Blog

  • রাষ্ট্র সংস্কারে ইসলামের ভূমিকা গাইবান্ধায় হেযবুত তওহীদের আলোচনা সভা

    রাষ্ট্র সংস্কারে ইসলামের ভূমিকা গাইবান্ধায় হেযবুত তওহীদের আলোচনা সভা

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    রাষ্ট্র সংস্কারে ইসলামের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা করেছে গাইবান্ধা জেলা হেযবুত তওহীদ। মঙ্গলবার গাইবান্ধা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে এ বিষয়ে দিনব্যাপী আলোচনা করা হয়।

    সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি, জাহিদ হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন,হেযবুত তওহীদের মুখপাত্র মসিহ উর রহমান।

    এসময় তিনি বলেন,রাষ্ট্র সংস্কারের নামে দেশে যা চলছে সেই সংস্কার দিয়ে রাষ্ট্রের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে না। বরং রাষ্ট্র সংস্কারে ইসলামের ভূমিকা অনস্বীকার্য। গনতান্ত্রিক ধাপ্পাবাজের মধ্য থেকে কোনো সংস্কার বাস্তব সংকটের সমাধান হতে পারে না। তাই আগে রাষ্ট্র সংস্কারে সিস্টেমের আমূল পরিবর্তন করতে হবে।
    চলমান সিস্টেমকে পাল্টাতে হবে। হেযবুত তওহীদ বিগত ২৮ বছর ধরে এই কথাই বলে আসছে। হেযবুত তওহীদের মাননীয় ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম রাষ্ট্র সংস্কারের যে প্রস্তাবনা তুলে ধরছেন সেই প্রস্তাবনা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানান তিনি।
    একই সাথে চলমান অন্যায় অশান্তি দূর করতে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা নিয়ে মাঠে ময়দানে কর্মীদের নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার নির্দেশনা দেন জনাব মসিহ উর রহমান।

    মো. তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন,সংগঠনের রংপুর বিভাগীয় দায়িত্বশীল আব্দুল কুদ্দুস শামীম, রাজশাহী বিভাগীয় দায়িত্বশীল আশেক মাহমুদ,রংপুর জেলা শাখার সভাপতি আবুল কালাম আজাদ রুবেল,রংপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. আমিরুল ইসলাম,গাইবান্ধা জেলা সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন শিরল, ফুলছড়ি উপজেলা সভাপতি মাহবুবুর রহমান,সিনিয়র সদস্য আক্তার হোসেন খান ওপেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।।

  • সিরাজদিখানে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোষর  ভূমি দস্যু মোক্তারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    সিরাজদিখানে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোষর ভূমি দস্যু মোক্তারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    সিরাজদিখানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে অর্থ জোগানদাতা, ভূমি দস্যু, আওয়ামী লীগের দালালের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) বিকেল ৪ টায় চিত্রকোটে এ মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়। এতে এলাকার শত শত নারী পুরুষসহ সর্বস্তুরের সাধারন মানুষ অংশগ্রহণ করে।

    মানববন্ধনে ভুক্তভুগীরা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিপক্ষে অবস্থান নেয়া মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন এলাকার নিরীহ মানুষের জমি রেকর্ড ঠিক করে দিবে বলে টাকা ও জমির দলিল হাতিয়ে নেয়। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা ও জমি দখল করে।

    মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ভূক্তভোগীদের মধ্যে মিথ্যা মামলার বাবুল, হালিম, জোড়পূর্বক বাড়ি দখল কালীদাস মন্ডল, নামজারি করানোর জন্য ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার তারা, মিথ্যা মামলা আবুল মেম্বার, রুকসানা, সুমন, ফালান, মুন্না, সুশীল, ৬ শতাংশ জোর পূর্বক দখল উদ্ধোব মন্ডলসহ ছাত্র জনতা। এছাড়াও বিভিন্ন দল, মত, ধর্ম, বর্ন, শ্রেণি পেশার মানুষ, সাংবাদিক ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি।

  • নপম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ

    নপম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন :পাবনার সুজানগরের স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন নপম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে এক হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। সবুজ পরিবেশ নির্মাণের অংশ হিসেবে সংগঠনটি পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়ন এবং বেড়া উপজেলার মাশুন্দিয়া ইউনিয়নের মোট ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রায় ৮৫০ টি গাছের চারা উপহার হিসেবে বিতরণ করে। এছাড়া নপম সদস্য, এবং ভ্যানশ্রমিক সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের মাঝে ১৫০টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। বিতরণকৃত বনজ ও ঔষধী গাছের চারা এলাকার পরিবেশে ভারসাম্য আনয়ন এবং নানা রকম রোগ বালাই মুক্ত করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নপম সেক্রেটারি সন্দ্বীপ ঘোষ। তিনি জানান, আমরা কেবল গাছের চারা বিতরণ করেই দায়িত্ব শেষ করিনি। শিক্ষার্থীদের গাছের পরিচর্যা করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছি। তারা যদি পরিচর্যা করে বেড়ে তুলতে পারে আগামি বছরে পুনরায় তাদের উপহার স্বরূপ গাছের চারা দেওয়া হবে।

  • র‌্যাব-১২ এবং র‍্যাব-৪ এর যৌথ অভিযানে  তাড়াশ যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান ঢাকা থেকে গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ এবং র‍্যাব-৪ এর যৌথ অভিযানে তাড়াশ যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান ঢাকা থেকে গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
    র‌্যাব-১২ এবং র‍্যাব-৪ এর যৌথ অভিযানে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখমসহ ককটেল বিস্ফোরণ সংক্রান্তে দায়েরকৃত দু’টি মামলার অন্যতম প্রধান আসামি ও তাড়াশ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান ঢাকা থেকে গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১।গত ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রিঃ তারিখ অনুমান বিকাল ৩.৩০ হতে ৪.০০ ঘটিকার সময় তাড়াশ থানা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী সঞ্চিত কর্মকার ও সাবেক এমপি আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সমর্থিত আসামিরা ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি প্রার্থী জনাব আব্দুল মান্নান তালুকদার ধানের শীষের প্রচারনা করার উদ্দেশ্যে গাড়ী বহর নিয়ে বিনোদপুর বাজার সংলগ্ন খেলার মাঠে নির্বাচনী বক্তব্য শুরু করলে এজাহারনামীয় আসামিরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্যে চরিতার্থ করার লক্ষ্যে নাশকতামূলক কার্যক্রম করার নিমিত্তে অস্ত্রঘাতমূলক হামলা করে দেশে অস্থীতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য সলাপরামর্শ করে এজাহারনামীয় আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী জনাব আব্দুল মান্নান তালুকদারের নির্বাচনী বক্তব্যের সময় আক্রমণ করে এবং ককটেল বিস্ফোরণ করে নির্বাচনী প্রচারনায় বাধা সৃষ্টি করে এবং ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল মান্নান তালুকদারকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধৃত আসামি আনোয়ার হোসেন খান ও আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী সঞ্চিত কর্মকার ও অন্যান্য আসামিরা এলোপাথারীভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর জখম করে। এছাড়া এজাহারনামীয় আসামিরা সাবেক এমপি জনাব আব্দুল মান্নান তালুকদার তার জীবন বাচানোর জন্য হাইচ গাড়ীতে উঠলে এজাহারনামীয় আসামি মোক্তার হোসেন ও ময়নুল হোসেনের নেতৃত্বে এজাহারনামীয় আসামিরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গাড়ী ভাংচুর করে এবং গাড়ীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। তৎপর আব্দুল মান্নান তালুকদার জীবন বাচানোর লক্ষ্যে গাড়ী থেকে দ্রুত নেমে কোনো মতে জীবন বাঁচিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে আসে। কিন্তু এজাহারনামীয় আসামিরা ইহাতে ক্ষান্ত না হয়ে পুনরায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে লোকজনকে ছত্র ভঙ্গ করিয়ে দেয়। গ্রেফতারকৃত আসামির এর বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানায় ০২টি নাশকতা মামলা সংক্রান্তে তথ্য পাওয়া যায়। ১। মামলা নং-০৪, তারিখ-১১/০৯/২০২৪ খ্রিঃ, ধারা- ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৪২৭/৩৪ দন্ড বিধি ১৮৬০ তৎসহ ৩/৪ বিস্ফোরক পদার্থ আইন ১৮০৯ এবং ২। মামলা নং-৯, তারিখ-২৪ আগস্ট ২০২৪ খ্রিঃ, ধারা- ১৪৩/১৪৪/১৪৭/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৪৪৭/৪৪৮/
    ৪২৭/৩৮০/৫০৬/১১৪/৩৪ দন্ড বিধি ১৮৬০ তৎসহ ৩/৩ক/৬ বিস্ফোরক পদার্থ আইন ১৮০৯ ।

    ২।এরই ধারাবাহিকতায় মোহাম্মদ কামরুজ্জামান পিপিএম, অধিনায়ক, ‍র‍্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় গত ১১ নভেম্বর ২০২৪ খ্রি. সকাল ১৫.৩৫ ঘটিকার সময় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় র‍্যাব-১২, সদর কোম্পানি ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-২, নবিনগর এর একটি চৌকস অভিযানিক দল “ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানাধীন রাজাবাড়ী এলাকায়’’ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে নাশকতা মামলার অন্যতম প্রধান পলাতক আসামি ও তাড়াশ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন খানকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৩।গ্রেফতারকৃত আসামি আনোয়ার হোসেন খান (৫০), পিতা- মৃত বক্স খান, সাং- তাড়াশ খানপাড়া, থানা- তাড়াশ, জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    ৪।গ্রেফতারকৃত আসামিকে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • ঝিনাইদহে পুকুর থেকে মাছ লুটের অভিযোগ

    ঝিনাইদহে পুকুর থেকে মাছ লুটের অভিযোগ

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাগুটিয়া গ্রামে সাজেদুল ওজুদ নামে এক ব্যাক্তির পুকুর দখল করে মাছ লুট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় নলডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কবির হোসেনসহ তার দলবল এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে আদালতে দায়েরকৃত মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। মাছ চাষি সাজেদুল ওজুদ কালীগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহী গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। অভিযোগ বলা হয় কবির হোসেন এলাকায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী পরিচালনা করে। এ কারণে ভয়ে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে পারে না। সাজেদুল ওজুদ জানান, বাগুটিয়া মৌজায় জনৈক ফিরোজুলের কাছ থেকে ১৪ একর ৩০ শতক ও রোজিনা বেগমের কাছ থেকে ৩ একর জমি লীজ নিয়ে ৫টি পুকুরে তিনি মাছ চাষ করে আসছিলেন। সম্প্রতি বাগুটিয়া গ্রামের তোফোজ্জেল হোসেনের ছেলে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন, কুবাদ আলীর ছেলে মুছা মন্ডল, ডালিমের ছেলে রসুল, রেজাউলের ছেলে রাকিব, জামাল হোসেনের ছেলে সুমন, ইমান আলীর ছেলে রিপন, মোজাহার মোল্লার ছেলে মোফাজ্জেল ও ইমরানের ছেলে আশিকসহ ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী দেশী অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে পুকুর থেকে ১৮ লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় তারা পুকুর পাড়ে ২০ একার জমিতে লাগানো দুই লাখ টাকা মুল্যের প্রায় ৫’শ কাঁদি কলা কেটে ফেলে। মাছ চাষি সাজেদুল ওজুদ জানান, ঘটনার সময় সন্ত্রাসীদের ভয়ে মামলা করতে না পারলেও দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে তিনি ঝিনাইদহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতে মামলা করেছেন, যার মামলা নং ঝি/সিআর-৮১৪/২৪। বাদী অভিযোগ করেন মামলার প্রধান আসামী কবির হোসেন নলডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। তার ভয়ে এখনো ৪০টি পরিবার ঘরবাড়ি ছাড়া। এছাড়া মামলা করার পর সাক্ষি দরবেশ জোয়ারদারকে মারধর করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কবির বাহিনী এখনো এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। মাছ লুটের বিষয়ে নলডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কবির হোসেন জানান, তিনি এসব বিষয়ের সঙ্গে জড়িত নয়। এলাকায় সামাজিক দ্বন্দের কারণে সাজেদুল ওজুদ আমার নামে মামলা করেছেন। প্রকৃত পুকুর থেকে মাছ লুট বা কলাগাছ কাটার সঙ্গে জড়িত নয়। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বাগুটিয়া গ্রামে মাছ লুটের বিষয়ে আদালত থেকে এখনো কোন নির্দেশনা পায়নি। তিনি জানান, আদালতের আদেশ হাতে পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • পাইকগাছায় উপকূল দিবস পালিত

    পাইকগাছায় উপকূল দিবস পালিত

    পাইকগাছা (খুলনা)প্রতিনিধি।।
    উপকূলের জলবায়ু বিপন্ন মানুষের সুরক্ষার জন্য জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে পাইকগাছায় উপকূল দিবস পালিত হয়েছে। পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবি এর আযোজনে মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় নতুন বাজার চত্তরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বনবিবি এর সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেনে,কবি ও ছড়াকার এ্যাড. শফিকুল ইসলাম কচি।
    বিশেষ অতিথি ছিলেন, নতুন বাজার ব্যবসাহী সমবায় সমিতির সভাপতি অশোক ঘোষ, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাধুরী রানী সাধু, শিক্ষক ফাতেমা বেগম,দপ্তর সম্পাদক রোজী সিদ্দিকী, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক এম জালাল উদ্দিন। আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন, কবি রাবেয়া আক্তার মলি, লিনজা আক্তার মিথিলা, পুষ্পিতা শীল জ্যতি, গৌতম ভদ্র, শাহিনুর রহমান প্রমুখ।
    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর উপকূলের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। এই ঘূর্ণিঝড়ে উপকূল লন্ডভন্ড করে দেয়। এই ঘূর্ণিঝড় গোটা বিশ্বকে কাপিয়ে দিয়েছিল। উপকূল দিবস সরকারি ভাবে পালন করলে উপকূলের সুরক্ষা, উপকূলের সংকট, সম্ভাবনা, বিকাশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
    অনুষ্ঠানের বক্তারা আরো বলেন, ৭০ এর ১২ নভেম্বর প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও নিহতদের স্মরণে বছরে অন্তত একটি বার সবাই মিলে আলোচনা করার জন্য উপকূলবাসীর পক্ষ থেকে ১২ নভেম্বরকে সরকারী ভাবে উপকূল দিবস ঘোষণার দাবী জানান। অনুষ্ঠানে স্কুল পর্যায় উপকূল বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারীদের পুরুস্কার প্রদান করা হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • ১৪ থেকে ১৬ নভেম্বর সুন্দরবনের দুবলার চরে রাস উৎসব

    ১৪ থেকে ১৬ নভেম্বর সুন্দরবনের দুবলার চরে রাস উৎসব

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    সুন্দরবনের দুবলারচরে রাস উৎসব ঘিরে উপকূল অঞ্চলে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। রাস উৎসবে যেতে পূর্ণার্থী ও দর্শনার্থীদের প্রস্তুতি নেয়া শুরু হয়েছে।
    প্রতি বছর কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের ভরা পূর্ণিমায় সুন্দরবনের দুবলারচর আলোরকোলে ৩ দিন ব্যাপী রাস মেলা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছরের মতো এবারও রাস পূর্ণিমা উপলক্ষে সুন্দরবনের দুবলার চরে আগামী ১৪ থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী রাস পূর্ণিমা পূজা ও পুর্ণস্নান অনুষ্ঠিত হবে।
    তবে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে এবারও পুণ্যার্থী ছাড়া অন্য কেউ ওই সময় সুন্দরবনে ভ্রমণ করতে পারবেন না। এ ছাড়া এবারও উৎসবকে কেন্দ্র করে হচ্ছে না রাসমেলা। খোজ নিয়ে জানা গেছে, উ্পকুলীয় এলাকার অসৎ কিছু শিকারী উৎসবে শুরু হওয়ার ১০/১৫ দিন আগে জেলে ও বনজীবী সেজে বিভিন্ন কৌশলে বনের মধ্যে প্রবেশ করে। আবার রাস উৎসব শুরু হলে শিকারীরা তীর্থযাত্রীদের সাথে একত্রিত হয়ে মিশে যায়। মেলার আনন্দে মেতে উঠা দর্শনার্থী ও নিরাপত্তা কর্মীদের চোখ ফাকি দিয়ে হরিণ শিকারে মেতে উঠে।
    রাসপূর্ণিমা উপলক্ষে আগামী ১৪ থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী সুন্দরবনের দুবলারচরে শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণে ঐতিহ্যবাহী রাসপূর্ণিমা পূজা ও পুণ্যস্নান অনুষ্ঠিত হবে। পুর্ণ্যস্নানে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য দর্শনার্থী ও তীর্থযাত্রীদের জন্য সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ পাঁচটি পথ নির্ধারণ করেছে। এ সকল পথে বন বিভাগ, পুলিশ, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের টহল দল তীর্থযাত্রী ও দর্শনার্থীদের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে।পূজা ও পুর্ণ্যস্নানে আগত তীর্থযাত্রীরা বিভিন্ন নদী পথে লঞ্চ, ট্রলার, স্পীডবোট ও দেশি নৌকাযোগে গমন করে থাকেন। এক্ষেত্রে অনুমোদিত পাঁচটি পথ হলো: বুড়িগোয়ালিনী, কোবাদক থেকে বাটুলানদী-বলনদী-পাটকোষ্টা খাল হয়ে হংসরাজ নদী হয়ে দুবলার চর। কয়রা, কাশিয়াবাদ, খাসিটানা, বজবজা হয়ে আড়ুয়া শিবসা-শিবসা নদী-মরজাত হয়ে দুবলার চর। নলিয়ান স্টেশন হয়ে শিবসা-মরজাত নদী হয়ে দুবলার চর। ঢাংমারী অথবা চাঁদপাই স্টেশন-তিনকোনা দ্বীপ হয়ে দুবলার চর এবং বগী-বলেশ্বর-সুপতি স্টেশন-কচিখালী-শেলার চর হয়ে দুবলার চর।
    পুর্ণ্যস্নানে অংশ নিতে দর্শনার্থী ও তীর্থযাত্রীদের ১৪ থেকে ১৬ নভেম্বর-এ তিন দিনের জন্য অনুমতি প্রদান করা হবে এবং প্রবেশের সময় এন্ট্রি পয়েন্টে লঞ্চ, ট্রলার ও নৌকার প্রবেশ ফি, অবস্থান ফি এবং লোকের সংখ্যা অনুযায়ী বিধি মোতাবেক রাজস্ব আদায়পূর্বক পাশ প্রদান করা হবে। অনুমতি পেতে জাতীয় পরিচয় পত্রের কপিসহ তীর্থযাত্রীদের আবেদন করতে হবে। প্রতিটি অনুমতিপত্রে সিল মেরে পথ/রুট উল্লেখ্য করা হবে এবং তীর্থযাত্রী ও দর্শনার্থীগণ পছন্দমত একটি রুট বা পথ ব্যবহার করবেন। ১৪ নভেম্বর দিনের ভাটায় যাত্রা আরম্ভ করতে হবে। রাসপূূর্ণিমা পুর্ণ্যস্নানে উদ্দেশ্যে নির্ধারিত নৌযান রুটে শুধু দিনের বেলায় চলাচল করতে পারবে। বন বিভাগের চেকিং পয়েন্ট ছাড়া কোথাও লঞ্চ, ট্রলার ও নৌকা থামানো যাবে না। ট্রলারে প্রয়োজনীয় সংখ্যক লাইভ জ্যাকেট বা বয়া সংরক্ষণ করতে হবে।
    প্রতিটি জলযানের গায়ে রঙ অথবা স্টিকার দিয়ে বি,এল,সি-সিরিয়াল নম্বর, তীর্থযাত্রী-পুণ্যার্থীর সংখ্যা উল্লেখ করা হবে। সুন্দরবনে প্রবেশকালে প্রতি তীর্থযাত্রী/পুণ্যার্থীকে একটি করে টিকেট বা টোকেন প্রদান করা হবে। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে অবস্থানকালীন টোকেন বা টিকেট সর্বদা নিজের সাথে রাখতে হবে। প্রতিটি লঞ্চ, নৌকা ও ট্রলারকে আলোরকোলে স্থাপিত কন্টোলরুমে আবশ্যিকভাবে রিপোর্ট করতে হবে। এর ব্যত্যয় করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রাসপূর্ণিমা পুর্ণ্যস্নানের সময় কোন বিস্ফোরকদ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার ও বহন নিষিদ্ধ। কারো কাছে কোন আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরকদ্রব্য, হরিণ মারার ফাঁদ, দড়ি, গাছ কাটার কুড়াল, করাত ইত্যাদি অবৈধ কিছু পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোন অবস্থায়ই সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক যেমন প্লাস্টিকের প্লেট, পানির বোতল, গ্লাস বা চামচ বহন করা যাবে না। লঞ্চ, ট্রলার, নৌকায় এবং পুর্ণ্যস্নান স্থলে মাইক বাজানো, পটকা, বাজি ইত্যাদি ফোটানোসহ সকল প্রকার শব্দ দূষণ নিষিদ্ধ। রাসপূর্ণিমায় আগত পুণ্যার্থীদের সুন্দরবনে প্রবেশের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট হতে প্রাপ্ত সনদপত্রের মূলকপি সাথে রাখতে হবে। তীর্থযাত্রীদের উল্লিখিত নিদের্শনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ।

  • তানোরে বিনামূল্যে সার-বীজ বিতরণ

    তানোরে বিনামূল্যে সার-বীজ বিতরণ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে চলতি অর্থবছরের রবি মৌসুমে গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্য মুখী চিনাবাদাম, শীতকালীন পেঁয়াজ, মুগ, মসুর, খেসারী ও অড়হড় ফসল আবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনা মূল্যে ১০ হাজার ৬৫০ জন প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ এবং রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।
    জানা গেছে, গত ১১ নভেম্বর
    সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষি প্রণোদনা উপকরণ বিতরণ কর্মসুচি উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিনহাজুল ইসলাম। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমানপ্রমুখ।
    কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, প্রণোদনার আওতায় এক হাজার ২০০ জন কৃষককে ২০ কেজি গম বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার। ৫০ জন কৃষককে ১০ কেজি ভুট্টা বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার। ৯ হাজার কৃষককে এক কেজি সরিষা বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেয়া হয়।এছাড়াও ৩০০ জন কৃষককে মসুর ডাল বীজ ৫ কেজি, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেয়া হয়। অন্যদিকে ১০ জন কৃষককে খেসারী ডাল বীজ ৮ কেজি, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার দেয়া হয়। শীতকালীন পেঁয়াজ বীজ দেয়া হয় ৫০ জন কৃষককে তাদের এক কেজি পেঁয়াজ বীজ, ১০ কেজি এমওপি, ১০ কেজি ডিএপি এবং অড়হড় বীজ দেয়া হয়। এছাড়াও ৪০ জন কৃষককে ২ কেজি বীজ, ৫ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়। এসময় উপজেলার সাত ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভার উপকারভোগী প্রান্তিক কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কালীগঞ্জে বি ১০৩ ধান গবেষণায় নমুনা শস্য কর্তন

    কালীগঞ্জে বি ১০৩ ধান গবেষণায় নমুনা শস্য কর্তন

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা। এখন আমন মৌসুম চলছে। বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে হলুুুদ লালচে সোনালী ধান খেত। যতো দূর চোখ যায়, কেবল হলুুুদ লালচে সোনালী আর হলুুুদ লালচে সোনালী। এমন অপরুপ দৃশ্য দেখে সবাই মুগ্ধ। আর কেয়েক দিনের মধ্যে পুরো পুরি ভাবে পাকা ধান কাটা শুরু হবে। গোলায় উঠাবে নতুন ফসল।

     এবার আমনের নতুন ধান  ১০৩বি ধান গবেষণায় বোপনা করা হয়। গত ১২ই নভেম্বর ২০২৪ইং সেই বি ১০৩ধান কর্তন করা হয়। কর্তনে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত আনোয়ার তুমপা, কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায়,অতিরিক্ত কৃষি অফিসার আরিফুর রহমান, কৃষক সহ আরো অনেকে। 

    বি ১০৩ধান কৃষি গবেষণায় উৎপাদন হার ৫.৮ টন, হেক্টর প্রতি প্রায়, প্রতি ৩৩শতাংশে প্রায় ২০মন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায়,বলেন ভালো বীজে ভালো ফলন হয়। এবং রোগ বালাই কম হয়।ভালো জায়গাতে  বীজ বপন করেন। অনুকূল আবহাওয়া থাকালে  এবং নিবিড় পরিচর্যাসহ যথা সময়ে জমিতে সার কীটনাশক ও সেচ দিলে ভালো ফলন হয়। আর লক্ষ মাত্রা পূরন হবে বলে আশা করছি। তাই সকল কৃষক ভাইদের বলি সবাই ভালো বীজ দিয়ে কৃষি আবাদ করবেন।

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • মোড়েলগঞ্জে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে  বাজার অভিযানে সেনাবাহিনী ও টাস্কফোর্স কমিটি

    মোড়েলগঞ্জে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার অভিযানে সেনাবাহিনী ও টাস্কফোর্স কমিটি

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধ করতে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

    সোমবার (১১ নভেম্বর) সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় মোরেলগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড,মোরেলগঞ্জ বাজার, এলাকায় টাস্কফোর্সের অভিযানে কমিটির সদস্যরা নানা অনিয়মের কারণে ১৩ টি প্রতিষ্ঠানকে ৯৫০০০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

    অভিযানে পণ্যের মূল্য তালিকা সঠিকভাবে প্রদর্শন না করা, বেশি দামে পণ্য বিক্রয় করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৯৫’হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধের বিষয়ে অবগত করা হয়।

    অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ক্যাপ্টেন এ. এন. এম. মুরাদুজ্জামান,জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সরকারি পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান, বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিক, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন মোরেলগঞ্জ উপজেলা শাখার শিক্ষার্থী প্রতিনিধি সদস্যরা।

    ক্যাপ্টেন এ.এন.এম মুরাদুজ্জামান বলেন, “আমরা প্রতিটি দোকানে গিয়ে পণ্যের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে কিনা, মূল্য তালিকা প্রদর্শিত আছে কিনা এবং তা অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে কিনা, এবং পণ্যের গুণগত মান সঠিক আছে কিনা তা নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করেছি। কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ভবিষ্যতে একই ধরণের অনিয়ম পুনরাবৃত্তি ঘটলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে,” বলে তিনি ব্যবসায়ীদের প্রেষণা প্রদান করেন।