Blog

  • বাগআঁচড়ায় কাঁচা বাজারে আগুন, অস্থিতিশীল মাছ,মাংস ও ডিমের বাজার

    বাগআঁচড়ায় কাঁচা বাজারে আগুন, অস্থিতিশীল মাছ,মাংস ও ডিমের বাজার

    আজিজুল ইসলাম,যশোরঃ যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বাজার সহ আশপাশের কাঁচা বাজার গুলাতে হঠাৎ করে বেড়েছে কাঁচা মাল সহ নিত্যপণ্যের দাম। টানা বৃষ্টিতে অনেক সবজি ক্ষেত ডুবে যাওয়ায় সব্জি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আড়ত গুলোতে তেমন একটা কাঁচা মাল আমদানি হচ্ছে না। কয়েক দিন পর দাম স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা। এ সময়ে সবজির দামও অনেক গুন বেড়েছে। ৫ টাকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কেজি প্রতি বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে টমেটো,গাজর, শসা ও করলা।

    গত তিনদিন আগে বেগুনের কেজি ছিলো ৬০ টাকা সেটা বেড়ে হয়েছে ১০০ টাকা। পটল ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা,ক্ষীরাই ৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকা,কলা ৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা,রসুন ১৮০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২২০টাকা, পেঁয়াজ ১১০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকা হয়েছে। তবে আলুর দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

    রবিবার উপজেলার বাগআঁচড়াসহ এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। ।

    ক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টিকে পুজি করে বাজারের কিছু বিক্রেতারা ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়েছেন। বৃষ্টি থেমে গেলে ও দাম কমার কোন খবর নেই।

    এব্যাপারে বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে অনেক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে,জমিতে কাঁদা পানি জমে যাওয়ায় সবজি সংগ্রহ করতেও কষ্ট হচ্ছে। এখনও অনেক সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে রয়েছে। তাছাড়া টানা বৃষ্টিতে পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় সবজি বাজারে আসতেও সময় লাগছে।

    বাগআঁচড়া বাজারের সবজি বিক্রেতা ফিরোজ বলেন, ‘সাধারণত যেসব সবজি ২০ মণ আনা হতো, সেগুলো এখন ৭ মণ আমদানি হচ্ছে।

    এদিকে, মুরগির বাজার কিছুটা নিম্নমুখী হলেও স্বস্তির খবর নেই ডিমের বাজারে। কেজিতে ১০-৩০ টাকা পর্যন্ত কমে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২২০-২৩০ টাকা, দেশি মুরগি ৭০০-৭৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ৩৪০-২৬০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। আর প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩০০ টাকায়।

    চারিদিকে পানি থাকলেও মাছের বাজারে দাম কমেনি। প্রায় সব ধরনের মাছ আগের মুল্যে বিক্রি হচ্ছে ।

    বাজারে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ১৫০-২০০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৫০-২০০ টাকা, চাষের শোল ৪০০ টাকা, চাষের কৈ বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকায়। এছাড়া আকারভেদে প্রতি কেজি রুই ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা ও কাতলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

    নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার তদারকির দাবি ক্রেতা ও বিক্রেতাদের। তারা বলছেন, নিয়মিত বাজার তদারকি করা হয় না। তদারকি হলে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানোর সুযোগ পেতো না।

    এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট নুসরাত ইয়াসমিন জানান,যেহেতু বৃষ্টি আর হচ্ছে না তাই নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই। এ ব্যাপরে উপজেলা প্রশাসন অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহন করবে বলে তিনি জানান।

  • তানোরে আমনখেতে পার্চিং পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

    তানোরে আমনখেতে পার্চিং পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে আমনখেতে পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। জানা গেছে, ফসলের জমিতে গাছের মরা ডাল, কঞ্চি, বাঁশের আগা পুঁতে বা ধঞ্চে গাছ পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করার নাম ‘পার্চিং’। পার্চিংয়ে পাখি বসার সুযোগ পেলে তার দৃষ্টিসীমায় কোনো ক্ষতিকর পোকা দেখা মাত্রই সেটি সে ধরে খেয়ে ফেলবে। এভাবে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে ধানখেতের পোকার আক্রমণ কমিয়ে বেশি ফলন পাওয়া যাবে। বিষবিহীন নিরাপদ ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি। উপজেলায় ধানখেতে পোকা দমনে কীটনাশকের পরিবর্তে এখন ধানচাষিদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পার্চিং পদ্ধতি। দেখা গেছে ধানের জমিতে গাছের ডাল, খুঁটি, বাঁশের কঞ্চি বা মাঝে মাঝে ধঞ্চে গাছ পুঁতা হয়। সেগুলোর উপর বিভিন্ন প্রজাতির পাখিরা বসে ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে ফেলে।এই পার্চিং পদ্ধতি ফসলের পোকা দমনের জন্য অত্যন্ত কম ব্যয়বিহীন এবং পরিবেশবান্ধব। এই পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন খরচ ও কীটনাশকের ব্যবহার কমে যাওয়ায় এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে উপজেলার কৃষকদের মাঝে। অনেক কৃষক আমনখেতে কীটনাশক পরিহার করে পোকা দমনে সহজ ও লাভজনক পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন।
    উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এবারে রোপা-আমনের লক্ষমাত্রা ২২ হাজার ৫০০ হেক্টর ধরা হয়েছে। কৃষিতে আধুনিকতার ছোয়া লেগেছে বলেই অল্প সময়ের মধ্যে জমি চাষ ও রোপন শেষ করতে পারছেন কৃষকেরা। কৃষকদের সহায়তায় প্রণোদনা হিসেবে উপজেলা কৃষি-সম্প্রসারণ দপ্তর হতে কৃষকদের রাসায়নিক সার ও আমন বীজ দেওয়া হয়েছে। কৃষকদেরকে এক বিঘা জমির বিপরীতে জনপ্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি এমওপি ও ১০ কেজি ডিএপি সার দেওয়া হয়েছে।
    উপজেলার কৃষকরা অনেক স্বপ্ন নিয়ে তাদের জমিতে আমন ধান রোপণ করেছেন। বর্তমানে তাদের রোপণকৃত ধানগাছগুলো বড় হচ্ছে। এখন সবুজে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠগুলো। আর এই ধানের গাছ কৃষকদের মনে এনে দিয়েছে প্রশান্তি। পার্চিং সাধারণতঃ দুই প্রকারের হয়ে থাকে। ডেড পার্চিং ও লাইভ পার্চিং। মরা ডালপালা পুঁতে দিলে তা হবে ডেড পার্চিং আর জীবন্ত ধঞ্চের ডাল জমিতে পুঁতে দিলে তা হবে লাইভ পার্চিং। কৃষকরা তাদের আমনখেত ক্ষতিকারক পোকা থেকে রক্ষার জন্য বাঁশের আগা, বাঁশের কঞ্চি, গাছের ডাল এবং জীবন্ত ধঞ্চের ডাল পুঁতে বিভিন্ন পোকামাকড় থেকে ফসল রক্ষা করেছেন। এসব ব্যবহারে শালিক, বুলবুলি, ফিঙ্গেসহ বিভিন্ন ধরনের পোকাখাদক পাখি ক্ষেতের পার্চিংয়ের উপরে বসে। সেখান থেকে উড়ে উড়ে গিয়ে ক্ষতিকারক পোকা ও পোকার ডিম খেয়ে ফেলে। এর ফলে কীটনাশক ছাড়াই পোকার আক্রমণ থেকে ধানগাছগুলো রক্ষা পাচ্ছে। এছাড়া পরিবেশের সৌন্দর্যের পাশাপাশি ধান উৎপাদন বেড়ে যাচ্ছে কয়েকগুণ। উপজেলার কামারগাঁ ইউপির কৃষক মোবারক আলী ও আইয়ুব আলী জানান, এবার তাদের জমিতে ধান এখন সবুজ ও সতেজ হয়ে উঠেছে। তারা সম্পূর্ণ ক্ষেতে পার্চিং পদ্ধতি করেছেন।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ বলেন, ক্ষতিকর পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি খুব কার্যকর। এই পদ্ধতি কাজে লাগালে কীটনাশকের ব্যবহার কমে যায়। একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদন খরচ ও কম হয়। বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা যায়। প্রতিবছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে পার্চিং পদ্ধতির চাষ। #

  • দেশের মানুষকে দেখা মাত্রই গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা- জামায়তের নায়েবী আমীর

    দেশের মানুষকে দেখা মাত্রই গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা- জামায়তের নায়েবী আমীর

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবর রহমান বলেছেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরশাসক হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও পাশ্ববর্তী দেশে বসে তিনি একটার পর একটা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। তার কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না।

    শনিবার বিকেল ৩ টায় রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জামায়াতের রাজশাহী পশ্চিম জেলার সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, হাসিনা যেই গণহত্যা চালিয়েছে সেটা পৃথিবীর ইতিহাসের জঘন্যতম অপরাধ। তিনি নিজ দেশের মানুষকে দেখা মাত্রই গুলি করার নির্দেশ দিয়েছেন তা ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষেই শুধু সম্ভব। এজন্য তিনি এদেশের মানুষের কাছে আজীবন ঘৃণার পাত্র হিসেবে থাকবেন। পুলিশের বেতনভাতা হয় জনগণের টাকায়। কিন্তু সেই দলীয় পুলিশ জনগণের ওপর গুলি করে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে। যা কখনই কাম্য নয়। এটি ইতিহাসে জঘন্যতম কাজ। আওয়ামী লীগ তাদের শাসন আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের দলীয় লোকদের বসিয়েছে। তাই সেসব প্রতিষ্ঠানে নিরপেক্ষ লোক বসাতে হবে। না হলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে না।

    জামায়াতের রাজশাহী পশ্চিম জেলার আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল খালেকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,
    কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও অঞ্চল পরিচালক রাজশাহী, অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ড. মোহম্মদ ওবায়দুল্লাহ,
    প্রমুখ।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • জনগন দ্বারা নির্বাচিত সরকারই কেবল দেশে গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে পারে-তারেক রহমান

    জনগন দ্বারা নির্বাচিত সরকারই কেবল দেশে গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে পারে-তারেক রহমান

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগন দ্বারা নির্বাচিত সরকারই কেবল গনতন্ত্র ও দেশে উন্নয়নের নতুন ধারা সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, এই সরকারের প্রতি সেদিনও আমাদের সমর্থন ও আস্থা ছিল, আজও আছে। তবে এখানে একটি কিন্তু রয়েছে। তাদের প্রতি আমাদের আস্থাকে প্রশ্নহীন রাখার চ্যালেঞ্জ কিন্তু তাদেরকেই নিতে হবে। স্বৈরাচার পতনের এই মহা সময়ে দেশের গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল, ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমিক ও সর্বস্তরের মানুষের অবদানকে যদি আমরা মর্যাদা দিতে ব্যর্থ হই, তাহলে ১৬ বছরের স্বৈরাচারী হাসিনার গুম, খুন, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার জনতার অবদানকে যদি স্বীকৃতি দিতে না পারি, তাহলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না। তারেক রহমান আজ শনিবার (২৮ সেপ্টম্ব) ঝিনাইদহ পায়রা চত্বরে ফ্যাসিবাদী আন্দোলনে ঢাকায় নিহত ঝিনাইদহের সাব্বির ও প্রকৌশলী রাকিবুল হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিন এক বিরাট ভার্চুয়ালি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দানকালে এ কথা বলেন। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, সহ-তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, মীর রবিউল ইসলাম লাভলু, ব্যারিষ্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা ও মুন্সি কামাল আজাদ পাননু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। তারেক রহমান আরো বলেন, আমরা আজ এমন একটা পরিবেশে সমবেত হয়েছি যেখানে কারো কোন ভয় নেই। সকলে আমরা শংকামুক্ত পরিবেশে একত্রিত হয়ে কথা বলছে পারছি। আমরা আমাদের কথা বলার জন্য একই সাথে আমরা অন্যের কথা শোনবার জন্য একত্রিত হয়েছি। অথচ মাত্র ক’দিন আগেও এই দেশের মানুষ দলমত নির্বিশেষে কথা বলতে পারতো না। বিগত ১৬ বছর ধরে আমরা আমাদের কষ্টের কথাও স্বাধীন ভাবে বলতে পারতাম না। বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিল দেশের মানুষ। কি ভাবে বাংলাদেশের মানুষের অধিকারগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তাদের ন্যায্য অধিকার হরণ করা হয়েছিল। ঝিনাইদহ জেলায় জাতীয়তাবাদী দলের অনেক নেতাকর্মী আছেন যাদেরকে আমরা হারিয়েছি। মিরাজুল, দুলাল ও পলাশসহ বহু মানুষকে হারিয়েছি। ফ্যাসিষ্ট সরকার পতনেও এই জেলার মানুষ সাব্বির ও প্রকৌশলী রাকিবুল বুকের তাজা রক্ত দিয়েছে। দেশের মানুষ গত ৫ আগষ্ট এই স্বৈরাচার সরকারকে হটিয়েছে। জনগনের আন্দোলনের মুখে যে স্বৈরাচার জনগনের বুকের উপর চেপে বসেছিল, সেই স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এই কৃতিত্ব বাংলাদেশের সকল মানুষের কৃতিত্ব। আজকে যখন স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে, তখন দেশের জনগরে দাবী ছিল দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সৃষ্ট শুন্যতা পুরণের জন্য একটি নির্দলীয় তত্ত¡াবধায়ক সরকারের। গত ১৬ বছরে বিশেষ কত এই জুলাই-আগস্টে যে মানুষগুলো আন্দোলনে গিয়েছে, যে মানুষগুলো সবকিছু উজাড় করে দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছে, আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মেও জন্য জীবনবাজি রেখে যারা যুদ্ধ করেছে, তাদের এই আত্মত্যাগ সেদিনই সফলতা লাভ করবে, যেদিন এদেশের মানুষ নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পাবে। সেদিনই বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জিত হবে। সেদিন আমাদের এই আন্দোলনের শহিদদের, ৭১ এর শহিদদের এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে যারা শহিদ হয়েছেন এবং যারা বিভিন্ন ভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ সফলতা লাভ করবে। আজ আমাদের সেই প্রতিজ্ঞা নিতে হবে, বাংলাদেশকে ফিরিয়ে আনতে হবে একটি স্বাভাবিক মঞ্চে। যা দেশের মানুষ প্রত্যাশা করে। দলমত নির্বিশেষে নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা প্রত্যাশা করে। প্রতিটি শিশু, প্রতিটি শিক্ষার্থী নিরাপত্তা ও শিক্ষাগ্রহণের যে গ্যারান্টি চায়, প্রতিটি কৃষক তাদের অবদানের যে স্বীকৃতি চায়, এই সকল কিছু সরকার গঠনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সকলকিছু প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তারেক রহমান দুর্যোগপুর্ন আবহাওয়া উপেক্ষা করে তার বক্তব্য শোনার জন্য ঝিনাইদহের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, আসুন, আমরা আন্দোলন করে, সংগ্রাম করে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছি। আমরা জনগণের প্রত্যাশা পুরনে কাজ করি। আসুন আমরা বৈষম্যহীন সুখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হই। তারেক রহমান বিকাল ৪.৪০টার দিকে ভার্চুয়াল সমাবেশে যুক্ত হয়ে ১১ মিনিট বক্তব্য রাখেন। ১৬ বছর পর আয়োজিত বিএনপির এই সমাবেশটি গনবিস্ফোরণে রুপ নেয়।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • মহেশপুরে ৩৫ কোটি টাকার  ভারতীয় মাদকদ্রব্য ধ্বংস

    মহেশপুরে ৩৫ কোটি টাকার ভারতীয় মাদকদ্রব্য ধ্বংস

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৫ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে মহেশপুরের খালিশপুর ৫৮ বিজিবি। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) খালিশপুর ৫৮ বিজিবির সদর দপ্তরে এই বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। মাদকদ্রব্য ধ্বংস অনুষ্ঠানে বিজিবি’র কুষ্টিয়া সেক্টর সদর দপ্তরের কমান্ডার কর্ণেল মারুফুল আবেদীন, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলার দুইজন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মহেশপুরে ৫৮ বিজিবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৩ সালের ১৪ মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৫ কোটি টাকা মুল্যের ১২ হাজার ৪’ ৬৩ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল, ১৩ বোতল সিরাপ, ৪৯ হাজার ৮০ বোতল মদ, ৭৬ কেজি গাজা ও ৮’শ ৭১ পিচ ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট ধ্বংস করা হয়। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সমাবেশে সীমান্ত এলাকায় মাদক বিরোধী কার্যক্রম ও প্রচারণার উদ্বোধন করা হয়।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • বানারীপাড়ায় ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সঃ) উপলক্ষে শিশুদের কোরআন তেলোয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সঃ) উপলক্ষে শিশুদের কোরআন তেলোয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া (বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সঃ) উপলক্ষে শিশুদের কোরআন তেলোয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাদ আসর পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে আর-রহমান জামে মসজিদে এ কোরআন তেলোয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ মাগরিব থেকে এশার নামাজের পূর্ব পর্যন্ত ঈদ-ই মিলাদুন্নবীর (সঃ) আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বানারীপাড়া বন্দর বাজার জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা নুরে নুহু। বিশেষ অতিথি ছিলেন আর-রহমান জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা
    আরিফুর রহমান শামীম। বাদ এশা দোয়া- মিলাদের পূর্বে প্রধান অতিথি হাফেজ মাওলানা নুরে নুহু কোরআন তেলোয়াত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিশু শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান সাদ,রেদোয়ানুল ইসলাম রাফি , নাইমুর রহমান, ফারহান ও সাজিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। আর- রহমান মসজিদের সভাপতি ও বন্দর বাজারের ব্যবসায়ী হাফেজ মোঃ হাসান মোল্লা ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সঃ) উপলক্ষে এ আয়োজন করেন। এতে স্থানীয় বিশিষ্টজনসহ নানা বয়সের সর্বস্তরের মুসুল্লীরা অংশগ্রহণ করেন।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

  • র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে অভিনব কায়দায় বালির ট্রাকে মাদকদ্রব্য পরিবহনকালে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও ট্রাক জব্দ।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় এবং র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ বিকাল ০৩.৪৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকষ আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন রানীনগর সাকিনস্থ মের্সাস বোয়ালিয়া ফিলিং স্টেশন এর সামনে সিরাজগঞ্জ হতে পাবনাগামী মহাসড়কের উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদকদ্রব্য গাঁজা বহন ও ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০১টি ট্রাক, ০২ টি মোবাইল ফোন ও নগদ ২৭,০০০/- টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামিগণ ১। মোঃ আতিকুল ইসলাম (৪২), পিতা-মৃতঃ কালু শেখ, সাং-দক্ষিণ বারইপাড়া, ২। মোঃ লিটন মিয়া (২০), পিতা-মোঃ মায়ানুর রহমান, সাং-কেতকিবাড়ী, ৩। মোঃ জামিল ইসলাম (১৯), পিতা-মোঃ ইসমাইল হোসেন, সাং-কেতকিবাড়ী, সর্ব থানা-হাতিবান্ধা, জেলা-লালমনিরহাট।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিগণ দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে ট্রাক যোগে মাদকদ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিগণের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক, অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

  • নড়াইলে সেনাবাহিনীর সফল অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৫

    নড়াইলে সেনাবাহিনীর সফল অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৫

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইল সদরে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধের জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ পাঁচ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মাইকিং করে সদরের গোবরা বাজার এলাকায় উজ্জ্বল চেয়ারম্যান গ্রুপ ও নিউটন গ্রুপ সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
    নড়াইল সদর থানার তদন্ত পরিদর্শক মো. সাজেদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
    গ্রেফতার অভিযুক্তরা হলেন: নড়াইল সদরের গোবরা গ্রামের মৃত মুরাদ শেখের ছেলে ইকবাল শেখ (৫০), ইউনুস সরদারের ছেলে ইয়াসিন সরদার (২০), ইখতিয়ার মোল্যার ছেলে মিনহাজ মোল্যা (১৮), খায়রুল ইসলামের ছেলে আকাশ শেখ (১৯) এবং সদরের সোবারঘোপ এলাকার এনামুল শেখের ছেলে মাছুম শেখ (১৮)।
    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নড়াইল সদরের গোবরা বাজার এলাকায় সিংগা শোলপুর ইউনিয়নের সাবেক আলোচিত চেয়ারম্যান উজ্জ্বল শেখ ও নিউটন গাজীর মধ্যে এলাকার আধিপত্য বিস্তারের জেরে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। বিরোধের জেরে শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিক গোবরা বাজার এলাকায় দুপক্ষ সমর্থিতরা সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। তাৎক্ষণিক খবরে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত দুই দলকে ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় সোলায়মান শেখ ও মোহাম্মদ তুহিন নামের আহত দুজনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। অভিযানে বিপুল সংখ্যক দেশীয়, রামদা, ছুরি, সড়কি, বল্লম, লোহার রড জব্দ করে পাঁচ অভিযুক্তকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। পরে জব্দ করা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ তাদের নড়াইল সদর থানায় হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী।

    আরও জানা যায়, দুই পক্ষের অভিযুক্ত দলনেতা সাবেক চেয়ারম্যান উজ্জ্বল শেখ ও নিউটন গাজীর বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় বেশ কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে।

  • ঝিনাইদহে আজ তারেক রহমানের ভার্চুয়ালি সমাবেশ

    ঝিনাইদহে আজ তারেক রহমানের ভার্চুয়ালি সমাবেশ

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ১৬ বছর পর ঝিনাইদহে বিএনপির বড় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আজ শনিবার (২৮ সেপ্টম্বর) বিকাল ৩টায় শহরের পায়রা চত্বরে এই সমাবেশের আয়োজন করেছে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি। ছাত্র জনতার আন্দোলনের সময় ফ্যাসিবাদী শক্তি পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পেটোয়া বাহিনীর নির্বিচারে গুলির মুখে ঢাকায় নিহত ঝিনাইদহের সাব্বির ও প্রকৌশলী রাকিব হত্যার প্রতিবাদে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সমাবেশে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, সহ-তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল বক্তব্য রাখবেন। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড এম এ মজিদ সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়ে জানান, আজকের (শনিবার ২৮ সেপ্টম্বর) সমাবেশ সফল করতে তারা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। সমাবেশকে ঘিরে গোটা ঝিনাইদহ জেলাসহ গোটা দক্ষিনাঞ্চলে নেতাকর্মদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে। তিনি বলেন, খুন গুমের রাণী শেখ হাসিনা সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে বিএনপি ঝিনাইদহে বড় কোন সমাবেশ করতে পারেনি। সমাবেশ করতে গেলেই পুলিশ ও দলীয় সন্ত্রাসী দিয়ে পন্ড করে দেওয়া হয়েছে। নেতাকর্মীদের সমাবেশ থেকে গ্রেফতার করে জেলে ঢোকানো হয়েছে। দুঃশাসনের প্রতিবাদ করে প্রায় ৩০ জন বিচার বহির্ভুত হত্যার শিকার হয়েছেন। ১১ হাজার নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ঘরছাড়া করেছে। অনেকেই হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনে পিষ্ট হয়ে সম্পদ ও সংসার হারিয়েছেন। তাই মুক্ত পরিবেশে বিএনপির আজকের এই সমাবেশ বিএনপির লাখো কর্মীদের কাছে বেঁচে থাকার একটি উজ্জীবনী বার্তা ও নতুন করে লড়াই সংগ্রাম করার প্রেরণা যোগাবে বলে বিএনপি সভাপতি এম এ মজিদ মনে করেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • চাপারহাটে পিঁড়িতে বসে চুল-দাঁড়ি কাঁটে না মানুষ 

    চাপারহাটে পিঁড়িতে বসে চুল-দাঁড়ি কাঁটে না মানুষ 

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    মানুষ স্বভাবগতই সুন্দরের পূজারী।চুল দাড়ি মানুষের সৌন্দর্য বহন করে। এই চুল- দাঁড়ি নিয়ে যুগে যুগে মানুষের ভাবনার অন্ত নেই। এই কারণেই ‘নরসুন্দরদের’ কদর ও প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। চুল-দাঁড়ি কেটে মানুষকে দেখতে সুন্দর করাই যাদের কাজ তারাই হলেন ‘নরসুন্দর’। যারা আমাদের কাছে নাপিত হিসেবেও পরিচিত। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় হরিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।

    আধুনিক সভ্যতার ক্রমবিবর্তনের ফলে আজ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গতিধারায় এসেছে পরিবর্তন, লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া, আধুনিক সভ্যতায় গড়ে উঠেছে আধুনিক মানের সেলুন। কদর বেশি হওয়ায় অনেকেই ঝুঁকছেন সেই সব সেলুনগুলোর দিকেই। এখনো হাট-বাজারে, গ্রামগঞ্জের পিঁড়িতে বা খাটে বসে চুল-দাঁড়ি কাঁটে ‘নরসুন্দরেরা’ হাঁটুর নিচে মাথা পেতে আবহমান বাংলার মানুষের চুল-দাঁড়ি কাটার রীতি চলে গেছে আসলেও সেই আদি পরিচিত দৃশ্য এখন আর সচরাচর চোখে পড়ে না। 

    হারানোর পথে আবহমান কাল ধরে চলে আসা এই গ্রামীণ ঐতিহ্য।লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা অনেক হাট-বাজারে এখনো মাঝে মধ্যে চোখে পড়ে চীর চেনা এই দৃশ্য শিমিত । অল্প খরচের কথা মাথায় রেখে এখনো তাঁদের কাছে অনেকেই চুল-দাঁড়ি কাটাতে অনেকে।

    কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের সতীরপাড় গ্রামের বাসিন্দা মৃত প্রফুল্ল শীল, বংশ পরিক্রমায় হয়েছেন নরসুন্দর। দীর্ঘ দিন ধরে এ পেশায় ছিলেন । উপজেলার চাপারহাট সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে কাজ করতে তিনি। তার মৃত্যুর পর বাপ-দাদার এ পেশা ধরে রাখার মতো তার বংশে তার  ছেলে প্রদীব কুমার শীল আছে। 

    প্রদীব কুমার শীল, জানান,অনেক আগে আমার বাবার চুল কাটা বাবদ দিতে হতো। হাটে বাজারে মানুষের সাথে চলা ফেরার জন্য বাদ দিতে পারে নাই। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন বাবা চুল কাটতো ৩টাকা আর দাঁড়ি কাটার জন্য ২ টাকা। সে সময় যা আয় হতো তা দিয়ে সংসার ভালোভাবেই চলতো। কিন্তু বর্তমানে ৪০ টাকায় চুল ও ৩০ টাকা দাঁড়ি কেটেও সারা দিন যে টাকা উপার্জন হয় তা দিয়ে সাংসারিক ব্যয় নির্বাহ করতে আমার হিমশিম খেতে হয়।

    হযরত আলী,নামে এক ব্যক্তি জানান,এখনতো উপজেলার হাট বাজারে  অনেক আধুনিক সেলুন আছে।কিন্তু যখনই বাজারে যাই ও-ই চুল কাটা দেখলে ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যায়।চিরচেনা পিঁড়িতে বা খাটে বসে চুল-দাঁড়ি কাঁটে ‘নরসুন্দরেরা’ হাঁটুর নিচে মাথা পেতে চুল-দাঁড়ি কাটার এ-ই দৃশ্য ছোটবেলায় স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। আরো জানান,আমরা এখনোm এ দৃশ্য নিজের চোখে দেখলেও, এমন একটা সময় আসবে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই দৃশ্য গল্পই মনে হবে।

    হাসমত উল্লাহ ।।