Blog

  • টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা দ-খল করে দোকান নির্মাণ- দু-র্ভোগে ১৫ টি পরিবার

    টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা দ-খল করে দোকান নির্মাণ- দু-র্ভোগে ১৫ টি পরিবার

    খলিলুর রহমান খলিল নিজস্ব প্রতিনিধ:
    নীলফামারীতে পঞ্চাশ বছরের পুরোনো একমাত্র চলাচলের রাস্তা দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে সেতু নামে স্থানীয় এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। এতে সদর উপজেলার চড়াইখোলা ইউনিয়নের নগর দাড়োয়ানী টেক্সটাইল কবিরাজ পাড়া গ্রামের ১৫টি পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তারা বাজার, স্কুল, মসজিদ ও হাসপাতালে যাতায়াত করে আসছিলেন। কিন্তু রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় পুরো গ্রাম প্রায় অবরুদ্ধ। বিষয়টি নিয়ে তারা চড়াইখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে অভিযোগের পরও কোনো ব্যবস্থা নেয় নি তারা।

    ভুক্তভোগী আঞ্জুয়ারা সুমি বলেন, “আমরা প্রায় ৫০ বছর ধরে এই রাস্তায় চলাচল করছি। এখন সেতু দোকান তুলে পুরো পথ বন্ধ করে দিয়েছে। রাস্তাটা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে কষ্ট হচ্ছে।”

    রুবি বেগম বলেন, “বাড়ি থেকে বাজারে যেতে এখন অনেক দূর ঘুরে যেতে হয়। বৃদ্ধ মানুষদের জন্য এটা অনেক কষ্টকর।”

    শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার বলেন, “রাস্তায় দোকান উঠায় স্কুলে যেতে অনেক দেরি হয়। ক্লাসও মিস করি।” নয়ন ইসলাম বলেন, “আমরা খেলাধুলা বা পড়াশোনার কাজে বাইরে যেতে পারি না, কারণ রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ।”

    এদিকে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সেতু বলেন,“তারা এখন পর্যন্ত আমাদের জমিতে বসবাস করতেছে। আমরা তাদের রাস্তা দিয়েছি, থাকার জমি দিয়েছি। তাদের এখন ওই রাস্তা দিয়ে চলতে দূর হয় নাকি। তারা যে অভিযোগ করছে তা সত্য নয়। তাদের চলাচলের রাস্তা রয়েছে।”

    এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন,“বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।”

  • বরগুনার তালতলীতে বিদ্যালয়ের জমি দ-খলের পাঁ-য়তারার অ-ভিযোগ

    বরগুনার তালতলীতে বিদ্যালয়ের জমি দ-খলের পাঁ-য়তারার অ-ভিযোগ

    মংচিন থান
    তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের আমখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬০ শতাংশ জমি থেকে মসজিদ ও কবরস্থানের জন্য ৩০ শতাংশ জমি দখলে নেওয়ার পাঁয়তারার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (০৩ নভেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে ‘তালতলী প্রেসক্লাবে’ এ সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের আমখোলা এলাকার বাসিন্দা মোঃ জালাল উদ্দিন।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোঃ জালাল উদ্দিন বলেন, ‘আমার ভাই মোঃ গিয়াসউদ্দিন উপজেলার ৪২ নং বড় নিশানবাড়ীয়া মৌজায় হাল ২০৫ নং খতিয়ানে খেপুপাড়া সাব রেজিস্ট্রী অফিসের ২৬-০৮-১৯৬৪ ইং তারিখে ২২৩৬ নং সাফ বিক্রয় কবলা রেজিষ্ট্রি লীল মূল ১.০০ একর ভূমির মালিক হইয়া বিশ্ব ব্যাংকের ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ECRRP-২০০৭ ক্রমিক নং ০১ অনুকলে মার্চ ২০১৫ অর্থায়নে এল.জি.ই.ডি মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ‘আমখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র’ অপশন -০৩ টাইপে ভবন নির্মানের জন্য হাল ৫৪৬৫ নং দাগে ৫৪ শতাংশ এবং ৫৪৬৮ নং দাগে ৬ শতাংশ মোট ৬০ শতাংশ জামির দখল বুজিয়ে দেয়। এরপর প্রকল্প পরিচালকের অনুমোদনে ভবন নির্মিত হয়। ভূমির উত্তর সীমানা-৫০ মিটার, দক্ষিণ সীমানা ৪৪.২ মিটার, পূর্ব সীমানা ৫১ মিটার এবং পশ্চিম সীমানা ৫২.২ মিটার, পরিসীমা ১৯৭.৪ মিটার মাত্র। মোঃ গিয়াসউদ্দিন আমখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য মোট ৬০ শতাংশ জমির দখল বুঝিয়ে দিলেও বর্তমানে সেই জমি থেকে ৩০ শতাংশ জমি মসজিদ ও কবরস্থানের জন্য দখলে নেওয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে আমখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটি ও প্রধান শিক্ষকে অবগত করলে তারা কোন পদক্ষেন নেয় নাই।’

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ গিয়াসউদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাড়া মেলেনি।

    তালতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার বলেন, ‘বিদ্যালয়ের জমি দখলের কোন সুযোগ নেই। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করব। পরবর্তীতে আমরা আইনিভাবে মোকাবেলা করব।’

    তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহ জালাল বলেন, ‘এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’###

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি।।

  • বরিশাল-২ আসনে বিএনপি’র ধানেরশীষ প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী সান্টু

    বরিশাল-২ আসনে বিএনপি’র ধানেরশীষ প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী সান্টু

    বরিশাল-২ (বানারীপাড়া ও উজিরপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্তভাবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে বিএনপির কেন্দীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।

    রবিবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেন।

    তার নাম ঘোষণার সাথে সাথে নেতা কর্মিরা উল্লাসে ফেটে পড়েন।

    এ সময় বানারীপাড়া ও উজিরপুর বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সৃষ্টি কর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করে বলেন, দলের সকলে এই সিদ্ধান্তের জন্য সকল নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায়। বিশেষ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়। এসময় বানারীপাড়া ও উজিরপুরের সকল নেতৃবৃন্দ বরিশাল ২ আসনে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে।

    উল্লেখ্য,স্বচ্ছ রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও স্থানীয় জনপ্রিয়তার কারণে এস সরফুদ্দিন সান্টু বরিশাল অঞ্চলে বিএনপির অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত।

    দীর্ঘদিন ধরে তিনি উজিরপুর ও বানারীপাড়া অঞ্চলের নেতা–কর্মীদের পাশে থেকে রাজনীতি করে আসছেন। মামলা–মোকদ্দমা বা দুঃসময়েও কর্মীদের সহযোগিতা করেছেন নিরবে। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই সরফুদ্দিন সান্টু সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছেন। তিনি বিভিন্ন শিক্ষা, সেবা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার উদ্যোগে বরিশালের গুঠিয়া এলাকায় প্রতিষ্ঠিত বায়তুল আমান জামে মসজিদ (যা “তাজমহল খ্যাত মসজিদ” নামে পরিচিত) বর্তমানে দেশের অন্যতম দর্শনীয় ধর্মীয় স্থাপনার একটি হিসেবে পরিচিত।

    ২০০৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে উদ্বোধিত এ মসজিদের সঙ্গে রয়েছে ঈদগাহ, মাদ্রাসা ও কবরস্থান। সামাজিক কাজের পাশাপাশি দুর্যোগকালীন সময়েও মানবিক উদ্যোগের জন্য আলোচনায় থাকেন তিনি। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে নিয়মিতভাবে সহযোগিতার হাত বাড়ান সান্টু।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বরিশাল-২ আসনে এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর প্রার্থিতা বিএনপির জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা। এলাকায় তার জনপ্রিয়তা ও সামাজিক সম্পৃক্ততা আসন্ন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করেন।

  • ইসলামের কথা বলে মানুষকে ধেঁা-কা দেওয়া যাবে না, মুসলমানরা এটা সহ্য করবে না- সেলিম রেজা হাবিব

    ইসলামের কথা বলে মানুষকে ধেঁা-কা দেওয়া যাবে না, মুসলমানরা এটা সহ্য করবে না- সেলিম রেজা হাবিব

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ,কে এম সেলিম রেজা হাবিব বলেছেন শেখ হাসিনা বিদেশে পলায়নের পর দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের চিন্তাভাবনা শুরু হলেও তা নস্যাৎ করতে বর্তমানে একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারা পিআর পদ্ধতি নামে নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করছে। তারা গণভোট ও পিআর ছাড়া নির্বাচন করবে না বলেই প্রচারণা চালাচ্ছে। এতে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। নারী নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে পাবনার সুজানগর উপজেলার মানিকহাট জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত ইসলামীকে উদ্দেশ্যে করে সেলিম রেজা হাবিব বলেন, ইসলামের কথা বলে মানুষকে ধেঁাকা দেওয়া যাবে না। মুসলমানরা এটা সহ্য করবে না। একটি দল গ্রামেগঞ্জে মা-বোনদের ভুল বুঝিয়ে ‘বেহেশতের টিকিট’ বিক্রি করে। তারা এটা কোথা থেকে পেল, ডিলারশিপ দিল কারা, তিনি বলেন, একটি দল পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়, অথচ গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে তাদের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট কুড়িয়ে বেড়ায় এবং পরিচয় করিয়ে দেয়- এটি স্ববিরোধী অবস্থান। নির্বাচন করতে হলে নির্বাচনের কথাই বলতে হবে। ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা উচিত নয়। তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দল বিএনপিকে ভালোবাসে। তারা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বারবার প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে। আগামীতে তারেক রহমান দেশের হাল ধরবেন ইনশআল্লাহ। এ সময় তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবাইকে ধানের শীষে ভোট দেবার আহ্বান জানান। সোমবার মানিকহাট ইউনিয়নের বোনকোলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এ কর্মী সমাবেশে অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি হাজারী লুৎফুন্নাহার প্রমুখ। সমাবেশে অসংখ্য নারী অংশগ্রহণ করেন। শেষে স্থানীয় নেতাকর্মীরা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের আন্দোলনে নারীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    সুজানগর পাবনা প্রতিনিধি।।

  • মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার রতনপুরে আনসার ক্যাম্পের পাশে ডোবা থেকে অটোচালকের ম-রদেহ উদ্ধার

    মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার রতনপুরে আনসার ক্যাম্পের পাশে ডোবা থেকে অটোচালকের ম-রদেহ উদ্ধার

    লিটন মাহমুদ।

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    মুন্সীগঞ্জ সদরে হাত-পা বাঁধা ও কম্বল দিয়ে পেচানো অবস্থায় এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। গত শুক্রবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

    আজ আজ ৩ রা নভেম্বর রোজ সোমবার সকালে পঞ্চসার ইউনিয়নের রতনপুর আনসার ক্যাম্পের পাশের একটি ডোবায় মরদেহটি পরে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ছুটে আসেন নিখোঁজ অটোচালকের স্বজনরা। পরে তারা মরদেহ শনাক্ত করেন।

    মৃত মজিবর মাঝি (৪৫) বরিশাল জেলার হিজলা থানার বাসিন্দা। মুন্সীগঞ্জ সদরের রামপাল ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকায় তিনি ভাড়ায় থেকে অটোরিকশা চালাতেন।

    মজিবর মাঝির ছেলে মো. রাসেল এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বাবা মুন্সিগঞ্জে একা বসবাস করতেন। তিনি স্থানীয় একটি গ্যারেজ থেকে ভাড়ায় অটোরিকশাটি চালাতেন। গত শুক্রবার মাওয়া যাওয়ার কথা বলে তিনি বের হন। এরপর আর ফেরেননি। গতকাল গ্যারেজ মালিক আমাকে ফোন দিয়ে জানালে আমি থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। পরে আজ বাবার মরদেহ পাওয়া যায়। অটোরিকশাটির কোন হদিস নেই।

    মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম সাইফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • ধামরাইয়ে এসআই জিয়াউর রহমানের দক্ষতায় ব-লাৎকারী গ্রে-প্তার

    ধামরাইয়ে এসআই জিয়াউর রহমানের দক্ষতায় ব-লাৎকারী গ্রে-প্তার

    সুমন খান |

    ঢাকার ধামরাই উপজেলার ডেমরান এলাকায় এক মাদ্রাসা শিক্ষক কর্তৃক ১১ বছরের এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ডেমরান মারকায ওমর বিন খাত্তার (রাঃ) মাদ্রাসায়।ভুক্তভোগী ছাত্রের পিতা মোঃ মামুন (৪২), পিতা–মোঃ মুছা, সাং–গাওয়াইল, ইউপি–সোমবাগ, থানা–ধামরাই, জেলা–ঢাকা, গত ৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ আলিফ (১১) ওই মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের ৩য় শ্রেণির ছাত্র। গত ১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ রাতে ছাত্রটি রাতের খাবার শেষে অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে নিচতলার শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১১টার সময় মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ আবুল হাসানাত হানিফ (২০), পিতা–মোঃ আলম হোসেন, সাং চিড়াভিজাগোলনা, থানা–জলঢাকা, জেলা–নীলফামারী, শয়নকক্ষে প্রবেশ করে শিশুটিকে জোরপূর্বক বলাৎকার করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।ছেলেটির চিৎকারে পাশের ছাত্ররা জেগে উঠলে অভিযুক্ত শিক্ষক দ্রুত পালিয়ে যায়। পরদিন সকালে অভিযুক্ত শিক্ষক হানিফ শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দেয়।পরবর্তীতে ২ নভেম্বর বিকাল ৫টার দিকে, শিশুটি বাড়ি ফিরে ঘটনাটি তার মাকে জানায়। বিষয়টি জানাজানি হলে পরদিন পিতা মোঃ মামুন স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করলে, সে উত্তেজিত হয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে পালিয়ে যায়।এরপর স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরিবারটি থানায় অভিযোগ দায়ের করে।অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধামরাই থানার চৌকস কর্মকর্তা এসআই জিয়াউর রহমান অভিযান পরিচালনা করে ২ নভেম্বর রাতেই অভিযুক্ত শিক্ষক আবুল হাসানাত হানিফকে গ্রেফতার করেন।পরে গতকাল ৩ নভেম্বর সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
    ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন,ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর ও স্পর্শকাতর। আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর নিরাপত্তা ও চিকিৎসার বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
    এদিকে, এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলেন,
    মাদ্রাসার মতো পবিত্র শিক্ষালয়ে এ ধরনের জঘন্য কাজ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”

  • ৪ নভেম্বর সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৪৪ তম জন্মদিন

    ৪ নভেম্বর সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৪৪ তম জন্মদিন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)

    ৪ নভেম্বর মঙ্গলবার সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৪৪ তম জন্ম বার্ষিকী। এ উপলক্ষে সাহিত্যিক ইমদাদুল হকের জন্মস্থান পাইকগাছার গদাইপুরে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে মঙ্গলবার সকালে উপজেলার নতুন বাজার চত্ত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাহিত্যিকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন, আলোচনা সভা ও পুরুষ্কার বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
    বিশ শতকের সূচনালগ্নে যন্ত্রণাজর্জর এই যুগ-প্রতিবেশে বাংলা সাহিত্য-ক্ষেত্রে মুক্তচিত্ত-দ্রোহী এক আধুনিক শিল্পী রুপে আবির্ভূত হন কাজী ইমদাদুল হক। তিনি ছিলেন সংস্কারমুক্ত, উদার মানবতাবাদী, মননশীল এবং যুক্তিবাদী শিল্পদৃষ্টিসম্পন্ন ঔপন্যাসিক। কুসংস্কারাচ্ছন্ন প্রথালালিত সামন্ত-মূল্যবোধে স্নিগ্ধ মুসলিম সমাজ-অঙ্গনে বাসন্তি হাওয়ার প্রত্যাশায় ইমদাদুল হক সাহিত্যক্ষেত্রে দ্রোহীসত্তা নিয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তবু তিনি বিদ্রোহী নন, সমাজ ভাঙার ডাক নেই তার কর্মে-বরং মুসলিম সমাজের বিবিধ খণ্ডচিত্র আর গ্লানির অঙ্গন উপস্থাপন করেই তিনি তৃপ্ত থেকেছেন। মুসলমান সমাজের ক্ষয়িষ্ণু আর্দশ ও রীতিনীতির বিপরীতে স্বাধীনচেতা ও প্রগতিশীল শিক্ষিত মনের নব্যসমাজ প্রতিষ্ঠার বাসনাই তাঁর উপন্যাসে ঔপন্যাসিক প্রাঞ্জল ভাষায় ব্যক্ত করার প্রয়াস পেয়েছেন। চুয়াল্লিশ বছরের কর্মচঞ্চল জীবনে ইমদাদুল হকের প্রধান কীর্তি আবদুল্লাহ্ উপন্যাস। একটিমাত্র উপন্যাস লিখে ইমদাদুল হক বাংলা সাহিত্যে রেখে গেছেন তার স্বতন্ত্র প্রতিভার স্বাক্ষর।
    কাজী ইমদাদুল হক ১৮৮২ সালের ৪ নভেম্বর খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কাজী আতাউল হক আসামের জরিপ বিভাগে চাকরি করতে করতেন এবং পরবর্তীতে খুলনার ফৌজদারি আদালতের মোক্তার নিযুক্ত হন।
    ১৯০০ সালে কাজী ইমদাদুল হক কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএ সম্পন্ন করেন। ১৯১৪ সালে তিনি বিটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯০৪ সালে কাজী ইমদাদুল হক কলকাতা মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। এর দুই বছর পর ১৯০৬ সালে আসামের শিলং বিভাগে শিক্ষাবিভাগের উচ্চমান সহকারী হিসেবে যোগ দেন। ১৯০৭ সালে তিনি ঢাকা মাদ্রাসার শিক্ষক হন। ১৯১১ সালে তিনি ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে ভূগোলের অধ্যাপক হন। এরপর ১৯১৪ সালে ঢাকা বিভাগে মুসলিম শিক্ষা সহকারী স্কুল পরিদর্শক হিসেবে যোগ দেন। ১৯১৭ সালে তাকে কলকাতা ট্রেনিং স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। ১৯২১ সালে তিনি সদ্য প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বোর্ডের সুপারিন্টেনডেন্ট হন। আমৃত্যু তিনি এই পদে বহাল ছিলেন।
    ১৯০৪ সালে খুলনা শহরে মৌলভী আব্দুল মকসুদ সাহেবের জ্যেষ্ঠ কন্যা সামসন্নেসা খাতুনকে বিয়ে করেন। কাজী ইমদাদুল হকের চার পুত্র ও ২ কন্যা- কাজী আনারুল হক, কাজী সামছুল হক, কাজী আলাউল হক, কাজী নুরুল হক এবং কন্যা জেবুন্নেছা ও জিন্নাতুনন্নেছা।
    শিক্ষা বিভাগে বিভিন্ন কাজে অসামান্য দক্ষতা, গভীর দায়িত্ববোধ ও উদ্ভাবনী শক্তির স্বীকৃতিস্বরূপ তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার তাকে ১৯১৯ সালে খান সাহেব উপাধিতে ভূষিত করেন ও ১৯২৬ সালে তাকে খান বাহাদুর উপাধিতে ভূষিত করে। খ্যাতিমান সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হক ১৯২৬ সালের ২০ মার্চ কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • তানোরে প-শুহাটে ময়লার ভাগাড় জনমনে ক্ষো-ভ

    তানোরে প-শুহাটে ময়লার ভাগাড় জনমনে ক্ষো-ভ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সর্ববৃহৎ ও একমাত্র মুন্ডুমালা পৌরসভার মুন্ডুমালা পশুহাট। এ হাট থেকে প্রতি বছর রাজস্ব আসে প্রায় তিন কোটি টাকা। কিন্ত্ত নেই হাটের কোনো উন্নয়ন। হাটে ময়লা ফেলার কোনো নিদ্রিষ্ট জায়গা না থাকায়, পশুহাটে ময়লার ভাগাড় করা হয়েছে। সেখানে ব্যবসায়ীরা হাটের ময়লা-আবর্জনা ফেলছে। এতে এসব ময়লা থেকে প্রচন্ড দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। নাক-মুখে কাপড় দিয়েও প্রচন্ড দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না।
    এদিকে গত ২১ জুলাই সোমবার সরেজমিন মুন্ডুমালা পশুহাটে দেখা গেছে,পশুহাটের পশ্চিম অংশে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়। বাঁকি অংশে বসেছে গরু-ছাগলের হাট। এখানে সপ্তাহের প্রতি সোমবার সকালে ছাগল-ভেড়া ও দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে গরু-মহিষ কেনাবেচা। সপ্তাহে একদিন প্রতি সোমবার এই পশুহাটে দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতা-বিক্রেতা ও ব্যাপারীরা আসেন এই হাটে। কিন্ত্ত হাটের একাংশে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা-আবর্জনা ও জবাই করা গরু-মহিষ-ছাগল-ভেড়ার বর্জ্য এতে ছড়াচ্ছে প্রচন্ড দুর্গন্ধ। এদিকে অসহ্য দুর্গন্ধের মধ্যেই চলছে পশু বেচাকেনা। এতে অনেকের শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছে বলে জানান অনেক ব্যাপারী। মুন্ডুমালা পশুহাটে আশা ক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি গোদাগাড়ী থেকে এই হাটে একটি গরু কিনতে এসেছেন। তিনি বলেন, গরু হাটে ময়লা-আবর্জনা থাকায় যে অসহ্য দুর্গন্ধ তাতে হাটে থাকায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে গরু কিনবেন কিভাবে। হাটে আশা গরু বিক্রেতা যোগিশো গ্রামের বাসিন্দা রিপন আলী বলেন, ভাই দুপুরে আসছি গরু নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি তবে মনে হয় বেশিক্ষণ হাটে থাকতে পারবো না, কারণ যে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে খুবই সমস্যা হচ্ছে। ছাগল কিনতে আশা কৃষ্ণপুর গ্রামের হারুন বলেন, একটা ছাগল কিনেছি তবে এই পশুর হাটের বর্তমান অবস্থা খুবই খারাপ একেতো কাঁদা-পানি তার উপরে পাগল করা দুর্গন্ধ।
    স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ি বলেন, এবিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো নজরদারি নাই। হাটের যেখানে সেখানে পশু জবাই করা হয়। কিন্ত্ত কসাইয়েরা বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে গর্ত করে মাটিচাপা দেয় না। এসব বর্জ্য ফেলে পশু হাটের ভাগাড়ে, এ কারণে প্রতিনিয়ত পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। হাটের দিন ছাড়াও অন্যান্য দিনে দুর্গন্ধের মাঝে থাকতে হয়। অনেক সময় দুর্গন্ধের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়তে হচ্ছে আমাদের।
    জানা গেছে, প্রতি বছর এই পশু হাট থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা পৌরসভার রাজস্ব আয় হয়।কিন্ত্ত কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় হলেও দীর্ঘদিন থেকে এই ভাগাড় সমস্যার সমাধান না হওয়ায় হতাশ নাগরিকগণ।ভাগাড়ের কারণে শুধু হাটে আশা ক্রেতা-বিক্রেতা নয় হাট সংলগ্ন আশপাশের বাড়ি-ঘরের মানুষেরাও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এবিষয়ে মুন্ডুমালা হাটের ইজারাদার ফিরোজ কবির বলেন, মুন্ডুমালা পৌর প্রশাসককে বিষয়টি জানানো হয়েছে তিনি পৌরসভার কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন তবে পৌরসভার কর্মকর্তারা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে না।এবিষয়ে মুন্ডুমালা হাটের অপর ইজারাদার শরিফ মুন্সী বলেন, ইউএনও মহোদয় বলার পরেও মুন্ডুমালা পৌরসভার কিছু কর্মকর্তার গোড়িমশির কারণে এই ময়লা-আবর্জনাগুলো অপসারণ হচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে পশু হাটের যে অবস্থা তা বলার ভাষা নেই। ক্রেতা-বিক্রেতা তো দূরের কথা দুর্গন্ধের কারণে আমরাই হাটে ঠিকমতো থাকতে পারি না।
    এ বিষয়ে মুন্ডুমালা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) (তৎকালীন) লিয়াকত সালমানের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, বাজারে ময়লা-আবর্জনা থাকার কথা না। আমি পৌরসভার কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছি ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করার জন্য, তবে তারা যদি পরিষ্কার না করে থাকে। তাহলে খুব দ্রুত অপসারণ করা হবে বলে জানান তিনি।#

  • পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপি’র চূড়ান্ত প্রার্থী আহম্মেদ সোহেল মঞ্জু সুমন

    পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপি’র চূড়ান্ত প্রার্থী আহম্মেদ সোহেল মঞ্জু সুমন

    আনোয়ার হোসেন।

    নেছারাবাদ, পিরোজপুর:

    পিরোজপুর-২ (নেছারাবাদ, কাউখালী ও ভাণ্ডারিয়া) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্তভাবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আহম্মেদ সোহেল মঞ্জু সুমনের।

    রবিবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেন।

    আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন এ সময় নেছারাবাদে আটঘর কুড়িয়ানা গণসংযোগে ব্যাস্ত ছিলেন, তার নাম ঘোষণার সাথে সাথে নেতা কর্মিরা উল্লাসে ফেটে পড়েন।

    এ সময় আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন সৃষ্টি কর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ দলের এই সিদ্ধান্তের জন্য সকল নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। বিশেষ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ পিরোজপুর ২ আসনের সকল নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে পিরোজপুর ২ আসনে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করবো।

    উল্লেখ্য, আহম্মেদ সোহেল মঞ্জু সুমন বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা ও পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলাম মঞ্জুরের ছেলে।তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে একই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে আসনটি শরিক দল বাংলাদেশ লেবার পার্টির জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়। এর আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই আসনে বিএনপি’র প্রার্থী ছিলেন তার বাবা, মো. নুরুল ইসলাম মঞ্জু। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপি’র এই ঘোষণায় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি।

  • পীরগঞ্জে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে টিউবওয়েল বি-তরণ

    পীরগঞ্জে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে টিউবওয়েল বি-তরণ

    পীরগঞ্জ ( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ৬০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে টিউবওয়েল বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার ( ৩ নভেম্বর) দুপুরে পীরগঞ্জ পৌর শহরের জিযাউল ইসলাম জিয়ার মিল চাতালে মাওলানা আনিসুর হকের সহযোগিতায় সৌদি আরবের অর্থায়নেখ এসব টিউবওয়েল বিতরণ করা হয়।

    এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সাবেক এমপি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জিয়াউল ইসলাম জিয়া, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, জেলা গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সোবাহান, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন, যুবদল নেতা হায়দার, সুমন, কাওসার, রাসেল ।
    পরে প্রধান অতিথি ৬০টি দুস্থ পরিবারের মাঝে পাইপ, ফিলটাসহ টিউবওয়েল বিতরণ করেন।

    উল্লেখ‍্য, এই টিউবওয়েল ও যাবতীয় মালামাল ফ্রি বিতরণের পাশাপাশি স্থাপনসহ নিরাপদ পানি উত্তলনের উপযোগী করে দেওয়া হবে।