Blog

  • বরগুনার তালতলীতে ইউপি সদস্যর উপর হামলার বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    বরগুনার তালতলীতে ইউপি সদস্যর উপর হামলার বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে ইউপি সদস্য জামাল খানের উপর সন্ত্রাসী হামলার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। মানববন্ধনে ঐ এলাকার প্রায় ৬ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নিয়ে এ হামলার কঠিন বিচার দাবি করেন।

    সোমবার(০২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নিদ্রা বাজারে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করা হয়। এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাচ্চু মিয়া,ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন,শাকিল খান, নান্টু ও জয়নালসহ সকল ইউপি সদস্যরা।

    এ সময় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,লক্ষি পরিবহন নামের একটি স্টিলবডি (ট্রলার) স্থানীয় সোহাগ আকন, বেলাল ও ইব্রাহিমসহ কয়েকজন চুরি করে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নিদ্রা স্লুইজঘাট খালে রেখে পালিয়ে যায়। এ খবর পেয়ে ইউপি সদস্য জামাল খান প্রশাসনকে জানালে স্টিলবডি ট্রলাটি তার জিম্মায় রাখার নির্দেশ দেন। পরে এই খবর পেয়ে তালতলী শহর থেকে স্বাস্থ্য সহকারী আবু কালাম, বিএনপি সর্মথক আল আমিন, কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক বশির উদ্দিন,সাংবাদিক নাঈম ইসলাম ও সাংবাদিক শাহাদাত হোসেনসহ ২৫ থেকে ৩০ জন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আনুমানিক শনিবার রাত ১১ টার দিকে ইউপি সদস্য জামাল খানকে ঘুম থেকে উঠায়। পরে ঐ ইউপি সদস্যকে চোরাই ট্রলারটি নেওয়ার জন্য টাকার প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হলে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এসময় ইউপি সদস্য বাধা দিল আবু কালাম, সাংবাদিক নাইম ও শাহাদাতসহ তারা মারধর করে মাথা ফাটিয়ে ও বিবস্ত্র করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউপি সদস্যকে উদ্ধার করে তালতলী হাসপাতালে পাঠালে অবস্থার অবনতি দেখে পটুয়াখারী হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে সোমবার বেলা ১১ টার দিকে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী।

    মানববন্ধনে ইউপি সদস্য শাকিল খান ও জসিম উদ্দিন বলেন, সন্ত্রাসীদের সাথে দুই সাংবাদিক যে এভাবে রাতের আধারে হামলার সাথে জড়িত হবে এটা আমরা আশা করি নাই। এই হামলাকারীদের কঠিন বিচারের দাবি করছি সরকারের কাছে। হামলাকারীদের কঠিন বিচার না হলে আমরা জনপ্রতিনিধির পক্ষ থেকে পরবর্তীতে আরও আন্দোলন করবো। তারা আরও বলেন, সাংবাদিক নাইম ও শাহদাৎ এই হামলার সাথে সরাসরি জড়িত। এই দুই সাংবাদিকের সঠিক বিচার না হলে সাংবাদিকদের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে।

    এবিষয়ে আহত ইউপি সদস্য জামাল খান মুঠোফোনে বলেন, আমি চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে আছি। সুস্থ্য হলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবো। তিনি সরকারের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবি করেন।

    ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি করছি। তা না হলে জনপ্রতিনিধিদের ওপরে সন্ত্রাসী হামলা বন্ধ হবে না।

    মংচিন থান
    বরগুনা প্রতিনিধি

  • নলছিটিতে পদ ফিরে পেতে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন

    নলছিটিতে পদ ফিরে পেতে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক।।

    ঝালকাঠির নলছিটিতে এক বিএনপি নেতা স্থগিদ হওয়া পদ ফিরে পেতে কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেনছেন। সোমবার সকাল ১১টায় নলছিটি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দগাবি জানান কুশঙ্গল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাকিল হাওলাদার। সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম গাজীর বিরুদ্ধে ২৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবিরও অভিযোগ করেন। এ টাকা না দেওয়ার কারণে তাঁর পদ স্থগিত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন এই বিএনপি নেতা। তবে এ সংক্রান্ত তিনি কোন প্রমানপত্র দেখাতে পারেননি।
    সংবাদ সম্মেলনে কুশঙ্গল ইউনিয়ন বিএনপির পদ সাধারণ সম্পাদক (পদ স্থগিত হওয়া) শাকিল হাওলাদার দাবি করেন, তিনি ১৯৯০ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকারও হয়েছেন। তবুও তিনি দল ছেড়ে কোথাও যাননি। দলের দুঃসময়ে হাল ধরে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের পদে পেক্ষাপট পাল্টে যায়। বিএনপি নেতাকর্মীরা কুশঙ্গল ইউনিয়নে শাকিল হাওলাদারের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছে। এতে একটি মহল তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি নলছিটি শহরের সেবা ক্লিনিকের একজন শেয়ারহোল্ডার। সম্প্রতি নলছিটি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম গাজী তাঁর ক্লিনিকে গিয়ে ২৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে ফোনেও তিনি চাঁদার টাকা দিতে চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় দলীয়পদে কিভাবে থাকেন, তা দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। কিছুদিন আগে মানপাশা বাজারে পানি সাপ্লাইয়ের কাজ শুরু হলে যুবলীগের সাবেক নেতা বর্তমানে যুবদলের নেতা দুলাল খানের নেতৃত্বে শহিদ ও খোকনসহ কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে গিয়ে ঠিকাদারের লোকজনের কাছে ৫% টাকা চাঁদা দাবি করেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি (শাকিল হাওলাদার) এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে চাঁদাবাজদের প্রতিহত করার ঘোষণা দেন। এতে দুলাল খানসহ কয়েকজন নেতাকর্মী ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে দল থেকে বহিস্কার করার হুমকি দেন। গত ৩১ আগস্ট রাতে নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান খান হেলাল ও সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম গাজী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কুশঙ্গল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদসহ সকল সদস্য পদ স্থগিত করার নির্দেশ দেন।
    শাকিল হাওলাদার বলেন, আমি দলের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলাম। উল্টো আমার পদ স্থগিত করা হলো। মূলত আমি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াতে এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম গাজীকে টাকা না দেওয়ার কারণে আমার পদ স্থগিত করা হয়েছে। আমি কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, আমার পদ ফিরিয়ে দিয়ে পুরো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক।
    এ ব্যাপারে নলছিটি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম গাজী বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমি কখনো কারো কাছে চাঁদা দাবি করিনি। সেবা ক্লিনিকের অন্য শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে আপনারা জেনে নিন আমি চাঁদা চেয়েছি কিনা। একটি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার সুনাম নষ্ট করা হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ পাওয়ায় তার পদ স্থগিত করা হয়েছে। এখানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সই রয়েছে। অথচ সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে আমার বিরুদ্ধে, এতেই প্রমানিত হয় এটা উদ্দেশ্যপ্রনোদিত।
    সংবাদ সম্মেলনে ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির  সাধারণ সম্পাদক মো. ইউনুস হাওলার, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হাওলাদার, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা জলিল মোল্লা, জুয়েল জোমাদ্দার, যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি টিপু হাওলাদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাইফুল ইসলামসহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • লৌহজংয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন

    লৌহজংয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি।।
    নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুস সালেহীন ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ইপিআই (এমটিইপিআই) এস এম মিজানুর রহমানের পদত্যাগের দাবিতে
    মানববন্ধন হয়েছে। রবিবার বিকাল ৪ টায় উপজেলার ঘোড়দৌড় বাজারে লৌহজং প্রেসক্লাবের সামনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকল নির্যাতিত কর্মচারীর ব্যানারে এ মানববন্ধন করে স্বাস্থ্য সহকারী, উপস্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকেরা।
    মানববন্ধনকারীরা লিখিত অভিযোগে জানান, ডা. নাজমুস সালেহীন এমটিইপিআই এস এম মিজানুর রহমানের যোগসাজশে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড় গড়েছেন। এর মধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন- ক্ষুদে ডাক্তার কার্যক্রম, কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ, কোভিড-১৯, জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ, HPV টিকা, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস, বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস, বিশ্ব এইডস দিবস, যক্ষ্মা দিবস, কুষ্ঠ দিবস, মাতৃদুগ্ধ দিবস ইত্যাদি দিবসগুলোর বিল আত্মসাৎ করেছেন এ দুজন। সচেতনতামূলক বিভিন্ন দিবসগুলোতে সরকার থেকে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে। র‍্যালি ও আলোচনা সভার জন্য ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার ব্যানার বানিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে তা অনলাইনে পোস্ট দিয়ে দেন। বাকি টাকা আত্মসাৎ করেন
    ডাক্তার নজমুস সালেহীন ও এমটিইপিআই মিজানুর রহমান।
    লোকাল ম্যানেজমেন্টের বরাদ্দ হিসেবে উপজেলার বেদেপল্লিতে ২ রাউন্ড, খড়িয়া বেদেপল্লিতে ২ রাউন্ড, খিদিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে ১ রাউন্ড, কাজির পাগলা এলাকায় ২ রাউন্ড, কাজির পাগলা এলাকায় ২ রাউন্ড, নোয়াপাড়া এলাকায় ২ রাউন্ড, শিমুলিয়া ঘাটে ২ রাউন্ড, পদ্মা সেতুর সেনাবাহিনীর ব্রাকে ১ রাউন্ড কোভিড-১৯ টিকা দেওয়া হয়। কিন্তু উল্লেখিত টিকার ক্যাম্পেইনগুলো পরিচালনার জন্য অফিস থেকে কোনো খরচ প্রদান করা হয়নি। এই লোকাল ম্যানেজমেন্টের জন্য বরাদ্দ ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নাজমুস সালেহীন ও তার সহযোগী এমটিইপিআই এসএম মিজানুর রহমান। জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের অনিয়ম নিয়ে ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি এবং হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনে অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে ২০২১ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
    সরকারি চাকুরি বিধি অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী ১৫ দিন ছুটিসহ এক মাসের মূল বেতনের সমান অতিরিক্ত শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পেয়ে থাকেন। কিন্তু এ ভাতা তুলতে গিয়ে এক হাজার থেকে ১,৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। ছুটি ভোগ করবো না মর্মে মুচলেকা দিতে হয় এবং চাকুরী খতিয়ান বহিতে ছুটি ভোগ করা হয়েছে লিখে দেন। বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করলে ডা. নাজমুস সালেহীন এমটিইপিআই এসএম মিজানুর রহমানের পরামর্শে তাদের বেতন-ভাতাদি বিনা কারণে মাসের পর মাস স্থগিত রাখেন। এমনকি প্রতিবাদকারীদের নথি হতে অফিস আদেশ সরিয়ে ফেলা হয়। ২০০৪ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত ৭ জন স্বাস্থ্য সহকারীর চাকুরী স্থায়ীকরণের আদেশ, ২০১০ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত ২০ জন স্বাস্থ্য সহকারীর পুলিশ ভেরিফিকেশন নথি থেকে পরিকল্পিতভাবে সরিয়ে ফেলা হয়। পরে ঘুষ দিয়ে চাকুরি স্থায়ীকরণ করা হয়। মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীদের আবেদনপত্র ও কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবসহ কাগজপত্র তারা গ্রহণ এবং নথিভুক্ত করেন না। এমনকি ডাকযোগে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বরাবর আবেদনপত্র পাঠালেও তা গ্রহণ করেন না। এর ফলে ডা. নাজমুস সালেহীন ইচ্ছা অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে থাকেন। ডা. নাজমু সালেহীনের নির্দেশে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ও
    বদলিকৃত কর্মচারীদের ছাড়পত্র, চাকরির খতিয়ান বইসহ অন্যান্য কাগজপত্র যথাসময়ে প্রদান করা হয় না। এতে কর্মচারীদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে বিলম্ব হয় এবং উল্লেখিত কাগজপত্র যথাসময়ে না পেলে কর্মচারীরা বেতন ও ভাতাদি যথাসময়ে গ্রহণ করতে পারেন না।
    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লোকবল সংকট থাকলেও ডা. নাজমুস সালেহীনের অবাধ্য হলে তাকে সিভিল সার্জনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক অন্যত্র বদলি করা হয়। উপজেলায় স্বাস্থ্য সহকারীর পদ রয়েছে ৪৩ টি। কর্মরত আছেন মাত্র ২৩ জন। ডা. নাজমুস সালেহীন ও মিজানুর রহমানের অনিয়মের প্রতিবাদ করায় সম্প্রতি দুই স্বাস্থ্য সহকারী আজিজুল হক ও দিলীপ কুমার দাসকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।
    ডা. নাজমুস সালেহীন ও এমটিইপিআই এসএম মিজানুর রহমানের অনিয়ম, দমন-পীড়ন ও অর্থ
    জালিয়াতির বিরুদ্ধে যেসব কর্মচারী সোচ্চার, তাদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ দায়ের করে করা হয় বেতন ও ভাতা দিয়ে বন্ধ করা হয়, এসিআর খারাপ দেওয়া হয়, চাকুরির খতিয়ান বই লাল কালি দ্বারা লিখার হুমকি দেওয়া হয়, অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়, সকল প্রকার ছুটি না মঞ্জুর করা হয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গের নিকট বেয়াদব তকমা দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়, যাতে অভিযুক্ত কর্মচারী কোনো রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ন্যায়বিচার না পায়।
    আন্দোলনকারীরা গত শনিবার ছয় পৃষ্ঠার লিখিত অভিযোগ পত্র বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল শনিবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায়। কিন্তু এদিন ডা. নাজমুস সালেহীন অনুপস্থিত ছিলেন। এমটিইপি আইএসএম মিজানুর রহমান প্রতিনিধি দলের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। ফোনে যোগাযোগ করা হলে নাজমুস সালেহীন পরদিন রবিবার আসবেন বলে জানান। রবিবার প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে এদিনও ডা. নাজমুস সালেহীন অনুপস্থিত ছিলেন। পরে ডা. সালেহীনের বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাকির হোসেনের সাথে দেখা করেন। প্রতিনিধি দল ডা. নাজমুস সালেহীনকে দুই দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত থাকার আলটিমেটাম দেন। ইউএনও জাকির হোসেন সিভিল সার্জনের সাথে কথা বলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্ম

  • তানোরে বিএনপির রাজনীতিতে মিজানের বিকল্প নাই

    তানোরে বিএনপির রাজনীতিতে মিজানের বিকল্প নাই

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বিএনপির রাজনীতিতে সাংগঠনিক কর্মকান্ড জোরদার, নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ এবং সক্রিয় করতে উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের কোনো বিকল্প নাই।তানোর বিএনপির রাজনীতিতে তিনি ধীরে ধীরে অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব হয়ে উঠেছেন।
    জানা গেছে, উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদকএবং সাবেক মেয়র, তরুণ-মেধাবী নেতৃত্ব ও তরুণদের আইডল মিজানুর রহমান মিজান। গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি থেকেছেন সামনের সারিতে দিয়েছেন
    সফল নেতৃত্ব, দল ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তিনি একজন
    নিবেদিতপ্রাণ, সেরা সংগঠক, কর্মী-জনবান্ধব, আদর্শিক, পরীক্ষিত ও লড়াকু সৈনিক হিসেবে ধীরে ধীরে
    গণমানুষের আস্থার প্রতিক ও নেতায় পরিণত হয়ে উঠছেন।
    খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দলের ভিতর এবং বাইরের নানা ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, প্রতিহিংসা ও গুজবের বহু অন্ধকার গলিতেও তিনি পথ হারাননি এবং গতানুগতিক রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি।নিজস্ব, স্বকীয়তা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন অমায়িক ব্যবহার ও প্রচণ্ড সাহসী নেতৃত্বের লৌহমানব এই তরুণ ছাত্র রাজনীতির সীমানা অতিক্রম করে ধীরে ধীরে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার পুরুষে হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার প্রতি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ তাতে তিনি না চাইলেও তানোরের মানুষ তাকেই তাদের নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে, এখানে তার কোনো বিকল্প নাই। কারণ সাধারণ মানুষের নিখাদ ভালবাসার চেয়ে বড় কোন শক্তি নাই।
    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তানোর বিএনপির অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব প্রয়াত এমরান আলী মোল্লার পরবর্তী নেতৃত্ব হিসেবে তৃণমূলে মিজান আলোচনা ও পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন।
    প্রয়াত এমরান আলী মোল্লার অবর্তমানে যদি কেউ নেতৃত্ব দিয়ে
    বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন সেটা মিজান ব্যতিত আর কারো পক্ষে সম্ভব নয়।
    জানা গেছে, প্রয়াত এমরান আলীর মোল্লার দিকনির্দেশনা ও তার ছায়ায় থেকে তার হাতে ধীরে ধীরে গড়ে উঠা রাজনৈতিক নেতা মিজানও তার নেতৃত্বের গুনে সাধারণ মানুষের কাছে সমান জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। দেশের
    প্রচলিত রাজনৈতিক ধারায় থাকলেও লোভ লালসার স্রোতে তিনি কখানো গা ভাসিয়ে দেননি। তিনি তৃণমুল নেতা ও কমী-সমথর্কদের সঙ্গে থেকে এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন সংগ্রাম। এই সংগ্রাম রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন সূচনার
    সংগ্রাম। তিনি বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ সহযোগী কোনো সংগঠনকেই অর্থ নয় মেধার কাছে
    জিম্মি রাখতে চান
    মিজানুর রহমান মিজান প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনসহ দলের প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সামনের সারিতে থেকেছেন এবং এখনো দিয়ে যাচ্ছেন নেতৃত্ব। মিজান বিএনপির একজন আদর্শিক নেতৃত্ব। মিজানকে বিভিন্ন প্রলোভন, লোভ-লালসা ও ভয়ভীতি দেখিয়েও আওয়ামী লীগ তাকে তাদের দলে ভেড়াতে ব্যর্থ হয়ে তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। যে কারণে আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিএনপি করার কারণে মিজানের বিরুদ্ধে ২৭টি রাজনৈতিক মামলা হয়। যার মধ্যে এখানো ১৩টি মামলা চলমান রয়েছে।এছাড়াও তার একাধিক পুকুর দখল ও ডিস ব্যবসার ক্ষতি করা হয়েছে।কিন্ত্ত এতো কিছুর পরেও মিজানকে দমানো যায়নি। আওয়ামী লীগের ১৫ বছর বলতে গেলে মিজান একাই তানোরে বিএনপির বিভিন্ন দলীয় কর্মসুচি পালন করে গেছেন। অথচ এখন একশ্রেণীর নেতা যারা নিজেদের হেভিওয়েট দাবি করছে,গত ১৫ বছর বলতে গেলে একদিনের জন্যও তাদের মাঠে দেখা যায়নি।
    মিজানুর রহমান মিজান বলেন, এখানো তৃণমুল নেতাকর্মীদের কথা বলার তেমন কোনো জায়গা নেই। সাধারণ নেতাকর্মীরা বড় নেতাদের কাছে পৌচ্ছাতে পারেন না। সুবিধাভোগীদের ভিড়ে তাদের দাবির কথা, সুখ-দুঃখের কথা বলার সুযোগ পান না।
    আমি এসব অবহেলিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে থেকেছি এখনও আছি আমি এসব মানুষদের নিয়েই ঐক্যবদ্ধ বিএনপিকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। মিজান দলের একজন আদর্শিক ও পরীক্ষিত নেতা। উপজেলা,পৌরসভা, ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড যেখানেই তিনি যান সেখানেই সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশে যান। তিনি তাদেরই প্রতিনিধি হিসাবে শোনেন সুখ- দুঃখ ও বঞ্চনার কথা। তার মতে তৃণমুল নেতাকর্মীরাই বিএনপির প্রাণ। তারা সুবিধা পেতে দৌড়ে যান না। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভরসাও তারাই। কিন্ত্ত তাদের
    সংগঠিত করার মত নেতৃত্বের এতোদিন যে অভাব ছিল এখন তিনি সেটা দুর করতে চান।
    জানা যায়, মুক্তিযদ্ধের চেতনাপুষ্ট পারিবারিক আবহে বেড়ে উঠেছেন মিজান। স্কুল জীবন থেকেই ছাত্রদলের
    রাজনীতিতে যুক্ত হন। রাজনীতিতে সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার একটি নাম মিজান তিনি সব সময় সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে সক্রিয় থেকেছেন।
    ইতমধ্যে মিজান তার নেতৃত্বের গুণে গণমানুষের নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। বিএনপি,কৃষক দল, যুবদল-ছাত্রদলসহ সহযোগী সকল সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছেই মিজান সমানভাবে জনপ্রিয়। এসব সংগঠনের নেতাকর্মীরা এখনো তকেই তাদের প্রতিনিধি মনে করেন
    ও তাদের যে কোন সমস্যায় ছুটে আসেন তাঁর কাছেই। সমস্যার সমাধান পাওয়া না পাওয়া বড় কথা নয়।কিন্ত্ত
    মিজান মনোযোগ সহকারে তাদের কথা শোনেন। মিজান বলেন, তিনি সব সময় নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন এখনও
    আছেন। তিনি বলেন, ব্যক্তি স্বার্থের উর্দ্ধে থেকে দীর্ঘসময় রাজনীতিতে দলীয় স্বার্থকেই প্রাধান্য দিয়েছি এখনো দিয়ে যাচ্ছি, তিনি বলেন, তৃণমূল নেতাকর্মীরাই দলের প্রাণ তারা কোনো লোভ-লালসায় দল, নেতা ও নেতৃত্বের সঙ্গে বেঈমানী করে না। #

  • তানোরে ছাত্রশিবিরের সুধি সমাবেশ

    তানোরে ছাত্রশিবিরের সুধি সমাবেশ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী জেলা পশ্চিম শাখার উদ্যোগে সুধী সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে,গত ৩১ আগস্ট শনিবার
    উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সুধি সমাবেশে তানোরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীলরাও অংশগ্রহণ করেন।
    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী জেলা পশ্চিম শাখার সভাপতি রমজান আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী জেলা পশ্চিম শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াত
    ইসলামী রাজশাহী জেলা পশ্চিম শাখার সহকারী সাধারণ সম্পাদক
    তাইফুর রহমান, তানোর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আক্কাস আলী, জেলা ওলা শাখার সভাপতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য জালাল উদ্দীন, মুন্ডুমালা পৌর শাখার আমীর মাওলানা আনিসুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির তানোর উপজে শাখার সভাপতি শাহারিয়া ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মমি সহ অনেকে।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিনি রাজশাহী জেলা পশ্চিম শাখার সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস উদ্দিন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল খালেক বলেন, ছাত্রশিবির জমিনে আল্লাহর পক্ষ থেকে বড় নেয়ামত। সব ক্লান্তিকাল অতিক্রম করে ছাত্রশিবির আরও শক্তিশালী হয়েে কোনো ময়দান কারও জন্য খালি পড়ে থাকে না। খালি জায়গায় যদি ভালো গাছ লাগানো না হয়, তাহলে সেখানে আগাছা দিয়ে ভরে যায়। ছাত্রশিবির আগামীতে সুন্দর বাগান তৈরির কাজ করে ইনশাআল্লাহ।
    বিশেষ অতিথিবৃন্দ ইসলামী ছাত্রশিবির দেশ ও জাতি গঠনে যোগ দক্ষ ও আদর্শ নাগরিক তৈরিতে ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    সভাপতির বক্তব্যে ছাত্রশিবির নেতা রমজান আলীর বলে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের জন্য প্রতিটি সময় বা যুগ চ্যালেঞ্জের। আমাদেরকে নৈতিকতার ভিত্তিতে যুগের চাহিদার আলোকে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।
    এ সময়ে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরে বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সুধী সমাজের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। #

  • দৃর্বৃত্তদের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিত-প্রতিবাদে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    দৃর্বৃত্তদের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিত-প্রতিবাদে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় শিক্ষক লাঞ্চনার প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছেন সাধারণ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

    রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ১০-১২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের সমন্বয়ে পলাশবাড়ী ছাত্র যুব সমাজের নেতৃত্বে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় বাড্স স্কুল এন্ড কলেজর ভাইস প্রিন্সিপাল
    আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন বাড্স ভ্যালি স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক আহসান মাহবুব, ভুক্তভোগী প্রিন্সিপাল জহিরুল হক।

    বাড্স ভ্যালি স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক আহসান মাহবুব বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় আমাদের বাড্স স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও প্রিন্সিপাল জহিরুল হকের বাড়িতে একদল দূর্বৃত্ত সন্ত্রাসী বাহিনী চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে ঐ শিক্ষক ও তার মাকে মারধর করাসহ পরিবারকে বিভিন্নভাবে হেনস্থা করে। তারই প্রতিবাদে আজ আমরা শিক্ষক শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করছি। ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষকের বাড়িতে যারা হামলা চালিয়েছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

    এ প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন,সাউথ ভিশন স্কুল এন্ড কলেজর প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন,পলাশবাড়ী বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সমাজের সমন্বয়ক হোসাইন মোহাম্মদ ফজলে রাব্বিসহ আরও অনেকে।

  • আশুলিয়া থানার সামনে ভ্যানে লাশের স্তূপ-ফেসবুকে ভিডিও ভাইরাল -তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি গঠন

    আশুলিয়া থানার সামনে ভ্যানে লাশের স্তূপ-ফেসবুকে ভিডিও ভাইরাল -তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি গঠন

    হেলাল শেখঃ কোটা আন্দোলনে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার সামনে ভ্যানে লাশের হলুদ জার্সি দেখে নিখোঁজ স্বামীকে শনাক্ত করলেন এক ভুক্তভোগী স্ত্রী লাকি আক্তার। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা দেহগুলোর স্তূপ থেকে ব্রাজিলের জার্সি পরিহিত একটি হাত বের হয়ে থাকতে দেখা যায়, সেই হাত দেখে ওই ব্যক্তিকে স্বামীর লাশ হিসেবে শনাক্ত করেছেন লাকি আক্তার।

    ভুক্তভোগী লাকী আক্তার নামের ওই নারী গণমাধ্যমকে বলছেন, লাশের ভ্যানে থাকা ওই ব্যক্তি তার স্বামী আবুল হোসেন বলে দাবি করেন। এ সময় লাকির প্রতিবেশীরাও ওই হাত আবুল হোসেনের হওয়ার কথা বলেন, যিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট ২০২৪ইং তারিখে শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার খবর শুনে ব্রাজিলের জার্সি পরেই ঘর থেকে বেরিয়েছিলেন। লাকী আক্তার গত ৫ আগস্ট থেকে তার স্বামী আবুল হোসেনের নিখোঁজ থাকাশ এ বিষয়ে আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি জিডি করেছিলেন।

    একটি ভিডিওতে ভাইরাল হওয়া ভ্যানে একটির ওপর আরেকটি নিথর দেহ স্তূপ করে রাখার যে ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়েছে সেটি সাভারের আশুলিয়া থানার ঠিক পাশেই ঘটনা বলে ইতোমধ্যেই গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

    সেখানকার বাসিন্দা জনাব আলী বলেন, ভিডিওটিতে যে ভ্যানে রক্তমাখা নিস্তেজ দেহগুলো তুলতে দেখা গেছে, সেটি দাঁড়ানো ছিল থানার কোনায় জামে মসজিদের ঠিক পেছনে গলির ওপরে। সময় তখন বিকাল ৫টা। এর কিছুক্ষণ পর সড়ক থেকে দেহগুলো ওই ভ্যানে তোলা হয় এবং আগুনে পুড়ে দেওয়া হয় দেহগুলো।

    উক্ত বিষয়ে স্থানীয় লোকজন বলেন, পরে পুলিশ চলে যাওয়ার পর থানার সামনে থেকে পুলিশের একটি লেগুনা জ্বলতে দেখা যায়। পরিস্থিতি শান্ত হলে জনগণ সেই আগুন নেভানোর পর সেখানে কয়েকটি পোড়া লাশ দেখতে পায়।

    ৬ আগস্ট সেখানে ছয়টি পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়। সেগুলোর মধ্যে চারটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাকি দুইজনের লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে নিকটবর্তী আমতলী গোরস্থানে দাফন করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রমতে জানা যায়।

    লাকী আক্তার ও আবুল হোসেন দম্পতি থাকতেন আশুলিয়ার বাইপাইল পশ্চিমপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়ির ঘরে। তাদের দুই সন্তান বড়টির বয়স (৯) বছর ছোটটি (৬) মাস বয়সি। আবুল হোসেন দিনমজুরির ভিত্তিতে ট্রাক থেকে মালামাল নামানোর কাজ করতেন বলে তার স্ত্রী জানান। লাকী সেখানকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তবে ছোট বাচ্চাটির জন্মের পর শারীরিক কারণে কাজ ছাড়তে বাধ্য হন। সংসার চলছিল পুরোপুরি আবুল হোসেনের রোজগারে।

    গত শনিবার ভাড়া বাসায় কথা হয় তার সঙ্গে। কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন বারবার। বলছিলেন, তার সন্তানদের এখন কী হবে?

    লাকী আক্তার বলছেন, গত ৫ আগস্ট ২০২৪ইং দুপুর ১২টার দিকে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন আবুল হোসেন। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি।

    ছয় মাসের বাচ্চা কোলে লাকী এই কয়েক দিন ধরে হাসপাতাল, মর্গ, কারাগার, থানা থেকে শুরু করে সেনানিবাস পর্যন্ত স্বামীর খোঁজে গিয়েছেন। পরে গত শুক্রবার রাতে তার একজন আত্মীয়কে কেউ একজন ভিডিওটি পাঠিয়ে দেখতে বলেন। আত্মীয়টি সেটি তাকে দেখালে তিনি স্বামীকে চিনতে পারেন। সেই সময়ই ভ্যানে ঢাকা চাদর কিছুটা সরে গিয়ে আরও দেহের নিচে চাপা পড়ে থাকা একজনের হাত বের হয়ে যায়। দুই তিন সেকেন্ডের সেই হাতের ছবি দেখে তাকে আবুল হোসেন বলে শনাক্ত করেন তার স্ত্রী ও স্বজন প্রতিবেশীরা।

    লাকী আক্তার বলছেন, ৫ আগস্ট দুপুরের দিকে ব্রাজিল ফুটবল দলের একটি হলুদ রঙের জার্সি আর লুঙ্গি পড়ে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তিনি। আশপাশে অনেকেই চেনেন আবুলকে। বাইপাইল মসজিদ থেকে যখন আসরের আজান হচ্ছিল তখনো মসজিদের পাশেই তাকে দেখেছেন স্থানীয়রা।

    আবুল হোসেনের প্রতিবেশীরা জানান, ওই দিন শেখ হাসিনার পতনের পর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে একটি বিজয় মিছিলে আবুল হোসেনকে দেখেছিলেন তিনি। ভিডিওটি দেখে স্থানীয় আলী হোসেন ধারণা করছেন, বিকালে রাস্তায় জমায়েত হওয়া লোকজনকে লক্ষ্য করে পুলিশ যে গুলি চালিয়েছিল তাতে অনেকেই হতাহত হন। যাদের লাশ ভ্যানে করে সরিয়ে ফেলা হয়।

    তবে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে এ বিষয়ে কোনো তথ্য নেই, তদন্তও করেননি পুলিশ। ভ্যানের সেই নিথর দেহ বা লাশগুলো কোথায় গেল সেটিও জানে না পুলিশ। ভ্যানের লাশগুলোই কি লেগুনায় তোলা হয়েছিল কিনা সে তথ্যও নেই তাদের কাছে।

    ঢাকা জেলার এসপি আহম্মদ মুইদ কয়েক দিন আগে দায়িত্ব নিয়েছেন। মোবাইল ফোনে তাকে লাকী আখতারের বিষয়টি জানালে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আমি লাকী আখতারের বিষয়টি শুনলাম। আমি সব খবর নিয়ে আপনার সঙ্গে পরে কথা বলবো।

    তিনি আরও বলেন, আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি তবে এখনো বিস্তারিত কিছুই জানি না। রবিবার উক্ত বিষয়ে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে পুলিশ সুপার জানান।

  • কাল‌কি‌নি সৈয়দ আবুল হো‌সেন একা‌ডে‌মি‌তে নতুন দুই শিক্ষ‌কের যোগদান

    কাল‌কি‌নি সৈয়দ আবুল হো‌সেন একা‌ডে‌মি‌তে নতুন দুই শিক্ষ‌কের যোগদান

    মো:মিজানুর রহমন,কাল‌কি‌নি প্রতিনিধি
    কাল‌কি‌নি সৈয়দ আবুল হো‌সেন একা‌ডে‌মির সু‌যোগ‌্য প্রধান শিক্ষক বি.এম. হেমা‌য়েত হো‌সে‌নের সভাপ‌তি‌ত্বে আজ র‌বিবার ১‌সেপ্টম্বর সকা‌লে শিক্ষক হল রু‌মে দুই শিক্ষক এর যোগদান ও শিক্ষক‌দের প‌রি‌চিত সভা ও ‌বি‌ভিন্ন বিষয় নি‌য়ে আ‌লোচনা হয়।
    এসময় যোগদান পত্র প্রধান শিক্ষকের কাছ থে‌কে গ্রহণ ক‌রেন জীব বিজ্ঞা‌নের নতুন শিক্ষক আসাদুজ্জামান ও বাংলা বিভা‌গের প‌লি বিশ্বাস।
    এসময় স্কু‌লের শিক্ষক‌দের ম‌ধ্যে যারা উপ‌স্থিত ছি‌লেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ ইউনুছ আলী,ধর্মীয় শিক্ষক মোঃ আবুল বাশার,সিনিয়র শিক্ষক আ‌নোয়ার হো‌সেন,‌‌বিএস‌সি শিক্ষক মোঃ জামাল হো‌সেন,সি‌নিয়র শিক্ষক মোঃ জা‌হিদুর রহমান,ইং‌রে‌জি শিক্ষক হেমা‌য়েত হো‌সেন,সি‌নিয়র শিক্ষক মমতাজ বেগম,সি‌নিয়র শিক্ষক তরুন কা‌ন্তি দাস,বিজ্ঞান শিক্ষক তাপস মজুমদার,শিক্ষক শ‌হিদুল ইসলাম,ইং‌রে‌জি শিক্ষক সমতল গাইন,বা‌নিজ‌্য বিভা‌গের শিক্ষক কামরুল ইসলাম,আই‌সি‌টি শিক্ষক আ‌বিদা সুলতানা, শিক্ষক ক‌বির হো‌সেন ও শিক্ষক শাওন বলসহ অন‌্যান‌্য প্রমুখ।

  • তালতলীতে জিম্মায় রাখা চো*রাই ট্রলার ছেড়ে না দেওয়াতে ইউপি সদস্যকে মা*রধর

    তালতলীতে জিম্মায় রাখা চো*রাই ট্রলার ছেড়ে না দেওয়াতে ইউপি সদস্যকে মা*রধর

    বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে জিম্মায় রাখা চোরাই ট্রলার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে না দেওয়ায় ইউপি সদস্য জামাল খানকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মারধরের পরে আহত ইউপি সদস্যকে চিকিৎসা করতে না দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখলে ইউএনও উদ্ধার করে হাসপতালে নিয়ে যায়।

    রবিবার(০১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে ইউপি সদস্যকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয় ইউএনও সিফাত আনোয়ার তুমপা। এর আগে গতকাল শনিবার রাত ১১ টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মরানিদ্রা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লক্ষি পরিবহন নামের একটি স্টিলবডি (ট্রলার) স্থানীয় সোহাগ আকন, বেলাল ও ইব্রাহিমসহ কয়েকজন চুরি করে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নিদ্রা স্লুইজঘাট খালে নোঙর করে পালিয়ে যায়। পরে জাফর দফাদার ট্রলারটি দেখতে পেয়ে ইউপি সদস্য জামাল খানকে জানালে তিনি প্রশাসনের নির্দেশে ট্রলারটি তার জিম্মায় রাখেন। এই খবর পেয়ে তালতলী থেকে স্বাস্থ্য সহকারী আবু কালাম, বিএনপি সর্মথক আল আমিন, কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক বশির উদ্দিন, কালবেলা পত্রিকার প্রতিনিধি সাংবাদিক নাঈম ইসলাম ও মানবকন্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি সাংবাদিক শাহাদাত হোসেনসহ ২৫ থেকে ৩০ জন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আনুমানিক রাত ১১ টার দিকে ইউপি সদস্য জামাল খানকে ঘুম থেকে উঠায়। পরে ঐ ইউপি সদস্যকে চোরাই ট্রলারটি নেওয়ার জন্য অনৈতিক প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হলে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এসময় ইউপি সদস্য বাধা দিলে আবু কালাম, সাংবাদিক নাইম ও শাহাদাতের নির্দেশে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে ও বিবস্ত্র করে ফেলে ঘটনা স্থল থেকে নিদ্রা বাজারে নিয়ে আসেন। ফের মারধর করলে স্থানীয়রা ইউপি সদস্যকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে চাইলে জীবন নাশের হুমকি দিয়ে যায়। জীবনের ভয়ে ইউপি সদস্য চিকিৎসা না নিয়ে বাড়িতে থাকলে দুপুর দুইটার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা উদ্ধার করে তালতলী হাসপাতালে পাঠায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়।

    আহত ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জামাল খান, রাতে আমার ঘুম থেকে জাফর দফাদার ঘুম থেকে উঠিয়ে ট্রলারের কাছে নিয়ে যায়। ট্রলারটি ছাড়িয়ে নিতে আবু কালাম, আল আমিন, বশির, সাংবাদিক নাইম ও শাহাদাতসহ তারা টাকার প্রস্তাব দেয়। এতে আমি রাজি না হওয়াতে আমাকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয় ও বিবস্ত্র করেন। আমি এই হামলা কারীদের বিচার চাই।

    এবিষয়ে ঐ ইউপি সদস্য জসিম হাং, শাকিল খান ও জাহিদসহ একাধিক সদস্যরা বলেন, চুরি করা ট্রলার ছিনতাইয়ে বাধা দিয়ে দুই সাংবাদিকসহ ২৫-৩০ জন সন্ত্রাসীরা জামাল খানের ওপর হামলা চালিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। আমরা এই হামলাকারীদের কঠিন বিচার চাই।

    এবিষয়ে অভিযুক্ত আবু কালাম বলেন, ঐ ঘটনাটি আমার কর্ম এলাকায় হওয়াতে আমি বশিরের অনুরোধে আমি ঘটনা স্থলে যাই। তবে মারধরের ঘটনায় আমি জড়িত নয়।

    মানবকন্ঠ পত্রিকার সাংবাদিক শাহদাৎ বলেন,আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েছিলাম। তবে আমি ও সাংবাদিক নাইম ইসলাম মারধরের সাথে জড়িত নয়।

    ইউপি চেয়ারম্যান বাচ্চু মিয়া বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জেনেছি। এবিষয়ে সরাসরি কথা বলবো।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, ট্রলারের বিষয়ে ইউপি সদস্য আমাকে জানালে তাকে জিম্মায় রাখতে বলি। ঐ রাতেই ট্রলারটি ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য ইউপি সদস্যকে মারধরের খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি ও আহত ইউপি সদস্যকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    মংচিন থান
    বরগুনা প্রতিনিধি।

  • রুয়েট উপাচার্যের পদত্যাগ

    রুয়েট উপাচার্যের পদত্যাগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রে তিনি পারিবারিক কারণ দেখিয়েছেন। শনিবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি।

    রোববার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রুয়েটের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আরিফ আহম্মদ চৌধুরী। তিনি বলেন, উপাচার্য জাহাঙ্গীর আলম পারিবারিক কারণ দেখিয়ে আচার্য বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। একটি কপি তিনি পেয়েছেন।

    ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বলেন, রুয়েটে এখন উপাচার্য শুন্য। ডিনদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ কেউ ভারপ্রাপ্ত হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। কে পালন করবেন, সে ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। খুব তাড়াতাড়ি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    রুয়েটে গত ১০ আগস্ট জরুরি সিন্ডিকেট সভা করে ক্লাস-পরীক্ষা ও হলসমূহ খোলা হয়েছে। ১০৫তম সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্তত অনুযায়ী, গত ২০ আগস্ট আবাসিক হল খুলেছে আর ২৪ আগস্ট থেকে ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

    এর আগে গত বছর ১৩ আগস্ট উপাচার্য হিসেবে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলমকে আগামী চার বছরের জন্য এখানে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর এক বছর পর তিনি পদত্যাগ করলেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।