Blog

  • নড়াইলের এসপি মেহেদী হাসানকে জেলা পুলিশের পক্ষ ফুল দিয়ে বিদায় সংবর্ধনা

    নড়াইলের এসপি মেহেদী হাসানকে জেলা পুলিশের পক্ষ ফুল দিয়ে বিদায় সংবর্ধনা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলের এসপি মেহেদী হাসানকে জেলা পুলিশের বিদায়ী সংবর্ধনা। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) নড়াইল জেলা পুলিশ লাইনস্ ড্রিলশেডে জেলা পুলিশের কর্ণধার মোহাঃ মেহেদী হাসান এর বদলির কারণে বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন
    করা হয়। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে বিদায়ী পুলিশ সুপারকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়। পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নড়াইল জেলার ৩০ তম পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিদায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) তারেক আল মেহেদী মহোদয় পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে বিদায়ী পুলিশ সুপার কর্মকালীন সময়ে জেলা পুলিশের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেন। পরবর্তীতে কনস্টেবল থেকে শুরু করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পর্যন্ত সব পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য এক এক করে বিদায়ী পুলিশ সুপার কর্মকালীন সময়ের মধুর স্মৃতি চারণ করেন। পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান ছিলেন অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, উদার, সদা হাস্যোজ্জ্বল এবং মানবিক পুলিশ সুপার। মহতি পুলিশ সুপার বিদায় বেলায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনেকেই অশ্রুসিক্ত কান্নায় ভেঙে পড়েন। বক্তব্যের মাধ্যমে বিদায়ী পুলিশ সুপার মহোদয় তার মেধা, সততা ও উন্নয়নমূলক কাজ দিয়ে জেলা পুলিশের হৃদয়ের ভালোবাসা অর্জন করেছেন তারই প্রতিফলন হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,পরিশেষে বিদায়ী অতিথি পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান তাঁর বক্তব্যে বলেন “সততা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার মাধ্যমে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছি। জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে র‍্যাঙ্ক অনুযায়ী মূল্যায়ন করিনি। সকলের সাথে উদারতা ও আন্তরিকতার সাথে আচরণ করেছি। সামষ্টিক সমস্যার বিষয়ে কোন ইউনিট কিছু উত্থাপন করলে সঙ্গে সঙ্গে তার সমাধান করে দিয়েছি। বিদায়ী পুলিশ সুপার আরো বলেন, ১৯৮৪ সালের পর অত্র জেলা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পুলিশ লাইনস অরক্ষিত ছিল। এখন পুলিশ লাইনস এর চতুর্পাশে বাউন্ডারি দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। ফোর্সদের কল্যাণ, সুস্বাস্থ্য, খেলাধুলা, আবাসন ও বিনোদনের জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি ক্যাম্প, ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রে টেলিভিশন, ফ্রিজ, পানির ফিল্টার এবং আইপিএস সরবরাহ করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মহোদয় আরো বলেন, তিনি দুটি ঈদে শতভাগ ছুটি নিশ্চিত করেছেন এবং যার যতটুকু প্রাপ্য সম্মান তাকে যথাযথ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
    পরবর্তীতে বিদায়ী পুলিশ সুপারকে স্মৃতি স্বরূপ ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রদান শেষে বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসানকে অস্ত্রাগারে সুসজ্জিত পোশাকে সালামি প্রদান করা হয়। জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের অফিস কক্ষে বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে জেলা পুলিশ সুপারের দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেন।
    পরিশেষে পুলিশ অফিসে আয়োজিত সালামি গ্রহণ শেষে পুলিশ সুপার সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো পুলিশের সকল পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সের সহিত করমর্দনের মাধ্যমে বিদায় গ্রহণ করেন।
    এ সময় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত; তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম এন্ড অপস্); মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল); কিশোর রায়, সহকারী পুলিশ সুপার(কালিয়া সার্কেল); সকল থানার অফিসার ইনচার্জবৃন্দ; ডিআইও-০১; অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা; ইনচার্জ, অপরাধ শাখা; ইনচার্জ, সিসিআইসি; আরআই; সকল ক্যাম্প, ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জগণ সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • রাঙ্গাবালীতে মফিজুল নামের এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত লা*শ উদ্ধার

    রাঙ্গাবালীতে মফিজুল নামের এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত লা*শ উদ্ধার

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে ৬২ বছরের এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বাইলাবুনিয়া গ্রাম থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশের প্রাথমিক পাওয়া তথ্যমতে, মানসিক সমস্যা ও পারিবারিক কলহের কারণে আত্মহত্যা করতে পারে।

    মৃতদেহ পাওয়া ব্যক্তির নাম মফিজুল ইসলাম হাওলাদার। তিনি ওই গ্রামের মৃত মুনসুর হাওলাদারের ছেলে। পেশায় মফিজুল দিনমজুর ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, স্ত্রী এবং সন্তানসহ পাঁচ সদস্যের সংসার ছিল মফিজুলের।

    পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুরে বাড়ি সংলগ্ন বনায়নের একটি গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মফিজুলের মৃতদেহ দেখতে পায় পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী। তাদের ধারণা সকলের অগোচরে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

    এ ব্যাপারে উপজেলার চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. নাজমুল হাসান বলেন, প্রাথমিক তথ্যমেত দেড় বছর ধরে তার মানসিক সমস্যা ছিল। বিভিন্ন সময় পরিবারের লোকজন আটকে রাখছে তাকে। পারিবারিক কলহ ছিল। এসব কারণে হয়তো সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হচ্ছে। এই রিপোর্ট পেলে জানা যাবে কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে।

  • সাংবাদিকদের সাথে প্রবাসী বিএনপি নেতার মতবিনিময়

    সাংবাদিকদের সাথে প্রবাসী বিএনপি নেতার মতবিনিময়

    কে এম সোহেব জুয়েল গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি \ বরিশালের গৌরনদীতে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন প্রবাসী বিএনপি নেতা।

    শুক্রবার সকালে স্থানী য় রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আমেরিকার বোস্টন নিউ ইংল্যান্ড বিএনপি’র সভাপতি ও গৌরনদীর সরিকল ইউনিয়নের বাসিন্দা বদরে আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি’র বরিশাল জেলা উত্তরের সদস্য ও সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির। সৈয়দ নুরুল হক বক্তব্য রাখেন রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি খায়রুল ইসলাম, সাংবাদিক কেএম সোহেব জুয়েল, পলাশ তালুকদার, রাজিব খান প্রমূখ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে বরন করা হয়।

  • তানোরে নাশকতা মামলায় দুই চেয়ারম্যানসহ আটক ৩

    তানোরে নাশকতা মামলায় দুই চেয়ারম্যানসহ আটক ৩

    আলিফ হোসেন,

    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর তানোরে নাশকতা মামলায় দুই ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। জানা গেছে, ৫ বৃহস্পতিবার রাজশাহী জেলা ডিবি পুলিশ রাজশাহী আদালত এলাকা থেকে তাদের আটক করেন। আটককৃতরা হলেন বাঁধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও যুবলীগ নেতা রাশিদুজ্জামান রাশেল।আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ন-আহবায়ক ও চাঁন্দুড়িয়া ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল করিম বাদি হয়ে সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীসহ ১৫৬ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ২৫০ জনকে আসামী করেবি জ্ঞ আমলী তানোর থানা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ৪ আগষ্ট বুধবার মামলাটি দায়ের করেন।মামলার বিবরণ ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৪ এপ্রিল বিকেলে বাদি চাঁন্দুড়িয়া বাজারে গেলে সাবেক এমপি ফারুক চৌধুরী ও তানোর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, চাঁন্দুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যানসহ আ’ওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় ৪ শতাধিক নেতা ও কর্মী-সমর্থকেরা তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে লোহার রড়, লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্রসহ মারপিট করে বুকের হাড় ও হাত পা ভেঙে দেয়।এসময় তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই সময় কোথাও কোন অভিযোগ বা মামলা করতে পারেননি। ঘটনার প্রায় এক বছর পর আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। এবিষয়ে বাদি আব্দুল করিম বলেন, ওই সময় থানায় মামলা করতে গিয়েছিলাম কিন্তু পুলিশ মামলা নেয়নি। তিনি বলেন, প্রভাবশালীদের ক্ষমতার দাপট ও তাদের ভয়ে ওই সময় মামলা করতে পারিনি। আমি তাদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি বলেও জানান তিনি।

  • তানোরে বিএনপি নেতা মিজানের মতবিনিময়

    তানোরে বিএনপি নেতা মিজানের মতবিনিময়

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান পৌর এলাকার সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
    জানা গেছে,গত ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার তানোর উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়। মিজানুর রহমান মিজান মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামুলক
    বক্তব্য রাখেন। এদিকে একইদিন উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন মিজানুর রহমান মিজান। এসময় মিজানুর রহমান মিজান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার দেশ নায়ক তারেক রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে আমাদের সকলকে মিলেমিশে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার কাজে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, দেশ পরিচালনায় বিএনপি ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যেমন কোনো বিকল্প নাই, তেমনি রাজনৈতিক লক্ষ্যে পৌচ্ছাতে এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে ঐক্যবদ্ধ বিএনপির কোনো বিকল্প নাই। তিনি বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নিজেদের অস্থিত্ব রক্ষায় যেমন ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের প্রয়োজন: তেমনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক গণতন্ত্রের ধারক-বাহক বিএনপিকেও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, অন্যথায় বিএনপির পক্ষে তার রাজনৈতিক লক্ষ্যে পৌচ্ছা ও শহীদ জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে। তিনি বলেন, বিএনপি’র রাজনতিক দর্শন, শহীদ জিয়ার আদর্শ এবং ১৯ দফার কথা কেবল মুখে বললই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। বিএনপি’র রাজনৈতিক দর্শন কি, অর্থনৈতিক কর্মসূচী তথা উৎপাদন, উনয়ন, বিনিয়াগ-কর্মসংস্থান আধিপত্যবাদ-সামরাজ্যবাদ কি ও তার ক্ষতির দিকগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য থাকতে হবে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে ক্ষমতাচ্যুৎ আওয়ামী লীগ দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা লুটপাট ও জ্বালাও-পোড়াও করে বিএনপির ওপর দোষ চাপিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেস্টা করছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ ও তাদের রুখে দিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, আপোষহীন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশ নায়ক তারেক জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বিএনপিকে নিয়ে ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ অপশক্তিকে প্রতিহত করার পাশাপাশি বিএনপিকে জ্ঞানভিত্তিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এজন্য ঐক্যবদ্ধ বিএনপির কোনো বিকল্প নাই। তিনি বলেন, তৃণমুল নেতাকর্মীদের মাঝে পৌচ্ছে দিতে হাবে বিএনপি তথা শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন। তার মতে মূখে কেবল শহীদ জিয়ার স্বপ্নের কথা বললেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। বিএনপির রাজনৈতিক দর্শন কি, অর্থনৈতিক কর্মসূচী তথা উৎপাদন, উন্নয়ন, বিনিয়োগ-কর্মসংস্থান এবং আধিপত্যবাদ-সম্প্রসারণবাদ কি ও তার ক্ষতির দিকগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা যে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের নেই প্রশ্নে আপোষহীণ সে বিষয়টি সকল নেতাকর্মীদের হৃদয়ে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তা ছড়িয়ে দিতে হবে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে আমরা কি পেয়েছি। তিনি বলেন, আমরা কেনো বিএনপি করি, অন্যদলের সঙ্গে বিএনপির পার্থক্য কি, মানুষ কেনো বিএনপিকে ভালোবাসে ও সমর্থন করে-এসব বিষয়ে তৃণমুল পর্যায় থেকে শুরু করে সকল নেতাকর্মীদের মাঝে সুস্পষ্ট ধারণা তথা দিকনির্দেশনা থাকতে হবে। তাহলে তারা দলের প্রতি আরও বেশী নিবেদিত হয়ে কাজ করতে পারবেন। তিনি বলেন, আগামীতে
    ঐক্যবদ্ধ বিএনপিকে নিয়ে এলাকায় বিএনপিকে সাংগঠনিক ভাবে আরো শক্তিশালী, বেগবান ও সু-প্রতিষ্ঠিত করা হবে। পাশাপাশি এই অঞ্চলে বিএনপির রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিএনপি হলো অসাম্প্রদায়িক, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের প্রতীক। মানুষ তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতেই বিএনপিকে বার বার রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চাই। সাধারণ মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার রক্ষায় বিএনপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, আগামীতেও যাবে। তিনি বলেন, ক্ষমতাচ্যুৎ আওয়ামী লীগ দেশব্যাপী নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃস্টির পাঁয়তারা শুরু করেছে। এর বিচার তিনি জনগণের উপর ছেড়ে দিয়ে বলেন, আগামিতে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের বিচার করবেন।

  • তিনি নামেই আবাসিক প্রকৌশলী,দুর্নীতির আখড়া নলছিটি বিদ্যুৎ বিভাগ

    তিনি নামেই আবাসিক প্রকৌশলী,দুর্নীতির আখড়া নলছিটি বিদ্যুৎ বিভাগ

    মো:নাঈম মল্লিক,

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    মো.সোহেল রানা, ওয়েস্ট পাওয়ার জোন ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড নলছিটি অফিসে আবাসিক প্রকৌশলী পদে কর্মরত। নলছিটিতে আবাসিক অবস্থান করে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করার গুরু দায়িত্ব  থাকলেও তিনি থাকেন না।নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে তিনি পরিবারসহ থাকেন বরিশালে। বেলা ১১ টার পর  অফিসের বরাদ্ধকৃত সরকারি গাড়িতে নলছিটি কার্যালয়ে
    উপস্থিত হন এবং দুপুরের পরে চলে যান বরিশালের রুপাতলী হাউজিংয়ের ফ্লাটে। এদিকে জরুরী প্রয়োজনে গ্রাহকরা তাকে অফিসে না পেয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলেও বরিশালের পাওয়ার হাউজে কাজে নিযু্ক্ত রয়েছেন বলে জানান। বক্তব্যের সত্যতা যাচাইয়ে পাওয়ার হাউজে গিয়েও তার উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    এ কর্মকর্তার এমন ঘটনা নিত্য দিনের।নলছিটিতে যোগদানের পর থেকেই দিনদিন ওজোপাডিকো’র বিদ্যুৎ সেবার মান তলানিতে পৌঁছেছে। এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি, মিটার বানিজ্য, ভৌতিক বিল তৈরি ও বিদ্যুৎ সংযোগের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। একই সাথে দুর্নীতি,অনিয়ম ও চরম অব্যবস্থাপনার আখড়ায় পরিণত হয়েছে ওজোপাডিকো’র নলছিটি কার্যালয়।

    গ্রাহকদের অভিযোগ পেয়ে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, তিনি কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকায় কাজের ফাঁকি দেয় তার অধিনস্ত কর্মচারিরাও। লোডশেডিং বা বিদ্যুৎ লাইনের সংস্কারের প্রয়োজনে লাইনম্যানদের সাথে যোগাযোগ করা হলে গ্রাহকদের সাথে দুরব্যবহার করেন। মিটার রিডিং কর্মীরাও করেন অতিরিক্ত বিল। এনিয়ে আবাসিক প্রকৌশলীর কাছে একাধিক অভিযোগ জানিয়েও কোন সুরাহ হয়নি।

    গ্রাহকদের অভিযোগ, আবাসিক প্রকৌশলী মো.সোহেল রানা যোগদানের পর মিটার বানিজ্য,খাম্বা বানিজ্যসহ নানা অনিয়ম দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে বিদ্যুৎ অফিস। তিনিই নানা দুর্নীতির মুল হোতা। নিজের লোক দিয়ে অফিসে তৈরি করেছেন একটি সিন্ডিকেট। তার রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রভাবে কার্যালয়টি জিম্মি করে রেখেছেন।

    এ বিষয় ওজোপাডিকো’র নলছিটি বিদ্যুৎ সরবারহের আবাসিক প্রকৌশলী মো. সোহেল রানা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন তবে তিনি আবাসিক ভাবে কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

  • নাগরপুরে চাচা-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা, গণধোলাইয়ে ঘাতক নিহ*ত,আহত ১

    নাগরপুরে চাচা-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা, গণধোলাইয়ে ঘাতক নিহ*ত,আহত ১

    মো. আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে চাচা-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক মাদক সেবী। পরে জনতার গণধোলাইয়ে নিহত হয়েছে ওই ঘাতক। এ ঘটনায় আরেকজন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে নয়টায় উপজেলার ধুবড়িয়া ইউনিয়নের ধুবড়িয়া পূর্বপাড়া (কাতার মার্কেট) নামক এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। নিহতরা হচ্ছেন ওই গ্রামের মৃত ফজর আলীর ছেলে আঃ ছাত্তার (৫০), মুকুল মিয়ার ছেলে আসাদুল(২৮) এবং বাসি মিয়ার ছেলে ঘাতক মোঃ তালেব (২৫)।

    নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম জসিম উদ্দিন ট্রিপল মার্ডারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    পুলিশ, হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধুবড়িয়া গ্রামের মুকুল মিয়ার ছেলে মাদকাসক্ত আসাদুল স্থানীয় কাতার মাকের্ট এর সামনে একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিল এ সময় একই গ্রামের বাসি মিয়ার ছেলে আরেক মাদকাসক্ত মোঃ তালেব ঘটনা স্থলে এসে আসাদুলের সাথে কথা কাঁটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তালেব ধারালো ছেনি দিয়ে আসাদুলকে উপুর্যপুরী কুপাতে থাকে। এ সময় আসাদুলের চাচা আঃ ছাত্তার বাধা দিলে তাকেও উপুর্যপুরী আঘাত করে। এ সময় প্রত্যক্ষ দর্শী আজমল মিয়া এগিয়ে এলে তাকেও মেরে আহত করে। স্থানীদের সহযোগিতায় স্বজনরা আঃ ছাত্তার,আসাদুল এবং আজমলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্মে  নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চাচা আঃ ছাত্তার ও ভাতিজা আসাদুলকে মৃত ঘোষনা করেন। আহত আজমলের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

    এদিকে চাচা-ভাতিজার মৃত্যর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক তালেব কে ঘটনা স্থলে একটা খুটির সাথে বেধে গণপিটুনি দিয়ে তাকেও হত্যা করে।

     এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম জসিম উদ্দিন মুঠো ফোনে জানান, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত কারা হয়েছে। অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

    নাগরপুর,টাঙ্গাইল।

  • মোরেলগঞ্জের ৮ ইউনিয়ন পরিষদে আসছেন না চেয়ারম্যান ব্যাহত নাগরিক সেবা

    মোরেলগঞ্জের ৮ ইউনিয়ন পরিষদে আসছেন না চেয়ারম্যান ব্যাহত নাগরিক সেবা

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ১৬ ইউনিয়ন পরিষদের ৮ জন চেয়ারম্যান পরিষদে না আসার কারনে নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এদের মধ্যে আবার অনেক ইউপি চেয়ারম্যান তাদের বিগত কর্মকান্ডে মাঠ পর্যায়ে রয়েছে নানামুখী কথা, স্থানীয়দের ক্ষোভ। তারা বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে দলীয় নৌকা প্রতীক নিয়ে একাধীকবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান, আবার এদের মধ্যে ৭ বারেরও নির্বাচিত একজন প্রবীণ চেয়ারম্যান রয়েছেন। এ সকল জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, নিরাপত্তাহীনতায় পরিষদে আসতে শঙ্কিত তারা। ইতিমধ্যে পঞ্চকরণ ও তেলিগাতী এ দুই ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দ্বায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে মোরেলগঞ্জ সহকারী কমিশনার (ভূমি) বদরুদ্দোজা টিপুকে।
    সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে যানা গেছে, দেশের রাজনৈতিক প্রক্ষাপট পরিবর্তনের ফলে গত ৫ আগস্টের পর থেকেই উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের ৮টি পরিষদের চেয়ারম্যানগণ তাদের দপ্তরে না আসায় কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। পরিষদের সচিবরাই পরিচালনা করছে নামমাত্র কার্যক্রম। তবে চিংড়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ সপ্তাহে শুধুমাত্র বুধবার খুলছেন সচিব। দু’একটি পরিষদের সদস্যরা সভা ডেকে রেজুলেশন করে প্যানেল চেয়ারম্যানের দ্বারা কোনমতে পরিষদ চালাচ্ছেন। এদের মধ্যে দু’একজন চেয়ারম্যান মাঝে মধ্যে দু,একদিন অফিস করলেও সপ্তাহের প্রায় সময়ই থাকছেন অনিয়মিত। পঞ্চকরণ ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার, তেলিগাতী ইউপি চেয়ারম্যান মোরশেদা আক্তার, রামচন্দ্রপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম, বনগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান রিপন চন্দ্র দাস, চিংড়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান আলি আক্কাস বুলুসহ এ ৫ জন নির্বাচিত চেয়ারম্যান ৫ আগস্টের পর থেকে একেবারেই পরিষদে আসছেনা। এছাড়াও বহরবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. রিপন হোসেন তালুকদার, বলইবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আলী খান ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির মোল্লাসহ ৩ চেয়ারম্যান মাঝে মধ্যে দু,একদিন পরিষদে আসলেও বেশীরভাগ সময়ই থাকছেন অনুপস্থিত। এদিকে এলাকার একাধিক সচেতনমহল ও সাধারণ জনগনের অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়ন গুলোতে চেয়ারম্যানদের অনুপস্থিত থাকার কারনে পরিষদের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ওয়ারিশ কয়েম সনদ, পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে সাধারণ নাগরিকরা সেবা থেকে হচ্ছে বঞ্চিত। পাশাপাশি পরিষদের কার্যক্রমে পানির ট্যাংকি বিতরণ থেকে শুরুকরে বয়স্ক, বিধবা ভাতাসহ সরকারী সকল প্রকার সুযোগ সুবিদা দেয়া হয়েছে অর্থের বিনিময়ে। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় সুবিদা ভোগীর্দে তাদের বিগত কর্মকান্ডে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্ণীতির কারনে অনেকেই রোষানলে পড়েছে, তারা আসতে পারছে না নিজ এলাকায়। তবে নির্বাচিত এসব চেয়ারম্যানগন দূর্ণীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দেশের পটপরিবর্তনের ফলে তারা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। চিংড়াখালী ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে দেয়ায় ২০১৬ সালে মামলা করায় সে মামলা তুলে নিতেও তার ওপরে রয়েছে চাপ। ইতিমধ্যে আবার কোন কোন চেয়ারম্যানের মৎস্য ঘের দখল, বাড়ি-ঘর ও পরিষদ কার্যালয় হামলা হওয়ার কারনে নিরাপত্তাহীনতায় পরিষদে যেতে পারছে না তারা।

    এ সম্পর্কে মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম তারেক সুলতান বলেন, যে সকল ইউনিয়ন পরিষদ গুলোতে চেয়ারম্যানরা অনুপস্থিত রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পরবর্তী নির্দেশনার আলোকে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইতিমধ্যে জেলা প্রশসক মহোদয়ের এক আদেশে পঞ্চকরণ ও তেলিগাতী ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রশাসনিক ও আয়ন ব্যায়ন কর্মকর্তা হিসেবে সহকারী কমিশনার ভূমিকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছে। #

  • আগামী সরকার হবে বৈষম্যহীন সুনামগঞ্জ গণসমাবেশে মাওলানা মামুনুল হক

    আগামী সরকার হবে বৈষম্যহীন সুনামগঞ্জ গণসমাবেশে মাওলানা মামুনুল হক

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ : বৈষম‍্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ, আহত ও বন‍্যাদূর্গতদের জন‍্য দোয়া এবং দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে পতিত স্বৈরশাসক ও তার সহযোগীসহ সকল অপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ জেলা শাখার উদ‍্যোগে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ শহরের পুরাতন বাসষ্টেশন এলাকায় অনুষ্ঠিত গণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব‍্য রাখেন শায়খুল হাদীস জননেতা মাও. মামুনুল হক।

    এ সময় মামুনুল হক বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে বৈষম‍্যহীন বাংলাদেশ।

    তিনি বলেন, আলেম সমাজের নেতৃবৃন্দরা সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে নিয়ে দেশে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করতে হবে। যাতে আগামীর বাংলাদেশ শান্তি ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ হিসাবে পরিণত হয়।

    মামুনুল হক বলেন, দেশের সংখ‍্যালঘুরা তাদের ধর্মের কাজ, বাসস্থান ও চলাফেরা নিরাপদ রাখার ব‍্যবস্থা করা হবে। হাসিনা সরকারের আমলের মতো আর সংখ‍্যালঘু নির্যাতনের নাটক মঞ্চস্থ হবে না।

    তিনি বলেন, বিগত ৫ আগষ্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক মাসে দেশে কোনো সংখ‍্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি। ঘটবেও না। সবাই সচেতন থেকে কাজ করবেন।

    মামুনুল হক বলেন, সকল ইসলামী সংগঠন বৈষম‍্যের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে।

    তিনি শেখ হাসিনাকে উদ্দ‍েশ‍্য করে বলেন, দেশ স্বাধীনের ৫০ বছরের রাজনীতিতে প্রতিশোধের এবং অঙ্গরাজ‍্য প্রতিষ্ঠায় বিভাজনের রাজনীতি করেছেন। ১৭ বছর ক্ষমতায় থেকে শুধু প্রতিশোধ নিয়েছেন। নিজের ক্ষমতায় বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনায় হত‍্যাযজ্ঞ চালিয়েছেন। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে নিজে ক্ষমতায় থেকেছেন।

    মামুনুল হক অন্তবর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ‍্যে বলেন, প্রতিটি হত‍্যাকান্ডের বিচার করতে হবে। এদেশের মাটিতে শেখ হাসিনাকে এনে বিচারের ব‍্যবস্থা করতে হবে। যত প্রকারের দূর্নীতি হয়েছে, দোষীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব‍্যবস্থা করতে হবে। আমরা আপনাদের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।

    তিনি একটি সুশৃঙ্খল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে সকলে মিলে উপদেষ্টাদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

    গণ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা খেলাফত মজলিশের সভাপতি মাও. মুফতি আজিজুল হক।

    গণ সমাবেশে বক্তব‍্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির অন‍্যতম সদস‍্য মাও. আতাউল্লাহ আমিনী, শায়খুল হাদিস মাও. জালাল উদ্দিন, জেলা খেলাফত মজলিশের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ সৈয়দ জয়নুল ইসলাম প্রমূখ।##

  • টাংগাইলের মধুপুরে  “শহীদি মার্চ পালন”

    টাংগাইলের মধুপুরে “শহীদি মার্চ পালন”

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাংগাইলের মধুপুর উপজেলায় ছাত্র -জনতার গণ অভ্যুত্থানের এক মাস পুর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শহীদদের স্মরণে “শহীদি মার্চ” কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধুপুর শাখার সমন্বয়কদের উদ্যোগে এ “শহীদী মার্চ” কর্মসূচী পালন করা হয়।

    সকাল এগারোটার দিকে মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়,মধুপুর আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা, রাণী ভবানী মডেল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, মধুপির সরকারী ডিগ্রী কলেজ সহ উপজেলার বিভিন্ন স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করে।
    শিক্ষার্থীরা মিছিল সহকারে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডের নতুন ব্রীজের উপর জড়ো হতে থাকে। পরে মিছিলটি বাসস্ট্যান্ডের আনারস চত্বর হয়ে মধুপুর ডিগ্রী কলেজ পর্যন্ত সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাস স্টেশনের নতুন ব্রিজে এসে মিছিল শেষ হয়।
    এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীগণ এবং কলেজ স্কুলের প্রতিনিধিগণ সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দিয়ে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও আন্দোলনে আহতদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে মোনাজাতের মাধ্যমে “শহীদি মার্চ” কর্মসূচী সমাপ্ত ঘোষণা করেন।