Blog

  • ছিনাইয়ের আচার্য মৌজায় সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বিক্রয়ের অভিযোগ

    ছিনাইয়ের আচার্য মৌজায় সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বিক্রয়ের অভিযোগ

    বিশেষ প্রতিনিধি।।

    বুধবার বৃষ্টির মাঝে পড়ন্ত বিকালে লোকচক্ষুর আড়ালে কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নাধীন আচার্য মৌজার বৈদ্যের বাজার নিকটস্থ আলহাজ্ব তাজুল ইসলাম চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০০ গজ পশ্চিম দিকের সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে অবৈধভাবে সরকারী রাস্তায় বসবাসকারী গোলাপ মিয়ার বিরুদ্ধে। তিনি প্রায় পনের বছর ধরে সরকারী রাস্তার সামান্য অংশ রেখে বাকী রাস্তা দখল করে চারটি টিনের ঘর তৈরি করে বসবাস করে আসছেন। তিনি কুড়িগ্রাম সদরের মোগলবাসা ইউনিয়নের বাসিন্দা, কোন এক অজ্ঞাত কারণে তাকে তার স্থায়ী ঠিকানা হতে স্থানীয় লোকজন বিতাড়িত করেছেন মর্মে জানা যায়। তার নিকট সরকারী রাস্তার ৩টি গাছ ২১০০ টাকায় ক্রয় করেন বৈদ্যের বাজারের গাছ ব্যবসায়ী মজিবর রহমান। গাছ ব্যবসায়ী মজিবর রহমান প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন, গোলাপ মিয়া তাকে জানান, তার জমিতে তার নিজের রোপনকৃত ৩টি গাছ বিক্রয় করবেন। যেহেতু তিনি দৈর্ঘদিন ধরে ঐ স্থানে বসবাস করে আসছেন, তাই আমি গাছ তিনটি তার নিজের মনে করে ২১০০ টাকায় ক্রয় করেছি। এগুলো সরকারী রাস্তার গাছ বিষয়টি জানা থাকলে কখনোই ক্রয় করতাম না। গাছগুলো ছোট ছিলো তাই স মিলে চিড়ে খড়ি করা হয়েছে। ছিনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতি দায়িত্ব পালনকারী প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান ঘটনাটি তিনি শুনেছেন এবং সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট মৌজার (আচার্য) মেম্বার আশীষ কুমার রায় ঘটনাস্থলে প্রেরণ করেছেন এবং মেম্বার আশীষ কুমার রায় সরেজমিন পরিদর্শনে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন মর্মে চেয়ারম্যানকে জানান। উক্ত মেম্বার চেয়ারম্যানকে আরো জানান যে, গাছগুলো গোলাপ মিয়া সরকারী রাস্তায় রোপন করেছেন এবং সন্তানের চিকিৎসার জন্য তা বিক্রয় করেছেন। সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বিক্রয় করা যায় কিনা, জানতে চাইলে প্যানেল চেয়ারম্যান বলেন, বাচ্চার চিকিৎসার জন্য নিজের রোপন করা গাছ কেটে এবং বিক্রয় করেছেন, বিষয়টি মানবিক। তথাপিও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোলাপ মিয়াকে ইউনিয়ন পরিষদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। রাজারহাট উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আশাদুল হককে বিষয়টি অবগত করলে তিনি বলেন, এবিষয়ে তথ্য পেলেই তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

    স্থানীয় লোকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান যে, গোলাপকে আমরা অনেকেই বলেছি, সরকারী রাস্তার বসবাস না করে, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে, কিন্তু তিনি তা করতে আগ্রহী ছিলেন না। বরং সরকারী রাস্তায় দিনের পর দিন স্থানীয়দের আবাদী জমির ক্ষতি করে নির্জন স্থানে তিনি বসবাস করে আসছেন। কেউ কেউ বলে থাকেন তার একজন মেয়ে জামাই নেশায় আসক্ত হওয়ায় তিনি হয়তোবা তার বাড়ীতে মেয়ে জামাইয়ের মাধ্যমে নেশারুদের নেশা করার সুযোগ দিয়ে অবৈধ সুবিধা নিয়ে থাকতে পারেন।

    তার অবৈধ বাড়ী সংলগ্ন আবাদী জমির মালিক ইয়াকুব আলী খন্দকার বলেন, প্রতিবছরই তিনি আমার ফসলি জমির ফসল নষ্ট করে থাকেন এবং জমিতে গর্ত খননসহ বাড়ী ব্যবহার্য ময়লা আবর্জনা জমিতে ফেলে ফসল নষ্ট করে থাকেন। তাকে এধরনের কাজ না করার কথা বলতে গেলেই তিনি মেরে ফেলার হুমকি প্রদানসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে থাকেন। ইয়াকুব আলী খন্দকার সরকারের দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে বলেন, গোলাপ মিয়া যেহেতু সরকারী রাস্তা দখল করে অবৈধভাবে বসবাস করে আসছেন, তাই তাকে ভূমিহীন হিসেবে আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর দিয়ে সরকারী রাস্তা উদ্ধারসহ তার বাড়ী আশে পাশের আবাদী ফসলী জমিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে অনুরোধ করছি।

  • শার্শার গৃহবধু হালিমা-বাবু দম্পতি তাদের কোলের শিশুকে ফিরে পেতে চায়

    শার্শার গৃহবধু হালিমা-বাবু দম্পতি তাদের কোলের শিশুকে ফিরে পেতে চায়

    আজিজুল ইসলাম : যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের গৃহবধূ হালিমা দম্পতির আকুতি যে কোনো ভাবে হোক আমার বাচ্চাটা আপনারা ফিরিয়ে দেন। বাচ্চা না পেলে আমি বাঁচবো না। গাইবান্ধা সদরের গোবিন্দপুর নেকিরভিটা গ্রামের আকবর আলীর মেয়ে হালিমা বেগম (২১)। মায়ের নাম মোমেনা বেগম। ৫ বছর পর্বে যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের হত দরিদ্র বাবুরালী মোল্যার (২৫) সাথে তার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ২ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।  হালিমা আবারো গর্ভবতী হলে হত দরিদ্র স্বামীর বাড়ি থেকে সে বাপের বাড়ী গাইবান্ধায় চলে যায়। সেখানে তার প্রসব বেদনা উঠলে তার মা মোমেন বেগম গাইবান্ধা শহরের একটি ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করা দেন। দীনমজুরের স্ত্রী মোমেনা বেগম মেয়ের সিজার করানোর জন্য প্রতিবেশী রুবেল-হাসি দম্পতির কাছ থেকে কিছু টাকা নেন। ২০২৪ এর ১৯ শে আগষ্ট হালিমার গর্ভ থেকে দ্বিতীয় বারের মত আরো একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। সন্তান জন্মের সময় সে জ্ঞান হারায়।  ৪ দিন পরে  যখন তার জ্ঞান ফেরে সে তখন জানতে পারে তার সন্তানকে একই গ্রামের রুবেল ও হাসি  দম্পতি নিয়ে গেছে। সে তখন দুধের যন্ত্রনা ও সন্তান শোকে আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর সে স্থানীয় চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের স্মরনাপন্ন হয়। চেয়ারম্যানের পরামর্শে গাইবান্ধা  সদর থানায় একটি অভিযোগ করলে পুলিশ  নবজাতককে উদ্ধার করে হালিমার কাছে হস্তান্তর করে। কিন্তু ঐদিন গভীর রাতে রুবেল তার লোকজন নিয়ে এসে জোর জবরদস্তি করে  শিশুটিকে হালিমা বেগমের কাছ থেকে ছিনিয়ে  অন্যত্র নিয়ে যায়। দুই মাস হতে চললো হালিমা তার কোলের শিশুটিকে এখনো ফিরে পায়নি। নাড়িছেঁড়া ধন কোলের শিশুকে কাছে না পেয়ে হালিমা দিন দিন অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

    এব্যাপারে মুঠো ফোনে নিঃসন্তান রুবেল-হাসি দম্পতির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হালিমা বেগমের মা মোমেন খাতুন শিশুটিকে আমাকে দত্তক দিয়েছে।  এজন্য আমি শিশুটির গর্ভকালীন সময় থেকে এপর্যন্ত যাবতীয় ব্যায়ভার বহন করেছি। তিনি আরো বলেন এপর্যন্ত আমার ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। শিশুটিকে ফিরিয়ে নিতে হলে ৮০ হাজার টাকা আমাকে দিতে হবে। শিশুটি রাখার বৈধতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন থানা পুলিশের লিখিত রয়েছে আমার কাছে।

    বাবু-হালিমা দম্পতির কথা এব্যাপারে আমরা কিছুই জানিনা। হালিমা জানায়, আমার মায়ের সহযোগিতা থাকতে পারে। তবে আমরা আমাদের বাচ্চাটি ফেরৎ চাই। এব্যাপারে তারা যশোর ও গাইবান্ধা জেলার জেলাপ্রশাসক মহোদয়ের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

  • ত্রিশালে ইউএনও’র নেতৃত্বে অভিযানে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলেন এসিল্যান্ড

    ত্রিশালে ইউএনও’র নেতৃত্বে অভিযানে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলেন এসিল্যান্ড

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের ত্রিশালে সড়ক ও জনপথ এর মালিকানাধীন সরকারি সম্পত্তিকে অবৈধ ভাবে দখলে নিয়ে গড়ে উঠা প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনাকে অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুয়েল আহমেদ এর নেতৃত্ব উপজেলা প্রশাসন। ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুপাশে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছিলো এসব অবৈধ স্থাপনা। এর ফলে মহাসড়কে তীব্র যানজটসহ বিভিন্ন সমস্যা লেগেই থাকতো কবি নজরুল স্মৃতিবিজড়িত গুরুত্বপূর্ণ এই শহরে।অবশেষে
    সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ময়মনসিংহের ত্রিশালে মহাসড়কের দুপাশে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করার ফলে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন ত্রিশালের সর্বস্তরের মানুষ।

    বুধবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া অভিযানে প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

    ত্রিশাল থানা পুলিশের সহযোগিতায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুয়েল আহমেদের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান।

    উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, মহাসড়কের দুপাশে অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পুনরায় দখল করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সড়ক ও জনপথ বিভাগ ময়মনসিংহের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ মোফাখখারুল ইসলাম।

    এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ময়মনসিংহের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, ত্রিশাল দরিরামপুর বাসস্ট্যান্ডের চারপাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলছে এবং আগামীতে তা অব্যাহত থাকবে।

  • রামগড় উপজেলা” পৌর” বিএনপি কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাজার পরিচালনা কমিটি

    রামগড় উপজেলা” পৌর” বিএনপি কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাজার পরিচালনা কমিটি

    এমদাদ খান রামগড় প্রতিনিধি 

    বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদী দল রামগড় উপজেলা ও পৌর শাখার নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচছা জানিয়েছেন” নব গঠিত রামগড় বাজার পরিচালনা কমিটি  বুধবার ২৩শে অক্টোবর সন্ধ্যায় রামগড় বিএনপি, অংগ ও সহযোগি সংগঠনের যৌথ কার্যালয় এর হল রুমে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    এসময় রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল, সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত মোরর্শেদ ভূইয়া মিঠু, পৌর বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন,সিনিয়র সহসভাপতি সুজায়েত আলি সুজা, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন হারুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন, উপস্থিত ছিলেন। 

    রামগড় বাজার পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সেলিম, সিনিয়র সহসভাপতি বেলাল হোসেন, সহসভাপতি নুরুল করিম, সহসভাপতি ফয়েজ আহম্মদ  মিলন, কোষাধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন, সহ কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, দপ্তর সম্পাদক এমদাদ খান, প্রচার সম্পাদক জসিম উদ্দিন মিন্টু, ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল করিম রানা, সন্মানিত সদস্য আব্দুল মান্নান, দেলোয়ার হোসেন রাজু, আলমগীর হোসেন জীবন, প্রমূখ।

  • আত্রাইয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন 

    আত্রাইয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন 

    আব্দুল মজিদ মল্লিক,আত্রাই (নওগাঁ) থেকে: নওগাঁর আত্রাইয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় বিয়াম ল্যাবটেরিয়াম স্কুল এ্যান্ড কলেজে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। 

    এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিনথিয়া হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রোকসানা হ্যাপী।

     ডাঃ রোকসানা হ্যাপী বলেন,জরায়ুমুখে ক্যান্সারের প্রতিরোধের জন্য এইচপিভি টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষীত, প্রতিরোধ ও কার্য়কর। এই টিকা জরায়ুমুখ ক্যান্সার রোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। 

    তিনি আরও বলেন,১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এক ডোজ এইচপিভি টিকা প্রদান করার মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

     আত্রাইয়ে ২৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকাদান কেন্দ্রে ও ১৯২ টি কমিউনিটি সাবব্লকের টিকাদান কেন্দ্রে এ টিকা গুলো প্রদান করা হচ্ছে। 

    এইসব কেন্দ্র থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ম শ্রেণী-৯ম শ্রেণী পর্যন্ত মোট ৮৩৯৫ জনকে ও কমিউনিটি/সাবব্লকের (১০-১৪ বছর) কিশোরীর সংখ্যা ১০৫০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। 

    আব্দুল মজিদ মল্লিক 

    আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি।

  • কুমিল্লায় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ও সংবাদ সম্মেলন

    কুমিল্লায় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ও সংবাদ সম্মেলন

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,

    এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রুখে দিন” এই প্রতিপাদ্যে সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লায় গত ২২ শে অক্টোবর সিটি করপোরেশন ও ২৩ শে অক্টোবর সিভিল সার্জন অফিস সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়ে দেন। ২৪ অক্টোবর
    থেকে স্কুল পর্যায়ে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে কিশোরীদের এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
    ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় ধর্মপুর রেলও‌য়ে পাব‌লিক হাই স্কুলে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সার।

    জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ নাছিমা আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা চন্দন কুমার পোদ্দার, সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের পরিচালক প্রফেসর ডা: মোঃ জহিরুল আলম,
    কুমেকের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এম এম হাসান, ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এস এম তৌহিদুর রহমান, গোমতী হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মজিবুর রহমান, সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুল হক, রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিনুল ইসলাম, সমন্বয়ক রুবেল হোসাইন প্রমুখ।

    সভায় বক্তারা বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর। এ টিকা জরায়ুমুখ ক্যান্সার রোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এক ডোজ এইচপিভি টিকা প্রদানের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    এদিকে বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর আনন্দ ধারা বিদ্যাপীঠ এ টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ছামছুল আলম।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম, ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা মোঃ সারোয়ার আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আবু সায়েম ভূইয়া, কুসিক মেডিকেল অফিসার ডা. চন্দনা রানী দেবনাথ, আনন্দধারা বিদ্যাপীঠ এর উপদেষ্টা মো: কামাল উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক আফরোজা হাসনাত, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো: জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

    প্রসঙ্গত, কুমিল্লায় জরায়ুমুখে ক্যান্সার প্রতিরোধে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকাসহ জেলার ১৭টি উপজেলায় তিন লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৯ জনকে সরকারের উদ্যোগে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে স্কুলগামী ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৩৪০জন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১০ হাজার ৩২৭জন কিশোরীকে বিনামূল্যে এ টিকা দেওয়া হবে। পাঁচ হাজার ২১৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নয় হাজার ৯৪২ টি কেন্দ্রে এ টিকা দেওয়া হবে।

  • মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে সাংবাদিককে প্রাননাশের হুমকি থানায় জিডি

    মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে সাংবাদিককে প্রাননাশের হুমকি থানায় জিডি

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার খিদিরপাড়া ইউনিয়নের করার বাগ গ্রামের মোঃ আশু হাওলাদারের পুত্র সাংবাদিক মোঃ ফয়সাল হাওলাদার কে প্রাননাশের হুমকির ঘটনায় থানায় লিখিত জিডি করেছেন তিনি ।

    সাংবাদিক মোঃ ফয়সাল হাওলাদার র‍্যাব-১০  ও থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বলেন, আমি বিডিসি ক্রাইম বার্তার সম্পাদক ও বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক কল্যান ইউনিয়ন (বসকো) কেন্দ্রীয় পরিষদ এর মহা সচিব ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার হিসাবে কর্মরত আছি।

    গত ২০/১০/২০২৪ ইং তারিখে অনুমানিক রাত ০৯:০০ ঘটিকায় সিরাজদিখানের ধামালিয়া বাজার এলাকায় ব্যক্তিগত কাজে হাজী মোঃ জাকির হোসেন বেপারী মেম্বার এর কাছে গেলে, ডাঃ রতনের দোকানের সামনে গত কয়ক বছর আগে তাদের বিরুদ্ধে সিরাজদিখান টংগীবাড়ী মাদকের ছড়াছড়ি শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করায় পূর্ব সত্রুতার জের ধরে আমাকে গালি গালাজ ও প্রাননাশের হুমকি প্রদান করে এবং আমার সাংবাদিকতার পেশাকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে ও আমাকে ধাওয়া করলে আমি রতনের দোকানে আশ্রয় নেই। সেখানেও আমাকে মেরে ফেলার জন্য তার লোকজন নিয়ে হামলা করে পরবর্তীতে স্থানীয় মেম্বার এসে আমাকে উদ্ধার করে সেখান থেকে নিয়ে যায়। পরে আমি থানায় লিখিত একটি সাধারণ ডায়েরি বিনীত হই জিডি নং ৯১৩ র‍্যাব-১০ এর কোম্পানিতে অভিযোগ করা হয়।

    এবিষয়ে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (এমএসএস) এর নিন্দা, বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক কল্যাণ ইউনিয়ন (বসকো’র), নিন্দা জানিয়েছেন।

    এবিষয়ে সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে বিষয়টি তদন্তপূর্বক সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সমস্যা ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শনে ইউএনও,খুশি স্থানীয়রা

    উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সমস্যা ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শনে ইউএনও,খুশি স্থানীয়রা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নাগরিকদের নানাবিধ সমস্যা এবং চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং চলমান অবস্থা নিয়মিত পরিদর্শন করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো: নজরুল ইসলাম।পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব নেয়ার পরপরই এর মালিপুর,মাটিভাংগা, নান্দিকাঠি, শীতলপাড়া সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের দুর্দশা এবং থেমে থাকা কাজ পরিদর্শনে বের হন তিনি।এতে পৌরসভা এলাকার লোকজনও বেশ ইতিবাচকভাবে তাকে আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেন এবং বাকি ওয়ার্ডের নাগরিকরাও তাকে ঘুরে দেখার আমন্ত্রণ জানান।
    নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে গত বুধবার ২৩ অক্টোবর পৌরসভা এলাকার ভাংগাদেউলা ফরাসিনা গ্রামের সড়ক ধ্বসে দুটি গ্রামের চলাচল বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সংবাদ পেয়ে শুরুতেই সেখানে ছুটে যান তিনি এবং সরেজমিনে দেখে সাথে সাথে পৌরসভার দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।এছাড়াও এলাকার প্রায় পঞ্চাশটি পরিবারের প্রায় দুইশতাধিক লোকের দূর্ভোগ শুনে ঝুকিপূর্ণ বাশের সাকোর স্থানে ব্রিজ নির্মানেরও নির্দেশনা প্রদান করেন।এসময় তার এই তাৎক্ষনিক পদক্ষেপে উচ্ছাস প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।এছাড়াও পৌরসভার কান্ডপাশা বাজারের ভেঙে যাওয়া ঝুকিপূর্ণ ব্রিজ দেখেও তা দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৌরসভার প্রশাসক মো:নজরুল ইসলাম।
    এরপরই দপদপিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন তিনি।ইউনিয়নের তিমিরকাঠী,দপদপিয়া,কয়া,ভরতকাঠী,বুড়ির হাট,বীর নারায়ণ সহ সকল ওয়ার্ডের উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।এসময় তার সাথে ছিলেন দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল,ইউপি সদস্য সিরাজ মোল্লা,হারুন খন্দকার,হাসান বিশ্বাস,সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিনা আক্তার সহ স্থানীয়রা।
    উন্নয়ন প্রকল্প দেখতে যাওয়ায় স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সরেজমিনে পেয়ে অত্যন্ত আন্দন্দ প্রকাশ করেন এবং আশার কথা ব্যক্ত করেন।
    এসময় স্থানীয়রা বলেন,এরকম সচ্ছতা এর আগে থেকেই নিশ্চিত করা গেলে উপজেলার অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যেতো।তারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।এবং তাকে কাছে পেয়ে অনেকেই তাদের নানাবিধ সমস্যার কথা ইউএনওর কাছে তুলে ধরেন এবং তিনি তা সমাধানের আস্বাস দেন।
    এসময় যেসকল উন্নয়ন প্রকল্পের কোনো কাজই করা হয়নি সেগুলোতে যাতে বিল উত্তোলন করে নিয়ে না যেতে পারে সে ব্যাপারেও নির্দেশনা দেন।
    এ বিষয়ে নলছিটির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নজরুল ইসলাম বলেন,পৌরসভা এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সমস্যা এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে দেখা হচ্ছে।নাগরিকদের সমস্যা শুনে শুনে তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানেরও চেষ্টা করছি।নাগরিকদের সেবায় উপজেলা প্রশাসনের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

  • মুরাদনগরে আ,লীগ নেতা  জাহাঙ্গীর কে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করছে স্থানীয়রা 

    মুরাদনগরে আ,লীগ নেতা  জাহাঙ্গীর কে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করছে স্থানীয়রা 

    কুমিল্লা থেকে, তরিকুল ইসলাম তরুন।।

    নাম জাহাঙ্গীর  আওয়ামী লীগের দলীয় নেতা, তার ওপর স্থানীয় চেয়ারম্যানের আত্মীয়। তাই তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার লোক এলাকায় নেই, জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরাসহ কামাল্লা গ্রামের  অর্ধশতাধিক পরিবার, জাহাঙ্গীর একটি আতংকের নাম,

    চেহারা-সুরত ‘নুরানি’। দাড়ি মেহেদিরাঙা। মুখে লেগে থাকে অমলিন হাসি আর নোংরা চিন্তা,  দেখে মনে হবে ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানেন না।  কিন্তু তাঁর ভয়ে নাকি এলাকার মানুষ কাঁপে, কুমিল্লার মুরাদনগরের কামাল্লা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এলাকার ‘বাদশাহ’ বনে গেছেন, নাম তাঁর জাহাঙ্গীর আলম।  সঙ্গে আছে তাঁর প্রতাপশালী আরো তিন আপন ভাই। মানুষকে ভয় দেখানো, হয়রানি, বিচার-সালিসের নামে টাকা কামানো ওই চার ভাইয়ের তখন  নিত্য কাজ ছিল,  অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থে ভাইদের বাড়িতে সারি সারি অট্টালিকা, বৈষম্য বিরোধী মতাদর্শের ছাত্র আন্দোলনের পর দেশ পরিবর্তন হলেও এদের ক্ষমতা কমেনি,স্থানীয় নাম ধারী সন্ত্রাসীদের আঁতাত করে পূর্বের ন্যায় অত্যাচার অনাচার, চাঁদাবাজি, আপন চাচা,চাচাতো ভাই রেহাই দেয়নি জাহাঙ্গীর পরিবার। একে তো আওয়ামী লীগের নেতা  তার ওপর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বাশার মাষ্টারের  আত্মীয় হওয়ায় এখনো মুখ খুলতে নারাজ অনেকে। এমনই জানালো অর্ধ শতাধিক পরিবারের পক্ষে  ভুক্তভোগী  জসিম,কুদ্দুস, নসু মিয়া,রেমিট্যান্স যুদ্ধা মুকবুল,জসিম চৌ,এসময় কান্নায় ভেঙে পড়ে জাহাঙ্গীরের আপন চাচারা বলেন জাহাঙ্গীরের অনিয়ম, দূর্নীতি, চাঁদাবাজির কারনে অনেকে সবকিছু হারিয়েছি।,নিরহ মানুষদের বিরুদ্ধে  মিথ্যা রাজনৈতিক মামলা করিয়ে হয়রানিসহ জমি দখল,জমি বিক্রি করে দলিল না দিয়ে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে হয়রানি করেছে , পরের জায়গা দখল করা,বিচারের নামে অর্থ বানিজ্য সহ নানান অপরাধের ঘট ফাদার জাহাঙ্গীর, আমরা তার বিচার চাই, তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।   সরেজমিন ঘুরে ভুক্তভোগী মানুষের সঙ্গে কথা বলে এমনই ছবি উঠে আসে।  গত বুধবার সকালে  মুরাদনগরের কামাল্লা ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ধারী জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে গিয়ে খোজ নিলে জাহাঙ্গীর বাড়িতে নেই বলে জানায় তার স্কুল পড়োয়া ছেলে জাহিদুল ইসলাম। বাড়ি জরোহওয়া  লোকজনের নালিশ বিষয়ে জাহাঙ্গীরের ছেলে জানায় সব মিথ্যা বানোয়াট তার বাবা ভদ্রলোক, জাহাঙ্গীরের মুঠো ফোনে কল দিয়ে যোগাযোগ করলে তিনি জানান রাজনৈতিক কারনে এসব হচ্ছে আমি কারো ক্ষতি করি নি, এগুলো অপবাদ,  কিন্তু স্থানীয়রা বলেন এ যেন ওই এলাকার সব কিছু দেখাশোনার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন।  গত ১৯ শে অক্টোবর ২০২৪ ইং বিভিন্না অপরাধে মুরাদনগর থানায় জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে তিনটি  অভিযোগ হয়েছে।  অভিযোগ তদন্তে  মুরাদনগর থানা  পুলিশ গত ২৩ শে অক্টোবর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এবিষয়ে মুরাদনগর থানা ইনচার্জ মাহবুবুল হক জানান ঘটনার স্থলে পুলিশ পরিদর্শন করেছে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তবে আগের বিষয়ে কোন কিছু করতে পারবো না,এগুলো আদালতের বিষয়,  স্থানীয়রা আরো জানায় জাহাঙ্গীর তাঁর লোকজনকে দিয়ে এলাকায় একের পর এক অপকর্ম করে তার দায়ভার অন্যের কাঁধে চাপাতে সিদ্ধহস্ত। পরে হুমকি দিয়ে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নেন। এলাকার ‘প্রধান সালিসিয়ান’ হিসেবে তিনি নিরীহ অপরাধী সাব্যস্ত করে জরিমানা ‘আদায় করা তাঁর নেশা।  ইতি মধ্যে কয়েকটি ঘটনায় গত ১৯ শে অক্টোবর মুরাদনগর থানায় নতুন করে অভিযোগ দাখিল করেন ভুক্তভোগীরা। অতীতের আগুনের মামলা বিষয়ে আওয়ামী  নেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সমাজে বিচার- আচার করি বলে অনেকেই আমাকে বাঁকা চোখে দেখে। আমার চাচা যে অভিযোগ করেছেন, তা মিথ্যা।  সুজন টাকার বিনিময়ে মানুষের বাড়িতে আগুন দিয়েছে, তা সে সালিসে স্বীকার করেছে। আলাউদ্দিন নিরপরাধ, ঘটনাক্রমে সে জেল খাটছে। ভুক্তভোগী 

    আব্দুল কুদ্দুস মিয়া বলেন, ‘জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় অনৈতিকভাবে প্রভাব খাটিয়ে চলে। এলাকার কেউ জমি কিনলে বা বাড়ি বানালে তাকে চাঁদা দিতে হয়। আমার মেজ ছেলে একখন্ড জমি কিনতে গিয়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয়েছে। কয়েক মাস আগে আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাইলে আমি তাতে অপারগতা প্রকাশ করি। এ কারণে সে আমার পিছে লাগে। আমাকে অপদস্থ করতে একজনকে টাকা দিয়ে অন্যের বাড়িতে আগুন লাগায়। পরে ওই আগুন আমি লাগিয়েছি বলে এলাকায় প্রচার করে। এলাকায় গেলে আমাকে পুলিশে দেওয়ার হুমকি দিলে তখন আমি আদালতে মামলা করি। পেপে গাছ কাটার অপরাধে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাহাঙ্গীর,২০১৪ সালের অবৈধ ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা আসার পর জাহাঙ্গীর আলমের অপকর্ম পরিমাণ আরো বেড়ে যায়।

    সমাজের মধ্যে বিচারের নামে    জুলুম -অত্যাচার, নির্যাতন,অবিচার ইত্যাদি  শুরু করে।তার আরো তিন ভাই সমাজের মধ্যে বাহু শক্তি খাটিয়ে অন্যায় করে শুরু।বাজারের মধ্যে সম্মানিত ব্যক্তিদের   মার-ধর এবং হেনস্থা করার ছিল তিনভাইয়ের কাজ।আর এই সুবিধা খাটিয়ে জাহাঙ্গীর সৃষ্টি করে একটা অপরাধ জগত।সেই জগতের রাজা হচ্ছে সে।

    তার ওই অপকর্ম থেকে রেহাই পাইনি আপন চাচা এবং চাচাতো ভাইয়েরা।২০১৬সালের মিথ্যা জজ্ঞিমামলা দিয়ে সমাজের মেধাবী শিক্ষার্থীর জীবন নষ্ট করেছে জাহাঙ্গীর। এমনি অনেকের পরিবার কাজ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জাহাঙ্গীর এবং তার গ্যাং এর লোকেরা।

    তার ভাই এবং অস্ত্র ধারী গ্যাং এর লোকেরা মিলে সমাজের মধ্যে আগুন লাগিয়ে মানুষকে ভয় দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।

    সে ২০১৬সাল থেকে তার লোক দিয়ে আগুন লাগায় এবং অন্য ছেলেদের নাম দিতে বাড়িতে নিয়ে টর্চার এবং লাটিপিটা করে।এমনি কান্না গলায় বর্ননা দিচ্ছিলেন ভুক্তভোগী বাবা শাহ-আলম বেপারী। 

    ২০১৭সালের ডিসেম্বর  মাসে তার দুই চাচাতো ভাই দেশে আসলে তাদের কাছে অধিক পরিমান চাঁদা চাই জাহাঙ্গীর এবং তার ভাইয়ের।চাঁদা দিয়ে অস্বীকার জানালে মিথ্যা অপকর্মে ফাসিয়ে দিবে বলে জানায় জাহাঙ্গীর এবং তার গ্যাং এর লোকেরা।

    পূর্বের আগুন লাগানো পরিমান ২০১৮সালে জানুয়ারি মাসে বাড়িয়ে দিয়ে তার দুই প্রবাসি চাচাতো ভাইয়ের নাম প্রকাশ করে জাহাঙ্গীর এবং তার তিন ভাই। চাচা নসু মিয়া চাদা দিতে অস্বীকার করায় গলায় ধালালো অস্ত্র ধরে জাহাঙ্গীর আলমের তিন ভাই আল-আমীন, আলম এবং আলমগীর। তাই সে ভয়ে রাজি হয়। এসময় নসু মিয়ার  কাছ থেকে ৭লক্ষ টাকা এবং একটি স্বর্নের নেকলেস নিয়ে যায় জাহাঙ্গীর। অপর চাচা আব্দুল কুদ্দুস মিয়াও অস্বীকার করলে তাকে মার-ধর করে এবং তার বাড়ি  দা এবং ধাঁলালো অস্ত্র দিয়ে বেড়া নষ্ট করে।আব্দুল কুদ্দুস মিয়া এবং ছেলেরা জীবন রক্ষা করতে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় এবং আদালতের মামলা দায়ের করে।

    কিন্তু প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতা কারনে তৎকালীন পুলিশ বার বার রিপোর্ট দিতে ব্যার্থ হয় জাহাঙ্গীর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে। রেমিট্যান্স যুদ্ধা মুকবুল তাদের বিচার দাবি করেন প্রশাসনের কাছে।স্থানীয় অর্ধ শত পরিবার প্রশাসনের কাছে  জাহাঙ্গীরের অপকর্মের বিচারের দাবি করে বলেন তাকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক।

  • ঘাটাইলে চার মাদক ব্যবসায়িকে কারাদন্ড

    ঘাটাইলে চার মাদক ব্যবসায়িকে কারাদন্ড

    ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ রায়হান মিয়া

    টাংগাইলের  ঘাটাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার ও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৩০মিনিটে পৌর শহরের চান্দশী এলাকা থেকে  বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।এ সময় মো : সজীব (২৬), মো: জাহিদ (৩৬), মো : সবুজ খান (৩২) ও মো: রনি মিয়া (২৯)নামে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি কিশোর কুমার দাস।তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিশেষ আইনের আওতায় ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। 

    পুলিশ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কিশোর কুমার দাস জানান ঘাটাইল পৌর শহরের চান্দশী এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে মাদকদ্রব্য সেবন ও বেচাকেনা করে আসছিলেন সংগবদ্ধ  একটি চক্র।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪ মাদক কারবারিকে হাতে নাতে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।এ সময় তাদের কাছ থেকে নিষিদ্ধ প্যান্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা

     হয়।

    চার মাদক ব্যবসায়ির ৩মাসের কারাদন্ডের বিষয় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহকারী কমিশনার ভূমি কিশোর কুমার দাস জানান নেশা জাতীয় ট্যাবলেট বিক্রি করার কারণে তাদের কে জেল হাজতে পাঠানো হয়।