Blog

  • উপজেলা সমবায় অফিস নেছারাবাদে সমবায় দিবস পালনের নাম করে সমবায় সমিতি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ

    উপজেলা সমবায় অফিস নেছারাবাদে সমবায় দিবস পালনের নাম করে সমবায় সমিতি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ

    আনোয়ার হোসেন,

    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি //

    নেছারাবাদে সমবায় দিবসের নাম করে সমবায় সমিতি থেকে ব্যাপকহারে চাদা তোলার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিটি সমবায় সমিতি থেকে এক হাজার থেকে পাচ হাজার টাকা নিচ্ছে উপজেলা সমবায় অফিস। পপুলার মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ লি: এর মালিক মো: ফরিদ চৌধুরী নামে জনৈক এক লোক মারফত ওই চাদা উঠানো হচ্ছে। আবার কোন কোন সমবায় সমিতি থেকে খোদ উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা নিজে গিয়ে চাদা এনেছেন। আর এ কাজে তাকে সাহয্য করছেন, উপজেলা সমবায় অফিসের অফিস সহায়ক পিন্টু। তবে, অফিসসহায়ক পিন্টু বলেছেন, আমি শুধুমাত্র সমবায় সমিতিতে সমবায় দিবসের দাওয়াত কার্ড দিয়ে এসেছি। কোন টাকা নেইনি।

    আতা বহুমুখী সমবায় সমিতির মালিক উত্তম মিস্ত্রী বলেন, প্রতি বছর সমবায় দিবস পালনে আমি সমবায় অফিসে অনুষ্ঠান পালনে পাচ হাজার টাকা দেই। এ বছর আগামী ২ নভেম্বর(শনিবার) সমবায় দিবস পালনের জন্য পাচ হাজার টাকা দিয়েছি। তবে আমি অফিসে এসে টাকা দেইনি। উপজেলার পপুলার মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ লি: এর মালিক মো: ফরিদ চৌধুরীর কাছে টাকা দিয়ে আসছি। এর পূর্বে বিগত বছরে দিবস পালনের জন্য অফিসের অফিস সহায়ক পিন্টু এসে টাকা নিত।

    উপজেলার সমেদয়কাঠি ইউনিয়নের দুর্গাকাঠি গ্রামের ঘাসফুল ক্ষুদ্র সঞ্চয় ঋনদান সমবায় সমিতির মালিক বিধান রায় অভিযোগ করেন, সমবায় দিবস উপলক্ষে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হাসান রকি নিজে গিয়ে আমার অফিস থেকে পাচ হাজার টাকা চাদা এনেছেন। চাদা না দিলে তারা আবার অডিটে গিয়ে আইনের মারপ্যাচ দেখান। তাই ঝামেলা না করে চাদা দিয়ে দেই।

    নিউ ন্যাশনাল সমবায় সমিতির মালিক মৃত্যুঞ্জয় ঘোষ বলেন, প্রতি বছর সমবায় দিবসে আমরা সব সমবায় সমিতিগুলো অফিসে একটা টাকা দিয়ে থাকি। এ বছরও আমার কাছ থেকে দুই হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। চাদা না দিলে আবার অডিটে নানা ত্রুটি ধরা হয়।

    সেবক হেল্থ এন্ড এডুকেশন সোসাইটি নামে অপর একটি সমিতির মালিক কৃষ্ণ কান্ত দাস বলেন, সমাবায় দিবস আসলে আমরা সবাই অফিসে একটা খরচ দিয়ে আসি। পপুলার সমিতির মালিক মো: ফরিদ চৌধুরী সবার কাছ থেকে চাদা তুলে অফিসে দিয়ে আসেন। আমাকে দুই হাজার টাকা চাদা দিতে হবে।

    পপুলার মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ লি: এর মালিক মো: ফরিদ চৌধুরী বলেন, সমবায় দিবসে অনুষ্ঠান সফল করার জন্য আমাদের একটা চাদা দিতে হয়। আমি সমবায় অফিসে পাচ হাজার টাকা দিয়েছি। মুলত সমবায় দিবস আসলে আমরা সবাই বৈঠক করে অফিসে অনুষ্ঠানের জন্য একটা খরচ দিয়ে আসি।

    উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো: হাসান রকি জানান, উপজেলায় মোট ২৬৪ টি সমবায় সমিতি রয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্য আরো কিছু সমিতি বাদ দেয়া হবে। সমবায় দিবস পালনের জন্য সরকারিভাবে বিশ হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে। তার থেকে ভ্যাট আইটি বাদ যাবে। দিবস পালনের জন্য মুলত অনেক খরচ হয়। সব সমবায় সমিতির মালিকেরা অনুষ্ঠানের দিন একটু মোরগ পোলাউ খাবে বলে তারা দাবি জানিয়েছে। তার প্রেক্ষিতে সাধ্যনুযায়ি যে যা পারছে দিচ্ছে। এখানো জোড় জবরদস্তি কিছু চাওয়া হয়নি।

  • রাজশাহীতে খরচ বেড়েছে আলু চাষে লক্ষ্যমাত্রা পুরুণে শঙ্কা

    রাজশাহীতে খরচ বেড়েছে আলু চাষে লক্ষ্যমাত্রা পুরুণে শঙ্কা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীতে চলতি মৌসুমে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে শুধু আলু বীজে খরচ বাড়বে প্রায় ১৪১ কোটি টাকা। অন্যদিকে জমি ভাড়া বাড়বে প্রায় ২৬০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ফলে সার, শ্রমিক ও কীটনাশক খরচ ছাড়াই বীজ এবং জমি ভাড়ায় চাষিদের বাড়তি গুনতে হবে প্রায় সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা। এ নিয়েই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন রাজশাহীর আলু চাষিরা। ফলে এবার রাজশাহীতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, রাজশাহী জেলায় চলতি মৌসুমে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার হেক্টর। এই পরিমাণ জমির জন্য বীজ আলুর প্রয়োজন প্রায় ৯৪ হাজার টন। এবার আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক কোটি ৫৬ লাখ ৪ হাজার বস্তা। এবার প্রতি কেজি বীজ আলুর দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা ও প্রতি বিঘা জমির আবাদ খরচ বেড়েছে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। গত বছরের চেয়ে এবার প্রতি বিঘা জমিতে আলু চাষে কৃষকদের বাড়তি গুনতে হবে ২৫ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। সবমিলিয়ে এবার প্রতি বিঘা আলু চাষে খরচ হবে ৭০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘা জমিতে আলু উৎপাদন হবে গড়ে (প্রতি বস্তা ৫৫ কেজি) প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ বস্তা।
    জানা গেছে, রাজশাহীর প্রধান অর্থকরি ফসল আলু। ইতোমধ্যে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে বীজ রোপণ। তবে আলু বীজের দাম বাড়ায় সৃষ্টি হয়েছে নানা সংকট। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) আলু বীজের দাম বাড়িয়েছে। গত বছরের চেয়ে এবারে প্রতি কেজি আলু বীজে ১০ থেকে ১২ টাকা বাড়িয়েছে বিএডিসি।আলু চাষিরা বলছেন, এবার বাজারে খাওয়ার আলুর দামই বেশি। তার ওপর আলু বীজের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা করে। প্রতি বিঘা জমিতে আলু বীজ লাগে ৩০০ কেজি। প্রতি কেজিতে গড়ে ১৫ টাকা বেশি হওয়ায় এবার শুধু এক বিঘা জমিতে বীজ বাবদ চাষিদের বাড়তি গুনতে হবে প্রায় ৫ হাজার টাকা। চাষিরা বলছেন, আলু আবাদের খরচ যেভাবে বেড়েছে তাতে এবার তারা লাভের মুখ দেখবেন কিনা তা নিয়ে সংশয়ে আছেন।
    জানা গেছে, রাজশাহীর হিমাগারগুলোয় এখন বীজ আলু ৭০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে। বীজ কোম্পানিগুলো বীজ প্রতি কেজিতে দাম নিচ্ছে ৮০ টাকা করে। যদিও বিএডিসির বীজ আলু প্রতি কেজি ৬০ টাকা। কিন্তু রাজশাহীতে বিএডিসি চাষিদের জন্য মাত্র দেড় হাজার টন বীজ আলু বরাদ্দ পেয়েছে।
    রাজশাহীর তানোরের তালন্দ ইউপির নারায়নপুর গ্রামের আলু চাষি মইফুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক বছরে রাজশাহীতে আলু চাষ করে অনেকেই ভালো পরিমাণ মুনাফা করেছেন। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ও বাস্তবতা ভিন্ন।
    আলু চাষি গোলাম রাব্বানী বলেন, সার, বীজ, জমি ভাড়া ও কীটনাশক এবং বিশেষ করে শ্রমিকের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবারে প্রতি বিঘা আলু চাষে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা বাড়তি গুনতে হবে। আলু চাষিরা অভিযোগ করে বলেন, আলু চাষের ভরা মৌসুমে বিভিন্ন বাণিজ্যিক কোম্পানি, ডিলার, বীজ বিক্রেতা ও হিমাগার মালিকরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন। তখন বাড়তি টাকা গুনতে হয় চাষিকেই।
    রাজশাহী জেলা বিএডিসি বীজ ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, এবারে বিএডিসির প্রতি কেজি আলু বীজের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১২ টাকা। বিএডিসির বীজের কেজি ধরা হয়েছে ৬০ টাকা। অথচ সরকারি বীজের উৎপাদন খরচ ছিল মাত্র ৩৫ টাকা। সংরক্ষণ খরচ আরও ১০ টাকা বৃদ্ধি পেলে ৪৫ টাকা হয়। এবার বিএডিসিও বীজ আলুর দাম বাড়িয়েছে। বিএডিসি চাইলে কেজিপ্রতি ৫০ টাকা করে বীজ বিক্রি করতে পারে।
    রাজশাহীর বিএডিসির উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের বলেন, বাজারে খাবার আলুর দাম বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে বীজ আলুর দাম। কারণ বাজারে খাবার আলু যে দামে বিক্রি হচ্ছে তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই দাম নির্ধারণ করা হয়। তা না হলে মানুষ বীজ আলু নিয়ে গিয়ে অনেকেই খাবার হিসাবে বিক্রি করবে।
    রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোছা. উম্মে সালমা জানান, আমরা চাষিদের পরামর্শ দিচ্ছি তারা যেন উচ্চফলনশীল জাতের আলু আবাদ করেন। এতে আলুর ফলনটা ভালো পাবেন।#

  • ঝিনাইদহে সড়ক দু*র্ঘটনায় একজন নিহ*ত

    ঝিনাইদহে সড়ক দু*র্ঘটনায় একজন নিহ*ত

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদাহ সদর উপজেলার সাধুহাটি কৃষি খামার এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সুবাহান মল্লিক (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার দুপুর বারোটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুবাহান মল্লিক শৈলকুপা উপজেলার মাইলমারি গ্রামের জাহান মল্লিকের ছেলে। তিনি সদর উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে তার মেয়ে (তৃতীয় লিঙ্গ) সুখজান নেছার কাছে থাকতেন। পুলিশ ও প্রত্যাক্ষ্যদশী সূত্রে জানা গেছে ঝিনাইদহ চুয়াডাঙ্গা সড়কের সাধুহাটি কৃষি খামারের কাছে একটি পাখি ভ্যান ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে দুই মহিলাসহ তিনজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সুবাহান মল্লিক মারা যান। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার আইভি জানান, সুবাহান মল্লিকের মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয়েছে। ঝিনাইদাহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন খবর নিশ্চিত করেছেন। আহত দুই মহিলাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • রাজশাহীতে ডা. কাজেম হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে সংবাদ সস্মেলন

    রাজশাহীতে ডা. কাজেম হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে সংবাদ সস্মেলন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীতে ডা. গোলাম কাজেম আলী আহমেদের খুনিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে চিকিৎসকরা। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শিক্ষক, চিকিৎসক ও ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে বুধবার (৩০ অক্টোবর) বেলা ১১ টার দিকে মেডিকেল কলেজ সম্মেলন কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন ন্যাশনাল ডাক্তার ফোরাম (এনডিএফ) এর সাধারণ সম্পাদক ডা: এম মুর্শেদ জামান মিঞা।

    তিনি বলেন, গত ২৯ অক্টোবর-২০২৩ ইং তারিখ, ডা. গোলাম কাজেম আলী আহমেদ নির্মম ও নৃশংসভাবে খুন হয়েছে। তিনি উত্তরাঞ্চলের বিখ্যাত একজন চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছিলেন। রাজশাহী লক্ষিপুরে পপুলার হাসপাতাল থেকে গত ২৯ অক্টোবর-২০২৩ তারিখ দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ১২ টার দিকে রোগী দেখা শেষ করে চেম্বার থেকে মোটরসাইকেল যোগে উপশহরের নিজ বাসায় ফিরছিলেন। এমন সময় রাস্তায় ওঁৎ পেতে থাকা খুনিরা মাইক্রোবাস যোগে পিছু নেয়, বর্ণালী মোড়ের পশ্চিম দিকে শ্রম আদালতের বিপরীতে মেসার্স কোরাইশি থাই-এলুমনিয়াম দোকানের পাশে গতিরোধ করে মাইক্রো দিয়ে ধাক্কা দিলে ডা. গোলাম কাজেম আলী আহমেদ ফুটপাতের উপর পড়ে যায়।

    এসময় খুনিরা অতিদ্রুত মাইক্রোবাস থেকে নেমে তার বুকে পরপর তিনটি ছুরিকাঘাত করে আবারও মাইক্রোযোগে পালিয়ে যায়। তার মোটরসাইকেল চালক শাহীন ও অন্যান্য পথচারীরা রক্তাক্ত অবস্থায় ডা. কাজেমকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত ডা. কাজেমকে দ্রুত আইসিইউতে প্রেরণের ব্যবস্থা করেন। আইসিইউতে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকবৃন্দ ডা. কাজেম কে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

    পরদিন সোমবার সকালে পুলিশের সুরাৎহাল প্রতিবেদন ও ফরেনসিক ময়না তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি পেশাদার খুনিদের হাতে একটি নিখুঁত খুন বলে উল্লেখ করা হয়। এ নৃশংস খুনের প্রতিবাদে চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ বিক্ষোভ ও মানবন্ধনসহ নানান কর্মসূচী পালন করেন। ডা. কাজেম হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে টানা কয়েকদিন বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত হয়।

    এ নৃশংস খুনের বিচার চেয়ে রাজপাড়া থানায় ৩০ অক্টোবর-২০২৩ ইং তারিখ ডা. কাজেমের স্ত্রী ডা. ফারহানা ইয়াসমিন সোমা একটি খুনের মামলা দায়ের করেন। খুনের ১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মামলার কোন অগ্রগতি চোখে পড়ার মত বা দৃশ্যমান হচ্ছে না। রাজশাহী শহরকে শান্তির শহর বলা হয়, জানমালের নিরাপত্তার জন্য এ শহরে শত শত সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। যে স্থানে ডা. কাজেম খুন হয়েছে সেখানেও সিসি ক্যামেরা লাগানো ছিল ও আছে।

    তিনি আরো বলেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট এ খুনের ঘটনা তদন্ত করেছেন, কিন্তু ফ্যাসীবাদীর দোসররা আসামী গ্রেপ্তারে কোন সহযোগীতা না করে বরং অজ্ঞাত কোন কারণে তার বিলম্ব ঘটিয়েছে। আমরা এখন পর্যন্ত এ নৃশংস খুন সম্পর্কে কোন অগ্রগতি বা বিষয় জানতে পারছিনা। পরিবারের পক্ষ থেকে নিহতের বাবা যোগাযোগ করলে পিবিআই কর্তৃপক্ষ উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি হয়েছে বলে জানাতে পারেননি।

    আমরা আশংকা করছি, এ খুনের কোন সুষ্ঠু বিচার আমরা পাবো কি না। কারন দীর্ঘ এক বছর সময়কাল অতিবাহিত হলেও কোন ধরণের সামান্যতম অগ্রগতি আমাদের জানানো হচ্ছে না। এ খুনের সাথে কারা জড়িত তা জানতে চায়। তার স্ত্রী-সন্তানেরাও জানতে চায় খুনি কে? কেন খুন করা হলো? পরিবর্তীত রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় প্রেক্ষাপটে তাই আজ আমরা নিহত ডা. কাজেমের বাবা মা, স্ত্রী সন্তান, ভাই বোন, আত্মীয়-স্বজন ও সর্ব স্তরের চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে ডা. কাজেমের খুনিদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবী জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলন হতে অভিযোগ তুলা হয়েছে, এই হত্যা কান্ডের সাথে রাষ্ট্রযন্ত্র, রাজনৈতিক মহল জড়িত থেকে পেশাদার খুনিদের দিয়ে এমন হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। যারা তদন্তে জড়িত আছে তারা সুষ্ঠ তদন্ত না করে অবহেলা করছে।

    এছাড়াও একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থেকে ঘটনার যে সিসিটিভি ফুটেজ ছিলো তা তদন্ত সংস্থা পিবিআই কাট করে নিয়ে গেছে। ফুটেজের আগের ও পরের অংশ রেখে গেছে। সেই বিষয় গুলো নিয়ে তাদের সাথে কথা বলতে গেলে কর্ণপাত করছে না। বরং আমরা যারা এই পেশার সাথে জড়িত আছে তাদেরইে বারবার বলা হয়েছে আপনার নিজেরা সাবধানে চলাফেরা করুন। তাদের এই কথা বর্তায় আমরাও নিজেরা আতঙ্কে থেকে চলাফেরা করেছি। এমনকি ভাড়া করা গান ম্যান দিয়ে চলতে হয়েছে। আমরা নিজেরা এখনো নিরাপদ নই। এতেই বুঝা যায় এই হত্যা কান্ডের সাথে কারা জড়িত আছে।

    সংবাদ সম্মেলন থেকে আরো জানানো হয়, এখন একটি নিরপেক্ষ সরকার আছে। আমরা কিছুদিন অপেক্ষা করবো তদন্ত কোনদিনে যাচ্ছে। যদি বুঝতে পারি কোন বিচার পাওয়ার আশঙ্কা নাই বা একটি খুনের রহস্য উন্মোচন হচ্ছে না তাহলে আমরা ঐক্যবন্ধ হয়ে কর্মবিরতির মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে কঠোর আন্দোলন করার হুশিয়ারী প্রদান করা হয়।

    পরে সাংবাদিকরে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ন্যাশনাল ডাক্তার ফোরাম (এনডিএফ) এর রাজশাহী সভাপতি অধ্যাপক ডা: কাজী মহিউদ্দিন আহমেদ, ডাক্তার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিএবি) সভাপতি ডা: ওয়াসীম হোসেন, এনডিএফ রাজশাহীর সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ডা: জাহাঙ্গীর আলম।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • দোয়ারাবাজারে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সমাবেশে মিজান চৌধুরী  ‘ সংস্কার সেরে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন’

    দোয়ারাবাজারে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সমাবেশে মিজান চৌধুরী ‘ সংস্কার সেরে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন’

    হারুন অর রশিদ,
    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:: বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, ‘জবাবদিহিতামূলক সরকার ফিরিয়ে আনুন। অন্তর্বতীকালীন সরকারকে আমরা সমর্থন দিয়েছি, সমর্থন দিয়ে যাব। আমরা সরকারের কাছে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ চাই এবং সংস্কার সেরে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিবাদের পতন ও খুনী হাসিনা পালিয়ে গেলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি। রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতিটি সেক্টরে এখনো বাকশালীদের প্রেতাত্মারা বসে আছে। তারা নানা ষড়যন্ত্র করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করছে। এ ব্যাপারে সর্বস্তরের জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সজাগ ও সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’

    বুধবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে দোয়ারাবাজার উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল যুবদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সম্মেলনে মিজানুর রহমান চৌধুরী উপরোক্ত কথা বলেছেন।

    এসময় উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জামাল উদ্দিনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মানিক মাস্টার, যুগ্ম আহবায়ক ও সুরমা ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ, খোরশেদ আলম, আহবায়ক কমিটির সদস্য এইচএম কামাল, আবু হেনা আজিজ, আব্দুল হক, আফিকুল ইসলাম, সামছুল ইসলাম, আমান উল্লাহ, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুজ্জামান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এরশাদুর রহমান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক নুর আলম, আব্দুল আজিজ, আব্দুল মচব্বির, হাফিজুর রহমান, আব্দুল মতিন।

    উপস্থিত ছিলেন, দোয়ারাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জহির মিয়া, পান্ডারগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ, মান্নারগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলীম, নরসিংপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি লয়লুছ খাঁন, দোহালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডা: শওকত, পান্ডারগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান, বাংলাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ মোতালিব ভুইঁয়া, সুরমা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাহাত হোসেন, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, শাহ নেওয়াজ চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, জয়নাল আবেদীন, শাহজাহান মিন্টু, যুবদল নেতা সানোয়ার হোসেন, রিপন আহমদ, রুহুল আমীন, হামদু মিয়া, জহিরুল ইসলাম বাবুল, আশরাফুল ইসলাম জুয়েল, আব্দুল মনাফ, এরশাদ মেম্বার প্রমুখ।

  • চারঘাটে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত 

    চারঘাটে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত 

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মামুন হাসান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওয়ালি উল্লা মোল্লা, উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা সরকার এনায়েত কবির, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোহেল রানা, চারঘাট মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল খালেক, বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার সোলাইমান আলী, নিমপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, ইউসুফপুর ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম মাখন, সরদহ ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান, শলুয়া ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান লালন আলী, থানাপাড়া সোয়ালোজের সহকারী পরিচালক মাহমুদা বেগম গিনি, চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হক সহ উপজেলার সকল কর্মকর্তাগন।

    সভায়, মাদক প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও চোরাচালান প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক আলোচনা করা হয়।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী। 

  • ২৮ অক্টোবর পল্টন হত্যা দিবস উপলক্ষে স্মৃতিচারন  আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ২৮ অক্টোবর পল্টন হত্যা দিবস উপলক্ষে স্মৃতিচারন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:
    গনতান্ত্রিক ধারা থেকে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রবর্তন করতে রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর ২০০৬ ঘটানো হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাগেরহাট জেলা আমির মাওলানা মুহাম্মদ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবর এই বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথ থেকে চিরতরে বিচ্যুত করে ফ্যাসিবাদের পথ উন্মুক্ত করা হয়েছিল।গত বিকেলে জামায়েত ইসলাম মোরেলগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শাখার আয়োজনে জমায়েত ইসলাম উপজেলা আমির মাওলানা শাহাদাত হোসাইন এর সভাপতিত্বে আবু হুরাইয়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার নৃশংতার হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান। এসময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতা বিশিষ্ট শিক্ষানুরোগী বিশেষ অতিথি অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, জমায়াতে ইসলাম উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মাকসুদ খান, জামায়াতের উপজেলা নায়েবে আমীর মাস্টার মনিরুজ্জামান,পৌর আমির মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম পৌর সেক্রেটারী মুহাম্মদ আল আমিন
    ,জামায়েত নেতা অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম
    যুব আন্দোলনের শফিউল আযম. জামায়াতের সদর ইউনিয়ন সভাপতি মাহমুদ হোসেন. জাহাংগীর হোসেন
    সহ উপজেলা ও পৌর ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাও কর্মীবৃন্দ। জামায়েত নেতা অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ লগি-বৈঠা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। সেদিনের সেই ঘটনা ইতিহাসের সমস্ত বর্বরতাকে হার মানিয়েছিল। শেখ হাসিনা খুন, হত্যা, দুর্নীতি, লুটপাট, বিরোধীদলকে হত্যার ক্ষেত্রে চ্যাম্পিয়ন।তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। ফ্যাসিবাদের জায়গা এই দেশের মাটিতে আর হবে না। ৫ আগস্টকে কোনোভাবে ব্যর্থ হতে দেয়া যাবে না। মোরেলগঞ্জের মাটিতে ফ্যাসিবাদের উত্থান হতে দেওয়া যাবে না।, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর শেখ হাসিনা লগি-বৈঠা দিয়ে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের হত্যা করেছিল। যার মাধ্যমে তারা দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।জামায়াতে ইসলামীসহ সকল বিরোধী দলকে কথা বলতে দেয়া হয়নি। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা লগি-বৈঠা দিয়ে জামায়াতের কর্মীদের হত্যা করা হয়েছিল। হত্যাকারীদের বিচার বাংলার মাটিতে হতে হবে। আমরা ফ্যাসিস্টদের মতো প্রতিশোধ নিব না। আমরা দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে জুলুম নির্যাতন সহ্য করেছি। আওয়ামী লীগ ১৮ ঘণ্টাও সহ্য করতে পারেনি। তারা পালাতে বাধ্য হয়েছে।

  • শার্শায় দুই মাস পর কবর থেকে গৃহবধুর লা*শ উত্তোলন

    শার্শায় দুই মাস পর কবর থেকে গৃহবধুর লা*শ উত্তোলন

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরের শার্শা উপজেলার আমলাই গ্রামের তাসলিমা খাতুন (৩২) নামে এক গৃহবধূর লাশ দুই মাস পর আদালতের নির্দেশে কবর থেকে তোলা হয়েছে।

    বুধবার(৩০ অক্টোবর) বেলা ১২ টার সময় পারিবারিক কবরস্থান থেকে তাসলিমার লাশ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাসলিমা উপজেলার গোগা ইউনিয়নের আমলাই গ্রামের নূর আহম্মেদের স্ত্রী। এসময় শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট নুসরাত ইয়াসমিন ও বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

    গত ৮ ই আগষ্ট ভোর রাতে তাসলিমা খাতুনের রহস্যজনক মৃত্যু ঘটে। এসময় তাসলিমার মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন তৈরী হলেও তড়িঘড়ি করে লাশ দাফন করা হয়। তাসলিমার স্বামী নুর মোহাম্মদ জানান, ঘটনার দিন মসজিদ থেকে ফজর নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে তার স্ত্রীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। তার ঘাড়ে এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিলো। নাক দিয়ে রক্ত ঝরতেও দেখেছিলেন তিনি। কিন্তু পারিবারিক চাপে পড়ে তিনি ময়না তদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি লাশ দাফন করেন।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান, তাসলিমার মৃত্যুর ঘটনাটি পারিবারিক ভাবে তারা গোপন রেখেছিলো। তিনি আরও বলেন ঘটনার ৬ দিন পরে লোকমুখে আমি মৃত্যুর খবরটি জানতে পারি।

    এব্যাপারে তাসলিমার স্বামী বলেন, আমি যখন জানতে পারি মৃত্যুটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, তাকে খুন করা হয়েছে তখন আমি আদালতে মামলা করি। এব্যাপারে নুরমুহাম্মদ তার দুই ভাইপোর নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা করলে আদালত ময়না তদন্তের জন্য তাসলিমার লাশ তুলতে নির্দেশ দেন।

  • নাটোরের বড়াইগ্রামের ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসের সাহসী ভূমিকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে 

    নাটোরের বড়াইগ্রামের ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসের সাহসী ভূমিকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে 

    মোঃ শাহ আলম,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

    নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায়। ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস। গত ৫ আগষ্টে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারা দেশের আইন শৃঙ্খলা ভেঙ্গে পরে। বিভিন্ন স্থানে বিছিন্ন ঘটনা ঘটে। কিন্তু বড়াইগ্রাম উপজেলা কয়টি বিছিন্ন ঘটনা ছাড়া বড় কোনো ধরনের ঘটনা ঘটে নি। সারা দেশের ন্যায় বড়াইগ্রাম উপজেলাতে কিছু স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাতে পরিচালনা কমিটি ও প্রধান অধ্যক্ষর ও প্রধান শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। প্রায় প্রতি দিন ছাত্ররা মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদে অবস্থান নিত।( ইউএনও) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সরজমিনে এসে সরাসরি কথা বলতেন তাদের অভিযোগগুলো শুনতেন এবং লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ প্রদান করতেন। এভাবে তিনি প্রতিটা প্রতিষ্ঠানের সমস্যার সমাধানের জন্য সকলকে ডেকে আলোচনায় বসতেন। প্রয়োজনে পদক্ষেপ গ্রহণ করতেন। উপজেলা জুড়ে যেকোনো প্রতিষ্ঠান ব্যক্তির নিকট হইতে চাঁদাবাজি রোধে কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করেন। উপজেলা জুড়ে যেকোনো স্থানে সরকারি সম্পদ বিনষ্ট , সরকারি বৃক্ষ কর্তন হলেই, বিভিন্ন স্থানে কৃষি জমিতে ও বসতবাড়ি জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে চলে যান এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য সরজমিনে গিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।খাস ও সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার,বাজার তদারকি ও হাট বাজার সংস্কার, ফুটপাত দখলমুক্ত, ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান , মাদক নিরাসণ, সরকারি সহায়তার খাদ্য, টিসিবি পণ্য বিতরণ, দরিদ্রদের জন্য স্বল্পমূল্যের চাউল বিতরণ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করেছেন তিনি। বড়াইগ্রাম উপজেলার  জনসাধারণ যেকোনো সমস্যায় ভোগান্তি ছাড়াই তার নিকট উপস্থাপন করতে পারেন তার কাছে আসতে কোন অনুমতি প্রয়োজন হয় না। 

    ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস তদবির, চাপ উপেক্ষা করে সততা নিষ্ঠার মাধ্যমে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য সকল স্তরে জনগণের আর আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, বড়াইগ্রাম উপজেলায় যোগদানের পর থেকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করার চেষ্টা করেছি। বর্তমানে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বড়াইগ্রাম পৌরসভার প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছি।

  • সরকারি জমি দখল করে আওয়ামী লীগ নেতার বিলাসবহুল বাসভবন

    সরকারি জমি দখল করে আওয়ামী লীগ নেতার বিলাসবহুল বাসভবন

    মো.নাঈম মল্লিক,
    ঝালকাঠি প্রতিবেদক:

    এক নামেই নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নবাসী তাকে চিনতেন। দপদপিয়া ইউনিয়নের ফেরিঘাট সংলগ্ন নলছিটি সড়কের পাশেই তার একটি ছোট ইলেকট্রনিক দোকান ছিল। বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস ডিভাইস মেরামত করতেন। সেই হিসেবে মামুন মেকার হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। মামুন হাওলাদার উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের তিমিরকাঠি এলাকার রুস্তম হাওলাদারের পুত্র।

    নিজের ছোট দোকানে ইলেকট্রনিকস ডিভাইস মেরামত কাজ করেই কোনভাবে জীবিকা নির্বাহ করতেন মামুন হাওলাদার ওরফে মামুন মেকার । একটা সময় নুন আনতে পান্তা ফুরাইবার অবস্থায় ছিলেন। তবে হঠাৎ করেই কোন অদৃশ্য আলাদীনের চেরাগে তার জীবন পাল্টে যায়। জমি, বাড়ি, গাড়ি ক্রয় করে উপজেলার ধনী ব্যক্তিদের কাতারে চলে আসেন। নিয়মিত মোটা অংকের দান খয়রাতও শুরু করেন।

    নলছিটি উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক অনুষ্ঠানে সাবেক স্বৈরশাসকের মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে হয়ে যান বেপরোয়া। এলাকার নিরীহ লোকদের জমিদখল থেকে শুরু করে টাকা ও দলের জোরে নানান অপকর্ম শুরু করেন।

    তবে তার এই হঠাৎ উত্থানের বিষয় এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন। কোন বৈধ পথে এতো ফুলেফেঁপে উঠা কোনভাবেই সম্ভব না। এলাকায় নিজ নামে শতশত একর জমি ক্রয় করেছেন। ঝালকাঠি রোডস এন্ড হাইওয়ের জায়গা দখল করে দপদপিয়া ইউনিয়নের জিরোপয়েন্ট এলাকায় করেছেন বিলাশবহুল বাড়ি। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার এলাকাবাসী কতৃপক্ষকে অবহিত করলেও কোন অজানা কারণে রোডস এন্ড হাইওয়ের কর্মকর্তারা নিরব থাকেন। এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

    এ বিষয়ে মামুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট। আমার ভবনের মধ্যে ৫ ফুট জমি রোডস এন্ড হাইওয়ে দাবী করলে তাহার মীমাংসার জন্য আমি ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতে মামলা করেছি যাহা চলমান। এ যাবৎ ৫ বার সরেজমিনে জমির পরিমাপ করা হলেও সমাধান হয়নি। আমার বাসার সামনে আরেকটি বিল্ডিং রয়েছে যেটা আওয়ামী লীগের অফিস যার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।

    এ ব্যাপারে রোডস এন্ড হাইওয়ের ঝালকাঠি জেলা কর্মকর্তা শাহরিয়ার শরিফ খানের বক্তব্য জানার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।