Blog

  • রাজশাহীতে ছাত্র আন্দোলনে নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারের খোঁজ নিলেন- ডিসি আফিয়া আখতার

    রাজশাহীতে ছাত্র আন্দোলনে নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারের খোঁজ নিলেন- ডিসি আফিয়া আখতার

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : রাজশাহীতে ছাত্র আন্দোলনে নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়েছেন নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক (ডিসি) আফিয়া আখতার। রোববার (৩ নভেম্বর) দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দিনই তিনি রাজশাহীতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত দুই শিক্ষার্থীর বাড়িতে যান।

    দায়িত্ব গ্ৰহণের প্রথম দিনই রোববার দুপুরের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সাকিব আনজুম ও মিনারুলের পরিবারের খোঁজ-খবর নেন নবাগত জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার। এর মধ্য ছাত্র আন্দোলনে নিহত সাকিব আনজুম রাজশাহী মহানগরীর রানীনগর এলাকার মাইনুল হকের ছেলে এবং মিনারুল ইসলাম মহানগরীর গোলজারবাগ এলাকার মৃত. এনামুল হকের ছেলে।

    রাজশাহীতে ছাত্র আন্দোলনের সময় নিহত ৩ জনের মধ্যে রয়েছেন এই দুজন। এর মধ্যে সাকিব আনজুম রাজশাহী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং মিনারুল ইসলাম ইপিজেড এর বেঙ্গল কোম্পানির সিনিয়র অপারেটর ছিলেন। অপরজন হলেন- ইসলামী ছাত্রশিবির নেতা আলী রায়হান।

    রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. মহিনুল হাসান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে রাজশাহীর নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক (ডিসি) আফিয়া আখতার বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতরা দেশের সম্পদ ও গর্ব, তারা শহীদের মর্যাদা পাবেন।

    রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হলো বাংলাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি সংগঠন। এই আন্দোলনে আহত-নিহতরা দেশের সম্পদ ও গর্ব, তারা শহীদের মর্যাদা পাবেন। তাদের রক্তের বিনিময়েই নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের সার্বিক প্রয়োজনে জেলা প্রশাসন সর্বদা পাশে আছে ও সব সময় যে কোন প্রয়োজনে পাশে দাঁড়াবে। সেই জন্যই দায়িত্ব গ্রহণের পরই আমি এই শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কাজকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। আজকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সাকিব আনজুম ও মিনারুল ইসলামের পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়েছি। ভবিষ্যতে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই জেলার ছাত্র আন্দোলনে আহত-নিহতদের খোঁজ-খবর নেওয়া হবে। এর পাশাপাশি সকল ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধাও দেওয়া হবে।

    সাক্ষাৎকালে নিহত সাকিব আনজুমের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি জানান, আজকে নবাগত জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। দায়িত্ব গ্ৰহণের পরেই তিনি সর্বপ্রথম কাজ হিসেবে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়েছেন। এর ফলে তিনি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। আমরা এই রকম একটা জেলা প্রশাসক রাজশাহীর জন্য আশা করেছিলাম। তিনি নবাগত জেলা প্রশাসকের কাছে ভবিষ্যতে সকল আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় করারও আহ্বান জানান।

    সাকিব আনজুম’র স্ত্রী নিশাত তাবাসসুম জানান, এতো অল্প বয়সে স্বামীকে হারাতে হবে তা তিনি কখনো কল্পনাও করেননি। তার স্বামীকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। এটা কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি। এ সময় তিনি এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন। আর জেলা প্রশাসক তাদের খোঁজ-খবর নিতে আসায় তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    এছাড়া সাক্ষাৎকালে ছাত্র-আন্দোলনে নিহত মিনারুলের মা ডলি খাতুন অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, তিন ছেলে এক মেয়ের মধ্যে মিনারুলউ ছিল সবার ছোট। ইউসেফ স্কুল থেকে চাকরি পেয়ে, ১২ বছর ঢাকার নারায়ণগঞ্জ এলাকার ইপিজেডের বেঙ্গল কোম্পানির সিনিয়র অপারেটর হিসেবে কাজও করেছে। তার কলিজার টুকরো সন্তান মিনারুল গুলিবিদ্ধ হয়ে গত ২০ জুলাই প্রাণ হারিয়েছ। সন্তান হারানোর এই শোক সইবার মত নয়। তিনি পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে তার সন্তানকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করার জন্য দোয়া করেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • মাল্টার চাষ করে সফল নাচোলের আপেল, সবাইকে ফরমালিনমুক্ত দেশী মাল্টা কেনার অনুরোধ

    মাল্টার চাষ করে সফল নাচোলের আপেল, সবাইকে ফরমালিনমুক্ত দেশী মাল্টা কেনার অনুরোধ

    মোঃ হায়দার আলী চাঁপাই নবাবগঞ্জ থেকে ফিরে : মানুষ যাই তা ঠিকই পায় শুধু চেষ্টা আর পরিশ্রম, আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখা। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল সফল উদ্যোক্তা হওয়ার। তাই এসএসসির গোন্ডি পেরিয়ে নেমে পড়েন কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার লড়াইয়ে। প্রথমদিকে আম ও পেয়ারার ব্যাবসা দিয়ে শুরু করলেও পরবর্তীতে মাল্টা চাষে সফল হয়েছেন আতিউজ্জামান আপেল।

    তিনি ২০ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন মাল্টার বাগান। এ ছাড়া মাল্টা গাছের সঙ্গে মিশ্র ফলন হিসেবে লাগানো হয়েছে কমলা, বানানা ম্যাংগো, বারি-৪ ও কাজি পেয়ারা। সারি সারি মাল্টা গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে সবুজ ও হলুদ রঙের মাল্টা। মাল্টার ভারে গাছগুলো মাটিতে নুয়ে পড়েছে।

    দেখা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে উঁচু জমিতে এই মাল্টা বাগান করা হয়েছে। প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় সবুজ ও হলুদ রঙের মাল্টা ঝুলে আছে। এলাকার লোকজন মাল্টা বাগান দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন। বাগানে আসা লোকজন বলছেন, মাল্টা খেতে অনেক সুস্বাদু ও মিষ্টি।

    মাল্টা চাষি আতিউজ্জামান আপেল বলেন, আমি ২০০৬ সালে এসএসসি পরীক্ষা দিই। তারপরে সর্বপ্রথম পেয়ার ও বারি-৪ বাগান নিয়ে কাজ শুরু করি। ২০১২-১৩ সালের দিকে বারি-৪ এ আমি সফলতা পাই। তারপর ২০২০ সালে আমি ৩৫ বিঘা জমি লিজ নিই। এই প্রজেক্ট নিয়ে কাজ শুরু করি এবং ২০ বিঘা জমিতে মাল্টার গাছ রোপণ করি। তারপর ২০২১ সালে অল্প পরিমাণে ২৫ থেকে ৩০ ক্যারেটের মতো মাল্টা পাই।

    তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত এই প্রজেক্টে ৪০ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে এবং আশা করছি ৬০ থেকে ৬৫ লাখ টাকা পাবো। অর্থাৎ এ বছরে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার মতো আয় হবে। এ ছাড়া গত ২০২২ সালেও ২০ লাখ টাকা মতো লাভ হয়েছিল।

    যারা মাল্টা চাষ করতে চায় তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা মাল্টা চাষ করতে চান তাদেরকে সর্বপ্রথম জমি নির্বাচন করতে হবে। জমিটা যেন ভালো হয় এবং মাটিটি যেন বেলে-দোঁআশ হয়। দ্বিতীয়ত চারা ভালো হওয়া লাগবে। এছাড়া নিয়মিত পরিচর্যা করা লাগবে। সার-বিষ নিয়মিত দিতে হবে।

    ক্রেতাদের দেশি জাতীয় ফল মাল্টা কেনার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দেশি মাল্টা বাইরের মাল্টার চেয়ে অনেক সুস্বাদু। আমরা এই মালটাকে গুরুত্ব দিচ্ছি না, বাইরের মাল্টার প্রতি ঝুঁকে পড়েছি। আমাদের এই মাল্টায় কোনো ফরমালিন জাতীয় কিছু নাই। আপনারা নিশ্চিন্তভাবে এই ফল খেতে পারবেন। তাছাড়া আমরা এই ফলের ঠিকভাবে বাজার মূল্য পাচ্ছি না অথচ বাইরের মাল্টা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি। তাই আপনারা দেশি ফল খান এবং আমাদের পাশে থাকুন।

    বাগানে মাল্টা কিনতে আসা ব্যাপারী ইব্রাহিম আলী বলেন, আমি এই বাগান থেকে মাল্টা কিনে ঢাকা-লক্ষিপুর-সিলেট-চট্রগ্রামে পাঠাই। প্রতি দিন ৪০ থেকে ৫০ ক্যারেটের মতো মাল্টা কিনি। এই বাগানের মাল্টা রঙে ভালো ও সুস্বাদু এবং মিষ্টি।

    মাল্টার বাগানে কাজ করা শ্রমিক আজিজুর রহমান বলেন, আমরা ২০ থেকে ২৫ জন শ্রমিক মাল্টার বাগানে কাজ করি। বিষ, প্যাকেটিং ও কাটিংসহ বিভিন্ন কাজ করি। দেশি মাল্টা খেতে অনেক সুস্বাদু।

    নাচোল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সলেহ আকরাম বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চল তথা নাচোল উপজেলায় প্রায় ৫০ হেক্টর মাল্টার বাগান রয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই বাগানগুলো বারি-১ জাতের মাল্টার বাগান। কিছু ভিয়েতনামি ও হলুদ মাল্টা চাষ হয়। চাষীদের সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। তারা মাল্টার বাগান করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। এছাড়া মাল্টা ফলটি আগে বিদেশ থেকে ব্যাপক পরিমাণে আমদানি করতে হতো। এখন এই দেশীয় মাল্টা চাষ করায় আমদানির চাহিদা পূরণ করছে।

    তিনি আরও বলেন, নাচোল উপজেলার চাষিদেরকে বিভিন্ন প্রদর্শনীর মাধ্যমে উন্নত জাতের চারা, রাসায়নিক সার, জৈব সার ও বিভিন্ন প্রকার যন্ত্রপাতি সরবরাহ করছি। এছাড়া চাষিদেরকে পরামর্শ দিচ্ছি, বারি-১ মাল্টা যেটি রয়েছে সেটি যেন অক্টোবর মাসে হারভেস্ট করে। অনেক চাষি জুলাই ও আগস্ট মাসে হারভেস্ট করে তখন কিন্তু পূর্ণ মিষ্টতা আসে না। তাই চাষিদেরকে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়ার ফলে অনেকেই এখন অক্টোবর মাসে মাল্টা হারভেস্ট করছে।

    আশার কথা হচ্ছে, আমাদের নাচোলে একটি ফল বাজার গড়ে উঠেছে যার ফলে সারা দেশেই সহজে ফলগুলো পাঠানো সহজ হচ্ছে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাপারীরা বাগান পরিদর্শন করে ফল কিনতেও পারছেন। এতে এই উপজেলার অর্থনীতিতে ব্যাপকহারে ভূমিকা রাখছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী,
    রাজশাহী।

  • রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুন এর  দাফন সম্পন্ন

    রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুন এর দাফন সম্পন্ন

    আরিফ রব্বানী।।
    মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের অসাধারণ কিংবদন্তি যোদ্ধা, ঢাকা- উত্তর পুর্ব অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের সমর নায়ক,
    ৩ নং সেক্টরের এরিয়া কমান্ডার,বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধা পুনর্বাসন সংস্থার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা
    ময়মনসিংহ সদরের ভাবখালী ইউনিয়নের সন্তান
    বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুন অর রশিদকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার রাত ৩ টায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    সোমবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ২.৩০ মিনিটে ভাবখালী ইউনিয়নের তার নিজ বাড়ীর নিকটস্থ স্থানীয় মুক্তি ঈদগাহ মাঠ প্রাঙ্গণে গার্ড অব অনার দেওয়ার পর তার জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সহকারী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম রাষ্ট্রের পক্ষে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় জাতীয় পতাকা দিয়ে আচ্ছাদিত মরহুমের মরদেহে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। বিউগলে করুন সুর বাজানো হয়।

    এক মিনিট নীরবতা পালন শেষে একই স্থানে জানাজা এবং পরে তার পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

    গার্ড অব অনার অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কামাল পাশা,নরসিংদী জেলা কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী রজব আলী,মোটরযান কর্মচারী ইউনিয়ন নেতা মেজাম্মেল হক,স্থানীয় মকবুল হোসেন,সহ ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জে,নরসিংদী জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

    বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুন অর রশিদ মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী,ঢাকা (দঃ)ডেমরা,কসবা মোহনপুর,ময়মনসিংহ ইপিআর ক্যাম্পে ১২১ জন পাক হানাদারকে হত্যা করে ময়মনসিংহ কে মুক্তাঞ্চল ঘোষনা করেছিলেন। ২৬,২৭,২৮ মার্চের সূচনা লগ্নে বিজয় ছিনিয়ে আনা এই রণবীর ৪/১১/২৪ ইং ভোর ৩.৩০ মিনিটে বারডেমে কিডনি ও লিভারের সমস্যায় অসুস্হ জনিত কারণে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেছেন, তার মৃত্যুতে একজন বীরের মহাপ্রয়ান ঘটলো,একটি ইতিহাসের সমাপ্তি ঘটলো। মৃত্যুকালে মরহুম শেখ হারুন অর রশিদ এর দুই ছেলে ও এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রয়েছেন।

  • ময়মনসিংহ  ট্যাক্সেস বারের এডহক কমিটির আহবায়ক এড সাজ্জাদ, যুগ্ম আহবায়ক আজিজুল

    ময়মনসিংহ ট্যাক্সেস বারের এডহক কমিটির আহবায়ক এড সাজ্জাদ, যুগ্ম আহবায়ক আজিজুল

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    দি ময়মনসিংহ ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে এডভোকেট মোঃ সাজ্জাদুর রহমান আকন্দ (নয়ন) কে আহবায়ক ও আয়কর আইনজীবি এডভোকেট আজিজুল হাই সোহাগকে যুগ্ম আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন এডভোকেট মোঃ আব্দুস সালাম ভূইয়া, এডভোকেট মোঃ নজরুল ইসলাম ও আয়কর আইনজীবি মোঃ মনোয়ার হোসেন খান সুমন।

    পুর্বের কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় আগামীতে একটি সুন্দর ও স্বচ্ছ কমিটি উপহার দিয়ে দি ময়মনসিংহ ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের কার্যক্রমকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করে আগামীতে আরো এগিয়ে নিতে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে বাছাই করে এই এডহক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন ময়মনসিংহের নেতৃবৃন্দরা। বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদককে তার কর্তৃত্বে থাকা সমিতির প্রয়োজনীয় খাতাপত্র অন্যান্য দায় দায়িত্ব নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে বুঝিয়ে দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

  • টাঙ্গাইলের মধুপুরে পুলিশ চেকপোস্ট উদ্বোধন 

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে পুলিশ চেকপোস্ট উদ্বোধন 

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে বহুল আলোচিত রুপা ধর্ষণের পর হত্যা ও পরবর্তীতে আবার একই কায়দায় বাস ডাকাতি ও নারী ধর্ষণের ঘটনা এবং পরপর আরও কয়েকটি ডাকাতির ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-জামালপুর- ময়মনসিংহ  আঞ্চলিক মহাসড়কের মধুপুর উপজেলার নরকোনা নামক স্থানে নতুন ভাবে আশুরা পুলিশ চেকপোস্ট এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

    রবিবার (৩ নভেম্বর) রাতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু (বিপিএম-সেবা) প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই পুলিশ চেকপোস্টের উদ্বোধন করেন।
    চেকপোস্ট উদ্বোধন কালে মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু বলেন,  চেকপোস্টের দায়িত্বে থাকা পুলিশ, সড়ক পথের যানবাহনের যাত্রী ও এলাকার জনগণের নিরাপত্তা বিধানে কাজ করবে। পুলিশের এ নিরাপত্তা বিধানের কাজে সকলকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য তিনি আহবান জানান।
    উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম) মো.শরফুদ্দীন, মধুপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফারহানা আফরোজ জেমি, মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এমরানুল কবীর সহ তদন্ত ওসি রাসেল আহমেদ, লাউফুলা ফাঁড়ি ইনচার্জ, অরনখোলা ফাঁড়ি ইনচার্জ ও মধুপুর থানার সকল পুলিশ অফিসার ও পুলিশ সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

  • ঝিনাইদহে সড়ক দু-র্ঘটনায় আলম সাধু চালক নিহ-ত

    ঝিনাইদহে সড়ক দু-র্ঘটনায় আলম সাধু চালক নিহ-ত

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    সূর্য উঠার আগেই ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের নগরবাথান ঘোষপাড়া এলাকায় দুই আলমসাধুর মুখোমুখি সংঘর্ষে এক চালক নিহত হয়েছেন। নিহত শেরআলী (৫০) হামদহ কাঞ্চনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আজ ভোরে নিজ আলম সাধু নিয়ে নগর বাথান যাচ্ছিলেন। কুয়াশার কারনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম কর্মীদের বলেন স্থানীয়রা স্থানীয়দের কাছ থেকে দুর্ঘটনা সম্পর্কে জানতে পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং ময়না তদন্তের জন্য লাশ ঝিনাইদহ সদর হাসপালে পাঠানো হয়েছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ

  • মধুপুরে প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহারের অপরাধে ৫টি রাইস মিলে জরিমানা

    মধুপুরে প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহারের অপরাধে ৫টি রাইস মিলে জরিমানা

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোপদ এলাকায় পাটের বস্তার পরিবর্তে প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহারের অপরাধে ৫টি রাইস মিলের মালিককে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
    রবিবার (৩নভেম্বর) দুপুরে পলিথিন বিরোধী অভিযানের অংশ হিসাবে মধুপুর উপজেলার গোপদ এলাকার ৫টি রাইস মিলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
    এ সময় পাটের বস্তার পরিবর্তে প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহারের অপরাধে পণ্যে পাটজাত মোড়ক বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ অনুসারে ৫টি মামলায় ৫ জনকে মোট ২৩,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
    মোবাইল কোর্টটি পরিচালনা করেন মধুপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিফাত আনজুম পিয়া। এ সময় তাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন, মধুপুর থানার চৌকস পুলিশ অফিসার এস.আই রেজাউল করিমের নেতৃত্বে মধুপুর থানা পুলিশের একটি দল।
    জনস্বার্থে এ অভিযান ধারাবাহিক ভাবে চলমান থাকবে বলে জানান, সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আনজুম পিয়া।

  • সুজানগরে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে গত ২১ দিনে সাড়ে ২৮লক্ষ টাকার জাল জব্দ

    সুজানগরে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে গত ২১ দিনে সাড়ে ২৮লক্ষ টাকার জাল জব্দ

    এম এ আলিম রিপনঃ গত ২১ দিনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে পাবনার সুজানগরের পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে ২৮ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের জাল জব্দ ও ৩ জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।রবিবার সুজানগর উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।মৎস্য বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ আহরণ, মজুদ ও বিপণন বন্ধ থাকে। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জেল জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময়ের মধ্যে সুজানগর উপজেলার পদ্মা নদীতে ৮২টি অভিযান চালানো হয় এবং ১০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার পাশাপাশি ২৫টি মামলা করা হয়।এছাড়া, মাছঘাট, আড়ত ও বাজার পরিদর্শন করেছে সুজানগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নূর কাজমীর জামান খানসহ মৎস্য অধিদপ্তরের উপজেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। সুজানগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নূর কাজমীর জামান খান জানায়, গত ২১ দিনের অভিযানে ২১৩ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১.৮৯০ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়।এছাড়া নিষেধাজ্ঞা চলাকালে সুজানগর উপজেলার পদ্মা নদী তীরবর্তী ভাঁয়না,সাতবাড়ীয়া,মানিকহাট,নাজিরগঞ্জ,সাগরকান্দি ও সুজানগর পৌরসভার ১২৫০ জেলে পরিবারের জন্য প্রত্যেকটি পরিবারকে ২৫ কেজি করে ৩১মেট্রিক টন ও ২৫০ কেজি চাল বিতরণ করা হয় ।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • সুজানগরে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধ*র্ষণ,অভিযুক্ত গ্রেফতার

    সুজানগরে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধ*র্ষণ,অভিযুক্ত গ্রেফতার

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে পঞ্চম শ্রেণীর স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো.গাজী শেখকে (৫৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত গাজী শেখ উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের দুলাই গ্রামের মৃত ছবেত শেখের ছেলে। সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা রবিবার বলেন, গ্রেফতারের পর গত শনিবার আসামী গাজীকে পাবনা আদালতে প্রেরণ করা হয়। থানায় মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী মেয়েটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নির্যাতিতাওই শিক্ষার্থী অভিযুক্ত গাজীর পুত্রবধুর নিকট নিয়মিত প্রাইভেট পড়তে যায়। এর মধ্যে গত ২৬ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশের একটি পরিত্যক্ত বাগানে নিয়ে গিয়ে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় ওই ছাত্রী চিৎকার করতে থাকলে তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত গাজী ।এরপরপরই ওই ছাত্রী তার মা ও বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকাকে জানায়। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার নির্যাতিতা ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে সুজানগর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। থানা পুলিশ জানায়, এর আগেও অভিযুক্ত গাজীর বিরুদ্ধে একাধিক মেয়েকে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।
    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • ঝিনাইদহে যুবকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে একসঙ্গে দুই তরুণী অনশন

    ঝিনাইদহে যুবকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে একসঙ্গে দুই তরুণী অনশন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের হলিধানী ইউনিয়নে শাহীন নামে এক যুবকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে একসঙ্গে দুই তরুণী অনশন করেছেন।শনিবার (০২ নভেম্বর) রাত ৭টায় সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের গাগান্না গ্রামের ইকরামুলের ছেলে শাহীনের বাড়িতে ওই দুই তরুণী অনশন করেন।সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, শনিবার বিকেল থেকে রুনা নামে এক কলেজ পড়ুয়া মেয়ে বিয়ের দাবিতে শাহীনের বাড়িতে অবস্থান নেন। রুনার দাবি শাহীন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তার সঙ্গে প্রেম করে আসছেন। তাদের দুই পরিবার এই বিয়েতে রাজি ছিল। কিন্তু শাহীন ধর্ষণ মামলায় আসামি হওয়ায় পরে তার পরিবার এই বিয়েতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর রুনাকে পরিবার থেকে তার অমতে বিয়ে দিতে গেলে তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে শাহীনের বাড়িতে ওঠেন।
    অন্যদিকে গত দুই মাস হলো সাদিয়া নামে আরেক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়েন শাহীন। প্রেমিকের বিয়ের কথা শোনার পর সাদিয়াও বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে আসেন। এমন ঘটনায় শাহীন ও তার পরিবারের ওপর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।এলাকাবাসীর দাবি, শাহীন দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত। এর আগেও এক মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণসহ একাধিক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন তিনি। তারা এর একটা সমাধান চান তারা।
    শাহীনের প্রতিবেশী সোহেল জানান, শনিবার বিকেল ৫টায় পাশের হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাপাশাটিয়া ইউনিয়নের ঘোড়াগাছা গ্রামের মো. আবুল কাসেমের মেয়ে রুনা বিয়ের দাবিতে শাহীনের বাড়িতে আসেন। এ কথা শুনে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মো. মিজানুরের মেয়ে সাদিয়াও বিয়ের দাবিতে তার বাড়ি আসেন। ওই দুই মেয়ে দাবি করেন যে, শাহীন তাদের সঙ্গে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেম করে আসছেন। এখন দুই মেয়েই শাহীনকে বিয়ে করতে চান। এ নিয়ে সমাজের সবাই দ্বিধায় পড়েছেন যে কাকে রেখে কার সঙ্গে বিয়ে দেবেন।প্রতিবেশী ইছাহক মণ্ডল জানান, শাহীন ছেলে হিসেবে বেশি ভালো না। তার বিরুদ্ধে শুধু নারী সম্পৃক্ত অভিযোগ অনেক। সমাজের কিছু লোক অর্থের কাছে বিক্রি হয়ে এর কোনো বিচার করেন না। যে মেয়েরা আসছে তাদের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দিতে হবে।
    ফজলু মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি জানান, এই ছেলে এবং ছেলের পরিবারের যে কার্যকলাপ দেখছি, সেগুলো সম্পূর্ণ অশ্লীল এবং বেহায়াপনা। সমাজের মানুষকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন তারা। এই ছেলে এর আগেও অনেক খারাপ কাজে জড়িত ছিল। আজ আবার একই সঙ্গে দুই মেয়ে বিয়ের দাবি নিয়ে এই বাড়িতে উঠেছে। আমরা গ্রামের মানুষ এর একটা সঠিক বিচার চাই।বিয়ের দাবিতে অনশন করা রুনা বলেন, শাহিনের সঙ্গে আমার দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক। আমাদের বিয়েতে দুই পরিবারই রাজি ছিল। কিন্তু শাহীন ধর্ষণ মামলায় আসামি হওয়ায় আমার পরিবার আর মেনে নেয়নি। শুক্রবার আমার বিয়ের জন্য পরিবার থেকে চাপ দেয়। আমি শাহিনকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করবো না। এ কারণে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। তাই আমি শাহিনের বাড়িতে এসেছি। আমি ওকেই বিয়ে করবো। শহিন যদি ওই মেয়েকে বিয়ে করে, তাও আমার কোনো সমস্যা নেই।সাদিয়া খাতুন বলেন, শাহিনের সঙ্গে দুই মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক। এর আগে শাহিন আমাকে বিয়ের জন্য তার বাড়িতে আসতে বলে। আমি বাড়ি থেকে তার বাড়িতে আসি। তখন শাহিনের বাড়ির লোকজন ঝামেলা করায় সেদিন বিয়ে হয়নি। আজ আবার শাহিনের বাড়িতে আরেক মেয়ে বিয়ের দাবিতে এসেছে। আমি তো ওকে ভালোবাসি। শাহিন আমাকে বিয়ে করবে বলে কথা দিয়েছে। আমাকে রেখে এখন আবার অন্য মেয়েকে বিয়ে করতে চায়। তাই আমি আমার অধিকার আদায়ের জন্য শাহিনের বাড়িতে এসেছি।হলিধানী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সন্তোষ কুমার ঢাকা পোস্টকে বলেন, গাগান্না গ্রামের শাহিনের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে একই সঙ্গে দুই মেয়ে এসেছে এটা খুবই দুঃখজনক। সামাজিকভাবে আমরা এমনটা প্রত্যাশা করি না। ওই ছেলের সঙ্গে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে যেকোনো একটি মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন ওই সমাজের লোকজন। শীঘ্রই এর সমাধান করা হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।