Blog

  • নড়াইলে আ.লীগ ও অঙ্গসংগঠনসহ ৭২ জনের নামে মামলা

    নড়াইলে আ.লীগ ও অঙ্গসংগঠনসহ ৭২ জনের নামে মামলা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে আওয়ামীলীগ ওঅঙ্গসংগঠন,সাংবাদিক সহ ৭২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৪শ থেকে ৫শ জনের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নড়াইলের আমলী আদালতে মামলাটি করেন সদর উপজেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দলনে গুলিবিদ্ধ মো. সোহান বিশ্বাসের চাচা ও বাঁশগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো.ওয়াহিদুজ্জামান।

    বাদী পক্ষের আইনজীবী এড. কাজী জিয়াউর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে নড়াইল সদর থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে গন্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    মামলায় এক নম্বর আসামী করা হয়েছে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নিজামুদ্দিন খান নিলুকে এছাড়া অন্যান্য আসামিদের মধ্যে সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশীষ কুন্ডু মিটুল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আশিষ কুমার বিশ্বাস, মাহামুদুল হাসান কায়েস, সহ-সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা, যুবলীগের সভাপতি গাউছুল আজম মাসুম, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তোফায়েল মাহমুদ তুফান, মরফিদুল হাসান ওরফে শিল্পী মিনা, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈম ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক সপ্নিল শিকদার নীল, জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সধারণ সম্পাদক ও আউড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান এস এম পলাশ, সভাপতি তরিকুল ইসলাম উজ্জল,সময় টিভি সাংবাদিক সৈয়দ সজিবুর রহমান সবিব সহ মোট ৭২ জনের নাম উল্লেখ ও ৪শ থেকে ৫শ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়।
    মামলার বিবরণে বাদী উল্লেখ করেন, আওয়ামী স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে সারা দেশে বৈসম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাদীর ভাইপো মো. সোহান বিশ্বাস ৪ আগস্ট বৈসম্য সারাদেশের সাধারন জনগন একত্রিত হন। এসময় মিছিল নিয়ে মাদ্রাসা বাজার থেকে নড়াইল শহরের দিকে স্লোগান দিতে দিতে যাওয়ার পথে দুপুর দেড়টার দিকে মাদ্রাসা বাজারের পশ্চিম পাশে তেলের পাম্পের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর পৌছালে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা আসামীরা সহ অজ্ঞাত নামা ৪শ থেকে ৫শ জন তাদের গতিরোধ করে। পরে মামলার প্রধান আসমী নিজাম উদ্দিন খান নিলুর হুকুমে, মাহমুদুল হাসান কায়েস শর্টগান দিয়ে ছাত্র জনতার উপর কয়েক রাউন্ড গুলি করে। এতে বাদীর ভাইপো সোহানের বুকের বাম পাশে, পেটের বাম পাশে এবং বাম পায়ে লেগে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। তখন স্বপ্নীল শিকদার নিল ও আসামী গাউছুল আজম মাছুম শর্টগান দিয়ে আন্দোলনরত ছাত্র জনতার উপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এসময় গুলি লেগে আরো ৩ জন আহত হয়।
    এই সময় অন্যান্য আসামীদের মধ্যে কয়েক জন ছাত্র জনতার মিছিলকে ছত্র ভঙ্গ করার জন্য তাহাদের কাছে থাকা হাত বোমা বিস্ফোরন ঘটায়। যার ফলে ছাত্র জনতার মিছিল ছত্র ভঙ্গ হয়ে ছাত্র জনতা চতুর্দিকে দৌড়াদৌড়ী করে প্রাণ রক্ষা করে। পরে সোহানকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে খুলনা থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়। এরপর তাকে ঢাকায় নিয়ে সেখানকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে সোহান চিকিৎসাধীন। এছাড়া অন্যন্য আহতরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এছাড়া আহতদের সুচিকিৎসা ও থানায় মামলা না নেয়ায় আদালতে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।###

  • র‌্যাব-১২ কর্তৃক ছাত্র হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সাবেক এমপি মমিন মন্ডল’র পিএস মোঃ সেলিম সরকার গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ কর্তৃক ছাত্র হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সাবেক এমপি মমিন মন্ডল’র পিএস মোঃ সেলিম সরকার গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২ কর্তৃক সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে ছাত্র জনতার আন্দোলনে গুলি বর্ষণ করে চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র শিহাব, সিয়াম হোসেন ও ইয়াহিয়া হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সাবেক এমপি মমিন মন্ডল এর পিএস মোঃ সেলিম সরকার গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ০৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে দুপুর ১২.৩০ ঘটিকার সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার একটি মিছিল এনায়েতপুর থানাধীন খাজা ইউনুছ আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মেইন ফটকের সামনে হতে মিছিল শুরু করে এনায়েতপুর থানার দিকে রওনা হলে আল হেরা মার্কেটের সামনে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ছাত্র জনতার গণ আন্দোলন নসাৎ করার জন্য পিস্তল দিয়ে গুলি বর্ষণ করলে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে ছাত্র জনতার মিছিলে অংশগ্রহণরত ভিকটিম ১। মোঃ শিহাব হোসেন (১৯), পিতাঃ মোঃ শফি মিয়া, সাং-মাধবপুর, ২। হাফেজ মোঃ সিয়াম হোসেন (২০), পিতাঃ মোঃ কুদ্দুস আলী, সাং-গোপরেখী, ৩। মোঃ ইয়াহিয়া আলী, পিতাঃ মোঃ শাহজাহান আলী, সাং-খুকনী ঝাউপাড়া, সর্ব থানা-এনায়েতপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জগণ গুলিবৃদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হলে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে মোছাঃ শাহানা খাতুন (৩৫), স্বামী-মৃত ইয়াহিয়া আলী, মোঃ হযরত আলী (৩৪), পিতাঃ মৃত আবু বক্কর মোল্লা এবং মোঃ সোলায়মান (২৯), পিতাঃ মোঃ আব্দুল মোতালেব ত্রয় বাদী হয়ে ০৩টি পৃথক হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় গত ১৭/০৯/২৪ ইং তারিখ ২০.৩০ ঘটিকায় সময় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি ও র‌্যাব-১১, সিপিসি-১, নারায়ণগঞ্জ এর একটি চৌকস অভিযানিক দল ‘‘নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা মডেল থানাধীন ড্রিম কনভেনশন হল, উত্তর মাসদাইর, গাবতলী এলাকায়” যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ছাত্র জনতার উপর গুলি চালিয়ে হত্যা মামলার ২৮ নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ ছাড়াও তার সাথে থাকা ০২টি মোবাইল ফোন ও ০১টি হাতঘড়ি জব্দ করা হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ সেলিম সরকার (৪৬), পিতা- মোঃ আব্দুর রাজ্জাক সরকার, সাং-শেরনগর (কামারপাড়া), থানা-বেলকুচি, জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিকে সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর থানায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • তানোরে খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির ১৪ হাজার ৮২০ কেজি চাল আত্মসাৎ

    তানোরে খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির ১৪ হাজার ৮২০ কেজি চাল আত্মসাৎ

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরের কামারগাঁ ইউনিয়ন (ইউপি) আওয়ামী লীগের সম্পাদক ও আলোচিত চেয়ারম্যান সুফি কামাল মিন্টুর বিরুদ্ধে খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির প্রায় ১৫ হাজার কেজি চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
    জানা গেছে, তানোরের কামারগাঁ ইউপির খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির ডিলার সুফি কামাল মিন্টু। তার অনুকুলে ৪৯৪ জন কার্ডধারী উপকারভোগী রয়েছেন।এ কার্ডধারী উপকারভোগীরা
    নিয়মানুযায়ী এক মাস পর পর ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল পাবেন। বিগত ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে আগস্ট ও অক্টোবর মাসের চাল এক সঙ্গে বরাদ্দ করা হয়। একই সঙ্গে দুই মাসের চাল কার্ড প্রতি ৬০ কেজি করে দেবার কথা। ইউপির অন্যান্য ডিলারগণ ৬০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন। কিন্ত্ত সুফি কামাল মিন্টু রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কার্ড প্রতি এক মাসের ৩০ কেজি করে চাল দেন। অন্যদিকে ৪৯৪টি কার্ডের বিপরীতে অক্টোবর মাসের বরাদ্দকৃত ১৪ হাজার ৮২০ কেজি চাল আত্মসাৎ করেন। যার বাজার মুল্য ৫০ টাকা কেজি ধরা হলে ৭ লাখ ৪১ হাজার টাকা। স্থানীয়রা জানান, ঘটনা জানাজানি হলে উপজেলা জুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। কিন্ত্ত সাবেক এমপি ফারুক চৌধুরী ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার হস্তক্ষেপের কারণে মিন্টুর বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি। তবে গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এবার উপকারভোগীরা মিন্টুর শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে। সরেজমিন উপকারভোগী কামারগাঁ গ্রামের সুমনা বেগম কার্ড নম্বর ১৩৭৫, আনুয়ারা বেগম কার্ড নম্বর ১৩৭৪, কচুয়া গ্রামের আলেকজান বিবি কার্ড নম্বর ৭৫৮,মহাদেবপুর গ্রামের কানন চন্দ্র প্রামানিক কার্ড নম্বর ৮৪৬, শ্রীখন্ডা গ্রামের আলেয়া বেগম কার্ড নম্বর ৭৭৪, কামারগাঁ গ্রামের আব্দুল মতিন কার্ড নম্বর ৮২০, ফিরোজ মন্ডল কার্ড নম্বর ৮৫০,জামাল মন্ডল কার্ড নম্বর ৮৭৬, আয়েস মন্ডল কার্ড নম্বর ৯২০ ও হাফেজ সরদার কার্ড নম্বর ১৪৫৬ তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে তার এক মাসের ৩০ কেজি চাল পেয়েছেন। কিন্ত্ত তারা অক্টোবর মাসের বরাদ্দকৃত চাল পাননি। এছাড়াও সুফি কামাল মিন্টুর বিরুদ্ধে কমারগাঁ জামে মসজিদ
    ও হাফেজিয়া মাদরাসার পুকুর ইজারার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠে।
    এ ঘটনায় গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার মাদরাসার সভাপতি মুঞ্জুর রহমান বাদি হয়ে সুফি কামাল মিন্টুকে বিবাদী করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এসব ঘটনায় মিন্টুর শাস্তির দাবিতে ইউপিবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।অথচ একের পর এক নানা অপকর্ম করেও আওয়ামী লীগের এই নেতা এখানো বহাল তবিয়তে রয়েছে। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে সুফি কামাল মিন্টু সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে ফাঁসাতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা এসব মিথ্যাচার করছে।#

  • পঞ্চগড়ে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা

    পঞ্চগড়ে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    পঞ্চগড়ে নবাগত জেলা প্রশাসক মো.সাবেত আলীর সাথে সাংবাদিকদের আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো.সাবেত আলী নতুন রুপে পঞ্চগড়কে গড়ার জন্য সাংবাদিকদের নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন,সকলে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে সকল সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে। তা-হলে আমরা উন্নয়নের গতিকে আরও বেশি তরান্বিত করতে পারবো।জেলার সকল কর্মকান্ডে প্রশাসনকে সহযোগীতার আহবান জানান তিনি।এসময় সাংবাদিকদের সকল প্রকার সহযোগীতারও আশ্বাস দেন নবাগত এই জেলা প্রশাসক।

    আলোচনা সভায় জনগনের প্রত্যাশা পুরনে জেলার প্রধান প্রধান সমস্যা সমাধান ও সম্ভবনা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা উঠে আসে। বিবেক ও ন্যায়বোধ উজ্জীবিত হয়ে বৈষম্যহীন মানবিক নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন-অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)মো.আবু সাঈদ,প্রেস ক্লাবের আহবায়ক সরকার হায়দার পঞ্চগড় জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আনিস প্রধান সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ কর্মীরা।

  • কুমিল্লায় শিক্ষিকার পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের  বিক্ষোভ মানববন্ধন

    কুমিল্লায় শিক্ষিকার পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিক্ষোভ মানববন্ধন

    কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি :মোঃ তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,
    এক দফা এক দাবি হারুনের বউ তুই কবে যাইবি এই স্লোগান নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল ও মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয় কুমিল্লার ব্রাহ্মনপাড়ার চন্ডিপুর,অলুয়া,মনোহরপুরে।

    স্থানীয সূত্র থেকে জানা যায় স্থানীয় প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ বর্তমান ছাত্রছাত্রীদের একাংশ। এসময় জনতার স্লোগান ছিল মূলতঃ প্রধান শিক্ষিকা আনোয়ারার বিরুদ্ধে। বিক্ষোভ কারীরা বলেন

    অযোগ্য অবৈধ প্রধান শিক্ষিকার পদত্যাগের দাবিতে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মনোহরপুর অলুয়া চন্ডিপুর রেজাউল হক উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানব বন্ধন করছেন।

    এসময় বিক্ষোভে অংশ গ্রহন করেন প্রান্তিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা, তারা তাদের স্লোগানে বলেন এক দফা এক দাবি হারুনের বউ তুই কবে যাইবি, অযোগ্য অবৈধ প্রধান শিক্ষিকার পদত্যাগের জন্য থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করছে মনোহরপুর অলুয়া চন্ডিপুর রেজাউল হক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসী প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায় ১৯ সেপ্টেম্বর ২৪ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ব্রাহ্মণ পাড়া উপজেলার মনোহরপুর অলুয়া চন্ডিপুর রেজাউল হক উচ্চ বিদ্যালয়টির মাঠে সহস্রাধিক প্রান্তক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। বেলা২টা পর্যন্ত এ প্রতিবেদন লেখার সময় বিক্ষোভ চলছিল। এসময় কিছু মেয়ে শিক্ষার্থী প্রধান শিক্ষিকার পক্ষে স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে,এতে দু পক্ষ দন্দ সৃষ্টি হয়,এক পর্যায় বিদ্যালয় কতৃপক্ষ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় বিদ্যালয় অনিদিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার

    দুপুরে উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে দেখা যায়, সহস্রাধিক সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী জড়ো হয়েছেন। কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানব বন্ধন করছেন ।
    এ সময় স্কুলটির ক্লাস বন্ধ করে দিয়ে বর্তমান শিক্ষার্থীদেরও বিক্ষোভে অংশ নিতে দেখা যায়।স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মোসাম্মদ আনোয়ার (হারুন) অপসারণের দাবিতে প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রী এলাকাবাসীর মানববন্ধন করে।

    এ বিষয় জানতে চাইলে আবদু রব নামে চন্ডিপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা বলেন
    এক ধরনের পোলাপাইন আছে স্কুলের নাম হতে হবে মনোহরপুর অলুয়া চনডিপুর রেজাউল হক উচ্চ বিদ্যালয় যাহা বিগত বছরগুলোতে এভাবেই ছিলো ।
    মানব বন্ধনে এলাকাবাসী ও প্রাক্তন ছাত্ররা বক্তব্যে বলেন
    প্রতিষ্ঠাতা হারুনুর রশীদ ভুইয়া স্কুলের নীতিমালা অমান্য করে নিজের মনগড়া প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেছেন।
    প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাথে কয়েক বার কথা বলে ও নাম সংশোধন করার ব্যাপারে কোন আশ্বাস পাওয়া যায়নি,
    যার কারনে আজকের এই মানব বন্ধন।

    মানব বন্ধনে প্রধান শিক্ষিকা বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ তুলে বলেন এবং আগেও ক্লিনার নিয়োগে বড় অংকের ঘোষ বানিজ্য করেন অভিযোগ তুলে স্থানীয় জনগন প্রতিষ্ঠাতা হারুনুর রশিদ ভুইয়া ।
    বক্তব্যে আরো বলেন প্রতিষ্ঠাতা নিজের সহধর্মিণী কে ও অনিয়ম করে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন।

    কমিটির কিছু সদস্যকে এ ব্যাপারে জিগ্যাস করা হলে কমিটির সদস্যগণ বলেন নাম পরিবর্তন করার ব্যাপারে আমাদের কমিটির কাউকে অবগত করা হয়নি, স্কুল কমিটির মিটিং এ বিষয়ে বসলে বিস্তারিত জানতে পারব বলে আমাদের জানান।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্ররা বলেন, ‘ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক মিলে অনেক ষড়যন্ত্র করেছেন। তাঁরা দুজনে মিলে স্কুলের সহকারী শিক্ষক যাঁরা আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছেন, সেসব শিক্ষক ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হুমকি–ধমকি দিতেন। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক আনোয়ারা মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে রিসিভ করেনি এবং বিদ্যালয়েও আসেননি,স্থানীয় অভিভাবকরা ও শিক্ষার্থীদের দাবি প্রধান শিক্ষক কে অপসারণ করে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হোক।

  • রাজশাহী সিটি মেয়র লিটনের দেড়শ কোটি টাকার আয়েশি দুই প্রকল্প বাতিল

    রাজশাহী সিটি মেয়র লিটনের দেড়শ কোটি টাকার আয়েশি দুই প্রকল্প বাতিল

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ‘আয়েশি প্রকল্পগুলো’ বাতিল করা হয়েছে।

    জনবান্ধব না হওয়ায় এগুলো বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়। এর মধ্যে নিজের বাবার সমাধি কমপ্লেক্স ও আন্ডারপাস নির্মাণ এ দুটি প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছিল প্রায় দেড়শ কোটি টাকা। প্রকল্প দুটি বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া তার ‘স্বপ্নের স্যাটেলাইন টাউন’ প্রকল্পও আর এগোচ্ছে না। সিটি করপোরেশনের প্রকল্প পর্যালোচনা কমিটি এই তিন প্রকল্পকে জনগুরুত্বপূর্ণ নয় বলে মত দিয়েছে। এরপর এগুলো বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

    রাসিকের প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিসৌধ নির্মাণ প্রকল্প’-এর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দাখিল করেছিল সিটি করপোরেশন। গত ২০২৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এটি অনুমোদন দেন। এরপর ১৬ মার্চ অনুমোদন সংক্রান্ত সরকারি আদেশ (জিও) জারি করা হয়। মহানগরীর কাদিরগঞ্জে শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিস্থানে প্রকল্পটি হওয়ার কথা ছিল। এর আওতায় সৌধ নির্মাণ, সমাধি কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবন, লাইব্রেরি, অভ্যন্তরীণ নর্দমা, আলোকায়ন, সীমানা প্রাচীর, ভূমি উন্নয়ন, প্রবেশ গেট, ওয়াকওয়ে, জলাশয়ের প্রতিরক্ষামূলক প্রাচীর, ল্যান্ড স্কেপিং নির্মাণ এবং ভূমি ও কাঠামোর ক্ষতিপূরণ খরচ ধরা হয়েছিল। প্রকল্পে গ্রেটার রোড হতে কামারুজ্জামানের

    সমাধি পর্যন্ত ৩৫ মিটারের সড়ক নির্মাণেরও কথা ছিল। মেয়াদকাল ধরা হয়েছিল চলতি বছরের জুন পর্যন্ত। তবে প্রকল্প পর্যালোচনায় ধরা পড়েছে এটি জনবান্ধব বা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

    লিটনের আরেকটি আয়েশী প্রকল্প ছিল ভদ্রা রেলক্রসিং ফ্লাইওভার। কিন্তু পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সম্মতি না পাওয়ায় রেললাইনের ওপর দিয়ে এ প্রকল্প থেকে সরে আসেন তিনি। পরে একই রুটে আন্ডারপাস প্রকল্প নেন তিনি। তার স্বপ্নের ৫২০ মিটার দৈর্ঘ্যরে এই আন্ডারপাস নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছিল ১১৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। প্রকল্প পর্যালোচনায় উঠে এসেছে এই প্রকল্পের আপাতত প্রয়োজন নেই। তাই এটিও বাতিল করা হয়েছে।

    এ ছাড়া বাণিজ্যিক প্লট বিক্রির ব্যবসাতেও সিটি করপোরেশনকে নামিয়েছিলেন সাবেক মেয়র লিটন। নগরীর চকপাড়া এলাকায় প্রায় ৫০০ বিঘা জমির ওপর ‘স্যাটেলাইট টাউন উন্নয়ন প্রকল্প’র জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন মন্ত্রণালয়ে। একই সঙ্গে দাগ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসককে চিঠিও দেওয়া হয়। যাতে অনুমতি ছাড়া কেউ প্রকল্প এলাকার জমি কেনাবেচা করতে না পারেন। একইভাবে ওই এলাকায় কোনো স্থাপনা নির্মাণে ছাড়পত্র না দিতে আরডিএকে চিঠি দেন। প্রকল্প পর্যালোচনায় প্রস্তাবিত এ প্রকল্পটিও বাতিল করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর একটি সাধারণ সভা করতে চেয়েছিলাম কিন্তু নানা কারণে তা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। পরে কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করা হয়। যাতে জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো সচল থাকে। সেগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে যেসব প্রকল্প জনগুরুত্বপূর্ণ নয়, সেগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই নাগরিকসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে।

    এদিকে ২০০৯ সালে রাসিকের আওতায় পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) ভিত্তিতে নগরীতে আট থেকে ১৬ তলা উচ্চতার চারটি বহুতল ভবন নির্মাণ শুরু হয়। এর মধ্যে একটি ভবন বাণিজ্যিক-কাম-আবাসিক। করপোরেশনের আয় বৃদ্ধির কথা বলে বাণিজ্যিক ভবন ব্যবসায় সিটি করপোরেশকে নামান লিটন। কিন্তু গত ১৫ বছরে এগুলো চালু হয়নি। পাওনাদাররাও বুঝে পাননি দোকানের স্পেস বা ফ্ল্যাট। নির্মাণাধীন ভবনগুলো হলো নগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকায় ‘স্বপ্নচূড়া প্লাজা’, নিউ মার্কেট এলাকায় ‘দারুচিনি প্লাজা’, সাহেববাজার মুড়িপট্টিতে ‘বৈশাখী প্লাজা’ ও সোনাদীঘির মোড়ে ‘সিটি সেন্টার’। দারুচিনি প্লাজা নির্মাণ করছেন জহির এন্টারপ্রাইজের জহিরুল ইসলাম, স্বপ্নচূড়া প্লাজা করছেন ফরিদ প্রোপার্টিজের ফরিদ উদ্দিন, বৈশাখী প্লাজা করছেন আওয়ামী লীগ নেতা শামসুজ্জামান আওয়াল এবং সিটি সেন্টার নির্মাণ করছেন বাগমারা আসনের তৎকালীন এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হকের এনা প্রপার্টিজ। দারুচিনি প্লাজায় ফ্ল্যাটের জন্য তখন অগ্রিম ১০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন শামসুল আলম নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ভবনটির নির্মাণকাজ বন্ধ। বহু দোকান ও ফ্ল্যাট প্রত্যাশীরা টাকা দিয়ে আর ফেরত পাননি। গত ১৫ বছরে এদের অনেকে মারাও গেছেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাসিকের এক প্রকৌশলী জানান, নিয়মানুযায়ী ভবন নির্মাণকাজ শেষের পর দুপক্ষের মধ্যে (রাসিক ও ঠিকাদার) অংশ বণ্টনের কথা। কিন্তু ভবন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আগেভাগেই জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে। যেহেতু সিটি করপোরেশনের এখানে কোনো অর্থায়ন নেই, তাই এ নিয়ে আপত্তি করা হয়নি। কাজ শেষের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে বারবার চিঠি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তারা শেষ করতে পারছে না। অবশ্য ভবনগুলোতে কিছু কিছু দোকান চালু হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • শিক্ষার্থীরা আপনার সন্তানের মতো – জেলা প্রশাসক

    শিক্ষার্থীরা আপনার সন্তানের মতো – জেলা প্রশাসক

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    শিক্ষার্থীরা আপনার সন্তানের মতো তাদেরকে আপনার সন্তানের মতোই শিক্ষা প্রদান করতে হবে। শিক্ষকরাই পারে একজন মানুষকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে। ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন নবাগত ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান।

    বৃহস্পতিবার( ১৯ সেপ্টেম্বর) ০১ টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলার সকল কর্মকর্তা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তূলনামূলক কম। আপনাদের এইদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শিক্ষার্থীরা কেনো বিদ্যালয়ে আসতে চাচ্ছে না তার কারণ নির্নয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ব্যাপারে আপনাদের সার্বিক সহায়তা প্রদানে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

    এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো.রুহুল আমিন,নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো. নজরুল ইসলাম,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হোসেন চৌধুরী । উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার সমাপ্তি রায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শিউলি পারভীন, কৃষি কর্মকর্তা সানজিদ আরা শাওন প্রমুখ ।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শিরিন আক্তার।

  • দেড় যুগ পর প্রকাশ্যে শিবিরের কর্মী সমাবেশ পঞ্চগড়ে 

    দেড় যুগ পর প্রকাশ্যে শিবিরের কর্মী সমাবেশ পঞ্চগড়ে 

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    পঞ্চগড়ে দীর্ঘ দেড়যুগ পর প্রকাশ্যে কর্মী সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়ামে সাত শতাধিক কর্মী নিয়ে এই সমাবেশ করে ছাত্র সংগঠনটি।

    এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম। বক্তব্যে তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদ সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় কর্মমুখী ও নৈতিকতার মূল্যবোধ সম্পন্ন শিক্ষা বাদ দিয়ে ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে ওঠে পড়ে লেগেছিলো। যেই শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে চাকরির জন্য আরো ৫-৭ বছর পড়াশোনা করতে হয়, এটা কর্মমুখী শিক্ষা নয়। এই শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে বিশ্বজিৎকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে, বুয়েট ক্যাম্পাসে আবরার ফাহাদের মত মেধাবী ছাত্রকে পিটিয়ে জখম করে হত্যা করা হয়েছে। এই সন্ত্রাস কারা এবং কোন আদর্শ থেকে তৈরি হয়েছে? ইসলাম বাস্তবায়ন হলে এই সমাজ থেকে এসব সন্ত্রাস, গুম, খুন, ধর্ষণ দুর হয়ে যাবে। বিগত সরকার এটা কখনোই চায়নি। কারণ তাদের রাজনীতিই এমন।

    তিনি আরও বলেন, ভৌগোলিক দিক থেকে এ দেশের কিছু প্রতিকূলতা রয়েছে। আমাদের চারদিকে ভারত, মাঝে মাঝে তারা হুমকি দেয় দখলে নেবে। আমরা ১৯৪৭ সালের ভারতবর্ষের ইতিহাস জানি। যতগুলো দেশে স্বাধীনতা চেয়েছিলো ভারত তাদের পরাধীন করে রেখেছিলো। বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে ভাগ না হয়ে ভারতের সঙ্গে থাকলে কখনই স্বাধীন হতোনা। হায়দ্রাবাদ মুসলমানদের নগরী ছিলো, এই হায়দ্রাবাদকে ভারত মাত্র একবছরের ব্যবধানে কেড়ে নিয়েছিলো। তারা সিকিমকে দখল করে নিয়েছে, কাশ্মীরে মুসলমানদেরকে অবর্ননীয় নির্যাতন করে দখলে নিয়েছে। ভারতের কাছ থেকে আমাদের গণতন্ত্র শেখার দরকার নাই, আমরা নিজেরাই অনেক সুন্দর একটি সম্প্রীতির দেশ গড়তে পারবো।

    তিনি আরো বলেন, বিগত পুতুল সরকার ভারতের মদদপুষ্ট হয়ে টানা ১৫ বছর ধরে এ দেশের অগ্রগতিকে নানাভাবে বাধাগ্রস্থ করেছে। ভারত আমাদের পানির ন্যায্য হিস্যা দেয়নি। তাদের প্রয়োজনে বাধ দিয়েছে। কিছুদিন আগেও বাধ ছেড়ে দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় কৃত্রিম বণ্যা সৃষ্টি করেছে। ভারত তাদের স্বার্থে সব করতে পারে। এই সরকারের মাধ্যমে ভারত আমাদের ওপর দাসত্বের গোলামী আবার চাপিয়ে দিতে চেয়েছিলে। আমাদের দাস শ্রেণিতে নিয়ে যেতে চেয়েছিলো। আজকে ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে সেই স্বৈরশাসক দেশ ছেড়েছে।

    ছাত্রশিবিরের পঞ্চগড় জেলা সভাপতি জুলফিকার রহমানের সভাপতিত্বে কর্মী সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- শিবিরের কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক অহিদুল ইসলাম আকিক, জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, জেলা জামায়াতের বাইতুলমাল সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, শিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি জয়নাল আবেদীন, তোফায়েল প্রধান, নূর-ই-আলম সালেহী, বেলাল হোসেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিবির নেতা ব্যারিষ্টার মাহমুদ আল মামুন হিমু প্রমূখ।

    উল্লেখ্য, পঞ্চগড়ে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ইসলামী ছাত্রশিবির প্রকাশ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছিলো।

  • মোরেলগঞ্জে দুর্নীতির অভিযোগ ও ফ্যাসীবাদের দোসর আখ্যা দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পদত্যাগের  দাবিতে  মানববন্ধন

    মোরেলগঞ্জে দুর্নীতির অভিযোগ ও ফ্যাসীবাদের দোসর আখ্যা দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:

    বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা ডাঃ শর্মী রায়ের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত ও দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ভুক্তভোগী শতাধিক সেচ্ছাসেবকবৃন্দ। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।ভুক্তভোগী কর্মচারীবৃন্দ এবং করোনাকালীন সময়ে নিয়োজিত সেচ্ছেসবক সহ স্থানীয়রা এই মানববন্ধনে অংশ নেয়। এ সময়ের মানববন্ধন কর্মসূচি অংশগ্রহণকারীরা ডাঃ শর্মী রায়ের পদত্যাগ ও করোনাকালীন সময়ে তাদের নায্য প্রাপ্র্যতা ফিরিয়ে দিতে সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবর দাবি জানান। মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থানরত মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারী ডাঃ শর্মী রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে হাতে ব্যানার নিয়ে অংশ নিতে দেখা যায়। ভুক্তভোগী সেচ্ছাসেবকদের দাবি ডাঃ শর্মী রায়ের পদত্যাগ এবং তাকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর উল্লেখ করে ব্যানের তার ছবি এবং হাসপাতালের সরকারি ঔষধ গরীবদের না দিয়ে হাসপাতালে রেখে মেয়াদউর্তীন করা,নৌ এম্বুলেন্স সংস্কার বাবদ অর্থ আত্মসাৎ সহ নানাবিধ বিষয়ে অভিযোগ এনে ডাঃ শর্মী রায়ের পদত্যাগ দাবি করেন ।
    এ ব্যাপারে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা বলেন, করোনাকালীন সময়ে সেচ্ছাসেবকদের তালিকা আমি পাই নি,আমি এখানে এসে যে তালিকা পেয়েছি সেটা দেখে টাকা বিতরণ করেছি।

  • মুরাদনগর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জয়নাল মোল্লার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়ার প্রতিবাদে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

    মুরাদনগর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জয়নাল মোল্লার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়ার প্রতিবাদে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লা থেকে মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা র মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা থানাধীন ৫ নং পূর্ব দৈইর পশ্চিম ইউনিয়নের হাঠাশ গ্রামের মিথিল দেবনাথের মেয়ে শান্তা দেবনাথ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পতিপক্ষ মুরাদনগর উপজেলার সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জয়নাল মোল্লার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়ার প্রতিবাদে ইউনিয়ন ছাত্র বিক্ষোভ মিছিল ও মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী গিয়াস উদ্দিন ভুঁইয়া, সাবেক চেয়ারম্যান কাজী ময়নাল হোসেন বাঙ্গরা বাজার উমলোচন উচ্চ বিদ্যালয়ের চারবারের সদস্য মোঃ গোলাম মোস্তফা, হরিদন দেবনাথ, বিপ্লব চক্রবর্তী,বলাই দেবনাথ, দুলাল দেবনাথ, মাজেদুল মেম্বার, বশির আহমেদ, ছামছুল হক,নোভেল ভুইয়া,হেলাল হোসেন,মোক্তার হোসেন,নজরুল মেম্বার, মনির সরকার , চন্দন দেবনাথ, বায়েজিদ খন্দকার, সাগর সরকার, আমীর হানজালা,কাদির ভুইয়াসহ ছাত্র জনতা।এসময় বিক্ষোভ কারীরা মানব বন্ধন শেষে হাঠাশ গ্রামের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে বাজারে এসে শেষ হয়। বক্তব্য হিন্দু সমাজ বাদী শান্তা দেবনাথের বিচার দাবি করে বলেন এই মহিলা নষ্টা তার ঘরে অনৈতিক কাজ করে মানুষ কে হয়রানি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে,অতীতেও সে এরকম করে মানুষ কে হয়রানি করে।তার আপন চাচা হরিদন দেবনাথ বলেন আমরা তার সাথে পারি না,প্রশসনের কাছে বিচার চাই, জয়নাল মোল্লা নির্দোষ,তাকে রাজনৈতিক ভাবে হ্যায় পতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা মামলা সাজিয়ে হয়রানি করছে।