Blog

  • আটোয়ারীতে লাউ ক্ষেত থেকে নারীর ম-রদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    আটোয়ারীতে লাউ ক্ষেত থেকে নারীর ম-রদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ধামোর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন লাউ ক্ষেত থেকে মোছাঃ তানজিনা আক্তার (৩৫) নামে এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
    সোমবার ৩ নভেম্বর সকালে আটোয়ারী ধামোর মধ্যপাড়া এ ঘটনাটি ঘটেছে।
    তিনি ধামোর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মিনালের স্ত্রী বলে জানাযায।

    স্থানীয়ভাবে জানা যায়, তনজিনা আক্তারের ১ম স্বামী মারা যাওয়ার পর প্রায় ১ মাস পূর্বে মিনালের সাথে তার বিয়ে হয়। পরবর্তীতে গত ৪ দিন পূর্বে তাদের ডিভোর্স হয়। তার মারা যাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে আটোয়ারী থানা পুলিশ ময়না তদন্ত জন্যে মর্গে প্রেরন করেছে।

    এ বিষয়ে সোমবার ৩ নভেম্বর দুপরে
    আটোয়ারী থানায় ওসি রফিকুল ইসলাম সরকার জানান, আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

  • তেতুলিয়ায় মা-থাফাটা পুকুরের জলে ডুবে শিশুর মৃ-ত্যু

    তেতুলিয়ায় মা-থাফাটা পুকুরের জলে ডুবে শিশুর মৃ-ত্যু

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে মোঃ সিংহা নামে এক ২ বছরের ২ মাস শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের মাথাফাটা
    গ্রামে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, শিশু সিংহা মাথাফাটা গ্রামের সাইদুল হকের
    ছেলে। স্থানীয় জানান শিশুটির খেলা করার সময়ে বাড়ি থেকে কিছুদূরে থাকা একটি পুকুরে পড়ে যায় । এদিকে পরিবার লোকজন খুঁজতে থাকেন।
    বেশ কিছুক্ষণ পর পানিতে শিশুটিকে ভাসতে দেখে। সেখান থেকে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ করিম সিদ্দিকি হাসপাতালে ছুটে যান। এদিকে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত

    এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত শিশুটির
    মরদেহ তেতুলিয়া হাসপাতালে জরুরি বিভাগের আউটডোর মধ্যে পুলিশ হেফাজতে পড়ে রয়েছে।

  • নলছিটিতে আন্ত বিদ্যালয় কুইজ প্রতিযোগিতা অ-নুষ্ঠিত

    নলছিটিতে আন্ত বিদ্যালয় কুইজ প্রতিযোগিতা অ-নুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি সংবাদদাতা : মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে পশ্চিম প্রেমহার যুব সংগঠনের উদ্যোগে আন্ত বিদ্যালয় কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার( ৩ নভেম্বর) এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন নলছিটি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শামসুন্নাহার ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আনিচুর রহমান হেলাল খান, ভলান্টিয়ার্স অব নলছিটির আহবায়ক শাহাদত আলম ফকির প্রমুখ।

    ভৈরবপাশা ইউনিয়নের প্রেমহার মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বের দায়িত্ব পালন করেন ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও নলছিটি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ সহকারী কর্মকর্তা মো. অহিদুল ইসলাম।

    কুইজ প্রতিযোগিতায় অত্র বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেনীর শিক্ষার্থী অংশ নেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ( ভারপ্রাপ্ত) মো. জয়নাল আবেদীন মিয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক মো. নুর ই আলম। কুইজ প্রতিযোগিতার পরিচালনায় ছিলেন পশ্চিম প্রেমহার যুব সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাব্বির আহমেদ।

  • কাশিয়ানীতে মহিলা দলের এক নেত্রীর অ-ত্যাচারে অতি-ষ্ঠ এলাকাবাসী

    কাশিয়ানীতে মহিলা দলের এক নেত্রীর অ-ত্যাচারে অতি-ষ্ঠ এলাকাবাসী

    কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জঃ

    গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা মহিলা দলের এক নেত্রীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। দলীয় পদ ব্যবহার করে একের পর এক লোকজনকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো, মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, মারধর ও হয়রানির অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

    অভিযুক্ত নেত্রী হলেন কাশিয়ানী উপজেলা মহিলা দলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক লাইজু বেগম। সে ফুকরা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য শওকত হোসেন সরদারের মেয়ে।

    লাইজু বেগমের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে খোদ বিএনপি নেতাসহ শতাধিক ভুক্তভোগী তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এই দুশ্চরিত্র নারীর কবল থেকে বাঁচতে চান তারা সকলে।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, মহিলা দল নেত্রী লাইজু একাধিক বিয়ের তথ্য গোপন করে ‘সুন্দরী চেহারার আড়ালে’ বিভিন্ন লোকজনকে ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। দলের নাম ভাঙিয়ে লোকজনকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো এবং মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া তার পেশায় পরিণত হয়েছে। তার কর্মকান্ডে গোটা ফুকরা ইউনিয়নবাসী অতিষ্ঠ। এমনকি স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরাও তার হাত থেকে রক্ষা পাননি।

    স্থানীয় বিএনপি নেতা বদরুল আলম বলেন, ‘গত ১০ অক্টোবর লাইজু বেগমের আগের স্বামী লোহাগড়া উপজেলার চরদৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা আপেল মাহমুদ ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে ফুকরা বাসস্ট্যান্ডে আমার কাউন্টারে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় লাইজু অতর্কিকভাবে কাউন্টারে মধ্যে ঢুকে তার ওপর চড়াও হয়। এক পর্যায় মারধর করতে উদ্যত হলে আমি বাধা দেই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওইদিন থানায় গিয়ে আমার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ করে। ১২ দিন পর একই ঘটনাস্থল দেখিয়ে আদালতে আমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। লাইজু এভাবে বিভিন্ন লোকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা-অভিযোগ করে টাকার বিনিময় আপোষ করে। আমরা গ্রামবাসী এই দুশ্চরিত্র নারীর কবল থেকে বাঁচতে চাই।

    ফুকরা গ্রামের ভ্যান চালক চঞ্চল মোল্যা বলেন, ‘দুই মাস আগে লাইজু ফুকরা বাজার থেকে একটি ওয়ারড্রব বাড়িতে পৌছে দিতে বলে। ভ্যান বাড়িতে না যাওয়ায় রাস্তা পর্যন্ত পৌছে দেই। আমাকে রাস্তা থেকে মাথায় করে নিয়ে পৌছে দিতে বলে। আমি অসুস্থতার কারণে ওয়ারড্রব বাড়ি পৌঁছে দিতে রাজি না হওয়ায় লাইজু নিজেই তা বহন করতে গিয়ে ভেঙে ফেলে। এরপর আমার কাছে ৪ হাজার টাকা দাবি করে এবং র‌্যাব-পুলিশের ভয় দেখা। একপর্যায়ে ‘গায়ে হাত দেওয়ার’ মিথ্যা অভিযোগ তুলে বলে, ‘টাকা দিবি না, তাহলে আমার গায়ে হাত দিলি কেন?’ অথচ সে আমার মেয়ের বয়সি। পরে মান-ইজ্জতের ভয়ে ২ হাজার টাকা দিয়ে রক্ষা পাই।’

    ধলগ্রামের বাসিন্দা সাজ্জাদুল ইসলাম রানা বলেন, গত এক সপ্তাহ আগে আমার মুঠোফোনে অজ্ঞাত নাম্বার থেকে কল করে লাইজু আমাকে বাজারে ডেকে নেয়। সেখানে আমার ওপর চড়াও হয় এবং আমার মোটর সাইলেলের চাবি কেড়ে নেয়। এক পর্যায় মামলার ভয় দেখায়। লাইজু একজন চরিত্রহীন নারী, লোকজনকে মামলা দিয়ে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেয়। এই দুশ্চরিত্র নারীর হাত থেকে বাঁচতে চায় এলাকাবাসী। তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হোক।’

    ফুকরা বাজারের কম্পিউটার ব্যবসায়ী শাহ আলম বলেন, ‘লোকজনকে বিপদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া তার নেশায় পরিণত হয়েছে। তবে আমার ধারণা সে মানসিকভাবে অসুস্থ। তার কর্মকান্ডে এলাকা ও দলের বদনাম হচ্ছে।’

    লিটন সরদার নামে এক যুবক বলেন, ‘লাইজু আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করেছে। সে এখন আপোষের কথা বলে লোক মারফতে মোটা অংকের টাকা দাবি করছে। টাকা দিলে সে মামলা প্রত্যাহার করবে। আমরা ফুকরা ইউনিয়নবাসী এই নারীর হাত থেকে বাঁচতে চাই।’

    এ সকল অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত লাইজু বেগমের মুঠোফোনে ০১৭…৫৮৪ নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    এ বিষয় কাশিয়ানী উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি শিলা বেগম বলেন, ‘আমি একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবো”।

  • রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মলে আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবে মিলাদ ও দো-য়া অনুষ্ঠিত

    রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মলে আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবে মিলাদ ও দো-য়া অনুষ্ঠিত

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মল (৩য় তালা), চলন্ত সিঁড়ির পাশে কক্ষ নং ৩১১, জামগড়া, আশুলিয়া, ঢাকায় আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের স্থান পরিবর্তন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৩ নভেম্বর ২০২৫ইং) বিকেলে বাদ আছর আশুলিয়ার জামগড়ায় রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মল এর (৩য় তালায়) ৩১১ নং কক্ষে আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবটির শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে নতুন ঠিকানায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের আশুলিয়া থানা কমিটির ১ নং সহ-সভাপতি জনাব মোঃ বকুল ভুঁইয়া, তিনি বলেন, সাংবাদিকরা হলেন দেশ ও জাতির বিবেক, সাংবাদিকরা সমাজের আয়না, প্রতিদিন চলমান ঘটনা সত্যটা জনগণের সামনে তুলে ধরা তাদের কাজ, তবে চোখ কান খোলা রেখে সাবধানতা অবলম্বন করে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হয়। আপনাদের সাংবাদিকদের অনুষ্ঠানে আমি সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে আনন্দিত, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন সবসময় এরকম সামাজিক কাজে সবার সাথে থেকে মানুষের সেবামূলক কাজ করতে পারি।

    আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) এর সভাপতিত্বে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সকল সদস্য আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি, আমাদের কারো সাথে কোনো বিবাদ নেই, আমরা সবার সাথে সমন্বয় করে চলি, তবে আমরা কারো সাথে লাগতে যাই না, তবে কেউ আমাদের সাথে লাগলে তাদেরকে ছাড় দিবো না। যারা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও সাংবাদিকদের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে আমরা তাদের এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, রূপায়ন ভুঁইয়া এম্পোরিয়াম শপিং মল এর সিকিউরিটি ইনচার্জ জামাল সাহেব. এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কহিরুল ইসলাম খাইরুল, সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ চিশতী, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, এ ছাড়াও ঢাকার ডাক পত্রিকার আশুলিয়া প্রতিনিধি নাজমুল ইসলাম, দেশেরপত্র পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার দাউদুল ইসলাম নয়ন, মোকাম্মেল মোল্লা সাগর, সৌরভসহ বিভিন্ন মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ মিলাদ ও দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন। সবশেষে জুলাই বিপ্লব জুলাই আগষ্টে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

  • সেনবাগে মইজদীপুর দারুল উলুম কামু মিয়া মাদ্রাসায় ইসলাহী মাহফিল অ-নুষ্ঠিত

    সেনবাগে মইজদীপুর দারুল উলুম কামু মিয়া মাদ্রাসায় ইসলাহী মাহফিল অ-নুষ্ঠিত

    রফিকুল ইসলাম সুমন
    (নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি)

    নোয়াখালী সেনবাগের ঐতিহ্য বাহী মইজদীপুর দারুল উলুম কামু মিয়া মাদ্রাসার উদ্দ্যোগে হিফজ ছাত্রদের সবক প্রদান উপলক্ষে ইসলাহী মাহফিল -২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। ২রা নভেম্বর রবিবার বিকেলে মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীর আলহাজ্ব সোহরাব হোসেন সুমনের সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি হারুনুর রশিদের সার্বিক তত্বাবধানে আয়োজিত, মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে তাশরীফ পেশ করেন,লক্ষীপুর কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান, পীর সাহেব আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ।এসময় আরও গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন, ঢাকা কুরআনের ধ্বনি ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল,
    বিশ্বজয়ী হাফেজ নাজমুস সাকিব,সেনবাগ জামেয়া ইব্রাহীমিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা রহিমুল্লাহ বশিরী,
    লক্ষীপুর পোদ্দার বাজার
    মাদরাসাতুল আবরার প্রধান ক্বারী
    হাফেজ ক্বারী মাহফুজুর রহমানসহ দেশবরেণ্য অসংখ্য আলেম ওলামাগন।এসময় মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক জাফর উল্লাহ,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, ইন্জ্ঞিনিয়ার আজমত হোসেন সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠানে হিফজ ও নাজেরা বিভাগের ৮ জন ছাত্রকে সবক প্রদান করা হয়।

  • সলঙ্গায় শিক্ষার বা-তিঘর মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুল 

    সলঙ্গায় শিক্ষার বা-তিঘর মোস্তফা প্রি-ক্যাডেট স্কুল 

    জি.এম স্বপ্না, সিরাজগঞ্জ : 
    “সুশিক্ষা সুবিবেক গঠন করে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গায় গড়ে উঠেছে মোস্তফা প্রি- ক্যাডেট স্কুল।সলঙ্গায় স্বনামধন্য সরকারি,বেসরকারি ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে তাল মিলিয়ে যুগোপযোগী শিক্ষার মান যথাযথ অটুট রেখে সুদক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা দ্বারা সুশীতল ছায়াঘেরা মনোরম পরিবেশে শিক্ষাদান করে চলেছেন মোস্তফা প্রি- ক্যাডেট স্কুল।কচি কন্ঠের শিক্ষা- সংস্কৃতির অন্যতম বিদ্যাপিঠ স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ মোস্তফা জামান একজন সুশিক্ষিত আলোকিত মানুষ।এলাকার অসচ্ছল, শ্রমজীবী,ব্যবসায়ী,চাকরিজীবিসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সন্তানদের মান সম্মত শিক্ষার জন্য অভিভাবকেরা  এই স্কুলে ভর্তি করে থাকেন।সলঙ্গার সচেতন মহলের সহযোগীতায় অধ্যক্ষের দৃঢ় মনোবল ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসেবে আজ স্কুলটি সলঙ্গায় সুশিক্ষার শ্রেষ্ঠ বাতিঘর হিসেবে সবার কাছে পরিচিতি লাভ করেছে।কিছুদিন ধরে স্থান পরিবর্তন করে ৪০০ গজ দক্ষিনে সলঙ্গা টু বড়গাছা মেইন রাস্তার সংলগ্ন পশ্চিম পার্শ্বে নতুন ক্যাম্পাস গড়ে উঠেছে।কোলাহলমুক্ত,নিরিবিলি ও শান্ত পরিবেশে বিশাল পরিসরে শিক্ষাবান্ধব নিজস্ব ভবনে পরিচালিত হচ্ছে স্কুলটির কার্যক্রম।সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত শতভাগ নিরাপত্তায় শত শত শিক্ষার্থী নিয়ে চলছে বর্তমান পাঠদান।স্কুলটিতে রয়েছে শিক্ষার্থীদের শতভাগ ইউনিফর্ম,সুইমিং পুলসহ বিনোদনের সকল অবস্থাই রয়েছে।  

    স্কুলের স্মাট,মেধাবী ও পরিশ্রমী ২০ জন শিক্ষক/কর্মচারী তাদের দক্ষতা ও নিষ্ঠা দিয়ে স্কুলটির পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন।এ কারণে স্কুলটিতে রয়েছে অভাবনীয় সাফল্য,সুনাম ছড়েছে শ্রেষ্ঠ  আলোকবর্তিকা হিসেবে।সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালন,শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সৃজনশীলতা,বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা, বিতর্ক,নৃত্য,আবৃত্তি,চিত্রাঙ্কন,সাধারন জ্ঞান প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয় এ স্কুলে।শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর,মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের যাবতীয় ব্যবস্থা রয়েছে এই স্কুলটিতে।শিক্ষার পরিবেশ বজায় রেখে শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্কুলটিকে এগিয়ে নিতে কর্মরত সকল শিক্ষক/কর্মচারীদের সাথে নিয়ে হাস্যোজ্জ্বল,নিবেদিত প্রাণ আন্তরিক অধ্যক্ষ মোস্তফা জামান সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি আরও সকলের সহযোগীতা ও পরামর্শ কামনা করেন।

  • তানোরে গো-খাদ্যর সং-কট বি-পাকে গৃহস্থ-খামারি

    তানোরে গো-খাদ্যর সং-কট বি-পাকে গৃহস্থ-খামারি

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে গবাদিপশু খাদ্যর (খড়) তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। খড়ের দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষকেরা নির্ভর করছে কচুরিপানা ও ঘাষের ওপর। তবে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে অকাল বন্য। গত ২৯ অক্টোবর বুধবার থেকে ৩১ শুক্রবার রাতে স্মরণকালের ভয়াবহ ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে, অকাল বন্য ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টির ফলে,গোচারণভূমি ও ফসলের মাঠ ডুবে যাওয়ায় জমির আইল থেকে ঘাস কাটতে পারছে না।এতে গোখাদ্যর সংকট আরো প্রকট হয়ে উঠেছে।
    স্থানীয় কৃষকেরা জানান, বর্তমান সময় খড়ের কেজি ও আঁটির দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ কৃষকের পক্ষে তা কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। মেশিনে কাটা এক কেজি খড় বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। ফলে গরুর জন্য সহজলভ্য খাবার হিসেবে কচুরিপানা (দল) কেটে ঘরে নিয়ে যাচ্ছেন তারা। তবে অকাল বন্যার কারণে সেটাও বন্ধের পথে।
    তানোরের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা মাঠ ও পুকুর-ডোবা থেকে কচুরিপানা (দল) সংগ্রহ করছেন। কেউ বাঁশ বা লাঠির সাহায্যে পানির ভেতর থেকে টেনে তুলছেন, আবার কেউ নৌকা ব্যবহার করছেন। কৃষকদের মতে, কচুরিপানা (দল) গরুর জন্য খুব একটা পুষ্টিকর খাবার নয়, তবে খড়ের চড়া দামের কারণে বিকল্প হিসেবে এটি একমাত্র ভরসা।
    স্থানীয় কৃষক আব্দুল ও আয়ুব বলেন, “আগে খড়ই ছিল গরুর প্রধান খাবার।কিন্ত্ত এখন ১৪ হাজার টাকা কাউন ও মেশিনে কাটা খড় ৩০ টাকা কেজি। এত দামে আমাদের পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। তাই কচুরিপানাই (দল) ভরসা।”
    কৃষকরা জানান, খড়ের সংকট অব্যাহত থাকলে গরু মোটাতাজাকরণ ও কৃষি কাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তারা সরকারের কাছে খড়ের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং বিকল্প পশুখাদ্য সহজলভ্য করার দাবি জানিয়েছেন।
    উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, হঠাৎ বন্যায় আধাপাকা
    আমণখেত পানির নিচে।আবার গো-খাদ্যর অন্যতম উৎস্য ঘাস নষ্ট।অন্যদিকে টি-আমণ ধান কিছুটা আধা পাকা অবস্থায় হারভেষ্টার মেশিন দিয়ে কাটা মাড়াই করায় গো-খাদ্যের চরম সংকট দেখা দেয়। কিছু কিছু এলাকায় খড় পাওয়া গেলেও প্রান্তিক গবাদিপশু পালনকারীদের হাতের নাগালে নেই দাম। বাজারে বিক্রি করা গো-খাদ্যের দামও আকাশচুম্বী। যার ফলে প্রান্তিক গবাদিপশু পালনকারী গৃহস্থরা পড়েছেন চরম বিপাকে। গবাদিপশু (গরু) বাঁচিয়ে রাখতে তারা বাড়ির পাশের খাল, বিল ডোবায় জন্মানো কচুরিপানা দল তুলছেন। গো-খাদ্য হিসেবে কচুরিপানাই এখন তাদের শেষ ভরসা। কেউ কেউ নিজেদের বাড়ির কাছাকাছি কচুরিপানা না পেয়ে রিকশাভ্যান ভাড়া করে কেউবা পায়ে হেঁটেই দূর-দূরান্ত থেকে সংগ্রহ করছেন কচুরিপানা। অনেক খামারিও গো-খাদ্য সংকটের কারণে শ্রমিক দিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে কচুরিপানা(দল)সংগ্রহ করছেন।
    গ্রামীণ জনপদে কচুরিপানার এ ব্যবহার নতুন কিছু নয়, তবে এবার খড়ের অস্বাভাবিক দামের কারণে তা গরুর প্রধান খাবারে পরিণত হয়েছে।
    উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কর্মকর্তা(এএও) আকবর হোসেন বলেন, কচুরিপানা (দল) একধরনের বহুবর্ষজীবী ভাসমান উদ্ভিদ। উদ্ভিদটি গো-খাদ্যের চাহিদা মেটানোসহ নানাবিধ কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে কৃষিতাত্ত্বিকভাবে বিবেচনা করলে এটি একটি আগাছা। কচুরিপানা খুব দ্রুত বংশবিস্তার করে। এজন্য নিচু ফসলি জমিতে বিশেষ করে ধানের জমিতে এই উদ্ভিদকে আগাছা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গো-খাদ্য হিসেবে কচুরিপানা ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ফলে এক দিকে যেমন নিচু ফসলি জমিতে কচুরিপানা নিয়ন্ত্রণে থাকবে অন্যদিকে গো-খাদ্যের চাহিদাও মিটবে।এবিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ ওয়াজেদ আলী বলেন, শুধু কচুরিপানার ওপর নির্ভর করে গবাদিপশু লালন পালন করা অত্যন্ত কষ্টের। তবে এ মৌসুমে খাল-বিলে প্রচুর কচুরিপানা পাওয়া যাচ্ছে। এতে গবাদিপশু পালনকারীদের জন্য উপকার হয়েছে। তবে কচুরিপানা গরু বা মহিষকে খাওয়ানোর পূর্বে রোদে শুকিয়ে খড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ানো ভালো।#

  • সুজানগরের পদ্মায় অ-বৈধভাবে বালু  উত্তোলনের দায়ে ১৬ জনের কা-রাদন্ড, ড্রেজার ও বাল্ক হেড জ-ব্দ

    সুজানগরের পদ্মায় অ-বৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ১৬ জনের কা-রাদন্ড, ড্রেজার ও বাল্ক হেড জ-ব্দ

    এম এ আলিম রিপন ,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরের পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ঘটনায় ১৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডসহ একটি ড্রেজার ও একটি বাল্ক হেড জব্দ করা হয়েছে। জেলা এন এস আই এর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং জেলা প্রশাসনের নির্দেশক্রমে শনিবার বিকেলে সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ এলাকার পদ্মা নদীর অভিযান চালিয়ে তঁাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তঁাদের সাজা দেওয়া হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মোঃ রাকিবুল কাজী, পিতা- রফিক কাজী, ঠিকানা- কশবা, কুমারখালী, কুষ্টিয়া, জেল- ১৫ দিন। মোঃ রিপন আলী, পিতা- আমিরুল ইসলাম, ঠিকানা- কেশবপুর, বাঘা, রাজশাহী, জেল- ১৫ দিন। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পিতা- মৃত জয়নাল আবেদীন কাজী, ঠিকানা- গলাচিপা, পটুয়াখালী, জেল- ২০ দিন। মোঃ উজ্বল খঁান, পিতা- মোঃ আমজাদ খঁান, ঠিকানা- বোরখাপুর, নাজিরগঞ্জ, সুজানগর, পাবনা, জেল- ২০ দিন।মোঃ সুমন, পিতা- মোঃ নিজাম উদ্দিন, ঠিকানা- পাংশা, রাজবাড়ি, জেল- ২০ দিন। মোঃ বাবুল মাঝি, পিতা- অবুজ সর্দার, ঠিকানা- কসবা, কুমারখালি, কুষ্টিয়া, জেল- ১৫ দিন।মোঃ আব্দুল মান্নান খঁান, পিতা- মৃত আজিম উদ্দিন, ঠিকানা- চরপাড়া, পাংশা, রাজবাড়ী, জেল- ২০ দিন। মোঃ রাসেল, পিতা- মৃত আশেক আব্দুর রব, ঠিকানা- কসবা কুমারখালী, কুষ্টিয়া, জেল- ১৫ দিন। মোঃ মমিন মন্ডল, পিতা- মোঃ ইসরাঈল মন্ডল, ঠিকানা- আরামবাড়িয়া, খোকসা, কুষ্টিয়া, জেল- ৩০ দিন। মোঃ রাসেল মন্ডল, পিতা- মোঃ আতাই মন্ডল, ঠিকানা- চরপাড়া, পাংশা, রাজবাড়ী, জেল- ১৫ দিন। মোঃ বদিউর রহমান, পিতা- মৃত সহিদুর রহমান, ঠিকানা- পাংশা, রাজবাড়ী, জেল- ২০ দিন,মোঃ আব্দুল খালেক, পিতা- মৃত জয়নাল মৃধা, ঠিকানা- দুমকি, পটুয়াখালী, জেল- ২০ দিন। মোঃ ইয়াছিন, পিতা- মৃত সুজা মিয়া, ঠিকানা- সুধারামপুর, নোয়াখালী, জেল- ১৫ দিন,মোঃ শাহিন রহমান, পিতা- মৃত আজিবুর রহমান, ভবানীপুর, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী, জেল- ২০ দিন। মোঃ রাকিব হাওলাদার, পিতা- মোঃ হাবিবুর রহমান, ঠিকানা- মোড়লগঞ্জ, বাগেরহাট, জেল- ১৫ দিন ও মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, পিতা- মৃত ইসমাইল, ঠিকানা- সুধারাম, নোয়াখালী।ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদানের পাশাপাশি জব্দকৃত একটি ড্রেজার ও একটি বাল্ক হেড নৌ পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীল রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলার কোথাও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেওয়া হবে না। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে । স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, নদীর পাড় কেটে বালু তোলার কারণে আশপাশের গ্রাম ও স্থাপনাগুলো ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • ঝড় বৃষ্টিতে গোদাগাড়ীতে আমন ধান, সরিষাসহ মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষ-তি,  কৃষকরা দারুন হ-তাশ

    ঝড় বৃষ্টিতে গোদাগাড়ীতে আমন ধান, সরিষাসহ মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষ-তি, কৃষকরা দারুন হ-তাশ

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় শুক্রবার ও শনিবাবের থেকে শুরু হওয়া অবিরাম ভারী বর্ষণে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শ শ হেক্টর জমির আমন ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড় ও বৃষ্টিতে উপজেলার রিশিকুল, পাকড়ী, দেওপাড়া, মাটিকাটা ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ধান, টমেটো, ফুলকপি, পাতাকপি, শাকসবজিসহ মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এছাড়া নিম্নাঞ্চল, চরাঞ্চল এবং পদ্মার তীরবর্তী বিল চড়াই, কমলাপুরের বিল, বিল পাতিকলা, দুর্গাদহ বিল, সিধনা মহিশালবাড়ী, বিলের ফসলি জমি পানিতে ডুবে গেছে। এতে বোরো ধানের পাশাপাশি সরিষা, টমেটো এবং অন্যান্য শীতকালীন ফসলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    স্থানীয় কৃষকরা জানান, রবি মৌসুমে বোরো ধান ভালো ফলন আশা করা হয়, কিন্তু হঠাৎ এই দুর্যোগ তাদের সমস্ত শ্রম, সেচ এবং বিনিয়োগ নষ্ট করে দিয়েছে। মাঠে কৃষকদের কান্না দেখে অনেকের কষ্ট হচ্ছে।

    গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ৮০ হেক্টর জমির ধান, ১১৫ হেক্টর জমির সরিষা, মরিচ, সবজি পানিতে ডুবে গেছে। যদি আর বৃষ্টি না হয় আর দ্রুত জমি পানি নেমে যায় তবে ক্ষতি পরিমান কমে আসবে। বেসরকারি তথ্যমতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান সাড়ে ৩০০ হেক্টর হবে।

    “ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক জরিপের তথ্য অনুযায়ী বোরো ধানের উল্লেখযোগ্য অংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণের জন্য মাঠ পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ চলছে। জরিপ শেষে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন উপজেলা ও জেলা কৃষি বিভাগে পাঠানো হবে।”

    কৃষকরা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের আর্থিক সহায়তা, সহজ শর্তে পুনরুদ্ধার ঋণ এবং তৎক্ষণাৎ জরুরি কৃষি সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষকগণ।

    উপজেলার সাধারণ কৃষকরা উল্লেখ করেন, গোদাগাড়ীর কৃষি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে হঠাৎ এই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের টিকে থাকার লড়াইকে কঠিন করে তোলে। “এই ধাক্কা থেকে ফিরে আসতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সাহায্য ছাড়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়,”

    দেওপাড়া ইউনিয়নের ১০০ হেক্টরের বেশী ধান পানিতে ডুবে গেছে। পানি দ্রুত নেমে গেল ক্ষতি তেমন হবে হবে না। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অতুনু সরকার। তিনি জানান উপজেলা কৃষি অফিসে সব এলাকার ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন করে রিপোর্ট তৈরি করে জমা দেয়া হয়েছে।

    উপজেলার ( ভারপ্রাপ্ত ) কৃষি অফিসার মোসাঃ রিতা পারভীন বলেন, কিছুক্ষন আগে ফসলের মাঠ থেকে আসলাম। ৮০ হেক্টর জমির আমন সম্পূন্ন ভাবে নিমজিত হয়েছে, সরিষা ক্ষতি হয়েছে ১৫ হেক্টর কিছু মরিচ, সবজির ক্ষতি হয়েছে। তবে তিনি আরও জানান, সময় আছে সরিষা রিকভার করতে পারবেন কৃষকগণ। আবার বপন করবেন শুধু বীজ ও হালচাষের ব্যয় বাড়বে।
    ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের পরই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক সহায়তার জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ জানান, আমি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার পরিদর্শন করেছি ঝড় বৃষ্টিতে আমন ধান, সরিষাসহ মৌসুমি ফসলের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে শতাধিক লোক পানিবন্ধী হয়েছে। সব চেয়ে বেশী ক্ষতি হয়েছে রিশিকুল, পাকড়ী, দেওপাড়া, মাটিকাটা ইউনিয়নে। কৃষি অফিস ক্ষতির তালিকা করলে তাদের ব্যপারে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী