মো:মিজানুর রহমান,কালকিনি প্রতিনিধি/
প্রখ্যাত কবি, ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ৯০তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার দুপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কালকিনি উপজেলা লন্ঠন শাখার আয়োজনে ও সৈয়দ আবুল একাডেমীর শিক্ষার্থীদের সহযোগীতায় আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ আবুল একাডেমীর প্রধান শিক্ষক বিএম হেমায়েত হোসেন, লন্ঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম স্বজল, সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, রিফাত, শামীম, হাসিব ঢালী, মিন্টু, তানভীর, শাকিল, অভি প্রমুখ। তারা একাডেমির মাঠে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন। সংগঠনের সদস্য রুপম বলেন, ‘আমরা যদি আমাদের এলাকার কৃতি সন্তানদের যথাযথ সম্মান দিতে পারি, তাহলে এই এলাকায় আবার নতুন কিংবদন্তি জন্ম নেবেন।’
জানাগেছে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের এই দিন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ-পরবর্তী পর্যায়ের অন্যতম প্রধান কবি। একই সঙ্গে তিনি আধুনিক ও রোমান্টিক। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম বর্তমান বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার মাইজপাড়া গ্রামে। বাবা ছিলেন স্কুলশিক্ষক। চার বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে যান। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এমএ করেন ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে। কিছুদিন গতানুগতিক চাকরি করে সুনীল সাংবাদিকতায় স্থায়ী হন। ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে কয়েকজন বন্ধুসহ তিনি কবিতা পত্রিকা ‘কৃত্তিবাস’ সম্পাদনা করতে শুরু করেন। আমৃত্যু দেশ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সাহিত্যে প্রবেশ কবিতা দিয়ে। লেখালেখিতে ‘নীললোহিত’, ‘সনাতন পাঠক’ ও ‘নীল উপাধ্যায়’ প্রভৃতি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন। প্রথম উপন্যাস ‘আত্মপ্রকাশ’, প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘একা এবং কয়েকজন’। সাহিত্যের সব শাখায় বিচরণ করেছেন তিনি। সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার, আনন্দ পুরস্কার, বঙ্কিম পুরস্কারসহ বহু স্বীকৃতি লাভ করেন তিনি। ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে ভারতের সাহিত্য আকাদেমির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ শিশু-কিশোর আকাদেমির সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ অক্টোবর কলকাতায় জনপ্রিয় এই কথাসাহিত্যিক মৃত্যুবরণ করেন।
এ বিষয় কালকিনি উপজেলা যুগান্তর স্বজন সমাবেশের উপদেষ্টা কবি ও লেখক সালাউদ্দিন মাহমুদ জানান, এপার বাংলার ওপার বাংলার এই প্রখ্যাত কবির জন্মদিন প্রতিবছর তার গ্রামের বাড়িতে বড় আকারে পালন করা উচিত। তার স্নৃতিকে আকরে ধরে রাখা চেষ্টা করা উচিত আমাদের সকলের। তা নাহলে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পর্কে মানুষ ভুলে যাবে। এবং কি তার গ্রামের বাড়িটিকে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে প্রশাসনের কাছে।
Blog
-

কালকিনিতে প্রখ্যাত কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি
-

মধুপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সভা অনুষ্ঠিত
আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরের মধুপুর পৌর শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৭ নং ওয়ার্ড শাখার আয়োজনে শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে মধুপুর শহীদ স্মৃতি কলেজ মাঠে মধুপুর পৌর সভার জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোহাম্মদ রিজোয়ানুল্লাহ খান এর সভাপতিত্বে এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা কর্মপরিষদের যুব ও ক্রিড়া সম্পাদক মাওলানা মো.বোরহানুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলার সাবেক আমীর মধুপুর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোন্তাজ আলী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দীয় আইন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান,, মধুপুর পৌরসভার সাারণ সম্পাদক মাওলানা মো. আবু সাঈদ, পৌরসভার কর্মপরিষদ সদস্য মাও,হাফিজুর রহমান প্রমুখ। এসময় উপজেলা ও পৌর শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সহ ৭ নং ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ ও কর্মী ও সমর্থক গন উপস্থিত ছিলেন।
-

পীরগঞ্জে সাংবাদিক কাজী নুরুলের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল
পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক কাজী নুরুল ইসলামের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সকালে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে মরহুমের কবর জিয়ারত শেষে প্রেসক্লাব সভা কক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুলের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও-৩ সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য ও পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি জাহিদুর রহমান জাহিদ, পীরগঞ্জ সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বদরুল হুদা, সৈয়দপুর সরকারী কলেজের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আমিন সরকার, উপজেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দবিরুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর বাবলুর রশীদ, পৌর বিএনপি’র সভাপতি রুহুল আমিন, উপজেলা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ. উপজেলা সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মুর্তজা আলম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান. পৌর কাউন্সিলর দবিরুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ দুলাল সরকার, সিনিয়র সাংবাদিক ফজলুল কবীর, গোলাম রব্বানী, সিরাজুল ইসলাম ও জিয়াউল্লাহ রিমু, সাথী ষ্টুডিও এর মালিক সাজেদুর রহমান সাজু, আব্দুল আওয়াল, মরহুমের ছেলে সাকিব আহসান প্রমূখ। শেষে দেয়া মাহফিল পরিচালনা করেন প্রবীন সাংবাদিক আবুল হাসনাত।
উল্লেখ্য, মরহুম কাজী নুরুল ইসলাম দৈনিক দেশ, মুক্তকন্ঠ, জনতা এবং সর্বশেষ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রথম আলো পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর ভোর রাতে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ^স ত্যাগ করেন। -

র্যাব-১২’র অভিযানে ১৮৫০ পিস বুপ্রেনরফিন ইনজেকশনসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
র্যাব-১২’র অভিযানে অভিনব কায়দায় সবজির বস্তার ভিতরে মাদক বহন কালে ১৮৫০ পিস নেশাজাতীয় বুপ্রেনরফিন ইনজেকশনসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।
১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় এবং র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় গত ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ দুপুর ১৪.১০ ঘটিকায় র্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানাধীন চান্দাইকোনা বাজারস্থ সাজেদা ফাউন্ডেশন (চান্দাইকোনা-১৬৯) এর বিপরীত পার্শ্বে রংপুর টু ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর’’ একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে অভিনব কায়দায় সবজির বস্তার ভিতরে মাদক বহন কালে ১,৮৫০ পিস নেশাজাতীয় বুপ্রেনরফিন ইনজেকশনসহ ০২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
২। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয় ১। মোঃ সাইফুল ইসলাম (৪৫), পিতা-মৃত ছাবেদ আলী, সাং-গোবিন্দপুর, পো-অনন্ত রামপুর, থানা-পীরগঞ্জ এবং ২। মোঃ তরিকুল ইসলাম (৩৭), পিতা- মৃত সৈয়দ আলী, সাং-সন্তোষপুর, পোঃ-গোপালপুর, থানা-মিঠাপুকুর, উভয় জেলা-রংপুর।
৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে নেশাজাতীয় বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।
৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানায় মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।
র্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক, অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।
-

নেছারাবাদে দুইশত সাতচল্লিশ কেজি হরিনের মাংস উদ্ধার গ্রেফতার-২
আনোয়ার হোসেন,
নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //
নেছারাবাদে যৌথবাহীনির অভিযানে ২৪৭ কেজি হরিনের মাংস সহ হারুন মোল্লা(৫৫), আবুল কালাম(৫০) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে পৃথক পৃথক অভিযানে উপজেলার সোগাগদল গ্রাম এবং করফা থেকে নেছারাবাদ পুলিশ এবং সেনাবাহীনি অভিযান চালিয়ে ওই মাংস সহ তাদের গ্রেফতার করেছেন। প্রথমে ডাকাত সন্দেহে গ্রেফতারকৃতদের স্থানীয় লোকজনের গনপিটুনিতে আহত হয়।তাদের দুজনকে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে নেছারাবাদ থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন চলছে। গ্রেফতারকৃত হারুন মোল্লা বরগুনা জেলার পাথরঘাটা গ্রামের মো: মহিবুল হক মোল্লার ছেলে। এছাড়া অপর ব্যক্তি মঠবাড়িয়া থানার মো: আশ্রাফ আলী মিয়ার ছেলে।
নেছারাবাদ থানার উপ-পরিদর্শক (এস,আই) মো. পনির খান জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পূর্ব সোহাগদল গ্রামের ৭নং ওয়ার্ড থেকে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে ৪৮ কেজি হরিনের মাংশ উদ্ধার করা হয়। একই রাত বারটার দিকে গয়েসকাঠি গ্রামের পূর্ব গয়েসকাঠি করফা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ওই দুই ব্যক্তি সহ ৯৯ কেজি হরিনের মাংশ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, রাত বারটার দিকে জানতে পারি দুই ব্যক্তিকে স্থানীয়রা গনধোলাই দিয়ে একটি ফিসিংবোর্ড সহ বিপুল পরিমানে হরিনের মাংশ আটিকিয়েছে। পরে সেনাবাহীনি সহ আমরা ছুটে গিয়ে ওই মাংশ সহ তাদের আটক করে নিয়ে এসেছি। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তাদের হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
গ্রেফতার কৃত হারুন মোল্লা বলেন, তিনি ওই বোর্ডের একজন কর্মচারী। বোর্ডের মাঝির নাম আব্দুল মন্নান। তিনি বরগুনার মো: করিম হাওলাদারের ছেলে। অনেক পূর্ব থেকেই নেছারাবাদে গোপনে হরিনের মাংশ এনে স্থানীয় মো: নজরুল আড়ৎদারের কাছে বিক্রি করতেন।
উল্লেখ্য, নেছারাবাদ উপজেলায় সুন্দরবন থেকে নদীপথে মাছ ধরার ট্রলার,কাঠের ট্রলার করে হরিনের মাংশ,সুন্দরী কাঠ সহ মাঝেমধ্য মাদকের চালান আসে। মাঝেমধ্য পুলিশের হাতে এসব চোরাকারবারী ধরা পড়ত। অত্র থানার ওসি মো: আবির হোসেনের সময় থেকে নদী পথে আর কোন অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়নি। এতে উপজেলার সন্ধ্যা নদী পথে সক্রিয় হয়ে ওঠে চোরা কারবারীরা।
-

জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন ইস্যুতে রাজশাহীতে যা বললেন ধর্ম উপদেষ্টা
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন ইস্যুতে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন বিতর্ক সৃষ্টি হয় এমন কিছু করবে না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। শনিবার দুপুর ১২ টায় রাজশাহী ইসলামিক ফাউন্ডেশনে সকল ধর্মের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার পূর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে সব থেকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে । আমরা এমন কোন এই মুহূর্তে কাজ করতে চাই না যেটি নিয়ে কোন বিতর্ক সৃষ্টি হোক। সবাইকে নিয়ে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই।
ধর্মীয় উপাসনালয় হামলার প্রসঙ্গে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, মসজিদ, মন্দির, মাজারে হামলা গর্হিত কাজ, ধর্মীয় উপাসনালয়ে যারা হামলা চালায় তারা মানবতার শক্রু, ক্রিমিনাল। আমরা ক্রিমিনালদের ধরে আইনের আওতায় আনার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি। প্রচলিত আইনে তাদের বিচার করা হবে। এছাড়াও দুর্গাপূজার নিরাপত্তায়
স্থানীয় সাধারণ জনগনের পাশাপাশি
মাদ্রাসার ছাত্রদের পূজার সাথে সম্পৃক্ত করে মন্দির পাহারা দেয়া হবে। যেন কোন ধরনের হামলা বা নাশকতা না হয়। মাদ্রাসার ছাত্ররা কোন ধরনের জঙ্গিবাদের সঙ্গে ছিলো না। এটা পূর্বের সরকারের ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার।বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওপর হিন্দু মহাসভার হামলার আশঙ্কার খবরে ধর্ম উপদেষ্টা আরো বলেন, আমরা প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক চাই। আমাদের ক্রিকেট দলের উপর ভারতে হামলার খবর শুনছি। যেহেতু বিসিবি আছে, তারা এবিষয়ে করনীয় ঠিক করবে। পট পরিবর্তনের পর কিছু সনাপন ধর্মাবলম্বীদের বাড়ীতে যেমন হামলা হয়েছে, তেমনি মুসলমানদের বাড়ীতেও হয়েছে। এটাকে ভিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই। এ সরকার সকলের সরকার, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর।
আমরা হলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে ঢেলে সাজিয়ে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত দলকে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
হজ্বের প্যাকেজ মূল্য কমানোর পরিকল্পনা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হজ্বের প্যাকেজ মূল্য কমানো নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। হাজিরা যে টাকা দেয় তা থেকে এক পয়সাও আমরা ধর্মমন্ত্রণালয় রাখি না। হাজিদের এক কোটি টাকার আমরা ঔষধ দেই। ৮০ জন ডাক্তার, ২০-৩০ জন নার্স ব্রাদার্স আমরা সাথে রাখি। স্থায়ী চিকিৎসা প্রদান করি। কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে ভর্তি করি। এছাড়াও সৌদি আরবের সাথে যেসব চুক্তি আছে সেগুলো দিয়ে থাকি। এগুলো হাজিদের কাছে নেই না। এছাড়াও হজ্বের যে মূল খরচ থাকা, খাওয়া, বিমান ভাড়া, এবং সৌদি সরকারকে একটি নির্দিষ্ট খরচ দিতে হয়। তিনি বলেন, এই মাসেই সৌদি হজ্ব মন্ত্রীর সাথে দেখা হবে। আমি আপ্রাণ চেষ্টা করছি হাজিদের জন্য যে যে খাতে কমানো যায় এবং সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় প্যাকেজ ঘোষণা করতে চাই।
কোথায় কোন ধরনের হামলার বিষয়ে বলেন, হামলা হবে এমন কোন পরিস্থিতি নেই। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সাথে মিটিং করে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়েছি। কোথাও কিছু হলে সাথে সাথে তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী। -

দ্বীনের কাজে অর্থ ও সময় দিতে হবে গোদাগাড়ীতে নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার
মোহনপুর ও বাসুদেবপুর ইউনিয়নে জামাতের পৃথক দুটি সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই দুটি সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর, সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী পশ্চিম জেলার আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক সহ: সেক্রেটারি ডক্টর ওবায়দুল্লাহ, উপজেলা আমীর মাস্টার নোমায়ুন আলী সহ স্থানীয় জামায়াত শিবিরের দায়িত্বশীলবৃন্দ।কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর আরও বলেন, কুরআন পড়তে হবে বুঝতে হবে কুরআনের সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে হবে, পরিবারের ছেলে মেয়েদের ছাত্রশিবির ও ছাত্রী সংস্থার সাথে সম্পৃক্ত করাতে হবে
দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে অর্থ ও সময় দিয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে হবে। শহীদি তামান্না নিয়ে ময়দানে ভুমিকা রাখতে হবে।সূরা মাউনের শিক্ষা নিয়ে নামাজী ব্যক্তিদের সমাজসেবার কাজ আর সামাজিক ব্যক্তিদের নামাজী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
এর আগে সকালে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ছাত্রশিবির রাজশাহী জেলা পশ্চিম গোদাগাড়ী অঞ্চলে কর্মী শিক্ষা বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন এবং তিনি পরে উজানপাড়া এতিমখানা ছাঁদ ঢালায় পরিদর্শন করেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজে রুগী দেখতে যান।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী। -

আরএমপি’র নতুন পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ানের যোগদান
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী: রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ৩২ তম পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগদান করলেন মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। আজ শনিবার রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ৩২ তম কমিশনার হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করলেন উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। এসময় আরএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ নবনিযুক্ত আরএমপি কমিশনারকে স্বাগত জানান।
পরবর্তীতে সকাল ১১ টায় পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেডে আরএমপি’র বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আরএমপিতে সদ্য যোগদানকৃত সম্মানিত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। কল্যাণ সভায় পুলিশ কনস্টবল হতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ পুলিশ কমিশনারের নিকট কল্যাণমূলক বিভিন্ন প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।
পুলিশ কমিশনার প্রস্তাবনাগুলো শোনেন এবং তা পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগের কথা বলেন। উক্ত সভায় তিনি পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব, ন্যায়-নিষ্ঠা ও সততার সাথে জনবান্ধব পুলিশিং করার নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়াও তিনি পুলিশের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ যথাযথভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যে বিভিন্ন নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। বিশেষ কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স) মো: রশীদুল হাসান, পিপিএম ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) মোহাম্মদ হেমায়েতুল ইসলাম ও আরএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ-সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যবৃন্দ ও সিভিল স্টাফগণ।
নবযোগদানকৃত আরএমপি’র পুলিশ কমিশনার ফেনীর একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তিনি ২০০৩ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এমএ ও ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট থেকে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগে এমপিএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৮ সালে ১৭তম বিসিএস-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। আরএমপিতে যোগদানের পূর্বে তিনি ট্যুরিষ্ট পুলিশ ঢাকায় কর্মরত ছিলেন।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী। -

মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে বিএনপির সংবাদ সন্মেলন
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির বিপদগামী একশ্রেণীর নেতৃবৃন্দ দলীয় পরিচয়ে আত্মপ্রতারক কতিপয় কুচক্রী মহলের অপতৎপরতা, দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের কাছে মিথ্যা অভিযোগ প্রদান ও গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। জানা গেছে,
৭ সেপ্টেম্বর শনিবার রাজশাহী প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি আব্দুস সালাম শাওয়াল ও সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম এবং তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য মিজানুর রহমান মিজান।
তারা তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত ও প্রকাশিত সংবাদে বর্ণিত অভিযোগসমূহ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। লিখিত বক্তব্যে বলা হয় গত ৫ আগস্ট জালিম সরকারের পতনের পর বিএনপি নামধারী কতিপয় ব্যক্তি যারা দলের কোনো কর্মকান্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেনি, এমনকি দিবসগুলো পর্যন্ত পালন করেনি তারা নিজেদের অপরাধ ও অসাংগঠনিক কার্যক্রম ধাঁমাচাঁপা দিতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কেন্দ্রীয় বিএনপিতে মিথ্যা, – ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ উপস্থাপন করেছে। সেই সঙ্গে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। এসব অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে যারা এসব ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ অভিযোগ কেন্দ্রে পাঠিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমার মামা মরহুম ইমরান আলী মোল্লা তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও তানোর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। বংশপরম্পরায় শহীদ জিয়ার আদর্শের সঙ্গে আমরা সরাসরি জড়িত। আমি বার বার ঢাকা-রাজশাহীতে পুলিশ ও আওয়ামী বাকশালী কর্তৃক ২৭টি মিথ্যা মামলায় ৯ বার গ্রেপ্তার হয়ে কারাবরণ করেছি। তানোর পৌর নির্বাচনে জনগণ আমাকে বার বার নির্বাচিত করলেও ফ্যাসিস্ট সরকার জনরায়ের ফলাফল কেড়ে নিয়ে পরাজিত করেছে। তবুও বিএনপির একজন আদর্শ কর্মী হিসেবে সকল আন্দোলন সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। বিএনপির এমন কোনো কর্মসুচি নাই, যেখানে আমার উপস্থিতি ছিল না। প্রত্যেকটা জায়গায় আমার নেতৃত্বে তানোর উপজেলা ও তানোর পৌর বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছি। অথচ আমিসহ আমার কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দলের কিছু নামধারী নেতা কেন্দ্রে অভিযোগ পাঠিয়েছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও মানহানিকর।’ আব্দুস সালাম শাওয়াল ও আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধেও মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ এবং ভুল তথ্যের ভিত্তিতে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমরা এই তৎপরতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, কখনোই কোন সময় আমাদের বিরুদ্ধে কোন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিযোগ উপস্থাপিত হয়নি। আমাদের সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে কতিপয় কুচুক্রি মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে জয়প্রিয়তাকে নষ্ট করতেই সাজানো মিথ্যা- বানোয়াট ও উদ্দেশ্যণোদিত অভিযোগ কেন্দ্রে উপস্থান করা হয়েছে।পাশাপাশি বিভিন্ন গণমাধ্যমে তা প্রকাশ করা হয়েছে। আমরা দঢ় কণ্ঠে বলতে পারি শহীদ জিয়ার আদর্শচ্যুত কখনোই হইনি এবং আগামীতেও হবো না। বরং যারা অভিযোগ করেছে তারাই বিভিন্ন নৈরাজ্য, হাট-ঘাট দখল, বালু মহাল দখল, পুকুর দখল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও দখল দারিত্বের সাথে জড়িত। তাদের অপকর্ম ঢাকতেই আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। সংবাদ সম্মেলনে গোদাগাড়ী পৌর বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমান ও সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম বাবু, গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক এডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক ও জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব ও রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুল্ল আল মাহমুদ বিপ্লবপ্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। -

খাগড়াছড়িতে বিএনপির সম্প্রীতির সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত
মোহাম্মদ এমদাদুল হক খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে চাই রঙধনুর মতো। একটি রংধনুর যেমন অনেক রং থাকে ঠিক তেমন বাংলাদেশে ভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের বিশ্বাসী মানুষদের নিয়ে সম্প্রীতির দেশ গড়তে চাই।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার স্বপ্নের দেশ গড়তে কাজ করে যেতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খাগড়াছড়ি শাপলা চত্বরের মুক্তমঞ্চে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত সম্প্রীতির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের সংবিধানে সকলকে সমান অধিকার দেয়া হয়েছে দাবি করে আমীর খসরু বলেন, পাহাড়ি ভাই ও বোনেরা আপনারা নিজেদের সংস্কৃতি, ভাষা ও ইতিহাসকে সংরক্ষণ করুন। আমরা চায় বিভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতির এক বাংলাদেশ গড়তে সবাই মিলে। এ বার্তা এ অঞ্চলের গড়ে গড়ে পৌঁছে দিতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে খাগড়াছড়ি বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর পরে বৃহৎ আকারে উন্মুক্ত স্থানে সভা সমাবেশ করছে বিএনপি। লোকে লোকারণ্য এ উপস্থিতি বলে দিচ্ছে মানুষ কতটা ভালোবেসে বিএনপিকে। আজ দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হওয়ায় এ পরিবেশ বিরাজ করছে। ১৫ বছর ধরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়া বিএনপির সফলতা এসেছে ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে।
দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর বিনা বাঁধায় খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির শাপলা চত্বরে সমাবেশ করে। বিএনপির এই সম্প্রীতির সমাবেশ নেয় জনসমুদ্রে। সে সাথে পরিণত হলো পাহাড়ি-বাঙালিসহ বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীর মিলন মেলায়। জনতার স্রোতে খাগড়াছড়ি শহরে বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীর সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জাকিয়া জিন্নাত বিথী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএন আবছার ও সহ-সভাপতি প্রবীন চন্দ্র চাকমাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সম্প্রীতি সমাবেশে খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এদিকে দুপুরে দীঘিনালার মেরুং উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ বলেন বিএনপির আগামীর রাজনীতি হবে তারুণ্যের প্রত্যাশাকে প্রাধান্য দিয়ে।
বিএনপির আগামীর রাজনীতি বাংলাদেশের মানুষ ও তারুণ্যের আশা, আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশাকে প্রাধান্য দিয়ে হবে বলে মন্তব্য করেছে। কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূইয়া, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএন আবছার, সহ-সভাপতি প্রবীণ চন্দ্র চাকমা অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন।বিকেলে জেলা সদরে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা শেষে মুক্তমঞ্চে জেলা বিএনপির সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মোহাম্মদ এমদাদুল হক
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।।