Blog

  • রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন শরিফ উদ্দিন

    রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন শরিফ উদ্দিন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    ত্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
    রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে সব জল্পনা-কল্পনা ও বগী আওয়াজের অবসান ঘটিয়ে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন। তিনি বিএনপির সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান ও ডাকমন্ত্রী প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের সহোদর ছোট ভাই।
    এদিকে মনোনয়ন ঘোষণার পর পরই উপজেলা বিএনপির নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃস্টি হয়েছে, বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।এই জনপদের মানুষের প্রাণের একটাই দাবি ছিল সেটা প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক পরিবার থেকে প্রার্থী দেয়া। শরিফ উদ্দিনের মাধ্যমে সেটা পুরুণ হলো। এতে তারা বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
    এদিকে নীতিনির্ধারণী মহলের নির্দেশনা থাকায় কোথাও কোনো উল্লাস, আনন্দ মিছিল বা মিষ্টি বিতরণ করা হয়নি। স্থানীয় নেতাকর্মীরা একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগী ও কুশল বিনিময় করছেন।
    তানোর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার বলেন, স্থায়ী কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিনের নাম ঘোষণা করেন। কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন ঘোষণার পরপরই নেতাকর্মীদের কোথাও কোনো মিষ্টি বিতরণ বা জনবহুল মোড়ে উল্লাস করতে নিষেধ করা হয়েছে।তিনি বলেন,মনোনয়ন যে কেউ চাইতে পারে, তবে এখন আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। এবিষয়ে তানোর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক মন্ডল বলেন, এ মনোনয়ন তানোর-গোদাগাড়ী মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের মনোনয়ন। ব্যারিস্টার আমিনুল হক পরিবার বিএনপি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমাদের দেশনায়ক, বিএনপির (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ কথা প্রমাণ করেছেন।এখন সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় ঘটাতে কাজ করতে হবে। এবিষয়ে বাধাইড় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান হেনা বলেন, শরিফ উদ্দিনকে মনোনয়ন দেয়া এই জনপদের মানুষের আশা-আকঙ্খার প্রতি ফলন ঘটেছে। তিনি বলেন, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ।এবিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোতালেব হোসেন বলেন,তানোর-গোদাগাড়ীর মানুষের একটি আশা পুরুন হয়েছে।তিনি বলেন,আমরা দেশের মধ্যে সব চাইতে বেশী ভোটের ব্যবধানে মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনকে বিজয়ী করতে চাই।তিনি বলেন,বিএনপি সরকার গঠন করবে এবং মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনকে মন্ত্রীসভায় দেখতে পাবো ইনশাল্লাহ।

  • ঠাকুরগাঁওয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে  বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির তিন প্রার্থী চুড়ান্ত

    ঠাকুরগাঁওয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির তিন প্রার্থী চুড়ান্ত

    ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
    ঠাকুরগাঁওয়ে “কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিস্ট দু:শাসনের পুনরাবৃত্তি ও উগ্র সাম্প্রদায়িক ডানপন্থী গোষ্ঠীর আস্ফালন রুখতে গণমানুষের ঐক্য ও সংগ্রাম এগিয়ে নিন,বামপন্থী-গণতান্ত্রীক সরকার গঠন করুন” প্রতিপাদ্য কে ধারণ করে ১৪ নভেম্বর জাতীয় সমাবেশ সফল করতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি’র) জেলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মঙ্গলবার উদীচী কার্যালয়ে জেলা কমিটির সভাপতি ইয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সভায় এ সময় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিপিবির ঠাকুরগাঁও জেলার তিনটি আসনের প্রার্থী চুড়ান্ত করা হয়।প্রার্থীরা হলেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড ইয়াকুব আলী, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে হরিপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সাহাব উদ্দিন আহমেদ এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে পীরগঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি প্রভাত সমীর শাহজাহান আলম।ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ সফল করতে কেন্দ্রীয় নিদর্শনার বিভিন্ন এজেন্ডা তুলে ধরা হয় এবং তা বাস্তবায়নে জেলা,উপজেলা ও শাখায় দ্বায়িত্ব বন্টন করা হয়। বিষয়টি চুড়ান্ত করেছে ঠাকুরগাঁও জেলা সিপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু সায়েম।

  • ময়মনসিংহে বড় মসজিদ -মাদ্রাসার শিক্ষকের উপর হাম-লার প্র-তিবাদে বিক্ষো-ভ মিছিল ও স্মারক লিপি প্রদান

    ময়মনসিংহে বড় মসজিদ -মাদ্রাসার শিক্ষকের উপর হাম-লার প্র-তিবাদে বিক্ষো-ভ মিছিল ও স্মারক লিপি প্রদান

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহে জামিয়া ফয়জুর রহমান বড় মসজিদ ও মাদরাসার মোহতামিম মাওলানা আব্দুল হকের বহিষ্কার ও মাদ্রাসার হিফয বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ মুহাঃ শহিদুল ইসলামের উপর একের পর এক হামলার বিচারের দাবিতে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামিয়া ফয়জুর রহমান বড় মসজিদ ও মাদরাসার শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। একই দিনে তারা দোষীদের দৃষ্টান্ত মোলক শাস্তির দাবী জানিয়ে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে স্মারক লিপি প্রদান করেন।

    সোমবার (৩রা নভেম্বর ) বড় মসজিদ মোমেনশাহীর সর্বস্তরের মুসল্লীদের ব্যানারে আয়োজিত এই প্রতিবাদ মিছিলে মসজিদের মুসল্লীসহ বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা অংশ গ্রহণ করে। এসময় বিক্ষোভ মিছিলকারীরা বড় মসজিদ- মাদরাসার মোহতামিম মাওলানা আব্দুল হকের বহিষ্কার,হামলাকারীদের বিচারসহ নানান শ্লোগানে মেতে উঠেন। তাদের দাবি হচ্ছে মাওলানা আব্দুল হককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা এবং শিক্ষক শহিদুল ইসলামের উপর হামলার বিচার করা।

    এর আগে ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ফয়জুর রহমান বড় মসজিদ মাদ্রাসায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরী হলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মো. শহীদুল ইসলাম (৪৭) মারাত্মকভাবে আহত হন।

    এসময় তারা ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ফয়জুর রহমান বড় মসজিদ ও মাদরাসার মোহতামিম
    মাওলানা আব্দুল হকের আধিপত্যবাদ এবং পরিবারতন্ত্রে জিম্মি হয়ে পড়েছে ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ফয়জুর রহমান বড় মসজিদ ও মাদরাসা এমন অভিযোগ করে বলেন একটা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমন স্বেচ্ছাচারীতা ও পরিবারতন্ত্র চলতে পারেনা। তাই এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদ করায় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের দিয়ে হামলা, অবরুদ্ধ করে শিক্ষককের ওপর আঘাত, জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা, প্রশাসন নিয়ে কটুক্তিসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে মোহতামিম আব্দুল হক। তারা তার এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ শিক্ষক শহিদুল ইসলামের উপর হামলাকাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মোলক শাস্তি দাবী করেন। তারা বলেন-প্রশাসন যদি এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয় তাহলে তারা যতদিন এসব হামলাকারীদের বিচার না হবে ততদিন পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

    আন্দোলনকারী এক শিক্ষক বলেন, বড় মসজিদ মাদ্রাসাটিকে পরিবারতন্ত্র থেকে রক্ষা করতে মাদ্রাসার শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন তারা। এটি তাদের ন্যায্য এবং যৌক্তিক অধিকার। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, বড় মসজিদ মাদ্রাসার মোহতামিম আব্দুল হক এর স্বেচ্ছাচারিতার কারণে এখন পর্যন্ত তাদের এ দাবিটি পুরণ হয়নি। অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করা প্রত্যেক নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু এর পরিবর্তে স্বৈরাচারী কায়দায় শিক্ষকদের ওপর মাদ্রাসার ছাত্র নামক কিছু সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে শিক্ষকদের উপর হামলা চালানো হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তারা এই নির্মম ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং দাবি জানান, শিক্ষকদের এ যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক এবং তাদের প্রতি এমন অমানবিক আচরণ বন্ধ করা হোক।

  • ‎সংবাদ প্রকাশের পর ডালারপাড়ে অ-বৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অবস্থানে উপজেলা প্রশাসনসহ নৌপুলিশ ‎

    ‎সংবাদ প্রকাশের পর ডালারপাড়ে অ-বৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অবস্থানে উপজেলা প্রশাসনসহ নৌপুলিশ ‎

    ‎কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    ‎জাতীয় দৈনিক সকালের সময় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশপর ডালারপাড়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অবস্থানে উপজেলা প্রশাসনসহ নৌ-পুলিশ। সুনামগঞ্জ তাহিরপুর উপজেলার জাদুকাটা নদীর ডালার পাড় গ্রামে  রাতের আধারে চলে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন।   নদীর পাড়কেটে বালু উত্তোলন করে কৃত্রিম নদী বানাচ্ছে  জামাল ও নয়ন। এই সংবাদ প্রকাশের  পর জোড়ালো অবস্থানে অভিযানে নেমেছেন তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসনসহ নৌপুলিশ সদস্যরা। জানা যায় যাদুকাটা নদীর তীরে অবস্থিত ডালার পাড় গ্রাম, যেখানে মাস খানেক ধরে চলছে অবৈধভাবে সেভ মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন। এই বিষয়টি জানার পর জাতীয় দৈনিক সকালের সময় পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের পর তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে   রবিবার রাতবর যাদুকাটার ডালার পাড় গ্রামে অবৈধভাবে সেভ মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ  করতে জোড়ালো অভিযান পরিচালনা করেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাশাপাশি  বিজিবির অভিযানে জব্দ করা হয় অনেক গুলি বোমা মেশিন । অভিযানের  খবর পেয়ে  বালু উত্তোলনকারী জামাল ও নয়ন (জামাই শশুর) মিলে শুরু করে চোর পুলিশ খেলা। অন্যদিকে ডালারপাড়ে বসানো হয়েছে নৌ- পুলিশের জোড়ালো অবস্থান।
    ‎জানা যায় তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর পার্শ্ববর্তী ডালারপাড় গ্রামের বাসিন্দা  বিল্লাল মিয়ার বাড়ির পিছনে যাদুকাটা নদীর তীরে প্রতিনিয়ত রাতের আধাঁরে অবৈধ ভাবে ইজারা বিহীন  বনও খনিজ মন্ত্রণালয়ের জায়গা থেকে কোটি কোটি  টাকার  বালু উত্তোলন করে নিয়ে  যাচ্ছে এই জামাই শশুরের চক্র। 
    ‎তারা হলেন ডালার পাড় গ্রামের বাসিন্দা মৃত ইশু মিয়ার ছেলে জামাল উদ্দিন এবং তার মেয়ের জামাই নয়ন মিয়া। যাদের নেতৃত্বে পাড়কেটে ডালারপাড়  গ্রামের ভিতর দিয়ে কৃত্রিম নদী বানানো হচ্ছে ?  যা এলাকার গ্রামবাসীর বাড়িঘর, রাস্তাঘাট নদীর গর্ভে বিলিনের পথে।  শতশত বাড়ি ঘর রয়েছে নদীর স্রুতের মুখে?  অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে জামাই শশুর মিলে ডালার পাড় গ্রামকে বানাচ্ছে কৃত্রিম নদী । আর এসব কিছু চলছে তাহিরপুর থানা পুলিশের চোখের সামনে?   এতে করে হুমকির মুখে পড়েছে প্রায় চার হাজার মানুষের বাড়িঘর। রাত ৩টা থেকে ভোর সকাল ৮ টা পর্যন্ত চলে অবৈধ বালু উত্তোলন। এই সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর কঠোরভাবে নদীর পাড়কাটা বন্ধ করতে অভিযানে নামেন উপজেলা প্রশাসন ও নৌপুলিশ। জানা যায় যাদুকাটা নদীর ডালার পাড়ে নিয়মিত নৌপুলিশের কঠোর অবস্থান রয়েছে।
    ‎এব্যাপারে সুনামগঞ্জ  নৌ -পুলিশ পাড়ির এস জাহাঙ্গীর জানান আমরা জাতীয় দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি ডালারপাড় গ্রামে একটি বালু খেঁকো চক্র নদীর তীরে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করে একটি কৃত্রিম নদী বানানোর চেষ্টা করছে।  এই খবর পেয়ে আমাদের নৌ-পুলিশ, ডালারপাড় গ্রামে ২৪ ঘন্টা অবস্থানে রয়েছি, যদি কোন ব্যাক্তি বালু উত্তোলনের চেষ্টা করে সাথে সাথে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এবং জামাই শশুর যেই হোক না কেনো জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
    ‎এব্যপারে তাহিরপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল হাসেম জানান অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ডালার পাড়ের বিষয়টি নিয়ে আমাদের উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। ##

  • হবিগঞ্জ পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর অবনী দাশ ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে জমি বিক্রির নামে প্র-তারণা

    হবিগঞ্জ পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর অবনী দাশ ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে জমি বিক্রির নামে প্র-তারণা

    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি  : হবিগঞ্জ পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর অবনী কুমার দাশ ও তার ছোট ভাই বিনয় কুমার দাশ-এর বিরুদ্ধে জমি-বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলার আব্দুল্লাহপুর মৌজার ৬০ শতক বোরো জমি বিক্রির নামে একাধিকবার টাকা নেওয়ার পরও রেজিস্ট্রি না করে দিয়ে  ঘুরিয়ে সময় ক্ষেপন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতা হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের অফিস সহকারী নিশিকান্ত দাশ।

    অভিযোগে জানা যায়, প্রেসক্লাবের অফিস সহকারী নিশিকান্ত দাশ ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর তারিখে অবনী কুমার দাশ ও বিনয় কুমার দাশের কাছ থেকে ৬০ শতক বোরো জমি ক্রয় করেন। জমিটির অবস্থান হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আব্দুল্লাহপুর মৌজার জে.এল. নং ৪১, ডি.পি. ২৬৮, এস.এ. দাগ ৭২২ ও ৯২৫, আর.এস. দাগ ৭৩০ ও ৯৩৯ নম্বরে।

    ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৬ লাখ টাকা, যার মধ্যে প্রথমে ৪ লাখ টাকা পরিশোধের পর স্ট্যাম্পের মাধ্যমে দখল হস্তান্তর করা হয়। পরে অনুরোধ করে ১৫ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রি করে দেয়ার নামে ২৪-১২-২৪ ইং তারিখে আরও ১ লাখ টাকা একইভাবে নেন।

    চুক্তি অনুযায়ী রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করে বাকি ১ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও, আজ অবধি তারা রেজিস্ট্রি করে দেননি।

    গত দুই বছর ধরে ক্রেতা নিশিকান্ত দাশ বারবার রেজিস্ট্রি সম্পন্নের অনুরোধ জানালেও, অবনী ও বিনয় দাশ বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করছেন। স্থানীয়ভাবে মুরুব্বিদের মাধ্যমে সালিশের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাতেও কোনো সমাধান হয়নি। বরং অভিযোগ রয়েছে, পৌরসভার কর্মকর্তা অবনী দাশ নিজের প্রভাব খাটিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

    নিশিকান্ত দাশ আরও জানান , “অবনী দাশ এখন বলছেন, ৬০ শতকের জায়গার মধ্যে ৫০ শতক দেবেন, বাকি ১০ শতক দেবেন না। তিনি পৌরসভার চাকরির প্রভাব দেখিয়ে তাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এতে নিরাপত্তাহীনতায় আছেন নিশিকান্ত দাশ। 

    এ বিষয়ে অবনীর ছোট ভাই বিনয় কুমার দাশ বলেন, “সব কিছু আমার ভাই অবনী দাশ জানেন।”

    অন্যদিকে অবনী দাশের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ পৌরসভায় চাকরির সুবাদে বিভিন্ন অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে একাধিকবার পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও প্রশাসনিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

    সচেতন মহলের প্রশ্ন, একজন পৌর কর্মকর্তা সরকারি চাকরির প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ নাগরিকের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। 

    ভুক্তভোগী নিশিকান্ত দাশ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও প্রতারণার বিচার দাবি করেছেন

    সৈয়দ মশিউর রহমান 
    হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।

  • মুকসুদপুরে নবাগত কৃষি অফিসারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুকসুদপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের নে-তৃবৃন্দ

    মুকসুদপুরে নবাগত কৃষি অফিসারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুকসুদপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের নে-তৃবৃন্দ

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় সদ্যযোগদানকারী উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মিজানুর রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সাপ্তাহিক মধুমতি কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও মুকসুদপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শহিদুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরিফুল রোমান।

    সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ে নবাগত কৃষি অফিসার মোঃ মিজানুর রহমানকে নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    এ সময় সাপ্তাহিক মধুমতি কণ্ঠ পত্রিকার মানবিক সম্পাদক ও মুকসুদপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শহিদুল ইসলাম নবাগত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে উপজেলার সকল শ্রেণি-পেশার সাধারণ কৃষক ও সেবা গ্রহীতারা যেন মাঠ পর্যায়ে যথাযথ সেবা ও কৃষি সংক্রান্তে সঠিক পরামর্শ পাবেন এমনটি প্রত্যাশা করেন এবং তার সংগঠনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    নবাগত উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান সততা ও নিষ্ঠার সাথে সেবা গ্রহীতাদেরকে তার দপ্তর থেকে কৃষি সংক্রান্তে সরকার প্রদত্ত সকল ধরনের সেবা আন্তরিকতার সাথে প্রদানের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

  • গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় মুমতাজ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংব-র্ধনা প্রদান

    গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় মুমতাজ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংব-র্ধনা প্রদান

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জে ২০২৫ সনে দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় মুমতাজ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ “স্বচ্ছতা’য় আয়োজিত ব্যতিক্রমধর্মী এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্মসচিব) মুহম্মদ কামরুজ্জামান।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত পাঠ করেন গোপালগঞ্জ মডেল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা ওলি উল্লাহ।

    গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ কোর্ট মসজিদ মাদ্রাসার মুহতামিম ও জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি হাফিজুর রহমান, কোটালীপাড়া উপজেলার কুরপালা মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস. এম. তারেক সুলতান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) ও গোপালগঞ্জ পৌর প্রশাসক বিশ্বজিত কুমার পাল।

    আমন্ত্রিত অতিথিগণ গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সর্বপ্রথম মহতি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান সহ জেলা প্রশাসনের সকলকে অভিনন্দন জানান। এ সময় গোপালগঞ্জ কোর্ট মাদ্রাসার মুহতামিম ও জামে মসজিদের ইমাম মুফতি হাফিজুর রহমান বলেন, বিগত ৩৪ বছর যাবত আমি গোপালগঞ্জে বসবাস করছি কিন্তু দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় মুমতাজ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদেরকে ইতোপূর্বে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন সংবর্ধনা দেওয়া হয়নি। বর্তমান জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে এবছর তাদেরকে সংবর্ধিত করায় তিনি জেলা প্রশাসক সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সাধুবাদ জানান এবং এ ধারা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।

    অনুষ্ঠানের সভাপতি জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহম্মদ কামরুজ্জামান অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় সকলের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তার বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামীতে দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় মুমতাজ প্রাপ্তির সংখ্যা যেন অবশ্যই বৃদ্ধি পায় আর মুমতাজ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদানের এ ধারা যেন অব্যাহত থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।
    এছাড়াও তিনি গোপালগঞ্জ মুসলিম এতিমখানার সামনে নান্দনিক ক্যালিওগ্রাফি নির্মাণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান। পরে তিনি আমন্ত্রিত অতিথিদেরকে সাথে নিয়ে মুমতাজ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।

    এ সময় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এম রকিবুল হাসান,
    এনডিসি অনিরুদ্ধ দেব রায়, সরকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আতাউর রহমান, ভবানীপুর মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আঃ কাদের ও মুহাদ্দিস মাওলানা আহমেদ উল্লাহ, কাজুলিয়া মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কালাম, নিলাহ মাঠ মাদ্রাসার মুহতামিম ও মেসার্স মাওলানা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মাওলানা ফখরুল আলম, দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় মুমতাজ প্রাপ্ত ৯ জন কৃতি শিক্ষার্থী- শিক্ষক ও অভিভাবকগণ সহ জেলায় বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা দ-খল করে দোকান নির্মাণ- দু-র্ভোগে ১৫ টি পরিবার

    টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা দ-খল করে দোকান নির্মাণ- দু-র্ভোগে ১৫ টি পরিবার

    খলিলুর রহমান খলিল নিজস্ব প্রতিনিধ:
    নীলফামারীতে পঞ্চাশ বছরের পুরোনো একমাত্র চলাচলের রাস্তা দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে সেতু নামে স্থানীয় এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। এতে সদর উপজেলার চড়াইখোলা ইউনিয়নের নগর দাড়োয়ানী টেক্সটাইল কবিরাজ পাড়া গ্রামের ১৫টি পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তারা বাজার, স্কুল, মসজিদ ও হাসপাতালে যাতায়াত করে আসছিলেন। কিন্তু রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় পুরো গ্রাম প্রায় অবরুদ্ধ। বিষয়টি নিয়ে তারা চড়াইখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে অভিযোগের পরও কোনো ব্যবস্থা নেয় নি তারা।

    ভুক্তভোগী আঞ্জুয়ারা সুমি বলেন, “আমরা প্রায় ৫০ বছর ধরে এই রাস্তায় চলাচল করছি। এখন সেতু দোকান তুলে পুরো পথ বন্ধ করে দিয়েছে। রাস্তাটা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে কষ্ট হচ্ছে।”

    রুবি বেগম বলেন, “বাড়ি থেকে বাজারে যেতে এখন অনেক দূর ঘুরে যেতে হয়। বৃদ্ধ মানুষদের জন্য এটা অনেক কষ্টকর।”

    শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার বলেন, “রাস্তায় দোকান উঠায় স্কুলে যেতে অনেক দেরি হয়। ক্লাসও মিস করি।” নয়ন ইসলাম বলেন, “আমরা খেলাধুলা বা পড়াশোনার কাজে বাইরে যেতে পারি না, কারণ রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ।”

    এদিকে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সেতু বলেন,“তারা এখন পর্যন্ত আমাদের জমিতে বসবাস করতেছে। আমরা তাদের রাস্তা দিয়েছি, থাকার জমি দিয়েছি। তাদের এখন ওই রাস্তা দিয়ে চলতে দূর হয় নাকি। তারা যে অভিযোগ করছে তা সত্য নয়। তাদের চলাচলের রাস্তা রয়েছে।”

    এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন,“বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।”

  • বরগুনার তালতলীতে বিদ্যালয়ের জমি দ-খলের পাঁ-য়তারার অ-ভিযোগ

    বরগুনার তালতলীতে বিদ্যালয়ের জমি দ-খলের পাঁ-য়তারার অ-ভিযোগ

    মংচিন থান
    তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের আমখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬০ শতাংশ জমি থেকে মসজিদ ও কবরস্থানের জন্য ৩০ শতাংশ জমি দখলে নেওয়ার পাঁয়তারার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (০৩ নভেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে ‘তালতলী প্রেসক্লাবে’ এ সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের আমখোলা এলাকার বাসিন্দা মোঃ জালাল উদ্দিন।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোঃ জালাল উদ্দিন বলেন, ‘আমার ভাই মোঃ গিয়াসউদ্দিন উপজেলার ৪২ নং বড় নিশানবাড়ীয়া মৌজায় হাল ২০৫ নং খতিয়ানে খেপুপাড়া সাব রেজিস্ট্রী অফিসের ২৬-০৮-১৯৬৪ ইং তারিখে ২২৩৬ নং সাফ বিক্রয় কবলা রেজিষ্ট্রি লীল মূল ১.০০ একর ভূমির মালিক হইয়া বিশ্ব ব্যাংকের ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ECRRP-২০০৭ ক্রমিক নং ০১ অনুকলে মার্চ ২০১৫ অর্থায়নে এল.জি.ই.ডি মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ‘আমখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র’ অপশন -০৩ টাইপে ভবন নির্মানের জন্য হাল ৫৪৬৫ নং দাগে ৫৪ শতাংশ এবং ৫৪৬৮ নং দাগে ৬ শতাংশ মোট ৬০ শতাংশ জামির দখল বুজিয়ে দেয়। এরপর প্রকল্প পরিচালকের অনুমোদনে ভবন নির্মিত হয়। ভূমির উত্তর সীমানা-৫০ মিটার, দক্ষিণ সীমানা ৪৪.২ মিটার, পূর্ব সীমানা ৫১ মিটার এবং পশ্চিম সীমানা ৫২.২ মিটার, পরিসীমা ১৯৭.৪ মিটার মাত্র। মোঃ গিয়াসউদ্দিন আমখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য মোট ৬০ শতাংশ জমির দখল বুঝিয়ে দিলেও বর্তমানে সেই জমি থেকে ৩০ শতাংশ জমি মসজিদ ও কবরস্থানের জন্য দখলে নেওয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে আমখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটি ও প্রধান শিক্ষকে অবগত করলে তারা কোন পদক্ষেন নেয় নাই।’

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ গিয়াসউদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাড়া মেলেনি।

    তালতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার বলেন, ‘বিদ্যালয়ের জমি দখলের কোন সুযোগ নেই। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করব। পরবর্তীতে আমরা আইনিভাবে মোকাবেলা করব।’

    তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহ জালাল বলেন, ‘এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’###

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি।।

  • বরিশাল-২ আসনে বিএনপি’র ধানেরশীষ প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী সান্টু

    বরিশাল-২ আসনে বিএনপি’র ধানেরশীষ প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী সান্টু

    বরিশাল-২ (বানারীপাড়া ও উজিরপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্তভাবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে বিএনপির কেন্দীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।

    রবিবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেন।

    তার নাম ঘোষণার সাথে সাথে নেতা কর্মিরা উল্লাসে ফেটে পড়েন।

    এ সময় বানারীপাড়া ও উজিরপুর বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সৃষ্টি কর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করে বলেন, দলের সকলে এই সিদ্ধান্তের জন্য সকল নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায়। বিশেষ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়। এসময় বানারীপাড়া ও উজিরপুরের সকল নেতৃবৃন্দ বরিশাল ২ আসনে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে।

    উল্লেখ্য,স্বচ্ছ রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও স্থানীয় জনপ্রিয়তার কারণে এস সরফুদ্দিন সান্টু বরিশাল অঞ্চলে বিএনপির অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত।

    দীর্ঘদিন ধরে তিনি উজিরপুর ও বানারীপাড়া অঞ্চলের নেতা–কর্মীদের পাশে থেকে রাজনীতি করে আসছেন। মামলা–মোকদ্দমা বা দুঃসময়েও কর্মীদের সহযোগিতা করেছেন নিরবে। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই সরফুদ্দিন সান্টু সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছেন। তিনি বিভিন্ন শিক্ষা, সেবা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার উদ্যোগে বরিশালের গুঠিয়া এলাকায় প্রতিষ্ঠিত বায়তুল আমান জামে মসজিদ (যা “তাজমহল খ্যাত মসজিদ” নামে পরিচিত) বর্তমানে দেশের অন্যতম দর্শনীয় ধর্মীয় স্থাপনার একটি হিসেবে পরিচিত।

    ২০০৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে উদ্বোধিত এ মসজিদের সঙ্গে রয়েছে ঈদগাহ, মাদ্রাসা ও কবরস্থান। সামাজিক কাজের পাশাপাশি দুর্যোগকালীন সময়েও মানবিক উদ্যোগের জন্য আলোচনায় থাকেন তিনি। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে নিয়মিতভাবে সহযোগিতার হাত বাড়ান সান্টু।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বরিশাল-২ আসনে এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর প্রার্থিতা বিএনপির জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা। এলাকায় তার জনপ্রিয়তা ও সামাজিক সম্পৃক্ততা আসন্ন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করেন।