Blog

  • নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর ইউনিয়নে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান

    নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর ইউনিয়নে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরী উপজেলার চরাঞ্চল নারায়ণপুর ইউনিয়নে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন নাগেশ্বরীর কৃতি সন্তান, বগুড়া জেলা বিএনপির স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া জেলা ড্যাবের সাধারণ সম্পাদ বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট মানবতার সেবক ডাক্তার মোঃ ইউনুস আলী।

    জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার চারিদিক নদী বেষ্টিত চরাঞ্চল নারায়ণপুর ইউনিয়নের মীরকামারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গতকাল সারাদিন ব্যাপি নারায়ণপুর ইউনিয়নের হতদরিদ্র ৪শতাধিক রোগীর মাঝে বিনামূল্য চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ত্যাগী, সংগ্রামী নেতা, নাগেশ্বরীর কৃতি সন্তান, বগুড়া জেলা বিএনপির স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া জেলা ড্যাবের সাধারণ সম্পাদ বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট মানবতার সেবক ডাক্তার মোঃ ইউনুস আলী।
    তিনি বলেন, যতদিন বেঁচে থাকবো মানুষের সেবা করতে চাই। আমি শত ব্যবস্থার মাঝেও চরাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি।

  • পঞ্চগড়ে বন্যার্তদের জন্য চাঁদা আদায় ৮ প্রতারক আটক 

    পঞ্চগড়ে বন্যার্তদের জন্য চাঁদা আদায় ৮ প্রতারক আটক 

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:

    পঞ্চগড়ে বন্যার্তদের নামে অনুদান তোলার সময় আট জন প্রতারককে আটক করা হয়েছে। বুধবার (২৮- আগষ্ট) তাদের আটক করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রতারকরা পিকআপ ও মাইক ভাড়া করে সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের গোয়ালঝার বাজার এলাকায় বন্যার্তদের সহযোগিতার কথা বলে টাকা তুলতে থাকেন। এমন সময় স্থানীয় শিক্ষার্থীরা চাঁদা তোলার বিষয়ে তাদের কাছে জানতে চাইলে এবং তারা এটা কিভাবে ও কার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছাবে, এসব বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রতারকরা কোন প্রকার সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। পরে শিক্ষার্থীরা সেনাবাহিনীর সাথে যোগাযোগ করলে সেনাবাহিনী ও বিজিবি তাদেরকে আটক করে সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কাজে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানের ড্রাইভার গণমাধ্যমকে জানান, পঞ্চগড় পিকআপ ভ্যান স্ট্যান্ড থেকে ২৫০০ টাকা চুক্তি করে সারাদিনের জন্য তার গাড়িটি ভাড়া নেওয়া হয়। তাদের প্রতারনার বিষয় আমি কিছুই বুঝতে পারিনি। এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার বলেন, শিক্ষার্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকে সেনাবাহিনী ও বিজিবি তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আটক আট জনের বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

    মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির. বিশেষ প্রতিনিধিবাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের গতকাল সন্ধ্যায় এক জরুরি সাধারণ সভায় আগের কমিটি বিলুপ্তি করে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    শিব সজল যীশু ঢালীর সভাপতিত্বে জরুরি সাধারণ সভায় এইচ এম শহিদুল ইসলাম(দৈনিক ভোরের কাগজ ,দৈনিক আমার সংবাদ ও দৈনিক প্রবাহ)আহ্বায়ক এবং শামীম আহসান মল্লিককে (দৈনিক ভোরের দর্পন দৈনিক লোক সমাজ এস.টিভি ) সদস্য সচিব করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।এছাড়া এ কমিটির সদস্য পদে যথাক্রমে আবু সালেহ (দৈনিক খোলা কাগজ) এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,( দৈনিক স্বদেশ প্রতিদিনও দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ, দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন ,আমাদের প্রতিনিধিও ডেইলি অবজারভার),এম এ জলিল ( দৈনিক ভোরের ডাক) ডা: রমিজ উদ্দিন শেখ (দৈনিক প্রভাত),কেএম শহিদুল ইসলাম ( দৈনিক দেশের কন্ঠ),মেজবাহ ফাহাদ ( দৈনিক ইনকিলাব)মোঃ নাজমুল তালুকদার (ডেইলি কান্ট্রিটুডে দৈনিক ফুলতলা প্রতিদিন) এখলাস শেখ, (দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. দৈনিক প্রজম্ম৭১,দৈনিক ক্রাইম তালাশ)মোঃরফিকুল ইসলাম,(দৈনিক আমার একুশ) মোঃ তাজুল ইসলাম (দৈনিক স্বাধীন বাংলা) ।মোঃ আলী হায়দার সগীর, (দৈনিক অর্নিরবান)।

  • বিভিষিকাময় ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল ঝিনাইদহে বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার বিএনপি জামায়াতের ১৯ নেতাকর্মী

    বিভিষিকাময় ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল ঝিনাইদহে বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার বিএনপি জামায়াতের ১৯ নেতাকর্মী

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার যুবদল নেতা মিরাজুল ইসলাম মীর্জা ছিলেন এক প্রতিবাদী যুবক। অন্যায় দেখলেই করতেন প্রতিবাদ। সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে চক্ষুশুল হয়ে ওঠে এলাকার আ’লীগের কাছে। সরকার বিরোধী আন্দোলনে থাকতেন সক্রিয় ভাবে সামনের সারিতে। আর এটাই কাল হয় দাড়ায় তার জীবনে। মাত্র ২৫ বছর বয়সে মীর্জা বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হন। ২০১৫ সালের ১৭ মার্চ ঝিনাইদহ শহরের একটি ছাত্রাবাস থেকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই মাসের ২৫ তারিখে মীর্জার গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পন্নাতলা মাঠে। মীর্জার ১০৭ বছর বয়সী পিতা জোনাব আলী তার একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ। ছেলে হারানোর শোক আর কান্নায় কেটে গেছে ৯ বছরেরও বেশি সময়। বয়সের ভারে আর চলাফেরা করতে পারেন না। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের প্রতি মাসে পাঠানো অনুদানে তার সংসার চলে না। ফলে স্ত্রী বুলবুলি খাতুন বৃদ্ধ বয়সে পরের বাড়ি কাজ করে সংসার চালান। শুধু যুবদল নেতা মিরাজুল ইসলাম মীর্জাই নয়, তার মতো বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন বিএনপি-জামায়াতের ১৯ নেতাকর্মী। আর চরমপন্থি সংগঠনের ক্যাডার নিহত হয়েছে ১৪ জন। লাশ পাওয়ার পর আজ পর্যন্ত পরিচয় মেলেনি ৮ জনের। কেন্দ্রে পাঠানো বিএনপির খুন গুমের তালিকা সুত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ৪০ মাসে জেলায় বহির্ভুত হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন ৪২ জন। এরমধ্যে বিএনপির ৪ জন, জামায়াত শিবিরের ১৫ জন, সাধারণ ব্যবসায়ী একজন, সন্ত্রাসী ১৪ জন ও অজ্ঞাত রয়েছেন ৮ জন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন, ঢাকার শনির আখড়া এলাকার বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম, কালীগঞ্জ উপজেলার নলভাঙ্গা গ্রামের বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম রবি. ঝিনাইদহ শহরের খাজুরা গ্রামের বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফার ছেলে গোলাম আজম পলাশ, একই গ্রামের দুলাল হোসেন, আরাপপুর ক্যাডেট কলেজ পাড়ার ব্যবসায়ী তমুর রহমান তুরান, হরিণাকুন্ডুর রঘুনাথপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ইদ্রিস আলী পান্না, শৈলকুপার শিবির কর্মী ইবি ভার্সিটির ছাত্র সাইফুল ইসলাম মামুন, ঝিনাইদহ শহরের জনপ্রিয় শিবির নেতা ইবনুল পারভেজ, মেধাবী ছাত্র জহুরুল ইসলাম, তারিক হাসান সজিব, কুষ্টিয়ার আনিছুর রহমান, ঝিনাইদহ শহরের শহীদ আল মাহমুদ, কালীগঞ্জের ঈশ^রবা গ্রামের সোহানুর রহমান সোহান, একই উপজেলার বাকুলিয়া গ্রামের শামিম হোসেন, চাপালী গ্রামের আবুজার গিফারী, সদর উপজেলার কালুহাটী গ্রামের হাফেজ জসিম উদ্দীন, সদর উপজেলার অশ^স্থলী গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক ও জামায়াত কর্মী আবু হুরাইরা, কোটচাঁদপুরের বলাবাড়িয়া গ্রামের জামায়াত কর্মী হাফেজ আবুল কালাম ও একই উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের জামায়াত নেতা এনামুল হক বিশ^াস। বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের অভিযোগ সাংগঠনিক ভাবে দক্ষ ঝিনাইদহের এসব কর্মীদের টার্গেট করে আওয়ামী লীগ পুলিশ দিয়ে একের পর এক হত্যা করে গেছে। আর এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল অতি উৎসাহী কতিপয় পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের লোকজনেরা। বিশেষ করে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মদদে টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হন বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীরা। প্রথমে পুলিশ, ডিবি বা র‌্যাব পরিচয়য়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হতো। কিছুদিন পর ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যেত তাদের। বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আলী আজম মোঃ আবু বকর জানান, ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের আমলে ঝিনাইদহে জামায়াত শিবিরের ১৬ নেতা কর্মীকে খুন করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছে মামলা করার। ইতিমধ্যে আমরা জামায়াত কর্মী আব্দুস সালাম হত্যার ঘটনায় মামলা করেছি। পর্যায়ক্রমে সব খুনের মামলা করা হবে এবং সেই প্রচেষ্টা চলছে। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড এম এ মজিদ বলেন, খুনি হাসিনা সরকারের আমলে ঝিনাইদহে যেসব বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে মামলার পক্রিয়া চলছে। দ্রæতই বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত কুশিলবদের বিরুদ্ধে মামলা করে আইনের আওতায় আনা হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • গোদাগাড়ীতে সড়ক দু*র্ঘটনায় ২ জন নিহ*ত

    গোদাগাড়ীতে সড়ক দু*র্ঘটনায় ২ জন নিহ*ত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ আজ বুধবার, ২৮ আগষ্ট ২০২৪, সকাল সাড়ে ৮ টার সময় রাজশাহী – চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানগরী সড়কের গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিসের সামনে এ সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    নিহতরা হলো গোদাগাড়ী পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের শ্রীমন্তপুর মহল্লার মৃত: মান্নানের বড় ছেলে (মাইক্রো ড্রাইভার) মো: মিলন আলী, একই গ্রামের তাজিমুল ইসলামের ছেলে রিক্সাচালক মনিরুল ইসলাম।

    নিহতরা রিক্সা যোগে ডাইংপাড়া থেকে মহিশালবাড়ীর দিকে যাচ্ছিল, হঠাৎ ‘‘আর আর ট্রাভেলস’’ নাইট কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই ২ জন নিহত হয়। ঘাতক বাস ও ড্রাইভারকে আটক করে গোদাগাড়ী মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
    তাদের মৃত্যুর খবরে ওই মহল্লার বাতাস ভারী হয়ে উঠে। মানুষ কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • তানোরে ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

    তানোরে ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

    আলিফ হোসেন,
    তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর তানোরের কামারগাঁ ইউনিয়ন (ইউপি) চেয়ারম্যান সুফি কামাল মিন্টুর অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    জানা গেছে,গত ২৮ আগস্ট বুধবার কামারগাঁ ইউনিয়ন (ইউপি) চেয়ারম্যান সুফি কামাল মিন্টুর অপসরণের দাবিতে ইউপির বিভিন্ন এলাকার নাগরিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ ইউপি কার্যালয় চত্ত্বরে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও পথসভা করেছেন। সভায় বক্তাগণ বলেন, ভোটবিহীন চেয়ারম্যান জনগন মানে না। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান গত ২৬ আগষ্ট শপথ গ্রহণ করে কিন্তু জনগন তাঁকে চেয়ারম্যান হিসেবে মানে না। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন দ্রুত সময়ের মধ্যে তাঁকে অপসারণ করতে হবে। নইলে ইউপির নাগরিকগণ বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবে। সভায় বক্তব্য রাখেন, ৬ নং কামারগাঁ ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো জসিম উদ্দীন, ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি সেন্টু বিশ্বাস, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল গাফফার, সাবেক মেম্বার আমিরুল ইসলাম, উপজেলা যুব দলের সদস্য আমিরুল ইসলাম সাদ্দাম, ৬ নং যুব দল সাধারণ সম্পাদক সাহাদত হোসেন, যুব নেতা ফেন্সী মন্ডল, মিজানুর রহমান বাবু, আকবর আলী, আবজাল, মশিউর রহমান, ৪ নং বিএনপির সভাপতি ফরিদ হোসেন ও ৫ নং বিএনপির সভাপতি ইমাজ উদ্দীন প্রমুখ।#

  • তারাগঞ্জে অভিযোগের সাক্ষী কে হুমকি- ওসি তদন্ত জহুরুল হকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    তারাগঞ্জে অভিযোগের সাক্ষী কে হুমকি- ওসি তদন্ত জহুরুল হকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    রংপুর এ সার্কেল হোসাইন মোঃ রায়হানের অফিসে সাক্ষী দিতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়ে অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী । এ সার্কেল অফিসের এসটনো বাবুলের সহযোগিতায় ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বরাবর ওই অভিযোগ হয়েছে তারাগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ।

    আজ বুধবার (২৮ আগষ্ট) দুপুর ২টায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব তারাগঞ্জ উপজেলা শাখার হলরুমে
    সংবাদ সম্মেলন করেন অভিযোগকারী ভুক্তভোগী নাজমুল ইসলাম । তিনি জানান, চলতি বছর ১৪ জুন তারাগঞ্জ থানায় একটি জুয়ার মামলা হয় । সেই মামলার ৩ নং আসামি ইমরান হোসাইন তার একটি মোবাইলকে কেন্দ্র করে তারাগঞ্জ থানার এস আই আমিনুল ও তদন্ত ওসি জহুরুল ইসলামের নামে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন । সেই অভিযোগে আমি নাজমুল ইসলাম সহ আরও ৫ জনকে সাক্ষী করেন ইমরান। ইমরানের অভিযোগের তদন্ত শুরু হলে এ সার্কেল অফিস থেকে সাক্ষীদের নোটিশ করে । অদ্য ২১ আগষ্ট আমি ও আরেকজন সাক্ষী সোহেলসহ গিয়ে সার্কেলের কাছে সাক্ষী ও জবানবন্দি দিয়ে আসি । কিন্তু পরের দিন ২২ আগষ্ট এ সার্কেল অফিসের এসটনো বাবুল মুঠোফোনে তার পরিচয় দিয়ে, কিছু কাজ বাকি আছে মর্মে জানিয়ে আবারও ২৫ আগষ্ট সার্কেল অফিসে আমি ও সোহেলকে আসতে বলে । নিয়মতান্ত্রিক তদন্তের অংশ ভেবে আমরা দুইজন ২৫ আগষ্ট দুপুর ১২.৩০ মিনিটে এ সার্কেল অফিসে যাই । এরপর আমাদের দুইজনকে এ সার্কেল স্যারের সাথে দেখা না করিয়ে দুপুর ২টায় অন্য একটি কক্ষে ডেকে নেয় এসটনো বাবুল । সেই কক্ষে ঢুকেই দেখতে পাই অভিযুক্ত তারাগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম একটি চেয়ারে বসে আছেন । সালাম বিনিময়ের পরেই ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম আমাকে উদ্যেশ্য করে বলেন, নাজমুল – সোহেল তোরা এখানে কেন ? আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার সাহস কোথায় পেলে ? তোদের একটুও কলিজা কাপল না ? আমি তোদের বিরুদ্ধে মামলা করব । এজাহার লিখে এনেছি । এই নে পরে দেখ। আমি তোদের মত নিচু পরিবারের থেকে এসেছি নাকি যে চাকরি না করলে চলবে না। আমি ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলামকে বলি, স্যার আপনারা মোবাইল দিচ্ছেন না বিধায় ইমরান অভিযোগ করছে । আমরা যেহেতু বিষয়টি জানি তাই আমাদের সাক্ষী করেছে । এ কথা শোনার পরপরই জহুরুল স্যার আমাদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এক প্রকার মারমুখো আচরণ শুরু করে ও দুইটি কাগজে স্বাক্ষর নিতে চেষ্টা করে । আমরা কোনমতে সার্কেল অফিস থেকে বের হয়ে রংপুর শহরের দিকে যাই । উক্ত সময়ে এ সার্কেল নিজ কার্যালয়ে না থাকায় তাহার হোয়াটসএপে বিষয়টি জানাই। দুঃখজনক বিষয় হল, ভুক্তভোগীরা যে ওসি তদন্ত জরুল ইসলামের হাত থেকে বাঁচার জন্য লিখিত অভিযোগ করেছে , সেখানে অভিযোগ তদন্তকারীর কার্যালয়েই ওই তদন্ত ওসির দ্বারায় উল্টো মামলা দিয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি পাই। ভুক্তভোগীরা আর কত ভোগান্তির শিকার হলে বিচার পাবে ?

    নাজমুল ইসলাম আরও জানান, ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম ও বি সার্কেল আবু আশরাফ সিদ্দিকি একসময় একই ব্যাচের ছিল। তাই বি সার্কেলের সাথে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক । সেই সম্পর্কের ক্ষমতা ব্যবহার করে ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম তার অপকর্ম চালায় । ১৪ জুন তারাগঞ্জ থানায় জুয়ার মামলাটি হওয়ার সময় টাকা খেতে না পারায় ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম তার সাগরেদ এস আই আমিনুলকে দিয়ে ৩ নং আসামি ইমরানের বাড়িতে পাঠায় ও তার বাড়ি থেকে জোরপূর্বক একটি মোবাইল নিয়ে আসে । এরপর মোবাইল আটকিয়ে রেখে ঘুষ বাণিজ্যের আশায় একের পর এক কেলেংকারিতে জড়িয়ে পরে ওই মামলার আয়ু এস আই আমিনুল ও তদন্ত ওসি জহুরুল । মোবাইলটি সম্পর্কে না এজাহারে কোন কিছু উল্লেখ করেন , না চার্জশিটে । বেশকিছুদিন নানান টালবাহানায় অতিবাহিত হয় । মোবাইলটি না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর ইমরান অভিযোগ করে । উক্ত অভিযোগের তদন্ত বি সার্কেলকে না দিয়ে এ সার্কেলকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ । ফলে বি সার্কেলের দ্বারায় অনৈতিক ফায়দা নেওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায় ওই তদন্ত ওসি জহুরুলের । এদিকে এ সার্কেল মোবাইল নিয়ে তদন্ত শুরু করলে মাথা খারাপ হয়ে যায় তদন্ত ওসির। মূলত এই কারণেই আমাকে ও আরেক সাক্ষী সোহেলকে এভাবে মামলার হুমকি দেয়। একটি অভিযোগের সাক্ষী হয়েছি বলে আমি ও সোহেল তদন্ত ওসি জহুরুলের দ্বারায় এ সার্কেল অফিসে হেনস্তা ও মামলার হুমকির সম্মুখীন হয়েছি । তাই আমি উক্ত ঘটনার ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি ।

    সংবাদ সম্মেলনে ইমরানের অভিযোগের আরেক সাক্ষী সোহেল জানান, ঘটনার দিন আমি ও নাজমুল কে ধোঁকা দিয়ে এ সার্কেল স্যারের সাথে দেখা না করিয়ে যার ব্যাপারে অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল তাকে আমাদের সামনাসামনি করে এ সার্কেল অফিসের এসটনো বাবুল । এই বাবুলের সহযোগিতায় ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম আমাদের সার্কেল অফিসের একটি ঘরে অপমান করে। মামলার ভয় দেখায় । আবার আমাদেরকে জোরপূর্বক আপোসোনামা পত্রে স্বাক্ষর নিতে অনেক চেষ্টা করে । ভয়ে আমরা কোনমতে বেরিয়ে আসি । আমি ওই তদন্ত ওসির বিচার চাই ।

    সংবাদ সম্মেলনে পূর্বের অভিযোগকারী ও মোবাইল মালিক ইমরান জানান, বাধ্য হয়ে অনেক দিন ঘুরে, অনেক টালবাহানা দেখে বিরক্ত হয়ে , আমি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি । আমার অভিযোগের সাক্ষীদের গত ২৫ আগষ্ট ডেকে নিয়ে হুমকি ধামকি দেয় ওসি তদন্ত জহুরুল ইসলাম। পরে বিষয়টি জেনে আমরা আলোচনা করে ওই ঘুষখোর , দুর্নীতিবাজ, জুলুমবাজ, আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি ডিউকের পা চাটা দালাল তদন্ত ওসি জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি । আমরা আশা করছি যতই জুলুমের শিকার হই না কেন, ন্যায় বিচার পাবই ।

    এডভোকেট শিপন শাহা জানান, থানায় উদ্ধার করা অথবা আসামির নিকট থেকে প্রাপ্ত জিনিসাদি সিজার লিস্ট না করা আইনত অনৈতিক কাজ ।

    রংপুর এ সার্কেল হোসাইন মোঃ রায়হান জানান, মোবাইলকে কেন্দ্র করে হওয়া অভিযোগের স্বাক্ষগ্রহণ আমি আগেই নিয়েছি। পরবর্তীতে ঠিক কি কারণে এসটনো বাবুল ও তদন্ত ওসি জহুরুল ওই স্বাক্ষীদের আমার অফিসে ডেকে এনে এমন আচরণ করেছেন তা আমি জানি না। তবে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ম্বাক্ষীর পাঠানো তথ্যে বিষয়টি অবগত হলেও দাপ্তরিক ব্যস্ততার কারণে বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিতে পারি নাই। তবে ভুক্তভোগীরা ন্যায় বিচার পাবে শতভাগ, এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন।

    রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ শাহাজাহান জানান, অভিযোগের সাক্ষীদের ডেকে মামলার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো অপেশাদারিত্ব আচরণ। ওসি তদন্ত জহুরুল যদি এমনটা করে থাকেন তবে সেটি এখতিয়ার বহির্ভূত কাজ । এ ব্যাপারে আমি দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছি ।

  • মাদক মামলায় দুজনের ফাঁসি

    মাদক মামলায় দুজনের ফাঁসি

    পোরশা থানা প্রতিনিধিঃ- মোঃ তোফাজ্জল হোসেন

    মাদক মামলায় নওগাঁয় দুই ব্যক্তিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
    আজ বুধবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এই রায় ঘোষণা করেন।

    দণ্ড পাওয়া আসামি লিটন মিয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চরবাগাডাঙ্গা গ্রামের মনতাজ আলীর ছেলে। অন্য আসামি ইউসুফ আলী একই জেলার চরবাদডাঙ্গা গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে।

    ২০২৩ সালের ১৮ আগস্ট আসামিরা একটি ট্রাকে টরে লুকিয়ে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার সরাইডাঙ্গা এলাকা দিয়ে মাদক চোরাচালান করছিল।
    এসময় র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা ৭০০ গ্রাম ওজনের হেরোইনসহ তাদের দুজনকে আটক করে। এ ঘটনায় পত্নীতলা থানায় একটি মামলা করে র‌্যাব।
    পরে আদালতে সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ ও বিচার কার্য সম্পন্ন হয়।

  • খাগড়াছড়িতে চাঞ্চল্যকর ধ*র্ষণ মামলার  ৩ জন আসামী গ্রেফতার

    খাগড়াছড়িতে চাঞ্চল্যকর ধ*র্ষণ মামলার ৩ জন আসামী গ্রেফতার

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে এজাহারনামীয় ৩ জন আসামীকে গ্রেফতার করে ।

    বুধবার ( ২৮ আগস্ট) সকাল ১১টার সময় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের নিকট প্রেসব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার)।

    ঘটনাসূত্রে জানা যায়, ভিকটিম (৫০) এর স্বামী ১০ বছর পূর্বে মৃত্যুবরণ করেন। ভিকটিম তার ১৫ বছরের ছোট মেয়েকে নিয়ে তার বসত বাড়িতে একা বসবাস করেন। গত ২২শে আগস্ট, ২০২৪ খ্রি. রাত অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিমের মেয়ে ঘরের উঠানে বসে মোবাইল ফোনে কথা বলছিল। কয়েকজন লোক ভিকটিমের বাড়ীর দিকে আসতে দেখে তার মেয়ে ভয়ে ঘরে ঢুকে যায়। তখন ভিকটিম ও ভিকটিমের মেয়ে একসাথে ঘর থেকে বাহির হলে ০১ নং আসামী মোঃ ইউসুফ (২৭), ০২ নং আসামী মোঃ রানা (২৪), ০৩ নং আসামী মোঃ ফয়সাল (২৫) তাদেরকে ঘিরে ফেলে এবং জোরপূর্বক তাদেরকে টেনে হেঁচড়ে ঐ দিন রাত অনুমান ১১.১৫ ঘটিকার সময় পার্শ্ববর্তী ০১ নং আসামী মোঃ ইউসুফের কলাবাগানে নিয়ে যায়। কলাবাগানে যাওয়ার পর ভিকটিমের মেয়ে আসামীদের নিকট হতে ছুটে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ০২ নং আসামী মোঃ রানা (২৪) ও ০৩ নং আসামী মোঃ ফয়সাল (২৫) দুইপাশ হতে ভিকটিমের দুই হাত ধরে রাখে এবং ০১ নং আসামী মোঃ ইউসুফ (২৭) অপরাপর আসামীদের সহযোগীতায় ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

    ভিকটিমের মেয়ে পালিয়ে গিয়ে চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ঘটনার বিস্তারিত শুনার পর কলাবাগানের দিকে এগিয়ে আসলে আসামীগণ দূর থেকে দেখতে পেয়ে ভিকটিমকে ছেড়ে দিয়ে ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায়। অতঃপর স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে সেখান থেকে উদ্ধার করে তার বাড়ীতে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ভিকটিমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে রামগড় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণ মামলা রুজু করা হয়।

    মামলা রুজুর পরবতীর্তে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার) এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় রামগড় থানার একাধিক চৌকস টিম আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান শুরু করে।

    পরবর্তীতে গত ২৭শে আগস্ট ২০২৪ খ্রি. গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামী ০১. মোঃ ইউসুফ (২৭), পিতা—ইসমাইল হোসেন, স্থায়ী: গ্রাম— রামগড় (নাকাপা, ০৩নং ওয়ার্ড, ০২নং পাতাছড়া ইউপি), উপজেলা/থানা— রামগড়, জেলা —খাগড়াছড়ি, ০২. মোঃ রানা (২৪) পিতা—মীর হোসেন, স্থায়ী: গ্রাম— রামগড় (নাকাপা, ০৩নং ওয়ার্ড, ০২নং পাতাছড়া ইউপি), উপজেলা/থানা— রামগড়, জেলা—খাগড়াছড়িদ্বয়কে চট্টগ্রাম জেলার ভূজপুর থানাধীন হেঁয়াকো বাজার এলাকা হতে এবং আসামী ০৩. মোঃ ফয়সাল (২৫), পিতা—দুলাল মিয়া, স্থায়ী: গ্রাম— রামগড় (নাকাপা, ০৩নং ওয়ার্ড, ০২নং পাতাছড়া ইউপি), উপজেলা/থানা— রামগড়, জেলা—খাগড়াছড়িকে রামগড় থানাধীন নাকাপা এলাকা হতে গ্রেফতার করে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে। আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে বিধি মোতাবেক যথাসময়ে সোপর্দ করা হবে। আসামীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

  • নওগাঁয় মাদক মামলায় ২ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড

    নওগাঁয় মাদক মামলায় ২ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁয় মাদক মামলায় ২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    বুধবার (২৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গড়াই পাড়া গোরস্থান ঈদগাহ এলাকার মোস্তাজ আলী মন্টুর ছেলে লিটন মিয়া ও চরবাগডাঙ্গা এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে ইউসুফ আলী।

    মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে জানা যায়,গত ২০২৩ সালের আগস্ট মাসের ১৮ তারিখ রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫ এর সদস্যরা নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নির্মইল ইউনিয়নের সরাইডাঙ্গা গ্রামের ছাতলতলা ব্রিজের ওপর একটি ট্রাক্টরের পেছনে থাকা টুল বক্সের ভেতর থেকে ৭০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে। এসময় ট্রাক্টরের ড্রাইভার লিটন মিয়া ও ইউসুফ আলীকে আটক করা হয়। 

    পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। ওই মামলায় ১২ জনের সাক্ষীর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষী গ্রহণ শেষে ওই দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন বিচারক। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল খালেক বলেন, এই রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মাদক কারবারিদের কাছে একটি সতর্কতামূলক বার্তা পৌঁছানো হয়েছে। যাতে মাদক কারবারি এবং যুবসমাজ মাদক থেকে নিজেদের বিরত রাখে এবং মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা হয়।

    আসামিপক্ষের আইনজীবী কৌশিক কুমার দাস বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে আমরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এজন্য আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো এবং আমরা আশা করি ন্যায়বিচার পাবো।#

    আব্দুল মজিদ মল্লিক 

    নওগাঁ ।।