, দফা উপস্থাপন ও আলোচনার সময় প্রধান শিক্ষক পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্থানীয় বহিরাগত বাড়াটিয়া বিএনপি নেতা-কর্মীদের ডেকে এনে শিক্ষার্থীদের সাথে বাদানুবাদে জড়িয়ে দেন এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মারধর করে।

    এদিকে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবীতে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্ট্যাটাসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সয়লাব হয়ে গেছে। স্টেপডাউনখুরশীদুলজান্নাত হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে ক্ষোভ ঝাড়ছেন তারা। মুশফিক উল করিম নামের একজন লিখেছেন, ঈদগাঁওর শিক্ষা ব্যবস্থা নষ্টের মূল কারিগর খুরশিদুল অনেক অপকর্ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি টাকা আত্মসাত করেও এখনো বহাল তবিয়তে এ প্রধান শিক্ষক। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি উনার স্কুলের সভাপতি ছিল বিধায় এতদিন রাজনৈতিক শক্তির অপব্যবহার করে যাবতীয় অপকর্ম, দুর্নীতি ধামাচাপা দিয়েছেন। ঈদগাঁও উপজেলার শিক্ষাক্ষেত্রে তিনি আরেক স্বৈরাচার হাসিনা। দুর্নীতিবাজ খুরশিদুল জান্নাতের পদত্যাগ চাই। মারুফ নামের একজন লিখেছেন, ইনশাআল্লাহ এগুলোর হিসেব দিতে হবে ম্যাম আপনাকে, আমাদের ২২ ব্যাচকে যে পরিমান নির্যাতন করছে আল্লাহর কসম এগুলো আমরা হিসেব করে রেখেছি, আপনি শুধু ভয় একটাই দেখাতেন! পরীক্ষা দিতে দিবেন না, রেজিষ্ট্রেশন করতে দিবেন না, ফরম ফিলাপ করতে দিবেন না। আমি শুধু একটুকুই বলব এই ম্যাম কসম হাসিনার চেয়ে কম না।

    তৌহিদুল হক তৌহিদুল একজন তার দীর্ঘ স্ট্যাটাসে লিখেন, ঈদগাহ্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২০ সাল থেকে যে শিক্ষার্থী গুলো সরকারিভাবে উপবৃত্তি পেতো। তাদের জন্য সরকারি ভাবে বারো মাসে মাসিক বেতন বিদ্যালয় এর ফান্ডে জমা হতো। তার সত্বেও উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের থেকে অন্যায় ভাবে তিন মাসের বেতন নেওয়া হতো। আমি এতিম হওয়ার কারণে আমাকেও উপবৃত্তি পাওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছিল। আমার থেকেও ওই তিন মাসের ফি নিয়েছে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত। আমি দশম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর যখন জানতে পারলাম আমাদের বারো মাসের বেতন সরকারিভাবে স্কুলে দেওয়া হয়। তখন শ্রেণী শিক্ষককে বিষয়টি জানিয়েছি। শ্রেণি শিক্ষক প্রধান শিক্ষককে জানিয়েছিলেন উত্তরে প্রধান শিক্ষক বলেছেন তিনি এই ব্যাপারে অবগত নন। দশম শ্রেণীতে আমাদের থেকে সেই তিন মাসের বেতন নেওয়া হয়নি ।আমার কথা হল তাহলে এই তিন মাসের বেতন কারা নিতো। এখনো অনেক শিক্ষার্থীদের কাছে এর রশিদ আছে। এবং বিদ্যালয়ে হিসাব খাতায় এগুলো লিখা আছে আমি দেখেছি। আমার সামনে শ্রেণী শিক্ষক এই হিসাব গুলো করেছেন। প্রমাণ বিদ্যালয় আছে আবার শিক্ষার্থীর কাছেও আছে। আমার দুঃখ হচ্ছে উপবৃত্তি কারা পাই যারা এতিম এবং নিতান্তই গরিব। এই গরিবদের থেকে অতিরিক্ত তিন মাসের টাকা নিয়ে কি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভালো করেছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে হুমকি ধামকি শুনতে হয়। আমি ঈদগাহ্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমার মত আপনাদের ছেলে মেয়েরা যেন বিদ্যালয় থেকে বুক ভরা কষ্ট নিয়ে বের না হয়। প্রতিবাদ করুন।

    সূত্র জানায়, ২০২৩ সালে খুরশীদুল জান্নাতের বিরুদ্ধে সুনিদ্দিষ্ট ৩৬টি অভিযোগ তুলে ধরে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির চার সদস্য ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম, শহিদ উল্লাহ মিয়াজী, এসএম সরওয়ার কামাল ও রমজান আলী লিখিতভাবে শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা উপমন্ত্রী, দুর্নীতি দমন কমিশন, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে ওই শিক্ষকের অনিয়মের ফিরিস্তি উল্লেখ করে অভিযোগ দেন। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম এ বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারকে পত্র দিয়েছিলেন। খুরশীদুলের প্রায় ২ কোটি টাকা আত্মসাতের বিষয়ে একই বছর নভেম্বরে তদন্ত করেন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদন্তর, যার প্রতিবেদন এখনো দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগকারী সূত্র জানায়। জানতে চাইলে তারা আরও জানান, দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের যাবতীয় অপকর্মের সহযোগী সদ্য বিলুপ্ত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও কক্সবাজার সদর উপজেলা আওয়ামীগ সভাপতি মাহমুদুল করিম মাদু। তিনি তার রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার, পেশিশক্তি ও ভয়ভীতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের যাবতীয় দুর্নীতির অভিযোগ সামাল দিয়েছেন। খুরশীদুল জন্নাতের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের পুন:তদন্ত দাবী করেছেন তারা। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবল চাকমা জানান,কয়েকদিন ধরে ঈদগাঁহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের কথা শুনেছি। তাদের স্বারকলিপিও পেয়েছি আগামী রোববার উভয়ের পক্ষের সাথে একটি বৈঠকও ডেকেছি। তবে বহিরাগত এনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর হামলা দুঃখজনক। অভিযোগ প্রমানিত হলে নিয়মমাফিক অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রয়োজনে অপসারণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থী,শিক্ষক ও অভিভাবকদের। অন্যদিকে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দামকি দেয়ার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শে থারায় লিখিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে বলে জানান আন্দোলনরত শিক্ষক আব্দুল খালেক।

  • নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর ইউনিয়নে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান

    নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর ইউনিয়নে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরী উপজেলার চরাঞ্চল নারায়ণপুর ইউনিয়নে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন নাগেশ্বরীর কৃতি সন্তান, বগুড়া জেলা বিএনপির স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া জেলা ড্যাবের সাধারণ সম্পাদ বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট মানবতার সেবক ডাক্তার মোঃ ইউনুস আলী।

    জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার চারিদিক নদী বেষ্টিত চরাঞ্চল নারায়ণপুর ইউনিয়নের মীরকামারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গতকাল সারাদিন ব্যাপি নারায়ণপুর ইউনিয়নের হতদরিদ্র ৪শতাধিক রোগীর মাঝে বিনামূল্য চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ত্যাগী, সংগ্রামী নেতা, নাগেশ্বরীর কৃতি সন্তান, বগুড়া জেলা বিএনপির স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া জেলা ড্যাবের সাধারণ সম্পাদ বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট মানবতার সেবক ডাক্তার মোঃ ইউনুস আলী।
    তিনি বলেন, যতদিন বেঁচে থাকবো মানুষের সেবা করতে চাই। আমি শত ব্যবস্থার মাঝেও চরাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি।

  • পঞ্চগড়ে বন্যার্তদের জন্য চাঁদা আদায় ৮ প্রতারক আটক 

    পঞ্চগড়ে বন্যার্তদের জন্য চাঁদা আদায় ৮ প্রতারক আটক 

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:

    পঞ্চগড়ে বন্যার্তদের নামে অনুদান তোলার সময় আট জন প্রতারককে আটক করা হয়েছে। বুধবার (২৮- আগষ্ট) তাদের আটক করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রতারকরা পিকআপ ও মাইক ভাড়া করে সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের গোয়ালঝার বাজার এলাকায় বন্যার্তদের সহযোগিতার কথা বলে টাকা তুলতে থাকেন। এমন সময় স্থানীয় শিক্ষার্থীরা চাঁদা তোলার বিষয়ে তাদের কাছে জানতে চাইলে এবং তারা এটা কিভাবে ও কার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছাবে, এসব বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রতারকরা কোন প্রকার সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। পরে শিক্ষার্থীরা সেনাবাহিনীর সাথে যোগাযোগ করলে সেনাবাহিনী ও বিজিবি তাদেরকে আটক করে সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কাজে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানের ড্রাইভার গণমাধ্যমকে জানান, পঞ্চগড় পিকআপ ভ্যান স্ট্যান্ড থেকে ২৫০০ টাকা চুক্তি করে সারাদিনের জন্য তার গাড়িটি ভাড়া নেওয়া হয়। তাদের প্রতারনার বিষয় আমি কিছুই বুঝতে পারিনি। এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার বলেন, শিক্ষার্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকে সেনাবাহিনী ও বিজিবি তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আটক আট জনের বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

    মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির. বিশেষ প্রতিনিধিবাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের গতকাল সন্ধ্যায় এক জরুরি সাধারণ সভায় আগের কমিটি বিলুপ্তি করে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    শিব সজল যীশু ঢালীর সভাপতিত্বে জরুরি সাধারণ সভায় এইচ এম শহিদুল ইসলাম(দৈনিক ভোরের কাগজ ,দৈনিক আমার সংবাদ ও দৈনিক প্রবাহ)আহ্বায়ক এবং শামীম আহসান মল্লিককে (দৈনিক ভোরের দর্পন দৈনিক লোক সমাজ এস.টিভি ) সদস্য সচিব করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।এছাড়া এ কমিটির সদস্য পদে যথাক্রমে আবু সালেহ (দৈনিক খোলা কাগজ) এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,( দৈনিক স্বদেশ প্রতিদিনও দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ, দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন ,আমাদের প্রতিনিধিও ডেইলি অবজারভার),এম এ জলিল ( দৈনিক ভোরের ডাক) ডা: রমিজ উদ্দিন শেখ (দৈনিক প্রভাত),কেএম শহিদুল ইসলাম ( দৈনিক দেশের কন্ঠ),মেজবাহ ফাহাদ ( দৈনিক ইনকিলাব)মোঃ নাজমুল তালুকদার (ডেইলি কান্ট্রিটুডে দৈনিক ফুলতলা প্রতিদিন) এখলাস শেখ, (দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. দৈনিক প্রজম্ম৭১,দৈনিক ক্রাইম তালাশ)মোঃরফিকুল ইসলাম,(দৈনিক আমার একুশ) মোঃ তাজুল ইসলাম (দৈনিক স্বাধীন বাংলা) ।মোঃ আলী হায়দার সগীর, (দৈনিক অর্নিরবান)।

  • বিভিষিকাময় ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল ঝিনাইদহে বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার বিএনপি জামায়াতের ১৯ নেতাকর্মী

    বিভিষিকাময় ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল ঝিনাইদহে বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার বিএনপি জামায়াতের ১৯ নেতাকর্মী

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার যুবদল নেতা মিরাজুল ইসলাম মীর্জা ছিলেন এক প্রতিবাদী যুবক। অন্যায় দেখলেই করতেন প্রতিবাদ। সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে চক্ষুশুল হয়ে ওঠে এলাকার আ’লীগের কাছে। সরকার বিরোধী আন্দোলনে থাকতেন সক্রিয় ভাবে সামনের সারিতে। আর এটাই কাল হয় দাড়ায় তার জীবনে। মাত্র ২৫ বছর বয়সে মীর্জা বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হন। ২০১৫ সালের ১৭ মার্চ ঝিনাইদহ শহরের একটি ছাত্রাবাস থেকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই মাসের ২৫ তারিখে মীর্জার গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পন্নাতলা মাঠে। মীর্জার ১০৭ বছর বয়সী পিতা জোনাব আলী তার একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ। ছেলে হারানোর শোক আর কান্নায় কেটে গেছে ৯ বছরেরও বেশি সময়। বয়সের ভারে আর চলাফেরা করতে পারেন না। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের প্রতি মাসে পাঠানো অনুদানে তার সংসার চলে না। ফলে স্ত্রী বুলবুলি খাতুন বৃদ্ধ বয়সে পরের বাড়ি কাজ করে সংসার চালান। শুধু যুবদল নেতা মিরাজুল ইসলাম মীর্জাই নয়, তার মতো বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন বিএনপি-জামায়াতের ১৯ নেতাকর্মী। আর চরমপন্থি সংগঠনের ক্যাডার নিহত হয়েছে ১৪ জন। লাশ পাওয়ার পর আজ পর্যন্ত পরিচয় মেলেনি ৮ জনের। কেন্দ্রে পাঠানো বিএনপির খুন গুমের তালিকা সুত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ৪০ মাসে জেলায় বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন ৪২ জন। এরমধ্যে বিএনপির ৪ জন, জামায়াত শিবিরের ১৫ জন, সাধারণ ব্যবসায়ী একজন, সন্ত্রাসী ১৪ জন ও অজ্ঞাত রয়েছেন ৮ জন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন, ঢাকার শনির আখড়া এলাকার বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম, কালীগঞ্জ উপজেলার নলভাঙ্গা গ্রামের বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম রবি. ঝিনাইদহ শহরের খাজুরা গ্রামের বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফার ছেলে গোলাম আজম পলাশ, একই গ্রামের দুলাল হোসেন, আরাপপুর ক্যাডেট কলেজ পাড়ার ব্যবসায়ী তমুর রহমান তুরান, হরিণাকুন্ডুর রঘুনাথপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ইদ্রিস আলী পান্না, শৈলকুপার শিবির কর্মী ইবি ভার্সিটির ছাত্র সাইফুল ইসলাম মামুন, ঝিনাইদহ শহরের জনপ্রিয় শিবির নেতা ইবনুল পারভেজ, মেধাবী ছাত্র জহুরুল ইসলাম, তারিক হাসান সজিব, কুষ্টিয়ার আনিছুর রহমান, ঝিনাইদহ শহরের শহীদ আল মাহমুদ, কালীগঞ্জের ঈশ^রবা গ্রামের সোহানুর রহমান সোহান, একই উপজেলার বাকুলিয়া গ্রামের শামিম হোসেন, চাপালী গ্রামের আবুজার গিফারী, সদর উপজেলার কালুহাটী গ্রামের হাফেজ জসিম উদ্দীন, সদর উপজেলার অশ^স্থলী গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক ও জামায়াত কর্মী আবু হুরাইরা, কোটচাঁদপুরের বলাবাড়িয়া গ্রামের জামায়াত কর্মী হাফেজ আবুল কালাম ও একই উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের জামায়াত নেতা এনামুল হক বিশ^াস। বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের অভিযোগ সাংগঠনিক ভাবে দক্ষ ঝিনাইদহের এসব কর্মীদের টার্গেট করে আওয়ামী লীগ পুলিশ দিয়ে একের পর এক হত্যা করে গেছে। আর এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল অতি উৎসাহী কতিপয় পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের লোকজনেরা। বিশেষ করে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মদদে টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হন বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীরা। প্রথমে পুলিশ, ডিবি বা র‌্যাব পরিচয়য়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হতো। কিছুদিন পর ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যেত তাদের। বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আলী আজম মোঃ আবু বকর জানান, ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের আমলে ঝিনাইদহে জামায়াত শিবিরের ১৬ নেতা কর্মীকে খুন করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছে মামলা করার। ইতিমধ্যে আমরা জামায়াত কর্মী আব্দুস সালাম হত্যার ঘটনায় মামলা করেছি। পর্যায়ক্রমে সব খুনের মামলা করা হবে এবং সেই প্রচেষ্টা চলছে। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড এম এ মজিদ বলেন, খুনি হাসিনা সরকারের আমলে ঝিনাইদহে যেসব বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে মামলার পক্রিয়া চলছে। দ্রæতই বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত কুশিলবদের বিরুদ্ধে মামলা করে আইনের আওতায় আনা হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • গোদাগাড়ীতে সড়ক দু*র্ঘটনায় ২ জন নিহ*ত

    গোদাগাড়ীতে সড়ক দু*র্ঘটনায় ২ জন নিহ*ত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ আজ বুধবার, ২৮ আগষ্ট ২০২৪, সকাল সাড়ে ৮ টার সময় রাজশাহী – চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানগরী সড়কের গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিসের সামনে এ সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    নিহতরা হলো গোদাগাড়ী পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের শ্রীমন্তপুর মহল্লার মৃত: মান্নানের বড় ছেলে (মাইক্রো ড্রাইভার) মো: মিলন আলী, একই গ্রামের তাজিমুল ইসলামের ছেলে রিক্সাচালক মনিরুল ইসলাম।

    নিহতরা রিক্সা যোগে ডাইংপাড়া থেকে মহিশালবাড়ীর দিকে যাচ্ছিল, হঠাৎ ‘‘আর আর ট্রাভেলস’’ নাইট কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই ২ জন নিহত হয়। ঘাতক বাস ও ড্রাইভারকে আটক করে গোদাগাড়ী মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
    তাদের মৃত্যুর খবরে ওই মহল্লার বাতাস ভারী হয়ে উঠে। মানুষ কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • তানোরে ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

    তানোরে ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

    আলিফ হোসেন,
    তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর তানোরের কামারগাঁ ইউনিয়ন (ইউপি) চেয়ারম্যান সুফি কামাল মিন্টুর অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    জানা গেছে,গত ২৮ আগস্ট বুধবার কামারগাঁ ইউনিয়ন (ইউপি) চেয়ারম্যান সুফি কামাল মিন্টুর অপসরণের দাবিতে ইউপির বিভিন্ন এলাকার নাগরিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ ইউপি কার্যালয় চত্ত্বরে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও পথসভা করেছেন। সভায় বক্তাগণ বলেন, ভোটবিহীন চেয়ারম্যান জনগন মানে না। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান গত ২৬ আগষ্ট শপথ গ্রহণ করে কিন্তু জনগন তাঁকে চেয়ারম্যান হিসেবে মানে না। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন দ্রুত সময়ের মধ্যে তাঁকে অপসারণ করতে হবে। নইলে ইউপির নাগরিকগণ বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবে। সভায় বক্তব্য রাখেন, ৬ নং কামারগাঁ ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো জসিম উদ্দীন, ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি সেন্টু বিশ্বাস, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল গাফফার, সাবেক মেম্বার আমিরুল ইসলাম, উপজেলা যুব দলের সদস্য আমিরুল ইসলাম সাদ্দাম, ৬ নং যুব দল সাধারণ সম্পাদক সাহাদত হোসেন, যুব নেতা ফেন্সী মন্ডল, মিজানুর রহমান বাবু, আকবর আলী, আবজাল, মশিউর রহমান, ৪ নং বিএনপির সভাপতি ফরিদ হোসেন ও ৫ নং বিএনপির সভাপতি ইমাজ উদ্দীন প্রমুখ।#

  • তারাগঞ্জে অভিযোগের সাক্ষী কে হুমকি- ওসি তদন্ত জহুরুল হকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    তারাগঞ্জে অভিযোগের সাক্ষী কে হুমকি- ওসি তদন্ত জহুরুল হকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    রংপুর এ সার্কেল হোসাইন মোঃ রায়হানের অফিসে সাক্ষী দিতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়ে অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী । এ সার্কেল অফিসের এসটনো বাবুলের সহযোগিতায় ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বরাবর ওই অভিযোগ হয়েছে তারাগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ।

    আজ বুধবার (২৮ আগষ্ট) দুপুর ২টায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব তারাগঞ্জ উপজেলা শাখার হলরুমে
    সংবাদ সম্মেলন করেন অভিযোগকারী ভুক্তভোগী নাজমুল ইসলাম । তিনি জানান, চলতি বছর ১৪ জুন তারাগঞ্জ থানায় একটি জুয়ার মামলা হয় । সেই মামলার ৩ নং আসামি ইমরান হোসাইন তার একটি মোবাইলকে কেন্দ্র করে তারাগঞ্জ থানার এস আই আমিনুল ও তদন্ত ওসি জহুরুল ইসলামের নামে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন । সেই অভিযোগে আমি নাজমুল ইসলাম সহ আরও ৫ জনকে সাক্ষী করেন ইমরান। ইমরানের অভিযোগের তদন্ত শুরু হলে এ সার্কেল অফিস থেকে সাক্ষীদের নোটিশ করে । অদ্য ২১ আগষ্ট আমি ও আরেকজন সাক্ষী সোহেলসহ গিয়ে সার্কেলের কাছে সাক্ষী ও জবানবন্দি দিয়ে আসি । কিন্তু পরের দিন ২২ আগষ্ট এ সার্কেল অফিসের এসটনো বাবুল মুঠোফোনে তার পরিচয় দিয়ে, কিছু কাজ বাকি আছে মর্মে জানিয়ে আবারও ২৫ আগষ্ট সার্কেল অফিসে আমি ও সোহেলকে আসতে বলে । নিয়মতান্ত্রিক তদন্তের অংশ ভেবে আমরা দুইজন ২৫ আগষ্ট দুপুর ১২.৩০ মিনিটে এ সার্কেল অফিসে যাই । এরপর আমাদের দুইজনকে এ সার্কেল স্যারের সাথে দেখা না করিয়ে দুপুর ২টায় অন্য একটি কক্ষে ডেকে নেয় এসটনো বাবুল । সেই কক্ষে ঢুকেই দেখতে পাই অভিযুক্ত তারাগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম একটি চেয়ারে বসে আছেন । সালাম বিনিময়ের পরেই ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম আমাকে উদ্যেশ্য করে বলেন, নাজমুল – সোহেল তোরা এখানে কেন ? আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার সাহস কোথায় পেলে ? তোদের একটুও কলিজা কাপল না ? আমি তোদের বিরুদ্ধে মামলা করব । এজাহার লিখে এনেছি । এই নে পরে দেখ। আমি তোদের মত নিচু পরিবারের থেকে এসেছি নাকি যে চাকরি না করলে চলবে না। আমি ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলামকে বলি, স্যার আপনারা মোবাইল দিচ্ছেন না বিধায় ইমরান অভিযোগ করছে । আমরা যেহেতু বিষয়টি জানি তাই আমাদের সাক্ষী করেছে । এ কথা শোনার পরপরই জহুরুল স্যার আমাদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এক প্রকার মারমুখো আচরণ শুরু করে ও দুইটি কাগজে স্বাক্ষর নিতে চেষ্টা করে । আমরা কোনমতে সার্কেল অফিস থেকে বের হয়ে রংপুর শহরের দিকে যাই । উক্ত সময়ে এ সার্কেল নিজ কার্যালয়ে না থাকায় তাহার হোয়াটসএপে বিষয়টি জানাই। দুঃখজনক বিষয় হল, ভুক্তভোগীরা যে ওসি তদন্ত জরুল ইসলামের হাত থেকে বাঁচার জন্য লিখিত অভিযোগ করেছে , সেখানে অভিযোগ তদন্তকারীর কার্যালয়েই ওই তদন্ত ওসির দ্বারায় উল্টো মামলা দিয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি পাই। ভুক্তভোগীরা আর কত ভোগান্তির শিকার হলে বিচার পাবে ?

    নাজমুল ইসলাম আরও জানান, ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম ও বি সার্কেল আবু আশরাফ সিদ্দিকি একসময় একই ব্যাচের ছিল। তাই বি সার্কেলের সাথে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক । সেই সম্পর্কের ক্ষমতা ব্যবহার করে ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম তার অপকর্ম চালায় । ১৪ জুন তারাগঞ্জ থানায় জুয়ার মামলাটি হওয়ার সময় টাকা খেতে না পারায় ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম তার সাগরেদ এস আই আমিনুলকে দিয়ে ৩ নং আসামি ইমরানের বাড়িতে পাঠায় ও তার বাড়ি থেকে জোরপূর্বক একটি মোবাইল নিয়ে আসে । এরপর মোবাইল আটকিয়ে রেখে ঘুষ বাণিজ্যের আশায় একের পর এক কেলেংকারিতে জড়িয়ে পরে ওই মামলার আয়ু এস আই আমিনুল ও তদন্ত ওসি জহুরুল । মোবাইলটি সম্পর্কে না এজাহারে কোন কিছু উল্লেখ করেন , না চার্জশিটে । বেশকিছুদিন নানান টালবাহানায় অতিবাহিত হয় । মোবাইলটি না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর ইমরান অভিযোগ করে । উক্ত অভিযোগের তদন্ত বি সার্কেলকে না দিয়ে এ সার্কেলকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ । ফলে বি সার্কেলের দ্বারায় অনৈতিক ফায়দা নেওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায় ওই তদন্ত ওসি জহুরুলের । এদিকে এ সার্কেল মোবাইল নিয়ে তদন্ত শুরু করলে মাথা খারাপ হয়ে যায় তদন্ত ওসির। মূলত এই কারণেই আমাকে ও আরেক সাক্ষী সোহেলকে এভাবে মামলার হুমকি দেয়। একটি অভিযোগের সাক্ষী হয়েছি বলে আমি ও সোহেল তদন্ত ওসি জহুরুলের দ্বারায় এ সার্কেল অফিসে হেনস্তা ও মামলার হুমকির সম্মুখীন হয়েছি । তাই আমি উক্ত ঘটনার ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি ।

    সংবাদ সম্মেলনে ইমরানের অভিযোগের আরেক সাক্ষী সোহেল জানান, ঘটনার দিন আমি ও নাজমুল কে ধোঁকা দিয়ে এ সার্কেল স্যারের সাথে দেখা না করিয়ে যার ব্যাপারে অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল তাকে আমাদের সামনাসামনি করে এ সার্কেল অফিসের এসটনো বাবুল । এই বাবুলের সহযোগিতায় ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম আমাদের সার্কেল অফিসের একটি ঘরে অপমান করে। মামলার ভয় দেখায় । আবার আমাদেরকে জোরপূর্বক আপোসোনামা পত্রে স্বাক্ষর নিতে অনেক চেষ্টা করে । ভয়ে আমরা কোনমতে বেরিয়ে আসি । আমি ওই তদন্ত ওসির বিচার চাই ।

    সংবাদ সম্মেলনে পূর্বের অভিযোগকারী ও মোবাইল মালিক ইমরান জানান, বাধ্য হয়ে অনেক দিন ঘুরে, অনেক টালবাহানা দেখে বিরক্ত হয়ে , আমি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি । আমার অভিযোগের সাক্ষীদের গত ২৫ আগষ্ট ডেকে নিয়ে হুমকি ধামকি দেয় ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম। পরে বিষয়টি জেনে আমরা আলোচনা করে ওই ঘুষখোর , দুর্নীতিবাজ, জুলুমবাজ, আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি ডিউকের পা চাটা দালাল তদন্ত ওসি জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি । আমরা আশা করছি যতই জুলুমের শিকার হই না কেন, ন্যায় বিচার পাবই ।

    এডভোকেট শিপন শাহা জানান, থানায় উদ্ধার করা অথবা আসামির নিকট থেকে প্রাপ্ত জিনিসাদি সিজার লিস্ট না করা আইনত অনৈতিক কাজ ।

    রংপুর এ সার্কেল হোসাইন মোঃ রায়হান জানান, মোবাইলকে কেন্দ্র করে হওয়া অভিযোগের স্বাক্ষগ্রহণ আমি আগেই নিয়েছি। পরবর্তীতে ঠিক কি কারণে এসটনো বাবুল ও তদন্ত ওসি জহুরুল ওই স্বাক্ষীদের আমার অফিসে ডেকে এনে এমন আচরণ করেছেন তা আমি জানি না। তবে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ম্বাক্ষীর পাঠানো তথ্যে বিষয়টি অবগত হলেও দাপ্তরিক ব্যস্ততার কারণে বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিতে পারি নাই। তবে ভুক্তভোগীরা ন্যায় বিচার পাবে শতভাগ, এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন।

    রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ শাহাজাহান জানান, অভিযোগের সাক্ষীদের ডেকে মামলার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো অপেশাদারিত্ব আচরণ। ওসি তদন্ত জহুরুল যদি এমনটা করে থাকেন তবে সেটি এখতিয়ার বহির্ভূত কাজ । এ ব্যাপারে আমি দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছি ।

  • মাদক মামলায় দুজনের ফাঁসি

    মাদক মামলায় দুজনের ফাঁসি

    পোরশা থানা প্রতিনিধিঃ- মোঃ তোফাজ্জল হোসেন

    মাদক মামলায় নওগাঁয় দুই ব্যক্তিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
    আজ বুধবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এই রায় ঘোষণা করেন।

    দণ্ড পাওয়া আসামি লিটন মিয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চরবাগাডাঙ্গা গ্রামের মনতাজ আলীর ছেলে। অন্য আসামি ইউসুফ আলী একই জেলার চরবাদডাঙ্গা গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে।

    ২০২৩ সালের ১৮ আগস্ট আসামিরা একটি ট্রাকে টরে লুকিয়ে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার সরাইডাঙ্গা এলাকা দিয়ে মাদক চোরাচালান করছিল।
    এসময় র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা ৭০০ গ্রাম ওজনের হেরোইনসহ তাদের দুজনকে আটক করে। এ ঘটনায় পত্নীতলা থানায় একটি মামলা করে র‌্যাব।
    পরে আদালতে সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ ও বিচার কার্য সম্পন্ন হয়।