Blog

  • নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর উপর বারইপাড়া সেতুর নকশা জটিলতায়

    নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর উপর বারইপাড়া সেতুর নকশা জটিলতায়

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর উপর বারইপাড়া সেতুর নকশা জটিলতায় ৬৫ কোটি টাকার সেতুতে ব্যয় ১৩৫ কোটি। নড়াইলের কালিয়ায় নবগঙ্গা নদীর উপর বারইপাড়া সেতুর নির্মাণ কাজ দেড় বছরের শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দফায় দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে সাথে ছড় বছরেও হয়নি শেষ। সেতুর নকশায় জটিলতা ৬৫ কোটি টাকার সেতুর নির্মাণ ব্যয় বেড়ে দাড়িয়েছে প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা। সেতু নির্মাণে ধীর গতিতে ভোগান্তে চরমে,পথে চলাচলকারী লোকজন ও এলাকাবাসী। তবে সড়ক বিভাগ বলছে নকশা জটিলতা কাটিয়ে কাজ শুরু হয়েছে, আগামী বছর জুনের মাঝেই সেতু নির্মাণের বাকি কাজ শেষ হবে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, জানা যায়,বছরের পর বছট চলছে সেতু নির্মাণের কাজ,তবে শেষ কবে হবে জানা নেই কারো। নড়াইল সদরের সাথে কালিয়া উপজেলা সহ,বাগেরহাট, খুলনা গোপালগঞ্জের সাথে সড়ক যোগাযোগ সহজিকরনণে সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০১৮ সালে শুরু হয় নবগঙ্গা নদীর উপর কালিয়া বারইপাড়া সেতুর নির্মাণ কাজ।সাড়ে ৬ বছরে ৩ দফায় মেয়াদ বাড়ানো হলেও এখানো শেষ হয়নি সেতু নির্মাণের কাজ। সবশেষে ২০২৩ সালে সময় বাড়িয়ে ২০২৫ সালের জুন নির্ধারণ করা হয়েছে। নদীর দুই তীরবর্তী অংশের সংযোগ সড়ক সহ ১৮ টি পায়ার এবং ১১ টি স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হলে মধ্যবর্তী অংশের ৩ টি স্প্যান বসানোর কাজ এখানো বাকি। নকশা জটিলতা নির্মাণ ব্যয় বেড়ে দাড়িয়েছে প্রায় দ্বিগুন, এতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
    শুভ দীপ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন,নদী পারাপারের অসুবিধের কারণে আমরা স্কুল কলেজে শিক্ষার্থীরা সময় মত যেতে পারি না। বাবু মিয়া নামের এক স্থানীয় বলেন,সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হইছে কিন্তু শেষ হওয়ার নাম তো দেখছিনা । কাজ শুরুর পর ভাবছিলাম আমাদের দুর্ভোগ কমবে,কিন্তু এখন তো দেখছি দুর্ভোগ আরো বাড়ছে। সেতুর নিচ দিয়ে নৌকা পারাপার হতে গিয়ে নৌকা ডুবিতে যেমন মৃত্যু হচ্ছে পাশাপাশি সম্পদের ও ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকে পারাপার হতে হয়।
    রাবেয়া নামের এক উদ্যোক্তা বলেন, নদীর পাড়েই আমাদের বাড়ি। প্রতিনিয়ত ই দেখি মালামাল পারাপারের ব্যবসায়ীরা যেমন ভোগান্তিতে পড়ছে অন্যদিকে তাদের পরিবহন খরচ ও বাড়ে। যানবহন পারাপারে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয়। এটা সরকারের টাকা অপচয়। যখন সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল,কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে সঠিকভাবে নকশা করলেই করতে পারতো। এখন সেতু নির্মাণে দ্বিগুন অর্থ খরচ হচ্ছে, এটা গো জনগণের টাকা থেকেই করতে হচ্ছে।
    সড়ক বিভাগের তথ্য মতে,৬৫১ দশমিক ৮৩ মিটার দীর্ঘ ও ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের পিসি গার্ডার সেতুরটির নির্মাণের চুক্তি মূল্য ৬৫ কোটি টাকা থাকলেও দফায় দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে সেতুর নকশার জটিলতায় নির্মাণ ব্যয় ঠেকেছে ১৩৫ কোটি টাকায়। সেতু নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জামিল ইকবাল এন্ড মঈনুদ্দিন বাসী কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ২০১৮ সালে ৬৫ কোটি টাকায় চুক্তিবদ্ধ হন।বাল্কহেডের ধাক্কায় ৯ নং পিলারটি দুই বার নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার পর মূল অংশের ৪ টি পায়ার ও ৩ টি স্প্যান বসানোর কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই ৬১ কোটি টাকায় সড়ক বিভাগ কয়েক দফায় মেয়াদ বাড়ানোর পর প্রথম মেয়াদেরর চুক্তি শেষ করে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে।পরে দ্বিতীয় মেয়াদে কংক্রিট এন্ড স্টিল টেকনোলজিস্ট লিমিটেড ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে সেতুর বাকি অংশ নির্মাণের চুক্তিবদ্ধ হন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি বিদেশ থেকে আমদানি কৃত ৮৬ দশমিক ৭৩ মিটার স্টিল আর্চ স্প্যান সহ আরো দুইটি স্প্যান এবং বাড়তি পায়ারের পাইলিং এর কাজ শুরু হয়েছে।
    নড়াইল জেলা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.নজরুল ইসলাম সেতুর নকশা জটিলতায় দায় বিআইডব্লিটিএ কর্তৃপক্ষের উপর চাপিয়ে বার্তা বাজার কে বলেন, যে কোন নদীর উপর সেতু নির্মাণের বিআইডব্লিটিএ কর্তৃপক্ষ নদীর শ্রেণী বিভাজন করে অনুমতি দিয়ে থাকেন।সড়ক বিভাগ সেতুর
    যে কোন নদীর উপর সেতু নির্মাণে বিআইডব্লিউটিএ কতৃপক্ষ নদীর শ্রেনী বিভাজন করে অনুমতি দিয়ে থাকেন। সড়ক বিভাগ সেতুর নকশা করার পূর্বে বিআইডব্লিউটিএ কতৃপক্ষ নবগঙ্গা নদীকে সি গ্রেডের নদী হিসাবে আমাদের কাছে প্রতিবেদন পাঠান। তাদের সাথে সমন্বয় করে সকল ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে নকশা অনুমোদনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরুর আগে নিজেরাও পরীক্ষা নিরীক্ষা করেই কাজ শুরু করেন।
    তিনি আরও বলেন,কাজ শুরুর পরের বছর বাল্কহেডের ধাকায় ৯নং পায়ারটি দুইবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘটনার পর বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ নবগঙ্গা নদীর গ্রোড পরিবর্তন করে বি গ্রেডের নদী হিসেবে প্রতিবেদন পাঠায়। পরবর্তীতে তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী সেতুর নকশা পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়ে। একনেক সভায় ২০২৩ সালে নকশা পরিবর্তন করে স্টিল স্প্যান বসানোর অনুমোদন হয়। প্রথম ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয় দ্বিতীয় মেয়াদে অন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। ২০২৫ সালের জুন, নির্দিষ্ট মেয়াদে সেতুর কাজ শেষ হবে বলে আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা।

  • গোদাগাড়ী সরকারি ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক, সাবেক এমপি লুৎফুন নেসা হোসেন  মারা গেছেন

    গোদাগাড়ী সরকারি ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক, সাবেক এমপি লুৎফুন নেসা হোসেন মারা গেছেন

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সাবেক সংসদ সদস্য লুৎফুন নেসা মুস্তারী ইন্তেকাল করেছেন। গত মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর সিএমইচ’এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন) বুধবার দুপুরে বনানী গোরস্থানে জানাযা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়। তার স্বামী গোদাগাড়ীর কৃতি সন্তান রাজশাহীর বিশিষ্ট সমাজসেবক এ্যাডভোকেট একলাখ হোসেন। লুৎফুন নেসা হোসেন
    দীর্ঘ ২৬ বছর রাজশাহীর গোদাগাড়ী সরকারি ডিগ্রী কলেজে শিক্ষকতা করেছেন।

    লুৎফুন নেসা মুস্তারি দুইবারের সাবেক সাংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী) ছিলেন।
    কৃতি এই মানুষটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের ইসলামপুর মহল্লায় জন্ম নিলেও রাজশাহীতে বসবাস করতেন। লুৎফুন নেসা মুস্তারী কৃতি পরিবারের সন্তান। শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী চাঁপাইনবাবগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা কশিমুদ্দিন আহমেদ এর কন্যা।

    বিশিষ্ট আইনজীবী, রাজনীতিক ও সমাজসেবী, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতানুল ইসলাম মনি তাঁর বড় ভাই। তার আরেক বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বুলবুল এবং ছোট ভাই শরিফুল ইসলাম বাবলা ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

    ছাত্র ইউনিয়নের চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রথম সভানেত্রী ছিলেন লুৎফুন নেসা মুস্তারী। এমপি থাকাকালীন (১৯৯১-২০০৬) রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের নারী জাগরণে, নারীদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি বেশ কয়েকটি গ্রন্থও রচনা করেন। লুৎফুন নেসা মুস্তারী ছেলে মুসাররাত হোসেন চন্দন ও মেয়ে নুসরাত আফরিন সুমনা ও মেয়ে জামাই, নাতি নাতনীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে শোকাহত রাজশাহীর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • সলঙ্গায় দু*র্বৃত্তের হামলায় যুবক নিহ*ত

    সলঙ্গায় দু*র্বৃত্তের হামলায় যুবক নিহ*ত

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় শুক্রবার রাতে দুর্বৃত্তদের হামলায় থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের সালাম শেখের ছেলে সবুজ আলী (৩০) নামের এক যুবক নিহত খবর পাওয়া গেছে।

    পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, নিহত সবুজ আলী তার ভাইয়ের পরিবর্তে ধোপাকান্দি ন্যাশনাল ফুডভিলেজ হোটেলে বরেন্দ্র এক্সপ্রেস গাড়িতে চেকার হিসেবে ডিউটিতে ছিলো।

    রাত ২ টার পরে ভাই ফিরোজ সবুজের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তার পর থেকে সবুজের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তখন অন্যান্য গাড়ির চেকারদের সাথে যোগাযোগ করে সবুজের কোন খবর পাওয়া না গেলে এক পর্যায়ে খোঁজ করতে থাকলে পাশের একটি ইট ভাটায় পড়ে থাকা সবুজকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষনা করেন।

    এব্যাপারে সলঙ্গা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তাজউদ্দিন আহম্মেদ বলেন,সকালে খবর পেয়ে নিহত সবুজের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় এনে মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • সুন্দরবনের উপকূলে বাগেরহাটে বৃষ্টিতে সবজি ও মাছের ৫০কোটি টাকার ক্ষতি  ২১ হাজার কৃষক পরিবার বিপাকে

    সুন্দরবনের উপকূলে বাগেরহাটে বৃষ্টিতে সবজি ও মাছের ৫০কোটি টাকার ক্ষতি ২১ হাজার কৃষক পরিবার বিপাকে

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের উপকূলীয় শস্যভাণ্ডার নামে খ্যাত উর্বর ভূমি বাগেরহাটের নয়টি উপজেলায় বৃষ্টিতে সবজি ও মাছে ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ভেসে গেছে সাড়ে ৭ হাজার মাছের ঘের। ফসল নষ্ট হয়েছে ২১ হাজার কৃষকের। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ও জেলা মৎস্য অফিসের সর্বশেষ হিসেবের পর এই তথ্য জানা গেছে। তবে চাষিদের দাবি ক্ষয়ক্ষতির এ পরিমাণ আরো অনেক বেশি হবে। এ ক্ষতির কারণে ঋণগ্রস্থ কৃষকেরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
    বাগেরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শংকর কুমার মজুমদার জানান, বাগেরহাটে রোপা আমনের ৪৫৩০ হেক্টর জমি, সব্জির ২১৬ হেক্টর ও পানের ৩৭ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত ছিল। এতে ২১ হাজার ১৩৬ জন কৃষকের ৩৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
    অন্যদিকে মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবারের বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে গলদা চিংড়ি উৎপাদনের অন্যতম এলাকা জেলার ফকিরহাট, চিতলমারী ও মোল্লাহাট উপজেলার চাষিরা। এর সাথে মোংলা, রামপাল ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার চাষিদের ক্ষতির পরিমাণও কম নয়। চাষিদের দাবি কয়েকশ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে এই পানিতে। চিতলমারী উপজেলার বারাশিয়া বিলের মেসার্স জাহিদ ট্রেডার্সের মালিক জাহিদুল ইসলাম জানান, ওই বিলে তার প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে মাছের ঘের রয়েছে। সেখানে চিংড়িসহ অনেক প্রজাতির মাছ রয়েছে। আর কয়েকদিন পরে তিনি মাছ ধরা শুরু করবেন, এমনটাই ভেবেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টিতে সম্পূর্ণ ঘের ডুবে সব মাছ বের হয়ে গেছে। এখন তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বলে জানান।
    ফকিরহাট উপজেলার ফলতিতা এলাকার কাজী মিরাজুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টির পানিতে ঘের ডুবে একাকার হয়ে গেছে। ঘেরের পাড়ের উপর হাটু পানি ছিল। নেট, কচুরিপানা ও ঘাষ দিয়ে মাছ ভেসে যাওয়া ঠেকানোর চেষ্ঠা করেছিলাম কিন্তু কতদূর আছে জানিনা। মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদী তীরবর্তী পৌরসভাসহ কমপক্ষে ৪০টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ডুবে গেছে ৩ শতাধিক মৎস্য ঘের। পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে ১ হাজার হেক্টর ফসলি জমির রোপা আমন ধানের ক্ষেত।এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, ৪ দিনের প্রবল বর্ষণে উপজেলার নিচু এলাকার মৎস্য ঘেরগুলো তলিয়ে গেছে।ডুবে গেছে ৩ শতাধিক মৎস্য ঘের।১ হাজার হেক্টর সবজির ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে ১ হাজার হেক্টর ফসলি জমির রোপা আমন ধানের ক্ষেত।এতে ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। চাষিদের ঘুরে দাঁড়াতে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
    বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এএসএম রাসেল বলেন, জেলার সাড়ে ৭ হাজার মাছের ঘের ভেসে গেছে। এতে ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। চাষিদের ঘুরে দাঁড়াতে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
    গত শুক্রবার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত বিরামহীন বৃষ্টিতে বাগেরহাটে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়। চিংড়ি সেক্টরকে টিকিয়ে রাখতে চাষিদের সরকারি সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থরা। ##** ছবি সংযুক্ত আছে ** ## **

  • রামগড় ২নং পাতাছড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সম্প্রীতি সমাবেশ 

    রামগড় ২নং পাতাছড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সম্প্রীতি সমাবেশ 

    মোহাম্মদ এমদাদ খান,রামগড় প্রতিনিধি ।।

     খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলা ২নংপাতা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে  সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  

    বৃহস্পতিবার  (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় নাকাপা বাজার মাঠ প্রাঙ্গনে আয়োজিত সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথি থেকে বক্তব্যে রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাফেজ আহমেদ ভুঁইয়া।পাতাছড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক জয়নাল আবেদিন এর সঞ্চালনায় রামগড় ২নং পাতাছড়া বিএনপির সভাপতি ড়াঃ রফিকুল ইসলাম সভাপতিত্বে  বিশেষ অতিথি থেকে বক্তব্যে রাখেন-রামগড় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন নুরু, পৌর বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেফায়েত উল্ল্যাহ ভুইয়া, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাফায়েত মোর্শেদ ভূইয়া মিঠু- পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজায়েত আলী সুজা, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মহিউদ্দিন হারুন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহ আলম বাদশা, খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্র দলের সহ সভাপতি ও রামগড় উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ  ইলিয়াস,ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর আলম ভুট্টু। 

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মোস্তফা হায়দার চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি নুরুল আমিন মেম্বার, পাতাছড়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবু বক্কর মেম্বার, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন,  উপজেলা যুবদলের  সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন রাজু, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন। 

    এসময় বক্তারা বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের শিক্ষাসহ সব সেক্টর ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। লুটপাট করেছে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে। এখন পার্শ্ববর্তী দেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সাংসদ ওয়াদুদ ভূইয়ার হাতকে শক্তিশালী করতে এক হয়ে কাজ করার আহবান জানান।

    এসময় আরো উপজেলা, ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকশত নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আগৈলঝাড়ার বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আগৈলঝাড়ার বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ার বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল দশ টায় বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হল রুমে ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যর মধ্য দিয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম ও ওফাত দিন উপলক্ষে পবিত্র ঈদ-ই- মিলদুন্নবী পালিত হয়েছে। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ৬৩ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালন উপলক্ষে বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দোয়া-মিলাদ ও ধর্মীয় আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনাসভা শেষে দেশ ও জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুল হক মিয়ার সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের ইসলাম ধর্ম শিক্ষক মোঃ মোখতারুজ্জামানের সঞ্চালনায় পবিত্র ঈদ-ই- মিলদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভায় মিলাদ দোয়া ও মোনাজাতে উপস্থিত ছিলেন শোভন রহমান মনির আহ্বায়ক যুবদল আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখা, আবুল কালাম মোল্লা সাবেক সভাপতি রাজিহার ইউনিয়ন বি এন পি, আবু আলম মৃধা সভাপতি দলিল লেখক সমিতি আগৈলঝাড়া উপজেলা, তোফাজ্জেল মোল্লা সভাপতি রাজিহার ইউনিয়ন যুবদল, আব্দুর রশিদ মোল্লা সমাজ সেবক, ডাঃ শাজাহান আকন সমাজ সেবক, বাহাদুর রহমান (আলাল) যুবদল নেতা আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখা, নিজাম উদ্দিন বাবু যুবদল নেতা আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখা, জহিরুল ইসলাম জনি যুগ্ম আহ্বায়ক আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্র দল, শিকদার শাকিল রহমান যুগ্ম আহ্বায়ক আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্র দল, মোঃ কামরুল হাওলাদার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আগৈলঝাড়া উপজেলা সেচ্ছাসেবক দল, মোঃ শামিম বেপারি সেচ্ছাসেবক দল নেতা রাজিহার ইউনিয়ন, নিজাম উদ্দিন বেপারী বি এন পি নেতা, মোঃ কামরুল মোল্লা যুবদল নেতা রাজিহার ইউনিয়ন,মোঃ আতাউর রহমান ফকির সমাজ সেবক,মোঃ আনিসুর রহমান মোল্লা সমাজ সেবক, মোঃ জুলহাস মোল্লা বাশাইল বাজার ব্যবসায়িক ও সমাজ সেবক,মোঃ সাইফুল ইসলাম ফকির যুবদল নেতা, মোঃ বাবুল সরদার সমাজ সেবক, বাশাইলের সকল মসজিদের ইমাম গন,বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাত্র ছাত্রী ও স্হানীয় গন্যমান্য গন।

  • পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় মানববন্ধন করেছেন শিক্ষকরা

    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় মানববন্ধন করেছেন শিক্ষকরা

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী
    ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় মানববন্ধন করেছেন প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা।  

    বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা পরিষদের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রাথমিক বিভাগে সহকারী শিক্ষকরা এখন পর্যন্ত তৃতীয় শ্রেণি পদমর্যাদা সম্পন্ন ১৩তম গ্রেডে রয়েছেন। জাতী গঠনে শিক্ষার প্রথম স্তরে শিশুদের শিক্ষা দিচ্ছেন এ বিভাগের শিক্ষকরা। কঠোর পরিশ্রম করেও তারা তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর মর্যাদায় রয়েছেন। যা ১০ম গ্রেডে উন্নীত করণ সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। তাই ১৩তম গ্রেড পরিবর্তন করে ১০তম গ্রেড দিতে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি জানান শিক্ষকরা।  

    এ সময় বক্তব্য রাখেন, সহকারী শিক্ষক লিমন আনসারী, ইসমাইল হোসেন , গাজী শফিকুল ইসলাম , লাভলী ইয়াসমিন প্রমুখ ।

  • সাগর -রুনি হত্যার বিচারের দাবীতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের মানববন্ধন

    সাগর -রুনি হত্যার বিচারের দাবীতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের মানববন্ধন

    শহিদুল ইসলাম,

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত রিপোর্ট শতাধিক বার পিছানো ও হত্যাকাণ্ডের মুল আসামিদের অদ্যাবধি আইনের আওতায় না আনায় ক্ষোভ জানিয়ে মানববন্ধনের আয়োজন করে বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যে।
    ১৯ সেপ্টেম্বর রোজ (বৃহস্পতিবার) বিকাল চারটায় সময় চট্টগ্রামের জামাল খান প্রেসক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের সমন্বয়ক সাংবাদিক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন লিটন ও শফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায়
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অফ কাউন্সিলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাবেক সদস্য, চট্টগ্রাম এডিটরস ক্লাব প্রধান উপদেষ্টা, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য সর্বজন শ্রদ্ধেয় মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত,
    মানব মানববন্ধনটিতে সভাপতিত্ব করেন, আরিয়ান লেনিন সমন্বয়ক বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্য।
    এতে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান কামাল পারভেজ, দৈনিক কমার্শিয়াল পত্রিকার সম্পাদক সুজিত কুমার দাস, নিউজ গার্ডেন’র সম্পাদক কামরুল হুদা, কিরণ শর্মা সভাপতি রিপোর্ট ইউনিটি, এম আলী হোসেন সহ-সভাপতি চট্টগ্রাম এডিটরস ক্লাব ও সম্পাদক সাপ্তাহিক পূর্ব বাংলা, দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার ব্যুরো প্রধান এস এম পিন্টু, শিব্বির আহমেদ ওসমান বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্য’র সমন্বয়ক ও সভাপতি চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরাম, বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের সমন্বয়ক ইসমাইল ইমন ব্যুরো চীফ দৈনিক আজকের বাংলা,মো. রফিকুল ইসলাম সিনিয়র রিপোর্টার দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার, মো. মাসুদ পারভেজ সিএইচডি নিউজ ইনচার্জ, হুমায়ুন করিব ব্যুরো প্রধান মাই টিভি, শহিদুল ইসলাম ব্যুরো প্রধান স্বাধীন সংবাদ , এম আর তাওহীদ সম্পাদক কর্ণফুলী টেলিভিশন, ইমতিয়াজ ফারুক, দৈনিক একুশে সংবাদ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি এম এ আজিজ কিরণ, জাতীয় দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শহিদুল ইসলাম,দৈনিক সমাজ সংবাদ পত্রিকার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ,শেখ আহমেদ, দৈনিক চট্টগ্রাম সংবাদের প্রকাশকের সম্পাদক হান্নান রহিম তালুকদার,ফৌজুল আজাদ চৌধুরী, এম আলী হাসান, শহীদুল ইসলাম খোকনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মানববন্ধনে প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, বিগত স্বৈরাচারের ১৫ বছরে সংবাদ মাধ্যম লুটেরা – লুম্পেন- খুনী ও স্বৈরচারের দোসরদের হাতে অবরুদ্ধ ছিল মুক্ত-বুদ্ধি ও চিন্তার বিকাশ বাধাগ্রস্ত ছিলো। নীতি জ্ঞান শূন্য একশ্রেণীর সম্পাদক – সাংবাদিক ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট ভোগ করার কুৎসিত প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে শত শত কোটি টাকা,প্লট,ফ্ল্যাট, গাড়ি -বাড়ি,বিদেশী দুতাবাসে চাকুরী নেয়া সহ সুবিধা ভোগ করেছে, স্বৈরাচারী সরকারের বন্দনা গেয়ে চলেছিল। অথচ সৎ, নির্ভীক ন্যায়পরায়ণ সাংবাদিকরা বছরের পর বছর কষ্টের জীবন কাটিয়েছেন। বক্তারা বলেন, মূলধারা ও সিনিয়র সাংবাদিক পরিচয়দানকারীরা দীর্ঘদিন হত্যার বিচারের দাবিতে নিরব থাকলেও বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিকদের সচেতন সাংবাদিকরা এই বিষয়ে সব সময় সোচ্চার ছিল। অনতিবিলম্বে সাগর -রুনি সহ হত্যাকাণ্ডের শিকার সকল সাংবাদিক হত্যার বিচার ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা ও পূণর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাপ্তাহিক অগ্রযাত্রা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, দৈনিক গণকণ্ঠের ব্যুরো প্রধান আবু হেনা খোকন, পিআইবি ৭১’র প্রকাশক ও সম্পাদক বিল্লাল হোসেন,সাইফুর রহমান সাইফুল, সাংবাদিক শাহিন আহমেদ, শাহরিয়ার সুমন ,মোহাম্মদ আবুল কাশেম, শাহরিয়ার রিপন,আমান উল্লাহ আমান, ফরহাদ ভূঁইয়া, জহিরুল ইসলাম বাবলু,গিয়াস উদ্দিন টিটু ,আরাফাত চৌধুরী, মোহাম্মদ রফিক ফরাজি, হেলাল উদ্দিন, ইফতেখার হোসেন শামীম,আজম খান, সাইফুল, এম এ নাঈম, মো. আফসার উদ্দিন, মো. আজাদ ও মাই টিভির ক্যামেরাম্যান মামুন প্রমুখ।

  • আত্রাইয়ে মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ

    আত্রাইয়ে মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, আত্রাই (নওগাঁ) থেকে: নওগাঁর আত্রাইয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার আয়োজনে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
    উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন এর সভাপতিত্বে ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্চিতা বিশ্বাস।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার এসএম নাছির উদ্দিন, আত্রাই থানা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও করতোয়ার সাংবাদিক মুজাহিদ খাঁন, সদস্য ও নয়া দিগন্তের উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ রুহুল আমিন প্রমুখ।

    আব্দুল মজিদ মল্লিক
    আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি।

  • সুনামগঞ্জে সহিংসতা মামলায় আটক সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

    সুনামগঞ্জে সহিংসতা মামলায় আটক সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

    কে এম শহিদুল্লাহ,
    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।।
    সুনামগঞ্জে আইন শৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধের(দ্রুত বিচার) মামলায় আওয়ামীলীগ সরকারের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানকে গ্রেপ্তার করে রাতে পুলিশী হেফাজতে রাখা হয়েছিল।
    শুক্রবার সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার ফারহান সাদিকের আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক বাদিপক্ষের শোনানী শেষে তার জামিন না মঞ্জর করে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ প্রদান করেন।
    গতকাল ১৯ সেপ্টেম্বর(রোজ বৃহস্পতিবার) রাত সাড়ে ১০টায় সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপারের নির্দেশে পুলিশের একটি দল শান্তিগঞ্জ উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে মান্নানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ সদর থানায় নিয়ে আসা হয় এবং রাতে তিনি পুলিশ হেফাজতে ছিলেন। সুনামগঞ্জ-৩(শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) আসন থেকে চার বার এমপি নিার্বচিত হন এম এ মান্নান । বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে তিনি দুইবার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন ।
    উল্লেখ্য গত ৪ আগষ্ট সুনামগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনের সময় ছাত্রজনতার সাথে আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ ও পুলিশের চুর্তরমুখী সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষীপুর ইউপির এরোয়াখাই গ্রামের নাজির আহমদের ছেলে জহুর আলী নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ জহুর আলী বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসাপতালে চিকিৎসাধীন থাকলে ও তার বড়ভাই হাফিজ আহমদ গত ২ সেপ্টেম্বর বাদি হয়ে আইন শৃংখলা বিঘ্নকারী(দ্রুুত বিচার) আদালত সুনামগঞ্জ জোনে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল হুদা মুকুটকে প্রধান এবং সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানকে ২নং আসামী করে এবং ৯৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলায় বাকি আসামীরা হলেন, সাবেক এমপি মহিবুর রহমান মানিক,সাবেক এমপি এড. রনজিৎ চন্দ্র সরকার,জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নোমান বখত পলিন,সাবেক পৌরসভার মেয়র নাদের বখত,জেলা যুবলীগের আহবায়ক খায়রুল হুদা চপল,রেজাউল করিম শামীমসাবেক এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন,মোঃ সালেক মিয়া,জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি,সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস,সাবেক ওসি খালেদ চৌধুরী,শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রীর এ পি এস হাসনাত হোসাইন,তার আপন সহোদর মোঃ নুর হোসেন,সদর মডেল থানার উপ পরিদর্শক রিয়াজ আহমেদ,মজ্ঞুর আহমদ খন্দকার,জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শংকর চন্দ্র দাস,রেজাউল আলম নিক্কু,হাজী আবুল কালাম,অমল কান্তি কর ও ছাত্রলীগের সভাপতি দিপংঙ্কর কান্তিদে সহ প্রমুখ।