Blog

  • গৌরনদীতে শিক্ষক নিয়োগ বানিজ্যে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন

    গৌরনদীতে শিক্ষক নিয়োগ বানিজ্যে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ গৌরনদীতে অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য ব্যাক্তিকে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ বাতিল সহ প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুবকর সিদ্দিকের একাধিক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে একদফা পদত্যাগের দাবিতে ৮ সেপ্টেম্বর রবিবার সকাল ১০ টায় গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের চন্দ্রহার কৈলাশচন্দ্র – রামের চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন ওই বিদ্যালয়ের কয়েকশত শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সদস্যরা।

    দুই ঘন্টার অধিক সময়ের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ স্হানীয়রা বলেন,শিক্ষক নিয়োগের বেলায় প্রধান শিক্ষক আবুবকর সিদ্দিকের গঠিত শ্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের দূর্নীতিবাজ পকেট কমেটি নিয়ে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য শিক্ষককে পাশ করিয়ে শিক্ষাঙ্গনে যোগদান করানোর প্রতিবাদ সহ প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুবকর সিদ্দিকের বিদ্যালয়ে নানান অপকর্ম ও দূর্নীতির কথা তুলে ধরে অসৎ উপায় নিয়োগকৃত অযোগ্য সহকারী প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ অতিদ্রুত বাতিল সহ তারি সাথে প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুবকর সিদ্দিকের দূর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়ে তার (আবুবকরের) পদতাগের একদফা দাবি জানিয়েছেন ছাত্র ও অভিভাবকেরা।

    এ বিষয় প্রধান শিক্ষক আবুবকর সিদ্দিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি (আবুবকর) বলেন, নিয়ম তান্ত্রিক ভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসছেন তিনি। কোন অনিয়মে জড়িত নন তিনি।

    অপর দিকে সহকারি প্রধান শিক্ষক প্রতাপ চন্দ্র হালদার বলেন, যথাযথ নিয়ম মেনে পরীক্ষা দিয়ে সর্বচ্ছ ফলাফলে উর্তীন্ন হয়ে চাকুরীতে যোগদান করেছেন তিনি।

    স্হানীয় অনেকের মধ্যে ইহক কচিং সেন্টারের মালিক এস এম আলাউদ্দিন বলেন, শেখহাসিনার স্বৈরশাসনের সময় গঠিত পকেট কমেটি ও প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুবকরের যোগসাজশে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে সহকারী প্রধান শিকক প্রতাপ চন্দ্র হালদারকে নিয়োগ করা হয়েছে। এ নিয়োগ বাতিল সহ প্রধান শিক্ষক আবুবকরের দূর্নীতি ও অনিয়মের তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনিয় ব্যাবস্হা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি (আলাউদ্দিন) ও এলাকার সচেতন মহলের লোকজন সহ ওই বিদ্যা
    লয়ের শিক্ষার্থীরা।

  • নলছিটিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের সংবাদ সম্মেলন আহবায়কের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

    নলছিটিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের সংবাদ সম্মেলন আহবায়কের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক তৌহিদ আলম মান্নার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা। রবিবার বেলা ১২টায় নলছিটি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক তৌহিদ আলম মান্না। এ সময় নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান খান হেলালসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
    লিখিত বক্তব্যে তৌহিদ আলম মান্না জানান, আমি দীর্ঘদিন ধরে নলছিটিতে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সপৃক্ত। এর আগে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। দলের সুনাম ক্ষুন্ন হোক এমন কোন কাজ আমার অথবা আমার পরিবারের ধারা কখোনো হয়নি। বরংচ দলের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এবং সুষ্ঠ ধারার রাজনীতি করার লক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে আসছি। আমি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে অসংখ্য মামলার আসামি হয়ে জেল খেটেছি। বহুবার হামলার শিকার হয়েছি। আওয়ামী দুঃশাসনামলে নির্যাতন সহ্য করেও দল ছেড়ে কখোনো যাইনি। আমি দলকে সূসংগঠিত করার জন্য নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ব করতে কাজ করে যাচ্ছি।
    ২০২২ সালে আমাকে নলছিটি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক করা হয়। নতুন এ দায়িত্ব পেয়ে আমি সংগঠনকে গতিশীল করতে সক্ষম হয়েছি। ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আমি নলছিটির সকল সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে দলের সুনাম বজায় রাখার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। রাত জেগে হিন্দু ভাইদের মন্দির ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পাহারা দিয়েছি। যেখানেই দুর্বৃত্তায়ন হয়েছে সেখানে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছি। দলের ভিতরে এবং বাহিরে এসব কর্মকান্ডে যখন স্বেচ্ছাসেবক দলের সুনাম বেড়েই চলছে তখন একটি দুস্কৃতকারী চক্র আমাদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমি কখোনো অন্যায়ের সাথে আপষ করিনি। এতে ঈর্ষান্নিত হয়ে দলের ভিতরে ও বাহিরের একটি চক্র উঠেপড়ে লেগেছে। সম্প্রতি কয়েকটি ফেইক আইডি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবক দল ও আমার সদস্যসচিব সাইদুল কবির রানা সহ সহকর্মীদের নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে। শিগগিরই এ ব্যাপারে  আমরা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছি।
    তৌহিদ আলম মান্না বলেন, আপনারা জানেন আমার জীবনদশায় কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপশ করিনি। অথচ গত ৭ সেপ্টেম্বর দৈনিক ভোরের পাতার শেষের পাতায় ‘নলছিটিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার জমি দখল ও বেপরোয়া চাঁদাবাজী’ শিরোনামে আমার অনুমতি ব্যতিত ছবি ব্যবহার করে একটি মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করেছে। ওই সংবাদে আমার কেনো বক্তব্য নেওয়া হয়নি। সংবাদে বলা হয়েছে আমার শ্যালক জমি দখল করেছে এবং আমার ভাই উন্নয়নমূলক কাজের মালামাল লুট করেছে। এ ধরণের কোন ঘটনাই নলছিটিতে ঘটেনি। সম্পূর্ন আমাকে হেয় করার জন্য ওই সংবাদটি করানো হয়েছে। সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে ষাইটপাকিয়ায় যাত্রী ছাউনী দখল করে স্বেচ্ছাসেবক দলের অফিস নির্মাণ করা হয়েছে। এটা সম্পূর্ন মিথ্য ও বানোয়াট। এ ঘটনা সেনাবাহিনী, উপজেলা নির্বাহি কর্মকতা ও পুলিশ গিয়ে তদন্ত করেছে। তারা স্বেচ্ছাসেবক দলের কোন সম্পৃক্ততা সেখানে পায়নি। জমির মালিক নিজেই এটা ভেঙ্গেছে এবং তিনিই আবার তা সংস্কার করে দিয়েছে। অতএব কোন কিছু না যেনে , অনুসন্ধান ও বিশ্লেষন না করেই আমাদের বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করেছে। আমি দলের পক্ষে এসব ভুয়া সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাংবাদিক ভাইদের কাছে আমার অনুরোধ যেকোন সংবাদ করার আগে সঠিক তথ্য তুলে আনা প্রয়োজন। নির্দোষ কাউকে অন্যায়ভাবে লিখনির মাধ্যমে কষ্ট না দেওয়ার অনুরোধ করছি। আমরা এ মিথ্য সংবাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছি। এ ব্যপারে আপনাদের সার্বিক  সহযোগিতা কামনা করছি।
    সংবাদ সম্মেলনে নলছিটি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার অহিদুল ইসলাম বাদল, বর্তমান উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এনায়েত করিম মিশু, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সরোয়ার হোসেন তালুকদার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউল কবির মিঠু ও রেজওয়ানুল হক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সাইদুল কবির রানা, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাহফুজ দেওয়ান, কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম বাবু, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান সবুজ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মিরাজ তালুকদার ও রাসেল হাওলাদার, পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. বশির হাওলাদার, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুজন খান, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক রনি তালুকদার, সদস্যসচিব সাব্বির আহম্মেদ, যুগ্ম আহবায়ক ফয়সাল আহম্মেদ, কলেজ ছাত্রদল আহবায়ক রাকিব গাজী, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মো. মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শামীম মল্লিক, উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেনসহ দশ ইউনিয়নের ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিকদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা।

  • সুন্দরবনের উপকূলীয় পানগুছির ইলিশের স্বাদ-গন্ধে জুড়ি নেই নিম্ন আয়ের মানুষ ইলিশের স্বাদ নিতে পারছে না

    সুন্দরবনের উপকূলীয় পানগুছির ইলিশের স্বাদ-গন্ধে জুড়ি নেই নিম্ন আয়ের মানুষ ইলিশের স্বাদ নিতে পারছে না

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির ,বিশেষ প্রতিনিধি:বিশ্ব ঐতিহ্য পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ পূর্ব সুন্দরবনের উপকূলীয় বাগেরহাটের পানগুছি বলেশ্বর নদের ইলিশ। যেমন তার রূপ, তেমন তার স্বাদ-গন্ধ। একটি ঐতিহ্যও বলা চলে এই বলেশ্বরের ইলিশকে। দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদী, সাগরের মধ্যে পানগুছি বলেশ্বর নদের ইলিশই সেরা।বাজারে ইলিশের দামও বেশি। ইলিশ ধরাকে কেন্দ্র করে উপকূলের কয়েক হাজার জেলের কর্মসংস্থানও হয়েছে। তবে দাম বেশি হওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষগুলো ইলিশের স্বাদ নিতে পারছে না বলে জানা যায়।
    ইলিশের আসল স্বাদ-গন্ধ পেতে চাইলে জুড়ি নেই বলেশ্বরের ইলিশের। এই রূপালি ইলিশের নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে ভোজন রসিকদের। পদ্মার ইলিশের মতোই পানগুছি -বলেশ্বর নদের ইলিশেরও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা ও নামডাক।
    স্থানীয় ক্রেতা ছাড়াও বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ শরণখোলায় ছুটে আসেন এই বলেশ্বরের ইলিশের টানে।
    কিনে নেন কোনোরকম বরফের স্পর্শ ছাড়া তাজা ইলিশ। আবার অনেকে ঢাকা, খুলনাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসরত তাদের আত্মীয়-স্বজনদের জন্যও কিনে পাঠান সুস্বাদু এই ইলিশ। বলেশ্বরের ইলিশের নাম শুনলেই দামের দিকে তাকান না ইলিশপ্রেমীরা।
    পানগুছি বলেশ্বর নদে এখন প্রতিদিনই জেলের জালে ধরা পড়ছে মণকে মণ তরতাজা ইলিশ।
    দুপুরের পর থেকেই জেলেরা ভেজা কাপড়ে ইলিশ ভর্তি ঝুড়ি নিয়ে ফেরেন আড়ৎগুলোতে। আর বিকেল হলেই আড়ৎ থেকে সেই ইলিশগুলো চলে যায় উপজেলা শহর রায়েন্দা বাজার, পাঁচরাস্তা প্রশাসন মার্কেট মাছ বাজারসহ বিভিন্ন হাটে-বাজারে। এসব ইলিশ আকার ভেদে দাম হাকিয়ে বিক্রি করে থাকেন মাছ ব্যবসায়ীরা।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত তিন-চারদিন ধরে প্রচুর বড় ইলিশ ধরা পড়ছে বলেশ্বরে। রূপালি ইলিশের ঝিলিকে হাসি ফুটেছে জেলেদের মুখেও।
    ৮-৯শ’ গ্রাম থেকে শুরু করে দেড়-দুই কেজি ওজনের ইলিশ অহরহ উঠছে জেলের জালে। এর মধ্যে বেশিরভাগই মা’ ইলিশ। তবে, প্রচুর ইলিশ ধরা পড়লেও এর দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। যে কারণে বড় ইলিশের স্বাদ নিতে পারছেন না নিম্নআয়ের মানুষ।
    বলেশ্বর নদে জেলের জালে হঠাৎ ইলিশ ধরা পড়ার কারণ হিসেবে মৎস্য বিভাগ জানায়, এখন ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে। আবহাওয়াও অনুকূলে। তাই বঙ্গোপসাগর থেকে উঠে আসছে ইলিশের ঝাঁক। তাছাড়া, কিছুদিন বাদেই ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসম শুরু হবে। এজন্য মা ইলিশগুলো সাগর থেকে ঝাঁক বেধে মিঠা পানির শাখা নদ-নদীতে চলে আসছে। যা ধরা পড়ছে জেলের জালে।
    বুধবারসন্ধ্যা ও বৃহস্পতিবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সকালে উপজেলা মোরেলগঞ্জে শহরের মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাছ ব্যবসায়ীরা রূপালি ইলিশের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। একেক জনের ডালায় ২০-৩০ কেজি করে বড় সাইজের ইলিশ। প্রত্যেকটি ইলিশের পেটেই ডিম বোঝাই। ক্রেতারাও হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। দাম যাচাই-বাছাই করে বনিবনা হলে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন তাদের পছন্দসই ইলিশ।
    মোরেলগঞ্জে মাছ বাজারের ব্যবসায়ী কমিশনার ইউনুস সরদার.আব্দুল আউয়াল মাতুব্বর. লাভলু শেখ সোহাগ হাওলাদার, খোকন হাওলাদার, আউয়াল , রাসেল হাওলাদার জানান, গত তিন-চারদিন ধরে পানগুছি বলেশ্বরে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। সাইজও বেশ বড়। এর আগে ছোট ইলিশ (জাটকা) ধরা পড়তো। তাও পরিমানে কম। বর্তমানে ৮-৯শ’ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১ হাজার থেকে ১হাজার ৫০০টাকা, এক কেজি ওজনের ইলিশ ১হাজার ৬০০ থেকে দেড় হাজার টাকা, দেড় কেজি ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৬০০টাকা এবং দুই কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৮০০টাকা থেকে দুই হাজার২০০ টাকা দরে কেজি বিক্রি হচ্ছে।
    এসব ব্যবসায়ীরা জানান, দাম যতোই হোক না কেন কোনো ইলিশই অবিক্রিত থাকে না। স্থানীয়দের পাশাপাশি তাদের আত্মীয়-স্বজনদের জন্যও ইলিশ কিনে নেন তারা। ককসিট ভরে বলেশ্বরের ইলিশ পাঠান দূর-দূরান্তের স্বজনদের কাছে।
    বলেশ্বর নদের জেলে সোহেল শাহ, রাসেল হাওলাদারসহ অনেকেই জানান, কয়েকদিন আগেও সারাদিন জাল ফেলে দেড়-দুই কেজি জাটকা উঠতো। এখন বড় ইলিশ উঠছে। প্রতিদিন একেকজন জেলে ৮-১০ কেজি করে বড় ইলিশ পাচ্ছেন। এসব ইলিশ তাদের নির্ধারিত আড়তে বিক্রি করেন। এখন জেলে-মহাজন-ব্যবসায়ী সবাই লাভে আছেন।
    রবিবার(৮ সেপ্টেম্বর) মোরেলগঞ্জ মাছ বাজারে ইলিশ কিনতে এসেছিলেন জাহিদুল ইসলাম । তিনি দেড় কেজি ওজনের দুটি ইলিশ কিনেছেন। ১৬শ’ টাকা কেজি দরে দুটি ইলিশের দাম পড়েছে চার হাজার ৮০০ টাকা। ওই ক্রেতার কাছে জানতে চাইলে বলেন, দাম কোনো বিষয় না। বলেশ্বরের ইলিশ আমার খুব পছন্দ। তাই কিনে নিলাম।
    মোরেলগঞ্জ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের অন্যান্য নদ-নদীর চেয়ে বলেশ্বর নদের ইলিশের স্বাদ-গন্ধ একটু আলাদা। ইলিশের চেহারা-আকারও ভিন্ন। বেঙ্গাপসাগরের ইলিশের তুলনায় পেটি খুব চওড়া। প্রচুর তেলও এই ইলিশে। যে কারণে দাম ও চাহিদা বেশি।এখন সময় এসেছে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের। আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইলিশ ধরার জন্য জেলেদের বিভিন্ন সভা-সেমিনারের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করছি।
    মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় আরো বলেন, এখন ইলিশের ভরা মৌসুম। পর্যাপ্ত বৃষ্টি হওয়ায় ইলিশের জন্য একটা অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। যে কারণে সাগর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ শাখা নদ-নদীতে উঠে আসছে। তাই জাল ফেললেই ধরা পড়ছে বড় ইলিশ।
    তাছাড়া, অক্টোবর মাসে শুরু হচ্ছে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম। এ সময় ২২ দিন দেশের সকল নদ-নদী ও সাগরে ইলিশসহ সকল প্রকার মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকবে। প্রজনন মৌসুম আসন্ন হওয়ায় এখন সব ইলিশের পেটে ডিম থাকাটাই স্বাভাবিক। ডিমছাড়া ও ডিমওয়ালা ইলিশ চিনবেন যেভাবে
    এ ধরনের ইলিশ চেনার জন্য কিছুটা অভিজ্ঞ হতে হবে। আগস্টের মাসের দিকে ইলিশ ডিম ছাড়তে শুরু করে। এই মৌসুম চলে সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবর পর্যন্ত। সাধারণত ডিমওয়ালা ইলিশ চ্যাপ্টা আকৃতির হয়। এ ধরনের ইলিশের পেট টিপলে পায়ুপথের ছিদ্র দিয়ে ডিম বের হয়ে আসে। অপরদিকে ডিম ছাড়া ইলিশের পেট অনেকটা ঢিলে হয়।কোন ধরনের ইলিশ কিনবেন না?
    ইলিশ মূলত এর স্বাদের জন্য বিখ্যাত। ইলিশের স্বাদ পুরোপুরি পেতে চাইলে বড় ইলিশ কিনতে হবে। তাই ছোট ইলিশ কিনবেন না। এ ধরনের ইলিশে স্বাদ কম হয়। আবার যেসব ইলিশ দীর্ঘদিন ফ্রিজে থাকে সেগুলোরও স্বাদ কমে যায় বা নষ্ট হয়ে যায়। যে ইলিশ কম চকচকে থাকে, সেগুলোই বেশিদিন ফ্রিজে রাখা। এভাবে দেখেও চিনে নিতে পারেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাগেরহাটের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরা জানান, ইলিশের দাম ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্য আনতে মাঠে নামছে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিকার অধিদপ্তর। সংস্থাটি ইলিশের বাজার নিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। দাম নিয়ন্ত্রণে শিগগিরই মাঠে নামবে সংস্থাটি। ##*

  • নওগাঁয় কোর জামে মসজিদ ভেঙ্গে অ্যাডভোকেটদের অফিস বানানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন

    নওগাঁয় কোর জামে মসজিদ ভেঙ্গে অ্যাডভোকেটদের অফিস বানানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁয় কোর জামে মসজিদ ভেঙ্গে অ্যাডভোকেটদের অফিস বানানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নওগাঁ জেলা শাখা। রোববার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জেলা আদালত চত্ত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। 

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সভাপতি মাস্টার মো. আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মদ নাজমুল হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, 

    অত্র মসজিদ স্থাপিত হওয়ার মূল ভিত্তির ছায়ালিপিসহ প্রতিবেদন আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মসজিদ পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে আন্দোলন কারীদের নিকট পেশ করা হবে। আনুমানিক ২০ থেকে ২২ বছর পর কোন সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে উক্ত মসজিদ ভেঙ্গে উকিলদের চেম্বার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তার লিখিত ফতোয়া আন্দোলনকারীদের নিকট পেশ করতে হবে। উক্ত মসজিদ ভেঙ্গে উকিল চেম্বার করার ক্ষেত্রে যাদের নিকট হতে অর্থ নেওয়া হয়েছে তার সঠিক ব্যবহার হয়েছে কি না তার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তার প্রতিবেদন পেশ করতে হবে। 

    উক্ত দাবী সমূহ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অত্র মসজিদের নীচতলায় সালাত আদায় করা ও অজু খানাসহ যা কিছু ভাঙ্গা হয়েছে তা পুনরায় মেরামত করতে হবে। চুড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত যাদের নিকট থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছে তাদের পনর্বাসনের ব্যবস্থা করা বা অর্থ ফেরৎ এর ব্যবস্থা করতে হবে।

    উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী যুব আন্দোলন নওগাঁর সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ নাজিবুদ্দীন চৌধুরী, জেলা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের সেক্রেটারী মুহাম্মদ নূর মমিনূল হক, মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ, মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ সাদেক আলী, মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ, মাওলানা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মাওলানা মুফতি মুহাম্মাদ হারুন অর রশিদ, মুহাম্মদ আব্দুল হক, মাওলানা মুহাম্মদ শাহেদ আরাফাত, মাওলান মুফতি মুহাম্মদ হাফিজুল্লাহ, হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ রউফুজ্জামান রাইট, মাওলানা মুহাম্মদ আকতারুজ্জামান, মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহমান, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, হাফেজ মুহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল, মাওলানা মুহাম্মদ আজিমুদ্দীন, মুহাম্মদ তারেক হোসন মিঠু, প্রভাষক মুহাম্মদ শহিদুল আলম, প্রভাষক মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।#

    আব্দুল মজিদ মল্লিক 
    নওগাঁ। 

  • মোরেলগঞ্জের বিএনপি’র নেতা অধ্যক্ষ মোঃ জাহাঙ্গীর আল-আজাদ এর নেতৃত্বে  বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

    মোরেলগঞ্জের বিএনপি’র নেতা অধ্যক্ষ মোঃ জাহাঙ্গীর আল-আজাদ এর নেতৃত্বে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:
    বরগুনার তালতলীতে ইউনিয়ন বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌর বিএনপি’র সদস্য সচিব মোঃ জাহাঙ্গীর আল-আজাদ এর নেতৃত্বে বিভিন্ন জাতের গাছের চারা রোপন করা হয়।

    রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) মোরেলগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ মোঃ জাহাঙ্গীর আল- আজাদের সহযোগিতায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

    এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল আউয়াল, মোরেলগঞ্জ পৌর যুবদলের আহবায়ক মিজানুর রহমান পলাশ,পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম মিঠু, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আবুসালেহ খান,পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান সজল,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মেহেদী হাসান রানা, মোরেলগঞ্জ ১৫নং সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি এস কে শফিকুল ইসলাম,কলেজ ছাত্রনেতা আবদুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ।

    এসময় অধ্যক্ষ মোঃ জাহাঙ্গীর আল আজাদ বলেন,একটি দেশের ২৫শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশে এর অর্ধেকটাও নাই। এরপর ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচার, ও বাকশালী সরকারের আমলে সব থেকে বেশী বৃক্ষ নিধোন হয়েছে। কারনে অকারনে তারা গাছ কেটে উজাড় করে ফেলেছে। অপরিকল্পিতভাবে গাছ কাটায় বাংলাদশের জলবায়ু পরিবর্তন হয়ে গেছে। কয়েক মাস যাবৎ যেভাবে গরম পড়ছে। তার মূল কারন হচ্ছে এই গাছ কাটা।

    এছাড়াও মোরেলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আবু সালেহ খান বলেন, বাংলাদেশে বনের পরিমান দিনে দিনে কমে আসছে। বর্তমানে দেশের ১০ভাগ বনভূমিও নেই। এরপর অপরিকল্পিতভাবে গাছ কেটে বন উজার করছে। মোরেলগঞ্জও এর বাহিরে নয় উল্লেখ করে আবুসালেহ বলেন, তথাকথিত উন্নয়নের নামে মোরেলগঞ্জ গাছ কটে মরুভূমি করা হয়েছে। এতে পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
    অন্যদিকে মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি এস কে শফিকুল ইসলাম বলেন, এ আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধু চারা রোপণ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর মধ্য দিয়ে আমাদের তরুণ সমাজে তৈরী হবে গাছের প্রতি এক ধরনের মমতা যা তরুণ সমাজকে এ জাতীয় কাজে আরো উদ্বুদ্ধ করবেেন।

  • আত্রাইয়ে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

    আত্রাইয়ে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, আত্রাই (নওগাঁ) থেকে: নওগাঁর আত্রাই থানা পুলিশ স্থানীয় একটি পুকুর থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরাদেহটি নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার ঠাকুরলক্ষীকোল গ্রামের সোনাম উল্লার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪২) বলে জানাগেছে। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উদ্ধার করা মরদেহ কালো রঙের ট্রাউজার ও কফি রঙের হাফ হাতা গেঞ্জি পরিহিত ছিল।

    আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহুরুল ইসলাম জানান, উপজেলার সুটকিগাঁছা-বান্দাইখাড়া সড়কের শুকটিগাছা নামক স্থানে রাস্তার পাশের একটি পুকুরে মরদেহটি ভাঁসতে দেখে স্থানীয়রা থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ তা উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। মরদেহের শরীরে কোন আঘাতে চিহ্ন ছিলনা বলেও জানান ওসি, তবে কি কারনে তার মৃত্যু হয়েছে ময়নাতদন্তের পরে জানা যাবে। 

    আব্দুল মজিদ মল্লিক 
    আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি।

  • মুরাদনগরে সাংবাদিকদের সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    মুরাদনগরে সাংবাদিকদের সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লা থেকে, মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,

    কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে মুরাদনগর উপজেলা বিএনপি।
    রবিবার বিকেল ৫টায় মুরনাদনগর উপজেলার কবি নজরুল মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    এ সময় উপজেলা বিএনপির নেতারা বলেন, স্বচ্ছতার মাধ্যমে বিএনপির নেতাকর্মীরা দেশ পরিচালনার জন্য এগিয়ে যাবে। সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাদের কন্ঠরোধ ও বাকস্বাধীনতা হরণ করেছিল স্বৈরাচার আ’লীগ সরকার। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সেই স্বৈরাচার আ’লীগ সরকারের পতন হয়েছে। এখন স্বাধীনভাবে সাংবাদিকরা লিখতে পারবেন। আপনারা বস্তুনিষ্ট লেখনির মাধ্যমে বিগত স্বৈরাচারের ১৬ বছরের শাষনামলে অনিয়মগুলো তুলে ধরে সামাজকে কলঙ্কিত মুক্ত করবেন। নেতারা আরো বলেন, গত ৪ আগস্টের পর থেকে সারাদেশে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে সেটা নির্যাতিত সাধারণ মানুষ ও ছাত্র-জনতার ক্ষোভের বাহিঃপ্রকাশ।
    উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ফারুক আহম্মেদ বাদসার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোল্লা মজিবুল হক, বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূইয়া, শাহ আলম চেয়ারম্যান, নজরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সদস্য সোহেল আহম্মেদ বাবু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সৈয়দ হাছান আহম্মেদ প্রমুখ।

  • ময়মনসিংহে শেখ হাসিনা, স্থানীয় এমপি ও সিটি মেয়রসহ ১১১ জনের নামে মামলা

    ময়মনসিংহে শেখ হাসিনা, স্থানীয় এমপি ও সিটি মেয়রসহ ১১১ জনের নামে মামলা

    স্টাফ রিপোর্টার
    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থী রিদওয়ান হোসেন সাগর হত্যার ঘটনার ৫০ দিন পর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ বাদী হয়ে ময়মনসিংহের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
    এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্থানীয় সাবেক এমপি মোহিত উর রহমান শান্ত ও সাবেক সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটুসহ ১১১ জনকে আসামী করা হয়েছে। বিচারক রওশন জাহান মামলাটি আমলে নিয়ে এ ঘটনায় কোনো মামলা আছে কিনা ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে কোতোয়ালী থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
    মামলার বিবরণে বলা হয়, ১৯ জুলাই শুক্রবার বিকেল ৩ টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নগরীর টাউন হল মোড় থেকে মিছিল সহকারে ময়মনসিংহ-ঢাকা বাইপাস মোড় পৌছলে হাজার হাজার ছাত্র জনতার গণমিছিলে রূপ নেয়। মিছিলটি বাইপাস মোড় থেকে নগরীতে ফিরে আসার সময় সি কে ঘোষ রোড মহিলা ডিগ্রী কলেজের সামনে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের প্রত্যক্ষ প্ররোচনা, উস্কানী ও নির্দেশে অন্য আাসমিরা আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনসমূহের জেলা, মহানগর ও কোতোয়ালী থানা শাখার সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকসহ অজ্ঞাতনামা ২০০/২৫০ জন সন্ত্রাসী পূর্ব পরিকল্পিনামত ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সাধারন ছাত্র-জনতাকে খুন করার উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ও চাইনিজ কুড়াল, দাও, কিরিচ, চাপাতি, হকিস্টিক, বাঁশ ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সাধারন ছাত্র-জনতার ওপর আক্রমন করে। এ সময় মোহিত-উর-রহমান শান্ত, ও ইকরামুল হক টিটু ও আমিনুল হক শামীমসহ আসামীগণ ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে এবং এলোপাতাড়ি কোপাইতে থাকে। এতে অনেকেই গুলিবিদ্ধ ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত জখমপ্রাপ্ত হয়। এক পর্যায়ে মোহিত-উর- রহমান শান্ত তার আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে গুলিবর্ষণ করলে রিদওয়ান হোসেন সাগর (২২) বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
    মামলার অন্য আসামিরা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমিনুল হক শামীম, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এহতেশামুল আলম, সাধারন সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, সাবেক গৃহায়ন ও গণপুর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, সাবেক এমপি বাবেল গোলন্দাজ, সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু, সাবেক এমপি নিলুফা আনজুম পপি, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াহেদ,
    সাবেক এমপি কাজিমউদ্দিন ধনু, সাবেক এমপি জুয়েল আরেং, সাবেক এমপি, আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন, সাবেক এমপি মোসলেমউদ্দিন, গফরগাঁও পৌরসভার সাবেক মেয়র ইকবাল হোসেন সুমন, সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন, রাসেল, নওশেল আহমেদ অনি, নওশেদ আহমেদ অভি, ফয়জুর রাজ্জাক ওশান, মাজহারুল ইসলাম মবিন, সাজ্জাদ হোসেন শাহীন, তাফসির আলম রাহাত, শাহিনুর, রকিবুল ইসলাম রকিব, ইয়াসিন আরাফাত শাওন, মাকমুদ বেগ, কাজী জাহিদুল ইসলাম পরাগ ওরফে কাজী পরাগ, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আজহারুল ইসলাম,
    পিযুষ কান্তি সরকার, আগুন, আজিজুর রহমান ইমন, আতিকুর রহমান সুমন, মোকসেদুল হাসান আপন, আবু বকর সিদ্দিক সাগর (কাউন্সিলর), মঈন, শরীফ (কাউন্সিলর), পার্থ, শওকত জাহান মুকুল, মোতাহার হোসেন লিটু, আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু দারোগা, কসাই আলামীন, সাগর চৌধুরী, অনিক চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল মামুন আরিফ, নিতাই, মাসুদ রানা, নজরুল ইসলাম চুন্নু (জাসদ), সোহাগ সওদাগর, রাফিউল আদনান প্রিয়ম, নাহিদ হাসান রাব্বি, রাজিব, আর এস রিপন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইদ, চৌরা সেলিম (কাউন্সিলর), মোফাজ্জল হোসেন, সব্যসাচী সরকার,
    বজলুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম নিশাত, মমতাজ উদ্দিন মনতা, উত্তম চক্রবর্তী রকেট, তানজির আহম্মেদ রাজীব, ইয়ন আলম, আরিফুর রহমান ওরফে ডাইল রতন, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আল আমিন, সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন কবীর, কাজী আজাদ জাহান শামীম (সাবেক জিএস, আনন্দমোহন কলেজ ছাত্র সংসদ), মুকুল সরকার (সাবেক ভিপি, আনন্দমোহন কলেজ ছাত্র সংসদ), আনিসুজ্জামান (সাবেক কমিশনার), আসাদুজ্জামান রোমেল,
    রিপন (১১ নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি), বিপ্লব সরকার বিললু, নিহার রঞ্জন রায় (প্রিন্সিপাল, মিন্টু কলেজ), আফতাব দুর্বার, রনি, গোলাম ফেরদৌস জিলু (সাবেক ভিপি, আনন্দমোহন কলেজ ছাত্র সংসদ), রাপেল, লিটু, আকিব খান পাঠান, সাকি, জয়, ফাহিম শাহরিয়ার অনন্ত, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, শফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকলীগের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সাধারন সম্পাদক এনামুর রহমান রবি, গৌরীপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সোমনাথ সাহা, মুক্তাগাছা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন সরকার,
    মুক্তাগাছা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ, মাহবুবুল আলম মনি, আরব আলী, এমদাদুল হক ইনু, যদু, সাবেক এমপি এবিএম আনিছুজ্জামান, আশরাফুল ইসলাম মন্ডল, ইব্রাহীম খলিল নয়ন, আবুল কালাম সামছুদ্দিন, ইকবাল হোসেন, আব্দুর রহমান লেলিন, খন্দকার বাকীবিল্লাহ, রফিকুল ইসলাম রতন, আ. আউয়াল সেলিম (জাতীয় পার্টি), জাহাঙ্গীর আহম্মেদ (জাতীয় পার্টি), সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু (জাসদ), সাব্বির হোসেন বিল্লাল, হাজী মো. রফিকুল ইসলাম, ও সাদিক হোসেন (জাসদ নেতা)।

  • সুনামগঞ্জ জেলার নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান

    সুনামগঞ্জ জেলার নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জ জেলার নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান (পিপিএম)।
    ফরিদপুর জেলার কৃতি সন্তান আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ রবিবার সকাল পৌনে ১০টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বিদায়ী পুলিশ সুপার এম, এন, মোর্শেদ পিপিএম-সেবার কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। ২০১৮ সালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থেকে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম পুলিশের দায়িত্বশীল ও প্রজ্ঞাবান কর্মকর্তাদের মধ্যে অন্যতম তিনি। পরে সকাল ১০টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে বিদায়ী পুলিশ সুপার এম, এন, মোর্শেদ পিপিএম-সেবাকে এক বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবাগত পুলিশ সুপার আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম। বিদায় অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ বিদায়ী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে কাজ করার বিভিন্ন অভিজ্ঞতা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে নবাগত পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিদায়ী পুলিশ সুপারের হাতে স্মৃতি স্মারক ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।
    এর আগে নবাগত পুলিশ সুপার আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম পুলিশ সুপার কার্যালয় উপস্থিত হলে তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিদায়ী পুলিশ সুপার এম, এন, মোর্শেদ পিপিএম-সেবা। পরে জেলা পুলিশের একটি সুসজ্জিত চৌকস দল নবাগত পুলিশ সুপারকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জাকির হোসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুনামগঞ্জ সদর সার্কেল) জাহিদুল ইসলাম খান, অফিসার ইনচার্জ (সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা) মো: আব্দুল আহাদসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সগণ উপস্থিত ছিলেন।
    আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান ২৪তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে ২০০৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। সুনামগঞ্জে যোগদানের পূর্বে তিনি পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি র‍্যাব হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, নাটোর জেলা, পিবিআই হেডকোয়ার্টার্স, আরএমপি, রাজশাহী, ঝালকাঠি জেলার সদর সার্কেল, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইউএন এ্যাফেয়ার্স শাখা, বিএমপি, বরিশাল, পুলিশ সুপারের কার্যালয় (সদর) সিরাজগঞ্জ জেলা, ৪ এপিবিএন, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, রাঙ্গামাটি জেলাসহ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে কর্মরত ছিলেন। যেখানে তিনি অসাধারণ নেতৃত্ব ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম-এঁর নতুন পদে যোগদানে সুনামগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুসংহত করবে এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে সকলে বিশ্বাস করেন।###

  • আত্রাইয়ে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

    আত্রাইয়ে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, আত্রাই (নওগাঁ) থেকে: নওগাঁর আত্রাই উপজেলা বিএনপির এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার বিকেলে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুল জলিল চকলেট।

    লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,আত্রাই উপজেলা বিএনপির নেতা কর্মীদের মাঝে বিভ্রান্ত সৃষ্টির জন্য সাবেক এমপি আলমগীর কবির পাঁয়তারা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপির নাম ব্যবহার করে মাইকিংয়ের মাধ্যমে সোমবার আত্রাইয়ে পথ সভার চেষ্টা করছেন।

    লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন,আলমগীর কবির কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির কোন সংগঠনের সাথে জড়িত নেই। তিনি আলমগীর কবিরের এ ধরণের কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা বিএনপি নেতা তছলিম উদ্দিন,আব্দুল মান্নান সরদার,যুবদল নেতা খোরশেদ আলম,আশরাফুল ইসলাম লিটন,পারভেজ ইকবাল প্রমুখ।

    আব্দুল মজিদ মল্লিক। আত্রাই,(নওগাঁ) প্রতিনিধি।