Blog

  • নড়াইলে মিছিলে হামলার অভিযোগে পৌসভার কাউন্সিলর জুয়েল গ্রেফতার

    নড়াইলে মিছিলে হামলার অভিযোগে পৌসভার কাউন্সিলর জুয়েল গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়. নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে মিছিলে হামলার অভিযোগে মামলার সদর পৌসভার কাউন্সিলর এ জেড এম ইকবল আলম জুয়েলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উজ্জ্বল রায়. নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
    শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নড়াইল সদর পৌরসভার ডুমুরতলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.সাইফুল ইসলাম।
    গ্রেফতারকৃত, এ জেড এম ইকবল আলম জুয়েল নড়াইল পৌরসভার ডুমুরতলা গ্রামের হাজী মো.শামসুল আলমের ছেলে ও পৌরসভায় ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।

    পুলিশ জানা যায়, শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের দাবিতে গত ৪ আগস্ট সদর উপজেলা নাকশি বাজার থেকে বের হওয়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটি মিছিলে হামলা করার অভিযোগে নড়াইল -২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজাসহ ৯০ জনের নামে উল্লেখ করে একটি মামলা হয়। গত ১০ সেপ্টেম্বর নড়াইল সদর থানায় মামলাটি করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব
    মুজাহিদুর রহমান পলাশ। মামলার কাউন্সিলর জুয়েল ৩৪ নাম্বার আসামি ছিলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় নড়াইল পৌরসভার ডুমুরতলায় নিজ বাড়ি থেকে কাউন্সিলর জুয়েলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, মিছিলে হামলার অভিযোগে মামলার কাউন্সিলর জুয়েলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

  • গোদাগাড়ীতে ইউএনওর মাধ্যমে বন্যার্তদের সহযোগিতা অব্যাহত

    গোদাগাড়ীতে ইউএনওর মাধ্যমে বন্যার্তদের সহযোগিতা অব্যাহত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় বন্যার্তদের সহযোগিতার জন্য উপজেলার The Sunrise English Medium School এর ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা তাদের তিলে তিলে জমানো কিছু অর্থ গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল হায়াতের নিকট হস্তান্তর করে প্রশাংসায় ভাসছে। এসব ত্রাণের টাকা গুলি প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে ।

    এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর ২ বন্যা কবলিত এলাকার মানুষদের সহযোগিতার জন্য গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১লাক ৪৭ হাজার ৫শ টাকা প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলের ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করা হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার জন্য সহযোগিতার জন্য গোদাগাড়ী উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে ১ লক্ষ টাকা প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলের ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করা হয়েছে।

    উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৯ নং চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন শাখা ও অঙ্গ সংগঠন সমূহের পক্ষ থেকে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল হায়াত এর মাধ্যমে বন্যা দূর্গত এলাকার জন্য সহায়তা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার ত্রান তহবিলে নগদ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও চর আষাড়িয়াদহ ইউপি মোড় বাজার কমিটির পক্ষ থেকে একই সময়ে প্রধান উপদেষ্টা ত্রান তহবিলে আরও ২৭ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করা হয়।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ৯ নং চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চাঁদ, বাজার কমিটির সভাপতি আরশেদ আলী, বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং বাজার কমিটির সদস্যবৃন্দ।

    এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল হায়াত বলেন, আমরা সকল দূর্যোগে সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে দাড়িয়েছি। এটি আমাদের চিরাচরিত ঐতিহ্য। ক্ষুদে শিক্ষার্থী, চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নবাসী, অফিসার্স ক্লাব, বাজার কমিটিসহ বিভিন্ন সংস্থা ত্রাণ পেয়েছি সব ব্যাংকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে জমা দিয়েছি। মানুষ মানুষের জন্য সবাইকে ত্রাণের হাত বাড়িয়ে গরীব মানুষের পাশে থাকার অনুরোধ জানান তিনি।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • আবাসস্থল নষ্ট হওয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে বুলবুলি পাখি

    আবাসস্থল নষ্ট হওয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে বুলবুলি পাখি

    লেখকঃ মো: হায়দার আলী ।। অবাধে বৃক্ষনিধন, আবাসস্থল কমে যাওয়া, পাখি শিকারির অত্যাচারে দিনে দিনে পাখিরা বিলুপ্ত হতে চলেছে। আগে দলবেধে মানুষের আশেপাশে ঘুরে বেড়াত বুলবুলি পাখি, এখন আর তাদের সেভাবে দেখা যায় না। পাখিদের ব্যপারে সাবাইকে সচেতন হওয়া প্রযোজন। আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর গানে বলেছেন-‘বাগিচায় বুলবুলি তুই ফুল শাখাতে দিস নে আজি দোল’। আর শিশুরা মহানন্দে ছড়া কাটে-
    বুলবুলি গো বুলবুলি
    আয় না খেলি চুল খুলি।
    গাছের ফাঁকে লুকিয়ে থেকে
    উদাস করিস আমায় ডেকে।
    তোর গলার মিষ্টি সুরে
    মন যে আমার কেমন করে।
    আয় না কাছে বুলবুলি
    গল্প করি মন খুলি।
    বাংলায় বুলবুলি, বুলবুলির ইংরেজি নাম REDVENTED BULBUL or COMMON BULBUL (রেডভেন্টেড বুলবুল বা কমন বুলবুল)। বৈজ্ঞানিক নাম: Pycnonotus cafer) লালপুচ্ছ বুলবুলি বা কালচে বুলবুলি Pycnonotidae (পাইকনোনোটিডি) গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত Pycnonotus (পাইকনোনোটাস) গণের এক প্রজাতির অতি পরিচিত দুঃসাহসী এক পাখি। বুলবুলি হিসেবে এরা সুপরিচিত। পাখিটি পূর্ব, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্থানীয়।
    বুলবুলি আমাদের অতি পরিচিত পাখি। আমাদের কাছের পাখিগুলোর মধ্যে অন্যতম। ওদের বসবাস মানুষজনের গা ঘেঁষে। তাই ঢাকা শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামের যে কোনো উন্মুক্ত প্রান্তরে এই পাখির সঙ্গে আমাদের দেখা হয় হরহামেশাই।
    গেরস্থ বাড়ির উঠোন কিংবা বাগানে স্বাধীনাভাবে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় ওদের। দেখা যায় শহুরে বাড়ির আশপাশেও। আমাদের দেশে এমন কোনো বাগান নেই যেখানে বুলবুলি দেখা যায় না। ওরা গভীর অরণ্য পছন্দ করে না মোটেও। থাকছে পছন্দ করে মানুষের খুব কাছে।

    স্ত্রী-পুরুষ একই রকম দেখতে। মাথা ও গলা চকচকে কালো। ওদের মাথার ওপর ছোট্ট কালো ঝুঁটি আছে। ঝুঁটিটি দেখলে মনে হয় যেন চুলে কদম ছাঁট দেয়া হয়েছে। কারো কারো আবার ঝুঁটি দেখা যায় না।
    সারা শরীর এবং ডানা পাটকিলে রঙের। ডানা, পিঠের ওপরের অংশ ও বুকের প্রতিটি পালকের আগায় খুব সরু সাদা পট্টি নজরে পড়ে। লেজের ডগা পাটকিলে। এই পাটকিলে রঙ গাঢ় হয়ে এসে শেষপ্রান্তে সাদা। তল পেট ও লেজের তলের অংশ ফিকে সাদা। ডানারও কতোগুলো পালকের প্রান্তদেশ সাদা। তলপেটের শেষে লেজের তলা টুকটুকে লাল। চোখের ভেতরের অংশ গাঢ় পিঙ্গল। চঞ্চু ও পায়ের রঙ কুচকুচে কালো। চঞ্চু ছোট ও শক্ত।

    বুলবুলিদের খাবার মেন্যুতে আছে বিভিন্ন রকম ছোট ছোট ফল, কিট-পতঙ্গ এবং ফুলের মধু। পুঁইশাকের পাঁকা দানা ও মটরশুটি ওদের খুব প্রিয় খাবার। তাই কৃষকের ভরা জমিতে এসব সবজি খেতে ওদের দলে দলে হামলা করতে দেখা যায়। তাল-খেজুরের রসও ওদের বেশ প্রিয়। শীতকালে খেজুর গাছে ঝোলানো রসের হাঁড়িতে বসে প্রায়ই আরাম করে রস চুরি করে খেতে পছন্দ করে ওরা।
    সামাজিক পাখি বুলবুলি। তাই জোড়ায় জোড়ায় বা দল বেঁধে চলতে পছন্দ করে ওরা। ওদের ভালোবাসা বেশ গভীর। জোড়া ছাড়া ওদের দেখা যায় না বললেই চলে। বেলা শেষের গোধূলি লগনে বাগানের কোনো ঝাঁকড়া গাছে বা পুকুর পাড়ের কোনো ঝোপের মধ্যে এক সঙ্গে হয়ে কিচিরমিচির শব্দে ওরা পাড়া মাতিয়ে তোলে।

    শেষ বিকেলে প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি বুলবুলিকে দল বেঁধে একসাথে খেলতে দেখা যায়। ওদের খেলা দেখে মুগ্ধ হয় অনেকে । বুলবুলি খুবই চঞ্চল স্বভাবের পাখি। স্থির হয়ে যেন বসতেই পারে না। তার ওপর আবার বেশ ঝগড়াটে এবং লড়াইবাজও বটে। এ কারণে এক সময় সারা ভারতবর্ষে বুলবুলি পালার রেওয়াজ ছিলো। বাংলাদেশেও এক সময় কক ফাইটের মতো বুলবুলিরও লড়াই দেখা যেতো। এখন ওসব আর চোখে পরে না। আবাসস্থল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এরা দিনে দিনে বিলুপ্ত হচ্ছে।

    বুলবুলি বেশ সাহসী পাখি। শত্রুর দেখা পেলে তাকে ছেড়ে কথা কয় না। শক্ত নখর নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে শত্রুর ওপর। এই পাখি আবার বেশ ভালোভাবে পোষ মানে। হয় প্রভু ভক্ত।
    ফাইয়াজ ইসলাম ফাহিমের বুলবুলি নিয়ে কবিতা

    বুলবুলি আমার বুলবুলি
    কবে তুই আমার হবি
    ও বুলবুলি
    ও আমার বুলবুলি।
    .
    তোর রূপের নেশায় হইছি আগুন
    ভালবেসে কররে আমায় আদর
    করে দে আমায় খুন
    ও বলুবুলি ও আমার বুলবুলি।
    .
    তোর ঐ নরম নরম
    শরম শরম গা,
    একটু আমায় ছুঁইতে দে
    আমার সবকিছু দিবো যা তুই নিয়ে যা
    ও বুলবুলি ও আমার বুলবুলি।
    .
    তোর সনে বাসর করবো এই মধু রাতে
    চুমায় চুমায় ভালবাসা মাখবো
    তুই ছাড়া কেউ থাকবে আমার সাথে
    ও বুলবুলি ও আমার বুলবুলি।

    আরও একটি কবিতায় দেখা যায়,

    বুলবুল পাখি ময়না টিয়ে

    আয় না যা না গান শুনিয়ে

    বুলবুল পাখি ময়না টিয়ে

    আয় না যা না গান শুনিয়ে

    দূর দূর বনের গান,

    নীল নীল নদীর গান

    দুধভাত দেব সন্দেশ মাখিয়ে।

    বুলবুল পাখি ময়না টিয়ে

    আয় না যা না গান শুনিয়ে।

    ঝিলমিল ঝিলমিল ঝর্ণা যেথায়

    কুলকুল কুলকুল রোজ বয়ে যায়

    ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমী গল্প শোনায়

    রাজার কুমার পক্ষীরাজ চড়ে যায়।

    ভোরবেলা পাখনা মেলে দিয়ে তোরা,

    এলি কি বল না সেই দেশ বেড়িয়ে ?

    বুলবুল পাখি ময়না টিয়ে

    আয় না যা না গান শুনিয়ে।

    কোন গাছে কোথায় বাসা তোদের ?

    ছোট্ট কি বাচ্চা আছে তোদের ?

    দিবি কি আমায় দুটো তাদের ?

    আদর করে আমি পুষবো তাদের।

    সোনার খাঁচায় রেখে ফল দেবো খেতে

    রাধে কৃষ্ণ নাম দেব শুনিয়ে।

    বুলবুল পাখি ময়না টিয়ে

    আয় না যা না গান শুনিয়ে

    দূর দূর বনের গান,

    নীল নীল নদীর গান

    দুধভাত দেব সন্দেশ মাখিয়ে।

    বুলবুল পাখি ময়না টিয়ে

    আয় না যা না গান শুনিয়ে।

    বুলবুলি পাখি সুন্দরভাবে পোষ মানে, ওরা একখান থেকে ওরা অন্য খানে যেতে চাই না।
    বুলবুলি খুব ভালো উড়তে পারে না বলে একটানা বেশি দূর উড়ে যায় না। তবে ওদের ওড়াটা বেশ দ্রুত। ওড়ার সময় ডানার ঝাপটার শব্দ বেশ স্পষ্ট শোনা যায়। ওড়াউড়ি করার চেয়ে সারাক্ষণ ওরা গাছের ডালে ডালে ঘুরে বেড়াতেই অভ্যস্ত। মাটিতে ভালো করে হাঁটতে পারে না বলে মাটিতে নামে না বললেই চললে। কোনো খাবার মাটি থেকে তুলে নেয়ার প্রয়োজন হলেই কেবল মাটিতে নেমে আসে।
    বুলবুলির গলার আওয়াজ বেশ আকর্ষণীয় ও স্পষ্ট। ওরা গান গায় না। তবে সারাদিনই বিরামহীনভাবে মিষ্টি এবং সুরেলা কণ্ঠে ডাকাডাকি করে ঘুরে বেড়ায় গাছের ডালে ডালে।
    ওদের প্রজননকাল বর্ষা মৌসুম। এ সময় কোনো ঝোপ বা ছোট গাছের ডালে শুকনো ঘাসের গোড়া, চুল, শুকনো পাতা বা গাছের ছাল দিয়ে বাসা তৈরি করে। বাসাটি দেখতে বাটির মতো। এ বাসায় ২ থেকে ৪টি ডিম পাড়ে। ডিমের রঙ গোলাপি সাদা; তার ওপর বাদামির ছোপ থাকে। ডিম ফোটানো এবং বাচ্চা প্রতিপালনের কাজ পুরুষ স্ত্রী দুজনে মিলেই করে।
    কাক, চড়ুই, শালিকের মতো বুলবুলিও আমাদের আঙিনার পাখি। আমরা সকালে ঘুম ভেঙে উঠে বাড়ির উঠোনের গাছে গাছে বুলবুলির নাচন দেখে মুগ্ধ হই। আমাদের প্রকৃতিতে ওরা মনের আনন্দে ঘুরে বেড়ায়। এ দেশে ওরা বেশ ভালোই আছে।
    শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত দেশে এমন কোনো মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না যে বুলবুলি পাখি চেনে না। শিল্প-সাহিত্য-কবিতা-গান-ছড়ায় সেই আদি যুগ থেকে বার বার উঠে এসেছে এই পাখির নাম। আসুন আমরা সবাই বৃক্ষনিধন বন্ধ করি, পাখিদের ভালবাসি, পাখি শিকারীদের সচেতন করি।

    লেখক : মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী, রাজশাহী।

  • র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে অভিনব কায়দায় প্রাইভেট কারে মাদকদ্রব্য পরিবহনকালে ২৬ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও প্রাইভেট কার জব্দ।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় এবং র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ দুপুর ১৫.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানাধীন সয়দাবাদ সাকিনস্থ গোলচত্ত¡রের বাম পার্শ্বে ঢাকা হতে সিরাজগঞ্জগামী মহাসড়কের উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ২৬ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তার সাথে থাকা গাঁজা পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০১টি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ নাছির উদ্দিন (৩৮), পিতাঃ মৃত আব্দুল আজিজ, বর্তমান ঠিকানা- ১২/ডি, উত্তর সায়দাবাদ, থানা- যাত্রাবাড়ি, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা এবং স্থায়ী ঠিকানা সাং- নয়নপুর, থানা- কসবা, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামি দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে প্রাইভেট কার যোগে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক, অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

  • অবৈধ পথে ভারতে প্রবেশের সময় মহেশপুর সীমান্ত থেকে রোহিঙ্গা নারীসহ ১৭ জন আটক

    অবৈধ পথে ভারতে প্রবেশের সময় মহেশপুর সীমান্ত থেকে রোহিঙ্গা নারীসহ ১৭ জন আটক

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় ৩ রোহিঙ্গা নারীসহ ১৭জনকে আটক করেছে বিজিবি। মহেশপুরের সামন্তা, বাঘাডাঙ্গা ও খোশালপুর সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির পরিচালক লে. কর্ণেল শাহ মোঃ আজিজুস শহীদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে কিছু ব্যক্তি ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি টহল জোরদার করে। এ সময় সীমান্ত এলাকা থেকে তিন রোহিঙ্গা নারী ও মাইক্রোবাস চালকসহ মোট ১৭ জনকে আটক করে বিজিবি। সীমান্তের দালালদের মাধ্যমে আটককৃত ১৫ নারীকে ভারতে পাচার করা হচ্ছিল। সঙ্গে এক দালাল ও মাইক্রো চালককেও আটক করে বিজিবি। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করে আটককৃতদের মহেশপুর থানায় সোপর্দ করেছে। এদিকে অভিযোগ উঠেছে মহেশপুর একটি শক্তিশালী ধূড় পাচার সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তারা সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে ঘর তৈরী করে সেখানে পাচারের অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিদের রাখছে এবং সুযোগ বুঝে ভারতে পাচার করছে বলে অভিযোগ।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • তানোরে ইউপি কৃষক দলের সমাবেশ

    তানোরে ইউপি কৃষক দলের সমাবেশ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কামারগাঁ ইউনিয়ন (ইউপি) শাখার উদ্যোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ছাত্রদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও কৃষক সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে,গত ২১ সেপ্টেম্বর শনিবার ইউপি কৃষকদলের উদ্যোগে ইউপি কৃষক দলের আহবায়ক ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুর রউফের সঞ্চালনায় মাদারীপুর বাজার চত্ত্বরে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক
    আব্দুর রশিদ ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব এমএ মালেক মন্ডল। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শরিফ উদ্দিন মুন্সি, খলিলুর রহমান খলিল,
    মোতালেব হোসাইন, রনজু আহামেদ ও সজিব আহম্মেদ প্রমুখ। এছাড়াও বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • গাইবান্ধায় সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ এর জেলা  কমিটি গঠন ও সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

    গাইবান্ধায় সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ এর জেলা কমিটি গঠন ও সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

    গাইবান্ধা থেকে ফিরে রংপুর বিভাগীয় প্রধান আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। –

    সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ গাইবান্ধা জেলার কবি-লেখকদের সাথে মতবিনিময় গাইবান্ধা কমিটি গঠন করেছেন গতকাল শুক্রবার গাইবান্ধা শনি মন্দির রোডস্থ বাংলা চর্চা কেন্দ্রে।
    কবি ডাঃ ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ও স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নাসরিন নাজ, রংপুর বিভাগীয় কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট ছড়াকার ইন্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন রংপুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন, বিশিষ্ট লেখক ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ডাঃ মুহাঃ আব্দুর রউফ আকন্দ, কবি আব্দুল কাদের, কবি ডাক্তার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, কবি-লেখক সংগঠক মামুনুর রশীদ, কবি-লেখক সংগঠক আহসানুল হাবিব মন্ডল, কবি – লেখক নাজিরা জাহান, কবি আক্তারুজ্জামান সুলতান, কবি ডাঃ এস এম এ জিন্না, কবি আবুল কালাম আজাদ, কবি লেখক আলমগীর হোসেন, কবি রেশমা বেগম কবি- লেখক রাসেল আহম্মেদ প্রমুখ।
    আয়োজনটি পরিচালনা করেন সাংবাদিক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন।
    শেষে আলোচনার মাধ্যমে ২১ সদস্য বিশিষ্ট সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ এর গাইবান্ধা জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতো কবি আব্দুল কাদের সভাপতি ও কবি আহসানুল হাবিব সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
    আগামী ২২ নভেম্বর রংপুরে সাফল্যের কবি- লেখক ও পাঠক সমাবেশ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়।

  • গোদাগাড়ীতে ইউএনওর মাধ্যমে বন্যার্তদের সহযোগিতা অব্যাহত

    গোদাগাড়ীতে ইউএনওর মাধ্যমে বন্যার্তদের সহযোগিতা অব্যাহত

    নিজস্ব প্রতিবেদক,  রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় বন্যার্তদের সহযোগিতার জন্য  উপজেলার The Sunrise English Medium School এর ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা তাদের তিলে তিলে জমানো  কিছু অর্থ গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল হায়াতের   নিকট  হস্তান্তর করে প্রশাংসায় ভাসছে।  এসব ত্রাণের টাকা গুলি  প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে ।

    এর আগে  ৪ সেপ্টেম্বর ২ বন্যা কবলিত এলাকার মানুষদের সহযোগিতার জন্য গোদাগাড়ী  উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১লাক ৪৭ হাজার ৫শ টাকা প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলের ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করা হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার জন্য  সহযোগিতার জন্য গোদাগাড়ী উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে ১  লক্ষ টাকা  প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলের ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করা হয়েছে।

    উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৯ নং চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন শাখা ও অঙ্গ সংগঠন সমূহের পক্ষ থেকে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল হায়াত এর মাধ্যমে বন্যা দূর্গত এলাকার জন্য সহায়তা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার ত্রান তহবিলে নগদ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও চর আষাড়িয়াদহ ইউপি মোড় বাজার কমিটির পক্ষ থেকে একই সময়ে প্রধান উপদেষ্টা ত্রান তহবিলে আরও ২৭ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ৯ নং চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চাঁদ, বাজার কমিটির সভাপতি আরশেদ আলী, বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং বাজার কমিটির সদস্যবৃন্দ।

    এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল হায়াত   বলেন, আমরা সকল দূর্যোগে সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে দাড়িয়েছি। এটি আমাদের চিরাচরিত  ঐতিহ্য। ক্ষুদে শিক্ষার্থী, চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নবাসী, অফিসার্স ক্লাব, বাজার কমিটিসহ বিভিন্ন সংস্থা ত্রাণ পেয়েছি সব ব্যাংকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে জমা দিয়েছি। মানুষ মানুষের জন্য সবাইকে ত্রাণের হাত বাড়িয়ে গরীব  মানুষের পাশে থাকার অনুরোধ জানান তিনি।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে- মুফতী ফয়জুল করীম

    পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে- মুফতী ফয়জুল করীম

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর ও জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ এর কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চল আমাদের, সরকারের যে আইন বাংলাদেশে চলে, সেখানেও সে আইন চলছে। যারা পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দিতে দাঁড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। বর্তমান এসব দমন-পীড়ন ষড়যন্ত্র রুখতে না পারলে আপনাদের বিরুদ্ধেও আমরা আন্দোলন করব।

    শনিবার বিকেলে কুমিল্লা টাউনহল মাঠে ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ কুমিল্লার আয়োজনের এ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, ইলাম সত্য, সুন্দর দেশ গড়ার পক্ষে। জনগণ অতীতের প্রতিহিংসার রাজনীতিতে ফিরে যেতে চায়না। সাধারণ ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পাশাপাশি প্রত্যেকটা আন্দোলনেই আলেম-ওলামাদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য বিগত দিনে আলেম সমাজকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে। বিগত দিনে ফ্যাসিবাদী সরকার আলেমদের কন্ঠরোধ করতে ব্যাপকহারে শোষন- নিপীড়ন চালিয়েছেল। তারপরেও আলেম সমাজ সর্বদা ন্যায় ও দেশের পক্ষে কথা বলেছে। তাই দ্বিতীয় স্বাধীন বাংলাদেশে আলেম সমাজের উপর আর যেন দমন পীড়ন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আগামীতে ইসলামের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে দেশের মানুষের ভাগ্যের আমূল পরিবর্তন তথা ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

    শায়খুল হাদীস মাওলান মাহবুবুর রহমান আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান প্রধান মেহমান ছিলেন জামিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আবদুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুশতাক ফয়েজী, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতী শামসুদ্দোহা আশরাফী,মুফতি আমিনুল ইসলাম, মুফতি নাঈমুল ইসলাম, মাওলানা রাশেদুল ইসলাম রহমতপুরী, মাওলানা জামিল আহমদ আশরাফী, মাওলানা ইয়াসিন নূরী আল-ক্বাদেরী, মাওলান তৈয়্যব, মাওলানা মাহমুদুল হাসান জিহাদী। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন মুফতি মুসাদ্দিকুর রহমান আশরাফী।

  • রাঙ্গাবালীতে জশনে জুলুছের শোভাযাত্রা

    রাঙ্গাবালীতে জশনে জুলুছের শোভাযাত্রা

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী
    পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে জশনে জুলুছের শোভাযাত্রা ও দোয়া মাহফিল করেছে জাঁহাগিরিয়া শাহছুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা। শনিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশুরীবুনিয়া গ্রামে অবস্থিত দরবার শরীফের খানকা থেকে বড় জুলুশ বের করা হয়। পরে জুলুশটি খালগোড়া বাজার ও রাজার বাজার প্রদক্ষিণ করে জাঁহাগিয়া শাহসূফি মমতাজিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে এসে শেষ হয়। ব্যানার, ফেস্টুন ও কলেমা খচিত পতাকা নিয়ে জুলুছে অংশ নেয় হাজার হাজার মানুষ ও মমতাজিয়া দরবারের ভক্ত, মুরিদ, আশেকান। 

    দরবারের দায়িত্বশীলরা বলছেন, জেলার মধ্যে সর্ববৃহৎ জশনে জুলুস এটি। শোভাযাত্রা শেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তারা বলেন, মহান আল্লাহ ইসলামকে রাসূল করিম (সঃ) এর মাধ্যমে মানুষের কাছে পরিপূর্ণ ধর্ম হিসেবে পৌঁছে দিয়েছেন। মানবতার মুক্তির জন্য রাসূল (সঃ) অগ্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন। পবিত্র কোরআন ও হাদিস শরীফ চর্চার মাধ্যমে দ্বীন ইসলামকে ধরে রাখার জন্য তিনি আমাদের কাছে রেখে গেছেন। রবিউল আউয়াল মাস ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) পালনের মাধ্যমে দ্বীন ইসলামের অনুসারিদের আলোকিত জীবনের অধিকারী হতে হবে।

    বক্তারা আরও বলেন, প্রিয় নবীজির (সা.) শুভাগমনে আল্লাহপাক ফেরেশতাদের নিয়ে ঊর্ধ্বাকাশে জুলুছ করেছিলেন, যা কোরআন-হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। এ ছাড়াও এটি যুগ যুগ ধরে চলে আসছে, এ জুলুছ নতুন কিছু নয়। দিন দিন জুলুছে লোক সমাগম বাড়ছে, এটা নবীপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ। রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদ্‌যাপন করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এদিন উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ইমরান হাসান ফরিদ মৃধা, মাওলানা আনোয়ার হোসেন শাহীন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাওলানা মো. আবুল হোসেন প্রমুখ।