Blog

  • উজিরপুরে গভীর রাতে সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদক দ্রব্যসহ ১জন গ্রেফতার

    উজিরপুরে গভীর রাতে সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদক দ্রব্যসহ ১জন গ্রেফতার

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের জেলার উজিরপুর উপজেলায় সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদক দ্রব্য গাজা ও ইয়াবা সহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

    উজিরপুর অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় , ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার রাত ১ টার দিকে উপজেলার পৌর সদরের ৫ নং ওয়ার্ডের বেলতলা নামক স্থানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর ফয়সাল ও ক্যাম্প কমান্ডার  লেফটেন্যান্ট মাহফুজের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় উজিরপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের মৃত মনসুর আলী বেপারীর ছেলে আব্দুল হালিম বেপারী(৪০) কে  ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট  ও ১৫০ গ্রাম গাজা সহ গ্রেফতার করে উজিরপুর মডেল  থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

    উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ, মোঃ মিজানুর রহমান জানান, মাদকসহ সেনাবাহিনী আব্দুল হালিম বেপারীকে হস্তান্তর হয়েছে, এ বিষয়ে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে জেল হাজতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

  • ভালো কাজের শ্রেষ্ঠ পুরষ্কার পেলেন ওসি শফিকুল ইসলাম খান

    ভালো কাজের শ্রেষ্ঠ পুরষ্কার পেলেন ওসি শফিকুল ইসলাম খান

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান শ্রেষ্ঠ অফিসার্স ইনচার্জ হওয়ায় পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট পেয়েছেন।

    সোমবার (২১ অক্টোবর ) ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভায় তার হাতে এ ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

    মাসিক কল্যান সভায় কোতোয়ালি এলাকায় শান্তিপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা, পলাতক আসামি গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার ও ডাকাত দমনসহ চৌকস ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে শ্রেষ্ঠ অফিসার্স ইনচার্জ হিসেবে পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ আজিজুল ইসলাম ওসি
    মোঃ সফিকুল ইসলাম খান এর হাতে পুরষ্কার হিসেবে এ ক্রেস্ট তুলে দেন।

    জানা গেছে, কোতেয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি সফিকুল ইসলাম বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর সারাদেশে ওসিদের ন্যায় ময়মনসিংহ জেলার ওসিদের বদলী করার পর কোতোয়ালী এলাকার আইন শৃঙ্খলা ভেঙ্গে পড়েছিলো তখন দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। যোগদানের পর থেকেই কোতোয়ালীবাসীকে আইনি সেবা নিশ্চিত করতে সাধারণ মানুষের জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।

    সুত্র জানিয়েছে-চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল, চোরাই মালামাল উদ্ধার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ পুরস্কার পান তিনি।

    জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার ভালো কাজে সহকর্মীদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য প্রতি মাসেই এ পুরস্কারের আয়োজন করে থাকেন।

    পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপারেশন) শামীম হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ফাল্গুনী নন্দী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম মোহাইমেনুর রশিদ সহ অন্যান্য সার্কেল কর্মকর্তা ও ওসিবৃন্দ।

    কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান জানান, ভালো কাজের মূল্যায়ন হিসেবে পুরষ্কারটি থানার প্রতিটি পুলিশ সদস্যের সহযোগিতায় অর্জন। এ অর্জন ও সফলতার অংশীদার এ থানার সবাই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রেখে কোতোয়ালী এলাকায় সব ধরণের অপরাধ কমিয়ে আনতে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাবো ও অপরাধ দমনে হবো কঠোর।

  • সুজানগরের সাগরকান্দিতে বিএনপির দু’গ্রুপের সহিংসতা এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি

    সুজানগরের সাগরকান্দিতে বিএনপির দু’গ্রুপের সহিংসতা এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি

    এম এ আলিম রিপনঃ সুজানগর উপজেলা ও আমিনপুর থানার অন্তর্গত সাগরকান্দিতে একই স্থানে একই সময়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সমাবেশের ডাক দেয়ায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার দুপুর ১২টা থেকে এদিন রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা বলবত থাকবে। ১৪৪ ধারার আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো সাগিরকান্দি বাজার, খলিলপুর, শ্যামগঞ্জ এবং তালিমনগর। সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    আমিনপুর থানা অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। কেউ আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটনানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুস সালাম মোল্লা এবং স্থানীয় যুবদল নেতা তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন দুইটি গ্রুপ সাগিরকান্দি বাজারে পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক দেন। এই নিয়ে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আব্দুস সালাম মোল্লা কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের এবং তরিকুল ইসলাম পাবনা-২ আসনের সাবেক এমপি সেলিম রেজা হাবিবের সঙ্গে রাজনীতি করেন বলে জানা গেছে।
    সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানান, আমরা জানতে পেরেছি দুইটি পক্ষ সেখানে একই সঙ্গে সমাবেশ ডেকেছে। আমাদের কাছে খবর আছে দুইদিন আগেও সেখানে সংঘর্ষের মতো ঘটনা ঘটেছে। সমাবেশটি কে বা কারা ডেকেছে উল্লেখযোগ্য কোন নেতা বা কোন প্যাডে প্রকাশনের কাছে কোট চিঠি দেয়নি। তারা থানাতে বিধি মোতাবেক অবহিত করেনি। তাই স্থানীয়ভাবে একটি জটিলতা তৈরি হয়েছে, সেখানে জননিরাপত্তা হুমকিতে পড়তে পারে বলে সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
    স্থানীয় যুবদল নেতা তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং এলাকায় চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে আমরা কয়েকদিন আগে প্রশাসনকে অবহিত করেই সমাবেশ ডেকেছিলাম। কিন্তু আজকে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।’
    তবে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুস সালাম মোল্লা দাবি করে বলেন, ‘আমরাই আগে থানা পুলিশকে অবহিত করছিলাম সেখানে সমাবেশ করবো। এরপর তারা সমাবেশ ডেকেছে। এখন প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।

  • সাংবাদিকতার নাম করে অপসাংবাদিকতা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না

    সাংবাদিকতার নাম করে অপসাংবাদিকতা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    সুস্থ ধারার সাংবাদিকতা ও পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনার দৃড় সংকল্প ব্যাক্ত করেছেন ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ। সোমবার দুপুরে নির্বাহী কমিটির এক সভায় এই সংকল্প ব্যাক্ত ব্যক্ত করেন সিনিয়র সাংবাদিকরা এ উপলক্ষ্যে নির্বাহী কমিটির এক সভা ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ কাজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে একুশে টিভি ও দৈনিক জনকন্ঠের এম রায়হান, এটিএন বাংলার নিজাম জোয়ারদার বাবলু, দৈনিক কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি এম সাইফুল মাবুদ, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আজাদ রহমান, বৈশাখী টিভির রফিকুল ইসলাম মন্টু, দৈনিক দেশ রুপান্তরের রবিউল ইসলাম রবি, বাংলাভিশনের আসিফ ইকবাল মাখন, বাংলাদেশ অবজারভারের আবু জাফর রাজু, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সাদ্দান হোসেন, বার্তাবাজারের খায়রুল ইসলাম নীরব ও সোনালী খবরের কামরুজ্জামানান লিটন বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন। সভায় বক্তগন বলেন, সুস্থ ধারার সাংবাদিকতা করলে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব তার সঙ্গে থাকবে এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহায়তা করবে। কিন্তু সাংবাদিকতার নাম করে অপসাংবাদিকতা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, সে যেই হোক। সভায় সময়ের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র সংশোধন ও ক্লাবের চলমান উন্নয়ন পক্রিয়া বজায় রাখতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • নড়াইলে জামিনে বেরিয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হত্যার হুমকির অভিযোগ

    নড়াইলে জামিনে বেরিয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হত্যার হুমকির অভিযোগ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
    নড়াইলে প্রতারণা মামলার আসামি সেলিম আজাদ (৩৫) ১ মাস ৯ দিন কারাভোগ করে জামিনে বেরিয়ে এসে মামলা তুলে নিতে বাদী ও তার স্ত্রীকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    হুমকির কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগী বাদী ও তার স্ত্রী প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা মনিনুন্নাহার। প্রতারক সেলিম আজাদ মাগুরা জেলার সংকোচ খালী এলাকার আক্তার বিশ্বাসের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, লোহাগড়া উপজেলার হেচলাগাতী এলাকার মবকুল শেখের ছেলে পলাশ শেখকে সৌদি আরবের একটি কম্পানিতে ৬০ হাজার টাকা বেতনে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে ৮ লক্ষ টাকা দাবি করে প্রতারক সেলিম। সেলিম মামলার বাদীকে বলে প্রথমে ৬ লাখ টাকা দিতে হবে বাকি টাকা ভিসা আসিলে ফ্লাইট এর সময় দিতে হবে। তখন সেলিমকে বিশ্বাস করে ৬ লাখ টাকা প্রদান করে। এ সময় সেলীম তার নিজ নামীও ১শ’ টাকার ৩ টি নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প এ একটি লিখিত দেয় যে সৌদি আরবে পাঠাতে না পারলে ৬ লক্ষ ফেরত দিবে। টাকা না দিলে সেলীমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারিবে। তখন সেলীম জানায় আগামি ২ মাসের মধ্যে ফ্লাইট হয়ে যাবে। এই বলে প্রতারক সেলিম টাকা নিয়া চলে যায়। পরে দুই মাস হলেও ভিসা আর বাদীকে দিতে পারেননি শুধু ঘুরাতে থাকে। পরবর্তী তার কাছে পাওনা ৬ লক্ষ টাকা চাইতে গেলে সেলিম টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে ও পলাশকে খুন ও মারত্মক জখম করবে বলে হুমকি প্রদান করেন। পরে পলাশ শেখ বাদী হয়ে এপ্রিল মাসের ২৪ তারিখে নড়াইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে প্রতারণা মামলা দায়ের করেন। পরে নড়াইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে প্রতারক সেলিম আজাদ উপস্থিত হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ বিচারক সাবরিনা চৌধুরী জামিন নামুঞ্জর করে তাকে কারাগারে পাঠায়। কারাগারে ১ মাস ৯ দিন কারাভোগ করে জামিনে বেরিয়ে এসে মামলা তুলে নিতে বাদী ও তার স্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেয়।

    মামলার বাদী পলাশ শেখ জানান,‘মামলা তুলে নিতে আমাকেও আমার স্ত্রী মনিনুন্নাহারকে প্রতিনিয়ত হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে সেলিম আজাদ। তার ভয়ে আমার স্ত্রী স্কুলেও যেতে সমস্যা হচ্ছে। এখন আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’#

  • নড়াইলে ঘরে ঢুকে হিন্দু স্কুল শিক্ষিকা সবিতা রাণী বালাকে হ*ত্যা

    নড়াইলে ঘরে ঢুকে হিন্দু স্কুল শিক্ষিকা সবিতা রাণী বালাকে হ*ত্যা

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের ঘরে ঢুকে হিন্দু স্কুল শিক্ষিকা সবিতা রাণী বালাকে হত্যা। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে সবিতা রাণী বালা (৫০) নামে এক স্কুল শিক্ষিকাকে হত্যা করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (২০ অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতের যেকোনো এক সময়ে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সবিতা রাণী বালা উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের পরিতোস কুমার মন্ডলের স্ত্রী এবং চর-দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
    নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সবিতা রাণী বালা স্কুল শিক্ষক থাকার কারণে তিনি গভীর রাত পর্যন্ত ঘরে বসে ল্যাপটপে কাজ করতেন। তার স্বামী বাড়িতে থাকা মন্দিরে পূজা-আর্চনা করে পাশের ঘরে ঘুমিয়ে থাকেন। রোববার (২০ অক্টোবর) রাতে দৈনন্দিন কাজ শেষে প্রতিদিনের মতো রাতে ঘরে একা ঘুমিয়ে ছিলেন ওই স্কুল শিক্ষিকা। তার স্বামী বাড়ির অন্য ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাতে পরিতোষ মন্ডল টয়লেটে যাওয়ার জন্য বের হতে গেলে বাহির পাশ থেকে ঘরের দরজার ছিটকিনি লাগানো দেখেন পরে তিনি সবিতা রাণিকে ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পান। পরে প্রতিবেশি ভাই সন্তোষ মন্ডলকে ফোন করলে তার ঘরের ছিটকিনি ও বাহির থেকে বন্ধ পেয়ে পেছন দরজা দিয়ে বের হন। পরে সবাই মিলে সবিতা রাণীর ঘরে গিয়ে তার হাত পা বাঁধা মরদেহ দেখতে পান।
    ধারণা করা হচ্ছে, রাতের যেকোনো সময় চুরির উদ্দেশ্যে সিঁধ কেটে ঘরে ঢোকে চোরের দল। ওই নারী তাদের চিনে ফেলায় তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এসময় ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো করে সবিতা রাণী বালার ব্যবহৃত ল্যাপটপ হাতে ও গলায় ও কানে পরিহিত স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২১ অক্টোবর) ভোরে খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

    এ বিষয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আশিকুর রহমান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া এ ঘটনা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ত্রিশাল দলিল লিখক সমিতি নির্বাচনে সাইকেল প্রতীক নিয়ে ফের সভাপতি হতে পারে শরীফ

    ত্রিশাল দলিল লিখক সমিতি নির্বাচনে সাইকেল প্রতীক নিয়ে ফের সভাপতি হতে পারে শরীফ

    স্টাফ রিপোর্টার,
    আগামী ২৭ শে অক্টোবর ময়মনসিংহ ত্রিশালে সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দলিল লিখক সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনকে ঘিরে হঠাৎ করেই পাল্টে গেছে ত্রিশাল সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও দলিল লিখক সমিতি এলাকার দৃশ্য ও পরিবেশ। ক্রমেই জমে উঠছে নির্বাচন। প্রার্থীদের ভোট চেয়ে গণসংযোগ, প্রচারে এখন ভিন্ন আমেজের সৃষ্টি হয়েছে। ভোটারদের মাঝে হ্যান্ডবিল দিয়ে প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে রয়েছেন কর্মী-সমর্থকরা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সমিতির উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছেন, দোয়া চাইছেন প্রার্থীরা। অনেকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গেরও
    অভিযোগ উঠেছে।

    রবিবার ২০শে অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই প্রার্থীরা নিজেদের নির্বাচনী প্রচার ও গণসংযোগ শুরু করেন। চষে বেড়ান সমিতির নির্বাচনী এলাকা। দিনভর কাটান ব্যস্ত সময়। তারা ভোটারদের খোঁজে যাচ্ছেন বাড়ি, অফিসসহ বিভিন্ন হাট বাজার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। তারা ভোটারদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করে তাদের সঙ্গে কথা বলেন, ভোটারদের নানা প্রতিশ্রুতি দেন। তারা বিভিন্ন কৌশলে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন।

    এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে তিনবারের নির্বাচিত সদ্য সাবেক সভাপতিসহ ৪জন প্রার্থী রয়েছে। তারা ভোটের হিসাব নিকাষ করে প্রতিটি মুহূর্ত ও বিষয়কে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন। বিভিন্ন মতবিনিময় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন ভোটারদের খুশি করার জন্য। সাধারণ সম্পাদক পদেও সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদকসহ ৪জনসহ ১৩ সদস্য বিশিষ্ট সমিতির কমিটিতে স্থান পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রায় দ্বিগুন প্রার্থী।

    তবে চতুর্থবারের মত বিজয় নিশ্চিত করতে
    বসে নেই সভাপতি প্রার্থী ও তিনবারের সদ্য সাবেক সভাপতি শরিফুল ইসলাম সরকার। কর্মী সমর্থকদের নিয়ে তিনি সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় এলাকা হতে গণসংযোগ শুরু করেন। তিনি তার সাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। ঘুরছেন বিভিন্ন হাট বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এলাকায়। এসময় তিনি সমিতির গত তিন মেয়াদে করা উন্নয়নের কথা জানান দিয়ে এবার নির্বাচিত হয়ে আগামীর উন্নয়নের নানা আশ্বাস দিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেছেন। এর আগে সমিতির কোন সদস্য মৃত্যুর পর তার মৃত্যুকালীন ভাতার সুবিধা করাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন ও সদস্যদের সুবিধা করে দিয়েছিলেন শরীফুল ইসলাম সরকার। সমিতির পথ চলার পর থেকে তিনিই সদস্যদের জন্য এমন সুবিধা করে দিয়ে দলিল লিখকদের আস্থাভাজন হয়ে উঠেন,কোন সদস্য অসুস্থ হলেও তার পাশে দাঁড়ান, তার এসব মানবিকতার জন্য সমিতির সদস্যরা বার-বার তাকে নির্বাচিত করেন। এবারও তার প্রতিই ভোটের পাল্লা ভারী বলে জানিয়েছেন ভোটাররা।

    এ ছাড়া সভাপতি পদের অন্য প্রার্থীসহ সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষসহ অন্যান্য প্রার্থীরাও নিজেদের নির্বাচনী গণসংযোগ চালিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চেয়ে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন।

  • হরিপুর কুলিক নদীতে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশী নাগরিকের লা*শ ২২ পর ফেরত দিলো বিএসএফ

    হরিপুর কুলিক নদীতে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশী নাগরিকের লা*শ ২২ পর ফেরত দিলো বিএসএফ

    আনোয়ার হোসেন হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ
    ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর ভাতুরিয়া সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফএর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে কাউসার আলী (১৮) নামে বাংলাদেশী এক যুবকের লাশ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। সে হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া রামপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে। ২১অক্টোবর বিকাল ৫টায় ভাতুরিয়া সীমান্তে ৩৪৭/৩ এস পিলার এলাকায় বিজিবি-বিএসএফ এর পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা বৈঠক শেষে ভারতীয় বিএসএফ ও পুলিশ, বাংলাদেশ বিজিবি ও পুলিশের নিকট লাশ হস্তান্তর করেন। পরে হরিপুর থানা পুলিশ মৃত কাউসারের লাশ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেন। এতে বাংলাদেশের পক্ষে নেতীত্ত্বদেন হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি শরিফুল ইসলাম ও ৪২ বিজিবির চাপাসার বিওপির কমান্ডার নায়েব সুবেদার শওকত আলী। এবং ভারতের পক্ষে দেন উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার এসআই রক্তিম সিনহা রায় ও মহেসগাঁও বিএসএফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার টিকে সিং। উল্লেখ্য যে, গত ২৯ সেপ্টম্বর দুপুর ১ টার সময় সীমান্তে ৩৪৬/১৮নং পিলার এর নিকট কুলিক নদিতে গ্রামের সহপাটিদের সাথে গোসল করতে গিয়ে কাউসার আলী পানিতে ডুবে যায় এবং প্রচন্ড স্রোতে ব্রীজের নিচ দিয়ে ভারতের চলে যায়। কয়েক দিন পরে ভারতের অভন্তরে নদীতে তার লাশ ভেসে উঠে। সংবাদ পেয়ে মৃতের পিতা রমজান আলী লাশ ফেরতের জন্য বিজিবির সাথে যোগাযোগ করে। মৃতদেহ ভারতের রায়গঞ্জ থানা কর্তৃক ময়না তদন্ত ও দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষে ২২ দিন পর তার লাশ বিজিবি-বিএসএফ এর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মৃতের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • কাজিরহাট -আরিচা নৌ-রুটে স্পীডবোট চলাচল বন্ধ, বাড়ছে জনদুর্ভোগ!

    কাজিরহাট -আরিচা নৌ-রুটে স্পীডবোট চলাচল বন্ধ, বাড়ছে জনদুর্ভোগ!

    সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ): রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলা থেকে কম সময়ে রাজধানী ঢাকা যাতায়াত করতে কাজিরহাট-আরিচা নৌ-রুটের যাত্রীরা স্পিডবোট ব্যবহার করতেন।

    পাবনা-মানিকগঞ্জের ব্যবসায়ীরা এসব স্পিডবোট নিয়ন্ত্রণ করতেন। জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট ২০২৪ইং তারিখে সরকার পতনের পর স্পিডবোটের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মালিক, চালক ও কর্মচারীদের কোনো খোঁজ খবর নেই। এখন সেগুলো যমুনা নদীর চরসহ বিভিন্ন চরে বা নদী নালায় মূর্তির মত পড়ে আছে। এতে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন এই নৌ-রুটে চলাচলকারী যাত্রীসাধারণ।

    এদিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বাহনগুলোর রুট পারমিট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, প্রক্রিয়া শেষ হলেই নতুন করে স্পিডবোট চালু হবে ইনশাআল্লাহ।

    উক্ত বিষয়ে অনেকেই জানান, পাবনা থেকে যমুনা সেতু হয়ে রাজধানীতে যেতে সময় লাগে প্রায় ৫-৬ ঘন্টা। আবার যানজট থাকলে তা ১০-১২ ঘন্টা পর্যন্ত সময় লেগে যায়। অথচ পাবনা হতে কাজিরহাট ফেরিঘাট থেকে স্পিডবোটে যমুনা নদী পার হয়ে মানিকগঞ্জের আরিচা ঘাট দিয়ে ঢাকা যাতায়াতে সময় লাগে সর্বোচ্চ চার ঘন্টার মতো। স্পিডবোটগুলো বন্ধ থাকায় যাত্রীরা দ্রুত ঢাকা যাতায়াত করতে পারছেন না। ৫ আগস্টের আগে দুই পাড়ে লোকজনের মালিকানায় ১২-১৮ আসনের দুই শতাধিক দুই ধরনের স্পিডবোট চলাচল করতো।

    সরজমিনে ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, স্পিডবোটগুলো বন্ধ থাকায় যাত্রী ও ঘাটের দোকানদার, সিএনজি চালক, স্পিডবোটের চালক কর্মচারীরা কষ্টে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

    স্পিডবোট চালক বাপ্পি, হাসানসহ অনেকেই জানান, প্রায় দুই মাসের বেশি সময় ধরে কাজিরহাট থেকে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ আছে। যার ফলে চালকসহ সংশ্লিষ্টরা বেকার হয়ে বসে আছেন। তারা জানান, কাজ না থাকায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। এ পথে নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রী সরকারি চাকরিজীবী আশরাফুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি ঢাকায় চাকরি করেন, বিভিন্ন সময় জরুরি কাজে পাবনার বাড়িতে যেতে সে সময় কুইক সার্ভিস বা স্পিডবোট ব্যবহার করতেন, কম সময়ে যাতায়াত করার জন্য।

    ঢাকা জেলার “সাভার সরকারি কলেজের প্রথম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব শেখ” বলেন, গত ৫ আগষ্টের পর থেকে স্পিডবোট সার্ভিস বন্ধ থাকায় অসুবিধায় পড়তে হয়, গ্রামের বাড়ি পাবনার কাজিরহাট ফেরিঘাট থেকে স্পিডবোটে আরিচা আসতে ১৮-২০ মিনিট সময় লাগতো এখন দেড় থেকে ২ ঘন্টা সময় লাগে নদী পাড়াপাড় হতে, তিনি আরো বলেন, আমরা শিক্ষার্থীরা দেশ স্বাধীন করে কি পেলাম নতুন করে আরো সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এই শিক্ষার্থী।

    কাজিরহাট ঘাটে চা-দোকানদার আব্দুল বাতেন বলেন, ‘গত ৫ আগষ্টের পরের দিন থেকে স্পিডবোট বন্ধ থাকায় এই পথে যাত্রী পারাপার খুবই কমে গেছে, অল্প যাত্রী আসেন, তারা লঞ্চ দিয়ে পারাপার হোন, এর ফলে বেচা বিক্রি কম, ব্যবসা নাই। তিনি আরো বলেন, যখন স্পিডবোট চলাচল করতো তখন দিনে ৫-৬ হাজার টাকা বিক্রি হতো, আর এখন দিনে বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১০০০-১৫০০/টাকা। এ অবস্থায় ব্যবসা করে টিকে থাকা মুশকিল।

    সিএনজি চালক নাসিম ও আকরাম হোসেন বলেন, স্পিডবোট বন্ধ থাকায় এই রোডে যাত্রী খুবই কম, ফলে তাদের ট্রিপ কমে গেছে, সারাদিন দুই একটি ট্রিপ ভাগে পড়ে, তাই বাধ্য হয়ে অন্য রোডে গাড়ি চালাচ্ছেন তারা।

    কাজিরহাট ঘাট এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রইচ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, এই ঘাটে বিগত দিনে দুই পাড়ের কতিপয় আওয়ামী লীগ নেতা স্পিডবোটগুলো ও ব্যবসা পরিচালনা করতেন। গত ৫ আগস্টের পর জনরোষের ভয়ে স্পিডবোটগুলো ফেলে তারা আত্মগোপনে আছেন।

    বিআইডব্লিউটিএর নগরবাড়ী-কাজীরহাট কার্যালয়ের পোর্ট কর্মকর্তা মো. আব্দুল ওয়াকিল গণমাধ্যমকে বলেন, ৫ আগষ্ট থেকে প্রায় দুই মাসের বেশি সময় ধরে কাজিরহাটে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সংশ্লিষ্ট বোট মালিক ও ইজারাদারের রুট পারমিট বাতিলের কথা লোক মারফত জানানো হয়, কিন্তু কেউ সাড়া দেননি। এখন নতুন করে দ্রুত রুট পারমিট দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। তখন এসব স্পিডবোট চলাচল করতে পারবে বলে তিনি দাবি করেন।

  • পঞ্চগড়ে আবাসিক হোটেল থেকে ম্যানেজারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    পঞ্চগড়ে আবাসিক হোটেল থেকে ম্যানেজারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    মোঃবাবুল হোসেন , পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আবু সাঈদ (২৩) নামে দোয়েল আবাসিক হোটেল থেকে ম্যানেজারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে তেঁতুলিয়া থানা পুলিশ। আবাসিকের একটি কক্ষে ফ্যানের সাথে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

    ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (২০ অক্টোবর) মধ্যরাতে তেঁতুলিয়া উপজেলার চৌরাস্তা বাজার এলাকায় দোয়েল আবাসিক হোটেলের কক্ষে। তিনি মমিনপাড়া গ্রামের হাফেজ মৃত হাসান আলীর ছেলে বলে জানা গেছে।

    দীর্ঘদিন থেকে আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শনিবার রাতে হোটেল মালিক মনিরুজ্জামান তুষার ম্যানেজারের রুমের দরজার ভিতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকি করে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি আশপাশের লোকজনসহ থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে।

    পারিবারকি সূত্রে জানা যায়, বাড়ির কাউকে কিছু না বলে সবার অগোচরে দোয়েল আবাসিকের রুমের ভিতরে ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে কেন ফাঁসি লাগিয়েছে এ ব‍্যাপারে কিছু বলতে পারেনি। ৩নং তেতুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ করিম সিদ্দিক মৃত‍্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসাপাতালে প্রেরণ করেছেন।

    এ ব্যাপারে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবীর চন্দ্র সরকার জানান, আত্মহত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থনে গেলে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান তিনি।