Blog

  • দুর্যোগ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম এর সাথে মহানগর জামায়াতের সেক্রেটার অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    দুর্যোগ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম এর সাথে মহানগর জামায়াতের সেক্রেটার অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    শহিদুল ইসলাম,

    নিজশ্ব প্রতিনিধি

    চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মুক্তিযোদ্ধা প্রাণ ও দুর্যোগ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম এর সাথে মহানগর জামায়াতের সেক্রেটার অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের নেতৃত্বে ফটিকছড়ি থানা জামাত ইসলামের একটি প্রতিনিধি দল ফটিকছড়ি সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ত্রান,ও পূর্ণবাসন বিষয়ে আলোচনা করেন। উপদেষ্টা মহোদয় মনোযোগ সহকারে প্রতিনিধি দলের বক্তব্য শোনেন এবং আসিদের গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার সহ বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে প্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট আলমগীর মোহাম্মদ ইউনুস চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের সহকারী অফিস ও প্রচার সেক্রেটারি মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম ফটিকছড়ি থানা জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ইসমাইল গনি ফটিকছড়ি জামায়াতের সভাপতি আব্দুর রহিম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ

  • বাগেরহাটে বিএনপির ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    বাগেরহাটে বিএনপির ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:বাগেরহাটে বিএনপির ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। রবিবার (১লা সেপ্টম্বের) সকালে শহরের স্বাধীনতা উদ্যানে জেলা বিএনপির আহবায়ক ইঞ্জনিয়িার এটিএম আকরাম হোসেন তালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন বিএনপির জাতীয় নিরবাহি কামটির গবেশনা বিষয় সম্পাদক কৃষীবদি শামিমুর রহমান শামিম।

    এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান, এ্যাডভোকেট শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সমন্বায়ক এম এ সালাম।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শেখ কামরুল ইসলাম গোরা, শেখ শমশের আলী মোহন, খাদেম নিয়ামুল নাসির আলাপ, জেলা বিএনপির সদস্য সৈয়দ নাসির আহম্মেদ মালেক, শেখ শাহেদ আলী রবি, ইঞ্জিনিয়িার মাসুদ রানা, যুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলাম, মাহাবুবুর রহমান টুটুল, জেলা শ্রমিক দলেরর সাবেক সভাপতি সরদার লিয়াকত আলী, পৌর বিএনপির আহবায়ক এসকেন্দার হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান খান সবুজ, সাধারন সম্পাদক আলী সাদ্দাম দ্বীপ, মহিলাদলের সভাপতি শাহিদা আক্তার, সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম শাš,যবদল নেতা আযুউব আলী মোল্লা বাবু, এ্যাড সাজ্জাত হোসইন প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন, বিগত সময়ে যারা আন্দোলন সংগ্রাম করে হামলা ও মামলার স্বীকার হয়ে নির্যাতিত হয়েছে তাদের নেতৃত্বে বাগেরহাট বিএনপি পরিচালিত হবে। যারা গাছের আগা গোড়া খেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাথে ব্যালেন্স করে রাজনীতি করেছেন তাদের সাবধান হওয়ার হুঁশিয়ারি করেন।

    আরও বলেন, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।

  • নওগাঁয় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীসহ আ.লীগের ৭৪ জন নেতাকর্মীর নামে মামলা

    নওগাঁয় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীসহ আ.লীগের ৭৪ জন নেতাকর্মীর নামে মামলা

    আব্দুল মজিদ মল্লিক,

    জেলা প্রতিনিধি নওগাঁ: নওগাঁ

     জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে হামলার ঘটনার ৯ বছর পর সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহিদুজ্জামান সরকারসহ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৭৪ জন নেতাকর্মীর নামে বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে।

    গতকাল রোববার (১ লা সেপ্টেম্বর) দুপুরে নওগাঁর ১ নং আমলী আদালতে এ মামলা করা হয়। মামলাটি আমলে নিয়ে এজহার নথিভুক্ত করতে আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমতিয়াজুল ইসলাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।

    ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর নওগাঁ পৌরসভার নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার সময় জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, ককটেল ও হাত বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলাটি করেন নওগাঁ পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ। মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও নওগাঁ সদর (নওগাঁ-৫) আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন জলিল, নওগাঁ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান ছেকার আহমেদ, নওগাঁ শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদসহ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৭৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

    মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে আছেন, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বিমান কুমার রায়, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান, সাধারণ সম্পাদক আমানুজ্জামান শিউল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ লাল, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, নওগাঁ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মজনু, রাজন, শরিফুল ইসলাম, সাগর ও খুরশিদ আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডিএম আতা ও ইলিয়াস তুহিন প্রমুখ।

    মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে নওগাঁ পৌরসভার নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার সময় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে হামলার ঘটনা ঘটে। খাদ্যমন্ত্রী ও নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাধন চন্দ্র মজুমদার, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহিদুজ্জামান সরদার, নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন জলিল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান ছেকার আহমেদ শিষাণের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর, নির্বাচনের ফলাফল সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ছিনতাই, জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বরে ককটেল ও হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটায় সন্ত্রাসীরা।

    মামলার বাদী বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, হামলার ঘটনার পর দিন নওগাঁ সদর থানায় মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা গ্রহণে অপরাগতা প্রকাশ করেন। মামলা করিলে হত্যা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দেন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা। এজন্য এতোদিন মামলা করতে পারিনি। সেদিনের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    বাদীর আইনজীবী মিনহাজুল ইসলাম বলেন, ২০১৫ সালে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার সময় হামলার ঘটনায় দ-বিধির ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/১১৪ ও ৩৪ ধারায় এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলাটি করা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে এজহার হিসেবে নথিভুক্ত করার জন্য সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

    আব্দুল মজিদ মল্লিক 

    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

  • সুনামগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে বালু ভর্তি ২টি নৌকাসহ গ্রেফতার-২

    সুনামগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে বালু ভর্তি ২টি নৌকাসহ গ্রেফতার-২

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই মোঃ মাসুদ রানা বিশ্বাস সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে ১১’শ ঘনফুট অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু ও ২টি নৌকাসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন সুনামগঞ্জ সদর থানার সৈয়দপুর (চলতি নদীরপাড়) গ্রামের নজরুল ইসলাম (৪০) এবং বিশ্বম্ভরপুর থানার ভাতেরটেক (উত্তরপাড়া) গ্রামের মোঃ আব্দুল করিম মিয়া (৩৫)। গতকাল শনিবার ৩১ আগস্ট ২০২৪ইং দুপুর পৌনে ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানাধীন লালপুর ব্রীজের পশ্চিম পাশে গজারিয়া নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় গ্রেফতারকৃতদের নিকট থেকে ১১’শ ঘনফুট অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু ভর্তি ২টি স্টিলবডি নৌকা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত বালু ও স্টিলবডি নৌকার আনুমানিক মূল্য ৮ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা। এই ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামিসহ অজ্ঞাত পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।##

  • পাহাড়ে বন্যার্তদের মাঝে মেডিক্যাল ক্যাম্পেইনে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরনে সেনাবাহিনী

    পাহাড়ে বন্যার্তদের মাঝে মেডিক্যাল ক্যাম্পেইনে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরনে সেনাবাহিনী

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি।।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি জোনের অদম্য সাতান্ন কর্তৃক কমলছড়ি ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বন্যার্তদের মাঝে মেডিকেল ক্যাম্পেইন পরিচালনা ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ সহ ঔষুধ বিতরণ করেছে।

    মহালছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল শাহ্‌রিয়ার সাফকাত ভূইয়া, পিএসসি আজ ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৪ রবিবার সকাল ১১.০০ ঘটিকায় মেডিকেল ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

    মহালছড়ি সেনা জোন সর্বদা সাধারণ মানুষের পাশে থেকে জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে। ভবিষ্যতেও মহালছড়ি সেনা জোনের এরুপ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এরুপ কার্যক্রমের ফলে সাধারণ মানুষের সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নতি সাধিত হচ্ছে।

    সাম্প্রতিক সময়ের বন্যার্ত মহিলা, শিশু ও বয়োবৃদ্ধ জনসাধারণ এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় সেনাবাহিনীর এ ধরণের সময়পযোগী উদ্যোগকে স্থানীয় জনসাধারন স্বাগত জানায়।

    উক্ত মেডিকেল ক্যাম্পেইনে ০৩ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার (শিশু বিশেষজ্ঞ, গাইনি বিশেষজ্ঞ ও এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট) এবং সেনাবাহিনীর ১ জন মেডিক্যাল অফিসারের সমন্বয়ে সকাল ১০টা হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত প্রায় সাত শতাধিকের অধিক দুঃস্থ ও হতদরিদ্র বন্যার্ত মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান করা হয়।

  • নাগেশ্বরীর হাসনাবাদ ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ঈদ্রীস হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ-লক্ষ টাকা

    নাগেশ্বরীর হাসনাবাদ ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ঈদ্রীস হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ-লক্ষ টাকা

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ঈদ্রীস আলী ক্ষমতাসীন দলের দাপটে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। নাগেশ্বরী উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দা ইদ্রীস আলী দীর্ঘ ২৬ বৎসর ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ থেকে লুটিয়ে নিয়েছেন কয়েক লক্ষাধিক টাকা।

    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় বুডিরডারা খামার হাসনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসায় পুকুর সংস্কারের জন্য কাবিটা বাজেট আসে ৪লক্ষ ৫০হাজার টাকা। এ বাজেট ইদ্রীস আলী নিজের সুবিধামতো উত্তোলন করে নাম মাত্র পুঁকুরের ঘাস ছিলিয়ে হাতিযে নেন সে টাকা। নাম প্রকশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানায় শুধুমাত্র পুকুর সংস্কারের নামে পুকুরের ঘাস ছিলে দিয়েছেন ইদ্রিস আলী এছাড়া অত্র ইউনিয়নের বিধবা, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ভাতা ও ভিজিডি ভাতার নামে হাতিয়ে নিয়েছেন হাজার হাজার টাকা খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে তিনি দীর্ঘ ২৬বছর ধরে আছেন। এমনকি এই সভাপতি ক্ষমতা দাপটে নিজের নামে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির স্বত্বাধিকারী নিয়েছেন।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির আওতায় টাকার বিনিময়ে চাল দেয়ার সময় মানুষকে নিম্নমানের পঁচা ও দুগন্ধযুক্ত চাউল এবং পরিমাপে কম দিতেন। অন্যদিকে ক্ষমতার দাপট ও অর্থের বিনিময়ে নিজের ছেলে একরামুল হক কে বানিয়েছেন হাসনাবাদ ইউনিয়নের মুসলিম বিবাহ ও নিকাহ রেজিস্ট্রার।

    সচেতন এলাকাবাসী ও ইউনিয়নবাসীর দাবি সামনের দিনে যাতে আমরা খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির আওতায় ভালো মানের চাল চাই। এছাড়া এই ক্ষমতার অপব্যবহারকারী ইদ্রীস আলীর সকল  দুনীতির তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত বিচার দাবি করছি।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বিএনপির ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পতাকা উওোলন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    বিএনপির ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পতাকা উওোলন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ রায়হান মিয়া

    টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিএনপি’র ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্র জনতার গণঅভ্যূত্থানে নিহত এবং সম্প্রতি বন্যায় নিহতদের স্মরণে পতাকা উত্তোলণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    রবিবার সকাল ১১টায় ঘাটাইল পৌর সদরের রীর ঘাটাইল এলকায় পতাকা উত্তোলণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    ঘাটাইল উপজেলা সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তোফাজ্জল হক সেন্টুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সেনের উপদেষ্ঠা সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ, প্রধান বক্তা জাতীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য মোঃ মাইনুল ইসলাম।

    বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ঘাটাইল পৌর সভার সাবেক মেয়র মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ধলা,সাবেক ছাত্র নেতা শামীম মিয়া, পৌর বিএনপি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শামীম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম দুলাল,উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফ সিদ্দিকী, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আফজাল হোসেন,পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম শহিদ, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফ সিদ্দিকী, উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ সাগর, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক খুররম মাসুদ সিদ্দিকী, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাসানুজ্জামান তরুনসহ উপজেলা বিএনপি, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দলসহ বিএনপির অঙ্গ ও  সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

  • গোদাগাড়ীতে বিএনপি নেতাকর্মীসহ সংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    গোদাগাড়ীতে বিএনপি নেতাকর্মীসহ সংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ বাদী এবং তার দোসরদের শাস্তি ও বহিস্কারের দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (৩১ আগস্ট) উপজেলার গোগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগনের ব্যানারে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই মানববন্ধন হয়।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এর পর থেকে দেশ থেকে আওয়ামী লীগের নেতারা বিতাড়িত হতে থাকে। এই আন্দোলন গোদাগাড়ীতেও বেগবান হয়ে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে ছাত্র-জনতার পাশাপাশি বিএনপি নেতাকর্মীরা আহত হয়। সরকার পতনের পর এমন পরিস্থিতিতে রাজশাহী জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হামিদ বাবলু গত ২৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ প্রায় ৪৫ জন নামসহ অজ্ঞাত আরো ৫০০-৬০০ জনের নামে মামলা করেন। ওই মামলার বাদী আব্দুল হামিদ বাবু নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য ও ব্যাক্তিগত আক্রোশের জেরে বিএনপির ৬-৭জন নেতাকর্মীর নামে মামলা দিয়েছে।

    এদিকে গত ২৮/০৮/২৪ ইং তারিখে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মামলা করেন বিএনপি নেতা আব্দুর রউফ দিলীপ ওই মামলায় বিএনপি পরিবারের সদস্য, দৈনিক ইনকিলাবের সাংবাদিক মোঃ হায়দার আলীসহ কয়েকজনকে অসৎ উদ্দেশ্যে জড়ানো হয়েছে। অবিলম্বে ওই সাংবাদিকের নাম প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয়।

    এতে করে গোগ্রাম ইউনিয়ন নেতাকর্মীরা তার মিথ্যা মামলায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত তাকে ও তার পেছনে থাকা বিএনপির শক্তিশালী নেতাদের শাস্তি ও বহিষ্কারের দাবি জানান। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন করার হুশিয়ারী দেন নেতারা।

    গোগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আনসার আলী ও সাংগঠনিক সম্পাদক বজলুর রশিদ বলেন, আব্দুল হামিদ বাবলু ও তার পেছনে থাকা, ইন্ধনদাতা, গোদাগাড়ী মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক আব্দুল মালেকসহ দোসররা বিএনপির ১৬-১৭ বছরের দু:শাসনের সময় আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে সুবিধা নিয়েছে। এতোদিন তাদের কোন পাত্তা পাওয়া যায়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আবারও বিএনিপর সুবিধাবাদী হওয়ার জন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের নামেই মামলা দিয়ে হয়রানি করার অপচেষ্টায় নেমে পড়েছে। আমরা এসব সুবিধাবাদী নেতাদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও বহিষ্কার দাবি জানাচ্ছি।

    গোগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আনসার আলীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন, গোগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি জহুরুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম, গোগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বজলুর রশিদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদ মিঠু, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক নাসিম আহমেদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও গোগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রভাষক শাহাদত হোসেন সুমন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা তাহাদুল, যুবদল নেতা লিটনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। বিএনপির নেতা কর্মী, সাংবাদিকের নামে মামলা করার পিছনে বিগতদিনে আওয়ামীলীগের নেতাদের সাথে ব্যালেন্স করা চলা, দল থেকে বিতাড়িত কথিত বিএনপির নেতা আধ্যাপক আব্দুল মালেকের হাত রেয়েছে বলে বক্তাগন মনে করেন। কেন্দ্র কমিটি, জেলা কমিটি, উপজেলা কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই মামলা করা নির্দোষ ব্যক্তিদের মামলায় জাড়ানোর জন্য দলের সুনাম খুন্ন হচ্ছে, অন্যদল লাভবান হচ্ছে বলে বক্তরা দাবী করে তাদের দ্রুতবহিস্কারের দাবী জানান।

  • নাগেশ্বরীতে সাব-রেজিস্টার প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের দু’তলা বাড়ি ও নামে-বেনামে সম্পত্তি

    নাগেশ্বরীতে সাব-রেজিস্টার প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের দু’তলা বাড়ি ও নামে-বেনামে সম্পত্তি

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    প্রফুল্ল চন্দ্র রায় আওয়ামী লীগ নেতা ও নন্দনপুর দ্বী মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক চাকরিকালে গত ২০১০খ্রিঃ মুজিব নগর সার্টিফিকেটের মাধ্যমে সাব-রেজিস্টার চাকরিতে যোগদান করে বিভিন্ন উপজেলায় চাকরি করে দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি টাকার সম্পদ করেন। ইতিপূর্বে ফুলবাড়ী, ভুরুঙ্গামারীসহ বিভিন্ন উপজেলা সাব-রেজিস্টার অফিসে কর্মরত থেকে অবাধে দুর্নীতি করাসহ বর্তমানে নিজ উপজেলা নাগেশ্বরী সদর সাব-রেজিস্টার অফিসে কর্মরত থেকে অবৈধভাবে অর্থের পাহাড় গড়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি অবসরে আছেন।

    লিখিত অভিযোগ ও অনুসন্ধানে জানা যায়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ডাকনীরপাট গ্রামের টেপু চন্দ্র রায়ের পুত্র প্রফুল্ল চন্দ্র রায় নন্দনপুর দ্বি মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে চাকরি করতেন। প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ডাকনীরপাট গ্রামের পৈতৃক সম্পত্তিতে দুটি টিনের ঘর তুলে নন্দনপুর দ্বী মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকরি করার সময় তার অভাব অনটন ছিলো নিত্যসঙ্গী। অতি কষ্টে স্ত্রী, এক পুত্র সন্তান মাতন চন্দ্র রায়, এক কন্যা প্রীতি চন্দ্র রায়ের লেখাপড়া ও জীবন নির্বাহ করাতেন। ২০১০খ্রিঃ নন্দনপুর দ্বী মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে চাকরি অবসর নিয়ে মুজিব নগর সার্টিফিকেটের মাধ্যমে সাব-রেজিস্টার চাকরিতে যোগদান করে দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি টাকার সম্পদ করেন এবং ডাকনীরপাট গ্রামের সওজ রাস্তার পাশ্বে পুরানো বাড়ি ভেঙে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মান করেছেন দু’তলা স্বর্ণমহল প্রসাদ একটি বাড়ি এবং নামে-বেনামে কিনেছেন কোটি টাকার সম্পদ। শুধু তাই নয় স্ত্রী, এক পুত্র মাতন চন্দ্র রায়, এক কন্যা প্রীতি চন্দ্র রায়সহ আত্মীয়ের নামে দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি টাকার সম্পদ ক্রয় করেছেন। ডাকনীরপাট গ্রামের আছির উদ্দিন মাস্টারের পুত্র লাল মাস্টার, একরামুল হক, আফতারুজ্জামান বাবুর ৯৬শতক জমি ১৭লাখ, হাসেন আলী মাস্টারের পুত্র জয়নাল আবেদীনের ৪০শতক জমি ৯লাখ, আছমত আলীর পুত্র কেরামত আলী, জহুর আলী, আনা আলী ১৬শতক জমি ৩লাখ, রহিম উল্যার পুত্র আলহাজ্ব ইব্রাহীম আলীর ১৬শতক জমি ৪লাখ ৮০হাজার, ভবেন চন্দ্র সেনের পুত্র প্রদীপ চন্দ্রের ৩২শতক ৭লাখ, ভবে চন্দ্রের পুত্র কার্তিক চন্দ্রের ১৬শতক ৪লাখ, ধীরেন্দ্র নাথ রায়ের পুত্র সুভাস চন্দ্র সহ ৪ভাইয়ের ৩২শতক জমি ৬লাখ এবং সাব-রেজিস্টার প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের শরীক মনি,সুভাস, শুভ, ভুজা, সন্টু, গয়ানাথ মেম্বার, রঞ্জিত মাস্টার, নিপুনের জমি ডাকনিরপাট গ্রামে এক পুত্র সন্তান, স্ত্রী ও নামে বেনামে ক্রয় করেছেন প্রায় ৩০থেকে ৪০বিঘা জমি এভাবে রয়েছে তার কোটি কোটি টাকার সম্পদ।

    অভিযোগকারী ও স্থানীয়রা জানান, সাব-রেজিস্টার প্রফুল্ল চন্দ্র রায় বিভিন্ন উপজেলায় চাকরীসহ বর্তমানে নাগেশ্বরী উপজেলা সাব-রেজিস্টার চাকরি করে কোটি টাকার সম্পদ করেছেন। পৈতৃক সম্পত্তিতে গত দুবছর আগের নতুন বিল্ডিং বাড়ি ভেঙে গত এক বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মান করেছেন দু’তলা স্বর্ণমহল প্রসাদ একটি বাড়ি এবং নামে-বেনামে কিনেছেন কোটি টাকার সম্পদ।

    আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সাব-রেজিস্টার প্রফুল্ল চন্দ্র রায় সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আপনার সাথে পরে কথা বলবো। নিউজ করলে কিছু অর্থ খরচ হয় আর কি।

    রংপুর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক শাওন মিয়া বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করেন তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • উৎকোচ না দেয়ায় ও পূর্বের রাগে নিরীহ দুই মাছ ব্যবসায়ীকে মামলায় ফাঁসালেন বন কর্মকর্তা

    উৎকোচ না দেয়ায় ও পূর্বের রাগে নিরীহ দুই মাছ ব্যবসায়ীকে মামলায় ফাঁসালেন বন কর্মকর্তা

    মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
    সুন্দরবনের নিরীহ দুই মাছ ব্যবসায়ীকে হয়রানীমুক্তভাবে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে এক বন কর্মকর্তা বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সময়ে ওই বন কর্মকর্তা উৎকোচ দাবী করায় তা না দেয়ায় ও পূর্বের রাগে ক্ষিপ্ত হয়েই তাদেরকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে দাবী করেছেন ব্যবসায়ীরা।

    ভুক্তভোগী মাছ ব্যবসায়ী বেলায়েত সরদার ও মোঃ সুমন খাঁ জানান, মোংলার চিলা ইউনিয়নের চিলা বাজারের একটি পরিত্যাক্ত ঘর থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে ২২বস্তা শুঁটকি চিংড়ি জব্দ করেন বনবিভাগের সদস্যরা। আর এ অভিযানের নেতৃত্ব ছিলেন ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা মহসিন আলী। এ সময় শুঁটকিসহ খুলনার মহেশ্বরপুর গ্রামের রবিউল গাজীর ছেলে কামরুল গাজী (২৯) ও কয়রা উপজেলার মমিন শাহর ছেলে ইকবাল হোসেন (২৪)কে আটক করে বনবিভাগ। আটককৃতরা খুলনার জেলে। ওই সকল জেলেদের সাথে আমাদের কোন ব্যবসায়ীক সম্পর্ক নেই, তাদেরকে আমরা চিনিও না। কিন্ত রহস্য হলো ওই দুইজনকে আটকের মামলায় আমাদেরকেও আসামী করা হয়েছে।
    মাছ ব্যবসায়ী সুমন খাঁ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমি সুন্দরবনে মাছের (কাঁচা/তাজা মাছ) ব্যবসা করি। এই সুবাদে ঢাংমারী ফরেস্ট অফিস থেকে পাসপারমিট নিতে হয়। পাস নিতে গেলে সরকার ধার্য্যকৃত ফি’র বাহিরেও অতিরিক্ত উৎকোচ দাবী করেন ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা মহসিন আলী। আমি প্রথম প্রথম তার অনৈতিক দাবী পূরণ করলেও পরবর্তীতে তা দেয়া বন্ধ করে দিই। এরপর থেকে সে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে নানাভাবে হয়রানীর অপচেষ্টা চালান। সেই অপচেষ্টার ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার জব্দ করা অন্যের শুঁটকি মামলায় আমাকে মিথ্যা মিথ্যা ফাঁসিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, এ ঘটনার সময় (বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) আমি ব্যবসায়ীক কাজে চট্টগ্রাম ছিলাম, সেখান থেকে শনিবার ফিরে এসে শুনি আমার নামে বনবিভাগে মামলা হয়েছে।

    অপর ব্যবসায়ী বেলায়েত সরদার বলেন, আমি শুধু দুবলার শুঁটকি মৌসুমে মাছের ব্যবসা করি, তাও সাগরে। সুন্দরবনে আমার কোন মাছের ব্যবসা নেই। তারপরও কিভাবে আমার নামে ঢাংমারী স্টেশন অফিসার মহসিন আলী মিথ্যা মামলায় দিলো তা বুঝতেছিনা কিছু। তিনি আরো বলেন, গত ৫আগস্ট দেশের পেক্ষাপটের পরিবর্তন হওয়ার পর আমি এলাকায়ও নেই। আর বৃহস্পতিবার যাদের আটক করেছে তাদেরকেও আমি চিনিনা, কিন্ত রহস্যজনকভাবে মামলার আসামী হয়ে গেছি। তিনি আরো বলেন, মুলত গত বছরের ৭এপ্রিল মোংলার চিলা এলাকার জেলে হিলটন নাথ সুন্দরবনে মাছ ধরতে গেলে বন কর্মকর্তাদের মারধরে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন। সেই লাশ আজও পাওয়া যায়নি। ওই সময় জেলে হিলটনের পক্ষে লোকজন নিয়ে আমার আন্দোলন করার জেরেই বনবিভাগ পূর্বের সেই রাগে আমাকে এই মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন বলে ধারণা করছি আমি।

    এ বিষয়ে জানতে ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা মহসিন আলীকে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করে প্রশ্নের কোন উত্তর না দিয়েই কল কেটে ফোন বন্ধ করে দেন। এরপরও তাকে একাধিকবার কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।