Blog

  • ৪০দিন জামাতে নামাজ পড়ে সাইকেল পেল সুজানগরের ৪ কিশোর

    ৪০দিন জামাতে নামাজ পড়ে সাইকেল পেল সুজানগরের ৪ কিশোর

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা) ঃ টানা ৪০ দিন মসজিদে গিয়ে জামাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করায় সুজানগরে ৪ শিশু-কিশোরকে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। শিশু কিশোরদের নামাজে আগ্রহী করতে ও আদর্শ প্রজন্ম গঠনের লক্ষ্যে উপজেলার মালিফা ড্রিম বয়েজ ক্লাবের উদ্যোগে শুক্রবার ব্যতিক্রমী এ পুরস্কারের আয়োজন করা হয়। নিয়মিত নামাজ আদায়ের পুরস্কার হিসেবে এসব কিশোরদের প্রত্যেককে একটি করে বাইসাইকেল দিয়েছেন তারা। উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের বিলমাদিয়া জামে মসজিদে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিশু-কিশোরদের মাঝে এ উপহার তুলে দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট এ,কে, এম সেলিম রেজা হাবিব। এ সময় অত্র মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো.আনছার আলী,সেক্রেটারী আব্দুস সাত্তার, মসজিদের পেশ ইমাম মোকলেছুর রহমান মালিফা ড্রিম বয়েজ ক্লাবের সদস্য মো.আরমান শাহ, মো.রজব আলী, নূরুজ্জামান,আসাদুজ্জামান ও রায়হানসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট এ,কে, এম সেলিম রেজা হাবিব মাদকমুক্ত সমাজ ও শিশু-কিশোরদের সুন্দর চরিত্র গঠন করতে এ ধরণের গ্রহন করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি এমন উদ্যোগ যেন অন্যান্য মসজিদেও হয় সেই আশা ব্যক্ত করেন। মালিফা ড্রিম বয়েজ ক্লাবের সদস্য মো.রজব আলী জানান, গত প্রায় দেড় মাস আগে থেকে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয় যেখানে ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী ১২ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। টানা ৪০দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে এসে আদায় করতে সক্ষম হন ৪ জন। মঙ্গলবার ওই ৪ জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাইসাইকেল দিয়ে পুরস্কৃত করার পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অন্য প্রতিযোগীদের মাঝেও পুরস্কার প্রদান করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • কেউ যেন অস্থিতিশীলতা পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে – ডক্টর ফরিদ

    কেউ যেন অস্থিতিশীলতা পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে – ডক্টর ফরিদ

    বায়জিদ হোসেন,
    মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
    ছাত্রজনতার রক্তের পথ বেয়ে ৫আগষ্ট আমরা দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এ অর্জন সমগ্র দেশের ছাত্রজনতার অর্জন। এ অর্জন সাম্যবাদের ও গণতন্ত্রের। এটা দুর্বৃতায়নকে রুখে দিয়ে গণতন্ত্রকে সুসংহত করার অর্জন।
    দেশ নায়ক তারেক রহমানের নির্দেশ আগামীতে কেউ যেন এ অর্জন নস্যাৎ করতে না পারে। দলের নাম ভাঙ্গিয়ে বা দলের ভেতর অনুপ্রবেশ করে কেউ যেন অস্থিতিশীলতা পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য সকল পর্যায়ের জাতীয়তাবাদী সৈনিকদের সজাগ থাকতে হবে। শুক্রবার (৩০আগষ্ট) বিকেলে বাগেরহাটের রামপালের গৌরম্ভা ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মাষ্টার মুজিবর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি আরও বলেন, ৫আগষ্ট পরবর্তী সময়ে রামপাল ও মোংলার সব ধর্মের মানুষ নিরাপদে রয়েছে। কিছু অতি উৎসাহী ঘাপটি মেরা থাকা দুর্বৃতরা ঘের দখল ও চাঁদাবাজির অপচেষ্টা করেছে। যা আমাদের নেতা-কর্মীরা শক্ত হাতে দমন করেছে। তারেক রহমানের নির্দেশনা খুবই স্পষ্ট। শিক্ষাঙ্গনে লেখাপড়া পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নারীরা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করবেন। সকলে সহাবস্থানে থেকে তাদের ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করবেন। কেউ ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার চেষ্টা করবেন না। কেউ দলের নাম ভাঙ্গিয়ে পরিবেশ নষ্ট করলে বা অপচেষ্টা চালালে তা প্রশাসনকে সাথে নিয়ে শক্ত হাতে দমন করা হবে বলে হুঁশিয়ারী দেন তিনি।
    এ শান্তি সম্প্রীতির সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন রামপাল উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা কামাল পাটোয়ারী হালিম, সদস্য সচিব কাজী জাহিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মো. আসাদুর রহমান, আমিনুল ইসলাম কুটি, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুর রহমান পিয়াল, সদস্য সচিব এস, এম আলমগীর কবির বাচ্চু ও সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজী অজিয়ার রহমান।

  • ইসলামী শ্রমনীতির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুজানগরে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ইসলামী শ্রমনীতির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুজানগরে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন ঃ শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শ্রমনীতির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুজানগরে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার উপজেলা রিকশা ও রিকশা ভ্যান ট্রেড ইউনিয়নের উদ্যোগে পৌরসভার মানিকদীর ঈদগাহ মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি ওয়ালিউল্লাহ বিশ^াসের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী তরিকুল ইসলামের স ালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন পাবনা জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন সুজানগর উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা ও উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক কে এম হেসাব উদ্দিন, যুব কল্যাণ পরিষদ ঢাকা মহানগরী অ ল সমন্বয়ক ও পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের সাবেক ভিপি খান হাবিব মোস্তফা। অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর রফিকুল ইসলাম, পৌর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি শহিদুর রহমান ও সেক্রেটারী শাকিল,উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আব্দুল মমিন ও সেক্রেটারী সাগর প্রমুখ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • পঞ্চগড়ে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    পঞ্চগড়ে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩০ আগষ্ট) তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির আয়োজনে বেলা ৩টায় উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই মতবিনিমিয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো. শাহাদাৎ হোসেন রঞ্জুর সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. রেজাউল করিম শাহীন এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির।

    এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পঞ্চগড় জেলা বিএনপির আহবায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, যুগ্ম আহবায়ক এম এ মজিদ, অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, অ্যাডভোকেট আদম সূফি, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রীনা পারভীন।

    এছাড়াও জেলাসহ উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীসহ সাধারন সদস্য, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উক্ত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরাও।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • তানোরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    তানোরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলীর বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতি অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২৮ আগষ্ট বুধবার ৫৫ জন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) দেয়া হয়েছে। এছাড়াও অবগতির জন্য অভিযোগের অনুলিপি জেলা প্রশাসক কার্যালয়, জেলা দূর্নীতি দমন কমিশন, জেলা ও এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। গত ৫ আগষ্টের পরদিন ৬ আগষ্ট বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসি স্কুল মাঠে
    প্রধান শিক্ষককে উত্তমমধ্যম দিয়েছে। এঘটনার পর থেকে প্রধান শিক্ষক স্কুলে আসছে না।
    অভিযোগে বলা হয়েছে, বিগত প্রায় ৬ মাস আগে স্কুলে আয়া, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, গেটম্যান ও অফিস সহকারী পদে নিয়োগ দিয়ে প্রায় ৬০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে প্রধান শিক্ষক। অথচ
    প্রতি বছর স্কুলের মাটির দেয়াল ভেঙ্গে পড়ে। যে কারনে শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে চাই না। ক্লাস চলা অবস্থায় কয়েকবার দেয়াল ভেঙ্গে পড়ে এবং শিক্ষার্থী আহত হয়। পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়, বিনা মূল্যের বই বিতরণে টাকা আদায়, অতিরিক্ত বই ফেরত না দিয়ে বিক্রি ও স্কুল একাউন্ট থেকে নিজের ইচ্ছে মত টাকা তুলেন প্রধান শিক্ষক। স্কুলের ৫০ শতক জমি দু’ ছরের জন্য দু’লাখ টাকায় অফিস সহায়কের কাছে বন্ধক রাখে প্রধান শিক্ষক। কিন্ত্ত দু’বছর পর ফেরত নেয়ার কথা থাকলেও গোপনে টাকা নিয়ে ফের বন্ধক রাকা হয়। এছাড়াও কয়েক বছর আগে স্কুলের সামনে থাকা শিশু গাছ বিক্রি করে পুরো টাকা হজম করেন প্রধান শিক্ষক। সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের বিকাশ-নগদ একাউন্ট খোলার জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ১৫০ টাকা করে আদায় করা হয়। সার্টিফিকেটের জন্য ৫০০, মার্কশীট দেয়ার জন্য ৩০০ ও পরীক্ষায় প্রবেশপত্রের ৩০০ টাকা করে আদায় করে থাকেন। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ বিলের নামে প্রতি মাসে মাথা পিছু ৫০ টাকা করে আদায় করে প্রধান শিক্ষক। এভাবে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলী।
    অভিভাবকগণ জানান, উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে অবহেলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিগত সরকারের সময়ে তিল পরিমান উন্নয়ন হয়নি। বৃষ্টির পানি হলেই ক্লাস রুমে পড়ে। যার কারনে শিক্ষার্থীরাও স্কুলে আসতে চায় না। প্রধান শিক্ষক লাখলাখ টাকা আত্মসাত করে রাজশাহী শহরে কয়েকটি বিলাসবহুল ফ্লাট-বাড়ি কিনেছেন। যা তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব বিস্তার করে তিনি এসব অনিয়ম করেছেন। গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। তার পর থেকে সে স্কুলে আসে না। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের দাবি অভিভাবক মহলের। এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলীর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয় টি ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ৬ আগস্ট স্কুলে গেলে আমাকে লাঞ্ছিত করে। এঘটনায় আমি অভিযোগ করি এবং সহিদুলকে শোকজ করি। মুলত একারনে তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। আমি অভিযোগের জবাব দিতে প্রস্তুত। আপনি স্কুলে আসছেন কেন জানতে চাইলে তিনি জানান, আজও স্কুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু শিক্ষক সমিতির মিটিংয়ে ছিলাম। আত্মসাৎ করা টাকা দিয়ে শহরে বিলাসবহুল ফ্লাট কিনেছেন প্রশ্ন করা হলে উত্তরে বলেন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখবে। এবিষয়ে
    মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

  • নড়াইলে বেগম খালেদা জিয়ার নামে মানহানির মামলা খারিজ

    নড়াইলে বেগম খালেদা জিয়ার নামে মানহানির মামলা খারিজ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    বিএনপির চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নামে নড়াইলে দায়ের করা মানহানির মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে নড়াইলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ জুয়েল রানা এ আদেশ দেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বিএনপির চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন সিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিএনপির চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নামে অভিযোগটি দায়ের করেন নড়াইলের কালিয়া উপজেলার যাদবপুর গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে আশিক বিল্লাহ।
    মামলায় অভিযোগ করা হয়, মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা নিয়ে ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর ঢাকায় একটি সভায় বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নড়াইল আমলী আদালতে মানহানির অভিযোগ দায়ের করেন।
    আদালত অভিযোগ গ্রহন করে সদর থানার তদন্তের নির্দেশ দেন। থানা অভিযোগ তদন্ত করে ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন। যার সিআর নং-২৮/২১। আসামীর বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিয়ে আদালত ২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সমন জারি করেন।
    বৃহস্পতিবার মামলার নির্ধারিত দিনে বাদি পক্ষ আদালতে দির্ঘদিন হাজির না হওয়ায় বিচারক মামলাটি খারিজ করে দেন।

  • নওগাঁয় সাড়ে ২৭ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক, স্বামী পলাতক

    নওগাঁয় সাড়ে ২৭ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক, স্বামী পলাতক

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, জেলা প্রতিনিধি নওগাঁ:
    নওগাঁয় সাড়ে ২৭ কেজি গাঁজাসহ কুলসুম (৩৫) নামের এক নারী মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে র‌্যাব-৫ এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা।

    গত বৃহস্পতিবার (২৯ আগষ্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বদলগাছী উপজেলার লক্ষ্মীপোল বুজরুক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে স্বামী আব্দুল জলিল পালিয়ে যায়।

    শুক্রবার (৩০ আগষ্ট) দুপুরের দিকে র‌্যাব-৫ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। আটক কুলসুম ও তার পলাতক স্বামী জলিল লক্ষ্মীপোল এলাকার বাসিন্দা।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটককৃতের স্বামী জলিল একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সে নওগাঁ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করতো। এরপর স্ত্রী কুলসুম এর মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করতো। এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত কয়েকদিন ধরে র‌্যাব-৫, এর গোয়েন্দা দল তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় বদলগাছী উপজেলার লক্ষ্মীপোল বুজরুক এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল। অভিযানে একটি কলা বাগানের ভিতর মাটির নিচে ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য মজুদ করে রাখা মাদক উদ্ধার করা হয়। এসময় কুলসুমকে আটক করা হলেও তার স্বামী জলিল কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে কুলসুম এর দখলে থাকা সাড়ে ২৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
    এঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুযায়ী বদলগাছী থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। মাদকসেবী ও মাদক কারবারী সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যদের ধরতে র‌্যাব জয়পুরহাট ক্যাম্পের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।#

    আব্দুল মজিদ মল্লিক
    নওগাঁ।

  • মোরেলগঞ্জে মৎস্য ঘের দখল করে মাছ লুটের অভিযোগ

    মোরেলগঞ্জে মৎস্য ঘের দখল করে মাছ লুটের অভিযোগ

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির. বিশেষ প্রতিনিধি:বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের উপকূলীয় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে থামছে না ঘের দখল। আবারো একটি মৎস্য ঘের দখল করে গৈ-ঘর ভাঙচুর ও মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী ঘের মালিক মোস্তাক বিল্লাহ রুপম বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, মোরেলগঞ্জ পৌর শহরের বাসিন্দা আতিয়ার রহমানের ছেলে মোস্তাক বিল্লাহ রুপমের সদর ইউনিয়নের বিশারীঘাটা গ্রামে ৩ বিঘার একটি মৎস্য ঘের রয়েছে। বুধবার দুপুরে একই গ্রামের ৮-১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হামলা চালিয়ে ঘেরটি দখলে নেয়। এ সময় হামলাকারীরা মৎস্য ঘেরটির গৈ-ঘরে কুপিয়ে ভাঙচুর চালিয়ে ঘের থেকে বাগদা, চিংড়ি, বিভিন্ন প্রজাতির সাদা মাছ ধরে নিয়ে যায়। এতে ঘের মালিকের গৈ-ঘরে থাকা বিভিন্ন মালপত্রসহ সাড়ে ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগী ঘের মালিক জানিয়েছেন।

    এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার মোস্তাক বিল্লাহ রুপম বাদী হয়ে মো. রুম্মান চৌকিদার ও লালন শেখসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে মোরেলগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    ভুক্তভোগী ঘের মালিক মোস্তাক বিল্লাহ রুপম জানান, নানার জমিতে একবছর ধরে তিনিসহ তার মামাতো ভাই রাসেল হাওলাদার ৩ বিঘার ওই মৎস্য ঘেরটি করে আসছেন। দখলকারীদের কোনো বৈধতা নেই। সম্পূন্ন জোরপূর্বক ঘেরটি দখলে নিয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার দাবি করছি।

    এ সম্পর্কে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মোকারম আলী বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশনায় ঘের দখলের অভিযোগটির তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।##*

  • লালমনিরহাটে ডাঃ কাওছার আহমেদ এর স্পেশাল মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    লালমনিরহাটে ডাঃ কাওছার আহমেদ এর স্পেশাল মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    লালমনিরহাট থেকে ফিরে রংপুর বিভাগীয় প্রধান আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। —

    লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের স্থানীয় যুব সমাজের আয়োজনে গত ৩০ আগস্ট শুক্রবার স্পেশাল হেলথ্ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।
    সাতপাটকী আজাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
    সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত উক্ত স্পেশাল মেডিকেল ক্যাম্প চলমান ছিলো।
    উক্ত ক্যাম্পে সকল ধরনের রোগের চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছেন জেনারেল ফিজিশিয়ান, লাইফস্টাইল মডিফায়ার এন্ড রিসার্চার-
    ডা. কাওছার আহমেদ, এমবিবিএস(রংপুর মেডিকেল কলেজ),সিসিএইচ(উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ),সিসিডি(ডায়াবেটিস ও হরমোন) সিএমইউ(আল্ট্রাসনোগ্রাফী) সিসিআরএমবি(রিসার্চ)
    সিনিয়র মেডিকেল অফিসার,
    (হাইপারটেনশন এন্ড রিসার্চ সেন্টার, রংপুর।)
    গেস্ট মেডিসিন কনসালটেন্ট, ডায়াবেটিস সমিতি হাসপাতাল, জেলখানা রোড, লালমনিরহাট। এছাড়াও
    চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন ডা. মো: মনির হোসেন মুরাদ
    এমবিবিএস(ঢাকা), পিজিটি(নিউরোমেডিসিন ও এন্ডোক্রাইনোলজি), সিসিএইচ(উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ), সিনিয়র মেডিকেল অফিসার(হাইপারটেনশন এন্ড রিসার্চ সেন্টার, রংপুর)
    স্পেশাল মেডিকেল ক্যাম্পে রোগীদের ওজন, উচ্চতা, বিএমআই, ব্লাড প্রেশার, ব্লাড গ্রুপিং ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা হয় । শতাধিক রোগী স্বল্প মূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন।
    উদ্বোধন করেন মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল মজিদ মন্ডল, উপস্থিত ছিলেন দুলাল মন্ডল, শহিদুল ইসলাম, আতিক ইসলাম, ইসমাইল হোসেন, আজিজুল ইসলাম সুজন,,ডাঃ কাওছার আহমেদ, ডাঃ মনির হোসেন মুরাদ, সাংবাদিক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক আরিফুল, আদিব সরকার, আশরাফুল, রাকিব, শেখ সাদী,শেখ সৈকত, শাকিল,নাজমুল, হাসান, নাইন,আরিফ,শরিফুল, ইউসুফ, নিজাম, রহিম, বাদশা,আনিছুর, আদম, শেখ ফরিদ, আঃ হাকিম প্রমুখ।
    স্পেশাল মেডিকেল ক্যাম্পটি পরিচালনা করেন সাংবাদিক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন ও
    আদিব সরকার ।
    উল্লেখ্য স্পেশাল মেডিকেল ক্যাম্প থেকে অর্জিত অর্থ বন্যার্ত ও অসহায়-দুস্থদের পুনর্বাসন প্রকল্পে ব্যায় করা হবে।
    ডাঃ কাওছার আহমেদ প্রতি বছর তার নিজ এলাকার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরেঘুরে এই ক্যাম্পের আয়োজন করে আসছেন।

  • মোরেলগঞ্জে আমড়ার বাম্পার ফলন, সুস্বাদু আমড়ার খ্যাতি দেশজুড়ে রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে

    মোরেলগঞ্জে আমড়ার বাম্পার ফলন, সুস্বাদু আমড়ার খ্যাতি দেশজুড়ে রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির. বিশেষ প্রতিনিধি:বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের উপকূলীয় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আমড়ার বাম্পার ফলন রপ্তানিহচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ।সুস্বাদু আমড়ার খ্যাতি দেশজুড়ে পুষ্টিকর ফল আমড়ার চাহিদা দিন দিনই বাড়ছে। মৌসুমে বাজার ছাড়াও পথে পথে প্রচুর বিক্রি হয় এই আমড়া। এটি একটি অর্থকরী ফল হিসেবেও নিজের জায়গা করে নিয়েছে। ফলে বেড়ে গেছে আমড়ার চাষ ও উৎপাদন।পদ্মাসেতু পেরিয়ে দ্রুত দেশের বিভিন্ন এলকায় রপ্তানি করতে পারছেন বলে দামও পাচ্ছে ভালো। যেকারণে আমড়াচাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে।
    বাগেরহাট জেলার আমড়ার সুনাম দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ভালো লাভবান হচ্ছেন বাগেরহাটের ব্যবসায়ীরা। জেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, জেলায় এবছর৪০০ হেক্টর জমিতে আমড়ার উৎপাদন হয়েছে ৯হাজার টন। কৃষি অফিসের দাবি সামনের বছর আমড়ার ফলন আরো বেড়ে যাবে, সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, বাগেরহাট জেলায় নয়টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভার বিভিন্ন গ্রামের নিজ জমিতে আমড়ার চাষ হচ্ছে।
    সু-স্বাদু আমড়ার দেশজুড়ে খ্যাতি রয়েছে। বর্ষা মৌসুমের এই ফলটি স্থানীয় বহু মানুষের আয়ের অন্যতম উৎস।বাগেরহাটের এ জেলার উৎপাদিত আমড়া শুধু ঢাকা নয় দেশের প্রায় সব জেলায় সরবরাহ করা হয়। দিন দিন এর চাহিদা বেড়েই চলছে। আমড়া ব্যবসায়ীরা বলছেন, পদ্মাসেতু চালুর ফলে রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে। সেই সঙ্গে টাটকা ফলমূল তিন থেকে চার ঘণ্টার ব্যবধানে পৌঁছে যাচ্ছে ঢাকাসহ বড় বড় শহরে। আর এতে ভালো লাভ হচ্ছেন আমড়াচাষি ও ব্যাপারিরা। বাগেরহাটের আবহাওয়া ও জলবায়ু আমড়া চাষের উপযোগী। ফলে আমড়ার উৎপাদনও হয় বেশ ভালো। এখানকার আমড়া আকারে অনেকটা বড়, খেতেও বেশ সুস্বাদু। মানভেদে প্রতিটি গাছের ফল বিক্রি হয় তিন থেকে ছয় হাজার টাকায়। অন্যদিকে তেমন কোনো পরিচর্যা ও সার-কীটনাশক ছাড়াই এর ফলন পাওয়া যায়। মৌসুমে বাজার ছাড়াও পথে পথে প্রচুর বিক্রি হয় আমড়া। আমড়া অর্থকরী ফল হিসেবেও নিজের জায়গা করে নিয়েছে এই জেলায়। ফলে আমড়া চাষে কৃষকের আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলছে। জেলায় বেড়ে গেছে চাষ ও উৎপাদন। এদিকে পদ্মাসেতু চালুর পর থেকেই বাগেরহাট অঞ্চলের কৃষিপণ্য সরবরাহে সহজলভ্য হয়েছে। খুব অল্প সময়ে টাটকা কৃষিপণ্য পৌঁছে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। বাম্ফার ফলন হওয়ায় শতশত কৃষকের ভাগ্য বদলের পাশা-পাশি তারা অর্থনৈতিক ভাবে আগের চেয়ে অনেক স্বাবলম্বী হয়েছেন। শুধু তাই নয়, এই অঞ্চল অর্থনৈতিক ভাবে সম্মৃদ্ধ হতে সক্ষম হয়েছে।

    ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল আমড়ার ইংরেজী নাম গোল্ডেন অ্যাপেল। বিভিন্ন ল ঘাট, ফেরিঘাট, বাসে আর রাজধানীর ব্যস্তম সড়কের সর্বত্রই প্রতিনিয়ত হকারদের ডাক শোনা যায় ‘লাগবে আমড়া’।

    এলাকায় এমন কোনো বাড়ি পাওয়া যাবে না যে বাড়িতে কম করে হলেও একটি আমড়া গাছ নেই। রাস্তার পাশে বাড়ির উঠোনে একটি আমড়া গাছ লাগানো যেন প্রতিটি মানুষের নেশায় পরিণত হয়েছে। বহু মানুষ পতিত জমি কেটে আইল তৈরি করে, আবার কেউ কেউ ফসলী জমিতে আমড়ার বড় বড় বাগান সৃষ্টি করেছেন। কোনো কোনো চাষীর বাগান থেকে বছরে লাখ টাকা আয় হয়।

    শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে পরিপক্ক আমড়া পাওয়া যায়। গ্রামের বেশির ভাগ এলাকায় আমড়া কেনা বেচার বেপারী রয়েছে। তারা ফাল্গুন-চৈত্র মাসে কুড়ি দেখেই আগাম টাকা দিয়ে বাগান কিনে ফেলেন। আবার অনেক চাষী ভরা মৌসুমে নিজেরাই বাজারে আমড়া বিক্রি করেন। আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত গাছ থেকে আমড়া পেড়ে বাজারে নিয়ে বিভিন্ন আড়তে বিক্রি করা হয়।

    ওইসব আড়তে বেপারীদের কাছ থেকে আমড়া কিনে ঢাকা, চাঁদপুর, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ এলাকায় চালান করা হয়। সেখানে আড়তদাররা বিভিন্ন মোকামের খুচরা বিক্রেতা ও পাইকারদের কাছে আমড়া বিক্রি করে।
    মোরেলগঞ্জেগ্রামের রুবেল জানান, মধ্যস্বত্বভোগীদের অধিক মুনাফার কারণে আমড়া উৎপাদনকারী গৃহস্থরা ন্যায্যমূল্য থেকে বি ত হচ্ছেন। তাছাড়া মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণেও আমড়া বেচাকেনার মুনাফার পুরোটা যায় না চাষিদের পকেটে। সে কারণেই আমড়া চাষিরা বাম্পার ফলনে খুশি হয়েও খুশি নন।

    ব্যাপারীরা গৃহস্থদের কাছ থেকে এক বস্তা আমড়া ৭০০ টাকা থেকে ১১০০ টাকায় কিনে মোরেলগঞ্জে মোকামে বিক্রি করে থাকেন ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায়। মোরেলগঞ্জে থেকে ঢাকায় বিক্রি হয় ১৮০০ থেকে দুই হাজার পাঁচশত টাকায়।

    মোরেলগঞ্জের আড়তদাররা বলেন, প্রতি বছরের মতো এ বছরও ভাদ্র মাসের প্রথম থেকেই আমড়ার ভরা মৌসুম শুরু হয়েছে। ফলন বেশি হওয়ায় প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ মণ আমড়া বস্তা ভরে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন শহরে।

    আড়তদাররা আরও জানান, মোরেলগঞ্জে আমড়ার আড়ৎ খুলে সেখান থেকে প্রান্তিক চাষিদের থেকে আমড়া সংগ্রহ করে পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন। পাইকাররা ট্রাক, পিকআপ, লে ঢাকা, চাঁদপুর নিয়ে যান। সেখান থেকে কাঁচা আমড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে।
    মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে কৃষি বিভাগ থেকে আমড়া চাষিদের সব রকমের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। যার ফলে এ বছর ভালো ফলন পেয়েছে চাষিরা। যা বিগত বছরগুলোর তুলনায় বেশি। অর্থকারী ফসল হওয়ায় কৃৃষকরা আমড়া চাষে দিন দিন আগ্রহী হচ্ছেন।##** ছবি সংযুক্ত আছে ** ## **