Blog

  • মধুপুরে জামায়াত নেতার বাসা ৭ বছর যাবঘ বেদখল দিয়েছে উপজেলা পরিষদের ড্রাইভার

    মধুপুরে জামায়াত নেতার বাসা ৭ বছর যাবঘ বেদখল দিয়েছে উপজেলা পরিষদের ড্রাইভার

    আব্দুল হামিদ,
    মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভাধীন উত্তরা আবাসিক এলাকার জামায়াত নেতা আব্দুল খালেকের ক্রয়কৃত ১০শতাংশ জমির উপর টিনশেড বিল্ডিং করা বাসা বিগত ৭ বছর যাবত জোরপুর্বক বেদখল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    ভুক্তভোগী জামাত নেতা আব্দুল খালেক জানান, ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবুর প্রভাব খাঁটিয়ে তার পরিষদের ড্রাইভার বাচ্চু মিয়া অস্ত্রধারী আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমার বাসার সমস্ত কিছু লুটপাট করে নিয়ে যায় এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাকে স্ব-পরিবারে বাসা থেকে বের করে দেয়।
    ভুক্তভোগী আব্দুল খালেক বলেন, তৎকালীন আওয়ামী সরকারের আমলে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরে আমি কোনো ন্যায় বিচার পাইনি। উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবুর কাছে বারবার গিয়েও কোন বিচার পাইনি। তিনি আমাকে বলেন, এটা কোনো বাসাবাড়ী নয়, জামাতের অফিস। মধুপুরের কোথাও কোনো জামাতের অফিস করতে দেওয়া হবেনা। আজ থেকে এই বাসা আমাদের দখলে থাকবে।
    এবিষয়ে তৎসময় জেলা প্রশাসকের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে আমি একটি লিখিত অভিযোগ করি। সে অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করেন কিন্তু অদৃশ্য কারনে তিনি কালক্ষেপণ করতে থাকেন। আমার ক্রয়কৃত জমির উপর করা বাসা থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের জন্য প্রশাসনের কাছে যাওয়ার কারণে বাচ্চু তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাকে মেরে গুম করে ফেলার হুমকি দেয়। পরবর্তীতে আমি ভয়ে মধুপুর থেকে পালিয়ে দেশের বাহিরে চলে যাই।
    তিনি বলেন, আমার সমস্ত দলিলপত্র পর্ষবেক্ষণ করে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) রিফাত আনজুম পিয়া জমির প্রকৃত মালিক আব্দুল খালেক এই মর্মে একটি লিখিত আদেশ প্রদান করেন কিন্তু অবৈধ দখলদার বাচ্চু মিয়া প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে জোরপুর্বক এখনও আমার বাসা দখল করে আছে। আমি প্রশাসনের কাছে এ-ই অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

  • তানোরের নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

    তানোরের নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিনহাজুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দগণ।
    জানা গেছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এই সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন
    রাজশাহী জেলা পশ্চিম শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি মাওলানা জামিলুর রহমান, তানোর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ডি এম আক্কাস আলী, দপ্তর সম্পাদক কাজী আফজাল হোসেন, জামায়াত নেতা ও উপজেলা পরিষদ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, তানোর পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক আজাহার আলী, পাঁচন্দর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর জুয়েল রানা,
    তালন্দ ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা শামসুদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গোলাম মাওলা, চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সম্পাদক শরিয়তুল্লাহ মাষ্টার, কাঁমারগা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুর গফুর, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি শাহারিয়ার হোসেন, পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব চৌধুরীসহ উপজেলা এবং ইউনিয়ন এর দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দগণ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিনহাজুল ইসলাম অত্র তানোর উপজেলায় মাদক, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ রোধসহ আইন-শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।#

  • তানোরে দু’শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৭৫ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ

    তানোরে দু’শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৭৫ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর পাইলট মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম সেলিম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলাম রেজার বিরুদ্ধে প্রায় পৌনে এককোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগের প্রভাববিস্তার এবং সাবেক এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের নাম ভাঙিয়ে তারা এসব টাকা লোপাট করেছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।এদিকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর স্কুলের এক সহকারী শিক্ষক বাদি হয়ে প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষককে বিবাদী করে রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি), চেয়ারম্যান রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদুক) রাজশাহী ও তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
    লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, বিগত ২০১৯ সাল থেকে স্কুল মার্কেটের দোকান ঘরের ভাড়া বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব নম্বরে (নং-৪৬২৩০০১০০০৪১২) জমা দেওয়ার নিয়ম। কিন্তু জমা না দিয়ে তারা আত্মসাৎ করেছেন প্রায় ১১ লাখ টাকা। এছাড়াও প্রশংসাপত্র প্রতি ৫শ’ টাকা করে গ্রহন করা হলেও তাঁর কোন হিসাব নেই। টাকার পরিমান প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ওদিকে বিগত ২০১৯ সাল থেকে জেএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন যার পরিমাণ প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক যোগসাজশে এসব টাকা আত্মসাত করেছেন।
    এছাড়াও বিগত ২০১৯, ২০২০, ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে দুইটি করে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের নিকট হইতে ৩০০ টাকা হারে সেশন চার্জ ও পরীক্ষার ফি ৩০০ টাকা হারে মোট ৬০০ টাকা করে আদায় করা হয়। যার পরিমাণ ৩ লাখ টাকা। প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক এসব টাকা আত্মসাৎ করেছেন।এছাড়াও সরকারী অনুদানের প্রায় ৬ লাখ টাকা তারা আত্মসাৎ করেছেন। অন্যদিকে পরীক্ষা কেন্দ্র হইতে প্রতি পরীক্ষা যেমন জেএসসি-এসএসসি হইতে বিদ্যালয়ের আয়ের সমুদয় অর্থ প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক আত্মসাত করেন। যাহার পরিমান ৬ লাখ টাকা। বিদ্যালয়ের ভেন্যু ব্যবহারকারীদের নিকট হইতে প্রাপ্ত অর্থ প্রধান শিক্ষক আত্মসাৎ করেন যার পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়াও উপজেলা ও জেলা পরিষদ থেকে ১০ লাখ টাকা প্রাপ্ত বরাদ্দের কোন হদিস নাই। এবং
    এফডিআর এর অবস্থা জানা যায় নাই। একই সংগে মালোপাড়া শাখা, রাজশাহী অগ্রণী ব্যাংক হইতে উত্তোলিত টিউশন ফি-এর অর্ধেক টাকা প্রধান শিক্ষক হাতে রেখে বন্টন করেন এবং সেই অর্ধেক টাকা নিজেই আত্মসাৎ করে। স্কুল মার্কেটের দোকান ঘরের জামানত এর টাকা গ্রহন পূর্বক প্রধান শিক্ষক একাই আত্মসাত করেন। যার পরিমান ১৫ লাখ টাকা। তাছাড়া সাবেক এমপি এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের আত্মীয় পরিচয়ে ২০১৯ সালের ১৩মে অত্র বিদ্যালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করে আওয়ামী রাজত্ব কায়েম করেন। এদিকে পাশ করা ছাত্র/ছাত্রীদের প্রশংসাপত্র, সার্টিফিকেট ও মার্কসীট প্রদানে ৩০০-২০০ টাকা হারে আদায় ও আত্মসাত করেন প্রধান শিক্ষক।যার পরিমাণ ৪ লাখ টাকা। অন্যদিকে
    তিনি নিজে প্রধান শিক্ষক হবেন এই মর্মে সাবেক এমপির নিকট প্রতিশ্রুতি প্রদান পূর্বক সরকারী করনের জন্য কোনরূপ ব্যবস্থা না করা হয় এই মর্মে অঙ্গীকার করে অত্র বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পান।এছাড়াও জোরপূর্বক স্কুল সরকারী হবে মর্মে তৎকালীন সহকারী প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম সেলিম সকল শিক্ষকের নিকট হইতে মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকাগ্রহণ করেন। কিন্তু পরবর্তীতে তানোর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সরকারী হয়নি। কিন্ত্ত সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী ইফতার মাহফিলে সেই টাকা খরচ করা হয়।
    অন্যদিকে সাবেক প্রধান শিক্ষক এর নিকট হইতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ করেন প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম সেলিম।
    প্রসঙ্গত, ইতিপূর্বে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক এর রিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক, রাজশাহী, জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন , জেলা শিক্ষা অফিসার, উপ-পরিচালক রাজশাহী অঞ্চল, চেয়ারম্যান শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী, বিদ্যালয় পরিদর্শক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক,উপজেলা নিবাহী কর্মকতা ইউএনও এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। কিন্ত্ত সাবেক এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের অদৃশ্য হস্তক্ষেপের কারণে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা করা যায়নি বলে জানান অভিযোগকারী।এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিনহাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম সেলিম সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল অপপ্রচার করছে। এবিষয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলাম বলেন, এসব আগের অভিযোগ, তিনি বলেন, আর্থিক বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি দেখেন। এখানে তার সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ নাই,তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পুর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।#

  • পদ্মায় পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত মানুষ গোদাগাড়ীর রেলবাজার ঘাট দিয়ে আসচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত জিনিসপত্র

    পদ্মায় পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত মানুষ গোদাগাড়ীর রেলবাজার ঘাট দিয়ে আসচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত জিনিসপত্র

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পানিতে গত কয়েকদিনে ফের বাড়তে শুরু করেছে রাজশাহীর গোদাগাড়ীর পদ্মার পানি। সে সাথে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। কোঁদলকটি, দিয়ার মানিকচক, চরআষাদিয়াদহের ভাঙ্গন কবলিত মানুষ গোদাগাড়ী পৌরসভার রেলবাজার ঘাট দিনে নিয়ে আসছে ধান, গম, ভুট্টা, চাউল, আদা, বাড়ী ঘর নির্মানের পুরাতন সামগ্রী, ক্ষতিগ্রস্থ ঢেউটিন, ঘরের চালা,দরজা জানালা প্রভূতি। বুধবার সন্ধ্যার পর এদৃশ দেখা গেল রেলওয়ে বাজার ঘাটে।

    সম্প্রতি ফের পানি বাড়তে শুরু করায়, নদী ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন পদ্মার তীরবর্তী মানুষ। যদিও রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে; আরও দু’একদিন পর্যন্ত পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পাবে। পরে তা স্থিতিশীল হয়ে আবারও কমতে শুরু করবে। এতে এই অঞ্চলে বন্যা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না তারা।

    এদিকে, গত পদ্মা, মহানন্দা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলাসহ ১০ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের ১ হাজার ৫ শ ৫৯ হেক্টর জমির ফসল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। সেই সাথে কোদলকাটি গ্রামে ব্যাপক হারে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে।

    শহরের বড়কুঠি পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানির উচ্চতা পরিমাপ করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ রিডার এনামুল হক। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, বড়কুঠি পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১৮ দশমিক ৫০ মিটার। মঙ্গলবার এই পয়েন্টে পদ্মার পানির উচ্চতা ছিল ১৬ দশমিক ৮৫ মিটার। অর্থাৎ বড়কুঠি পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ৬৫ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    এনামুল আরও জানান, আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে পদ্মায় পানি বাড়লেও শেষের দিকে তা কমতে শুরু করে। তবে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে আবারও পানি বাড়তে শুরু করে পদ্মায়। কয়েকদিন বৃদ্ধি পেয়ে পানি আবারও স্থিতিশীল হয়। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে পানি বাড়তে শুরু করে এ পর্যন্ত চলমান আছে।

    গোদাগাড়ী সরকারী স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ এনামুল হক ফেসবুকে বন্যা ও ভাঙ্গনকবলিত মানুষ রেলবাজার ঘাট দিয়ে টিন, ঘরের চালা, ধান, গম, কলাই প্রভূতি নৌকায় নিয়ে আসছে সেই ছবি পোষ্ট করেছেন। মানুষ দুঃখ, কষ্টের সীমা নেই।

    চর আষাদিয়াদহ এলাকাবাসী মনিরুল ইসলাম জানান পদ্মার পানি বাড়ার সাথে কোদলকাটি গ্রামে ব্যাপক নদী ভাঙ্গন মানুষ বিপদে আছেন, তাদের বাড়ী ঘর নিরাপদ দূরুত্বে সরিয়ে নিচ্ছেন, কোন কোন সময় সরানোর সময় পাচ্ছেন না। অনেক ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

    পানি বৃদ্ধির কারণ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান অঙ্কুর জানান বলেন, মূলত ফারাক্কার উজানে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে পদ্মায় আবারও পানি বাড়তে শুরু করেছে। আকস্মিক বন্যার সম্ভবনা আছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আগামী দু’একদিন পদ্মার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থেকে আবারও তা স্থিতিশীল হবে। পদ্মার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার কোন সম্ভবনা নেই। ফলে এই অঞ্চলে আকস্মিক কোনো বন্যা হবে না।

    এদিকে পদ্মার পানি বৃদ্ধির কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা কোদলকাটি, আলাতুলি, ক্লাবঘাট এলাকা, শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, উজিরপুর, দুর্লভপুর ও সদর উপজেলার নারায়ণপুর, আলাতুলী, শাহাজাহানপুর, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ১ হাজার ৫শ’ ৫৯ হেক্টর মাসকালাই, রোপা আউশসহ সবজি পানি নিচে ডুবে গেছে। ডুবে যাওয়া মাসকালাইয়ের মধ্যে রয়েছে শিবগঞ্জ উপজেলার ১ হাজার ২৫০ হেক্টর ও সদর উপজেলায় ২১২ হেক্টর। তিনি আরও জানান, দুইটি উপজেলার প্রায় ৫ হাজার ৩১৫ জন কৃষকের মাসকালাই, আউশ ধান, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, চিনা ও আখ ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

    নীতি-বিধানের তোয়াক্কা না করেই ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করে পানি সরিয়ে নিচ্ছে। গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের এ যাবৎ দুটি চুক্তি হলেও বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী পানি পায়নি। চলমান ৩০ সাল চুক্তি বাংলাদেশের ন্যায্য পানিপ্রাপ্তির কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি। আগের চুক্তিতে যতটুকু নিশ্চয়তা ছিল, এ চুক্তিতে তাও নেই। ফলে পানিবঞ্চনা আরো বেড়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বক্তব্য খোলাখোলি। শুকনো মওসুমে তিস্তার পানি প্রবাহ এত কমে আসে যে, তা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রয়োজনই মেটে না, বাংলাদেশকে আমরা পানি দেবো কিভাবে? আর বর্ষা মৌসুমে মরণ বাঁধ ফারাক্কার সব গেট খুলে দিয়ে পানিতে ডুবিয়ে মারছে ভারত। প্রতিবছর বন্যার সময় ২০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নদী ভাঙন শুরু হয়। এবার শুরু হয়েছে। ভারত প্রতি বছর পানি ছেড়ে আমাদের ডুবিয়ে মারে, খরা মৌসুমে পানি প্রবাহ আটকিয়ে রেখে দেশকে মুরুভূমি বানায় কোন প্রতিকার পায় না দেশের মানুষ।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বাংলাবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলন সাময়িক বহিষ্কার

    বাংলাবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলন সাময়িক বহিষ্কার

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলনকে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি সহ বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগে জনস্বার্থে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

    বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব ড. মাসুরা বেগম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলাধীন ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, জমি জবর দখল, শ্রমিক নিয়োগ বাণিজ্য, চাঁদাবাজি এবং ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখ হতে কার্যালয়ে অনুপস্থিতির অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসক, পঞ্চগড় এর প্রতিবেদন মোতাবেক স্থানীয় সরকার বিভাগের ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখের ৭৮০ সংখ্যক প্রজ্ঞাপন মূলে জনস্বার্থে আপনাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪ ধারা অনুযায়ী কেন আপনার পদ হতে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা হবে না, তার জবাব পত্র প্রাপ্তির ১০(দশ) কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসক, পঞ্চগড় এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ নিশ্চিতকরণের জন্য নির্দেশক্রমে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবেত আলী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজীর স্বরণে আলোচনা সভা

    লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজীর স্বরণে আলোচনা সভা

    নাজিম উদ্দিন রানা: দৈনিক সংগ্রামের চীফ রিপোর্টার ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজ’র) সভাপতি মরহুম রুহুল আমিন গাজী স্মরণে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

    বুধবার সন্ধ্যা ৭ টায়, দৈনিক সংগ্রামের লক্ষ্মীপুর পাঠক ফোরামের উদ্যোগে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের হলরুমে এ আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    দৈনিক সংগ্রামের লক্ষ্মীপুর পাঠক ফোরামের সভাপতি
    ও লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও দৈনিক সংগ্রামের লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি সেলিম উদ্দিন নিজামীর সঞ্চালনা উক্ত দোয়া অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর মাষ্টার রুহুল আমিন ভূইয়া। বিশেষ অতিথি লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মহসিন কবির মুরাদ, লক্ষ্মীপুর বারের সাবেক সভাপতি এডভোকেট হাফিজুর রহমান, লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও নয়া দিগন্তের জেলা প্রতিনিধি আ.হ.ম মোশতাকুর রহমান, প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক সাঈদুল ইসলাম পাবেল, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আরমান হোসেন সহ সাংবাদিক,সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ঝালকাঠিতে ধ্রুবতারা ইয়ূথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠিতে ধ্রুবতারা ইয়ূথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠিতে ধ্রুবতারা ইয়ূথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঝালকাঠি প্রেসক্লাব হলরুমে জেলা সভাপতি সৈয়দ হান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও সিইও অমিয় প্রাপণ চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, বরিশাল বিভাগের সাধারণ সম্পাদক মো: শাকিল রনি হাওলাদার, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো: নিয়াজ মোর্শেদ, জেলা শাখার সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মো: উজ্জ্বল রহমান প্রমুখ।
    সভায় ২০২৪-২৫ সেশনের জন্য সভাপতি হিসাবে সৈয়দ হান্নান ও সাধারণ সম্পাদক মো: মশিউর রহমান শাহিনকে মনোনীত করা হয়েছে। পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি করে কেন্দ্র পাঠানোর জন্য কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

  • গৌরনদীর সরিকলে ব্যাসায়িদের সাথে নুতন কমেটি নিয়ে মতবিনিময় করছেন সাবেক সাংসদ জহির উদ্দিন স্বপন

    গৌরনদীর সরিকলে ব্যাসায়িদের সাথে নুতন কমেটি নিয়ে মতবিনিময় করছেন সাবেক সাংসদ জহির উদ্দিন স্বপন

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃগৌরনদীর সরিকল ইউনিয়নের ঐতিহ্যেবাহী সরিকল বন্দরে প্রায় দের যুগের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও নুতন ভাবে হাট পরিচালনার ক্ষেত্রে কোন কমিটি তৈরির চিন্তা না করে কতিপয় স্বার্থন্বেশি হাটখেকো লোক নিজ সুবিধা আদায়ের লক্ষে নিজ খেয়াল খুশিমত হাট পরিচালনা করে আসছিলেন।

    কিন্তু গত ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী শেখহাসিনা সরকারের পতনের পর নড়ে- সরে বসছেন ওই বন্দরের দম আটকে আসা কয়েক শতাধিক ব্যাবসায়িরা। তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসার সাথে ভোটাধিকার প্রয়োগে জাগ্রত হয় নুতন কমেটির করে হাট পরিচালনার মধ্য দিয়ে হাটে বিকিকিনি করতে আসা মানুষের মাঝে স্বস্তিও ফিরে আনার নানান প্রকৃয়া।

    আর সেই চিন্তে মাথায় রেখেই নবগঠিত কমেটি বাস্তবায়ন করেতে ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ১০ টায় সরিকল বন্দরের ব্যাবসায়ি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বরের সভাপতিত্বে ও মোঃ তৈয়বুর রহমান (লিমন) সঞ্চালনায় ব্যাবসায়িদের সাথে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত থেকে মত বিনিময় করেছেন সরিকল ইউনিয়নের নিজ গ্রাম সরিকলের সন্তান বরিশাল ১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি ‘র চেয়ারপার্সনের নির্ভর যোগ্য ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন উপদেষ্টা এম জহির উদ্দিন স্বপন।

    তিনি উপস্থিতিদের মাঝে বক্তব্যে বলেন, স্বৈরাচারী সরকার শেখ হাসিনার আমলের স্বৈর শাসনকে ভুলে যেতে হবে, কোন প্রকার অন্যায় অবিচারকে বরদাস্ত করবেননা তিনি,কোন ব্যাবসায়ির সাথে জুলুম চলবেনা, বিগত দিনের জুলুম অন্যায় অবিচার আর দুঃশাসনকে মাথা থেকে উপচে ফেলে সঠিক চিন্তে মাথায় নিয়ে ব্যাবসা করতে হবে। অনিয়ম দেখা দিলে কঠর হাতে দমন করবেন তিনি।

    এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গৌরনদী উপজেলা জাতীয়তাবাদী (বিএনপি) এর আহবায়ক সৈয়দ গোলাম ছরোয়ার বিপ্লব, সরিকল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মৃধা, জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল মালেক শিকদার, জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোসারফ হোসেন খাঁন প্রমুখ।

    সরিকল বন্দর ব্যাবসায়িদের সাঝে, উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বরিশাল জেলা গন অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক (জিওপি) মোঃ নুরুল আমিন, মোঃ রফিকুল ইসলাম সুজন ,মোঃ মজিবুর রহমান টিটু,মোঃ শহিদুল ইসলাম মাতুব্বর, মোঃ মাওলানা মহিউদ্দিন, গৌরনদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ কামাল হোসেন বিপ্লব, মোঃ আবুতালেব শিকদার প্রমুখ। বক্তারা বলেন, অতি শিঘ্রই গনতান্ত্রিক প্রকৃয়ার অবাধ সুস্ট ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সুন্দর একটি কমিটি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বিগত দিনের স্বৈরশাসনের বদনামকে ধুয়েমুছে নুতন ভাবে হাটের ঐতিহ্য ফিরে আনবেন তারা।

  • অনুপস্থিত থেকেও বেতন উত্তোলনের অভিযোগ সরকারি ডাঃ জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে

    অনুপস্থিত থেকেও বেতন উত্তোলনের অভিযোগ সরকারি ডাঃ জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর : পাবনার সুজানগর উপজেলার সরকারি ডাঃ জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। অধ্যক্ষ অনুপস্থিত থাকায় কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রম,আর্থিক সক্ষমতা, আইনশৃঙ্খলা পরীক্ষা:অভ্যন্তরিন ইনকোর্স পরীক্ষা,পাবলিক পরীক্ষা,ফরম পূরণ,রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত এবং ছাত্র-ছাত্রীদের প্রত্যয়ন ও সার্টিফিকেট প্রদান করতে পারছেন না কলেজ কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালক ও পাবনা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট তারিখ হতে অত্র কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ বিনা ছুটিতে অদ্যবধি কলেজে অনুপস্থিত রয়েছেন এবং কোন শিক্ষকের উপর দায়িত্বভার অর্পণ করেন নাই কিন্তু বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ঠিকই ভোগ করছেন। জানাযায়, ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কলেজটি ১৯৯৫ সালে এমপিও ভুক্ত হয়। এবং পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট কলেজটি জাতীয়করণ করা হয়। বর্তমানে কলেজটিতে ৩৫০০ জন শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত এবং ৭০ জন শিক্ষকসহ সর্বমোট ৭৮ শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। কলেজের প্রদর্শক আব্দুর রহিম মঙ্গলবার জানান, বিগত আওয়ামীলীগের শাসনামলে প্রভাব খাটিয়ে অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ কলেজের আর্থিক অনিয়ম, শিক্ষকদের সাথে খারাপ আচারণ করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ থাকায় গত ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। এবং বিনা ছুটিতে কলেজে না এসেই নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন। ৫ আগস্ট থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর এখন পর্যন্ত তিনি কলেজে অনুপস্থিত। কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান, অধ্যক্ষ স্যার না থাকায় ফরম পূরণ,রেজিষ্ট্রেশন, প্রত্যয়ন ও সার্টিফিকেট না পাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্য হচ্ছে আমাদের। তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা দাবী করে অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ মোবাইল ফোনে এ প্রতিনিধিকে জানান, শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসা ছুটি পাওয়ার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালক বরাবর তিনি একটি আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে পাবনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম জানান, কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা তদন্তকাজ শেষ করেছি। তদন্ত প্রতিবেদন অতি দ্রুতই মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালক বরাবর প্রেরণ করা হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সোনাতলা পিটিআই এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

    সোনাতলা পিটিআই এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

    বগুড়ায় সোনাতলা প্রাইমারী টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউট (পিটিআই) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ৭.৩০ মি. বিটিপিটি ব্যাচ-৩ এর প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে গাছের চারা রোপণ করা হয়।
    পিটিআই, সোনাতলা, বগুড়া পরিমার্জিত ডিপিএড (বিটিপিটি) প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ করেছে। পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট ও ইন্সট্রাক্টরগণের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিটিপিটি ব্যাচ-৩ এর প্রশিক্ষণার্থী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকবৃন্দ এ কর্মসূচি পালন করেছেন। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সুপারিনটেনডেন্ট জনাব ফেরদৌস আরা পারভীন, সহকারী সুপারিনটেনডেন্টদ্বয় এবং ইন্সট্রাক্টরবৃন্দ। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ আয়োজনে প্রশিক্ষণার্থীরা নিজ উদ্যোগে গাছের চারা ও টব সংগ্রহ করেন। প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকবৃন্দ পিটিআই এ টবে এবং আঙিনায় গাছের চারা রোপণ করেছেন। এছাড়াও তাঁরা পিটিআই আঙিনা ও বাগান পরিষ্কার করার কর্মসূচিও পালন করেন। এবার প্রশিক্ষণার্থীরা বনজ, ঔষধি ও শোভা বর্ধন গাছের চারা রোপন করেছেন।
    উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও সবার জন্য মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতের জন্য সহকারী শিক্ষকদের নিয়ে দেশের ৬৭ টি পিটিআই এর প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে পিটিআই, সোনাতলা, বগুড়ায় এ বছর বিটিপিটি ব্যাচ-৩ এ ৮২জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মৌলিক প্রশিক্ষণ করছেন।