Blog

  • কুসুম্বা মসজিদ একটি ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি

    কুসুম্বা মসজিদ একটি ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি

    লেখক: মোঃ হায়দার আলী।। গত শনিবার গেলাম পারিবারিক কাজে নওগার মান্দা গিয়েছিলাম, কাজ শেষে কুসুম্বা মসজিদ দেখার জন্য গেলাম, সেখানে এর আগে অনেক বার গিয়েছিলাম, এবার সেখানে কিছু সংস্কার ও উন্নয়নমূলক কাজ চোখে পড়লো।দেখে খুবই ভাল লাগলো তাই তো এ সম্পের্কে লিখার খুব ইচ্ছা হলো। আল্লাহর নাম নিয়ে লিখা শুরু করলাম। কুসুম্বা মসজিদ (Kusumba Mosque) নওগাঁ জেলায় অবস্থিত প্রায় সাড়ে চারশত বছর পুরনো একটি ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি। নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলাধীন ৮ নং কুশুম্বা ইউনিয়নের কুশুম্বা গ্রামে কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান। নওগাঁ থেকে মসজিদটির দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার এবং মান্দা উপজেলা থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৪ কিলোমিটার। সুলতানি আমলের সাক্ষী কুসুম্বা মসজিদ এর ছবি বাংলাদেশের পাঁচ টাকার নোটে মুদ্রিত আছে। কুসুম্বা মসজিদকে নওগাঁ জেলার ইতিহাস এবং মুসলিম স্থাপত্য শিল্পরীতির অনবদ্য নিদর্শন হিসাবে গন্য করা হয়। এ অঞ্চলের মুসলিম স্থাপত্য শৈলীর প্রথম যুগের ঐতিহ্যবাহী মসজিদ দেখতে সারাদেশ থেকে অসংখ্য লোকের সমাগম ঘটে।

    কুসুম্বা মসজিদ আত্রাই নদীর পশ্চিমতীরস্থ নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার অন্তর্গত কুসুম্বা গ্রামের নাম অনুসারে পরিচিত। প্রাচীর দিয়ে ঘেরা আঙ্গিনার ভেতরে মসজিদটি অবস্থিত। এ আঙ্গিনায় প্রবেশের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় একটি প্রবেশদ্বার যেখানে প্রহরীদের দাঁড়ানোর জায়গা রয়েছে। বাংলায় আফগানদের শাসন আমলে শূর বংশের শেষ দিকের শাসক গিয়াসউদ্দীন বাহাদুর শাহ-এর রাজত্বকালে জনৈক সুলায়মান মসজিদটি নির্মাণ করেন। তিনি সম্ভবত একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন।

    পূর্বদিকের কেন্দ্রীয় প্রবেশদ্বারের উপরে স্থাপিত আরবিতে (শুধু নির্মাতা শব্দটি ফারসিতে) উৎকীর্ণ শিলালিপি অনুসারে এ মসজিদের নির্মাণকাল ৯৬৬ হিজরি (১৫৫৮-৫৯ খ্রি.)। মসজিদটি শূর আমলে নির্মিত হলেও এ মসজিদে উত্তর ভারতে ইতঃপূর্বে বিকশিত শূর স্থাপত্যের প্রভাব মোটেই দেখা যায় না, বরং এটি বাংলার স্থাপত্য রীতিতেই নির্মিত। ইটের গাঁথুনি, সামান্য বক্র কার্নিশ এবং সংলগ্ন অষ্টকোণাকৃতির পার্শ্ববুরুজ প্রভৃতি এ রীতির পরিচায়ক বৈশিষ্ট্যাবলি। এ মসজিদ ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমানে এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক সংরক্ষিত।

    ভূমি নকশা, কুসুম্বা মসজিদ
    মসজিদটির মূল গাঁথুনি ইটের তৈরী হলেও এর বাইরের দেওয়ালের সম্পূর্ণ অংশ এবং ভেতরের দেওয়ালে পেন্ডেন্টিভের খিলান পর্যন্ত পাথর দিয়ে আবৃত। এর স্তম্ভ, ভিত্তিমঞ্চ, মেঝে এবং পাশের দেওয়ালের জালি নকশা পাথরের তৈরী। আয়তাকার এ মসজিদ তিনটি ‘বে’ এবং দুটি ‘আইলে’ বিভক্ত। পূর্ব দিকে তিনটি এবং উত্তর ও দক্ষিণে একটি করে প্রবেশপথ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মিহরাবটি পশ্চিম দেওয়াল থেকে সামান্য অভিক্ষিপ্ত।

    অভ্যন্তরভাগের পশ্চিম দেওয়ালে (কিবলা দেওয়ালে) দক্ষিণ-পূর্ব দিকের এবং মাঝের প্রবেশপথ বরাবর মেঝের সমান্তরালে দুটি মিহরাব আছে। তবে উত্তর-পশ্চিম কোণের ‘বে‘তে অবস্থিত মিহরাবটি একটি উচু প্লাটফর্মের মধ্যে স্থাপিত। পূর্বদিকে স্থাপিত একটি সিঁড়ি দিয়ে এ প্লাটফর্মে উঠা যায়।

    কুসুম্বা মসজিদের কেন্দ্রীয় মিহরাবঃ
    মিহরাবগুলি খোদাইকৃত পাথরের নকশা দিয়ে ব্যাপকভাবে অলংকৃত। এগুলিতে রয়েছে বহুখাজ বিশিষ্ট খিলান। সূক্ষ্ম কারুকার্য খচিত পাথরের তৈরী স্তম্ভের উপর স্থাপিত এ খিলানগুলির শীর্ষে রয়েছে কলস মোটিফের অলংকরণ। স্তম্ভগুলির গায়ে রয়েছে ঝুলন্ত শিকল ঘন্টার নকশা। মিহরাবের ফ্রেমে রযেছে প্রায় সর্পিল আকারে খোদিত আঙ্গুর গুচ্ছ ও লতার নকশা। এ ছাড়া রয়েছে প্রায় বিন্দুর আকার ধারণকারী কলস, বৃক্ষলতা ও গোলাপ নকশা। প্লাটফর্মের প্রান্তেও রয়েছে আঙ্গুর লতার অলংকরণ। আর এ প্লাটফর্মের ভারবহনকারী খিলানের স্প্যান্ড্রিল এবং মসজিদের কিবলা দেওয়াল জুড়ে রয়েছে গোলাপ নকশা।

    বাইরের দেওয়ালে আস্তরণ হিসেবে ব্যবহূত পাথরগুলি অমসৃণ এবং এতে রয়েছে গভীর খোদাইকার্য। বাইরের দিকে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন অলংকরণ গুলি ছাঁচে ঢালা। এগুলি দেওয়াল গাত্রকে উচু নিচু অংশে বিভক্ত করেছে। এ ছাড়া বক্র কার্নিশ জুড়ে, পাশ্ববুরুজগুলিকে ঘিরে, কার্নিশের নিচে অনুরূপ অলঙ্করন বিস্তৃত। পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ দেওয়ালের গায়ে আয়তাকার খোপ নকশাকে ঘিরে ফ্রেম হিসেবে ছাঁচে ঢালা অলংকরণ রয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রবেশপথের খিলানের স্প্যান্ড্রিল ছোট ছোট কলস ও গোলাপ নকশায় পরিপূর্ণ। উত্তর ও দক্ষিণ দেওয়ালে রয়েছে জালি ঢাকা জানালা।

    বাংলার প্রকৃতিতে এখন পৌষপার্বণ। বলা হয় যে, কোনো ভ্রমণের জন্য সেরা মৌসুম হচ্ছে শীতকাল।
    তাই শীতকালে দেশের পর্যটন শিল্প চাঙা হয়ে ওঠে।
    প্রাণ ফিরে পাচ্ছে বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যটনস্পট। একটু নির্মল আনন্দ ও বিনোদনের আশায় মানুষ ছুটে যাচ্ছেন দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। প্রাণভরে উপভোগ করছেন সব নৈসর্গিক সৌন্দর্য। আমাদের সবুজ শ্যামল বাংলার এমনিতেই রূপের অভাব নেই। দেশের যে প্রান্তেই যান না কেন, আপনি প্রাণ ভরে পান করতে পারবেন এ দেশের রূপসুধা।

    ঘোরাঘুরি করতে চাইলে এদেশের ভেতরেই আছে অসংখ্য জায়গা। এই শীতে ঘুরে আসতে পারেন রাজশাহীর পাশের জেলা নওগাঁ শহরে। এখানে অনেক প্রাচীন স্থাপত্যের মধ্যে রয়েছে সুলতানি আমলের ঐতিহ্য ‘কুসুম্বা’ মসজিদ।

    রাজশাহী বিভাগের উত্তরেই নওগাঁ জেলার অবস্থান। এটি বিভাগের বরেন্দ্রীয় অংশ। ভারত সীমারেখা ঘেঁষে থাকা নওগাঁ জেলার মোট উপজেলার সংখ্যা ১১টি। এর মধ্যে মান্দা অন্যতম। কারণ প্রায় সাড়ে চারশ বছরের ঐতিহ্য ও স্মৃতি ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে ‘কুসুম্বা মসজিদ’। রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের মান্দা ব্রিজের পশ্চিম দিকে ৪শ মিটার উত্তরে ঐতিহাসিক এই মসজিদের অবস্থান।

    নওগাঁ জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। স্থানীয়দের কাছে এর আরেক নাম কালাপাহাড়। কুসুম্বা মসজিদকে তাই নওগাঁ জেলার ইতিহাস ও মুসলিম ঐতিহ্যের উজ্জ্বল নিদর্শন বলা হয়। মসজিদের উত্তর-দক্ষিণ দিকে রয়েছে ৭৭ বিঘা বিশিষ্ট একটি বিশাল দিঘি। গ্রামবাসী ও মুসল্লিদের খাবার পানি, গোসল ও অজুর প্রয়োজন মেটানোর জন্য এ দিঘিটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এর পাড়েই তৈরি করা হয়েছে কুসুম্বা মসজিদ। কুসুম্বা মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে ৫৮ ফুট লম্বা, চওড়া ৪২ ফুট।

    চারদিকের দেয়াল ৬ ফুট পুরু। মসজিদের সামনের দিকে রয়েছে তিনটি দরজা। এই কুসুম্বা মসজিদ সুলতানি আমলের একটি পুরাকীর্তি। চারদিকের দেয়ালের ওপর বাইরের অংশ পাথর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।

    মসজিদের সামনে থাকা তিনটি দরজার মধ্যে দু’টি বড়, একটি অপেক্ষাকৃত ছোট। দরজাগুলো খিলানযুক্ত মিহরাব আকৃতির। মসজিদের চার কোণায় রয়েছে চারটি মিনার। মিনারগুলো মসজিদের দেয়াল পর্যন্ত উঁচু ও আট কোণাকার। ছাদের ওপর রয়েছে মোট ছয়টি গম্বুজ। যা দু’টি সারিতে তৈরি। বাংলায় আফগানদের শাসন আমলে শূর বংশের শেষদিকের শাসক গিয়াস উদ্দিন বাহাদুর শাহর রাজত্বকালে জনৈক সুলাইমান মসজিদটি নির্মাণ করেন। তিনি একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। এ মসজিদের নির্মাণকাল ৯৬৬ হিজরি (১৫৫৮-৫৯ খ্রিস্টাব্দ)।

    ইতিহাসবিদদের মতে, কুসুম্বা মসজিদ মুসলিম স্থাপত্যকলার এক অনুপম নিদর্শন। সবর খান বা সোলায়মান নামে ধর্মান্তরিত এক মুসলিম এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। মূল প্রবেশপথে শিলালিপি থেকে প্রমাণিত হয় এ মসজিদটি ৯৬৬ হিজরি বা ১৫৫৮-৫৯ খ্রিস্টাব্দে শের শাহ’র বংশধর আফগান সুলতান প্রথম গিয়াস উদ্দিন বাহাদুরের শাসনামলে (১৫৫৪-১৫৬০) নির্মিত। সে হিসাবে মসজিদটির বর্তমান বয়স ৪৭৪ বছর। কেন্দ্রীয় মেহরাবের ওপরাংশ শেরশাহের শাসনামলে নির্মিত।

    বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে রাজশাহী জেলা পরিষদের ওভারশিয়ার সুরেন্দ্র মোহন চৌধুরী কুসুম্বা গ্রামের প্রাচীন ধ্বংসস্তূপ থেকে একটি শিলালিপি আবিষ্কার করেন। শিলালিপিটি বর্তমানে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী বরেন্দ্র জাদুঘরে রয়েছে। যে কেউ জাদুঘরে গেলে শিলালিপিটি দেখতে পারবেন।

    ১৮৯৭ সালের এক ভূমিকম্পে কুসুম্বা মসজিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। বর্তমানে এটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ সংরক্ষিত। মসজিদটির মূল গাঁথুনি ইটের তৈরি হলেও এর বাইরের দেয়ালের সম্পূর্ণ অংশ এবং ভেতরের দেয়ালে পেনডেন্টিভের খিলান পর্যন্ত পাথর দিয়ে আবৃত। এর স্তম্ভ, ভিত্তিমঞ্চ, মেঝে ও পাশের দেয়ালের জালি-নকশা পাথরের তৈরি। আয়তাকার এ মসজিদ তিনটি ‘বে’ ও দুটি ‘আইলে’ বিভক্ত। পূর্বদিকে তিনটি এবং উত্তর ও দক্ষিণে একটি করে প্রবেশপথ আছে।
    কেন্দ্রীয় মিহরাবটি পশ্চিম দেয়াল থেকে সামান্য অবিক্ষিপ্ত। মসজিদের অভ্যন্তরভাগের পশ্চিম দেয়ালে (কিবলামুখী দেয়ালে) দক্ষিণ-পূর্ব দিকের এবং মাঝের প্রবেশপথ বরাবর মেঝের সমান্তরালে দু’টি মিহরাব আছে। তবে উত্তর-পশ্চিম কোণে থাকা মিহরাবটি একটি উঁচু প্ল্যাটফর্মের মধ্যে স্থাপিত। পূর্বদিকে স্থাপিত একটি সিঁড়ি দিয়ে এ প্ল্যাটফর্মে ওঠা যায়।

    মিহরাবগুলো খোদাই করা পাথরের নকশা দিয়ে ব্যাপকভাবে অলংকৃত। কারুকার্য খচিত পাথরের তৈরি স্তম্ভের ওপর স্থাপিত এ খিলানগুলোর শীর্ষে রয়েছে কলস মোটিফের অলংকরণ। স্তম্ভগুলোর গায়ে রয়েছে ঝুলন্ত শিকল ঘণ্টার নকশা। মিহরাবের ফ্রেমে রয়েছে প্রায় সর্পিল আকারে খোদিত আঙুরগুচ্ছ ও লতার নকশা। এছাড়া প্রায় বিন্দুর আকার ধারণকারী কলস, বৃক্ষলতা ও গোলাপ নকশা রয়েছে গা ঘেঁষে। প্ল্যাটফর্মের প্রান্তেও রয়েছে আঙুরলতার অলংকরণ। আর এ প্ল্যাটফর্মের ভারবহনকারী খিলানের স্প্যান্ড্রিল ও মসজিদের কিবলা দেয়ালজুড়ে রয়েছে গোলাপ নকশা। বাইরের দেয়ালে আস্তরণ হিসেবে ব্যবহৃত পাথরগুলো অমসৃণ।

    বর্তমানে বছরের যে কোনো উৎসবে বা শীত মৌসুমে দর্শনার্থীরা ঐতিহাসিক এই কুসুম্বা মসজিদ দেখতে যান। তবে মসজিদটি ঘিরে পর্যটন শিল্পের বিপুল সম্ভাবনা থাকার পরও প্রয়োজনীয় নজরদারির অভাবে ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে ওঠেনি। রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতি বছর শীতের সময় অনেকে এ মসজিদ পরিদর্শনে আসেন।

    কুসুম্বা মসজিদকে ঘিরে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা প্রশ্নে নওগাঁ জেলা প্রশাসক (ডিসি) হারুন-অর-রশিদ জানান, ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাটি ঘিরে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা তাদের রয়েছে।

    কীভাবে যাবেন কুসুম্বা মসজিদ
    রাজধানী ঢাকা থেকে প্রথমে রাজশাহী যেতে হবে। রাজশাহীর ওপর দিয়ে ছাড়া এখানে যাওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে ঢাকা-রাজশাহীর বাস ভাড়া লাগবে ৫০০ টাকা। এরপর রাজশাহী মহানগরের গোরহাঙ্গা রেলগেট বাসস্টপেজ থেকে নওগাঁর বাসে উঠে ৫০ টাকা ভাড়ায় মান্দার ফেরিঘাটের আগে কুসুম্বা মোড়ে নামতে হবে। এখানে নেমে হেঁটে এক মিনিটের পথ কুসুম্বা মসজিদ। আর থাকার জন্য নওগাঁ শহরে রয়েছে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল। সেখানে সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে এক হাজার টাকায় একদিনের জন্য রুম ভাড়া পাওয়া যাবে

    লেখক : মোঃ হায়দার আলী।।

  • পাবনায় ১০ লাখ টাকার কারেন্ট জাল জব্দসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    পাবনায় ১০ লাখ টাকার কারেন্ট জাল জব্দসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    সাইফুল ইসলাম জয়ঃ পাবনার সাঁথিয়ায় অভিযান চালিয়ে উপজেলার গাগড়াখালি গ্রাম থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করাসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

    বৃহস্পতিবার (২৪শে অক্টোবর ২০২৪ ইং) পাবনার সাঁথিয়ায় জব্দ করা কারেন্ট জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করেছেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সাঁথিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রিফাতুল হক।

    মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ মোতাবেক ভ্রাম্যমান আদালতে সরকারি নিষেধ অমান্যকারী অপরাধীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানতে পারে পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভার গাগড়াখালি মহল্লায় একটি পিকাপভ্যানে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিভিন্ন দোকানে ও মৎস্যজীবীদের কাছে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এ সময় সাঁথিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা নাসির উদ্দিন অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার ৭০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করেন। এরপর পিকাপভ্যানের মালিক আলামিন হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছেন।

    ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সাঁথিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রিফাতুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর ৬ এর (খ) এবং ১৫ (৪) ধারায় অপরাধীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানান।

  • বিএপিএস এর দাবী আদায় ও বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য নির্বাচিত হলেন বাবুল হোসেন

    বিএপিএস এর দাবী আদায় ও বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য নির্বাচিত হলেন বাবুল হোসেন

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশন (বিএপিএস) কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির পৌরসভায় চাকুরীরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে দাবী আদায় ও বাস্তবায়ন কমিটির সম্মানিত সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশন(বিএপিএস) পাবনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সুজানগর পৌরসভার ট্যাক্স কালেক্টর বাবুল হোসেন সরদার। বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশন (বিএপিএস) কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল আলীম মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন আড়াইহাজার পৌরসভার ম.ই তুষার ও সদস্য সচিব করা হয়েছে মির্জাপুর পৌরসভার বাবুল হোসেনকে। এদিকে বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশন(বিএপিএস) পাবনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সুজানগর পৌরসভার ট্যাক্স কালেক্টর বাবুল হোসেন সরদার বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশন (বিএপিএস) কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির পৌরসভায় চাকুরীরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে দাবী আদায় ও বাস্তবায়ন কমিটির সম্মানিত সদস্য নির্বাচিত অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। নির্বাচিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সম্মানিত সদস্য বাবুল হোসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে ইউএনও ও পৌর প্রশাসক মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় পৌরসভার স্টাফ সুব্রত কুমার কুন্ডু, মোতালেব হোসেন লাল, আশরাফুল আলম, সেলিম রেজা, মোহাম্মদ আলী,নাজমুল হক জাফর ইকবাল উপস্থিত ছিলেন। এদিকে বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশন (বিএপিএস) কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির পৌরসভায় চাকুরীরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে দাবী আদায় ও বাস্তবায়ন কমিটির সম্মানিত সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় বাবুল হোসেন সরদার জানান, তিনি যেন দেশের সকল পৌরসভায় চাকুরীরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে দাবী আদায় ও বাস্তবায়ন করার লক্ষে আন্তরিকভাবে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারেন এ জন্য সকলের নিকট দোয়া কামনা করেছেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে আন্তর্জাতিক মিঠাপানির ডলফিন দিবস পালিত

    সুজানগরে আন্তর্জাতিক মিঠাপানির ডলফিন দিবস পালিত

    এম এ আলিম রিপন ঃ “নদীর প্রাণ ডলফিন-শুশুক,নিরাপদে বেঁচে থাকুক” এবারে এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে পাবনার সুজানগরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক মিঠাপানির ডলফিন দিবস-২০২৪ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ রাজশাহীর আয়োজনে বের হওয়া বর্ণাঢ্য র‌্যালীটি স্থানীয় বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলার নাজিরগঞ্জ পদ্মা নদীর তীরে গিয়ে শেষ হয়। পরে নাজিরগঞ্জ ফেরীঘাট চত্বরে সামাজিক বন বিভাগ পাবনার সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ রাজশাহীর বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ওয়াল্ডলাইফ সুপারভাইজার সরোয়ার হোসেন খান, সামাজিক বন বিভাগ পাবনার ফরেষ্ট রেঞ্জ অফিসার সাইদুর রহমান, বিএনপি নেতা হারুন হাজারী, এসো দেশকে ভালোবাসি সংগঠনের সহ-সভাপতি ও বোনকোলা স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইশানুর রহমান, এসো দেশকে ভালোবাসি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন নাজিরগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক রোকনুজ্জামান রতন, বিএনপি নেতা সাত্তার খান, হোসেন খান, যুবদল নেতা আক্কাজ আলী মন্ডল, ছাত্র প্রতিনিধি রাতুল প্রমুখ।

  • সুজানগরে কিশোরীদের এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    সুজানগরে কিশোরীদের এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    এম এ আলিম রিপন ঃ এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রুখে দিন প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে পাবনার সুজানগরে মাসব্যাপী শুরু হওয়া (৫ম শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণি ছাত্রী) স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায় ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুজানগর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অপিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা.মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা.ফাউজিয়া সুলতানা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলায়মান হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা.নাসরিন আক্তার, পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম নবী, সুজানগর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন-আরা পারভিন, পৌরসভার স্যানেটারি ইনস্পেক্টর আমিরুল ইসলাম,কঞ্জারভেন্সী ইন্সপেক্টর হাসান উদ্দিনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন । সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা.মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, আজকের কিশোরী আগামী দিনের মা। তাদের সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষা। বৈশ্বিকভাবে সাধারণত নারীরা যে সকল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তার মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার চতুর্থ সর্বোচ্চ। বাংলাদেশি নারীদের ক্ষেত্রে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী প্রতিবছর বিশ্বে ছয় লাখের বেশি নারী জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। যার মধ্যে প্রায় তিন লাখ মৃত্যুবরণ করেন। এর প্রায় ৯০ ভাগই মৃত্যুই বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল বা স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে ঘটে থাকে। ঢাকা বিভাগ বাদে দেশের অন্য সকল বিভাগে ২৪ অক্টোবর থেকে মাসব্যাপী একযোগে এইচপিভি টিকা প্রদান কার্যক্রম চলবে। ওয়ানলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে সুজানগর পৌরসভায় ২৩৬৯ জন এবং উপজেলার অন্য সকল ইউনিয়নে ১৫হাজার ৩শ’ ৫২ জন কিশোরীকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায় স্বাস্থ্য কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছে। প্রতিটি টিকার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। যা বর্তমান সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রান্তিক জনগোষ্ঠির কাছে পৌঁছে দিতে বিনামূল্যে এ টিকা প্রদান করছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • গাইবান্ধা জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    গাইবান্ধা জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রংপুর এর উদ্দ্যোগে গত ২৩.১০.২০২৪ খ্রিঃ তারিখে প্রকৌঃ মুবিন-উল-ইসলাম, উপপরিচালক (পদার্থ) ও অফিস প্রধান এর নেতৃত্বে গাইবান্ধা জেলায় সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে আরও ছিলেন প্রকৌঃ মোঃ জাহিদুর রহমান, সহকারী পরিচালক (সিএম) এবং প্রকৌঃ মোঃ তাওহিদ-আল-আমিন, ফিল্ড অফিসার (সিএম)।

    উক্ত অভিযানে যে সকল প্রতিষ্ঠান এর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা প্রদানের জন্য আলামত জব্দ করা হয়েছে:
    ১। আল রুমান হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট, গৃধারীপুর, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা। পণ্য: দই, মিষ্টি।
    ২। চারুশশী অয়েল মিল, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: সরিষার তেল।
    ৩। গাইবান্ধা মিষ্টান্ন ভান্ডার, ডিবি রোড, সদর, গাইবান্ধা।
    ৪। গাইবান্ধা দই ঘর, বালাসী রোড, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: দই, মিষ্টি
    ৫। মা মিষ্টান্ন ভান্ডার, ডিবি রোড, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: দই মিষ্টি
    ৬। গাইবান্ধা রসমালাই, ডিবি রোড, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: দই, মিষ্টি।
    ৭। ইসলাম ফ্লাওয়ার মিল, ডি বি রোড, সদর গাইবান্ধা। পণ্য: ময়দা, ভূষি।
    ৮। আবুল অটো ফ্লাওয়ার মিল, তরফকল, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: ময়দা, ভূষি।
    ৯। আকি মুড়ি, তরফকল, সদর, গাইবান্ধা।
    ১০। মিল্টন বেকারি, পার্ক মোর, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: বিস্কুট, ব্রেড।
    ১২। রমেশ সুইটস, আবদুল হামিদ সড়ক, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: দই, মিষ্টি।
    ১৩। রাজা পেপার এন্ড বোড মিলস লিমিটেড, ফাসিতলা, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা।

    উক্ত অভিযানে যে সকল প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত সিএম লাইসেন্স গ্রহণ/নবায়ন এবং গুণগত মানের পণ্য উৎপাদনের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে
    ১। পল্লী ফুড এন্ড সুইটস, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: বিস্কুট, ব্রেড।
    ২। এস ডি আর এস কঞ্জুমার প্রোডাক্টস, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: মসলা।
    ৩। সুপার টেস্টি ফুড এন্ড বেভারেজ, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: বিস্কুট, কেক।
    ৪। সুপার টেস্টি ফুড এন্ড বেভারেজ, নশরত, সদর গাইবান্ধা। পণ্য: বিস্কুট, কেক।
    ৫। মন্ডল ফ্লাওয়ার মিল ইউনিট- ২, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: আটা ময়দা।
    ৬। মন্ডল ফ্লাওয়ার মিল ইউনিট- ৩, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: আটা ময়দা।
    ৭। হেমেন্দ্র অয়েল মিল, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: সরিষার তেল।
    ৮। নিতাই গৌরাঙ্গ অয়েল মিল, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: সরিষার তেল।
    ৯। চৌধুরী অয়েল মিল, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: সরিষার তেল।
    ১০। মেসার্স ওহি জুট ফাইবার্স, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: পাটের ব্যাগ
    ১১। মন্ডল ফ্লাওয়ার মিল, ডিবি রোড, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: ময়দা ভূষি।
    ১২। ভাই ভাই ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি। নাকাইহাট, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ১৩। মামা ভাগনা অয়েল মিল, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা। পণ্য: সরিষার তেল।
    ১৪। আবাবিল অয়েল মিল, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা। পণ্য: সরিষার তেল।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • যানজট নিরসনে  নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে…..নাজমুল হাসান পি পিএম বার,অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার

    যানজট নিরসনে নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে…..নাজমুল হাসান পি পিএম বার,অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার

    সুমন খান:

    রাজধানীর মিরপুর গাবতলী
    যানজট নিরসনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক মিরপুর, বিভাগ গাবতলী বাস টার্মিনালে ট্রাফিক সচেতনতা সভা করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ২৩ অক্টোবর ২০২৪ দুপুর ১ টার ! সময় গাবতলী বাসটার্মিনাল অডিটোরিয়ামে বাস মালিক, সমিতি ও ড্রাইভার সমিতির সদস্যদের নিয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় মধ্য দিয়ে কোরআন তেলাওয়াতের শুরুতে ! যানজট নিরসনে সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধানের বিষয়ে দিকের মাধ্যমে তুলে ধরে ।
    মিরপুরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানজট চিহ্নিত করে তা সমাধানের লক্ষ্যে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এরমধ্যে রয়েছে-
    বাস স্টপেজ ব্যতীত যেখানে সেখানে বাস না থামানো,নির্দিষ্ট স্টপেজে বাস থামানো এবং পার্কিং ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন। পর্যায়ক্রমে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।
    এ সময় উপস্থিত,বাস ট্রাক অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বাবদ রমেশচন্দ্র ঘোষের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন , খন্দকার মোঃ নাজমুল হাসান পি পিএম বার,অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার( ট্রাফিক) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ- পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক মিরপুর-বিভাগ) ঢাকা।
    স্বাগত বক্তব্য রাখেন, আলহাজ্ব কফিল উদ্দিন (চেয়ারম্যান,হানিফ এন্টারপ্রাইজ)। বক্তব্যে বলেন
    তিনি বলেন, গাবতলী বাস টার্মিনালে কোন চাঁদাবাদি করতে যেন না পারে সে সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে । শুধু তাই নয় এই বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পুলিশের সহায়তা নিয়ে কাজ করতে চাই আমরা। তিনি ট্রাফিক বিভাগকে অনুরোধ করেন সর্বদা তাদেরকে সহায়তা করে দেশকে সুন্দর সুশৃংখল দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারাটা আমাদের সফলতা কামনা করছি। বিশেষ বক্তব্য রাখেন,
    অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার খন্দকার নাজমুল হাসান বলেন, ঢাকা একটি মেগাসিটি। এর জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি ২৪ লক্ষ। যা অনেক দেশের মোট জনসংখ্যা চেয়ে বেশি। আমরা প্রযুক্তির দিক দিয়ে অনেক উন্নত শীল । কিন্তু আমাদের মধ্যে ট্রাফিক সচেতনতার ঘাটতি রয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সাথে প্রায় সকলেই জড়িত আছেন বলে মনে করি। তাই সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নির্ভর করে ট্রাফিক নিয়ম-নীতি মেনে চলার ওপর দায়িত্বশীলতা নির্ভর থাকবেন। এজন্য প্রয়োজন ঢাকা মহানগরীতে বসবাসকারী সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

    খন্দকার নাজমুল হাসান আরও বলেন, পোশাক খোলার পর আমিও একজন সাধারণ যাত্রী আমি নিজেও গণপরিবহনে চলাচল করি।নিয়ম মানাকে আমরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যা মনে করি সকলে সচেতন হয়ে এবং হর্ন প্রয়োজন ব্যতীত বাজানো থেকে বিরত থাকি। তাই অযথাই হর্ন বাজানো যাবে না এতে আমাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হচ্ছে। আমরা যারা মাঠে কাজ করি আমাদের ট্রাফিক অনেকেই কানে কম শুনেন এই হর্ন ! এর শব্দের কারণে
    ডিএমপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। জনগণকে সচেতন করার জন্য আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে থাকি। আমাদের সবাইকে ট্রাফিক আইন ও নিয়ম-নীতি সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।’ সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য যা যা করা প্রয়োজন পুলিশ তাই করবে উল্লেখ করেন খন্দকার নাজমুল হাসান।

    সভায় অংশগ্রহণকারী সহস্রাধিক মালিক সমিতির সদস্য ও চলকদের ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের পক্ষ হতে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ বিষয়ের প্রতিটি চালকদের মাঝে এবং জনসাধারণের মাঝে লিফটেড বিতরণ করেন ।

  • নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  কর্মস্থলে যোগদানের কথা শুনেই হাসপাতালের টিএইচও এর কক্ষে তালা জুলিয়ে দিল সাধারণ জনতা

    নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মস্থলে যোগদানের কথা শুনেই হাসপাতালের টিএইচও এর কক্ষে তালা জুলিয়ে দিল সাধারণ জনতা

    আনোয়ার হোসেন,

    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি:

    একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের বোঝা মাথায় নিয়ে নেছারাবাদ হাসপাতালে স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা পদে যোগদান করবেন ডা: মামুন হাসান। এমন খবরে ২৪ অক্টোবর (বৃহস্পতিবা) সকালে নেছারাবাদ হাসপাতালে তার কর্মস্থলে যোগদানের কথা শুনেই স্থানীয় কিছু লোক ডা: মামুন হাসানের কক্ষে পূর্ব থেকেই নিজেদের উদ্যেগে তালা জুলিয়ে রাখেন। এতে হাসপাতালের পরিস্থিতি কিছুটা থমথমে হয়ে যায়। তবে ডা: মামুন হাসানের কক্ষে কে বা কারা তালা জুলিয়ে রেখেছেন তা জানেনা হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ডা: নাজমুল হাসান মাসুদ।

    ডা: মামুন হাসান বাগেরহাট জেলার চিতলমারি সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা পদে ছিলেন। সেখানে সিমাহীন দুর্নীতি ও গত গত ৫ আগষ্ট পর্যন্ত ছাত্র জনতার বিপরীতে অবস্থানে ছিলেন। ৫ আগষ্টের পর তার বিরুদ্ধে বাগােরহাটের চিতলমারির ছাত্রজনতা তার পদত্যাগের দাবিতে হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেয়। এতে তিনি ছাত্রজনতার তোপের মুখে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহাতায় বের হয়ে কিছু দিন গাঢাকা দেন।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডা.মামুন বলেন,চিতলমারী হাসপাতালে ছাত্রজনতার বিক্ষোভে সময় আমি ছুটিতে ছিলাম, তাছাড়া তারা কেন এগুলো করেছিলো আমি অবগত নয়। তারা যে অভিযোগ এনে এগুলো করছে বিক্ষোভ করেছিলো সেগুলো মিথ্যে।আজকে আমি পিরোজপুরে সিভিল সার্জন স্যারের কাছে অফিসিয়ালি যোগদান করে ছুটিতে যাবো পরে যেকোন সময় এসে নেছারাবাদে যোগদান করবো।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে নেছারাবাদ হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য ও প:প:কর্মকর্তা ডা: নাজমুল হাসান মাসুদ খান জানান, আমি শুমেছি,গতকাল বুধবার নেছারাবাদ হাসপাতালে টিএইচও পদে তার অর্ডার হয়েছে। তিনি বৃহস্পতিবার এখানে যোগদানের কথা। তবে তার কক্ষে বাহির থেকে এসে কে বা কারা যেন, তালা জুলিয়েছে। এ বিষয়ে আমি আর কিছু বলতে পারবোনা বলে জানান।

    পিরোজপুর সিভিল সার্জন ডা: মিজানুর রহমান জানান, “ডা: মামুন হাসান আমাকে ফোন দিয়ে নেছারাবাদ হাসপাতালে যোগদান করবেন বলে জানিয়েছেন। আমি তাকে অর্ডার আদেশ নিয়ে আসতে বলেছি”। তার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, “বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে আজকেই তার দুর্নীতির বিষয়ে শুনেছি। তবে তার রুমে তালা জুলানোর বিষয়ে আমি অবগত নই। আমি ডা: মামুন হাসানের বিষয়ে বিভাগীয় পরিচালক মহোদয়কে জানাব”।

  • রাজশাহীতে আধুনিক ল্যাবে ১দিনেই মিলছে মাদক পরীক্ষার প্রতিবেদন- আর যেতে হয় না ঢাকায়

    রাজশাহীতে আধুনিক ল্যাবে ১দিনেই মিলছে মাদক পরীক্ষার প্রতিবেদন- আর যেতে হয় না ঢাকায়

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় অফিসে চালু হয়েছে রাসায়নিক পরীক্ষাগার। ১৭ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে এই ল্যাবে পরীক্ষা শুরু হয়। এতে করে একদিনের মধ্যেই মিলছে মাদক পরীক্ষার ফলাফল। আধুনিক এই পরীক্ষাগার চালুর ফলে একদিকে যেমন দ্রুত মামলার চার্জশিট হবে, ঠিক তেমনই কমবে খরচ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি রাজশাহী বিভাগের মামলাগুলোর তদন্তে গতি আনবে। আর যেতে হবে না ঢাকায়।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগীয় অফিসের তথ্যমতে, রাজশাহী বিভাগে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অধীনে জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৭৪১টি মাদক পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে জানুয়ারিতে ৮৪টি, ফেব্রুয়ারিতে ৯৬টি, মার্চ মাসে ৮৮টি, এপ্রিল মাসে ৯৭টি, মে মাসে ১০২টি, জুন মাসে ৯২টি, জুলাই মাসে ৭১টি, আগস্টে ৩৫টি ও সেপ্টেম্বর মাসে ৭৬টি মাদকের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

    রাজশাহী বিভাগীয় রাসায়নিক পরীক্ষাগারের পরীক্ষক আবু হাসান জানান, ৩০ জুন এই ল্যাবের প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। এর আগে ১৯ মার্চ ল্যাবটির গেজেট প্রকাশ পায়। এরপর নিয়োগ ও অন্যান্য কার্যক্রম শেষ করে ১৭ অক্টোবর এটি চালু করা হয়। বর্তমানে রাজশাহী বিভাগের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সব পরীক্ষা এখানে করা হচ্ছে। ল্যাবটিতে মোট সাতজন কাজ করছেন। গত ছয়দিনে এখানে পরীক্ষা শেষে ১৪টি ফলাফল দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এটি একটি আধুনিক ল্যাব। সব সুযোগ-সুবিধা এখানে আছে। ল্যাবটির প্রতিদিনর সক্ষমতা প্রায় ৭০টি রিপোর্ট প্রস্তুত করার। এছাড়া যে কোনো ধরনের মাদক সর্বোচ্চ ২০ মিনিটের মধ্যেই পরীক্ষা করা সম্ভব। এগুলো ফলাফল দিতে এক থেকে সর্বোচ্চ তিনদিন সময় লাগছে। একদিনের মধ্যেই যে কোনো মাদকের পরীক্ষা করা সম্ভব।

    রাজশাহী মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, একটি মাদক মামলার প্রধান সাক্ষ্য হলো মাদকের পরীক্ষার প্রতিবেদন। আগে আমাদের এখানে কোনো মাদক মামলা বা মালামাল উদ্ধার হলে সেটি পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠাতে হতো। ফলে সময় লেগে যেত ২-৩ সপ্তাহ বা তারও বেশি। এটি এখন তিনদিনের মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে। এটি একদিকে যেমন সময় কমাচ্ছে, মামলার তদন্তে গতি আনছে। পাশাপাশি সরকারের ব্যয়ও সংকোচন হচ্ছে।

    জিল্লুর রহমান আরও বলেন, একটি মামলার তদন্ত দ্রুত হলে চার্জশিটও দ্রুত দেওয়া সম্ভব। ল্যাব হওয়ার কারণে এটিতে গতি এসেছে। ফলে এখন দ্রুত মাদক মামলা নিষ্পত্তি হবে।

    রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, পুলিশ তো সরাসরি মাদক উদ্ধার করে। কিন্তু মাদকের রাসায়নিক পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে বিলম্ব হওয়ায় চার্জশিট দিতে সময় লেগে যায়। এই রিপোর্টটা যদি দ্রুততম সময়ে পাওয়া যায় তবে দ্রুত তদন্ত শেষ হবে, দ্রুত চার্জশিট হবে এবং দ্রুত বিচার কাজও শুরু করা সম্ভব হবে।

    রাজশাহী মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মাসুদ হোসেন বলেন, এটি শুধু আমাদের জন্য নয়। সবার জন্য ব্যবহার করা যাবে। ফলে রাজশাহীর মাদক মামলায় অনেক গতি আসবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল মান্নার গাও ইউনিয়ন শাখার পরিচিতি সভা

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল মান্নার গাও ইউনিয়ন শাখার পরিচিতি সভা

    হারুন অর রশিদ,
    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল মান্নার গাও ইউনিয়ন শাখার পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার ২৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় মিতালী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে এ পরিচিতি সভার আয়োজন করা হয়।

    সাবেক ইউপি সদস্য বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মিতালী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক সবির উদ্দিন, বিএনপি নেতা আব্দুল গফুর খান, যুবদলের নেতা আব্দুল সালাম, আজমপুর গ্রামের সভার সার্বিক সহযোগী ও যুবদল নেতা আঙ্গুর মিয়া, রাহ্’মিন মিয়া, তারেক আহমদ,
    কৃষক দলের সহ-সভাপতি আকবর আলী,
    মাসুক আহমদ লুৎতুর, যুবদল নেতা তাহের, আলী-রাজ ,সেজুল আহমদ, মো. রিপন মিয়া, সফিকুল, লিয়াকত আলী, আবুল হোসেন, ফখর উদ্দিন, সোহাগ রুবেল প্রমুখ।
    সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুক মিয়া ও মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায়
    মান্নার গাও ইউনিয়ন কৃষক দলের পরিচিতি উপস্থাপন করা হয়। সভাপতি খোকন আহমদ, সহ-সভাপতি মকবুল হোসেন, ইসকন্দর আলী, সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন মিয়া। এছাড়াও অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।।

    সভায় বক্তারা, জাতীয়তাবাদীদল বিএনপির আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে ছাতক দোয়ারাবাজার আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি কলিমউদ্দিন আহমেদ মিলন ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ বারীর হাতকে শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহব্বান জানিয়েছেন। এসময় বক্তারা আরও বলেন, কৃষিকাজে সর্বপ্রথম বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। সে লক্ষ্যে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য জাতীয়তাবাদী কৃষক দল গঠন করা হয়।