Blog

  • বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ দুই নারী ব্যবসায়ী গ্রে*প্তার

    বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ দুই নারী ব্যবসায়ী গ্রে*প্তার

    এস মিজানুল ইসলাম,বানারীপাড়া প্রতিনিধি।। বানারীপাড়ায় এক কেজি একশত গ্রাম গাঁজাসহ জেসমিন বেগম (৪০) ও সুমা বেগম(৩৬) নামের দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার ২৯ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৬টার সময় বানারীপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে থানার এসআই আল-মামুনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে এক কেজি একশত গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বাড়ি বরিশালের কাউনিয়া থানার সাধুর বটতলা এলাকায়।

    এ বিষয়ে থানার উপ-পরিদর্শক আল-মামুন বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ওই দিন দুপুরে তাদের বরিশাল জেলহাজতে পাঠানো হয়।#

    এস মিজানুল ইসলাম
    বানারীপাড়া, বরিশাল ।।

  • নড়াইলে বাসের ধাক্কায় সাইকেল চালক নিহ*ত

    নড়াইলে বাসের ধাক্কায় সাইকেল চালক নিহ*ত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    ঢাকা-কালনা-নড়াইল-বেনাপোল মহাসড়কের লোহাগড়া উপজেলার বসুপটি এলাকায় নড়াইল এক্সপ্রেস পরিবহন বাসের ধাক্কায় বাইসাইকেল চালক হারেজ মোল্যা (৭২) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (২৯অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বসুপটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হারেজ মোল্যার বাড়ি কাশিপুর ইউনিয়নের গিলাতলা গ্রামে।

    এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, বৃদ্ধ হারেজ মোল্যা বাই সাইকেল চালিয়ে বাড়ি থেকে এড়েন্দার হাটে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নড়াইল থেকে ঢাকাগামী নড়াইল এক্সপ্রেস পরিবহন ওই সাইকেল চালক হারেজ মোল্যা কে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তার ব্যবহৃত বাই সাইকেলটিও দুমড়ে মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন রাস্তায় ব্যরিকেড সৃষ্টি করে। যার কারণে ঢাকা-কালনা-নড়াইল-বেনাপোল মহাসড়কে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী যানবাহন চলাবল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দু’পাশের দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

    লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশিকুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। পুলিশের চেষ্টায় রাস্তায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। হারেজ মোল্যা নামে এক বাইসাইকেল চালক নিহত হয়েছে।

  • ঝিনাইদহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুজ্জামান বেল্টুর ইন্তেকাল

    ঝিনাইদহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুজ্জামান বেল্টুর ইন্তেকাল

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঝিনাইদহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম. শহীদুজ্জামান বেল্টু ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না—– রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। সোমবার (২৮ অক্টোবর) রাত পোনে ১২ টার দিকে নিজ বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রæত তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষনা করেন। শহিদুজ্জামান বেল্টুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু। পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, শহীদুজ্জামান বেল্টু ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ধোপাদী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। ছাত্র জীবনে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করেন। পরে বেল্টু এরশাদ সরকারের সময়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন। এরশাদের পতনের পর তিনি বিএনপি যোগদান করেন এবং ১৯৯১ সালের নির্বাচনের অংশ নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ২০০১ সাল পর্যন্ত পর পর চারটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। বেল্টু সংসদ সদস্য থাকাকালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি, জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতির ও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলটির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এলাকার স্কুল, কলেজ, ব্রীজ ও গুরুত্বপর্ন রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন করেন। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভঅপতি এ্যাড এম এ মজিদ জানান, শহীদুজ্জামান বেল্টুর প্রথম জানাযা মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ঝিনাইদহ শহরের উজির আলী স্কুল মাঠে, একই দিন জোহর বাদ কালীগঞ্জ সরকারী ভুষন স্কুল মাঠ ও এশাবাদ তার গ্রামের বাড়ি কালীগঞ্জ উপজেলার হাসানহাটি গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হবে। বিএনপি নেতা শহীদুজ্জামান বেল্টুর মৃত্যুতে তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুর খবর পেয়ে নেতাকর্মীরা দলে দলে ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগান পাড়াস্থ বেল্টুর বাসভবনে জড়ো হয়। এদিকে বিএনপি নেতা বেল্টুর মৃত্যুতে বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল এ্যড আসাদুজ্জামান, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • নড়াইলে ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ দুইজন গ্রেপ্তার

    নড়াইলে ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ দুইজন গ্রেপ্তার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ দুইজন গ্রেপ্তার। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত রুবেল মীর (৩১) নামের একজন ইয়াবা কারবারিকে গ্রেফতার করে নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত রুবেল মীর (৩১) নড়াগাতি থানাধীন কলাবাড়িয়া আশরাফ মীরের ছেলে।উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সোমবার (২৮ অক্টোবর) নড়াগাতি থানাধীন বাঐসোনা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামর আলতাফ হোসেনের বাড়ীর সামনে পাঁকা রাস্তা থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইলের নড়াগাতি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শরিফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) ইকবাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে রুবেল মীর (৩১)কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে বাইশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াগাতি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। এছাড়া ও আসামি রুবেল মীর(৩১) এর নামে একাধিক মামলা রয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরদিকে নড়াইল ডিবি পুলিশ তিন বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মহিলাকে গ্রেফতার
    মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত শামীমা বেগম (৪০) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত শামীমা বেগম(৪০) নড়াইল জেলার সদর থানাধীন পশ্চিম বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত মান্নান ভাূইয়ার স্ত্রী। নড়াইল জেলার সদর থানাধীন ৪নং আউড়িয়া ইউপির অন্তর্গত পশ্চিম বালিয়াডাঙ্গা মান্নান ভূইয়ার বসতবাড়ির উত্তর পোতার টিনের ঘর থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ ওহিদুর রহমান ও এএসআই (নিঃ) মোঃ নাহিদ নিয়াজ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে শামীমা বেগম(৪০) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ০৩(তিন) বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
    নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর’র নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • গোদাগাড়ীতে জামায়াতের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও জনসভা অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে জামায়াতের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও জনসভা অনুষ্ঠিত

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী।। রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও জনসমাবেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ২৮ অক্টোবর ২০২৪ খ্রি. বিকেল ৪টায়
    ডাইংপাড়া পাঁচমাথার মোড়ে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশে গোদাগাড়ী উপজেলা শাখার আমীর মাষ্টার নোমায়ন আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী জেলা শাখার আমীর জননেতা অধ্যাপক আব্দুল খালেক। উপজেলা শাখার সেক্রেটারি হাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে
    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক কামরুজ্জামান, রাজশাহী জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ডঃ ওবায়দুল্লাহ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী পশ্চিম শাখার সভাপতি রমজান আলী, গোদাগাড়ী পৌর আমীর আনারুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    নির্ধারিত সময়ের আগেই চতুর্দিক থেকে নারায়ে তাকবির – আল্লাহু আকবার, ২৮ অক্টোবরের খুনিদের – ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই, পালাইছে রে পালাইছে – শেখ হাসিনা পালাইছে, ইত্যাদি শ্লোগানে আকাশ বাতাস মুখরিত হয়ে ডাইং পাড়া চত্বর লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।

    অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতারা বলেন, শেখ হাসিনার বিচার ছাড়া দেশে সংস্কার হতে পারে না। সবার প্রত্যাশা এই সরকার শেখ হাসিনাকে বিচারের আওতায় আনবে। যারা জামায়াত ইসলামীকে নিষিদ্ধ করেছিল বাংলার মাটিতে আজ তারাই নিষিদ্ধ। কারণ জামায়াত ইসলামী কোনো ভেসে আসা দল নয়। আগামী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করা হবে। এদেশে কোনো স্বৈরাচারের ঠাঁই হবে না।

    বক্তারা বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আওয়ামীলীগ ও তাদের দোসররা মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর সমাবেশে বৃষ্টির মতো গুলি ছুঁড়েছিল। লগি বৈঠা নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ওপর তান্ডব চালিয়েছিল। ছাত্র জনতাকে হত্যাকারী হিসেবে খুনী হাসিনার ফাঁসি দিতে হবে। নিজে কেউ আইন হাতে তুলে নিবেন না। বাংলাদেশকে কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে ক্ষমার দুয়ার খোলা রাখতে হবে। জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, মানুষ দ্রব্যমূল্য নিয়ে অতিষ্ঠ অসহায় হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে হবে। মানুষকে স্বস্তি দিতে হবে। দ্রব্যমূল্য মানুষের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। বর্তমান সরকারকে এই জায়গায় কাজ করতে হবে।

    সেই সাথে দেশে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে ইসলামী দলগুলোর প্রতি ভরসা রাখতে বলেন বক্তারা। সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের প্রতিও আস্থা রাখার কথা বলা হয়।
    ফ্যাসিষ্ট হাসিনা চলে গেলেও দেশে এখনো দুর্নীতি, হয়রানী, ঘুষ বাণিজ্য কমেনি বলেও তারা দাবী করেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বানারীপাড়ায় দুই নারী মাদক কারবারি গাঁজাসহ গ্রেফতার সাতজন

    বানারীপাড়ায় দুই নারী মাদক কারবারি গাঁজাসহ গ্রেফতার সাতজন

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধিঃ

    বরিশালের বানারীপাড়ায় এক কেজি চারশত গ্রাম গাঁজাসহ জেসমিন বেগম (৪০) ও সুমা বেগম(৩৬) নামের দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
    মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বানারীপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে থানার উপ-পরিদর্শক আল-মামুনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ওই এলাকা থেকে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে এক কেজি চারশত গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বাড়ি বরিশাল নগরীর কাউনিয়া থানার সাধুরবটতলা এলাকায়।
    এ বিষয়ে থানার উপ-পরিদর্শক আল-মামুন বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ওই দিন দুপুরে তাদের বরিশাল জেলহাজতে পাঠানো হয়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুই নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে বাকি আসামি পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক আল-মামুন বলেন বিভিন্ন জায়গা থেকে গাঁজা সহ তাদের গ্রেফতার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

  • তারুণ্যের নলছিটির পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন

    তারুণ্যের নলছিটির পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    নলছিটি, ২৮ অক্টোবর ২০২৪: তারুণ্যের নলছিটি ইয়ুথ অর্গানাইজেশন চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে দিনব্যাপী উদযাপন করেছে। আজ নলছিটি উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি ও অতিথিদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নজরুল ইসলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন বিএম কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক এজিএস জনাব শেখ নেয়ামুল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ সেলিমের মা সেলিনা বেগম, নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব আবদুস সালাম, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শহিদুল ইসলাম আকন, ভলান্টিয়ার্স অফ নলছিটি’র আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন ফকির, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সেক্রেটারি শাহজালাল হোসাইন জিহাদী, এবং নলছিটি থানার সেকেন্ড অফিসার জনাব মোঃ শহীদুল।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তারুণ্যের নলছিটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ খালেদ সাইফুল্লাহ। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেরাব হোসেন রিফাত। এ সময় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান তাহমিদ, ওসমান গনি রেসানী, লিমন হোসেন, সানজিদা আক্তার এবং মিরাজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানের প্রধান আয়োজনে ছিল আলোচনা সভা, স্মারক ম্যাগাজিন ‘তারুণ্যের দর্পণ’ মোড়ক উন্মোচন, প্রদর্শনী, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বার্ষিক সাধারণ সভা ও সাংগঠনিক কর্মশালা, এবং পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

    এ আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মাঝে সৃজনশীলতা ও সামাজিক দায়িত্বশীলতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তারুণ্যের নলছিটি ইয়ুথ অর্গানাইজেশন দীর্ঘদিন ধরে তরুণদের নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে, এবং এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে তারা তরুণদের আরও সম্পৃক্ত ও উৎসাহিত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।

  • গাইবান্ধায় ল্যাব সহকারী সবুজ অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন

    গাইবান্ধায় ল্যাব সহকারী সবুজ অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন

    আনিসুর রহমান আগুন।।
    সুন্দরগঞ্জ গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
    গাইবান্ধায় কলেজের ল্যাব সহকারী মিজানুর রহমান সবুজ ইদানীং এলাকায় আলোচনা সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে তার অঢেল সম্পদের মালিক হওয়া নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। সম্পদশালী সবুজ বর্তমানে গাইবান্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এণ্ড কলেজের ল্যাব সহকারী হিসেবে চাকুরি করছেন। এর আগে রংপুর পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটে সবুজ কর্মরত ছিলেন।

    তার সম্পত্তির পরিমাণ সাধারণ মানুষের কাছে অবাক হওয়ার বিষয় হলেও তা বাস্তব ও সত্য। গাইবান্ধা শহরের থানা পাড়া মহল্লায় সবুজের দৃষ্টিনন্দন একটি পাঁচতলা ভবন রয়েছে, যার বাজার মূল্য কমপক্ষে আনুমানিক ৫ কোটি টাকা হবে। ভবনটির ডিজাইন এবং স্থাপত্যশৈলী সবার নজর কেড়েছে। কেবল শহরের মধ্যেই নয়, গ্রামের বাড়িতেও তার একটি পাকা বাড়ি রয়েছে, এ থেকে আরও সম্পত্তি থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

    আশেপাশের লোকজন জানান, কয়েক বছর আগেও সবুজ একজন সাধারণ ডেন্টাল কেয়ারের সত্ত্বাধিকারী ছিলেন। তারপর ইলেকট্রনিক্স ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হন। কিন্তু বিগত চার বছরে হঠাৎ করে তিনি এত বিশাল সম্পদের মালিক বনে যান। অনেকের জন্য তা আশ্চর্যের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ চাকরিজীবী হিসেবে সবুজ ১৬তম গ্রেডের একজন কর্মচারী, সে অনুযায়ী তার মাসিক বেতন স্কেল- ৯৩০০ টাকা হয়। যে কারণে তার পক্ষে এত বিপুল সম্পদ অর্জন করা সম্ভব হয় কীভাবে! সে প্রশ্নই আজকাল ঘুরপাক খাচ্ছে সবার মনে।

    ডিভাইস সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ:
    বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি ডিভাইস সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত ছিলেন সবুজ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, সরকারি চাকুরিতে পরীক্ষার্থীদের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় পাস করতে সহায়তা করা এবং এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া। এই সিন্ডিকেটের সাথে তার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা খাতুনও জড়িত আছেন বলে জানা গেছে। তিনি একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। এই ডিভাইস সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই মূলত তারা ২ জনেই শহরে সংযুক্তি ঘটিয়েছেন বলে সন্দেহের ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।

    তবে মিজানুর রহমান সবুজ তার বিশাল সম্পদের বৈধতা নিয়ে যে কোনো প্রকার অবৈধ উপার্জনের কথা অস্বীকার করেছেন। তার দাবী তিনি এবং তার স্ত্রীর নামে ব্যাংক থেকে লোন করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন। পাশাপাশি জমি বিক্রি করেও কিছু অর্থ সংগ্রহের কথা জানান। আরও দাবি করে বলেন, যে তার ব্যবসাও রয়েছে এবং তার সবকিছুই বৈধ আয়। কিন্তু সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে ডিভাইস সিন্ডিকেটের বিষয়টিও মানতে নারাজ সবুজ।

    গাইবান্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এণ্ড কলেজের অধ্যক্ষ ল্যাব সহকারী পদে নিযুক্ত সবুজের বিপুল সম্পদের কথা জেনে বিস্ময় প্রকাশ করেন। অধ্যক্ষ বলেন, সবুজ আমাদের এখানে চাকরি করেন, সে ল্যাব সহকারি। সবুজের বেতন স্কেল মাত্র ৯৩০০ টাকা এবং তার এসব সম্পদের বিষয়ে আগে থেকে কোনো ধারণা ছিল না। তবে ভবিষ্যতে তার ওপর নজর রাখা হবে এবং প্রয়োজন হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হবে।

    গাইবান্ধা জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শরিফুল ইসলাম জানান, গাইবান্ধা শহরের থানাপাড়ায় মিজানুর রহমান সবুজের বাড়ি ৩ তলা নির্মাণের জন্য পৌরসভা থেকে অনুমোদন নেওয়া হলেও তিনি পৌরসভা আইনের তোয়াক্কা না করে প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করেছেন। যা বেআইনি এবং গুরুতর অপরাধ। ওই বেআইনি ভবন নির্মাণের বিষয়ে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সবুজের এই হঠাৎ করেই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষজনের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সবুজের আয়ের সঠিক উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন এলাকাবাসী। দেখা যাক, সবুজের সম্পদের বৈধতা এবং তার কর্মকাণ্ডের সত্যতা খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয়! তা দেখার অপেক্ষায় রইল কৌতূহলী জনতা।

  • আ’লীগের লগি বৈঠা পৈশাচিক হত্যা কান্ডের বিচারের দাবিতে নলছিটিতে জামায়াত ইসলামীর সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    আ’লীগের লগি বৈঠা পৈশাচিক হত্যা কান্ডের বিচারের দাবিতে নলছিটিতে জামায়াত ইসলামীর সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ২৮ শে অক্টোবর ২০০৬ সালের লগিবৈঠা পৈশাচিক হত্যা কান্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াত ইসলামী নলছিটি উপজেলা শাখার আয়োজনে নলছিটিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (২৮ অক্টোবর ) বিকাল ৪টায় নলছিটি পৌরসভা চত্তরে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিএম কলেজের সাবেক এজিএস ও বিশিষ্টা ব্যবসায়ী শেখ নেয়ামুল করিম। উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, জামায়াত ইসলামী নলছিটি উপজেলা শাখার আমির মোও: জাকির হোসেন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কর্মপরিষদ সদস্য মাওঃ আবুবকর সিদ্দিক। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জামায়াত ইসলামী দপদপিয়া ইউনিয়নের সভাপতি মাওঃ মোঃ হেলাল উদ্দিন। এছাড়া ও বক্তব্য রাখেন নলছিটি পৌরসভা শাখার সভাপতি মাস্টার মোঃ আলমগীর হোসাইন, নলছিটি উপজেলার সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ আঃ সালাম, উপজেলার সেক্রেটারি মোঃ সাইদুর রহমান কবির প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি শেখ নেয়ামুল করিম তার বক্তব্যে বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ শে অক্টোবর আ’লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা লগিবৈঠা দিয়ে আমার চোখের সামনে জমায়াতের ২৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল।
    ৫ ই আগস্ট রাজপথ রক্তে রঞ্জিত করা হয়েছিলো। তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছিল।
    নলছিটির ছাত্র শহীদ সেলিমকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাকে কোনো হাসপাতাল ভর্তি করেনি। মাও: দেলোয়ার হোসেন সাঈদী কে হত্যা করা হয়। ৫ তারিখে মহান আল্লাহ পাক আপনাদের উপহার দিয়েছিলেন, যার জন্য এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি।
    মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত মানবাধিকার রক্ষায় সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সমাজ গঠন করতে যোগ্য লোক নির্বাচন করতে হবে। আপনারা জনগন আমাদের ভোট দিলে সুন্দর সন্ত্রাস মুক্ত ও মাদকমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র উপহার দিতে পারবো।

  • প্রকাশিত সংবাদের পর বকশীপাড়া সপ্রাবির ঐ প্রধান শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব

    প্রকাশিত সংবাদের পর বকশীপাড়া সপ্রাবির ঐ প্রধান শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব

    খলিলুর রহমান খলিল , নিজস্ব প্রতিনিধি:
    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার বকশী পাড়া সপ্রাবির প্রধান শিক্ষক সোমনাথ দাস এর বিরুদ্ধে দেরীতে স্কুল আসা ও সাংবাদিকের চাওয়া তথ্য প্রদানে গড়িমসি ও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা সহ ক্ষুদ্র মেরামত বরাদ্দ ব্যয়ের পরিকল্পনার কাগজ দেখাতে গিয়ে হঠাৎ উত্তেজিত কণ্ঠে তারাগঞ্জের সাংবদিক দ্বারা বিরক্ত ও অত্যাচারিত হওয়ার মিথ্যে অপবাদ দিয়ে আক্রমণাত্বক হওয়ার ঘটনায় দৈনিক অধিকরণ ও দৈনিক নতুন বাজার অনলাইন পত্রিকায় গত (২২ অক্টোবর) ২০২৪ইং “সাংবাদিকদের সাথে তারাগঞ্জের বকশিপাড়া সপ্রাবি প্রধান শিক্ষকের উদ্ধত আচরণ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। যাহা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের দৃষ্টি গোচর হয় এবং মোবাইল ফোনে অবগতকরণ ও ক্যামেরায় ধারনকৃত ভিডিও দেখানো হয়।

    প্রকাশিত সংবাদ ও সাংবাদিক কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য আমলে নিয়ে গত (২৮ অক্টোবর) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আঞ্জুমান আরা স্বাক্ষরিত একটি কৈফিয়ত তলব প্রসঙ্গে একটি চিঠি ইস্যু করেন। চিঠিতে বলা হয় দৈনিক নতুন বাজার পত্রিকায় গত ২২/১০/২৪ইং প্রকাশিত খবর অনুযায়ী
    আপনি ২০/১০/২৪ইং সকাল ১০.৩০ ঘটিক পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না এবং সাংবাদিকদের সাথে উদ্ধত আচরণ করেছেন মর্মে জানা যায়, যাহা গণকর্মচারী শৃঙ্খলা(নিয়মিত উপস্থিতি) অধ্যাদেশ ২০১৮ এর পরিপন্থি উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ করা কেন হবে না মর্মে সন্তোষজনক জবাব, পত্র প্রাপ্তির ৭ কার্যদিবসের মধ্যে বিনা ব্যর্থতায় চাওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য যে, গত (২০ অক্টোবর) ২০২৪ইং বকশী পাড়া সপ্রাবির প্রধান শিক্ষক সোমনাথ দাস এর বিরুদ্ধে দেরীতে স্কুল আসা ও সাংবাদিকের চাওয়া
    ক্ষুদ্র মেরামত বরাদ্দ ব্যয়ের পরিকল্পনার তথ্য প্রদানে গড়িমসি এবং বিভ্রান্ত করার চেষ্টায় হঠাৎ উত্তেজিত কণ্ঠে দৈনিক অধিকরণ ও দৈনিক কালবেলা পত্রিকার সাংবাদিকের সাথে উদ্ধত আচরণ সহ তারাগঞ্জের সাংবদিক দ্বারা বিরক্ত ও অত্যাচারিত হওয়ার মিথ্যে অপবাদ দেন। এসময় তিনি বলেন সাংবাদিক কি করতে পারে, আমার জানা আছে, এদরে অত্যাচারে শিক্ষকতা করা যাবে না। আপনাদের কি করার আছে করেন, তিনি আর কোন কথা না বলে তথ্য প্রদান ছাড়াই অফিস কক্ষ থেকে বেড়িয়ে যান।

    সংবাদটির পরবর্তী অবস্থা শিক্ষা বিষয়ক ধারাবাহিক প্রতিবেদনের ৩য় পর্বে প্রকাশ করা হবে।