Blog

  • কালীগঞ্জে ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    কালীগঞ্জে ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কাঠালবাগান এলাকা থেকে ৪০ লাখ টাকা মুল্যের এক হাজার ১২ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব। গোপন সুত্রে খবর পেয়ে আজ বুধবার ভোরে এই বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধার করা হয়। আটককৃত মাদক ব্যাবসায়ী বাদশা সোলায়মান কালীগঞ্জের কাঠালবাগান পাড়ার শাহাবুদ্দীনের ছেলে। বুধবার দুপুরে র‌্যাবের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, মাদকের একটি বড় চালান দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানোর জন্য মজুদ করা হয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে কালীগঞ্জের কাঠালবাগান গ্রামে অভিযান চালায় র‌্যাব-৬। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও একটি গোডাউন থেকে উদ্ধার করা হয় এক হাজার ১২ বোতল ফেন্সিডিল, যার আনুমানিক মুল্য ৪০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় র‌্যাবের পক্ষ থেকে কালীগঞ্জ থানায় বুধবার দুপুরে মাদক আইনে মামলা করা হয়। আসামীকে কালীগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • ঝিনাইদহে ইবির শিক্ষার্থী সাইফুল মামুন হ*ত্যা মামলায় ৯ পুলিশসহ ১৫ জন আসামী

    ঝিনাইদহে ইবির শিক্ষার্থী সাইফুল মামুন হ*ত্যা মামলায় ৯ পুলিশসহ ১৫ জন আসামী

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ইসলামী বিশ্বদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী শিবির নেতা সাইফুল ইসলাম মামুন হত্যার ৮ বছর পর মামলা হয়েছে। বুধবার দুপুরে নিহত সাইফুলের পিতা ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মুচড়াপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমান বিশ্বাস বাদী হয়ে এই মামলা করেন। মামলায় ঝিনাইদহের সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ ও সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার গোপিনাথ কাঞ্চিলালসহ ৯ পুলিশকে আসামী করা হয়েছে। এছাড়া আসামী হয়েছেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাসসহ ঝিনাইদহ ও শৈলকুপার ৫ নেতাকর্মী। আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহন করার জন্য ঝিনাইদহ সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ২০১৬ সালের পহেল জুলাই ঝিনাইদহ শহরের পবহাটী গ্রামের টুলু মিয়ার বাড়ি থেকে সাদা পোশাকের লোকজন সাইফুল ইসলাম মামুনকে তুলে নিয়ে যায়। নিখোঁজ থাকার ১৭ দিন পর সদর উপজেলার আড়–য়াকান্দি গ্রামের মাঠে কথিত বন্দুক যুদ্ধে নিহত হওয়ার কথা প্রচার করে পুলিশ। বাদী তার নালিশের বিবরণে উল্লেখ করেন, ১০ থেকে ১৫ নং আসামীগন আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী ক্যাডার বাহিনী। তারা জনমনে ত্রাস সৃষ্টি ও শিবিরকে নিশ্চহ্ন করার জন্য শিবির নেতা সাইফুল ইসলাম মামুনকে পুলিশ দিয়ে প্রথমে অপহরণ ও পরে হত্যা করে। আসামীরা প্রভাবশালী ও পতিত সরকারের আজ্ঞাবহ হওয়ায় এতোদিন বাদী মামলা করতে সাহস পাননি বলে নালিশের বিবরণে উল্লেখ করেন। ঝিনাইদহের বিজ্ঞ আমালী সদর আদালতের বিচারক মামলাটি এজাহার হিসেবে গন্য করার জন্য ঝিনাইদহ সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে বাদী লুৎফর রহমান বিশ্বাস বুধবার বিকালে নিশ্চিত করেন।

  • নড়াইলে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘ*র্ষে দুজন নিহত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

    নড়াইলে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘ*র্ষে দুজন নিহত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ সময় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে নড়াইলে লোহাগড়া উপজেলার চর মল্লিকপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
    নিহতরা হলেন, চরমল্লিকপুর এলাকার সামাদ শেখের ছেলে মিরান শেখ (৪৮) ও জিয়া শেখ (৪০)। তারা আপন দুই ভাই। তবে আহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
    এলাকাবাসী জানায়, লোহাগড়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি মাহামুদ খান ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার সকালে মাহমুদ খানের অনুসারী লোকজন ফেরদৌস শেখের লোকজনের ওপর হামলা চালালে দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭ জন আহত হন। আহতদের লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিরান শেখ ও জিয়া শেখকে মৃত ঘোষণা করেন।
    লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুগ্রুপের সংঘর্ষে একই পরিবারের দুজন নিহত হয়েছেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।

  • নড়াইলে সাবেক এমপি মাশরাফী ও বাবা গোলাম মোর্ত্তজা স্বপনকে আসামী করে মামলা

    নড়াইলে সাবেক এমপি মাশরাফী ও বাবা গোলাম মোর্ত্তজা স্বপনকে আসামী করে মামলা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে সাবেক এমপি ক্রিকেট তারকা মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় মাশরাফীর পিতা গোলাম মোর্ত্তজা স্বপন, জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দসহ ৯০ জনকে আসামী করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে ৪০০-৫০০ জনকে। উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে নড়াইল সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ মোস্তফা আল-মুজাহিদুর রহমান পলাশ।
    মামলার অন্যান্য আসামীদের মধ্যে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু, পৌরসভার প্যানেল মেয়র কাজী জহিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অচীন চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মলয় কুন্ডু, জেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গাউছুল আজম মাসুম, সাধারণ সম্পাদক খোকন কুমার সাহাসহ ৯০ জন।
    এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৪ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে আসামীরাসহ আরও অজ্ঞাত ৪০০-৫০০ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রামদা, ছুরি, চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড, শটগান, বন্দুক-পিস্তল, হাত বোমাসহ দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বেআইনি জোটবদ্ধ হয়ে নড়াইল চৌরাস্তায় সমাবেশ করে। ওই সময় মালিবাগ হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী তথা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার অভিভাবকসহ সাধারণ নিরীহ লোকজন স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের দাবিতে মিছিল সহকারে শহর অভিমুখে সেতুর পূর্ব পর্যন্ত পৌঁছালে আসামীরা তাদের শটগান দিয়ে গুলিবর্ষণ করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এসময় বোমার বিস্ফোরণ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে শান্তিকামী আন্দোলনকারীদের ওপর বেপরোয়াভাবে মারপিট ও কুপিয়ে জখম করে।

    মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: সাইফুল ইসলাম জানান, ১০ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর মামলার কাগজপত্র আদালতে প্রেরণ করা হবে।

  • ৬ ইউপি চেয়ারম্যান  আত্মগোপনে : সেবা কার্যক্রম বিঘ্নিত

    ৬ ইউপি চেয়ারম্যান আত্মগোপনে : সেবা কার্যক্রম বিঘ্নিত

    জি এম স্বপ্না।।
    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার অন্তর্গত ইউপি চেয়ারম্যানগণ আত্মগোপনে থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে সেবা গ্রহীতারা।প্রয়োজনীয় জরুরি কাজে সেবা নিতে এসে চেয়ারম্যানদের না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েছে ভুক্তভোগীরা।গণঅভ্যথানে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পদত্যাগ হয়।এরপর ইউপি চেয়ারম্যানদের অপসারিত কার্যক্রম চলতে থাকে।আওয়ামী লীগের পদ পদবীতে অধিষ্ঠিত হয়ে নৌকার টিকিট নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।পরিষদের অন্যান্যদের তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট পরিষদের অর্থ ও বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি,লুটপাট করায় হামলা-মামলার ভয়ে গত ৫ আগস্ট হতে অদ্যাবধি পর্যন্ত পরিষদে অনুপস্থিত থেকে তারা আত্মগোপনে রয়েছেন।
    গা ঢাকা দেয়া অনেক চেয়ারম্যানের ফোন বন্ধ।২/১ জনের ফোন চালু থাকলেও সেবা নিতে আসা নাগরিকদের কল তারা রিসিভ করছেন না।ফলে জন্মনিবন্ধন,নাগরিক সনদ,ওয়ারিশীয়ান সনদ,মৃত্যু সনদ,বয়স্ক ভাতা,গর্ভবতী ভাতাসহ প্রয়োজনীয় কাজে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।পরিষদের ইউপি সদস্য (মেম্বর)রা জানান, ইউপি চেয়ারম্যানরা আত্মগোপনে থাকায় সরকারি নির্দেশ মোতাবেক সংশ্লিষ্ট দফতরে প্যানেল চেয়ারম্যানদের পুন:গঠন তালিকা প্রেরণ করলেও অদ্যাবধি তাদের দায়িত্বভার/নির্দেশ না পাওয়ায় সুচারু ভাবে তারা পরিষদ পরিচালনা করতে পারছেন না। রামকৃঞপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর নায়েব আলী জানান,ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম হিরো আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা হয়ে কাউকে তোয়াক্কা না করে অনিয়ম, দুর্নীতি,প্রকল্পে লুটপাট সহ নানাবিধ অভিযোগে ইতিমধ্যেই তার বিরুত্ধে সকল মেম্বরগণ সংশ্লিষ্ট দফতরে লিখিত ভাবে অনাস্থা করেন। কিন্ত রহস্যজনক কারনে এখনও তদন্ত হচ্ছে না। এমন দাবী করে সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের একাধীক মেম্বর জানান,আমাদের পরিষদের চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধেও অনাস্থা করলে আজ পর্যন্ত তার তদন্ত হচ্ছে না।
    ৮নং সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে আসা জগজীবনপুর গ্রামের ভুক্তভোগী আ: মোমিন জানান,জমির খারিজ করতে ওয়ারিশীয়ান সনদ নিতে এসেছি। চেয়ারম্যান মোখলেছ ও সচিব বাসুদেব ঘোষ কাউকেই পাচ্ছি না। তাই সনদ না পেয়ে ফেরত যেতে হচ্ছে।একই কথা বললেন নাগরিক/চারিত্রিক সনদ নিতে আসা পুস্তিগাছা গ্রামের যুবক আবু তালেব।পরিষদে সেবা নিতে আসা বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান,চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান তালুকদার একমাস ধরে অনুপস্থিত।ভুক্তভোগী হচ্ছেন সেবা নিতে আসা ইউনিয়নের সাধারন মানুষ।তাই সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সকল সেবা কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিদের কাছে দ্রুত দাবী জানান ভুক্তভোগীরা।

  • নড়াইলে স্ত্রী হাতে স্বামী খুন, স্ত্রী গ্রেফতার

    নড়াইলে স্ত্রী হাতে স্বামী খুন, স্ত্রী গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলের পল্লীতে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী হাতে স্বামী খুন, স্ত্রী গ্রেফতার। মোঃ ইমরুল ইসলাম (৩৭), পিতা-মোঃ আব্দুল্লাহ গাজী, মাতা-রাজিয়া বেগম, সাং-শ্রীধরপুর, থানা-অভয়নগর, জেলা-যশোর এর আপন ছোট ভাই মোঃ শিমুল হোসেন গাজী (৩৪) অনুমান ৫ বছর পূর্বে বিধবা মোছাঃ পলি খাতুনকে বিবাহ করেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মোছাঃ পলি খাতুন অনুমান ২ বছর পূর্বে হতে নড়াইল সদর থানাধীন কাইচদাহ গ্রামে জমি ক্রয় করে বাড়ী-ঘর তৈরী করে পলি খাতুনের ১ম স্বামীর দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়া বসবাস করতে থাকে। মোঃ শিমুল হোসেন বেশীরভাগ সময় তার ২য় স্ত্রী পলি খাতুনের বাড়ীতেই থাকত। মাঝে-মধ্যে শ্রীধরপুর গ্রামে তার নিজ বাড়ীতে এসে দুই একদিন থেকে আবারও ২য় স্ত্রী পলি খাতুনের কাছে চলে যেত। গত ৩১ আগস্ট/ বিকাল অনুমান ৪:টার সময় শিমুল হোসেন শ্রীধরপুরে তাদের বাড়ীতে আসে এবং সংসারের বাজারের জন্য ৫০০/- টাকা দিয়ে তিনি বাজার করার কথা বলে বাড়ী থেকে চলে যান। পরবর্তীতে গত ৬/৯/ সন্ধ্যা ৭:৩৯ মিনিটের সময় শিমুলের মোবাইলে তার ছেলে রায়হান (১৪) এর মোবাইল থেকে একটি মেসেজ আসে যে, তাকে কারা ধরে নিয়ে গেছে। কোথাও আটকে রেখেছে, তার মোবাইল ফোন ও টাকা কেড়ে নিয়েছে, সময় পেলে পরে কথা বলবে। উক্ত মেসেজ পাওয়ার পরে শিমুলের মোবাইল নম্বরে ফোন করলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে মোছাঃ পলি খাতুনকে মোঃ ইমরুল ইসলাম ফোন করে তার ভাই শিমুলের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান যে, গত (২ সেপ্টেম্বর) রাত্র অনুমান ১০ টার সময় শিমুল হোসেন তাকে মারধোর করে বাড়ী থেকে কোথাও চলে গেছে । এরপর থেকে তিনি আর কিছুই জানেন না।
    মোঃ ইমরুল ইসলাম তার ভাই শিমুলকে খুঁজে না পাওয়ার বিষয়টি গত ৭সেপ্টেম্বর যশোর জেলার অভয়নগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু বাদীর ভাইয়ের ২য় স্ত্রীর বাড়ী নড়াইল এবং তার ভাইও নড়াইলে বসবাস করায় অভয়নগর থানা পুলিশ তাদেরকে নড়াইল থানা পুলিশের সহায়তা নিতে বলেন। বাদীর ভাইয়ের মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় ও পলি খাতুনও কোন তথ্য দিতে না পারায় তিনি তার ভাই শিমুলকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করতে থাকেন। খোঁজাখুজির একপর্যায় সোমবার (৯/৯/) সকাল অনুমান ৯:৩০ মিনিটের সময় নড়াইল সদর থানাধীন কাইচদাহ সাকিনস্থ শিমুল হোসেনের ২য় স্ত্রী পলি খাতুনের বাড়ীতে এসে তার ভাই কোথায় আছে জানতে চাইলে পলি খাতুন তাদের উপর উত্তেজিত হয়ে যায়। একপর্যায় আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে গেলে তারা পার্শ্ববর্তী শেখহাটি পুলিশ ক্যাম্পে গিয়ে ঘটনার বিস্তারিত জানালে পুলিশ পলি খাতুনকে ফোন করে ক্যাম্পে ডাকেন। পলি খাতুন ক্যাম্পে আসলে পুলিশ তাকে বাদীর ভাইকে খুঁজে না পাওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে এলোমেলো কথাবার্তা বলাতে সন্দেহ হয়। তখন পুলিশসহ বাদীপক্ষ পুনরায় পলি খাতুনের বাড়ীতে গিয়ে বাড়ী-ঘর সহ আশপাশে খোঁজাখুজি করাকালে আসামির বাড়ীর পশ্চিম পোতায় একচালা টিনশেড টিনের বেড়াযুক্ত ছাপড়া ঘরের মধ্যে একটি কাঠের চৌকির নিচে মাটি খোড়ার চিহ্ন ও মাটি একটু উঁচু দেখতে পায় । এছাড়া সেখানে সিমেন্টের বস্তায় বালু ভরে উপর করে রাখা দেখতে পায়। বিষয়টি তাদের কাছে সন্দেহের সৃষ্টি হলে শেখহাটি ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই/মোঃ শফিকুল ইসলাম পলি খাতুনকে গ্রেফতার করেন।
    নড়াইল জেলার নবাগত পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর মহোদয়ের নির্দেশনায় সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ দোলন মিয়া এবং নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ আসামি মোছাঃ পলি খাতুন (৩৬), পিতা-মোঃ নূর মোহাম্মদ মোল্যা, মাতা-ময়না খাতুন, স্বামী-মোঃ শিমুল হোসেন গাজী, সাং-কাইচদাহ, থানা ও জেলা-নড়াইলকে জিজ্ঞাসাবাদ করায় তিনি তার স্বামীকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন।
    আসামি পলি খাতুনের দেখানো মতে তার ছাপড়ার মধ্যে গর্ত থেকে মাটি খুঁড়ে বাদীর ছোট ভাই শিমুলের অর্ধগলা-পঁচা লাশ উদ্ধার করা হয় । পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে মৃতদেহ নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। আসামি মোছাঃ পলি খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন যে, গত (২/৯)তারিখ দিবাগত রাত্র অনুমান ১১:০০ টার সময় পারিবারিক বিরোধের জের ধরে তার স্বামীকে ভাতের সাথে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে খাওয়ায়। এতে তার স্বামী ঔষধ মেশানো ভাত খেয়ে অচেতন থাকা অবস্থায় ৩/ ৯/ রাত্র অনুমান ১:৩০ সময় থেকে ২:০০ সময়ের মধ্যে আসামি পলি খাতুন তার স্বামীকে পাজা কোলে করে ঘর থেকে তার বাড়ীর উঠানের উপরে শোয়াইয়ে সাদা রংয়ের লম্বা মোটা রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে উক্ত রশি গলায় প্যাঁচ দিয়ে টেনে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তার স্বামীকে খুন করে লাশ গুম করার জন্য তার বাড়ীর পশ্চিম পোতায় একচালা টিনশেড টিনের বেড়াযুক্ত ছাপড়া ঘরের মধ্যে মাটি খুঁড়ে লাশ পুতে রাখে ও সিমেন্টের বস্তায় বালু ভরে উপরে রাখে এবং তার উপরে কাঠের চৌকি দিয়ে লাশ গুম করে।
    আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আসামি দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেন।

  • প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকর্মীদের  সাথে মতবিনিময় করেন পুলিশ সুপার মোঃতরিকুল ইসলাম

    প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন পুলিশ সুপার মোঃতরিকুল ইসলাম

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।। 

    লালমনিরহাট জেলার প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন নবাগত পুলিশ সুপার,মোঃ তরিকুল ইসলাম, গত(১০ই সেপ্টেম্বর)২০২৪ইং মঙ্গলবার জেলার প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীদের সাথে পুলিশ সুপারের কার্যালয়  মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয। অনুষ্ঠানের শুরুতে পুলিশ সুপার মিডিয়াকর্মীদের নিকট হতে তাদের বিভিন্ন বক্তব্য শোনেন।

    পরবর্তীতে নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম, বলেন  টিম জেলার পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্ঠা করবে, যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও চোরাচালান বন্ধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং মামলার সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা । আপনাদের প্রতি একটি বার্তা থাকবে, সমাজের ত্রুটিগুলো আপনারা তুলে ধরবেন এবং সহযোগিতা করবেন। আমি আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য শতভাগ আন্তরিকতার সাথে সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করবো। পরিশেষে নবাগত পুলিশ সুপার বলেন লালমনিরহাট জেলা পুলিশ এবং বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য সমাপ্ত করেন।

    এসময় আরো  উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আতিকুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) আলমগীর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এ কে এম ফজলুল হক, সহ লালমনিরহাট জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদবীর অফিসার ও ফোর্স এবং লালমনিরহাট জেলার সম্মানিত প্রিন্ট এবং ইলেকট্রিক মিডিয়ার ব্যক্তিবর্গ।

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • পুঠিয়ার বানেশ্বরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আনন্দ মিছিল

    পুঠিয়ার বানেশ্বরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আনন্দ মিছিল

    পুঠিয়া ( রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ

    গত ৫ আগষ্টে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতন উপলক্ষে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা বানেশ্বর ইউনিয়নে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    বুধবার বিকাল ৩টার সময় বানেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে বানেশ্বর সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে নেতা কর্মীরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে কলেজ মাঠ থেকে এক আনন্দ মিছিল বের করে ঢাকা রাজশাহী মহাসড়ক পুরাতন কলাহাটা পর্যন্ত  প্রদক্ষিণ করে বানেশ্বর ট্রাফিক মোড়ে এসে শেষ হয়। পরে চারঘাট রোডে শহীদ নাদের আলী বালিকা বিদ্যালয়ে সমাবেত হয়ে জনগণের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়। 

    এ আনন্দ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সাঈদ চাঁদ ,  রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত, রাজশাহী কৃষকদলের আহবায়ক মাহমুদা হাবিবা, বিএনপি জেলা শ্রমীক দলের সভাপতি রোকনুজ্জামান, খায়রুল ইসফাক শিমুল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম জুম্মা, সাবেক পৌর মেয়র আল মামুন, বানেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বানেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল রাজ্জাক দুলাল, আলম মেম্বার  , ও হজরত আলী,ও আব্দুর মজিত প্রমূখ।
    বিএনপির বিএনপির বিভিন্নস্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মী স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ করেন। 

    মাজেদুর রহমান (মাজদার) 
    পুঠিয়া রাজশাহী 

  • গোপালপুর সমাবেশে মধুপুরের আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে হাজার  হাজার নেতাকর্মী যোগ দেন

    গোপালপুর সমাবেশে মধুপুরের আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে হাজার হাজার নেতাকর্মী যোগ দেন

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের গোপালপুরে আজ বিকাল ৩ টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র গোপালপুর উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে স্থানীয় সূতী ভি এম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর মুক্তির দাবিতে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত সমাবেশে মধুপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপির নেতা মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ৫০টি ট্রাকে এবং শতাধিক মোটরসাইকেল যোগে এডভোকেট মোহাম্মদ আলীর সমর্থকগোষ্টীর কয়েক হাজার নেতাকর্মী গোপালপুর আব্দুস সালাম পিন্টুর সমাবেশে অংশ গ্রহন করেন।
    মধুপুর থেকে ট্রাকের দীর্ঘ সারি দেখতে আশপাশের লোকজন রাস্তায় নেমে আসে। ট্রাকের লোকজন গোপালপুর সভাস্থলে গিয়ে পৌঁছালে স্থানীয় সূতী ভি এম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ জনসমুদ্রে পরিনত হয়।উক্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক মেয়র অধ্যক্ষ খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল।প্রধান অতিথি হিসেবে (ভার্চুয়াল) বক্তব্য প্রদান করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সমাবেশের প্রধান বক্তা বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও আব্দুস সালাম পিন্টুর ছোট ভাই সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
    বিশেষ অতিথি- বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এড. আহমদ আজম খান , সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. ওবায়দুল হক নাসির, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট মোহাম্মদ আলী, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক কাজি লিয়াকত, সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম, পৌর সভাপতি খালিদ হাসান সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।

  • কুমিল্লায় গণমাধ্যমের  সাথে জামায়াতের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লায় গণমাধ্যমের সাথে জামায়াতের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লা জেলা ব্যুরো রিপোর্টারঃমোঃ তরিকুল ইসলাম তরুন,

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেছেন, পুরো জাতিকে জিম্মি করে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি তৈরি করেছিল আওয়ামী লীগ।
    গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছিলনা। মানুষের কথা বলার অধিকারও কেড়ে নেয়া হয়েছিল। হাসিনা সরকারের অপকর্ম যেন পত্র-পত্রিকা না আসতে পারে সেজন্য বিভিন্ন কালা কানুন তৈরি করেছিল আওয়ামী লীগ। রাজপথে বিরোধীদলকে নামতে দেয়নি তারা। দেখামাত্র গুলি, মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার সহ পুরো দেশটাকে কারাগার বানিয়ে ফেলেছিলেন তারা। দেশের মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে ছিলেন তারা। তিনি আরো বলেন, প্রায় ১৭ লাখ কোটি টাকা দেশের বাহিরে পাচার করেছে হাসিনা ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। অন্তত দুইশত বছর পিছিয়ে দিয়েছে দেশটাকে। জামায়াত নেতা কাজী দ্বীন মোহাম্মদ আরো বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী হত্যা করেছে। পিলখানায় ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে। জামায়াতের ৫ জন শীর্ষ নেতাকে বিচারিক হত্যা করে শহীদ করেছে। তিনি সাংবাদিকদেরকে তখনকার সময়ের অপ্রকাশিত সংবাদগুলো তুলে ধরার আহবান জানান।

    জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরী আয়োজিত বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনয়কালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরে উল্লেখিত বক্তব্য রাখছিলেন।
    ১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামী এই মতবিনিময়ের আয়োজন করেন। কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে গোল্ডেন স্পুন পার্টি সেন্টারে আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগীর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ কামরুজ্জামান সোহেল অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। শুরুতে পবিত্র কোরআন মজীদ থেকে অর্থ সহ তেলাওয়াত করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে’র সাবেক সহকারী মহাসচিব মোহাম্মদ সহিদ উল্লাহ মিয়াজী। বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির এডভোকেট মোহাম্মদ শাহাজাহান, কুমিল্লা মহানগর নায়েবে আমির মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ও সেক্রেটারি একেএম এমদাদুল হক মামুন। সাংবাদিক মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা প্রেসক্লাব’র সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল, সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি লুৎফুর রহমান ও বর্তমান সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক। মতবিনিয় অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতৃবৃন্দদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নোমান হোসেন নয়ন, সেক্রেটারি মোহাম্মদ হাছান, কুমিল্লা বিশ্বাবিদ্যালয় সভাপতি মো: ইউসুফ ইসলাহী, সেক্রেটারি মো: মাজহারুল ইসলাম, মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো: মোশাররফ হোসাইন ও এডভোকেট নাছির আহমেদ মোল্লা, মাওলানা মাহবুবুর রহমান,এডভোকেট ইয়াকুব আলী চৌধুরী, ভিপি মজিবুর রহমান, মোহাম্মদ হোসাইন, মুফতি আবদুল কাইয়ুম মজুমদার, কাজী নজির আহমেদ, জাকির হোসাইন, শাহাদাত হোসেন, মজিবুর রহমান, সৈয়দ মোতাহার আলী দিলাল, ও দেলোয়ার হোসেন সবুজ। সাংবাদিকদের মধ্যে আবুল কাশেম হৃদয়, খায়রুল আহসান মানিক, আশিক তরুনাভ, জাহিদ হাসান, মীর শাহ আলম, খালিদ সাইফুল্লাহ, মোবারক হোসাইন, সেলিম রেজা মুন্সি, আনোয়ার হোসাইন, দেলোয়ার হোসাইন আকাঈদ,দৈনিক মানবকন্ঠের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ তরিকুল ইসলাম তরুন, রেজাউল করিম রাসেল, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, শাহাজাদা এমরান, জসীম উদ্দিন চৌধুরী, তৌহিদ হোসেন সরকার, সাদিক হোসেন মামুন, শাহীন মীর্জা, শাকিল মোল্লা, মহিউদ্দিন আকাশ, এম. সাদেক, খোকন চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম, বাহার রায়হান, ওমর ফারুকী তাফস, কাজী মীর হোসেন মীরু সহ জতীয় দৈনিক ও টিভি চ্যানেলের বেশির ভাগ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।