Blog

  • আশুলিয়ায় নয়নজুলি খাল প্র/ভাবশালীদের দ/খলে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ ব্যক্তিগত পকেটে

    আশুলিয়ায় নয়নজুলি খাল প্র/ভাবশালীদের দ/খলে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ ব্যক্তিগত পকেটে

    হেলাল শেখ: ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার বাইপাইল- আব্দুল্লাহপুর সড়কের পাশ দিয়ে প্রবাহিত প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সরকারি নয়নজুলি খালটি প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেটের দখলে চলে গেছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি,খালটির জমির বাজারমূল্য হাজার হাজার কোটি টাকা হলেও তা কার্যত ব্যক্তিমালিকানায় পরিণত হয়েছে।

    সরেজমিনে জানা যায়, মেইন সড়কের পাশ ঘেঁষা এলাকায় যেখানে মাত্র এক শতক জমির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১কোটি টাকা, সেখানে সরকারি এই নয়নজুলি খাল দখল করে নানা স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জামগড়া এলাকায় অবস্থিত জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডমসহ এলাকার একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে খালটির বিভিন্ন অংশ দখল করে রেখেছে, এতে এলাকাজুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে তারা।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,খাল দখলের ফলে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা থাকে, এখনো ১২ মাস কিছু শাখা রাস্তায় জলাবদ্ধতা রয়েছে, এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।

    এ বিষয়ে সচেতন মহল অবিলম্বে খালটি উদ্ধার, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

  • আশুলিয়ায় সেনাবাহিনীর অফিসার পরিচয়দানকারী এক প্র/তারককে গ্রে/ফতার করেছে থানা পুলিশ

    আশুলিয়ায় সেনাবাহিনীর অফিসার পরিচয়দানকারী এক প্র/তারককে গ্রে/ফতার করেছে থানা পুলিশ

    হেলাল শেখঃ সেনাবাহিনীর অফিসার পরিচয়ে প্রতারণা, অবৈধভাবে সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম ও ব্যাজ ব্যবহার এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে মোঃ হাবিবুর রহমান (২৬) নামের এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃত হাবিবুর রহমান নওগাঁ জেলার সদর থানাধীন দাসকান্দি গ্রামের মোঃ ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি আশুলিয়া থানাধীন ডেন্ডাবর মধ্যপাড়া এলাকায় তিন রাস্তার মোড় সংলগ্ন মিজানের বাড়ির চতুর্থ তলার পূর্ব পাশের একটি ফ্লাটে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।

    পুলিশ জানায়, রবিবার (১১ জানুয়ারি ২০২৬ইং) দিবাগত ভোর ৪টার দিকে আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আশুলিয়া থানার (এসআই) সোহেল আল মামুন অভিযানটি পরিচালনা করেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসামি নিজেকে সেনা কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম, ব্যাজ ও বিভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করতেন, যার কোনো বৈধতা নেই। সেনাবাহিনী না হয়েও সেনাবাহিনীর পোশাক পরিধান এবং সেনা কর্মকর্তা সেজে বিভিন্ন জায়গায় প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    এছাড়া তিনি সেনাবাহিনী পরিচয়ে মানুষকে তল্লাশি চালানো, সেনা কর্মকর্তা সেজে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নেওয়ার মতো একাধিক ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতারণার মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে বিশ্বাসের ভিত্তিতে পাওয়া অর্থ আত্মসাৎ ও ফেরত না দেওয়ার ঘটনাও রয়েছে, যা আস্থা ভঙ্গজনিত অপরাধের মধ্যে পড়ে।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদার জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদেরও গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • আশুলিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার নওয়াব হোসেন দেওয়ানকে গ্রে/ফতার

    আশুলিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার নওয়াব হোসেন দেওয়ানকে গ্রে/ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য নওয়াব হোসেন দেওয়ানকে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    রোববার দিবাগত রাতে (১২ জানুয়ারি ২০২৬) আশুলিয়া থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদার, তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে সোমবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে আইনগত পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।

  • কে এই গৌতম ? তাকে হান্ট করার পর কেন এত চাঞ্চলতা

    কে এই গৌতম ? তাকে হান্ট করার পর কেন এত চাঞ্চলতা

    নিজস্ব প্রতিবেদক।।

    বানারীপাড়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি গৌতম সমদ্দার ডেভিল হান্ট ফেজ ২ এর অভিযানে আটক হয়েছে বলে জানা যায়। ঘটনাসুত্রে জানাযায় আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে গৌতম তার সারের দোকেনে বসে গোপন মিটিং ও নাশকতার পরিকল্পনা করে আসছিল।

    আজ রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বন্দর বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    জানা যায় বিগত ১৭ বছরে তিনি বানারীপাড়া আঙ্গুল ফুলে বনে গেছেন কোটিপতি। বিগত ১৭ বছরে প্রায় দশটি কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। রাতের আধাঁরের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন দুবার কাউন্সিলর জানাযায় বরিশাল জেলা আওয়ামীগের আইন বিষয়ক আইন বিষয়ক সম্পাদক ও বানারীপাড়া পৌরসভার মেয়র অ্যাড.সুভাষ চন্দ্র শীলের ঘনিষ্টজন হওয়ায় পৌরসভায় ছিল তার একছত্র নিয়ন্ত্রন।তাকে টাকা না দিলে ৪নং ওয়ার্ডে কোন কাজ হতনা। বানারীপাড়ায় পুজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক হওয়ার সুবাদে সরকারি টিআর বরাদ্ধে চার ভাগের তিন ভাগের বেশি টাকা কোন টাকা মন্দির কমিটি পেতনা এই গৌতমের জন্য। বানারীপাড়া মহাশশ্মান কমিটির প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় ৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত জমিদার বাড়ির শশ্মান বিক্রি করে নিয়েছিলেন প্রায় দশ লাখ। এছাড়াও বানারীপাড়ায় বরাদ্ধকৃত মহাশশ্মান কিছু জমি বেদখল হয়ে যায়। বেখদলকৃত জমির দখলদারদের উচ্ছেদ নামে তাদের কাছ থেকেও কামিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা। বানারীপাড়া সার্বজনীন মন্দির সাধারন সম্পাদক হওয়ার সুবাদে মন্দিরে শাল লোহা কাঠের ঘর তুলে নিয়ে বাড়িতে তৈরি করেছিলেন ঘর। এছাড়াও হিন্দুদের বেদখল হওয়া দেবত্তোর সম্পত্তি উদ্ধারের নামে কামিয়েছেন কোটি টাকা। ধর্ম মন্ত্রালয়ের বরাদ্ধ তার হাত ছারা বানারীপাড়ায় কোন মন্দির পেতনা। এছাড়াও বানারীপাড়া উপজেলার সরকারি সকল বরাদ্ধে তাকে না দিয়ে কোন মন্দির পেতনা।পুরোহিত কমিটির সভাপতি হওয়ায় মেরে খেয়েছেন পুরোহিতদের সরকারি সহায়তা।

    এছাড়াও তিনি বন্দর বাজারের একজন সারের ব্যবসায়ী এছাড়াও তিনি সারের ডিলার ।বিগত ১৭ বছরে সারের যত কারসাজি গৌতম হাত ধরেই হয়েছে। এছাড়াও সরকারের বরাদ্ধের সার তিনিই দোকানে বস্তা পরিবর্তন করে বিক্রি করেছেন। জানা যায় এতকর্ম তিনি উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি, দুইবারের মেয়র ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড.সুভাষ চন্দ্র শীল’কে বিক্রি করে করেছেন। এছাড়াও নিজে গড়েছেন আলিশান বাড়ি ও অবৈধ টাকার পাহাড়।।

    এদিকে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর দ্বিতীয় ধাপ (ফেজ-২) এর আওতায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আদালত সুত্রে জানা যায় বিস্ফোরক ও ঘর পোড়া মামলায় গৌতম’কে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত তাকে হাজতে প্রেরন করেছেন।

    এলাকায় প্রভাবশালী এই আওয়ামী লীগ নেতার গ্রেফতারে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

  • সুজানগরে জমি নিয়ে বি/রোধে ভাইয়ের হাতে ভাই খু/ন

    সুজানগরে জমি নিয়ে বি/রোধে ভাইয়ের হাতে ভাই খু/ন

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধিঃ পাবনার সুজানগরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন চাচাতো ভাইয়ের হামলায় মন্টু শেখ (৬৪) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
    রবিবার (১১জানুয়ারী) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফইম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
    নিহত মন্টু শেখ ওই গ্রামের মৃত সোনাই শেখের ছেলে। নিহতের ছেলে মনসুর শেখ জানান, চাচা রানু শেখের তাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে কিছুদিন ধরে তার বাবা মন্টু শেখকে রানু শেখ বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এরই একপর্যায়ে
    রবিবার সকালে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দু’ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রানু শেখ ও তার ছেলেসহ কয়েকজন তার বাবার ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
    এ বিষয়ে পাবনা সহকারী পুলিশ সুপার(সুজানগর সার্কেল) সাদিক আহমদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • বাবুগঞ্জে ডিবির অ/ভিযানে ১ কেজি গাঁ/জাসহ মা/দক কা/রবারি গ্রে/প্তার

    বাবুগঞ্জে ডিবির অ/ভিযানে ১ কেজি গাঁ/জাসহ মা/দক কা/রবারি গ্রে/প্তার

    নিউজ প্রতিবেদক: মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা। বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি।

    বাবুগঞ্জ উপজেলের রহমতপুর ইউনিয়নের রামপট্টি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১ কেজি গাঁজাসহ আব্দুল সালাম নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।

    রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের রামপট্টি স্ট্যান্ড এলাকায় ডিবির এসআই জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় এক কেজি গাঁজা। পরে তাকে আটক করে আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতাও অত্যন্ত জরুরি।

    মাদকের বিরুদ্ধে এমন কঠোর অবস্থান এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, নিয়মিত অভিযান চললে যুব সমাজ মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পাবে এবং সমাজ হবে আরও নিরাপদ।

  • উপকূলীয় পাইকগাছায় সিটিসিআরপি সড়কে বদলাচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা

    উপকূলীয় পাইকগাছায় সিটিসিআরপি সড়কে বদলাচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা এবং একটি টেকসই, আধুনিক ও নিরাপদ নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে পাইকগাছা পৌরসভায় বাস্তবায়নাধীন কোস্টাল টাউনস ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট (সিটিসিআরপি)-এর আওতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সড়কের নির্মাণকাজ প্রায় শেষের দিকে। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই সড়কটির বিটুমিনাস কার্পেটিংসহ প্রায় সব কাজ শেষ।প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ২ হাজার ১৯০ মিটার দীর্ঘ এই সড়কটি পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের শিববাটি ব্রিজের নিচ থেকে লোনাপানি কেন্দ্র অভিমুখে সংযোগ স্থাপন করেছে। সড়কটি চালু হলে পাইকগাছা পৌর এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)-এর যৌথ অর্থায়নে এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর তত্ত্বাবধানে পাইকগাছা পৌরসভা এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

    উন্নয়ন সড়ক প্রকল্পটির মোট চুক্তি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার ৫৩ টাকা ১৯ পয়সা। গত ২০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ৩০ এপ্রিল ২০২৫ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজ শুরু হয়। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকল্পটি সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিশিত বসু নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করার লক্ষ্যে দ্রুতগতিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই সড়কটি নির্মিত হলে পৌর এলাকার সড়ক অবকাঠামোর মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং নিরাপদ ও টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রকল্পটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এর ফলে নাগরিক সেবা সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।এদিকে পাইকগাছা পৌরসভার এই উদ্যোগকে স্থানীয় বাসিন্দারা সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাদের প্রত্যাশা, সিটিসিআরপি প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাইকগাছা একটি জলবায়ু সহনশীল, পরিকল্পিত ও আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে উঠবে, যা উপকূলীয় এলাকার উন্নয়নে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

    প্রেরক,

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা

  • পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদ থেকে যুবকের ম/রদেহ উদ্ধার

    পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদ থেকে যুবকের ম/রদেহ উদ্ধার

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলার আগড়ঘাটা বাজার সংলগ্ন ফুলতলা খেয়া ঘাটে কপোতাক্ষ নদ থেকে ভাসমান অবস্থায় একটি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    রোববার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়রা আগড়ঘাটা ফুলতলা খেয়া ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রলারের গায়ে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি আটকে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

    জানাগেছে অজ্ঞাত মরদেহটটি পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের মটবাটী গ্রামের মুনছুর গাজীর ছেলে রবিউল ইসলাম (৪৮) ওরফে সেদু। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মৃগি রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

    গদাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেখ খোরশেদুজ্জামান বলেন, গত ৬ জানুয়ারি রবিউল পার্শ্ববর্তী সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার জেটুয়া গ্রামে তার নানার বাড়ি থেকে ফেরার সময় পথিমধ্যে মাহমুদকাটি বালিয়া খেয়াঘাট পৌঁছে নদী পার হওয়ার সময় হঠাৎ মৃগি রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি নৌকা থেকে নদীতে পড়ে যায়। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

    পাইকগাছা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এস আই রবিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। মরদেহের পরিবারের সদস্যরা এসে তার পরিচয় শনাক্ত করেছেন।

    তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার দিন ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। রাত হয়ে যাওয়ায় প্রথম দিনের তল্লাশি কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। বুধবার সকালে আবারও ডুবুরি দল নদে তল্লাশি চালায়। দুপুর পর্যন্ত তল্লাশি অব্যাহত থাকলেও কপোতাক্ষ নদের প্রবল স্রোতের কারণে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

  • বানারীপাড়া পৌর আওয়ামী লীগ নেতা গৌতম সমদ্দার গ্রে-ফতার

    বানারীপাড়া পৌর আওয়ামী লীগ নেতা গৌতম সমদ্দার গ্রে-ফতার

    বানারীপাড়া প্রতিনিধি //
    বরিশালের বানারীপাড়ায় পৌর আওয়ামী লীগের নেতা ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গৌতম সমদ্দারকে গ্রেফতার করেছে বানারীপাড়া থানা পুলিশ।
    রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বন্দর বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর দ্বিতীয় ধাপ (ফেজ-২) এর আওতায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারের পর গৌতম সমদ্দারকে থানায় নেওয়া হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
    এদিকে প্রভাবশালী এই আওয়ামী লীগ নেতার গ্রেফতারের খবরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    মোঃ সাব্বির হোসেন ।।

  • সমাজ সংস্কারের প্র-তিবাদ করায়  সাজানো সংবাদ সম্মেলন’ ত্য-জ্য পুত্র ঘোষণা

    সমাজ সংস্কারের প্র-তিবাদ করায় সাজানো সংবাদ সম্মেলন’ ত্য-জ্য পুত্র ঘোষণা

    লিটন মাহমুদ,
    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
    সমাজের অসংগতি, মাদক, ধর্ষণ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবাদ করায় একজন সাবেক গণমাধ্যম কর্মীকে হেয় ও দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে মুন্সিগঞ্জে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন মতিউর রহমান রিয়াদ।

    স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, মোখতারুর রহমান মীরধা নামের এক ব্যক্তি আইন পরিপন্থী ও মনগড়া স্ট্যাম্প তৈরি করে তার ২য় পুত্র মতিউর রহমান রিয়াদকে জড়িয়ে একটি সাজানো সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। ওই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রিয়াদকে ‘তেজ্যপুত্র’ ঘোষণা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

    ঘটনাটি ৯ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে মুন্সিগঞ্জে সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশের প্রচলিত রাষ্ট্রীয় আইন ও মুসলিম পারিবারিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হয়েছে কি না—সে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

    আইনজীবীদের একটি অংশ মনে করছেন, এ ধরনের ‘তেজ্যপুত্র ঘোষণা’ কোনোভাবেই আইনি বৈধতা রাখে না। রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী এমন ঘোষণার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই এবং মুসলিম আইনের দৃষ্টিতেও এটি প্রশ্নবিদ্ধ।

    এ বিষয়ে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,
    “সমাজ সংস্কারের কথা বললেই যদি কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করা হয় বা পারিবারিক নাটক সাজিয়ে জনসম্মুখে অপমান করা হয়, তাহলে তা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি একটি ভয়ংকর দৃষ্টান্ত।” তারা আরও বলেন, ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিরোধকে রাজনৈতিক কিংবা সামাজিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হলে সমাজে নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে এবং আইনের শাসন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। একই সঙ্গে তারা এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।