Blog

  • নওগাঁয় মর্মান্তিক সড়ক দূ*র্ঘটনায় এক জনের মৃ*ত্যু 

    নওগাঁয় মর্মান্তিক সড়ক দূ*র্ঘটনায় এক জনের মৃ*ত্যু 

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের মহাদেবপুর উপজেলার পিড়ার মোড় নামক স্থানে পিকআপ এর নিচে চাপা পরে আফছার আলী (৬৭) নামের এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক এ সড়ক দূর্ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৩টারদিকে। নিহত আফছার আলী মহাদেবপুর উপজেলার পীড়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় আফছার আলী তার নিজ বাড়ি থেকে হাট চকগৌরী বাজারে কুমড়া বিক্রি করতে হেটে যাচ্ছিলেন। পথে পিড়ামোড়ে পৌছালে এসময় পেছন থেকে আসা সবজি বাহী একটি পিকআপ সবজিতে পানি দেওয়ার জন্য রাস্তার বাম পাশ থেকে ডান পাশে নিয়ে নেওয়ার সময় দ্রুত গতীতে আসা পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। সেই পিকআপের নিচে চাপা পরেন আফছার আলী। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা পিকআপের নিচে চাপাপড়া আফছার আলীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। এ সময় পিকআপ চালক পালিয়ে গেলে স্থানীয়রা পিকআপটি ঠেলে রাস্তার পাশে রেখে দেয় এবং নিহত আফছার আলীর মৃতদেহ তার স্বজনরা বাড়িতে নিয়ে যায়।#

    আব্দুল মজিদ মল্লিক 
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

  • সুন্দরবনের উপকূলীয় অর্ধশতাধিক স্থানে অবৈধ বালু উত্তোলন, ভাঙনে বিলীন বসতবাড়ি  প্রশাসন নিরব

    সুন্দরবনের উপকূলীয় অর্ধশতাধিক স্থানে অবৈধ বালু উত্তোলন, ভাঙনে বিলীন বসতবাড়ি প্রশাসন নিরব

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের উপকূলীয় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জসহ নয়টি উপজেলায় সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন কাজের অজুহাতে বিভিন্ন নদী-খাল ও ছড়া থেকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বেপরোয়াভাবে চলছে বালু উত্তোলন।বিভিন্ন উপজেলার পাশ দিয়ে প্রবাহিত প্রায় অর্ধশতাধিক স্থানে দিনে-রাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। প্রভাবশালী মহলের আগ্রাসনের শিকার হয়ে পুরো জেলার নদী-খাল-ছড়াগুলো এখন যেনো বালুখেকোদের নিষ্ঠুরতার বলি।প্রশাসনের লোকজন দেখেও না দেখার ভান করে থাকায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
    সরেজমিনে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জসহ নয়টি উপজেলাতে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, অবস্থা অনেকটা মগের মুল্লুকের মতো। নিজের ইচ্ছা মতো বালু উত্তোলন করছে। কিন্তু কারও যেন কিছু বলার নেই। এই বালু উত্তোলনের মাধ্যমে একদল মানুষ অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে, আর অন্যদিকে সরকারের কয়েকশ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প হুমকির মুখে পড়ছে। ড্রেজার ও ভেকু দিয়ে যত্রতত্রভাবে বালু উত্তোলন করলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয় এবং নদীর পাড় ভেঙে যায়। অর্থাৎ নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে প্রকৃতিরও ক্ষতি হচ্ছে।কোন ধরণের নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই অন্তত অর্ধশত স্থান থেকে দিনে-রাতে বালু উত্তোলন চলছে। উত্তোলিত সে বালু ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাগেরহাট সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। বালু ভর্তি ট্রাক চলাচলের কারণে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা গ্রামীণ সড়কগুলোর। বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা বিধি না মানার কারণে নদী-খাল ও ছড়া ভেঙ্গে এবারো-থেবড়ো হয়ে গেছে। তবে বালু সন্ত্রাসীদের ভয়ে মুখ খুলতে রাজি নয় কেউ।সরেজমিনে দেখা গেছে, মাত্রাতিরিক্ত বালু খেকোদের তাণ্ডবে বাগেরহাট জেলার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলা মোরেলগঞ্জ। উপজেলার বিভিন্ন খাল-ছড়া থেকে বৈধ-অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে খাল ও ছড়ার মানুষের বসতবাড়ি-জমি ভাঙনের শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়িত। বালুবাহী বিভিন্ন ভারী যানবাহনের চাপে উপজেলার অধিকাংশ গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারের অল্প দিনের মাথাতেই চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে।থেকেও ড্রেজার (গভীর থেকে বালু উত্তোলনের বিশেষ বৈদ্যুতিক যন্ত্র) দিয়ে বালু তোলার আইনি কোন সুযোগ নেই।অনুসন্ধানে জানা যায়, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জসহ নয়টি উপজেলাতে সড়কে অন্তত ৫০টি স্থানে প্রভাবশালীদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দিয়ে বালুর ব্যবসা চালাচ্ছে চক্রটি। ইউপি সদস্য যুবলীগ, ছাত্রলীগ, এলাকায় আওয়ামী লীগের নামে নেতাকর্মীরা প্রতিরাতে বিভিন্ন অংকের চাঁদা তুলছেন। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গিয়ে বালু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে আসার তথ্য পাওয়া গেছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় জমির মালিক বলেন, ‘কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না বালু ও মাটি উত্তোলন। এ বালু দিয়ে বাড়ি, রাস্তাসহ বিভিন্ন ভরাট কাজের ব্যবসা করা হচ্ছে।পানগুছি নদীতে গভীর করে মাটি কাটা ও বালু উত্তোলনের ফলে প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে তার খেসারত দিতে হয় নদী ধারের জমির মালিকদের। ক্ষতি হয় ফসলি জমির। অনেক গাছপালা যায় নদীগর্ভে।বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান মোহাম্মদ আল-বিরুনী জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রায়শ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে স্থানীয়রা লিখিত অভিযোগ না দেওয়ায় কারা জড়িত, সে বিষয়ে সবসময় নিশ্চিত হওয়া যায় না। এতে সরাসরি কারও বিরুদ্ধে মামলা করা যাচ্ছে না।

  • শেখ হাসিনার দেশকে ধ্বংস করে দিয়ে পালিয়েছে : আলতাফ হোসেন চৌধুরী 

    শেখ হাসিনার দেশকে ধ্বংস করে দিয়ে পালিয়েছে : আলতাফ হোসেন চৌধুরী 

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি : মোঃ নাঈম মল্লিক

    শেখ হাসিনার দেশকে ধ্বংস করে দিয়ে পালিয়েছে বলে  মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সারা দেশের লুটপাটের রাজনৈতি কায়েম করেছিল। দেশের বিচার ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি করে তাদের হত্যা করেছে। শুধু তাই না, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে মানুষের ওপর গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে জালেম সরকার। গুম, খুন, নিপীড়ন ছিল এই সরকারের নিত্যদিনের কর্মকাণ্ড। তিনি আজ দুপুরে ঝালকাঠির নলছিটির দপদপিয়া ইউনিয়নে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাহফুজ খানের অফিসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় এসব কথা বলেন। 

    সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, আমাদের এখন একটাই কাজ হচ্ছে ড. ইউনূসকে  সহযোগিতা করা। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি একটি জাতীয় নির্বাচন দেবেন বলে আমরা আশা করি। রাজনীতিবিদরা দেশ পরিচালনা করলে দেশের অর্থনীতি আরও এগিয়ে যাবে। 

    দেশের বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে জানিয়ে সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের পেতাত্মারা এবং ভারতীয় ‘র’ দেশের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন। 

    বিএনপি নেতাকর্মীদের তিনি ধৈর্য ধরে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলার প্রস্তুতি নিতে বলেন। 

    মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন এম খান গ্রুপের কর্ণধার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মাহফুজ খান, তার ছেলে এম খান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাফসান খান রাফি, নলছিটি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার অহিদুল ইসলাম বাদল, নলছিটি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক তৌহিদ আলম মান্না, সদস্যসচিব সাইদুল কবির রানা, দপদপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নান্টু মল্লিক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুজন খান, যুগ্ম আহ্বায়ক ফয়সাল আহাম্মেদ, পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সাব্বির আহমেদ।

  • পঞ্চগড়ে আট দফা দাবিতে চা চাষীদের মানববন্ধন

    পঞ্চগড়ে আট দফা দাবিতে চা চাষীদের মানববন্ধন

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    পঞ্চগড়ে চায়ের সবুজ পাতার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত, চা পাতার ওজন কর্তন ও চা চাষীদের হয়রানি বন্ধ সহ ৮ দফা দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারক লিপি প্রদান করেছে চা চাষীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চগড়ের চা বাগান মালিক সমিতি ও সর্বস্তরের চা চাষীদের ব্যানারে জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পঞ্চগড়-ঢাকা মহাসড়কের একপাশে দাড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন পালন করা হয়। এসময় মহাসড়কে কাঁচা চা পাতা ফেলে প্রতিবাদ জানান চাষিরা।

    মানববন্ধনে চা চাষী আবুল বাশার বসুনিয়া, শাহিন আলম, আনিসুর রহমান আনিস, আতাউল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। 

    এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার তিন শতাধিক চা চাষী অংশগ্রহণ করেন। 

    এ সময় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইংরেজরা যেমন নীল চাষে দেশের চাষিদের রক্ত চুষে ছিল। তেমনি পঞ্চগড়ের চা-কারখানা মালিকসহ সিন্ডিকেট চক্রটি চা চাষিদের রক্ত চুষে খাচ্ছে। চাষীদের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। চা পাতার ওজন কর্তন করে দাম কম দিয়ে চাষীদের হয়রানি করা হচ্ছে। তৈরি চায়ের দাম বাজারে থাকলেও কাঁচা চা পাতা বিক্রির সময় চাষীরা নায্য দাম পান না। অনলাইন নিলাম কেন্দ্র হয়েও চাষিরা কোনভাবে উপকৃত হচ্ছেন না। অনেক চাষী আজ ঋণগ্রস্থ। ঋণের টাকায় চা বাগানের পরিচর্যা করছেন। কিন্তু কীটনাশক সহ শ্রমিক খরচে তারা তুলতে পারছেন না। অনেকে কারখানার মালিকদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে চাষিরা  দাম না পেয়ে গাছ তুলে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন।

    চা চাষীদের ভূর্তুকির মাধ্যমে মেশিন সহ আধুনিক যন্ত্রপাতি প্রদান, চায়ের দাম প্রতি কেজি ৪০ টাকা নির্ধারণ, সুদ মুক্ত সহজ শর্তে ঋণ দেয়া, চায়ের আইন পরিবর্তন করা সহ ৮ দফা দাবি আগামী ৭ দিনের মধ্যে মানা না হলে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুশিঁয়ারী উচ্চারণ করেন তারা।

  • ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকে বহিস্কারের দাবি

    ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকে বহিস্কারের দাবি

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম গাজীর নামে অপপ্রচারকারী কুশঙ্গল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক (পদ স্থগিত) শাকিল হাওলাদারকে দল থেকে বহিস্কারের দাবি জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার সকালে ঝালকাঠির নলছিটি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান কুশঙ্গল ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. সরোয়ার হোসেন খান।

    তিনি বলেন নলছিটি উপজেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত করে রেখেছেন সাধারণ সম্পাদক সেলিম গাজী। অথচ তাঁর বিরুদ্ধে একজন ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হয়ে শাকিল হাওলাদার অপপ্রচার চালাচ্ছে। শাকিল হাওলাদারকে আওয়ামী লীগের দালাল বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কুশঙ্গল ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. সরোয়ার হোসেন খান। তিনি অভিযোগ করেন, শাকিল হাওলাদার আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সময় বিএনপির পদ পেয়েও নিস্কৃয় ছিলেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তছলিম উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে প্রচারণায় সরব ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে ভাগে ব্যবসা করেছেন। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে তিনি ও তাঁর ভাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জিয়াউর রহমান সাইফুল আবার বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নানা অপকর্ম করে যাচ্ছেন। তাঁর আরেক ভাই ফয়সাল হোসেন পান্না ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। শাকিলের নির্দেশে তাঁর ভাই ও স্বজনরা আওয়ামী লীগের দালালদের নিয়ে সাধারণ মানুষের বাড়ি-ঘর পুড়ে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছেন। শাকিল ইউনিয়ন যুবদল নেতা দুলাল খাণ ও শহিদ হাওলাদারের নামে সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যা গুজব রটিয়েছেন। আওয়ামী লীগের এই দালালকে দল থেকে বহিস্কারের দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

    এ বিষয়ে শাকিল হাওলাদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আমার জীবনে কখনো আওয়ামী রাজনীতির সাথে আপোষ করিনি করবো না। আমার বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ আনার বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রনোদিত। আমি এবং ভাইয়েরা ৫ তারিখের পরে কোন রকম কারো উপর হামলা বা এরকম কিছুই করেনি। প্রয়োজনে সরেজমিনে আপনারা খোঁজ খবর নিতে পারেন। আমার কাছে চাঁদা দাবী করেছেন উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক সেলিম গাজী যাহা আমি দেইনি বলে আমার পদ পদবী স্থগিত করেছেন। সেই ঘটনা আমি নলছিটি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়েছি। এখন তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট তকমা দিতেই এই অভিযোগ করেছেন যার কোনরকম ভিত্তি নেই।

    উল্লেখ্য দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ৩১ আগস্ট রাতে নলছিটি উপজেলা বিএনপি শাকিল হাওলাদারের ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদ স্থগিত করেন। এ ঘটনায় শাকিল হাওলাদার ৩ আগস্ট নলছিটি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তার পদ স্থগিতের জন্য উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম গাজীকে দায়ি করেন। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবিরও অভিযোগ করেন শাকিল।

    সংবাদ সম্মেলনে কুশঙ্গল ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক আহবায়ক শহিদুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দুলাল খান, ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খোকন, কৃষক দলের সভাপতি হাবিবুর রহমানসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নওগাঁয় জমি দখলের অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় বিএনপির জিডি

    নওগাঁয় জমি দখলের অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় বিএনপির জিডি

    পোরশা থানা প্রতিনিধিঃ- মোঃ তোফাজ্জল হোসেন

    নওগাঁর পোরশা উপজেলার সাবেক সহ সভাপতি ও বর্তমানে তেতুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য তৌফিক শাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে কৃষকের জমি দখলের অভিযোগে থানায় জিডি করা হয়েছে।
    বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বিএনপির পক্ষে দলের বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ এইচ এম ওবায়দুর রহমান চন্দন এই জিডি দায়ের করেন।
    জানা গেছে, দেশের পটপরিবর্তনের পর ক্ষমতার জোরে তিনি ওই ছয় কৃষকের ২৪ বিঘা জমি দখল করেছেন বলে থানায় অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে বিএনপির পক্ষ থেকে আজ বুধবার রাত ৯ টায় পোরশা থানায় জিডি করা হয়।
    পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিয়ার রহমান ঢাকাপ্রকাশকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
    উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে ঢাকা প্রকাশ একটি পত্রিকায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কৃষকের জমি দখলের অভিযোগ শীর্ষক একটি খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে বিএনপি নেতা তৌফিক শাহ্ চৌধুরী ছয় কৃষকের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।

  • সেনবাগে ৫ সহস্রাধিক বন্যার্তের পাশে বিরতিহীন ভাবে ত্রাণ ও চিকিৎসা সেবা দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন সেচ্ছাসেবী আলাউদ্দিন আলো

    সেনবাগে ৫ সহস্রাধিক বন্যার্তের পাশে বিরতিহীন ভাবে ত্রাণ ও চিকিৎসা সেবা দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন সেচ্ছাসেবী আলাউদ্দিন আলো

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)

    নোয়াখালীর সেনবাগে স্মরণকালের ভয়াবহ দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় গত ২০ আগস্ট থেকে অধ্যবদি পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ৫ হাজারের ও অধিক বন্যাদূর্গত মানুষকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ,২৫ টি আশ্রয় কেন্দ্রে রান্না করা খাবার পরিবেশন, নগদ অর্থ প্রদান ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ,বিভিন্ন পেশার ৩ হাজার ৯ শত ৮৫ টি মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী – শুকনা খাবার বিতরণ, ঔষধ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করে ইতিমধ্যেই সেনবাগের সর্বমহলে প্রশংসায় ভাসছেন মায়া হাসপাতালের কর্ণধার ও বিশিষ্ট সমাজসেবক, সাংবাদিক মো: আলাউদ্দিন আলো।এক বুক সমান বন্যার পানিতে নিজের সহযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে মো: আলাউদ্দিন আলো বহু পানিবন্ধী পরিবারকে উদ্ধার করে আশ্রয় কেন্দ্রে পৌঁছে দেন। অনেক পরিবারকে থাকতে দিয়েছেন নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মায়া হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। সেনবাগ পৌরসভার বাসিন্দা আলাউদ্দিন আলো শুধু পৌর এলাকায় নয়, তার ত্রাণ,খাদ্য,ঔষধ ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন সেনবাগের প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলগুলোতে।অনেক সমাজসেবক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন ২-৪ দিন পর তাদের সেবা কার্যক্রম বন্ধ করে দিলেও আলাউদ্দিন আলো বিরতিহীন ভাবে অদ্যবধি পর্যন্ত চলমান রেখেছেন তার সেবামূলক এ কার্যক্রম।উল্লেখ্য বিগত দিনে করোনা কালীন সময়ে ও আলাউদ্দিন আলো তার সেচ্ছাসেবী ভাইদের নিয়ে করোনা আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিদের লাশ দাফন, চিকিৎসা সেবা প্রদান, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে ব্যতিক্রমী এক দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছিলেন।আলাউদ্দিন আলো সুদীর্ঘ ১ যুগের ও বেশি সময় যাবত সেনবাগে বিভিন্ন ধরনের সেবামুলক কার্যক্রম করে গণমানুষের অন্তরে একজন নি:স্বার্থ সমাজসেবক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সমাজসেবক মো: আলাউদ্দিন আলো গণমাধ্যমকে জানান,আমি বাহবা পাওয়ার জন্য নয়, মুলত একজন সামাজিক মানুষ হিসেবে আমার বিবেকের তাড়নায়,নিজ দায়িত্ব কর্তব্য মনে করে এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম গুলো করি। আমি আপনাদের মাধ্যমে সেনবাগবাসীর দোয়া চাই, যতদিন বেঁচে থাকি,দল- মতের উর্দ্ধে থেকে আল্লাহ যেন আমাকে মানুষের কল্যানে সেবা করার তৌওফিক দান করেন।

  • বরগুনার তালতলীতে ঘূর্ণিঝড় রিমেলের ক্ষতিগ্রস্ত্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠিত

    বরগুনার তালতলীতে ঘূর্ণিঝড় রিমেলের ক্ষতিগ্রস্ত্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠিত

    বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে ঘূর্ণিঝড় রিমেলের ক্ষতিগ্রস্ত্যদের মাঝে সহযোগিতায় শেয়ার ট্রাস্ট, সুন্দরবন কোলিশন, ম্যানটোরিং সংস্থা জাগো নারী, বাস্তবায়নে রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, সিবিডিবি, ঈশানা নারী ফাউন্ডেশন, বড়বগী,নিশান বাড়িয়া,ও পঁচাকোরালিয়া ৩ টি ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় ০২ সেপ্টেম্বর রোজ সোমবার তালতলী জাগোনারী কার্যালয়ের রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সংস্থা নির্বাহী পরিচালক মি:মংচিন থান এর সভাপতিত্বে ২৩৪ জনকে ৬০০০ টাকা করে মোট ১৪০৪০০০ চৌদ্দ লক্ষ চার হাজার টাকা মোবাইল ব্যাংকিং নগদ এর মাধ্যমে প্রদান করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন কোয়ালিশন জাগোনারী টেকনিক্যাল ম্যানেজার দেবাশীষ কর্মকার,সুন্দরবন কোয়ালিশন জাগো নারী হিসাব রক্ষক মি:বিদ্যুৎ দাস, জাগো নারী রাইট টু গো ম্যানেজার মো :মনিরুজ্জামান নান্নু, আর এসডিও সিনিয়র ভলান্টিয়ার মি:মংথানচো জোজো ও ঈশানা নারী ফাউন্ডেশন সিনিয়র ভলান্টিয়ার মো:হুমায়ুন কবির সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    মংচিন থান
    বরগুনা প্রতিনিধি ।।

  • আমিনপুর থানা প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি’র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবাইকে অভিনন্দন

    আমিনপুর থানা প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি’র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবাইকে অভিনন্দন

    হেলাল শেখঃ পাবনা জেলার “আমিনপুর থানা প্রেসক্লাব” এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি’র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবাইকে প্রাণঢালা অভিনন্দন।

    ২০১৮ সালে “আমিনপুর থানা প্রেসক্লাব” প্রতিষ্ঠার পর থেকে পরপর ৪বার (সভাপতি) নির্বাচিত হলেন মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ (২০২৪-২০২৬ইং) দুই বছর মেয়াদে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়েছে ০৫/০৯/২০২৪ইং তারিখে।

    উক্ত “আমিনপুর থানা প্রেসক্লাব” এর প্রতিষ্ঠাতা (সভাপতি) মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ আবারও পূর্ণাঙ্গ কমিটি’র (সভাপতি) নির্বাচিত হলেন, এই কমিটির (সহ-সভাপতি) জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, ফেরদৌস আলম তপন, এম এ হাশেম, আবু আল সাইদ, (সাধারণ সম্পাদক) মোঃ ফেরদৌস হাসান, (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক) মোঃ শহিদুল ইসলাম, (সাংগঠনিক সম্পাদক) আলমগীর কবির পল্লব, (দপ্তর সম্পাদক) মোঃ জাকারিয়া জুয়েল, (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক) মোঃ সোহানুর রহমান, (কোষাধক্ষ্য) মোঃ আব্দুল জব্বার, (প্রচার সম্পাদক) মোঃ হাসান মিয়া, (সাংস্কৃতিক সম্পাদক) মোঃ শরিফুল ইসলাম, (সমাজ কল্যাণ সম্পাদক) মোঃ আজিজুল কায়সার, (কার্যকরী সদস্য) মোঃ আলমগীর হুসাইন অর্থ, মোঃ সজিব হাসান জয়, আব্দুস সালাম বিশ্বাস, মোঃ সাইফুল ইসলাম জয়, মোঃ মিজানুর রহমান কাজল, (সদস্য) মোঃ মাহাবুব হোসেন, মোঃ মহসীন মল্লিক, মোঃ হারুন অর রশিদ, মোঃ আল-আমিন, মোঃ নাহিদুজ্জামান পরাগ।

    এই পাবনা জেলার “আমিনপুর থানা প্রেসক্লাব” এর সকল সাংবাদিক সদস্য ও সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পূর্ণাঙ্গ কমিটির সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফিজ, তিনি বলেন, দলমত নির্বিশেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে সবার সহযোগিতা চাই। সেই সাথে সবাইকে আবারও অভিনন্দন। সবার প্রতি দোয়া ও শুভকামনা করছি। তিনি আরো বলেন, কোটা আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি, আল্লাহ যেন সবাইকে বেহেশত নসিব করেন, আমিন। তিনি আরো বলেন, আমাদের আমিনপুর থানা প্রেসক্লাবের সাফল্য কামনা করছি, এর জন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা চাই।

  • গোদাগাড়ীতে ইউএনওর  মাধ্যমে  প্রধান উপদেষ্টার ত্রান তহবিলে অর্থ সহায়তা দিলেন  বিএনপি

    গোদাগাড়ীতে ইউএনওর মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার ত্রান তহবিলে অর্থ সহায়তা দিলেন বিএনপি

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিএনপির নেতৃবৃন্দ পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টার ত্রান তহবিলে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

    বুধবার দুপুর ২ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৯ নং চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন শাখা ও অঙ্গ সংগঠন সমূহের পক্ষ থেকে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল হায়াত এর মাধ্যমে বন্যা দূর্গত এলাকার জন্য সহায়তা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার ত্রান তহবিলে নগদ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা হস্তান্তর করা হয়। এছাড়াও চর আষাড়িয়াদহ ইউপি মোড় বাজার কমিটির পক্ষ থেকে একই সময়ে প্রধান উপদেষ্টা ত্রান তহবিলে ২৭ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ৯ নং চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চাঁদ, বাজার কমিটির সভাপতি আরশেদ আলী, বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং বাজার কমিটির সদস্যবৃন্দ।

    অর্থ সহায়তা গ্রহণের পূর্বে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল হায়াত তার সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বলেন, আমরা সকল দূর্যোগে সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে দাড়িয়েছি। এটি আমাদের চিরাচরিত ঐতিহ্য। চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নবাসীকে যে কোন ধরনের সহিংসতা পরিহার করে এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, মানুষ মানুষের জন্য সবাইকে ত্রানের হাত বাড়িয়ে গরীব অসাহায় মানুষের পাশে থাকার অনুরোধ জানান।

    ইউনিয়ন সভাপতি গোলাম মোস্তফা চাঁদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে আশ্বাস্ত করেন চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন যদিও উপজেলার একটি বিচ্ছিন্ন জনবল এবং নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা তবুও এখানকার মানুষ সকল সময়ে সহবস্থানে বিশ্বাসী, তারা হানাহানি পচ্ছন্দ করেন না।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।