উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলা শিকারপুর মারকাযুল কারীম সামেলা মাজেদ কওমি মাদ্রাসার উদ্যোগে সীরাতুন্নবী সাঃ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার গৌরনদী, আগৈলঝাড়া,বাবুগঞ্জ, উজিরপুর উপজেলার ৪০ টি কাওমি মাদ্রাসার ৪ শত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সীরাতুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, হাম, নাতে রাসূল সাঃ, ক্বেরাত,গজল প্রবন্ধ ও আযান প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মীর সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরিচালক এ বি এম আব্দুর রহীম ,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জয়শ্রী মুণ্ডপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আব্দুল বাশার, আরজগুজার করেন কাওমি মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত মোহতামিম মুফতি সানাউল্লাহ সাহেব। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। এই সময়ে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী সহ ১২শত শিক্ষক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়রা সাংবাদিকদের কে জানান এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবক মিলনমেলা পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মীর সোহরাব হোসেন বলেন, প্রত্যেক বছর অত্র মাদ্রাসার উদ্যোগে প্রতিযোগিতা মূলক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষক ছাত্র ও অভিভাবকের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি আধুনিক কাওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রাখা হবে।
Blog
-

সুজানগর পৌরসভার ১৩০ জেলে পরিবার পেলো খাদ্য সহায়তা
এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার পদ্মা নদীতে মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা সুজানগর পৌরসভার দুঃস্থ ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের মধ্যে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে খাদ্যশস্য হিসেবে চাল বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুজানগর পৌর কার্যালয়ে এ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সুজানগর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম নবী,উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আমিরুল ইসলাম,কঞ্জারভেন্সি ইন্সপেক্টর হাসান উদ্দিনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম নবী জানান, সুজানগর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ স্যারের নির্দেশনায় সুজানগর পৌরসভার অন্তর্গত ১৩০জন জেলের প্রত্যেকের মাঝে ২৫ কেজি করে সরকারি এ চাল বিতরণ করা হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নূর কাজমীর জামান খান জানান, এবারে সুজানগর পৌরসভা সহ সুজানগর উপজেলার পদ্মা নদী তীরবর্তী ভাঁয়না, মানিকহাট,সাতবাড়িয়া,নাজিরগঞ্জ ও সাগরকান্দি ইউনিয়নের সর্বমোট ১২৫০ জন জেলের মধ্যে এ খাদ্যশস্য বিতরণ করা হবে।
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।
-

ইলিশ ধরায় সুজানগরে ২ জেলের কারাদন্ড
এম এ আলিম রিপন ঃ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাবনার সুজানগর উপজেলার পদ্মা নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে ২ জেলেকে ১ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। কারাদন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার সাতবাড়ীয়া নতুনপাড়া গ্রামের জনাব আলী মন্ডলের ছেলে মো. আকাশ মন্ডল ও একই এলাকার তৈয়জ উদ্দিন মন্ডলের ছেলে আব্দুল হালিম। সুজানগর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য বিভাগ থানা পুলিশের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার সাতবাড়ীয়া এলাকার পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে ওই ২ জেলেকে আটক করে। এ সময় তাদের থেকে প্রায় ৭০ কেজি জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।। -

সোনার বাংলা গড়ার কথা বলে আ’লীগ বাংলাদেশকে শ্মশানে পরিণত করেছে- জামায়াত আমীর
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইমলামীর আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগ দেশকে সোনার বাংলা গড়ার কথা বলে শ্মশানে পরিণত করেছে। একমাত্র আল্লাহ পাকই জালিমদের হাত থেকে বাংলাদেশের মানুষকে মুক্তি দিয়েছেন। বর্তমান অন্তর্বতীকালীন সরকার আল্লাহ পাকের নিয়ামত। তারা ভুল করলে ধরিয়ে দেব।
কিন্তু একগুয়েমি বরদাশত করবো না। শুরু থেকেই এই সরকারকে আমরা সহায়তা করছি। আমাদের নেতাকর্মীরা দেশে শৃংখলা বজায় রাখছে। তিনি বলেন, ছাত্র জনতার গনআন্দোলনে হাসিনা ও তার দোসররা পালিয়ে গেলেও ষড়যন্ত্র থেমে নেই। পর্দার আড়াল থেকে হাসিনা ও তার দোসররা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। জামায়াত আমীর বলেন, যে আল্লাহ জনগনের বুক থেকে ফ্যাসিষ্ট হাসিনাকে সরিয়ে দিয়েছে, সেই আল্লাহই তাদের ষড়যন্ত্র রুখে দেবে। জামায়াত আমীর বৃহস্পতিবার বিকালে ঝিনাইদহ শহরের উজির আলী স্কুল মাঠে এক বিরাট কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, আমাদের ১১জন দায়িত্বশীল নেতাকে বানানো সাক্ষি ও ক্যাঙ্গারুকোর্ট বসিয়ে পাতানো রায়ের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যার বিচারের জন্য জামায়াত লড়াই করে যাবে। জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আলী আজম মোঃ আবু বকরের সভাপতিত্বে সমাবেশ অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখনে কেন্দ্রীয় নেতা মোবারক হুসাইন, মাওলানা আজিজুর রহমান, ড. মাওলানা মুজাম্মেল হক, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাই, আব্দুল আলীম, আবু তালিব, ড. মাওলানা হাবিবুর রহমান, ছাত্র শিবিরের ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি মনিরুজ্জামান, মেহেদী হাসান রাজু ও এইচ এম আবু মুসাসহ জেলা উপজেলার জামায়াত নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।জামায়াত আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান বলেন, সাড়ে ১৫টি বছর আমরা দুঃশাসনের যাতাকলে পিষ্ট হয়ে বাসায় ঘুমাতে পারিনি, অফিসে বসতে পারিনি, আদালতে ন্যায়ের কথা বলতে পারিনি, খুন গুমের শিকার হয়েছি। কখনো মাঠে কখনো খালে বিলে নদীতে ঘুমাতে হয়েছে। আর ফ্যাসিষ্ট সরকারের জুলুমের পানি এক হয়ে এক একটা বঙ্গপোসাগরে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, হাসিনার মন্ত্রী এমপিরা বলেছিল তাদের সরকারের পতন হলে দেশে ৫ লাখ মানুষ মারা যাবে। তিনি জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, দেশে কি ৫ লাখ মানুষ মারা গেছে ? ৫ হাজার, পাঁচ’শ, পঞ্চাশ বা ৫ জনও মানুষ মারা যায়নি। তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! বাংলাদেশের মানুষ ফ্যাসিষ্ট না তা দায়িত্বশীল ও শান্তিকামী। প্রকৃতপক্ষে আ’লীগই ফ্যাসিষ্ট ও ষড়যন্ত্রকারী। তারা ক্ষমতায় এসে বার বার ষড়যন্ত্র করে। মানুষকে ধোকা দিয়েছে। যারা পালাবো না বলে দম্ভ করেছিল তারা প্রকৃতপক্ষে আল্লাহকে ভয় করেতা না। এ জন্য তারা অপকর্ম করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
তিনি বলেন আমাদের বার্তা স্পষ্ট। আমরা এমন এক সমাজ চাই, যে সমাজে কোন বৈষম্য থাকবে না। তিনি বলেন আমাদের সন্তানরা রাস্তায় নেমেছিল। তারা বলেছিল উই ওয়ান্ট জাস্টিস। আল্লাহ পাক যদি আমাদের দায়িত্ব দেন, তবে আমরা তাদের কথা রাখবো। আমরা ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়বো, যেখানে কোন যুবকের হাত খালি থাকবে না। সবাই পড়ালেখা শেষ করে চাকরী পাবেন। নৈতিক শিক্ষা বিস্তারে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহন করা হবে। আমরা তরুণদের হাতেই বাংলাদেশকে তুলে দেব। তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের গৃহবন্দি করা হবে বলে যে মিথ্যা অপপ্রচার রয়েছে তার জবাবে জামায়াত আমীর বলেন, দেশে যদি ইনসাফ ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্র কায়েম হয়, তবে নারীদের সমাজ উন্নয়নে ভুমিকা রাখার সুযোগ করে দেবে।
তারা কখনোই ঘরবন্দি থাকবেন না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, জালেম আ’লীগ সরকারের সিন্ডিকেটই এখন বাজারদর নিয়ন্ত্রন করছে। এই সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিতে হবে। জামায়াতের আমীর দুপুরে ২টা ৪০ মিনিটে মঞ্চে আসন গ্রহন করেন এবং ৩.১৮টায় বক্তব্য দিতে শুরু করেন। জামায়াতের এই কর্মী সমাবেশ উপলক্ষ্যে ঝিনাইদহ শহর লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে। সারা শহরে কোন তিল ধারণের ঠাই ছিল না। মানুষ দালান কোঠা, বাড়ির ছাদ ও আশপাশের গাছে উঠে জামায়ত আমীরের বক্তব্য শোনেন। সমাবেশে তিনি এক শহীদ পরিবারের শিশু সন্তানকে কোলে তুলে চিুম্বনে চুম্বনে ভরে দেন এবং কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ।। -

ঝিনাইদহে স্কুলছাত্রকে ডেকে নিয়ে হ*ত্যার অভিযোগে আদালতে মামলা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহে সোহান (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নগরবাথান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র সোহান ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের নগরবাথান গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় সোহানের পিতা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৩/৪ জনকে আসামি করে ঝিনাইদহের একটি আদালতে মামলা করেছেন। মামলার প্রধান আসামি সদর উপজেলার নগরবাথান গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে সাকিব (২৭) জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ। জানা গেছে, ১৮ সেপ্টেম্বর সাকিব ও তার অজ্ঞাত বন্ধুরা সোহানকে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ঢাকার ৩শ’ ফিটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ঘটনার দিন বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে সোহানের পিতা শহিদুল ইসলাম ছেলেকে বাড়িতে ফেরার জন্য ফোন করলে সোহান জানায়, সে খুব ঝামেলায় আছে। এরপর সোহানের পিতা সাকিবকে ফোন করে। এ সময় ফোন ধরে সাকিব গালিগালাজ করে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। ঘটনার কিছুক্ষণ পর রাজধানী ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে সোহানের পিতাকে ফোন করে দুর্ঘটনার খবর দেয়। খবর পেয়ে সোহানের পিতা বাবা হাসপাতালে যান এবং দেখতে পান সাকিবের দুই ফুফু ডায়রি খাতুন ও আরজিনা খাতুন সেখানে উপস্থিত। নিহত সোহানের পিতা অভিযোগ করেন হাসপাতালে থাকতেই খুনি সাকিবের পিতা আব্দুল আজিজ তাকে ফোন করে কোন ঝামেলা না করার জন্য হুমকি দেয়। এছাড়া সাকিবের ফুফা আরব আলী তাকে শিখিয়ে দেয় পুলিশ গেলে আমি যেন তাদের বলি সোহান দুর্ঘটনায় মারা গেছে। এদিকে সোহানের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামবাসি জানায়, সাকিবের ফুফু ডায়রি খাতুন ও আরজিনা ঢাকায় মানুষের দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রির ব্যবসা করে। এই অপকর্ম করে তারা ইতিমধ্যে ঢাকা ও ঝিনাইদহ শহরের একাধিক স্থানে বহুতল ভবন ও জায়গা জমি কিনেছেন। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তিনি সদ্য যোগদান করেছেন। তাই এ বিষয়ে তার জানা নেই।আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ।। -

নড়াইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নামে করা মানহানি মামলা খারিজ
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইলে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নামে করা মানহানি মামলা খারিজ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার যাদবপুর গ্রামের আশিক বিল্লাহ নামে ব্যক্তির দায়ের করা মানহানির মামলা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে নড়াইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের আইনজীবী ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইকবাল হোসেন শিকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় বাদী দাবি করেছিলেন, ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঢাকায় বিএনপির এক আলোচনা সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দেন। পরে তা বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত হয়। ঘটনার দুই দিন পর অর্থাৎ ২৭ ডিসেম্বর নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বসে সেই সংবাদ পড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষুব্ধ হন মামলার বাদী আশিক বিল্লাহ ও সাক্ষীরা। এতে তাদের এক কোটি টাকার মানহানি হয়।
পরে এ ঘটনায় আশিক বিল্লাহ বাদী হয়ে একই বছরের ২৯ ডিসেম্বর নড়াইল সদর আমলি আদালতে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নামে মানহানি মামলার আবেদন করেন। আদালত এটি আমলে নিয়ে নড়াইল সদর থানা-পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পুলিশ ২০১৬ সালের ২৯ অক্টোবর আদালতে গয়েশ্বরকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করে। তবে দীর্ঘদিন ধরে মামলার বাদী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আজ মামলাটি খারিজ করে দেয় আদালত।
মামলার আইনজীবী ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে নড়াইলে খালেদা জিয়ার নামে দুইটি এবং তারেক জিয়ার নামে করা একটি মামলা খারিজ হয়েছিল। -

ইউএনও’র ছোয়ায় বদলে যাচ্ছে ত্রিশাল,হাসি ফুটেছে মানুষের মুখে
স্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুয়েল আহমেদ নিজেকে একজন জনবান্ধবও মানবিক সরকারি কর্মকর্তা পরিচিতি লাভ করেছেন । এর মেধা কর্মদক্ষতা এবং প্রশংসার কথা শুনা যাচ্ছে মানুষের মুখে মুখে। তার ছোয়ায় যেন বদলে যাচ্ছে উপজেলার চিত্র।ভালো কাজ, ভালো ব্যবহার আর ভালোবাসা দিয়ে এরই মধ্যে জয় করে নিয়েছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মন। ক্ষমতাবান মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ দিনমজুর সবার কথা তিনি মনোযোগ সহকারে শোনেন।
তিনি ত্রিশাল উপজেলায় যোগদানের পর সরকারি বেসরকারি অফিস, ব্যাংক,বীমা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন দপ্তর গুলোতে ফিরে পেয়েছে কাজের গতি। উল্লেখিত প্রতিষ্ঠান গুলোতে তার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং সঠিক দিকনির্দেশনা অব্যাহত রয়েছে।
জানা গেছে,একযুগ ধরে ত্রিশাল পৌরবাজার থেকে চিকনা মোড় পর্যন্ত একটি সড়কের চরম বেহাল অবস্থায় ছিল! প্রতিদিন এই সড়কটি দিয়ে শতশত যানবহন সহ সাধারণ পথচারীরা যাতায়াত করতো। সড়কটির খানাখন্দের কারণে মানুষের দুর্ভোগের যেন শেষ ছিল না।কিন্তু বিগত সরকারের আমলে স্থানীয় জনপ্রতিনিরা সড়কটি সংস্কার করতে সক্ষম হয়নি !
পৌর প্রশাসক হিসেবে জুয়েল আহমেদ দায়িত্ব নেওয়ার পর তার নিরলস প্রচেষ্টায় এই সড়কের সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে।শীঘ্রই সড়কের উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত ঘটলে মালবাহী যানবাহন সহ হাজারো মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত পৌর প্রশাসকের এমন কর্ম তৎপরতা দেখে এলাকার মানুষ খুবই খুশি। এই মানবিক কর্মকর্তার এমন নিরলস প্রচেষ্টাকে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন পৌরবাসী। এছাড়াও পৌর সভার ৯টি ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে সকলকে পৌর কর পরিশোধের তাগিদ দিয়ে মাইকিং করা হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, শুধু পৌরসভা নয়,প্রতিনিয়ত উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কাজের ফাঁকে উপজেলার বারোটি ইউনিয়নের গ্রামাঞ্চলের রীতিমতো খোঁজখবর নিচ্ছেন। কোথাও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সাথে সাথে ছুটে যাচ্ছেন ঘটনাস্থলে।বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নিতেও দেখা গেছে।চলতি সময়ে সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ অফিসগুলোতে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছেন এই প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
এছাড়াও গত ২০২৩ এর ৩০ শে মার্চ উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের কাকচর নামাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মমতাজ উদ্দিনের শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে আহসান হাবীবের পাশে দাড়িয়ে তাকে হুইল চেয়ার উপহার দিয়ে বপশ আলোচনায় আসেন ত্রিশাল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) জুয়েল আহমেদ। দুই হাত ও পায়ের হাঁটুর উপর ভর দিয়ে চলাচলকারী প্রতিবন্ধী হাবিব চলাচল করতে না পারায় তার পক্ষে তার পক্ষে জিবীকা ও রোজগার করে সংসার চালানো কষ্টকর হতো। খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করতে হতো তাকে, ব্যাপারটি অবশেষে ধরা খেলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুয়েল আহমেদ এর মানবিক দৃষ্টিতে। তিনি দাড়ালের হাবিবের পাশে,বাড়িয়ে দিলেন সহযোগিতার হাত। তিনি তাকে হুইল চেয়ারটি উপহার দেওয়ায় হাবিবের পরিবার এখন খুশীর মহোৎসবে ভাসছে।২০২৩ সালের অক্টোবরে আকস্মিক ভারী বর্ষণে ময়মনসিংহের ত্রিশালের বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্ধী হয়ে পড়েছিলো মানুষ। উপজেলার শতশত বসত ঘরে পানি প্রবেশের ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হওয়াসহ হাজার হাজার একর জমির ফসল বিনষ্ট হয়েছিলো ত্রিশালের বিস্তীর্ণ এলাকায় ফিসারীগুলো, পানিতে ডুবে মৎস্য শিল্পের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছিলো। সেসময় টানা বর্ষণের ফলে এমন ক্ষয়ক্ষতির কথা শুনে সারাদিন পানিবন্ধী এসব এলাকার মানুষগুলোর খোজ নেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুয়েল আহমেদ। কোথাও গাড়ি নিয়ে আবার পায়ে হেঁটে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে পানিবন্ধী মানুষের দুঃখ, দুর্দশার কথা শুনছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার লক্ষে
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের ত্রান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগে কন্ট্রোল রুম খোলে
ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতির পরিমাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে সরকারি সহযোগিতা দেওয়ার ব্যবস্থা করেও পাশে দাঁড়িয়ে ইউএনও আলোচনার স্থান করে নেওয়াসহ জনসেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে স্বচ্ছতার সাথে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে নজির সৃষ্টি করেছেনসাফল্য হিসাবে তার প্রচেষ্টায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম দক্ষতার সাথে পরিচালকনা করার ফলে সম্প্রতি জাতীয় পর্যায়ে দেশের সেরা ইউনিয়ন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন উপজেলার কানিহারী ইউনিয়ন পরিষদ। এই মহৎ কাজে তিনি টিমলিডার হিসেবে সরাসরি ভাবে যুক্ত ছিলেন।
ত্রিশালের সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে-
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুয়েল আহমেদ এর একের পর এক কার্যকরী উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে যেন বদলে যাচ্ছে পুরো উপজেলার চিত্র। ৩৪ তম
বিসিএস প্রশাসনিক ক্যাডারে এ উত্তীর্ণ চৌকস ও মেধাবী এই কর্মকর্তা গত ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। তাঁর যোগদানের পর থেকেই উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড নবরূপে রূপান্তরিত হতে শুরু করেছে বলেও দাবী ত্রিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গণমানুষের মুখে-মুখে।উপজেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সাথে নিয়ে নিয়মিত কাজ করতে দেখা গেছে।
সামগ্রিক বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুয়েলআহমেদ বলেন, আমি কর্মে বিশ্বাসী। আমার দায়বদ্ধতা থেকেই এ সকল উন্নয়নমূলক কাজ করছি। এসব কাজে স্থানীয সকল জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দরা আমাকে সহযোগিতা করেছেন। যেহেতু ছাত্রজীবন থেকে মানবসেবার প্রতি আমার দুর্বলতা ছিল। বিসিএস প্রশাসনিক ক্যাডারে চাকরি হওয়ায়, নিজ দায়িত্ব থেকে মানবসেবা করার আরো বেশি সুযোগ পেয়ে যাই। প্রকৃতপক্ষে ভালো কাজ করলে সবাই সহযোগিতা করেন। সুতরাং যতটুকু পেরেছি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। জনগনকে হয়রানীমুক্ত সেবা দিতে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব স্বচ্ছতার সাথে করার চেষ্টা করছি। স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত জনপ্রশাসনকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে
সকলের দোয়া ও দোয়া অসহযোগীতা চেয়ে আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত রাখার মতামত ব্যক্ত করেন। -

রাজশাহী-১ আসনে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী তারেক
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি বিএনপির পরিক্ষিত নেতা এ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক। তিনি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে দলীয় মনোনয়ন পেতে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে ইতমধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছেন।
জানা গেছে, দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক যাবত ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপির নেতা ও কর্মীসমর্থকদের পাশে থেকে তিনি সাহায্য-সহযোগীতা করে আসছেন। এখানো তিনি তাদের পাশে থেকেই বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদারে ব্যাপক ভুমিকা রেখে আসছেন। বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে যে সকল নেতা এবং কর্মী-সমর্থকগণ জুলুম-নির্যাতনে আহত হয়েছেন তাদের চিকিৎসা ও যারা মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হয়েছেন, তাদের আইনি সহায়তা দিয়ে আসছেন তারেক। এমনকি রাজশাহীতে দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক তিনি বিএনপির বিভিন্ন ছোট-বড় কর্মসুচিতে আর্থিক সহযোগীতা করেছেন,এখানো করছেন।
এছাড়াও করোনাকালীন দুর্যোগের
সময়ে তানোর উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং গোদাগাড়ী উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৯ টি ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় তারেকের কর্মী বাহিনী খাবার সহায়তা নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে চলেছেন। তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলার একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত সবপ্রান্তেই তারেকের কর্মী বাহিনীর উপস্থিতি করোনা প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ও সাহসী করে তুলেছিল। সাধারণ মানুষকে শারীরিক দুরুত্ব বজায় রেখে নিজে নিরাপদ থেকে অন্যকে নিরাপদ রাখতে কি করনীয় সেই সম্পর্কে সাধারণ মানুষদের মধ্যে জনসচেতনা সৃস্টির লক্ষ্য তারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন।
তারেকের সেই অবদানের কথা সাধারণ মানুষ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছেন। বিএনপির এই হেভিওয়েট নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক করোনা যোদ্ধার স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন। স্থানীয়দের অভিমত সাংসদ নির্বাচিত হতে একজন প্রার্থীর যে ধরণের রাজনৈতিক,সামাজিক,পারিবািরক পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, ব্যক্তি ইমেজ, উন্নয়ন মানসিকতা, গ্রহণযোগ্যতা ও নেতৃত্বগুন ইত্যাদি প্রয়োজন তারেক সেই সব গুনের অধিকারী সম্পন্ন ব্যক্তি বা নেতৃত্ব। এসব বিবেচনায় বিএনপির দলীয় প্রার্থী হলে তাঁর বিজয় প্রায় নিশ্চিত।
তাকে একজন যোগ্য ও শক্ত প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির এক জৈষ্ঠ নেতা বলেন, তারা চান নৃতৃত্বের বিকাশ ঘটুক। তিনি বলেন, সেই বিবেচনায় এবার তারা পরিক্ষিত ও
নতুন নেতৃত্ব প্রত্যাশা করছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে এ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক বলেন, রাজশাহী-১ আসনে তিনি বিএনপির দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। তিনি বলেন, ভোটারদের মানসিকতা, তৃণমুলের মতামত ও প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা ইত্যাদি পর্যালোচনা করে মনোনয়ন দেয়া হলে তিনি মনোনয়ন পাবেন বলে শতভাগ আশাবাদী। তবে দলীয় সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত দল যে সিদ্ধান্ত তিনি সেটা মাথা পেতে মেনে নিবেন। -

জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে নলছিটিতে ৯০০০ জনকে এইচপিভি টিকা দেয়া হবে
ঝালকাঠি প্রতিনিধি : মোঃ নাঈম মল্লিক
স্কুলগামী অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বহির্ভুত কিশোরীদের জরায়ু মুখ ক্যন্সার প্রতিরোধে ঝালকাঠি জেলায় ৯ হাজার জনকে এইচপিভি টিকা দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শিউলী পারভীন মূল ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোকাম্মেল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন আক্তারসহ, সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।
নলছিটি উপজেলায় ২৫১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণি ও সমমানের ৯০০০ শিক্ষার্থীকে এ টিকা দেওয়া হবে। নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শিউলী পারভীন জানান, কিশোরিদের জরায়ু মুখে ক্যান্সার প্রতিরোধে ২৪অক্টোবর থেকে ২৪নভেম্বর পর্যন্ত মাসব্যাপী টিকা দেয়া হবে। টিকা গ্রহণকারীদের জন্মসনদের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এটি অত্যন্ত উন্নত মানের তাই দামও বেশি। বাজারের ফার্মেসীতেও এটি সহজলভ্য না। এ টিকা গ্রহণে তেমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা চাই ৯০০০ এর মধ্যে একজনও যেন বাদ না পড়ে। সকলকে এই ক্যাম্পেইন ছড়িয়ে দিতে হবে। সাংবাদিক ভাইয়েরা প্রচারের মাধ্যমে সহযোগিতা করবেন। -

সাবেক কৃষি মন্ত্রী ডক্টর আব্দুর রাজ্জাক গ্রেফতার হওয়ায় মধুপুর ও ধনবাড়িতে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ
আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে এলাকাবাসী।
সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটন এলাকা থেকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কর্তৃক তার গ্রেপ্তার হওয়ার খবর আসা মাত্র রাত ৯টার দিকে মধুপুরে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা গেছে।
মধুপুর বাসস্ট্যান্ডের আনারস চত্বরের সমাবেশে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট মোহাম্মদ আলীর সমর্থক গোষ্ঠীর সাবেক নেতাদের মধ্যে আব্দুল লতিফ পান্না, যুবদলের সাবেক নেতা আব্দুল মান্নান, সাবেক পৌরনেতা আসাদুজ্জামান সরকার আসাদ, ও সাবেক পৌর নেতা মাসুম বক্তব্য দেন।
ড. রাজ্জাক আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর ও ধনবাড়ী) আসন থেকে ২০০১ সালের পর টানা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত নবম সংসদে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দশম সংসদে অর্থ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং ২০১৮ সালের একাদশ সংসদে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। তবে শেখ হাসিনার সর্বশেষ মন্ত্রিসভায় তার স্থান হয়নি।
জুলাই-আগস্টে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনের পরিণতি এক দফা দাবির আন্দোলনে তোপের মুখে পড়ে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতন হয়। শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। আগের দিন ৪ আগস্ট আ.লীগের পক্ষে ড. রাজ্জাক সংবাদ সম্মেলন করে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন। কিন্তু ৫ আগস্ট সরকারের পতন হয়। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর আব্দুর রাজ্জাককে আর জনসম্মুখে দেখা যায়নি। এদিকে হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এমপি-মন্ত্রীসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
টাঙ্গাইল সদর থানা ও মধুপুর থানায় ড. আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। মামলা ও আটকের ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে তিনি গ্রেপ্তার হলেন।
