Blog

  • উজিরপুরে এপি’ র দুই দিন ব্যাপী কর্ম-শালার উদ্বোধন

    উজিরপুরে এপি’ র দুই দিন ব্যাপী কর্ম-শালার উদ্বোধন

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে এপি কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের উপর ২ দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও এপি উজিরপুরের বাস্তবায়নে এবং সিআরএসএস এর সহযোগিতায় এ কর্মশালার উদ্ভোদন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা।৫ নভেম্বর সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভুমি) মহেশ্বর মন্ডল, সমাজ সেবা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোসাম্মৎ আসমা বেগম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কাজী ইশরাত জাহান, এপি ম্যানেজার সিলভিয়া ডেইজি, সিআরএসএস এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম, ওর্য়াল্ড ভিশনের ট্রেইনার হুমায়ুন কবির, উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আঃ রহিম সরদার, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ কাওছার হোসেনসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন ভিডিসি ও ডিএমসির সদস্য, যুব ফোরাম, সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা সহ বিভিন্ন সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

  • বাংলাদেশ তালীমে হিযবুল্লাহ কুমিল্লা মহানগর শাখার পরিচিতি সভা অ-নুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ তালীমে হিযবুল্লাহ কুমিল্লা মহানগর শাখার পরিচিতি সভা অ-নুষ্ঠিত

    কুমিল্লা প্রতিনিধি : মোঃ তরিকুল ইসলাম তরুণ

    বাংলাদেশ তালীমে হিযবুল্লাহ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন কুমিল্লা মহানগর শাখার পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    গতকাল বিকেলে কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ের রুচি বিলাস রেস্তোরাঁর সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ তালীমে হিযবুল্লাহর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মোঃ ছফি উল্লাহ মাহমুদী।
    সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা মহানগর শাখার সভাপতি আবদুল মতিন,
    এবং সঞ্চালনা করেন মোঃ লিয়াকত আলী।

    অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীরজাদা আবুজর মোঃ শামসুদ্দোহা।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিযবুল্লাহর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ রুহুল আমিন পীর সাহেব,
    বাংলাদেশ ইসলামী কাফেলার কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মোঃ সাইদুল ইসলাম মাহমুদী,
    কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কামরুল হাসান সিদ্দিকী,
    কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া,
    ইসলামী ছাত্র কাফেলার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোঃ মেহেদী হাসান,
    এবং হুমায়ূন কবিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    পরিচিতি পর্ব শেষে অতিথিবৃন্দ সংগঠনের কার্যক্রম, লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
    অনুষ্ঠানটি ছিল সোনাকান্দা দরবারের একটি অঙ্গ আয়োজন।

  • মাগুরা ১ আসনে বিএনপির প্রার্থী নিজ নির্বাচনী এলাকায় মনোয়ার হোসেনকে গণসং-বর্ধনা

    মাগুরা ১ আসনে বিএনপির প্রার্থী নিজ নির্বাচনী এলাকায় মনোয়ার হোসেনকে গণসং-বর্ধনা

     

    রক্সী খান ,মাগুরা প্রতিনিধি : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয়সংসদ নির্বাচনে মাগুরা-১আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী মনোয়ার হোসেন খানকে গণসংবর্ধনা দিয়েছে হাজারো নেতাকর্মীরা। বুধবার দুপুরে মাগুরার শ্রীপুর ওয়াপদা কামাখালী ব্রীজে পৌঁছালে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ ফুলেল শুভেচ্ছা ও স্লোগানে তাকে বরণ করে নেন মাগুরাবাসী। 

    এ সময় কামারখালী ব্রীজ থেকে মাগুরা শহর পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটারজুড়ে ছিল মানুষের ঢল। ব্যানার, ফেস্টুন ও মিছিল শ্লোগানে তাকে স্বাগত জানায়।

    মনোয়ার হোসেন খানের আগমন উপলক্ষে সকাল থেকেই ওয়াপদা বাজার এলাকায় ঢল নামে। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে তারা সংবর্ধনা স্থলে যোগ দেন। ফুলেল শুভেচ্ছা ও ঢাক-ঢোলের বাদ্যে মনোয়ার হোসেন খানকে বরণ করে নেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এসময় তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান।

    এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাসান ইমাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলমগীর হোসেন, জেলা বিএনপি নেতা কুতুব উদ্দিন, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুন্সি রেজাউল করিম, জেলা যুব দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন, জাহিদ হোসেন টিক্কাসহ জেলা ও শ্রীপুর উপজেলার বিএনপির নেতাকর্মী।

    সংবর্ধনার শুরুতে স্থানীয় ওয়াপদার মোড়ে সমাবেশে মনোয়ার হোসেন খান বলেন, “মাগুরার মানুষ আজ যে ভালোবাসা আজ দেখিয়েছে, তা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। বিএনপি জনগণের দল এই ভালোবাসাই আমাদের আগামী দিনের প্রেরণা।” তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনা হবে। মাগুরার উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে আমি সর্বদা কাজ করে যাব।”

    অভ্যর্থনা শেষে শোভাযাত্রায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। শহরজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন পর বিএনপির এমন গণজোয়ার মাগুরায় নতুন রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে।

    সংবর্ধনা শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মনোয়ার হোসেন খান বলেন, ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। এই গণসমাবেশই প্রমাণ করে, মাগুরার মানুষ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের পাশে আছে। ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ‍

    সোমবার সন্ধ্যায় গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেন সেখানে মাগুরা-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির সদস‌্য সচিব মনোয়ার হোসেন খান।

    রক্সী খান ,মাগুরা।

  • কাপাসিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির নয়া কমিটি সভাপতি সবুজ সম্পাদক জিন্নাহ

    কাপাসিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির নয়া কমিটি সভাপতি সবুজ সম্পাদক জিন্নাহ

    রাসেল শেখ।।

    গাজীপুর প্রতিনিধি:
    গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার বাদ মাগরিব কাপাসিয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক অনাড়ম্বর পরিবেশে কাপাসিয়ায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সকল সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এ কমিটি গঠন করা হয়। দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এফএম কামাল হোসেন। সঞ্চালনায় ছিলেন কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন শামীম। কর্মরত সকল সাংবাদিকদের সম্মতিতে কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এফ এম কামাল হোসেন ও সাবেক সভাপতি সঞ্জিব কুমার দাস নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটিতে রয়েছেন সভাপতি সফিকুল আলম সবুজ (প্রতিদিনের সংবাদ), সাধারণ সম্পাদক শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাহ (বাংলাদেশ প্রতিদিন ও শীতলক্ষ্যা), সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম (দৈনিক প্রভাত), কোষাধ্যক্ষ মাহাবুর রহমান (দৈনিক আমাদের সময়), দপ্তর সম্পাদক তাওহীদ হোসেন (বাংলাভূমি), সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক বাদশাহ আব্দুল্লাহ (দৈনিক নাগরিক ভাবনা), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজান খান শিমুল (দৈনিক মানবকন্ঠ)। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করকে উপস্থিত সকলেই পরামর্শ দেন।
    কাপাসিয়ার সকল সাংবাদিকদের ঐক্য বজায় রাখতে গত ২০১৮ সালে কাপাসিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি নামে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়।
    কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এফএম কামাল হোসেন সকল সাংবাদিকদের সমন্বয়ে গঠিত সংগঠনটি পেশার মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থেকে কার্যকর ভুমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমকালের কাপাসিয়া প্রতিনিধি আব্দুল কাইয়ুম, বাংলাদেশ বুলেটিন কাপাসিয়া প্রতিনিধি শাকিল হাসান, নয়া দিগন্ত কাপাসিয়া প্রতিনিধি আবু সাঈদ, দেশ রূপান্তর কাপাসিয়া প্রতিনিধি তপন বিশ্বাস, দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ কাপাসিয়া প্রতিনিধি আকরাম হোসেন রিপন, দৈনি আজকের পত্রিকা কাপাসিয়া প্রতিনিধি আনিসুল ইসলাম, শাপলা টিভির হাবিবুর রহমান, আজকালের খবর কাপাসিয়া প্রতিনিধি সাইদুল ইসলাম রনি, দৈনিক ভোরের আকাশ কাপাসিয়া প্রতিনিধি উত্তম দাস প্রমুখ।

  • কাপাসিয়ায় সাংবাদিকদের ওপর হা-মলার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতা বহি-ষ্কার

    কাপাসিয়ায় সাংবাদিকদের ওপর হা-মলার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতা বহি-ষ্কার

    রাসেল শেখ।।
    গাজীপুর প্রতিনিধি:
    গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের ভুলেস্বর এলাকায়। এ ঘটনায় নয়া দিগন্তের মাল্টিমিডিয়া গাজীপুর প্রতিনিধি মো. মোজাহিদ, দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিনিধি এস এম জহিরুল ইসলাম এবং দৈনিক আলোকিত সকালের প্রতিনিধি হুমায়ুন কবীর তুষার গুরুতর আহত হন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওইদিন তিন সাংবাদিক বনে গজারি গাছ কাটা ও লুটপাটের দৃশ্য ধারণ করছিলেন। এ সময় হামলার নেতৃত্ব দেন কাপাসিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, এবং সরাসরি হামলায় অংশ নেন রায়েদ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মামুন, ও প্রধান অভিযুক্ত আবুল কাশেম ওরফে গজারী কাশেম।

    হামলার পর স্থানীয়রা আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন, যেখানে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

    পরবর্তীতে আবুল কাশেম, মামুন ও আলামিনকে গ্রেপ্তার করে কাপাসিয়া থানা পুলিশ।

    এরপর দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, গাজীপুর জেলা শাখার সিদ্ধান্তে কাপাসিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম এবং রায়েদ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মামুন–কে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।

    দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বহিষ্কৃতদের সঙ্গে সংগঠনের কোনো নেতা-কর্মী যেন কোনো প্রকার যোগাযোগ না রাখেন, সে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    বহিষ্কার সংক্রান্ত ওই বিজ্ঞপ্তিতে গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান খান মুন্না এবং সদস্য সচিব আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী শাওন স্বাক্ষর করেছেন।

    তারা বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দল সর্বদা গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। সাংবাদিকদের ওপর হামলার মতো নিন্দনীয় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই সংগঠনে স্থান নেই।”

    এদিকে, স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ হামলার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।

  • আসবাবপত্র ক্রয়ে জেলা মহিলা অধিদপ্তরে ব্যা-পক অ-নিয়ম

    আসবাবপত্র ক্রয়ে জেলা মহিলা অধিদপ্তরে ব্যা-পক অ-নিয়ম

    বাবুল হোসেন।।
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি.:

    পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আসবাবপত্র ক্রয় ও বিভিন্ন কর্মসূচির ব্যয় সংক্রান্ত ভাউচারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দপ্তরের উপ-পরিচালক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধানে এসব অনিয়মের তথ্য ও প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের কার্যালয়ের জন্য ৫টি চেয়ার ক্রয় করা হয় গত ১১ আগস্ট। তবে বাজারে একই মানের চেয়ার পাওয়া যায় সর্বোচ্চ ২৪ হাজার ৫০০ টাকায়, অথচ দপ্তরের ভাউচারে দেখানো হয়েছে ৫০ হাজার টাকা ব্যয়।

    এ বিষয়ে অফিসে গিয়ে দেখা যায়, নতুন কেনা চেয়ারগুলো স্থানীয় দোকানে বিক্রিত একই মডেলের। প্রতিটি চেয়ারের বাজারমূল্য গড়ে ৪ হাজার ৯০০ থেকে ৫ হাজার টাকা। অথচ বিলভাউচারে প্রতিটি চেয়ারের দাম দেখানো হয়েছে ১০ হাজার টাকার বেশি।

    এছাড়া চলতি বছরের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত “জাগরণ অনুষ্ঠান” উপলক্ষে দেওয়া নাস্তার বিলেও অনিয়ম পাওয়া গেছে। অংশগ্রহণকারীদের পরিবেশন করা হয়েছিল একটি সেদ্ধ ডিম, একটি লেক্সাস বিস্কুট ও একটি কলা। অথচ দপ্তরের বিলভাউচারে দেখানো হয়েছে ২০০ প্যাকেট বিরানির খরচ।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, এভাবেই উপ-পরিচালক একেএম ওয়াহিদুজ্জামান এর নেতৃত্বে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পঞ্চগড় জেলা অফিস, বোদা উপজেলা, দেবীগঞ্জ উপজেলা ও পঞ্চগড় সদর অফিসে বিভিন্ন ছোট-বড় প্রকল্প ও ক্রয় সংক্রান্ত খাতে অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে বছরের পর বছর সরকারি অর্থ আত্মসাৎ লুটপাট করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনসহ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

    সফলতা মহিলা উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি খাদিজা আক্তার বলেন, আমি সে দিন আমার সংস্থা থেকে ২০ জন মহিলা নিয়ে এসেছিলাম প্রোগ্রামে। আমি নাস্তার প্যাকেট পয়ানি। আমার সংস্থার মহিলাদের কাছ থেকে শুনেছি নাস্তার প্যাকেটে একটি কলা, একটি ডিম ও একটি কেক ছিলো। তা ছাড়া আমরা কিছু পায়নি।

    জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের হিসাব রক্ষক কাম ক্রেডিট সুপারভাইজার সিলভিয়া নাসরিন বলেন, জুলাই জাগরণ অনুষ্ঠানে নাস্তা হিসেবে ডিম, কলা ও কেক দেওয়া হয়েছিল। জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান স্যার আমাকে যেভা বিল ভাউচার করতে বলেছেন আমি সে ভাবেই করেছি। এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। বিল-ভাউচারের বিষয়ে স্যার জানেন। আমি হচ্ছি হুকুমের গোলাম। 

    এ বিষয়ে উপ-পরিচালক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনে কল গেলেও রিসিভ হয়নি। 

    স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, “সরকারের উন্নয়নমুখী দপ্তরে এভাবে অনিয়ম চলতে থাকলে প্রকৃত উন্নয়ন ব্যাহত হবে এবং জনআস্থা হারাবে।”

  • থানচিতে ভিজিডি/ভিডব্লিউবি নারীদের সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

    থানচিতে ভিজিডি/ভিডব্লিউবি নারীদের সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

    মথি ত্রিপুরা।
    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

    বান্দরবানের থানচিতে ভিজিডি ও ভিডব্লিউবি কর্মসূচির উপকারভোগী দরিদ্র নারীদের সঞ্চয়ের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের অফিস সহকারী প্রয়াত এমরান হোসেনের বিরুদ্ধে।
    ভুক্তভোগী নারীরা জানান, ২৩-২৪ চক্রের দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ২২০ টাকা সঞ্চয় টাকা জমা নিলেও নির্ধারিত সময়ে সেই টাকা ফেরত না দিয়ে নানা অজুহাতে ঘুরিয়ে দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। সম্প্রতি বেশ কয়েকজন উপকারভোগীদের টাকা ফেরত দিলেও ১হাজার ২শত ২৪ জন নারীদের সঞ্চয় টাকা ফেরত না দিয়ে অফিস সহকারী প্রয়াত এমরান হোসেন তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন এবং টাকা পরে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। পরে তিনি হঠাৎ মারা যান।
    স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন এলাকাবাসীরা সঞ্চয় টাকা ফেরত না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা দ্রুত তদন্ত করে আত্মসাতের ঘটনার দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

    ভুক্তভোগী নারীরা বলেন,
    “আমরা দারিদ্র্য থেকে একটু উন্নতির আশায় সঞ্চয় করেছিলাম। এখন সেই টাকাও ফেরত পাচ্ছি না। কর্মকর্তারা শুধু আশ্বাস দিচ্ছেন, কিন্তু টাকা দিচ্ছেন না

    এই নিয়ে বলিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াঅং মারমা বলেন, আমার ইউনিয়নের ১নং ও  ৩নং ওয়ার্ড এবং ২নং ওয়ার্ড আংশিক সঞ্চয় টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯ নং ওয়ার্ড গুলো এখনো সঞ্চয় টাকা পায়নি।
    এই নিয়ে থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অংপ্রু ম্রো বলেন, আমার ইউনিয়নের আরো ৬৯ হাজার টাকা সঞ্চয় বাকি রয়েছে, বাকিগুলো সব দেয়া হয়েছে।
    জানা গেছে, রেমাক্রি ও তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের ভিজিডি ও ভিডব্লিউবি মহিলাদের সঞ্চয়ের টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।
    এ বিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (অঃদা) আয়েশা আক্তার বলেন, আমি বিষয়টি জেনেছি, তবে সঞ্চয় টাকা ফেরত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অফিস সহকারী হঠাৎ মারা যাওয়ার কারণে তা বিলম্ব হচ্ছে। এখন আমি থানচিতে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছি, উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সাথে আলোচনা করে এ মাসের কাজ শুরু করতে পারলে আগামী মাসে সবার সঞ্চয় টাকা ফেরত দিতে পারবো। সবার সঞ্চয় টাকা অবশ্যই ফেরত দেওয়া হবে।
    এই নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তবে প্রমাণ পেলে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    উল্লেখ্য, ভিজিডি (ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট) ও ভিডব্লিউবি (ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট) কর্মসূচি সরকারের একটি দারিদ্র্য বিমোচন কার্যক্রম, যার মাধ্যমে দরিদ্র নারীদের খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি সঞ্চয়ের মাধ্যমে স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। একজন মহিলার প্রতি মাসে ২২০ টাকা করে দুই বছরের ৫হাজার ২শত ৮০ টাকা সঞ্চয় জমা দিতে হয়। কিন্তু সেই কর্মসূচির সঞ্চয় টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠায় এখন প্রশ্ন উঠেছে তদারকি ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে।

  • দেশের সর্বোচ্চ পতাকা স্ট্যান্ডে উ-ড়লো লাল-সবুজের পতাকা

    দেশের সর্বোচ্চ পতাকা স্ট্যান্ডে উ-ড়লো লাল-সবুজের পতাকা

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়: বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পতাকা স্ট্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে উড়ানো হলো লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা। দেশের সর্বউত্তরের সীমান্ত বাংলাবান্ধায় ১১৭ ফুট উচ্চতায় এখন নিয়মিত উড়বে স্বাধীনতার প্রতীক এই গৌরবের পতাকা।

    মঙ্গলবার বিকেলে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে পতাকাস্ট্যান্ডটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী।

    জাতীয় সঙ্গীতের তালে তালে ৩০ ফুট বাই ১৮ ফুট আয়তনের বিশাল লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর ফলক উন্মোচন ও বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেন অতিথিরা। অনুষ্ঠানের আগে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর থেকে একটি সুসজ্জিত শোভাযাত্রা বের করা হয়, যা পতাকা বহন করে উদ্বোধনস্থলে পৌঁছায়।

    এ সময় বিজিবির কাছে পতাকা উত্তোলনের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। অতিথি ও স্থানীয়রা জানান, এটি কেবল একটি পতাকাস্ট্যান্ড নয়, বরং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হয়ে উঠবে বাংলাবান্ধা সীমান্তে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি, ১৮ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনিরুল ইসলাম, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ, জেলা বিএনপির আহব্বায়ক জহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা জামায়াতের আমির ইকবাল হোসাইন, জেলা জাগপার সহ সভাপতি শামসুজ্জামান বিপ্লব, গণঅধিকার পরিষদের আহব্বায়ক মাহফুজার রহমান, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক ফজলে রাব্বি সহ অনেকে।

    জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী বলেন, স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে দেশের সর্বোচ্চ এই ফ্ল্যাগস্ট্যান্ড নির্মাণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা নতুন এক ইতিহাসের সাক্ষী হলাম। এই পতাকা আমাদের গৌরব ও অহংকারের প্রতীক।

    ১৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা এই গৌরবের পতাকা সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার করছি।

    এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, আগামীর বাংলাদেশে এই স্বাধীন পতাকা সার্বভৌমত্বের প্রতীক হয়ে থাকবে। কেউ আধিপত্যবাদের দৃষ্টিতে তাকালে আমরা চব্বিশের মতো রক্ত দিয়েই তার জবাব দেব।

    জানা গেছে, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টের বিপরীতে ভারতীয় প্রান্তে প্রায় ১০০ ফুট উচ্চতার একটি ফ্ল্যাগস্ট্যান্ডে ভারতীয় পতাকা উড়ানো হয়। তবে বাংলাদেশের প্রান্তে এতদিন বড় কোনো ফ্ল্যাগস্ট্যান্ড ছিল না। স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে গত ১৯ এপ্রিল এ পতাকাস্ট্যান্ডের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

    দেশের সর্বোচ্চ ১১৭ ফুট উচ্চতার এই ফ্ল্যাগস্ট্যান্ড নির্মাণের মধ্য দিয়ে বাংলাবান্ধা এখন নতুন ইতিহাসের সাক্ষী। সীমান্তের আকাশে গর্বভরে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা—স্বাধীন বাংলাদেশের মর্যাদা ও শক্তির প্রতীক হয়ে।

  • বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ১ম বর্ষ পূর্তি উদযাপন

    বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ১ম বর্ষ পূর্তি উদযাপন

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি।।

    ৩ নভেম্বর (সোমবার )সন্ধ্যায় রাজধানীর বিজয়নগরস্থ হোটেল Hotel-71 গ্রান্ড বলরুমে বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ (বিজেইউসি) ১ম বর্ষ পূর্তি এবং ২য় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার উপদেষ্টা সম্পাদক সাব্বির আহমেদ রনির সভাপতিত্বে
    অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বিজেইউসির প্রধান মুখপাত্র এবং প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান খান নজরুল ইসলাম হান্নান।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভুঁইয়া। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন কবি, সাংবাদিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব চ্যানেল আইয়ের কবি রাজু আলীম। স্বাগত বক্তা ছিলেন বিজেইউসির উপদেষ্টা লায়ন মোঃ বশিরুজ্জামান।

    বিজেইউসির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব মোঃ মোক্তার হোসেনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কলামিষ্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ মহাসচিব এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের স্হায়ী সদস্য মীর আব্দুল আলীম, এন ই এন গ্রুপ অফ কোম্পানিজ ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ ইফাজ আহমেদ, বাংলাদেশ এডিটর ফোরামের মহাসচিব ওমর ফারুক জালাল, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর, টেলিভিশন জার্নলিষ্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টেজাব) মহাসচিব কবি অশোক ধর, আমাদের আলোকিত সমাজের চেয়ারম্যান এ আর এম কামরুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ এ জি মাহমুদ সহ প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন বিজেইউসির প্রধান উপদেষ্টা মনিরুল ইসলাম মনির, ভাইস -চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ রোকনুজ্জামান রকি ভূইঁয়া, যুগ্ম মহাসচিব রফিকুল হুদা বাবু, যুগ্ম মহাসচিব সায়েম ইসলাম টুটুল, সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল কাইয়ুম মিঠু,প্রচার সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান, দফতর সম্পাদক সাহাব উদ্দিন মাসুদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক লায়ন খান আক্তারউজ্জামান, মহিলা সম্পাদক শাহানা সেলিম, মানবাধিকার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জুয়েল সহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

  • আন্তর্জাতিক নাট্য উৎসবে নেপালে আলো ছড়াল হিরণ কিরণ থিয়েটার

    আন্তর্জাতিক নাট্য উৎসবে নেপালে আলো ছড়াল হিরণ কিরণ থিয়েটার

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি :

    নেপালের কাঠমাণ্ডুতে অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক নাট্য উৎসব ২০২৫। এবারের আয়োজনে অংশ নেয় ১২টি দেশ—সাংগতিক নেপাল, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, লাটভিয়া, ইরান, জাপান, থাইল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও চেকোস্লোভাকিয়া।

    বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে হিরণ কিরণ থিয়েটার। সোমবার সকালে উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রঙিন শোভাযাত্রায় অংশ নেয় অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সদস্য, স্থানীয় শিক্ষার্থী এবং নেপালের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। উদ্বোধনের পর প্রত্যেক দেশের জাতীয় সংগীত বাজিয়ে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রথম দিনের প্রথম প্রদর্শনীতে মঞ্চস্থ হয় হিরণ কিরণ থিয়েটারের নাটক ‘মৃত্তিকার ফুল’। নাটকটির প্রথম প্রদর্শনী হয় দুপুর ১টায় এবং দ্বিতীয় প্রদর্শনী সন্ধ্যা ৫টায়। নাটকটি রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম ঢালী, মিউজিক পরিচালনায় ছিলেন শামসুল হুদা হিটু। এতে অভিনয় করেন তাছফিহা আমিন মালিহা তন্নি এবং পার্শ্বচরিত্রে ছিলেন মুকুল রানি সাহা।

    প্রদর্শন শেষে দর্শকদের প্রশংসায় ভাসে দলটি। আয়োজকদের অনুরোধে নাটকটি সন্ধ্যায় পুনরায় মঞ্চস্থ করা হয়। উৎসবের প্রধান আয়োজক তানকা চাওয়াল বলেন, “হিরণ কিরণ থিয়েটারের অসামান্য প্রদর্শন নেপালবাসীর মন জয় করেছে।”

    প্রিমিয়ার ওয়ার্ল্ড স্কুলের প্রিন্সিপাল জুনিতা ককরি বলেন, “আমি বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি নাটকটি দেখে। এখনো মনে হয় আমি সেই নাটকের মধ্যেই আছি। এক কথায় অসাধারণ!”

    বাংলাদেশি নাট্যদলটির এই সাফল্যে নেপালজুড়ে প্রশংসার ঢেউ উঠেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নাট্যচর্চায় এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের অর্জন।