Blog

  • র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে ৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে ৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় এবং র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ দুপুর ১৪.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি এবং সিপিএসসি, বগুড়ার একটি চৌকষ আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন হাটিকুমরুল বাগিচাপাড়া হোটেল নিউ মায়ের আচল এর সামনে রংপুর হতে ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর’’ একটি যৌথ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০২টি মোবাইল ফোন ও নগদ ২,৫০০/- টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয় ১। বিপুল চন্দ্র রায় (২৯), পিতা- জদুনাথ বর্মন, সাং- আরাজী ডেউডোবা, ২। রিপন (২৮), পিতা- অনিল, সাং- দক্ষিণ গুবদা, উভয় থানা- আদিতমারী, জেলা- লালমনিরহাট।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক, অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

  • র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে অভিনব কায়দায় প্রাইভেট কারে মাদকদ্রব্য পরিবহনকালে ২১ কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার এবং প্রাইভেট কার জব্দ।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় এবং র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় অদ্য ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ, রাত ০৩.০৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন হাটিকুমরুল বাজারস্থ নিউ লাইফ হসপিটালের সামনে বগুড়া হতে ঢাকা গামী মহাসড়কের উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ২১ কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা গাঁজা পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০১টি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয় ১। প্রাইভেট কার চালক মোঃ রশিদুল ইসলাম (৩০), পিতা- মোঃ সন্তুু মিয়া, ২। মোঃ ফিরোজ মিয়া (২২), পিতা- মোঃ জোনাব আলী, উভয় সাং- নবীনগর, পোস্ট- বাউড়া, থানা- পাটগ্রাম, জেলা- লালমনিরহাট।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা হতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের নিজস্ব প্রাইভেট কার যোগে পরিবহন করে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সলঙ্গা থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক, অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

  • নড়াইলে পুলিশের গাড়ী, বক্স ভাং*চুর অগ্নিসংযোগে সদর থানায় মামলা

    নড়াইলে পুলিশের গাড়ী, বক্স ভাং*চুর অগ্নিসংযোগে সদর থানায় মামলা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সদরের মালিবাগে পুলিশ বক্স ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও নাকশী বাজারে পুলিশ পিকআপ আগুন দিয়ে ভস্মীভূত করার ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে ৬০০ অজ্ঞাত নামা আসামির বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর ) রাতে সদর সার্কেলে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক মো.মফিজুর রহমান শেখ বাদি হয়ে নড়াইল সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম মামলার বিষয়টি রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে নিশ্চিত করেছেন।
    মালমা বিবরণীতে বলা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শনিবার (৪ আগস্ট) সকাল ১১ টায় সদরের নাকশী মাদ্রাসা বাজার এলাকায় অজ্ঞাতনামা ৫০০ থেকে ৬০০ জন লোক হাতে দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সাজ্জিত হয়ে সমাবেত হয়। সাড়ে ১১ টার দিক সরকার বিরোধী স্লোগান দিতে দিতে মিছিল নিয়ে নড়াইল শহরে প্রবেশের উদ্দেশ্য রাসেল সেতুর পূর্ব পাশে পৌঁছালে সেখানে পূর্ব থেকে অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বাঁধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে কয়েকজন অজ্ঞাতনামা অস্ত্রধারী গুলি বিনিময় করায় কিছু লোক আহত হয়। উভয়পক্ষের সঙ্গে উভয় পক্ষের মধ্যে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সমূহের সম্ভাবনা দেখা দিলে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদীর নেতৃত্বে পুলিশের দল উপস্থিত হয়ে উভয়পক্ষের ছাত্রভঙ্গ করতে শটগান থেকে ১০১ রাউন্ড কার্তুজ, গ্যাসগানের ৩১ টি টিয়ারশেল ফাঁকা ফায়ার করে। ফাঁকা ফায়ারের পর উভয় পক্ষ ছাত্রভঙ্গ হয়ে আসামিদের একটি অংশ ঘটনাস্থল থেকে পিছু হটে সদরের মালিবাগ মোড়ে অবস্থান নেয়।
    মামলার বিবরণীতে জানা যায়, পুলিশ প্রাণ বাঁচাতে বাড়ির মধ্যে অবস্থানকালে অজ্ঞতারনামা আসামিরা তাদের বহনকারী ডাবল কেবিনের পিক-আপ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় পুলিশের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার্থে শটগান থেকে ১৭৫ রাউন্ড কার্তুজ ও গ্যাস গান হতে ২০ টি টিয়ারসেল ও ৩ টি সাউন্ড গ্রেনেড ফাঁকা ফায়ার করলে আন্দোলন করীরা ছাত্রভঙ্গ হয়ে যায়।এ ঘটনায় অগ্নি সংযোগের ঘটনায় পুলিশ পিক-আপ টি ভস্মীভূত হয়ে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে মামলা বিবরণী উর্রেখ করা হয়।

  • কালীগঞ্জে রাস্তার পাশে পড়ে  ছিল অজ্ঞাত লা*শ

    কালীগঞ্জে রাস্তার পাশে পড়ে ছিল অজ্ঞাত লা*শ

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার পিরোজপুর এলাকা থেকে অজ্ঞাত (৬০) পরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল ৯টার দিকে যশোর-ঝিনাইদহ মহসড়কের পিরোজপুর এলাকায় রাস্তার পাশে লাশটি পড়ে ছিল। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার হাইওয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তির নাম পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ। গ্রামবাসি জানায়, সোমবার সকালে কৃষকরা মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। নিহত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন বলে পুলিশ প্রাথমিক ভাবে মনে করছে। বারবাজার হাইওয়ে থানার এসআই ফজলুর রহমান জানান, নিহত ওই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। সে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে এলাকাবাসির কাছ থেকে জানা গেছে। তিনি আরো জানান, রোববার রাতের কোন এক সময় চলন্ত গাড়ির ধাক্কা খেয়ে রাস্তার পাশে পড়ে তিনি নিহত হতে পারেন। কারণ তার মাথায় ও বুকে আঘাতের চিহ্ন আছে। লাশটি উদ্ধার করে সোমবার দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ

  • শৈলকুপায় কলেজ ছাত্রী তিথিকে পা*শবিক নির্যাতনে পর হ*ত্যা

    শৈলকুপায় কলেজ ছাত্রী তিথিকে পা*শবিক নির্যাতনে পর হ*ত্যা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ভাটই কলেজের ছাত্রী আইরিন আক্তার তিথিকে পাশবিক নির্যোতনের পর হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিক ভাবে মনে করছে। তিথির লাশ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে সোমবার বিকালে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টে ধর্ষনসহ নির্যাতনের নানা তথ্য উঠে এসেছে। রোববার বিকালে শৈলকুপা উপজেলার দুধসর গ্রামের একটি কলাক্ষেত থেকে তিথির গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এদিকে তিথির লাশ উদ্ধারের পর প্রতিবেশি কালু ও তার পরিবারের লোকজন বাড়ির মালামালসহ পালিয়ে গেছে। এতে পুলিশের ধারণা কালু এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত। পরিবারের দাবী গত ২০ সেপ্টম্বর সন্ধ্যায় ০১৯০৮-৪৬২৬৬১ নাম্বার থেকে ফোন পেয়ে তিথি প্রতিবেশি কালুর বাড়িতে যায়। সেই থেকে কলেজ ছাত্র তিথি নিখোঁজ ছিল। রোববার (২২ সেপ্টম্বর) সকালে শৈলকুপা থানায় তিথির পিতা মিঠু জিডি করে। এরপর বিকালে তার লাশ উদ্ধার হয়। মা রেখা বেগম অভিযোগ করেন, শৈলকুপার ফুলহরি ইউনিয়নের ভগবাননগর গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে রাকিব প্রায়ই তাদের মোবাইলে ফোন করে হুমকী দিত। তার সঙ্গে তিথিকে বিয়ে না দিয়ে ক্ষতি হবে বলে শাসাতো। প্রতিবেশি কালুর দিয়ে ডেকে নিয়ে তিথিকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হতে পারে বলে তিথির মা অভিযোগ করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শৈলকুপা থানার এসআই মনিরুজ্জামান হাজরা জানান, তিথি হয়তো আরে দুই দিন আগেই নিখোঁজ হয়েছিল। কারণ দুই দিনে লাশ পচে যাওয়ার কথা নয়। তিনি বলেন, তাকে হত্যা করা হয়েছে এটা ঠিক, তবে ধর্ষনের বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার পর সব কিছু জানা যাবে। তিনি বলেন, পুলিশের সন্দেহের তালিকায় বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। তার মধ্যে অন্যতম প্রতিবেশি কালু। তাকে গ্রেফতার করা গেলে তিথি হত্যার মোটিভ ও ক্লু উদ্ধার সম্ভব হবে। এ বিষয়ে শৈলকুপা থানার ওসি সফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, পুলিশ পুরো ঘটনাটি নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষন করছে। ২/১ দিনের মধ্যেই তিথি হত্যার সঙ্গে জড়িতরা গ্রেফতার হবে বলে তিনি আশা করেন।

  • মহেশপুরে ফতেপুর শিশুতলা বাজারে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন

    মহেশপুরে ফতেপুর শিশুতলা বাজারে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন

    শহিদুল ইসলাম,
    মহেশপুর ( ঝিনাইদহ ) সংবাদদাতাঃ-
    ২২সেপ্টেম্বর বিকালে ঝিনাইদহরে মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউপির শিশুতলা বাজারে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ের ফিতে কেঁটে শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
    ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম ফারুক খাঁনের সভাপতিত্বে উক্ত কার্যালয় উদ্বোধন করাকালে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ দবির উদ্দিন বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম রেজা, সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ উমর আলী ভুইয়া, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মীর কবীর হোসেন, মোঃ সজল মিয়া, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ- সুরুজ সহ ইউনিয়ের সকল ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি / সম্পাদক সহ দলীয় অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • কেসিসি’র ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    কেসিসি’র ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    শেখ তৈয়ব আলী পর্বত, খুলনা।

    খুলনা মহনগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সুধী সমাবেশ আজ সোমবার বিকাল ৩.০০ টায় নিরালা মোড় এ ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক শেখ আরশাদ আলী এর সভাপতিত্বে ও যুগ্ন আহবায়ক মনিরুজ্জামান মনির সঞ্চালনায় সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশেপ্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকেন খুলনা মহানগরীর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা। তিনি তার বক্তব্য বলেন বিএনপি এখন ক্ষমতায় যায়নি সাধারণ জনগণের ভোটেই সাধারণ জনগণের ভোটেই ক্ষমতায় আসতে হবে তবে আমাদের সকলের মনে রাখতে হবে খুনি হাসিনার পেতাত্মা এখনো বাংলাদেশের অলিগলিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ এই খুনি লীগদের হাত থেকে সাধারণ জনগণদের রক্ষা করতে হবে এবং আমাদের দল জাতীয়তাবাদী বিএনপি কে রক্ষা করতে হবে। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকেন শফিকুল আলম তুহিন সদস্য সচিব, খুলনা মহানগর বিএনপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন শেখ সাদী যুগ্ন আহবায়ক খুলনা মহানগর বিএনপি, মোঃ হুমায়ুন কবির আহ্বায়ক সদর থানা বিএনপি, মোল্লা ফরিদা আহমেদ সদস্য সচিব, সদর থানা বিএনপি। উক্ত সুধী সমাবেশে খুলনা সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সম্মানিত আহবায়ক খায়রুজ্জামান সজীব ভাইয়ের নেতৃত্বাধীন সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ ২৪ নাম্বার ওয়ার্ড বিএনপির কর্তৃক আয়োজিত সুধী সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এক বিশাল মিছিল নিয়ে ওয়ার্ড এর বিভিন্ন সড়ক প্রদর্শন করে সমাবেশ স্থলে যোগ দেয়। এবং ওয়ার্ড বিএনপির অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

  • লালমনিরহাটে ফেন্সিডিল, পিকআপ সহ গ্রেফতার ২

    লালমনিরহাটে ফেন্সিডিল, পিকআপ সহ গ্রেফতার ২

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার বিশেষ  অভিযানে চালিয়ে ১০০বোতল মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল এবং একটি পিকআপসহ ০২ জন আসামী কে গ্রেফতার করেন গোয়েন্দা পুলিশ। 

    জেলা পুলিশ সুপার, মোঃ তরিকুল ইসলাম,এর দিক-নির্দেশনায় গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ,আমিরুল ইসলামের, নের্তৃত্বে এসআই (নিঃ)নিজাম উদ দৌলা, সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযানে চালিয়ে জেলার কালীগঞ্জ থানাধীন কাকিনা ইউপির রুদ্রেশ্বর মৌজাস্থ জাহাঙ্গীর আলম, এর বসত বাড়ীর ৫০ গজ উত্তরে কাকিনা বাজার হইতে রংপুর গামী পাকা রাস্তার উপর রেলিং এর উত্তর পার্শ্বে হতে ১০০বোতল ফেন্সিডিল ও একটি পিকআপ যার রেজিঃ নং-ঢাকা মেট্রো-ন-১৫-৯৮৪৩ সহ দুই জন মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেফতার করেন।

    গ্রেফতারকৃত আসামী হলেন ইয়ানুছ,গোবিন্দপুর গ্রামের আবু সিদ্দিক, ছেলে। রাজু খলিফা,মিরেরটেগ গ্রামের মৃত  আজিম খলিফার ছেলে।  উভয় থানা-সোনারগাও, জেলা- নারায়নগঞ্জ। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার রুজুর হয়। জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালীগঞ্জ থানাধীন কাকিনা ইউনিয়নে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০০বোতল ফেন্সিডিল ও একটি পিকআপ যার রেজিঃ নং-ঢাকা মেট্রো-ন-১৫-৯৮৪৩ সহ দুই জন মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেফতার করেন গোয়েন্দা পুলিশ।

    হাসমত উল্লাহ ।।
     

  • সন্তানকে গু*লি করে মারলেও বিচার পাইনি,আরিফুরের বাবা

    সন্তানকে গু*লি করে মারলেও বিচার পাইনি,আরিফুরের বাবা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    পঞ্চগড়ে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা ও আরিফুর রহমান হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। শহীদ আরিফুর রহমান স্মৃতি পরিষদের ব্যানারে রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ মানববন্ধন  হয়। মানববন্ধন শেষে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অন্তবর্তীকালীন সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন শহীদ আরিফুর রহমান স্মৃতি পরিষদের একটি প্রতিনিধিদল।

    মানববন্ধনে আরিফুর রহমানের বাবা ফরমান আলী বলেন- তার ছেলেকে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছে। অথচ তার বিচার পাইনি। আমি এর সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানাচ্ছি।

    আরিফুর ইসলামের বোন মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আপনারা সবাই জানেন আমার ভাইকে গুলি করে মেরেছে। অথচ পুলিশ বলেছে, ইটপাটকেলের আঘাতে নিহত হয়েছে আরিফুর। আমরা বিচারের জন্য এসপি, ডিসির কাছে গিয়েছি। কিন্তু কোন মামলা না নেয়নি পুলিশ। উল্টো বলছে, আরিফ শিবিরের কর্মী। এ জন্য আমরা কোন বিচার পাইনি।

    মানববন্ধনে অন্যান্য বক্তারা কাদিয়ানী জলসা নিয়ে সাধারণ মুসল্লিদের উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণে হতাহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণসহ সব মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান।

    উল্লখ্য, ২০২৩ সালের ৩ মার্চ আহমদিয়া মুসলিম জামাত কাদিয়ানীদের সালানা জলসা বন্ধকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে মুসল্লিদের সংঘর্ষে আরিফুর রহমান নিহত হয়ে।

  • ধোপাজান নদীতে প্রশাসনের চোখের সামনে প্রতিদিন চলছে কোটি টাকার বালু পাথর লু*টপাটের তা*ন্ডব

    ধোপাজান নদীতে প্রশাসনের চোখের সামনে প্রতিদিন চলছে কোটি টাকার বালু পাথর লু*টপাটের তা*ন্ডব

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জের ইজারা বিহীন ধোপাজান নদীতে চলছে অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বালু ও পাথর উত্তোলনের মহোৎসব। প্রতি রাতে শত শত বাল্কহেড ষ্টিলবডি নৌকা দিয়ে কোটি টাকার বালু ও পাথর অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা। জানা যায় আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনের পর সুনামগঞ্জ ইজারা বিহীন ধোপাজান নদীতে চলছে হরিলুঠ। যে যেমন করে পারছে ইচ্ছে মত লুঠপাট করে নিয়ে যাচ্ছে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে ইজারা বিহীন ধোপাজান নদীর পারকেটে কোটি কোটি টাকার বালু ও পাথর । আর এসব কিছু হচ্ছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন এবং নৌ পুলিশের চোখের সামনে। জানা যায় ৪/৫ বছর যাবৎ মামলা জটিলতার কারণে ধোপাজান চলতি নদীর বালু ও পাথর মহালটির ইজারা বন্ধ রয়েছে। এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধোপাজান নদীর খালের মুখে ইব্রাহিম পুর এলাকায় অস্থায়ী একটি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পাশাপাশি সদর থানাধীন টুকের বাজারে নৌ পুলিশের একটি কেম্প ও রয়েছে। কিন্তু এসব চেকপোস্ট গুলোর চোখের সামনে লুঠপাট হচ্ছে ইজারা বিহীন ধোপাজান নদীর বালু ও পাথর। অবৈধ ড্রেজার মেশিনের তান্ডবের কারনে ধোপাজান নদীর ভারসাম্য যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তেমনি নদীর পারে থাকা মসজিদ মন্দির, স্কুল, মাদ্রাসা ও অসহায় মানুষের বাড়িঘর ভেঙে ইতি মধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হতে চলছে। একদিকে যেমন সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব অন্যদিকে কয়েকটি সিন্ডিকেট চক্র সক্রিয় ভাবে ডিউটিতে অবস্থানরত পুলিশ চেকপোস্টের নির্দেশনা অমান্যকরে বল প্রয়োগ করে একসঙ্গে প্রায় শতাধিক নৌকা উশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করে পুলিশের উপর হামলার প্রস্তুতির নাটক তৈরি করে হাওউল্লাস করে গভীর রাতে নদী পথে নিয়ে যাচ্ছে লাখ লাখ টাকার বালু ও পাথর। জানা যায় আওয়ামীলীগের ডালাস নামে এক নেতা প্রতিটি নৌকা থেকে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা নিচ্ছেন নৌকা পাস দেওয়ার নামে । এমন অভিযোগ জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নৌকার মাঝি। তাছাড়াও প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কিছু নেতারা এবং সাংবাদিক সমাজের কয়েক জন গণমাধ্যম কর্মীসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কিছু ব্যক্তি ও জড়িত রয়েছেন এই ধোপাজান নদীতে বালু ও পাথর উত্তোলনের সিন্ডিকেট সদস্যদের সাথে। অধিক মুনাফার লোভে পড়ে সব সেক্টরের লোকেদের সমন্বয়ে চলছে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু পাথর উত্তোলনের মহোৎসব। পুলিশের নিয়মিত অভিযানে প্রতি নিয়ত ৫ /৭ টি বল্বহেড নৌকা আটকের দৃশ্য দেখা গেলেও শত শত বাল্বহেড ষ্টিলবডি নৌকা প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার বালু ও পাথর বুঝাই করে নিয়ে যাচ্ছে প্রকাশ্যেই । যা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলার সকল সেক্টরের আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। মাঝে মধ্যে কিছু নৌকা আটক করে মামলা জড়িমানা করেও থামানো যাচ্ছে না ধোপাজান নদীর বালু পাথর লুঠপাটের দৃষ্য। সাংবাদিকদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও জেলা প্রশাসন ও নৌপুলিশের কোন দৃশ্যমান অভিযান এখনো চোখে পড়েনি রহস্যময় কারনে? অন্যদিকে ডিবি পুলিশ ও থানা পুলিশ ধোপাজান নদীর ভারসাম্য রক্ষায় অবস্থানে থাকলেও নিজেদের নিরাপত্তার ভয়ে কঠোরভাবে দমন করতে পারছেন না হামলার ভয়ে? সবাই শুধু অবাক চোখে তাকিয়ে দেখছেন এমন দৃশ্য। মামলা হামলার ভয়ে মুখ খুলতে এবং প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গসহ পরিবেশ বাদীরা। জেলা প্রশাসকের নিকট অনেকেই ধোপাজান নদীর পরিবেশ ও ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য মানববন্ধন করে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। ইজারা বিহীন ধোপাজান নদী রক্ষা করতে জেলা প্রশাসকের কঠোর হস্তক্ষেপের আশায় তাকিয়ে আছেন সাধারণ মানুষেরা। জেলা প্রশাসক কেন ধোপাজান নদীতে বালু পাথর লুঠপাট বন্ধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না সেই ভাবনা অনেকের মনে রহস্যময় ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। জেলা প্রশাসন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সকল সেক্টরের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়ে ধোপাজান নদীর পরিবেশ ও ভারসাম্য রক্ষা করতে এবং সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব রক্ষা করতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিবেন এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নদীর তীরে অবস্থিত সাধারণ মানুষসহ সুশীল সমাজের লোকেরা।##