কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জ জেলার সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং ও মতবিনিময় সভা করলেন নবাগত পুলিশ সুপার আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান (পিপিএম)। সোমবার সকাল ১১ঘটিকায় সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের হল রুমে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মত বিনিময় সভায় নবাগত পুলিশ সুপার সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রায় অর্ধ শতাধিক উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। মত বিনিময় সভায় সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন জটিলতার কথা সাংবাদিকদের বক্তব্যের মাধ্যমে শুনেন এবং নোট করেন। একের পর এক সাংবাদিকের বক্তব্যে উঠে আসে ইজারা বিহীন ধোপাজান নদী ও জাদু কাটা নদীর বালু ও পাথর লুঠপাট বন্ধের দাবির কথা। পাশাপাশি ৪ আগস্টের সুনামগঞ্জ শহরে নিরিহ ছাত্র সমাজ ও নিরিহ মানুষের উপর সন্ত্রাসী হামলার সহিংসতাকে কেন্দ্র করে যে মামলা হয়েছে । সেই মামলায় কোন নিরপরাদ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন সেই দিকে খেয়াল রেখে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান সাংবাদিকরা। এছাড়াও যে সকল সাংবাদিকদের সহিংসতা মামলার আসামি করা হয়েছে তাদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মুক্তির দাবীর আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীরা। নবাগত পুলিশ সুপার মনোযোগ সহকারে সাংবাদিকদের কথা শুনে তিনি বলেন আমি সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নিয়ে এ জেলায় এসেছি সুনামের সাথেই আবার যাব। পুলিশের দ্বারা কেউ অঝথা হয়রানির শিকার হবেন না। আমি সুনামের সাথে কাজ করতে চাই এবং এর জন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতাসহ জেলার সুশীল সমাজের সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। সকলের সহযোগিতা থাকলে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ভাবে জন কল্যাণে সকল অনিয়ম দুর্নীতি বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। এছাড়াও পুলিশ সুপার আরও বলেন জেলার অভিভাবক হচ্ছেন জেলা প্রশাসক মহোদয় । জাদু কাটা নদী ও ধোপাজান নদীর ভারসাম্য রক্ষায় জেলা প্রশাসকের ভূমিকা সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসক যদি একটু নজর দারী করেন সব চেয়ে ভাল হয়। আমরা পুলিশ প্রশাসন সব সময় উনার সাথে নিরলস ভাবে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছি। তিনি সাংবাদিকদের এবং সুশীল সমাজের সকলের সহযোগিতা পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সবাইকে সাথে নিয়ে নিরলস ভাবে এ জেলায় কাজ করতে চান।
ফরিদপুর জেলার কৃতি সন্তান আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর সর্ব প্রথম তিনি সাংবাদিকদের সাথে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন ।
৮ সেপ্টেম্বর রবিবার সকাল পৌনে ১০টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বিদায়ী পুলিশ সুপার এম, এন, মোর্শেদ পিপিএম-সেবার কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। বক্তব্য শেষে নবাগত পুলিশ সুপার আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম সুনামগঞ্জ বাসীর উদ্দেশ্যে বলেন আমি সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নিয়ে এসেছি সুনামের সাথেই সুনাম নিয়ে যাব । এসময় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জাকির হোসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুনামগঞ্জ সদর সার্কেল) জাহিদুল ইসলাম খান, অফিসার ইনচার্জ (সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা) মো: আব্দুল আহাদসহ সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।##
Blog
-

সুনামগঞ্জ এসেছি সুনাম অর্জন করে যাব পুলিশ সুপার – আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খান
-

বরগুনার তালতলীতে ইউএনও’র বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
বরগুনা তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সিফাত আনোয়ার তুমপা’র বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সর্বস্তরের জনগণ।সোমবার ( ০৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩ টার দিকে উপজেলা শহরের সদর রোডে ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে ছাত্র-শিক্ষক,রাখাইন সম্প্রদায় সহ সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে মানববন্ধন অংশগ্রহন করেন সহস্রাধিক বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সিফাত আনোয়ার তুমপা এই উপজেলায় যোগদানের পর থেকে আসার পর সর্বস্তরের জনগণের সম্মানে মানুষের সেবায় কাজ করেছেন। দিন-রাত নিজেকে সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত রেখে কাজ করেছেন । তিনি ভূমিহীন, অসহায়,হতদরিদ্রদের পাশে সরকারি অর্থ ও নিজস্ব অর্থ দিয়ে সাধ্য মতো সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন মানুষদের । তাই হঠাৎ করেই তার বদলির আদেশ শুনেই ফুসে উঠেছে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ।
বক্তারা আরও বলেন, অসাধারণ গুণের অধিকারী ইউএনও সিফাত আনোয়ার তুম্পাকে এ উপজেলায় রাখতে হবে। বদলির আদেশ বাতিল করতে হবে। এ ব্যাপারে বর্তমান সরকারের সুদৃষ্টি আশা করছেন তাঁরা। যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলির আদেশ প্রত্যাহার না করা হলে কঠোর আন্দোলন করার হুশিয়ারি দেয় বক্তারা।
এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ফরহাদ হোসেন আক্কাস মৃধা,ইউপি চেয়ারম্যান ফরাজী ইউনুচ,ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক খান,জামায়েত নেতা জালাল পিয়াদা,ছাত্র দলের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির,রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সংস্থা সাধারণ সম্পাদক মংচিন থান,রাখাইন নেতা মংথিন জো,সমাজ সেবক ধলুশে, শিক্ষক জসিম উদ্দিন মিঠুসহ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্ররাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বক্তব্য দেয়।
উল্লেখ্য যে, গত ৮ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রংপুরে বিভাগে বদলির আদেশ দেওয়া হয়।
মংচিন থান
বরগুনা প্রতিনিধি।। -

পীরগঞ্জে দোকান ও বাড়ি ভাংচুরের ভিডিও অনলাইনে প্রচার করার সংবাদ সম্মেলন
পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে দোকান ও বাড়ি ভাংচুরের ভিডিও অনলাইনে প্রচার করায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
গতকাল রোববার দুপুরে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মনিরুজ্জামান রয়েল ও তার পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়ন মিলন বাজার গ্রামের মনিরুজ্জামান রয়েল ও তার পরিবার প্রাপ্ত ৪৫ শতাংশ সম্পর্ত্তি প্রতিবেশী আওয়ামীগ নেতা আব্দুস সালাম সম্প্রতি ক্ষমতার দাপটে জোর পূর্বক ওই সম্পত্তি দখল নেয়। গত ৫ আগষ্ট আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর এলাকার নির্যাতিত সাধারণ মানুষ ও বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা তার দোকান ও বাড়িতে হামলা করে।সংবাদ সম্মেলনে মনিরুজ্জামান রয়েল বলেন, জমি-জমার জের ধরে আমাদের বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও ২৪ নামে একটি অনলাইন পোটালে বাড়ি ও দোকানঘর ভাংচুর শিরোনামে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে। আমাদের প্রতিপক্ষ আব্দুর সালাম সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে সংবাদটি উদ্দ্যেশ্য প্রণোদিত ভাবে প্রচার করিয়েছেন। তিনি একজন মামলা বাজ, দূর্নীতিবাজ, ভুমিদুস্য, মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসী তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এন এন রানা
পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও -

সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ নিহ*ত
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে মাইক্রোবাস ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ জন।
আজ রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জ-নলকা আঞ্চলিক সড়কের ভদ্রঘাট কটিরচরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রায়গঞ্জ উপজেলার ব্রক্ষগাছা গ্রামের অটোরিকশা চালক রাসেদুল ইসলাম, তাড়াশ উপজেলার ভাটড়া গ্রামের নুরুজ্জামান ও তারেক রহমান।
কামারখন্দ থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, সিরাজগঞ্জ থেকে নলকাগামি একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা সিরাজগঞ্জ-নলকা আঞ্চলিক সড়কের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট এসিআই মিলের সামনে পৌছলে বিপরীতমুখী একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক রাসেদুল, নুরুজ্জামান ও তারেক নিহত হয়। আহত হয় আরও অন্তত চারজন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার ব্রিগেডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়।
জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ
-

সিরাজগঞ্জে ম্যাগজিন ও গুলিসহ দুটি শর্টগান উদ্ধার
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জ-কাজিপুর আঞ্চলিক সড়কে নির্মাণাধীন একটি মসজিদের সিড়ির নিচ ফেলে রাখা অবস্থায় দুটি ম্যাগজিন ও ১৬ রাউন্ড গুলিসহ দুই অত্যাধুনিক শর্টগান উদ্ধার করেছে পুলিশ।গতকাল রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের বেজগাতী বাজার এলাকায় একটি মসজিদের সিড়ি থেকে এই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, স্থানীয় মুসল্লিরা ভোর সাড়ে ৬টার দিকে মসজিদের সিঁড়িতে দুটি অস্ত্র ও গুলি দেখতে পায়। পরে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ব্যাগ থেকে দুটি অত্যাধুনিক শর্টগান, দুটি ম্যাগজিন ও ১৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। অস্ত্র দুটি কে বা কারা ফেলে রেখেছিল সেটির বিষয়ে খোঁজ চলছে।
-

বাংলাবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে কুলি শ্রমিকদের মানববন্ধন
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলনের বিরুদ্ধে কুলি শ্রমিকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের সিপাইপাড়া বাজারে কুলি শ্রমিক ও ইউনিয়ন বাসীর আয়োজনে পরিষদের সামনে পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনিয়নে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। অন্যায়ভাবে মানুষের জমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে দখল করেছেন। অনেককে চাকরি দেয়ার নামে ও মানুষের জমি আরেকজনকে দখল করে দেয়ার নামে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তার দুর্নীতি চরম আকার ধারণ করেছে। ১৫ বছরের আওয়ামী দু:শাসনের মাধ্যমে স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মী ও সাধারণ মানুষের দোকানপাট ভেঙে দিয়েছেন। তিনি কথা বলতে দিতেন না। ৫ আগষ্টের দ্বিতীয় স্বাধীনতার পর চেয়ারম্যান পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ৩০ দিন থেকে তিনি পরিষদে আসেন না। তিনি কয়েকটি ফৌজদারী মামলার আসামি। তারপরেও জামিনে মুক্ত হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে কথা বললে মাদক মামলাসহ নানা ধরনের মামলা দিয়ে মানুষজনকে হয়রানি করতো। অনেকে তার রোষানলে পড়ে নিঃস্ব হয়েছেন। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন বক্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, কুলিদের থেকে মিলন চেয়ারম্যান প্রায় ২লাখ ৮০ হাজার টাকা দিনে হাতিয়ে নেয়। তাঁরা চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবী জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে। ইতোপূর্বে কুলিশ্রমিক ও সাধারন জনগণ মানববন্ধন করেও কোনো ফলাফল পাননি এবং চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ডিসি, এসপি ও ইউএনও কে অভিযোগ করেও লাভ হয়নি জানিয়েছেন তারা।তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলন বলেন, আমি কখনো কারো জমি দখল করেছি, এমন কোনো প্রমাণ নেই। আমি কুলিশ্রমিকের কেউ না। তারা পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এসব তান্ডব চালাচ্ছে। সরকার পরিবর্তনের পর থেকে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।
-

আমরা সবাইকে নিয়ে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। গোদাগাড়ীতে ধর্ম উপদেষ্টা
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন বিতর্ক সৃষ্টি হয় এমন কিছু করবে না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। রবিবার সকাল থেকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ বাড়ী মন্দির পরিদর্শন ও হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।’
প্রেমতলী খেতুরিধামসহ বিভিন্ন মন্দির কমিটি ও গোগ্রাম ইউনিয়নের একটি মাদ্রাসা পরিদর্শকালে বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এ সব কথা বলেন।
গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল হায়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ীর গোগ্রাম নওয়াতুল ইসলামী কাওমী মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাও. মোখতার আলী, গৌরাঙ্গ দেব মন্দিরেী সভাপতি বিদ্যুৎ নারায়ণ সরকার।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, ‘কেউ যদি উপাসনালয়ে, দুর্গাপূজা মণ্ডপে কোনো রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, বাধা প্রদান করে তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না ।
তিনি আরো বলেন,’ আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে আগামী মঙ্গলবার মিটিং করবো। সেখানে আমরা ডিআইজি জেলা প্রশাসককদের নির্দেশনা দেব। কেউ যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, সে যেই হোক, আমরা তাকে ছাড় দেবো না। আইনের আওতায় এনে শাস্তি ও বিচার করবো। এছাড়াও যদি কোথাও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বা হবে মনে হয় তাহলে স্থানীয় জনগণ ও মাদ্রাসা ছাত্রদের সম্পৃক্ত করে তাদের পূজা মন্ডল পাহারা দেবে।’ বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক দেশ সকলে সমান ভাবে উৎসব পালন করবেন। দেশে কোন বৈষম্য সৃষ্টি করা যাবে না।’
পরে ধর্ম উপদেষ্টার পক্ষ থেকে স্থানীয় ৪০০ হিন্দু মুসলিম পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ও মন্দির পরিদর্শন করেন।
এছাড়াও স্থানীয় ইসকন ভবন পরিদর্শন ও গোগ্রাম পূজা মন্ডল পরিদর্শন, স্থানীয় সুধিজনদের সাথে মতবিনিময় ও ১০০ জন দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে সব থেকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে । আমরা এমন কোন এই মুহূর্তে কাজ করতে চাই না যেটি নিয়ে কোন বিতর্ক সৃষ্টি হোক। সবাইকে নিয়ে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই।
ধর্মীয় উপাসনালয় হামলার প্রসঙ্গে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, মসজিদ, মন্দির, মাজারে হামলা গর্হিত কাজ, ধর্মীয় উপাসনালয়ে যারা হামলা চালায় তারা মানবতার শক্রু, ক্রিমিনাল। আমরা ক্রিমিনালদের ধরে আইনের আওতায় আনার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি। প্রচলিত আইনে তাদের বিচার করা হবে। এছাড়াও দুর্গাপূজার নিরাপত্তায়
স্থানীয় সাধারণ জনগনের পাশাপাশি
মাদ্রাসার ছাত্রদের পূজার সাথে সম্পৃক্ত করে মন্দির পাহারা দেয়া হবে। যেন কোন ধরনের হামলা বা নাশকতা না হয়। মাদ্রাসার ছাত্ররা কোন ধরনের জঙ্গিবাদের সঙ্গে ছিলো না। এটা পূর্বের সরকারের ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার।বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওপর হিন্দু মহাসভার হামলার আশঙ্কার খবরে ধর্ম উপদেষ্টা আরো বলেন, আমরা প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক চাই। আমাদের ক্রিকেট দলের উপর ভারতে হামলার খবর শুনছি। যেহেতু বিসিবি আছে, তারা এবিষয়ে করনীয় ঠিক করবে। পট পরিবর্তনের পর কিছু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়ীতে যেমন হামলা হয়েছে, তেমনি মুসলমানদের বাড়ীতেও হয়েছে। এটাকে ভিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই। এ সরকার সকলের সরকার, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। হজ্বের প্যাকেজ মূল্য কমানোর পরিকল্পনা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হজ্বের প্যাকেজ মূল্য কমানো নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। হাজিরা যে টাকা দেয় তা থেকে এক পয়সাও আমরা ধর্মমন্ত্রণালয় রাখি না। হাজিদের এক কোটি টাকার আমরা ঔষধ দেই। ৮০ জন ডাক্তার, ২০-৩০ জন নার্স ব্রাদার্স আমরা সাথে রাখি। স্থায়ী চিকিৎসা প্রদান করি। কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে ভর্তি করি। এছাড়াও সৌদি আরবের সাথে যেসব চুক্তি আছে সেগুলো দিয়ে থাকি। এগুলো হাজিদের কাছে নেই না। এছাড়াও হজ্বের যে মূল খরচ থাকা, খাওয়া, বিমান ভাড়া, এবং সৌদি সরকারকে একটি নির্দিষ্ট খরচ দিতে হয়। তিনি বলেন, এই মাসেই সৌদি হজ্ব মন্ত্রীর সাথে দেখা হবে। আমি আপ্রাণ চেষ্টা করছি হাজিদের জন্য যে যে খাতে কমানো যায় এবং সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় প্যাকেজ ঘোষণা করতে চাই।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী। -

শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে পালনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আশ্বাস বিএনপির
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের কুটুম কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা বিএনপি। মতবিনিময় সভায় ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি সভাপতি এ্যাড. এমএ মজিদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুন্সী কামাল আজাদ পান্নু, সাধারন সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, আসিফ ইকবাল মাখন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজেদুর রহমান পপ্পু, সদর থানা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সদর পৌরসভা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শেখর, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নারায়ন চন্দ্র বিশ্বাসসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। মতবিনিময় সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে পালনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দেন বিএনপি’র নেতাকর্মীদের। কোথাও কেউ কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে বলেও হুশিয়ারী দেন তারা।আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ -

ঝিনাইদহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজে শিক্ষার মান ও কলেজ ক্যাম্পাসের অনুকূল পরিবেশ রক্ষায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে কেসি কলেজ মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র অধিকার পরিষদ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ হোসেন, কেসি কলেজ ছাত্রদলের আহŸায়ক শিমুল আল মাসুদ, সদস্য সচিব মেহেদি হাসান, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ জেলা শাখার সভাপতি এইচ এম নাঈম মাহমুদ, আব্দুর রহমান, ইসলামী ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারী আমির খানসহ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেত্রী ইলমা খাতুন। সংবাদ সম্মেলন থেকে, বন্ধ হল খুলে মেধা-দারিদ্র্য ও দুরত্ব বিবেচনা করে সিট বরাদ্দ, ছাত্র সংসদ, ক্যান্টিন চালু, ফাঁকা সিটগুলোতে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি, উন্নয়ন তহবিলের সঠিক ব্যবহার, বেতন ও ভর্তির ক্ষেত্রে কোন খাতে কত টাকা নেওয়া হয় তার রশিদ বইয়ে উল্লেখসহ ১৮ দফা দাবী পেশ করা হয়। -

নড়াইলে বর্ষাকালীন হাইব্রিড তরমুজ চাষে কম খরচে বেশি ফলন
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
নড়াইলে বর্ষাকালীন হাইব্রিড জাতের অফ সিজন তরমুজ চাষে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। কম খরচে বেশি ফলন এবং দাম ভালো পাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। তাদের সফলতা দেখে অসময়ের তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন অনেকেই। কৃষি বিভাগও হাইব্রিড জাতের তরমুজ আবাদে কৃষকদের পরামর্শ, বিনামূল্যে সার, বীজ, নগদ অর্থ সহায়তাসহ সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, মাচায় মাচায় ঝুলছে হলুদ, কালো রঙের অসংখ্য তরমুজ। কালিয়া পৌরসভার ছোট কালিয়ার গোবিন্দনগর এলাকার বিলে, সালামাবাদ ইউনিয়নের ভাউরীর চর বিলে, বাঐসোনা ইউনিয়নের ডুটকুড়া বিলে আর উপজেলার অন্যতম বৃহৎ ভক্তডাঙ্গা বিলের অসংখ্য মৎস্য ঘেরের পাড়ে মাচায় মাচায় বিশেষ জাতের বারোমাসি তরমুজ আবাদ হয়েছে।
কৃষি অফিস ও চাষিদের সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর নড়াইলে ২০ হেক্টর জমিতে বর্ষাকালীন তরমুজের চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। কৃষকরা হেক্টর প্রতি জমিতে ১৫ টন ফলন আশা করছে। এসব জাতের তরমুজের মধ্যে রয়েছে এশিয়ান-২, তৃপ্তি ও ব্লাক বেবি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এসবের মধ্যে এশিয়ান-২ বাংলাদেশি জাত। এসব জাতের তরমুজ দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও সুস্বাদু। বিশেষ করে তৃপ্তি জাতের তরমুজ বেশি সুস্বাদু। এই তরমুজ চাষে খরচ কম, একর প্রতি মাত্র ১৫-২০ হাজার টাকা, কিন্তু বিক্রি হয় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। বাজার দরও বেশ চড়া থাকায় কৃষকও খুশি।
তরমুজ চাষে সফল জেলার নবগঙ্গা ডিগ্রি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কালিয়া উপজেলার ভাউরীর চরের বাসিন্দা শেখ কামাল হোসেন। তিনি জানান, উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় খুলনার ডুমুরিয়া থেকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলাম। এরপর গাছবাড়িয়া বিলের ৭ একর মৎস্য ঘেরের পাড়ে এক হাজার চারশতটি চারা রোপণ করেছিলাম। এতে মোট খরচ হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। আর এবার আশা করছি ৩ লাখ টাকা বিক্রয় হবে।
আরেক চাষি বাঐসোনের ডুটকুড়া গ্রামের অসিত কুমার বিশ্বাস ডুটকুড়া বিলে তিন হাজার চারা রোপণ করেছেন। এতে তার খরচ হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। তিনি আশা করছেন ১২ হাজার কেজি তরমুজ ৬ লাখ টাকা বিক্রি হবে।
সফল চাষি কালিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রদীপ কুমার বর্মণ জানান, ১৫০ বিঘা মৎস্য ঘেরের পাড়ে ১০ হাজার চারা রোপণ করে খরচ হয়েছে আনুমানিক ৮ লাখ টাকা। ৯০ হাজার কেজি তরমুজের ফলন হওয়ার প্রত্যাশা করছেন তিনি। বাজারমূল্য ঠিক থাকলে ৪০-৫০ টাকা পাইকারি কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করে তিনি প্রায় ৪০ লাখ টাকা লাভ করতে পারবেন।
কালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইভা মল্লিক বলেন, তরমুজ এখন আর মৌসুমি ফল নয়, সারা বছরই তা চাষ করা যায়। বীজ বপনের মোট ৬০-৭০ দিনেই ফসল সমাপ্ত করা যায়। ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে খুলনা কৃষি অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন প্রকল্পের আওতায় এ উপজেলায় প্রথম উচ্চ ফলনশীল ফসল হিসেবে এই অফসিজন তরমুজের চাষে ব্যাপক সাফল্য এসেছে। উপজেলা কৃষি অফিস, কালিয়া থেকে কারিগরি সহায়তা দিয়ে আমরা এই ফসলের আবাদ সম্প্রসারণের চেষ্টা করছি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর খামার বাড়ি নড়াইলের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আশেক পারভেজ বলেন, কালিয়ায় অফ সিজন তরমুজ চাষে কৃষকরা সফল। প্রত্যন্ত অঞ্চল দুর্গম জায়গা যেখানে সরকারি সেবা সহজে পৌঁছায় না সেখানে সেবা পৌঁছে দিচ্ছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।