Blog

  • নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যাগে সচেতনতা মূলক ক্যম্পেইন অনুষ্ঠিত

    নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যাগে সচেতনতা মূলক ক্যম্পেইন অনুষ্ঠিত

    লিটন মাহমুদ,মুন্সীগঞ্জঃ

    জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৪ উপলক্ষে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি’র অংশ হিসেবে।
    এবারের প্রতিপাদ্য” ছাত্র জনতা অঙ্গিরার, নিরাপদ সড়ক হোক সবার ”
    আগামী ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস সফল করার লক্ষে জাতীয় সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যাগে মুন্সীগঞ্জের সদরের সুপার মাকেট মোডে
    চালক, পথচারীদের, সচেতন করার লক্ষে
    ক্যাম্পিইন করা হয়।
    সাথে সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। উক্ত সময় উপস্থিত ছিলেন নিরাপদ সড়ক চাই মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার
    অহব্বায়ক এম জামাল হোসেন মন্ডল,অহব্বায়ক বলেন আপনার সচেতনতাই পাড়ে সড়ক দুর্ঘটনা মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে
    সড়কে যেন আর একটি মায়ের সন্তানের প্রাণ না
    যায়।
    উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন।
    জাতীয় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) মুন্সীগঞ্জ জেলা
    শাখার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন।
    কার্যকরী সদস্য আতিকুর রহমান, কার্যকরী সদস্য আলমগীর মিয়া, রাজ মল্লিক , কামাল হোসেন, লিটন শেখ, নবকিশোর মজুমদার, খোকন মিয়, আরিফ মন্ডল, প্রদিপ প্রমূখ।

  • পঞ্চগড়ে মাহিন্দ্রা সার্ভিস ক্যাম্পেইন

    পঞ্চগড়ে মাহিন্দ্রা সার্ভিস ক্যাম্পেইন

    পঞ্চগড় সংবাদদাতা: পঞ্চগড়ের বোদায় মাহিন্দ্রা ট্রাক্টরের ফ্রি সার্ভিস ক্যাম্প ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সোমবার দিনব্যাপী বোদা পৌরসভার বাদামহাটিতে দিনব্যাপী ফ্রি সার্ভিস ক্যাম্পে সকল পুরাতন ট্রাক্টর সার্ভিস করানো হয়। পাশাপাশি ট্রাক্টর মালিক ও ড্রাইভারদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন, মাহিন্দ্রা ট্রাক্টরের সি ও ও মুনেম শাহারিয়ার, রংপুর বিভাগের জোনাল ম্যানেজার মাহফুজার রহমান, ঠাকুরগাঁওয়ের রিজিওনাল ম্যানেজার এরশাদুল আলম, সার্ভিস হেড কাজী ইমরান, মাহিন্দ্রা এন্ড মাহিন্দ্রার প্রিন্সিপাল আবু আল ইমরান, সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।
    ফ্রি ক্যাম্পে ট্রাক্টরের পার্টসের উপর ১০% এবং মোবিলের উপর ৫% ডিসকাউন্ট প্রদান করা হয়।
    দিনব্যাপী সার্ভিস ক্যাম্পেইনে ১০ টি মাহিন্দ্রা ডেলিভারি এবং ২০ টি মাহিন্দ্রা বুকিং হয়।

  • ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপ লাইনের চেক প্রদান   

    ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপ লাইনের চেক প্রদান   

     

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি ; ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপ লাইন প্রকল্পের জমি অধিগ্রহনের ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়েছে। আজ উপজেলা পরিষদ হলরুমে ক্ষতিগ্রস্থ্য ব্যক্তিদের মাঝে চেক প্রদান করেন জেলা প্রশাসক সাবেত আলী।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার নজির এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু সাঈদ, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (জেনারেল সার্টিফিকেট শাখা) শায়লা সাঈদ তন্নী, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (রাজস্ব শাখা ও রাজস্ব মুন্সি শাখা) ইমরানুজ্জামান, সহকারী কমিশনার (ভূমি ) এস এম ফুয়াদ,বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন, বোদা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন বিপুল, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাবু প্রমুখ।

    বোদা উপজেলার ২০ জন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়।

  • মোরেলগঞ্জে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সুধীসমাজ সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

    মোরেলগঞ্জে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সুধীসমাজ সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃনাজমুল ইসলামের যোগদান উপলক্ষে মোরেলগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, গন্যমান্য ব্যাক্তি ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। (১৫ অক্টোবর) মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ মতবিমিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল ইসলাম উপস্থিত শুধীজনদের উদ্দেশ্য নিজের পরিচয় ব্যাক্ত করেন এবং পরে একে একে উপস্থিত সকলের পরিচয় ও তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে খোজ খবর নেন।এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের দ্রুত নাগরিক সেবা ফিরিয়ে আনতে সকলকে অনুরোধ জানান তিনি।সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা,থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শামসুদ্দিন,উপজেলা বিএনপি আহবায়ক শহিদুল হক বাবুল,পৌর বিএনপি আহবায়ক শিকদার ফরিদুল ইসলাম, সদস্য সচিব অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আল আজাদ,পল্লী বিদ্যুৎ মোরেলগঞ্জ জোনাল অফিস ডিজিএম খন্দকার ওয়াদুদ, পৌর বিএনপি যুগ্ন আহবায়ক ফারুক হোসেন সামাদ,বিএনপি নেতা গিয়াসউদ্দিন তালুকদার ইসলামী আন্দোলন উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আসাদুল্লাহ, মোরেলগঞ্জ পৌরসভার হিসাব রক্ষক সরদার আব্দুল হান্নান, মোহাম্মদ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল খালেক,অধ্যক্ষ সাবিনা ইয়াসমিন টুলু, উপজেলা নায়েবে আমির মাস্টার মনিরুজ্জামান,পৌর আমির রফিকুল ইসলাম, জামায়েত ইসলামী নেতা অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল আলীম হাওলাদার, মাওলানা মোঃ মহিবুল্লাহ,মোরেলগঞ্জ প্রেসক্লাব ,সভাপতি মশিউর রহমান মাসুম, উপজেলা প্রেসক্লাব আহবায়ক এইচ এম শহিদুল ইসলাম,উপজেলা সমকাল প্রতিনিধি মোঃ ফজলুল হক খোকন, দৈনিক জনকণ্ঠ উপজেলা প্রতিনিধি বাবু গণেশ পাল, দৈনিক দিনকাল উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ আবুল কালাম খোকন প্রমূখ। অনন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান লিপন, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মাসুম, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাজিব হাসান রাজু,দ্যা কান্ট্রি টুডে প্রতিনিধি মোঃ নাজমুল, বিএনপি নেতা মতিউর রহমান বাচ্চু জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক দল কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ,ডাঃ এস এম মারুফ হোসেন,বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী উপজেলা নায়েবে আমির মাস্টার মনিরুজ্জামান মনির পৌর আমীর রফিকুল ইসলামসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের অফিসারবৃন্ধ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সমাজ সেবক,সহ স্হানীয় সুধীসমাজ।এছাড়াও সভায় দ্রব্যমূল্য নির্ধারণ মনিটরিং সেল গঠন, নিত্যপন্য গুদামজাতকরণ, বাল্যবিবাহ বন্ধ, যুবসমাজ থেকে মাদক নির্মুল করা,ভেজাল পণ্য বিক্রয় বন্ধে নিয়মিত কমিটি গঠন করে তদারকির যথাযথ ব্যাবস্হা গ্রহণ, জন্ম নিবন্ধন ও মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য জনসাধারণের সেবার মান বৃদ্ধি করাসহ মোরেলগঞ্জ উপজেলার নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা ও উত্তরন বিষয়ে সুধীজনরা তাদের বেক্তি মতামত ব্যাক্ত করেন।

  • গোদাগাড়ীতে ড্রাগন বাগানে শিয়াল মারার ফাঁদে   বিদ্যুৎ স্পষ্ট হয়ে ১ কৃষকের মৃত্যু

    গোদাগাড়ীতে ড্রাগন বাগানে শিয়াল মারার ফাঁদে   বিদ্যুৎ স্পষ্ট হয়ে ১ কৃষকের মৃত্যু

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ১ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্য.  ইয়ামিন (১৮) নিজ জমিতে পানি দিতে যাওয়ার পথে ঘটনাটি ঘটে। ১৪ অক্টোবর ( সোমবার) আনুমানিক সকাল ৮:৪০ মিনিটে কৃষক ইয়ামিন তার জমিতে পানি দিতে যাওয়ার সময় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে মারা যান। মৃত্যু ইয়ামিন   উপজেলার বোগদামারী এলাকার মোঃ আবুল কালামের ছেলে।

     পিরিজপুর এলাকার মৌলভী  আলিমুদ্দীন গোপালপুর ( প্রাণ কোম্পানীর পাশে) ড্রাগন বাগানে জি আই তার দিয়ে শিয়াল মারার জন্য  রাতে বিদ্যুতের সংযোগে শর্টসার্কিট করে রেখেছিল এবং দিনের বেলা সংযোগটি টেনে রাখেন।  বিদ্যুৎ বিভাগের অনুমতি ছাড়া সংযোগটি দেওয়া হয়েছিল বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে। 

    এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , ইয়ামিন ভোরবেলা আলিমুদ্দীনের ড্রাগন বাগানের পাশ দিয়ে তার টমেটোর জমিতে পানি দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলেন। এদিকে আলিমুদ্দীনের পেতে রাখা শিয়াল মারার  ফাঁদের তার জড়িয়ে ঘটনা স্থলে মারা যান।

     এলাকাবাসী প্রেমতুলি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে ফোন দিলে পুলিশ এসে  ইয়ামিনের লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। দীর্ঘসময় ইয়ামিনের লাশ পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে পড়ে ছিল। পরে ইয়ামিনের পরিবার না দাবিপত্র লিখে দিয়ে লাশ বাড়ি নিয়ে যায়। তবে একটি সূত্র দাবী করেছেন ১৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ইয়ামিনের পরিবার নাদাবী  লিখে দিয়েছেন। এর বিনিময়ে ড্রাগন বাগান মালিক ইয়ামিনের পরিবারকে একটি ফাঁকা ব্যাংকোর চেক স্বাক্ষর করে দিয়েছেন। তিন বারে ১৫ লাখ টাকা পরিশোধ করার কথা রয়েছে। অনেকে মন্তব্য  করেছেন মানুষের মূল্য কি ১৫ লাখ টাকা। সচেতন মহল, বিষয়টি তদন্তকরে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।

    প্রেমতুলি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই সামিউল ইসলাম জানান, ১৫ লাখের বিষয়টি সঠিক নয়।  ইয়ামিনের পরিবার নাদাবি পত্র লিখে দিয়ে লাশ নিয়ে গেছেন। ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ রাজশাহী বিভাগের জিএম রমেন্দ্র জানান, আলিমুদ্দীন জিআই তার দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারেন না। এটা অবৈধভাবে হয়ত তিনি ব্যবহার করেছেন। আমি বিষয়টি লোক পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করছি।

    নিজস্ব প্রতিবেদক, 
    রাজশাহী।

  • সুজানগরে বজ্রপাতে নিহতের পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান

    সুজানগরে বজ্রপাতে নিহতের পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান

    এম এ আলিম রিপনঃ ঃ পাবনার সুজানগরে বজ্রপাতে নিহত তিন পরিবারের সদস্যদের মাঝে সরকারি আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। নিহত পরিবারের সদস্যদেও মাঝে আর্থিক এ অনুদান প্রদান করেন সুজানগর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মেহেদী হাসান। এ সময় নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদেও সাবেক চেয়ারম্যান হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যাযের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সুজানগর উপজেলঅ নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানান, নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখ্য গত ৯ অক্টোবর বুধবার পদ্মা নদীতে মাছ শিকার করতে গিয়ে বজ্রপা‌তে মো: ফরিদ হোসেন নামে এক জেলের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মো: মমুন মন্ডল(২৮) নামে অপর এক জেলেসহ দুইজন নিখোঁজ হন। বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে নিহত জেলে ফরিদ হোসেনের লাশ উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের হাসামপুর এলাকার পদ্মা নদীর তীরে ভেসে উঠলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে। নিহত ফরিদ হোসেন উপজেলার সাতবাড়ীয়া এলাকার মো.রস্তম হোসেনের ছেলে। সে তার শ্বশুরবাড়ি নাজিরগঞ্জের মহনপুরে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, ফরিদ হোসেন ও তার শ্যালক মামুন ওই দিন বিকালের দিকে নাজিরগঞ্জের পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে নামেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তাদের গাঁয়ে লাগলে দুইজনসহ নৌকার মাঝি নৌকা থেকে নদীতে ছিটকে পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হন। পরে বৃহস্পতিবার নিহত ফরিদের লাশ পানিতে ভেসে উঠলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে। এঘটনায় নি‌খোঁজ রয়েছেন মামুনসহ ২ জন। মামুন স্থানীয় নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের মহনপুর গ্রামের জনাব আলীর ছেলে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • রংপুরে বিএসটিআই’র উদ্যোগে পালিত হয়েছে বিশ্ব মান দিবস

    রংপুরে বিএসটিআই’র উদ্যোগে পালিত হয়েছে বিশ্ব মান দিবস

    রংপুরে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর উদ্যোগে পালিত হয়েছে বিশ্ব মান দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ঝযধৎবফ ঠরংরড়হ ভড়ৎ ধ ইবঃঃবৎ ডড়ৎষফ – ঝঃধহফধৎফং ভড়ৎ ঝউএং’ অর্থাৎ ‘সমন্বিত উদ্যোগে টেকসই উন্নত বিশ্ব বিনির্মাণে – মান’। দিবসটি উপলক্ষে ১৪ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিঃ, সকাল ১১.০০ ঘটিকায় রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগের মান্যবর বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোঃ আজমল হোসেন । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (ট্রফিক এন্ড অপারেশন) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন,বিপিএম, রংপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সভাপতি জনাব মোঃ আকবর আলী, রংপুর মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সহ-সভাপতি জনাব মোঃ আতিক উল্লাহ এবং রংপুর ক্যাবের সভাপতি জনাব মোঃ আব্দুর রহমান। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন রংপুরের সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল। স্বাগত বক্তব্য ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর উপপরিচালক (পদার্থ) ও অফিস প্রধান প্রকৌঃ মুবিন-উল-ইসলাম।
    রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোঃ আজমল হোসেন বলেন বিশ্বের কোন দেশেই ভেজাল খাদ্য গ্রহণযোগ্য নয়। বেকারীসহ বিভিন্ন পণ্যের সকল কারখানায় অবশ্য পালনীয় বিষয়সমূহের জন্য আলাদা চেকলিস্ট তৈরি করতে হবে এবং প্রয়োজনে কারখানার কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। খাদ্যপণ্য তৈরিতে জেলাটিনসহ যেসকল এডেটিভস ব্যবহার করা হয় সেগুলো অবশ্যই যাচাই করতে হবে যেন কোনো হারাম বা ক্ষতিকর বস্তু ব্যবহৃত না হয়। স্ট্রিটফুড তৈরিতে একই তেল বারবার ব্যবহার না করা এবং হোটেল-রেস্তোরায় পচা-বাসি খাবার পরিবেশন না করার আহ্বান জানান। এছাড়াও বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য ক্যাব, পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন।

    রংপুর ক্যাব সভাপতি জনাব মোঃ আব্দুর রহমান খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল, ইটের পরিমাপে কারচুপির বিষয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বিশেষভাবে গুঁড়ের ভেজালের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নিত্যপণ্যের দর নিয়ন্ত্রণের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এর টাস্কফোর্সে বিএসটিআই এর প্রতিনিধি অšতর্ভুক্ত করার জন্য তিনি সভাপতি (জেলা প্রশাসক) মহোদয়কে অনুরোধ করেন।

    রংপুর মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সহ-সভাপতি জনাব মোঃ আতিক উল্লাহ জ্বালানী তেল এর হ্যান্ডলিং ত্রুটি প্রতি ১০ লিটারে ৩০ মিলি এর পরিবর্তে ৫০ মিলি করার সুপারিশ করেন এবং রংপুর বিএসটিআই অফিসে জ্বালানী তেল এর পরীক্ষণ সুবিধা চালু করার জন্য বিশেষভাবে তাগিদ দেন। এছাড়াও তিনি জ্বালানী তেল কোম্পানির বিক্রয়কেন্দ্র বা ডিপোগুলোতে তেল বিক্রির সময় পরিমাপে সঠিকতা নিশ্চিত করার ব্যাপারে তাগিদ দেন।

    রংপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি জনাব মোঃ আকবর আলী সকল পণ্যের মান নিশ্চিতকরণ ও ওজন-পরিমাপে সঠিকতা নিশ্চিতকরণের বিষয়ে বিএসটিআইকে আরও তৎপর হওয়ার তাগিদ দেন এবং এক্ষেত্রে টাস্কফোর্স গঠন করে অভিযান পরিচালনার সুপারিশ করেন। তিনি আরও বলেন সচেতন জনগণ এখন বিএসটিআই এর মানচিহ্ন বা লোগো দেখে পণ্য ক্রয় করে।

    রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (ট্রাফিক এন্ড অপারেশন) জনাব মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন, পি,পি,এম বলেন বিএসটিআইকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেন পণ্যের গায়ে বিএসটিআই এর লোগো পণ্যের মান সম্পর্কে মানুষের সকল সন্দেহ দূর করে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন ফল ও সবজিকে চকচকে ও আকর্ষণীয় করার জন্য কেমিকেল স্প্রে না করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান।

    রংপুর জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল বিভিন্ন দিবস পালন করার কারণ সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ তৈরি করা। জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানের সম্পর্কের কথা তিনি তুলে ধরে বলেন যে, পণ্যের মান এমনভাবে ঠিক করতে হবে যেন তা জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা না রাখে। তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কি কি বিষয় বিবেচনা করে তা তুলে ধরেন। এছাড়াও পণ্যের সিএম লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে লাইসেন্স ফি কিস্তিতে পরিশোধ করা যায় কিনা তা বিবেচনা করার পরামর্শ দেন।

    উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ, সরকারী/বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ এবং শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • শ্লোগানে পালিত হল বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৪

    শ্লোগানে পালিত হল বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৪

    ঢাকা, ১৪ই অক্টোবর ২০২৪: প্রতি বছর অক্টোবর মাসে ২য় সপ্তাহের বৃহস্পতিবার সারা পৃথিবীতে ‘বিশ্ব দৃষ্টি দিবস’ পালিত হয়। ২০০০ সাল হতে বিশ্বব্যাপী চক্ষুসেবা কার্যক্রমকে বেগবান করার নিমিত্তে এ দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এ বছর বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষ্যে যে প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে তা হল: “আপনার চোখকে ভালোবাসুন; শিশুর চোখের যত্ন নিন” । মানসম্পন্ন চক্ষুসেবা ও শিশুদের চোখের যত্নের উপর এ বছর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পরিবারের অভিভাবকদের এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে এবং প্রয়োজনে চক্ষু চিকিৎসকের স্বরণাপন্ন হতে হবে । গত বৃহস্পতিবার সরকারী ছুটি থাকায় আজ সারা দেশে এ দিবসটি গুরুত্বের সাথে পালিত হচ্ছে।

    ইস্পাহানী ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট এ্যাণ্ড হসপিটাল কর্তৃক আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাজী নজরুল ইসলাম ফয়সল, পরিচালক-কমিউনিটি সাভির্সেস; শিশু বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডঃ মোস্তফা হোসেন; মেডিকেল সার্ভিসের উপ-পরিচালক মোঃ ডঃ সাজ্জাদ ইফতেখার, ডঃ এএসএম মইন উদ্দীন সহ হাসপাতালের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালকবৃন্দ, সহযোগী পরিচালকবৃন্দ, সহকারী পরিচালকবৃন্দ এবং কর্মকর্তা ও কর্মীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বিশেষ সহযোগিতা প্রদান করে ‘২.৫ নিউ ভিশন জেনারেশন (এসিলর লুক্সোটিকা ইনিশিয়েটিভ)’ ও অপ্টোমেট্রি এসোসিয়েশন।

    ইস্পাহানী ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট এ্যাণ্ড হসপিটাল ঢাকার বাইরে বরিশাল, জামালপুর, নওগাঁ, কুলাউড়া ও আমতলী চক্ষু হাসপাতাল সহ দেশের ১২টি জেলায় কর্মরত মোট ১৭টি প্রাথমিক চক্ষু সেবা কেন্দ্রে বিশ্ব দৃষ্টি দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করছে। উল্লেখ্য যে, ঢাকার বাইরে মোট ২২টি চক্ষু হাসপাতাল ও সেবাকেন্দ্রের মাধ্যমে ইস্পাহানী ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট এ্যাণ্ড হসপিটাল এ বছর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় বিনামূল্যে চক্ষুসেবা প্রদানের জন্য চক্ষু ক্যাম্প পরিচালনা করছে। গত মাসে মোট ৭৬,০৩০ জন মানুষকে এই সেবা প্রদান করা হয়েছে। চলমান এ সেবা কার্যক্রম আগামী ৩১ অক্টোবর ২০২৪ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে এই দু’মাসে কর্মএলাকার ১২টি জেলায় মোট ১২৫,০০০ মানুষকে বিনামূল্যে চক্ষুসেবা প্রদান করা হবে।

    অনুষ্ঠানের আলোচনা-পর্বে আলোচকবৃন্দ বলেন: চোখের রোগগুলো সাধারণতঃ ব্যাথামুক্ত হয়। এজন্য আমরা বিশেষতঃ শিশুরা এটা বুঝতে পারে না। ফলে ধীরে ধীরে চোখের অবস্থা আরো খারাপ হতে থাকে এবং একটা পর্যায়ে অন্ধত্বের দিকে ধাবিত হয় অথচ একটু সচেতন হলেই চোখের এই অন্ধত্ব থেকে আমরা মুক্ত হতে পারি। আমরা যে অবস্থায় থাকি না কেন সবার আগে আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্য বিশেষভাবে চোখের যত্ন নিতে হবে কারণ চোখ ভালো না থাকলে আমরা অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বো এবং আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করতে পারবো না। চোখ দেহের ছোট্ট একটি অঙ্গ হলেও এর অসুস্থ্যতার কারণে শিশুদের পড়াশুনা, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও সামগ্রিকভাবে ভালো থাকা সম্ভব হয় না। এজন্য কোনভাবেই চোখের যত্নে অবহেলা করা যাবে না। চল্লিশ বছরের উর্ধে সকল মানুষেরই বছরে অন্ততঃ একবার চক্ষু পরীক্ষা করা দরকার; কারণ এই বয়সে সাধারণতঃ আমাদের চোখে দৃষ্টিগত সমস্যা দেখা দেয়। আজকের এই বিশ্ব দৃষ্টি দিবস সে কথাই আমাদের স্মরণ করে দিচ্ছে।

    দিবস উদ্যাপন কর্মসূচিটি দুটি পর্বে বিভক্ত ছিল। প্রথম অংশে দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর আলোচনা এবং পরের অংশে ছিল বর্ণাঢ্য র‌্যালী। র‌্যালীটি হাসপাতাল থেকে বের হয়ে খামারবাড়ী এলাকা ঘুরে আবার হাসপাতালে এসে শেষ হয়। এ অনুষ্ঠানে হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স সহ প্রায় ১৫০ জন কর্মকর্তা ও কর্মীবৃন্দ অংশগ্রহণ করে।

    নিকোলাস বিশ্বাস।।

  • গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বেতাগী প্রেসক্লাবের ভবন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন

    গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বেতাগী প্রেসক্লাবের ভবন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
    বরগুনার বেতাগীতে রাতের আঁধারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে প্রেসক্লাবের ভবন। লুটে নেওয়া হয়েছে ইট,সুরকি ও রড। অভিযোগের তীর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) বিপূল সিকদারের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন ও বরগুনা জেলা প্রশাসক এবং ইউএনও‘র কাছে এর প্রতিকার চাওয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, গত শনিবার রাতের আঁধারে শারদীয় দুর্গোউৎসবের জাতীয় বন্ধের সময় বেতাগী পৌর শহরস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন বেতাগী প্রেসক্লাবের ভবন গুড়িয়ে তার ইট,সুরকি ও রড লুটে নেওয়া হয়। এতে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। অপূরণীয় এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠার নয়।

    এর প্রতিবাদে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ঝড় উঠে। এ ঘটনার পরে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) বিপূল সিকদারের বোধদয় না হওয়ায় এবং তার সাথে একাধিকবার মুঠেফোন সহ নানাভাবে যোগাযোগের চেস্টা করেও তাকে না পাওয়ায় অপেক্ষার প্রহরগুনে অবশেষে স্থানীয় সাংবাদিকরাও সোচ্চার হয়। সোমবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আলমের সাথে বেতাগী প্রেসক্লাবের একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করে এর প্রতিকার দাবি করেন, এ সময় তিনি এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    সোমবার সকাল থেকে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত উপজেলা সহকারি কমিশনারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাক্ষাত মেলেনি। অবশ্য নাম না প্রকাশের শর্তে উপজেলা ভ’মি অফিসের এক কর্মচারি জানান, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) বিপূল সিকদারের পদোন্নতি হওয়ায় তিনি শনিবার জাতীয় বন্ধের দিনেও রাত অবধি এ উপজেলায় শেষ কর্মদিবস করে ৬ মাসের প্রশিক্ষনে ঢাকায় চলে যান।

    এর আগে রোববার দুপুরে বেতাগী প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয় সভা ডেকে এর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানোর পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন প্রেসক্লাবের ভঙ্গুর জায়গায় গণমাধ্যম কর্মির্প্রাতিবাদ কর্মসূচি পালন করে এবং পরবর্তীতে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় গিয়ে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

    প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশনেন,সাপ্তাহিক বিষখালী পত্রিকার সম্পাদক আব্দুস সালাম সিদ্দিকী, বেতাগী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টু,প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লায়ন শামীম সিকদার,সহ-সভাপতি সহকারি অধ্যাপক আবুল বাসার খান, বেতাগী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: মহসিন খান, দপ্তর সম্পাদক অলি আহমদ, দৈনিক গণকন্ঠের প্রতিনিধি প্রভাষক শাহাদাত হোসেন, দি কান্ট্রি টুডের প্রতিনিধি আরিফ সুজন, দৈনিক আমাদের সময় প্রতিনিধি সজল মাহামুদ, দৈনিক আজকের দর্পনের প্রতিনিধি খাইরুল ইসলাম মুন্না, বিশ্বমিডিয়ার প্রতিনিধি ইমরান হোসেন সহ অন্যান্যরা।

    তাছাড়াও এ ঘটনায় বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাডভোকেট মোস্তফা কাদের, সাধারণ সম্পাদক জাফর হাওলাদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সালে, কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর মৃধা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ করেন।

    নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান,বাজার থেকে স্বাভাবিকভাবে লোকজন চলে যাওয়ার পর ঐদিন রাতে উপজেলা ভ’মি অফিসের জনৈক কর্মচারি পাহারায় থেকে দাঁড়িয়ে লোক লাগিয়ে ভারী ভেকু মেশিন দিয়ে প্রেসক্লাবের ভবনভেঙে তছনছ করে ফেলে। এসময় অন্য কোন মানুষ ছিলোনা বলে তিনি এর প্রতিবাদ করেননি। ্

    স্থানীয় সাংবাদিকরা জনান, ১৯৮৫ সালে বেতাগী প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে তৎকালীণ সময়ে বরগুনা জেলা প্রশাসক, থানা নির্বাহী অফিসার,খাদ্য উপমন্ত্রী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দেও সহযোগিতায় বেতাগী খাসকাচারি মাঠের পূর্বপাশে জায়গা বাছাই করে। সেখানে প্রাথসিক পর্যায়একটি কাঠের ঘর উত্তোলন করে। সেখান থেকেই স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকান্ড সহায়তা প্রদান বিশেষ করে মহান ভাষা দিবসে সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে সকল কর্মসূচি পালন করতো।

    এক পর্যায়ে দুই তলা বিশিষ্ট প্রেসক্লাবের পাকা ভবন নির্মাণ কাজে হাত দেওয়া হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনকালে তৎকালীণ স্থানীয় সংসদ সদস্য, বরগুনা জেলা প্রশাসক, থানা নির্বাহী অফিসার, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    বেতাগী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম সিদ্দিকী বলেন, ভবনের পাকা করার পরেও তখনকার সময় প্রশাসনের পক্ষথেকে নোটিশ কিংবা কোন ধরনের বাঁধা দেওয়া হয়নি। এটা কি প্রশাসনের বৈধতা প্রদান ও সস্মতির অংশ নয়? তার পরেও যদি প্রশাসনের সরকারি কাজে জমির প্রয়োজন হয়। তা সাংবাদিকদের ডেকে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে রাতের আঁধারে না করে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে যেভাবে ভবনের কাজ শুরু করা হয়েছে। সে ভাবেই করা যেতো । তা হলে আজ মানুষের মনে কোন প্রশ্নের তৈরি হতোনা। এতে করে সাংবাদিক সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। আমরা কোন প্রতিহিংসার শিকার কিনা এ জন্য ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ ও প্রতিকার দাবি করছি।

    বেতাগী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: মহসিন খান অভিযোগ করেন, সেই থেকে ভবনের নির্মাণ কাজে দীর্ঘসময়ের প্রয়োজন ও সম্পন্ন না হওয়ায় বেতাগী পৌরসভার পক্ষথেকে কাজ সম্পন্ন করণে একটি টেন্ডারও দেওয়া হয়। যা এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কিন্ত পরিতাপের বিষয় গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাতের আঁধারে প্রেসক্লাবের ভবনটিতে সহকারি কমিশনার (ভুমি) বিপূল সিকদার নির্মমভাবে কুঠারাগাত করেন। ভবন ভাঙার আগে কোান না কোন সংবাদ কর্মিকে জানানোটা তাদের অধিকারের মধ্যে ছিলো। এর ফলে অধিকার হরণ ও সংবাদকর্মিদের ভাবর্মর্তি বিনষ্ট করা হয়েছে। সরকারি একজন শীর্ষ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসাবে তার বোধোদয় হওয়া উচিত ছিল।

    বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আহমদ এ ঘটনায় দু:খ প্রকাশ করে বলেন, তিনি যতটুকু জেনেছেন রাতের আঁধারে নয়, বিকেল থেকেই ভবনটি ভাঙা শুরু হয়ে তা অপসারণে রাত পর্যন্ত গড়িয়েছে। এর পরিত্যাক্ত মালামাল গুলো উদ্বার করে তা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। আর যা যা করা দরকার এবিষয়ে তিনি সব কিছুই করবেন।

  • যশোরের বাগআঁচড়ায় বিএনপি’র সহযোগিতায় ভি,ডব্লিউবির চাল পেলো ৩০৮ পরিবার

    যশোরের বাগআঁচড়ায় বিএনপি’র সহযোগিতায় ভি,ডব্লিউবির চাল পেলো ৩০৮ পরিবার

    আজিজুল ইসলাম,যশোর : যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নে ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট'(ভিডব্লিউবি)কর্মসূচির আওতায় ৩০৮ জন উপকারভোগী গ্রামীণ দুস্থ নারীদের মাঝে গত (জুলাই ও আগষ্ট) মাসের চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ইউনিয়নের ভি.ডাব্লিউ.বি কর্মসূচির ৩০৮ জন উপকারভোগীদের মাঝে এ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মিঠু,যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল কুদ্দুস বিশ্বাস।

    এ সময় তদারকি কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ট্যাগ অফিসার নাজমুল ইসলাম ও ইউপি সচিব মিলন হোসেন।

    ট্যাগ অফিসার নাজমুল ইসলাম জানান, চলমান ভি. ডাব্লিউ. বি কর্মসূচির আওতায় বাগআঁচড়া ইউনিয়নে ৩০৮ জন উপকারভোগী রয়েছেন। তাদের মাঝে সুন্দর ও সুষ্ঠ পরিবেশে গত জুলাই ও আগষ্ট মাসের ৩০+৩০=৬০ কেজি (জনপ্রতি) চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন,শাশা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন বাবু, শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক কবির হোসেন, শার্শা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান রিপন, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সেলিম হোসেন আশা, আলমগীর কবির, শার্শা উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) মো. নাজমুল হাসান, ইউপি সচিব মিলন হোসেন সহ ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রাম পুলিশ।