Blog

  • র‌্যাব-১২ কর্তৃক সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানার শিশু ধর্ষণের চেষ্টা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ কর্তৃক সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানার শিশু ধর্ষণের চেষ্টা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ১৭ আগস্ট ২০২৪ তারিখ আনুমানিক ০১.৩০ ঘটিকায় বাদী জোসনা খাতুন এর মেয়ে মোছাঃ মদিনা খাতুন (৯), প্রতিবেশি সাইদুলের মেয়ে শাপলা (৭) এবং চান্দুর মেয়ে আলমিনা (৯) সহ সকলেই আসামি ময়নাল এর বাড়ীর পাশের্^ খেলাধুলা করছিল। এরপর আসামি শিশু ভিকটিম মদিনা খাতুনসহ তার বান্ধবীদেরকে জোলামানি খাওয়ার কথা বলে তার নিজ শয়ন কক্ষে নিয়ে যায়। এরপর আসামি শিশু ভিকটিম মদিনা খাতুনের বান্ধবী শাপলা ও আলমিনাদ্বয়কে তার শয়ন কক্ষ হতে বের করে দেয় এবং শিশু ভিকটিম মদিনাকে তার শয়ন কক্ষের মধ্যে রেখে দেয়। একপর্যায়ে আসামি তার শয়ন কক্ষের দরজা লাগিয়ে দিয়ে শিশু ভিকটিম মদিনা খাতুনের সাথে জোরপূর্বক ধস্তাধস্তি করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে উল্লাপাড়া থানায় একটি শিশু ধর্ষণ চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১০, তারিখ- ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ, ধারা- ৯(৪)(খ) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/০৩)।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় মোহাম্মদ কামরুজ্জামান পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় গত ২১ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিঃ বিকাল ০৫.৩৫ ঘটিকার সময় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি এবং র‌্যাব-১, সিপিএসসির একটি চৌকস আভিযানিক দল ‘‘গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানাধীন বহেরাচালা নতুন বাজার এলাকায়” একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত শিশু ভিকটিমকে ধর্ষণের চেষ্টা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি ময়নালকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামি ১। মোঃ ময়নাল (৪০), পিতা- মৃত আব্দুস সাত্তার, সাং- মৈত্রপাড়া বড়হর, থানা- উল্লাপাড়া, জেলা-সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • সংবাদ প্রকাশের জেরে দোয়ারাবাজারে সাংবাদিকের উপর হামলা, আটক ২

    সংবাদ প্রকাশের জেরে দোয়ারাবাজারে সাংবাদিকের উপর হামলা, আটক ২

    হারুন অর রশিদ।।

    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::
    সংবাদ প্রকাশের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন এশিয়ান টেলিভিশনের সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ও দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব এনামুল কবির মুন্না। এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন উপজেলার গিরিশনগর গ্রামের মানিক মিয়ার পুত্র জসিম উদ্দিন ও টিলাগাও গ্রামের মৃত হারুন মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ রাজিব মিয়া।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় ১ বছর পূর্বে বিবাদী জসিম উদ্দিনের অপকর্মের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিক মুন্না। যার প্রেক্ষিতে প্রশাসন জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় ক্ষুদ্ধ হয়ে জসিম উদ্দিন সাংবাদিক মুন্নাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হন্য হয়ে খোঁজে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সংবাদকর্মী মুন্না একটি প্রয়োজনীয় কাজে বাড়ি থেকে দেয়ারাবাজার যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলে গিরিশনগর গ্রামে পৌছামাত্র বিবাদী রাজীব ও জসিম উদ্দিনসহ অজ্ঞাত বেশ কয়েকজন এসে তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। রামদা, লোহার রড, লাঠি-শোঠা নিয়ে তাকে প্রানে মারার উদ্দেশ্য এলাপাতাড়ি মারপিট শুরু করে। এতে গুরুতর জখমসহ মারাত্মকভাবে আহত হন সাংবাদিক মুন্না। পরবর্তীতে প্রান বাঁচাতে চিৎকার দিলে পথচারীসহ স্থানীয়রা তাকে আসামীদের হাত থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দোয়ারাবাজার সরকারি হাসপাতালে প্রেরণ করে। জখমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এদিকে আসামীরা এ বিষয়ে কোন মামলা বা আইনের আশ্রয় নিলে সাংবাদিক মুন্না ও পরিবারের মানুষকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি প্রদান করে। তাই নিজ ও পরিবারের মানুষের নিরাপত্তার আশায় দোয়ারাবাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। এরই প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত দুই আসামীকে গ্রেফতার করে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ।

    এ ব্যপারে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদুল হক জানান, সাংবাদিক এনামুল কবির মুন্নার উপর হামলার ঘটনার একটি অভিযোগ পাওয়ার পর পরই তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই সাথে অজ্ঞাত আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে আসামি টুলটুলি ও তার পরকীয়া প্রেমিক রেজাউল ইসলাম গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে আসামি টুলটুলি ও তার পরকীয়া প্রেমিক রেজাউল ইসলাম গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার বড় বাশুরিয়া এলাকার পরকীয়া প্রেমের জেরে নৃশংসভাবে গলাকেটে স্বামীকে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি টুলটুলি ও তার পরকীয়া প্রেমিক রেজাউল ইসলাম গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। ভিকটিম আমিরুল ইসলাম ওরফে দুদু’র সাথে আসামি মরিয়ম খাতুন ওরফে টুলটুলি’র প্রেমের সম্পর্কের এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বিয়ে হয়। কিন্তু টুলটুলি বিয়ের পরেও তার চেহারা সুন্দর হওয়ার কারণে অনেকের সঙ্গেই অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতো। কেউ তাকে নিষেধ করলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতো। টুলটুলির স্বামী ভিকটিম দুদু এসব কর্মকান্ডে বাধা দিলে, সে তার স্বামীকেও মারধর করতো। এসব বিষয় নিয়ে গত ০৮ জুলাই ২০১০ খ্রি. তারিখ রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য ও ঝগড়া হয়। পরবর্তীতে গত ০৯ জুলাই ২০১০ খ্রি. তারিখ সকালে বাড়ির পাশের একটি জমি থেকে দুদু’র গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আবু তালেব ওরফে তারা বাদী হয়ে এজাহারনামীয় ০৫ জনসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে শাহজাদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৩, তারিখ-০৯ জুলাই ২০১০ খ্রিঃ, ধারা- ৩০২/৩৪ দন্ড বিধি ১৮৬০। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ তারিখে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ এরফান উল্লাহ টুলটুলি এবং রেজাউলসহ ০৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্র্রদান করে।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ কামরুজ্জামান, পিপিএম, অধিনায়ক, র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় গত ২১ অক্টোবর ২০২৪ খ্রি. রাত ১০.২০ ঘটিকায় এবং অদ্য ২২ অক্টোবর ২০২৪ খ্রি. রাত ০২.২০ ঘটিকায় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি এবং র‌্যাব-৪, সিপিসি-২, সাভার এর একটি চৌকস আভিযানিক দল “ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন কাঠগড়া এলাকায়” ও “সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানাধীন পাঠানপাড়া এলাকায়” পৃথক দু’টি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরের আলোচিত আমিরুল ইসলাম @ দুদু’কে গলা কেটে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রেজাউলকে সাভার এলাকা থেকে এবং টুলটুলিকে শাহজাদপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয় ১। মোঃ রেজাউল করিম (৫৫), পিতা- মৃত রজব আলী, সাং-বড়চাঁনতারা, ২। মোছাঃ মরিয়ম খাতুন @ টুলটুলি (৪৮), স্বামী- মৃত আমিরুল ইসলাম @ দুদু, সাং- বড়বাসুরিয়া, উভয় থানা- শাহজাদপুর, জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    ৪।গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • রাষ্ট্রপতি শহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবীতে  ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল

    রাষ্ট্রপতি শহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবীতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ফ্যাসিবাদের দোসর রাষ্ট্রপতি শহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিপ্লবী ছাত্র জনতার ব্যানারে ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপুর্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে পায়রাচত্বরে এসে শেষ হয়। মিছিলকারীরা “চুপ্পুর দুই গালে জুতা মারো তালে তালে” ফ্যাসিবাদের দালালরা হুসিয়ার সাবধান বলে শ্লোগান দেয়। মিছিল শেষে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু হুরাইরা, আবু রায়হান রিহান, সাইদুর রহমান, রত্না খাতুন ও শামিম আহম্মেদ। বক্তরা ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে নিষিদ্ধের দাবী জানান। এর আগে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনারে এসে জড়ো হয়। তাদের সঙ্গে যোগ দেন সাধারণ মানুষ।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • সড়ক ধ্বসে যোগাযোগ বিছিন্ন কয়েক গ্রামের মানুষ

    সড়ক ধ্বসে যোগাযোগ বিছিন্ন কয়েক গ্রামের মানুষ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি পৌর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডের তেমুখি-অনুরাগ বাজার সড়ক ধ্বসে যোগাযোগ বিছিন্ন রয়েছে কয়েক গ্রামের মানুষ। মঙ্গলবার(২২ অক্টোবর) সকালে সড়কটির একটি অংশ(প্রায় ১০ ফুট) ধ্বসে পুরোপুরি বিছিন্ন হয়ে যায়। এতে ওই এলাকার সাধারণ মানুষজন চরম ভোগান্তিতে পরেছেন। দপদপিয়া নলছিটি সড়কের তেমুখি থেকে শুরু হয়ে সড়কটি অনুরাগ বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত। এর মাঝেই রয়েছে একটি মাদ্রাসা ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

    স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আহমেদ খান জানান, সড়কটি যেখান থেকে ধ্বসে গিয়েছে সেখানে সড়কটির নিচ দিয়ে একটি সিমেন্ট দিয়ে তৈরি পাইপ দেয়া ছিল। পাশ্ববর্তী কৃষি জমিতে পানি আসা যাওয়ার জন্য এই ব্যবস্থা করা হয়েছিল কিন্তু পাইপের পাশে ফাঁকা জায়গা দিয়ে পানি আসা যাওয়ার কারণে মাটি সড়ে গিয়ে সড়কটির এই অংশ ধ্বসে যায়।

    আরেকজন বাসিন্দা নলছিটি সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্র নাসিফ খান জানান, এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার খানেক লোক চলাফেরা করে। অনুরাগ বাজারে যাওয়ার জন্য ভাঙাদৌলা, কান্ডপাশা ও ফরাসিনা গ্রামের লোকজন এই সড়কটি ব্যবহার করেন। এখন তারা চরম ভোগান্তিতে পরেছেন। আমরা নিজেরা কলাগাছ দিয়ে লোক চলাচলের ব্যবস্থা করলেও সবাই ব্যবহার করতে পারছেন না। গাড়ী চলাচল সম্পূর্ণরুপে বন্ধ রয়েছে।

    এ ব্যাপারে পৌর প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম বলেন,খবর পেয়ে গিয়েছিলাম। সড়কটি খুব দ্রুত সংষ্কার করার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • হরিপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মসজিদের মুয়াজ্জিনের মৃ*ত্যু

    হরিপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মসজিদের মুয়াজ্জিনের মৃ*ত্যু

    আনোয়ার হোসেন হরিপুর(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল এর মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় আলহাজ্ব ফজলুর রহমান(৭৫) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। তিনি হরিপুর উপজেলার ৬ নং ভাতুরিয়া ইউনিয়ন গড়ভবানিপুর (ফাজিলপুর) গ্রামের মৃত জমির উদ্দিনের ছেলে। তিনি ফাজিলপুর বড় মসজিদের মুয়াজ্জেম ছিলেন বলে এলাকা বাসি সুত্রে জানাগেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় তালুকদার পাড়া গ্রামের পাকা সড়কে। জানাযায় তিনি বাড়ি থেকে বাইসাইকেল নিয়ে কাঠালডাঙ্গী বাজারে য়াওয়ার পথে পাকা সড়কে ওই স্থানে বিপরিত দিক থেকে চালিয়ে আশা মোটরসাইকেলর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে তিনি গুরুত্বর ভাবে আহত হন। সংবাদপেয়ে তার পরিবারের লোকজন ঘটনা স্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রানীসংকৈল হাসপাতালে নিয়ে যায় সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তিনি মারা যান। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী বৃদ্ধার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিয়োগ পেলে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

  • একজন কর্মঠ দায়িত্বশীল অফিসার টাঙ্গাইলের এডিসি রাজস্ব শফিকুল ইসলাম

    একজন কর্মঠ দায়িত্বশীল অফিসার টাঙ্গাইলের এডিসি রাজস্ব শফিকুল ইসলাম

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    প্রতিভা কোনো সীমাবদ্ধ সিদ্ধিতে সন্তুষ্ট থাকে না, অসন্তোষই তার জয়যাত্রা পথের সারথি-বলেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটাই সত্য একজন কর্মঠ দায়িত্বশীল অফিসারই পারেন শ্রম ও সুদক্ষতার মাধ্যমে একটি জেলার আমূল পরিবর্তন করতে। তার বাস্তব উদাহরণ হচ্ছে টাঙ্গাইল জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এর একের পর এক কার্যকরী উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে বদলে যাচ্ছে টাঙ্গাইল জেলার রাজস্ব খাতের চিত্র। ৩৩তম বিবিএস ব্যাচ এ উত্তীর্ণ এই প্রশাসনিক কর্মকর্তা গত ২০২৪ সালের ৪ আগষ্ট টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব হিসেবে যোগদান করেন। তাঁর যোগদানের পর থেকেই জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড নবরূপে রূপান্তরিত হতে শুরু করেছে।

    টাঙ্গাইল জেলার কালেক্টরেটের মধ্যে অন্যতম বড় শাখা হলো রাজস্ব শাখা। এ শাখা হতে সরকারী সম্পত্তি রক্ষাসহ জলমহাল ইজারা প্রদান এবং ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের মাধ্যমে সরকারের বিপুল পরিমান রাজস্ব আদায় করা হয়। পাশাপাশি সরকারেরর কাঙ্খিত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি খাস জমি ভূমিহীনদের মাঝে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। তার যোগদানের পর থেকে সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী কৃষি/অকৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান, আবাসন আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং জলমহাল/বালুমহাল ইজারা প্রদানসহ নানাবিধ সেবা প্রদান জনসেবা নিশ্চিত করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২মাসে জেলার
    ভূমি উন্নয়ন কর, খাসজমি বন্দোবস্ত, সায়রাত মহাল, অর্পিত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, ওয়াকফ, দেবোত্তর সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব, কৃষি খাস জমি, জবর দখল সংক্রান্ত সভা, মিস মামলা, মাসিক রাজস্ব সংক্রান্ত বিবরণী প্রেরণ, আশ্রয়ণ প্রকল্প, গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ ও মেরামত সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রমসহ কর্মচারীদের বিভিন্ন অগ্রিম মঞ্জুরীসংক্রান্ত কাজ অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে হচ্ছে বলে দাবী উঠেছে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গের মাঝে।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম টাঙ্গাইলে যোগদানের পর : ভূমি অফিস দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দেন বলে জানা গেছে।

    তিনি জেলার সকল ভূমি অফিস জনবান্ধব ও দূর্নীতিমুক্ত হতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম ও দূর্নীতি সহ্য করা হবেনা বলেও হুশিয়ারী করে জেলার সব ভূমি অফিস দূর্নীতিমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান জিরো টলারেন্স সকলকে জানান দিয়ে আরও বলেন, ভূমি অফিসে সেবাপ্রার্থীরা কোন ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহবান জানান।তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, অনাবাদী জমি আবাদকরণ, জরিপের সময় ব্যাপক প্রচারণা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানান। বিশেষ করে নামজারি নিয়ে মানুষের যাতে কোন রকম ভোগান্তির শিকার হতে না হয়, সে বিষয়ে সকল সহকারী কমিশনার (ভূমি) গণকে নির্দেশনা প্রদান করেন।তার নির্দেশনায় জেলার ভূমি অফিসগুলোতে স্বচ্ছতা ফিরেছে দাবী ভুক্তভোগীমহল।

  • এইচপিভি টিকার প্রচার করব, জরায়ুমুখ ক্যান্সারমুক্ত দেশ গড়ব : ময়মনসিংহে স্কাউটদের অঙ্গীকার

    এইচপিভি টিকার প্রচার করব, জরায়ুমুখ ক্যান্সারমুক্ত দেশ গড়ব : ময়মনসিংহে স্কাউটদের অঙ্গীকার

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    এইচপিভি টিকার কথা প্রচার করে জরায়ুমুখ ক্যান্সারমুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়েছে ময়মনসিংহের স্কাউট ও গার্লস গাইড সদস্যরা। 

    মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর)ময়মনসিংহ জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত জেলা পর্যায়ে এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম ২০২৪ সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা শেষে তারা এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা। 

    ময়মনসিংহ জেলা তথ্য অফিস এর পরিচালক মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ স্বাক্ষরিত পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে-ময়মনসিংহের বিভিন্ন উপজেলা থেকে বাংলাদেশ স্কাউটসের যুব স্বেচ্ছাসেবী মুক্ত স্কাউট, গার্লস গাইড, রোভার স্কাউট ও লাল-সবুজের চল্লিশ জন সদস্য স্কাউট লিডার লিয়া আফরোজের নেতৃত্বে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ইউনিসেফ প্রকল্পভুক্ত এ ওরিয়েন্টেশনে অংশ নেয়।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমন্বয়ক ডা. নুসরাত এ মোহসিন সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপনা করেন। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস-এইচপিভি কিভাবে জরায়ুমুখ ক্যান্সারের সংক্রমণ ঘটায় এবং তা থেকে বাঁচাতে পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণির ছাত্রী এবং স্কুলের বাইরের দশ থেকে চৌদ্দ বছরের সকল কিশোরীকে ২৪ অক্টোবর থেকে মাসব্যাপী এইচপিভি টিকা দিতে সরকারের উদ্যোগের কথা তিনি সহজ ভাষায় তুলে ধরেন। 

    জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. অভিজিৎ লোহ প্রধান অতিথি হিসেবে এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের হেলথ অফিসার ডা. আলমগীর হোসেন এবং সামাজিক ও আচরণ পরিবর্তন পরামর্শক আমান উল্লাহ বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় টিকার প্রচারে অংশ নেওয়াকে স্কাউটদের দায়িত্ব হিসেবে আখ্যা দেন।

    জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ সমাপনী বক্তব্যে আগামী নারী সমাজকে  জরায়ুমুখ ক্যান্সারমুক্ত করতে কিশোরীদের এইচপিভি টিকা নিতে উৎসাহ দানকে মানবতার সেবা বলে বর্ণনা করেন। 

    এ সময় ঢাকা ব্যতীত দেশের সাত বিভাগে এইচপিভি টিকা ক্যাম্পেইনে টিকা নিতে ভিএএক্সইপিআই অ্যাপ এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন ও টিকাকার্ড প্রিন্ট করে টিকা কেন্দ্রে যাওয়ার সম্পূর্ণ পদ্ধতির ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করেন সহকারী তথ্য অফিসার সাইফুল আলম ও রুকুনুজ্জামান।

  • সাংবাদিকের সাথে তারাগঞ্জের বকশিপাড়া সপ্রাবি প্রধান শিক্ষকের উদ্ধত আচরণ

    সাংবাদিকের সাথে তারাগঞ্জের বকশিপাড়া সপ্রাবি প্রধান শিক্ষকের উদ্ধত আচরণ

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি.
    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলাধীন সয়ার ইউপি’র বকশিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোমনাথ দাসের প্রতিষ্ঠানে আগমন ও প্রস্থান চলে নিজ খেয়ালে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে, (২০ অক্টোবর) রোববার দৈনিক অধিকরণ ও দৈনিক কালবেলা পত্রিকার তারাগঞ্জ প্রতিনিধি উক্ত বিদ্যালয়ে সকাল ৯.৩০ মিনিটে উপস্থিত হয়। প্রধান শিক্ষক সহ বিদ্যালয়টি কর্মরত শিক্ষক ৬ জন, সেখানে দেখা যায় ১২/১৩ জন শিক্ষার্থীসহ ৫ জন সহকারী শিক্ষক উপস্থিত। সকাল ৯ঃ০০টায় শিক্ষক উপস্থিত থাকার নিয়ম থাকলেও সাড়ে ১০টা পেরিয়ে গেলেও দেখা মেলেনি প্রধান শিক্ষক সোমনাথ দাসের।

    এসময়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক সোমনাথ দাসকে মোবাইল ফোন কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে প্রতিষ্ঠানে এলে সাংবাদিকের চাওয়া তথ্য প্রদানে কাগজ খোঁজাখুঁজিতে গড়িমসি ও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন এবং শুধুমাত্র ক্ষুদ্র মেরামতের বরাদ্দ ২ লাখ টাকার ব্যয় পরিকল্পনার কাগজটি দেখাতে গিয়েই হঠাৎ উত্তেজিত কণ্ঠে তারাগঞ্জের সাংবাদিক দ্বারা বিরক্ত ও অত্যাচারিত হওয়ার অপবাদ দিয়ে আক্রমণাত্বক হয়ে ওঠেন। প্রধান শিক্ষকের এভাবে রেগে যাওয়ার কারন জানতে চাইলে তিনি আরও রেগে যান এবং বলেন আর কিছুই বলবো না আপনারা কি লেখেন আর আমার কি করতে পারেন করেন।

    বিষয়টি তাৎক্ষণিক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোছা. আঞ্জুমান আরাকে মোবাইল ফোনে অবগত করা সহ তাঁর অফিসে এসে ক্যামেরায় ধারনকৃত ভিডিও দেখানো হয়। বিষয়টি উপজেলা ক্লাস্টার ভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুর রাজ্জাক অবগত আছেন। শিক্ষক হাজিরা খাতায় ১০ঃ১০টা পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর না থাকা বিষয়টিও জানানো হয়। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে তথ্য সহযোগীতা না করে উল্টো উপজেলার সাংবাদিক দ্বারা বিরক্ত ও অত্যাচারিত হওয়ার অপবাদ দিয়ে আক্রমণাত্বক হয়ে ওঠা এবং সাংবাদিকদের নিয়ে কটূকথা বলা কতটা দাপ্তরিক শুদ্ধাচার লংঘন, এ নিয়ে সাংবাদিক মহলে দেখা দিয়েছে সমালোচনার ঝড়।

    উল্লেখ্য যে- বিদ্যালয়টিতে গত ২৩/২৪ অর্থ বছরের ক্ষুদ্র মেরামত বরাদ্দ ২ লাক্ষ ও স্লীপ সহ অন্যান্য বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যয়, পরিকল্পনা অনুযায়ী দুর্নীতি ও ক্রয়কৃত পণ্যের বিভিন্ন অনিয়ম, বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের খেয়াল খুশি আগমণ ও প্রস্থান, শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত, শিক্ষার্থীদের মানসম্মত পাঠ উপযোগী হয়ে না ওঠা এবং তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের সাথে অতর্কিত ভাবে উদ্ধত আচরণের দায় কি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অবহেলার কারন নয়?
    এই সংবাদের পরবর্তী অবস্থা “শিক্ষা বিষয়ক ধারাবাহিক” প্রতিবেদনে পূনরায় প্রকাশ করা হবে।

  • পঞ্চগড়ে স্কুলছাত্র হত্যায় ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড

    পঞ্চগড়ে স্কুলছাত্র হত্যায় ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড

     

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার স্কুলছাত্র আসাদুজ্জামান পায়েলকে অপহরণের পর হত্যার ৯ বছর পর তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    সোমবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস. এম রেজাউল বারী এ রায় দেন।

    দণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের বলরামপুর তাতীপাড়া গ্রামের নুরুজ্জামান (৩৮), ডাহেনাপাড়া গ্রামের ফরহাদ হোসেন (৩০) এবং বলরামপুর গ্রামের হাসানুল ইসলাম (৩২)। এদের মধ্যে নুরুজ্জামান ও হাসানুল পলাতক রয়েছেন।

    জানা গেছে, হত্যার শিকার আসাদুজ্জামান পায়েলের বাড়িও দেবীগঞ্জের চিলাহাটি ইউনিয়নের বলরামপুর তাতীপাড়া গ্রামে। ২০১৫ সালের ১৮ জুন রাতে নিখোঁজ হন পায়েল। নিখোঁজের চারদিন পরে বিকেলে বাড়ির এক কিলোমিটার দূরের একটি ডোবা থেকে তার বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার হয়। পরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিনজনকে আটক করে পুলিশ। ওই দিনই মামলা করেন পায়েলের বাবা সুলতান আলী। পায়েল স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, পায়েল নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে ফোন আসে বাবা সুলতান আলীর কাছে। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বিকৃত কণ্ঠে পায়েলের মুক্তিপণ বাবদ তিন লাখ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু টাকা নিয়ে কোথায় যেতে হবে তা জানানো হয়নি। পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে অপহরণে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় ওই তিনজনের। পরে স্থানীয়ভাবে বসে ওই তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা হত্যার কথা স্বীকার করেন। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ডোবা থেকে বস্তাবন্দী পায়েলের লাশ উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে ওই তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়। পরে একই বছরের ৩১ আগস্ট পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচার কাজ শুরু হয়।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের অপরাধ আদালতে প্রমাণ করতে পেরেছে বলেই বিচারক এ রায় দিয়েছেন।