Blog

  • গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলায় আলোচনায় তারেক। বিএনপি এর অঙ্গসংগঠন চাঙ্গা হতে শুরু করেছে

    গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলায় আলোচনায় তারেক। বিএনপি এর অঙ্গসংগঠন চাঙ্গা হতে শুরু করেছে

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ও প্রয়াত বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার আমিনুল হকের বেশ আস্থাভাজন ও পারিবারিক বন্ধু হিসেবে সুপরিচিত। বিশিষ্ট শিল্পপতি সুলতানুল ইসলাম তারেক গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলায় গরীব দুঃখী, দলমত নির্বিশেষ পরিচিত এক নাম। তিনি বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা নেতাকর্মীদের নিয়ে দু উপজেলায় সভা সমাবেশ, গরীব মানুষদের ঈদসামগ্রী বিতারণ, পূজা মন্ডপে আর্থিক সাহায্য প্রদান, বিএনপির তৃনমূল নেতা, পতিত আওয়ামীলীগ হাসিনা সরকারের মামলায় হয়রানী, নির্যাতিত ত্যাগি নেতাকর্মীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করে চলেছেন। নেতা কর্মীরা রয়েছে ফুরফুরে মেজাজে।

    নেতা কর্মী, দলমত নির্বিশেষে এলাকাবাসী চাচ্ছেন রাজশাহী-১ সংসদীয় আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন করলে দীর্ঘদিনের হারানো আসনটি ফিরে পাবে বিএনপি। এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করে দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি বিএনপির পরিক্ষিত নেতা এ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক।
    তিনি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে দলীয় মনোনয়ন পেতে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে ইতমধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছেন।
    জানা গেছে, দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক যাবত ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপির নেতা ও কর্মীসমর্থকদের পাশে থেকে তিনি সাহায্য-সহযোগীতা করে আসছেন। এখানো তিনি তাদের পাশে থেকেই বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদারে ব্যাপক ভুমিকা রেখে আসছেন। বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে যে সকল নেতা এবং কর্মী-সমর্থকগণ জুলুম-নির্যাতনে আহত হয়েছেন তাদের চিকিৎসা ও যারা মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হয়েছেন, তাদের আইনি সহায়তা দিয়ে আসছেন তারেক। এমনকি রাজশাহীতে দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক তিনি বিএনপির বিভিন্ন ছোট-বড় কর্মসুচিতে আর্থিক সহযোগীতা করেছেন, এখানো করছেন। এছাড়াও করোনাকালীন দুর্যোগের সময়ে তানোর উপজেলার ২ পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং গোদাগাড়ী উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৯ টি ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় তারেকের কর্মী বাহিনী খাবার সহায়তা নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে ছিলেন তারেকের লোকজন। তা গেদাগাড়ী তানোরবাসী এখনও স্মরণ রেখেছেন।

    গত ঈদে বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক এডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক এর সহযোগিতায় ৫৫০০ জন গরিব ও দুঃখী মানুষের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরন করেছেন।
    এ সময়র তারেকের সাথে বিএনপি গোদাগাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুস সালাম সাওয়াল, সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম ফটিক, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল ইসলাম মাহবুব উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি অ্যাডভোকেট মো. সুলতানুল ইসলাম তারেক ভাইয়ের পক্ষ থেকে পালপুরের ২০১৮ সালের প্রহসনের জাতীয় নির্বাচনে অলোচিত মিথ্যা হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সেতু, মেম্বার, জাহীর, মেজর ও ওয়াসিমসহ প্রত্যেক পরিবারকে প্রতি মাসের আর্থিক সহায়তার টাকা তুলে দেন। এ সময়ে সময়ে দুলাল, সাদেক মেম্বার, সাধীন, কুশুম, শুভ, আহান মতিন, বাবু সহ স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

    তার সম্পর্কে সাধারণ মানুষদের মধ্যে জনসচেতনা সৃষ্টির লক্ষ্য তারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন। স্থানীয়দের অভিমত সাংসদ নির্বাচিত হতে একজন প্রার্থীর যে ধরণের রাজনৈতিক,সামাজিক,পারিবািরক পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, ব্যক্তি ইমেজ, উন্নয়ন মানসিকতা, গ্রহণযোগ্যতা ও দুর্নীতিমুক্ত বৈষম্যদূর করে প্রায়াত ব্যারিষ্টার আমিনুল হকের অসম্পূন্ন কাজগুলি সুন্দরভাবে সম্পূন্ন করতে পারবেন এ মানবতার ফেরিওয়ালা তারেক।
    একজন যোগ্য, সৎ জনপ্রিয়, সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য, শক্তশালী, হেবিওয়েট প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

    গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম শাওয়াল, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বলেন, রাজশাহী ১ আসনটি ফিরে পেতে হলে এ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেকের কোন বিকল্প নেই। তার গোদাগাড়ী তানোরে রয়েছে বিশাল কর্মীবাহনী, রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। বিএনপি তথাকথিক কিছু বিএনপির নেতা আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের পদধারী নেতাদের নামে মামলা না করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অপর দিকে সাংবাদিক বিএনপির পরীক্ষিত ত্যাগি নেতা, কর্মীদের নামে নামে মামলা করে এলাকায় বিএনপিকে বির্তকিত করছেন।

    কোন দলীয় সিদ্ধান্ত ছাড়াই মামলা করায় মাঠপর্যায়ে বিএনপি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
    মামলা করে চাঁদাবাজির হোতা অধ্যাপক আব্দুল মালেক, আব্দুর রউফ দিলিপ।
    গোদাগাড়ী মডেল থানায় দায়েরকৃত ২টি মামলায়। রাজশাহী জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হামিদ বাবলু গত ২৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ প্রায় ৪৫ জন নামসহ অজ্ঞাত আরো ৫০০-৬০০ জনের নামে মামলা করেন। বাদী নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য ও ব্যাক্তিগত আক্রোশের জেরে বিএনপির ৬-৭জন নেতাকর্মীর নামে মামলা দিয়েছেন, সেখানে বিএনপির নেতা কলেজ শিক্ষক সুমনকে আসামী করা হয়েছে। একই কায়দায় গত ২৮/০৮/২৪ ইং তারিখে গোগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ দিলীপ গোদাগাড়ী মডেল থানায় মামলা করেন যার নম্বর ৩২, ওই মামলায় ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে ৫০/৬০ কে আসামী করা হয়েছে। এ মামলায়
    ব্যাক্তিগত আক্রোশের জেরে, স্বার্থ হাসিলে জন্য বিএনপি পরিবারের সদস্য, সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিস্ট, প্রধান শিক্ষক মোঃ হায়দার আলীসহ কয়েকজনকে অসৎ উদ্দেশ্যে জড়ানো হয়েছে।

    এ মামলাবাজ গোষ্ঠি গত ০৫ তারিখে এই ফ্যাসিস্ট হাসিনা জালিম সরকারের পতনের পরে গোদাগাড়ী উপজেলার ভিতরে বিভিন্ন জায়গা দখল, চাঁদাবাজি, বরেন্দ্র প্রকল্পের ডিপ টিউবওয়েল দখল, বালুর ঘাট দখল, অবৈধ ব্যবসা বানিজ্যের সাথে সংযুক্ত হয়েছে।

    আমরা কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগে বলেছি গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ছিলেন অধ্যাপক আব্দুল মালেক গণখুনি সরকারের সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী তার দলীয় চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, মেয়র অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস, গোগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মজিবর রহমান, যুবলীগ নেতা বিপ্লবসহ অন্যান্য আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে গোপন আতাতের মাধ্যমে দলের ভিতরে বিভাজন ও নেতাকর্মীকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেওয়া কাজে যুক্ত ছিলেন।

    এর মূল কারণ তার গোদাগাড়ী মহিলা ডিগ্রী কলেজের সভাপতি এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী ছিলেন। নিজ ব্যাক্তি স্বার্থে আব্দুল মালেক গোপন আতাত রাখতেন। দল করলেও তার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা জিডি হয়নি। গোগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ দিলিপ কাকনহাট পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমানের সাথে রাজশাহী মহানগরীর গরুর সিটি হাটে হুন্ডি ব্যবসার সাথে সরাসরি যুক্ত এবং কাঁকনহাট পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান অন্যের পুকুর দখল, পুকুর থেকে জোরপূর্বক মাছ তুলে নেওয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত। ফলে র‌্যাব তাকে ২ বার গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে, যা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি দল করলেও তার বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগ কোন মামলা বা জিডি হয়নি। তাকে কোন হয়রানি করা হয় নি।

    এবিষয়ে জানতে চাইলে এ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক বলেন, রাজশাহী-১ আসনে তিনি বিএনপির দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। তিনি বলেন, ভোটারদের মানসিকতা, তৃণমুলের মতামত ও প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা ইত্যাদি পর্যালোচনা করে মনোনয়ন দেয়া হলে তিনি মনোনয়ন পাবেন বলে শতভাগ আশাবাদী। তবে দলীয় সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত দল যে সিদ্ধান্ত তিনি সেটা মাথা পেতে মেনে নিবেন।

    জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সালাম বিপ্লব বলেন, দীর্ঘদিনের হারানো এ আসনটি ফিরে পেতে হলে, গোদাগাড়ী তানোরের মানুষ এ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক বিকল্প দেখছেন না। জেলা, বিভাগ, কেন্দ্রের নেতাদের তার সুসম্পর্ক রয়েছে তার। তিনি এগিয়ে আছেন অনেক দিক থেকে। তার পরেও দলীয় নিদ্ধান্ত সবাইকে মেনে চলতে হবে।

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাজশাহী।

  • শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরুস্কার বিতরণ

    শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরুস্কার বিতরণ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নে (ইউপি) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্মরণে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪ আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, রিশিকুল ইউপি যুবদল নেতা শওকত আলী ও ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান তুষারের উদ্যোগে রিশিকুল মাদরাসা মাঠে দুদিনব্যাপী শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়। দুদিনব্যাপী
    টুর্নামেন্টে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। গত ১ নভেম্বর শুক্রবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম শাওয়াল। প্রথম দিন ৮টি দলের খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে ২ নভেম্বর শনিবার দ্বিতীয় ও সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ ও পুরস্কার বিতরণ করেন রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশিষ্ট শিল্পপতি, সমাজসেবক, করোনা যোদ্ধা, বার বার নির্যাতিত, বিএনপির আদর্শিক ও পরিক্ষিত নেতা অ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক এসলা উদ্দিন সরকার টিটু, সহকারী মহাসচিব কেন্দ্রীয় কমিটি, সমস্য সচিব জিয়া পরিষদ, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটি ও উপজেলা বিএনপির সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বিপ্লব এবং সেলিম রেজাপ্রমুখ। এদিকে ফাইনাল খেলায় বুলেট একাদ্বশ বিজয়ী ও
    ডাইংপাড়া একাদ্বশ রানার আপ হয়েছে।
    এসময় প্রধান অতিথি বলেন, আগামির ভবিষ্যৎ তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দুরে রাখতে নিয়মিত খেলাধুলার পরিচর্যা ও আয়োজন করতে হবে। এসব কাজে সব সময় তার সার্বিক সহযোগীতা থাকবে। তিনি বলেন,মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ ও জাতি গঠনে নিয়মিত খেলা-ধুলার কোনো বিকল্প নাই। এদিকে সকল ষড়যন্ত্র বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে খেলা আয়োজন সম্পন্ন করায় আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানানো হয়

  • আজ ৪ নভেম্বর সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৪৩ তম জন্মদিন

    আজ ৪ নভেম্বর সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৪৩ তম জন্মদিন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
    আজ ৪ নভেম্বর সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৪৩ তম জন্ম বার্ষিকী। এ উপলক্ষে সাহিত্যিক ইমদাদুল হকের জন্মস্থান পাইকগাছায় বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে সোমবার সকালে উপজেলার নতুন বাজার চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সাহিত্যিকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন, আলোচনা সভাও পুরুষ্কার বিতরন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
    বিশ শতকের সূচনালগ্নে যন্ত্রণাজর্জর এই যুগ-প্রতিবেশে বাংলা সাহিত্য-ক্ষেত্রে মুক্তচিত্ত-দ্রোহী এক আধুনিক শিল্পী রুপে আবির্ভূত হন কাজী ইমদাদুল হক। তিনি ছিলেন সংস্কারমুক্ত, উদার মানবতাবাদী, মননশীল এবং যুক্তিবাদী শিল্পদৃষ্টিসম্পন্ন ঔপন্যাসিক। কুসংস্কারাচ্ছন্ন প্রথালালিত সামন্ত-মূল্যবোধে স্নিগ্ধ মুসলিম সমাজ-অঙ্গনে বাসন্তি হাওয়ার প্রত্যাশায় ইমদাদুল হক সাহিত্যক্ষেত্রে দ্রোহীসত্তা নিয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তবু তিনি বিদ্রোহী নন, সমাজ ভাঙার ডাক নেই তার কর্মে-বরং মুসলিম সমাজের বিবিধ খণ্ডচিত্র আর গ্লানির অঙ্গন উপস্থাপন করেই তিনি তৃপ্ত থেকেছেন। মুসলমান সমাজের ক্ষয়িষ্ণু আর্দশ ও রীতিনীতির বিপরীতে স্বাধীনচেতা ও প্রগতিশীল শিক্ষিত মনের নব্যসমাজ প্রতিষ্ঠার বাসনাই তাঁর উপন্যাসে ঔপন্যাসিক প্রাঞ্জল ভাষায় ব্যক্ত করার প্রয়াস পেয়েছেন।চুয়াল্লিশ বছরের কর্মচঞ্চল জীবনে ইমদাদুল হকের প্রধান কীর্তি আবদুল্লাহ্ (১৯৩৩) উপন্যাস। একটিমাত্র উপন্যাস লিখে ইমদাদুল হক বাংলা সাহিত্যে রেখে গেছেন তার স্বতন্ত্র প্রতিভার স্বাক্ষর।
    কাজী ইমদাদুল হক ১৮৮২ সালে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কাজী আতাউল হক আসামের জরিপ বিভাগে চাকরি করতে করতেন এবং পরবর্তীতে খুলনার ফৌজদারি আদালতের মোক্তার নিযুক্ত হন।
    ১৯০৪ সালে খুলনা শহরে মৌলভী আব্দুল মকসুদ সাহেবের জ্যেষ্ঠ কন্যা সামসন্নেসা খাতুনকে বিয়ে করেন। কাজী ইমদাদুল হকের চার পুত্র ও ২ কন্যা- কাজী আনারুল হক, কাজী সামছুল হক, কাজী আলাউল হক, কাজী নুরুল হক এবং কন্যা জেবুন্নেছা ও লতিফুন্নেছা।
    ১৯০০ সালে কাজী ইমদাদুল হক কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএ সম্পন্ন করেন। ১৯১৪ সালে তিনি বিটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯০৪ সালে কাজী ইমদাদুল হক কলকাতা মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। এর দুই বছর পর ১৯০৬ সালে আসামের শিলং বিভাগে শিক্ষাবিভাগের উচ্চমান সহকারী হিসেবে যোগ দেন। ১৯০৭ সালে তিনি ঢাকা মাদ্রাসার শিক্ষক হন। ১৯১১ সালে তিনি ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে ভূগোলের অধ্যাপক হন। এরপর ১৯১৪ সালে ঢাকা বিভাগে মুসলিম শিক্ষা সহকারী স্কুল পরিদর্শক হিসেবে যোগ দেন। ১৯১৭ সালে তাকে কলকাতা ট্রেনিং স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। ১৯২১ সালে তিনি সদ্য প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বোর্ডের সুপারিন্টেনডেন্ট হন। আমৃত্যু তিনি এই পদে বহাল ছিলেন।
    শিক্ষা বিভাগে বিভিন্ন কাজে অসামান্য দক্ষতা, গভীর দায়িত্ববোধ ও উদ্ভাবনী শক্তির স্বীকৃতিস্বরূপ তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার তাকে ১৯১৯ সালে খান সাহেব উপাধিতে ভূষিত করেন ও ১৯২৬ সালে তাকে খান বাহাদুর উপাধিতে ভূষিত করে। খ্যাতিমান সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হক ১৯২৬ সালের ২০ মার্চ কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা (খুলনা)।

  • রাজশাহীর প্রথম নারী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার

    রাজশাহীর প্রথম নারী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহী জেলায় প্রথমবারের মতো নারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আফিয়া আখতার। রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রাজশাহীর (ভারপ্রাপ্ত) জেলা প্রশাসক সরকার অসীম কুমারের নিকট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরে তিনি তার নিজ কার্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা করেন। এসময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। দায়িত্ব নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটালেন রাজশাহীর নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) আফিয়া আখতার।
    এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহা. যোবায়ের হোসেন, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) টুকটুক তালুকদার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা ইমাম উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. মহিনুল হাসানসহ জেলার সকল উপজেলার ইউএনও, এসিল্যান্ড এবং জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • গৌরনদীর সরিকলে বন্দর কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    গৌরনদীর সরিকলে বন্দর কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ টানা এক মাস নির্বাচনের প্রচার প্রচনার মধ্যে দিয়ে ২ নভেম্বর শনিবার সকাল ৯ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত ভোট চলাকালীন সময় প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতার মধ্যে দিয়ে গৌরনদীর সরিকল বন্দর কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    নির্বাচন চলাকালীন সময় সরিকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর প্রধান মোঃ ফোরকান হোসেন হাওলাদার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, নির্বাচনে কোন সহিংসতার আসংখ্যা নেই তবে কেউ যদি নাশকতা চালানোর চেষ্টা করে তবে তাকে ছেরে দেয়া হবেনা, কঠর হস্তে দমন করবেন তিনি।

    ওই বন্দরের মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৪৯৩ টি তার ভিতর ৪৭৩ জন ভোটার ভোটে অংশ গ্রহন করেন। এ সময় প্রিজাইডিং অফিসার হিসাবে ভোট পরিচালনা করেন অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আবদুস ছত্তার মৃধা। ওই নির্বাচনে সভাপতি হিসাবে বিভিন্ন প্রতিক নিয়ে ৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহন করলেও কাপ প্রিচ মার্কার প্রার্থী মোঃ হেদায়েত হোসেন মৃধা মোট ১৬৬ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন। তার নিকটতম আনারস মার্কার প্রতিদন্ধি প্রার্থী মোঃ আনিচ হোসেন হাওলাদার মোট ১৬২ ভেট পেয়েছেন । সাধারন সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে বিভিন্ন প্রতিক নিয়ে ৫ জন ভোটে অংশ গ্রহন করলেও টিউবওয়েল মার্কার প্রার্থী মোঃ লিমন ২৪৮ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন। তার নিকট তম কলস মার্কার প্রতিদন্ধি প্রার্থী মোঃ সুজন পেয়েছেন ৪৫ ভোট। কোষাদক্ষ পদে ২ জন প্রার্থী ভোটে অংশ গ্রহন করলেও মাছ মার্কার প্রার্থী মোঃ রাফি ২৫৫ ভোটে বিজয় হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদন্ধি বই মার্কার প্রার্থী মোঃ সজল পেয়েছেন ২১৫ ভোট।

    নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আবদুস ছত্তার মৃধা বলেন, নির্বাচন চলাকালীন সময় কোন প্রকার অপ্রতিকার ঘটনা লক্ষ্য করা যায় নাই। সঠিক নিয়মেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

    এ সময় তিনি ( ছত্তার) বলেন, বরিশাল -১ এর সাবেক সাংসদ দেশ নেত্রি বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা গৌরনদি সরিকলের কৃতি সন্তান এম জহির উদ্দিন স্বপনের চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে গনতান্ত্রিক প্রকৃয়ার মধ্য দিয়ে ভোট অধিকার প্রয়োগে সুন্দর একটি নির্বাচন উপহার দেয়ায় এই মহান নেতা এম জহির উদ্দিন স্বপনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন তিনি (ছত্তার)। এ ছারাও তিনি বলেন এই কমিটি হাটের সৌন্দর্য বর্ধন সহ বিগত দিনের হাটের সকল সমস্যা সমাধানের মধ্য দিয়ে কাজ করে যাবেন বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

    অপরদিকে কাপ- প্রিচ মার্কার বিজয় প্রার্থী মোঃ হেদায়েত হোসেন মৃধা বলেন, এ বিজয় আমার নয় এ বিজয় দীর্ঘ দিনের স্বৈরশাসনে দম আটকে থাকা হাটে বেচা কানা করতে আসা লোকজন সহ স্হানীয় ব্যাবসায়িদের। সময় উপযোগি এমন একটি নির্বাচন উপহার দেয়ায় তার নেতা সাবেক সাংসদ এম জহির উদ্দিন স্বপনকে ধন্যবাদ ও চীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।

  • নল‌ছি‌টি‌তে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ফা‌র্মেসী‌তে জরিমানা

    নল‌ছি‌টি‌তে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ফা‌র্মেসী‌তে জরিমানা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক।
    ঝালকা‌ঠি জেলাধীন নল‌ছি‌টি উপ‌জেলার কুলকা‌ঠি ইউ‌নিয়‌নের তৌকাঠী গ্রা‌মের মেসার্স রায় মে‌ডি‌কেল হল, স্বত্তা‌ধিকা‌রী বাদল রায়‌কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ঝালকা‌ঠি।

    র‌বিবার (৩ ন‌ভেম্বর) বেলা সা‌ড়ে এগারটায় ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঝালকা‌ঠি কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সা‌ফিয়া সুলতানা অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এ সময় অভিযানে নল‌ছি‌টি উপ‌জেলা স্বাস্থ‌্য কম‌প্লেক্সের স‌্যা‌নেটারী ইন্স‌পেক্টর মাহফুজা আক্তার ও নল‌ছি‌টি থানা পুলিশের এক‌টি টিম  উপস্থিত ছিলেন।

    সা‌ফিয়া সুলতানা জানান, তৌকাঠী বাজারে রায় মে‌ডি‌কেল হ‌লে মেয়াদোত্তীর্ণ ও সরকা‌রি ঔষধ বি‌ক্রি  করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে রায় মে‌ডি‌কেল হল‌কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ এবং আদায় করা হয়েছে ।

    স্থানীয় জনসাধারন বাদল রা‌য়ের এমন ঘৃ‌নীত কা‌জের জন‌্য তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ ক‌রে‌ছেন।

  • ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ  বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে  সাগরের পথে নতুন আশায় বুক বেঁধে উপকুলের জেলেরা

    ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে সাগরের পথে নতুন আশায় বুক বেঁধে উপকুলের জেলেরা

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির
    বিশেষ প্রতিনিধি:বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের বঙ্গোপসাগর মা ইলিশ ও অন্যান্য প্রজাতির মাছের প্রজননের জন্য ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা ৩ নভেম্বর রাত ১২টার পর থেকে শেষ হচ্ছে। এ লক্ষে উপকুলীয় অঞ্চল সরেজমিনে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে,শরণখোলা, পিরোজপুর জেলার পারের হাট, তুষখালি ও বরগুণা জেলার চরদোয়ানী, পাথরঘাটা সহ বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার জেলে শত শত ফিসিং ট্রলার নিয়ে নদী ও সাগরে মাছ ধরার জন্য প্রস্তুত হয়ে রয়েছে।

    ১৩ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া মা ইলিশের নির্বিগ্নে প্রজননের জন্য ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ রবিবার (৩নভেম্বর)। সোমবার থেকে দেশের সকল নদ-নদী ও সাগরে আবার শুরু হবে ইলিশসহ সব ধরণের মাছ আহরণের মহোৎসব। এছাড়া ৬৫ দিন ও ২২ দিনের অবেরাধ ও ঘূর্ণিঝড় রেমাল ও ডানার কারনে এ বছর জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে সুবিধা করতে না পারায় লক্ষ লক্ষ টাকা লোকশানের মধ্যে পড়েছে। এজন্য তাদে মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। ২ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে শরণখোলা উপজেলার রাজৈর মৎস্য আড়তে ট্রলার ঘাটে অসংখ্য ট্রলারে জেলেদের জাল, তেলের ড্রাম, বরফসহ বিভিন্ন মালামাল সংগ্রহ করতে দেখা যায়। আবার কেউ কেউ মহাজনের কাছ থেকে অগ্রিম দাদন নিয়ে পারিবারিক বাজারে ব্যাস্ত রয়েছে।

    শরণখোলা উপজেলার মৎস্য আড়ৎদার সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মজিবর তালুকদার জানান, এ বছর ইলিশ আহরন মৌসুমে ঘূর্ণিঝড় ও নিম্নচাপ বেশি থাকায় জেলেরা মাছ ধরতে না পারায় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। আশাকরি ২২ দিনের অবরোধের পর আবারও জেলেরা সাগরে গিয়ে ইলিশ আহরণ করতে পারলে ক্ষতি কিছুটা পুশিয়ে উঠতে পারবে।

    এ ব্যাপারে শরণখোলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, অবরোধ চলাকালীন সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুদীপ্ত কুমার সিংহের নের্তৃত্বে সেনাবাহীনি, নৌপুলিশ, আনসার ও উপজেলা টাক্সফোর্স কমিটির সদস্যদের নিয়ে নদী ও সাগরে টহল জোরদাড় করা হয়েছে। এছাড়া অবরোধকালীন সময় জেলেদের সরকারী চাল সহায়তা দেয়া হয়েছে। # ##** ছবি সংযুক্ত আছে ** ## **

  • লিবিয়ায় প্রবাসী শার্শার শাহজাহানের লা-শ ২৫ দিন পর দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে

    লিবিয়ায় প্রবাসী শার্শার শাহজাহানের লা-শ ২৫ দিন পর দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে

    আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ যশোরের শার্শা উপজেলার দাউদখালী গ্রামের লিবিয়া প্রবাসী শাহজাহান কবীর (৫৫) এর মরদেহ ২৫ দিন পর রবিবার (৩রা নভেম্বর) সকালে লিবিয়া থেকে দেশে আনা হয়েছে। শাহাজাহান দাউদখালী গ্রামের মৃত আলহাজ্ব আমজুর আলী ধাবকের ছেলে। তার স্ত্রী দুই মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। রবিবার রাত দুইটার দিকে শাজাহানের লাশ ঢাকা আন্তর্জাতিক শাহজালাল বিমানবন্দরে এসে পৌছায়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাত ৩ টার দিকে স্বজনদের কাছে তার লাশ হস্তান্তর করা হয়। এসময় প্রবাসী কল্যান সংস্থা ৩৫ হাজার টাকার একটি চেক তুলে দেন তাদের হাতে।

    শাহাজাহান লিবিয়ার বেন গজী শহরে কাজ করতেন। সেখানে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন। চিকিৎসারত অবস্থায় বেনগাজীর একটি হাসপাতালে গত ৮ ই অক্টোবর মারা যান তিনি। লিবিয়ায় তার বৈধতা না থাকায় বাংলাদেশ সরকারের লিবিয়া দুতাবাসের মাধ্যমে ২৫ দিন পর তার লাশ দেশে আনা হয়।

    দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর সকাল ১০ টায় শাজাহান কবীরের লাশ গ্রামে এসে পৌছালে সেখানে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের সুচনা হয়। প্রতিবেশী ও স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। সকাল ১১টায় জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়।

    শাহাজাহান ৫’বছর আগে অবৈধভাবে লিবিয়ায় যান। এর পূর্বেও তিনি লিবিয়ায় ৮ বছর প্রবাস জীবন কাটান। সেখানে তিনি একটি বেসরকারী কোম্পানিতে চাকুরী করতেন। এই বছরই তার ছুটিতে দেশের বাড়ীতে আসার কথা ছিল। কিন্তু তা আর হলো না। শেষে তিনি লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • পঞ্চগড়ে শেখ হাসিনাসহ দুইজন সাবেক সংসদ সদস্য উপজেলা ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা

    পঞ্চগড়ে শেখ হাসিনাসহ দুইজন সাবেক সংসদ সদস্য উপজেলা ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা

    মোঃ বাবুল হোসেন.পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে শেখ হাসিনা ও দুজন সাবেক এমপিসহ ৮৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৭০-৮০ জনকে আসামী করে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    পঞ্চগড় সদর উপজেলার জালাসিপাড়া এলাকার আবু আলম মুহাম্মদ আব্দুল হাই এর ছেলে শাহীন আলম আশিক বাদী হয়ে শুক্রবার (১ নভেম্বর) পঞ্চগড় সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

    মামলায় অন্যন্য আসামীরা হলেন:- পঞ্চগড়ে-১ আসনের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধান, সাবেক নাঈমুজ্জামান ভুঁইয়া (মুক্তা), জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত (সম্রাট),সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান শেখ,সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম,পৌর মেয়র জাকিয়া খাতুন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিপেন চন্দ্র রায়, আওয়ামীলীগ নেতা মোশারফ হোসেনসহ মোট ৮৭ লার সূত্র থেকে জানা যায়, ২৮ অক্টোবর ২০০৬ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার আহবানে লগী বৈঠা,লাঠিসোটা নিয়ে পঞ্চগড়ের নেতাকর্মীরা, পঞ্চগড় বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে সমাবেশে হাফিজাবাদ ইউনিয়ন থেকে যোগ দিতে আসা নেতাকর্মীদের উপর অতর্কিতভাবে জালাসি বাজারে হামলা করে। এলোপাথাড়ি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে হামলায় মারাত্মক ভাবে আহত হন আবু আলম মুহাম্মদ আব্দুল হাই হেলালসহ বেশ কয়েকজন।

    মামলার বাদী শাহীন আলম আশিক জানান, চলতি বছর জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশে ফ্যাসিষ্ট স্বৈরাচার মুক্ত, হাজারো ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে দেশের গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি আশাবাদী ছাত্র জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে যে অন্তর্বতিকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এই সময়ে আমাদের হত্যাচেষ্টা ঘটনার ন্যায় বিচার পাব। এর আগে আমি অনেকবার মামলা দায়েরের চেস্টা করেছিলাম কিন্ত দেশে ফ্যাসিস্ট সরকারের কারনে মামলা দায়ের করতে পারিনি। উপরন্তু হামলা মামলার শিকার হতে হয়েছে।

    পঞ্চগড় সদর থানার ওসি এস এম মাসুদ পারভেজ জানান মামলাটি তদন্ত করার জন্য উপ-পরিদর্শক রতন কুমারকে তদন্তকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

  • রাজারহাটে পুকুরে মাছ নিধনে কীটনাশক প্রয়োগের অভিযোগ 

    রাজারহাটে পুকুরে মাছ নিধনে কীটনাশক প্রয়োগের অভিযোগ 

    রাজারহাট(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি:তারিখ:০৩-১১-২০২৪ইং সণ।কুড়িগ্রামের রাজারহাটে পুকুরে কীটনাশক প্রয়োগ করে একশ মন মাছ নিধনের অভিযোগ তুলেন ক্ষতিগ্রস্থ পুকুর মালিক।ঘটনাটি ঘটেছে চায়না বাজার হইতে মুস্তফীগামী রেলক্রসিং সংলগ্ন আলতাব হোসেনের একটি পুকুরে কীটনাশক প্রয়োগে মাছ নিধনের ঘটনা ঘটে।

    ক্ষতিগ্রস্থ পুকুর মালিক আলতাব হোসেন(৩৬) উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম দেবোত্তর গ্রামের মৃত অজর উদ্দিন ব্যাপারির ছেলে।

    খবর পেয়ে রাজারহাট থানা অফিসার ইনচার্জ মো:রেজাউল করিম রেজা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পুকুর পরিদর্শন করেন।কীটনাশক প্রয়োগের ঘটনায় গত শনিবার ২রা নভেম্বর বিকালে রাজারহাট থানায় দুইজনকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন পুকুর মালিক আলতাব হোসেন।উপজেলা মৎস্য মাঠ সহকারী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে পুকুরে জাল টেনে মৃত মাছগুলো অপসারণ করার সময়ে জেলের জালে সান মেরিন ও সেতারা নামের কয়েকটি উচ্চ মাত্রার কীটনাশকের বোতল উঠে আসে।

    বিষ(কীটনাশক) প্রয়োগে মারা গেছে কিনা সেটি নিশ্চিত করার জন্য জেলের জালে ওঠে আলামত ও পুকুরের পানি সংগ্রহ করেন এ মৎস্য কর্মকর্তা।

    অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,বিবাদী সাদেকুল ইসলাম স্বপন ও শফিউজ্জামান তপন মাছের প্রজেক্ট করার পর থেকে তাদের সঙ্গে মনোমালিন্য চলে আসছে।১নং বিবাদী দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছে, বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে সমাধান না হওয়ায় আমার ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করে।১লা নভেম্বর ভোর রাতে আসামিদ্বয় ২/৩জনসহ পুকুরে কীটনাশক প্রয়োগ করে।

    অভিযুক্ত সাদেকুল ইসলাম স্বপনের কাছে চাঁদা ও বিষ প্রয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বানোয়াট অভিযোগ।বাদীর বড়ভাই এডিশনাল এসপি হওয়ায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কিছু রেললাইনের জায়গা দখল করে মাছের প্রজেক্ট তৈরি করে।রেল কর্তৃপক্ষের তদন্ত এখন প্রক্রিয়াধীন।

    ১নং ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য লিটন সরকারের কাছে চাঁদা দাবির বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সমাধানের জন্য বসা হয়েছে কি? জানতে চাইলে তিনি বলেন এধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি,,স্বপন চাঁদাবাজ এলাকার কেউ এ কথা বলতেই পারবেনা।

    রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রেজাউল করিম রেজা বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

    এনামুল হক সরকার
    রাজারহাট,কুড়িগ্রাম।।