Blog

  • মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ীর বালিগাঁও ইউনিয়ন শাখার উদ্দ্যোগে গন সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ীর বালিগাঁও ইউনিয়ন শাখার উদ্দ্যোগে গন সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    লিটন মাহমুদ,মুন্সীগঞ্জঃ

    মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর গনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    জানা যায়, ভারতের পানি আগ্রাসন বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ, ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবে সংঘটিত গণহত্যার বিচার, দুর্নীতিবাজদের গ্রেফতার, অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও তাদেরকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা, সংখানুপাতিক পদ্ধতিতে(PR) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবীতে, ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির প্রত্যাশা পূরণে ও ইসলাম ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে- শুক্রবার বিকাল ৩ টায় উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বালিগাঁও ইউনিয়ন শাখার উদ্দ্যোগে গন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বালিগাঁও ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মোঃ সেলিম বেপারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতি আলহাজ্ব কে এম বিল্লাল হোসাইন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী রফিকুল ইসলাম বাদল।

    এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার প্রচার ও দাওয়াহ্ বিষয়ক সম্পাদক গাজী মোহাম্মদ জসিমউদদীন, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল হাকিম ঢালী, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন শিকদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি টঙ্গীবাড়ী উপজেলা শাখার ছদর মাও: ইয়াসিন ফকির, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টঙ্গীবাড়ী উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মোঃ আক্তার হোসেন শেখ, সাধারন সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল্লাহ সরদার, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা টঙ্গীবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি হাবীবুল্লাহ ফরাজী, ইসলামী যুব আন্দোলন টঙ্গীবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ রাসেল খান, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন টঙ্গীবাড়ী উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ জিসান সৈয়াল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বালিগাঁও ইউনিয়ন শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ মামুন পাঠান প্রমূখ।

    এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব কে এম বিল্লাল হোসাইন বলেন, ৫৩ বছরের ইতিহাস যদি আমরা পর্যালোচনা করি এই স্বাধীনতা আমাদের মৌলিক উদ্দেশ্য ছিল যে আমাদের ভোটের অধিকার। ভোটের অধিকার আমাদের হরণ করছে পাকিস্তান। এজন্যই আমরা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পরছিলাম। আমরা রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে স্বাধীনতা পেয়েছি। কিন্তু স্বাধীনতা পাওয়ার পরেই প্রথমে আমাদের ভোটের অধিকার হরণ করা হয়েছে। ওয়ান এলিভেনের পরে সৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার ভোট বিহীন ক্ষমতা দখল করে মানুষের অধিকার হরন করে, মানুষকে হত্যা করে, গুম করে, আয়না ঘরে রেখে মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্যাতন করে জুলুম করে ক্ষমতায় গেছে, সংসদে গেছে। তারা কি করছে, তারা ৯৩ বিলিয়ন ডলার চুরি করছে, বিদেশে পাচার করছে, (৮২ হাজার কোটি টাকা)। যাদের সন্তান, যাদের বিবি কেউ দেশে বসবাস করে না। একটা জড়িপে আসছে, ৯০% মন্ত্রী এমপির ফ্যামিলি বাহিরে নাগরিত্ব গ্রহন করছে। আপনারা জানেন, সাবেক ভুমি মন্ত্রী ছিলেন আওয়ামীলীগের ২৬৬টা বাড়ি করছে কানাডাতে, আপনার আমার জনগণের টাকায়। এসআলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে। এই এস আলম গ্রুপের জন্মদাতা কে? এর জন্মদাতা আওয়ামীলীগ শেখ হাসিনা। টাকা তো আওয়ামীলীগের বা এস আলমের না। আপনার আমার আমানতের টাকা। আওয়ামীলীগ সরকার যেভাবে মিথ্যা মামলা করছে, আমরা নতুন করে দেখতেছি, “আবার সেই মিথ্যা মামলা হচ্ছে, মাডার হইছে বরিশাল মামলা হইছে বিক্রমপুর, বিক্রমপুরে মাডার হইছে মামলা হইছে কুয়াকাটা, এজন্যই কি ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান হইছিল? যার ভেতরে আল্লাহর ভয় নাই সে ১০০% চুরি করবে, দুর্নীতি করবে তাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাবেন না। বিএনপি-আওয়ামীলীগ যখনই ক্ষমতায় যায় তারা রাজনীতিটাকে একটা অবৈধ ব্যবসা বানায়। এদের থেকে দুরে থাকুন।

  • শ্রমিক নেতা থেকে গুন্ডা বাহিনীর প্রধান হয়েছে শাজাহান খান – আব্দুল মোনায়েম মুন্না

    শ্রমিক নেতা থেকে গুন্ডা বাহিনীর প্রধান হয়েছে শাজাহান খান – আব্দুল মোনায়েম মুন্না

    মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ

    শাজাহান খান জাসদের গণবাহিনীর দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ছিল এরপর শ্রমিক নেতা, শ্রমিক নেতা থেকে গুন্ডাবাহিনীর প্রধান হয়েছেন আজকে তার পাপের ফল তার সন্তানসহ তিনি নিজে ভোগ করছেন বলে কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না। শুক্রবার সন্ধায় মাদারীপুর জেলা যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল এর আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমির হল রুমে
    সারাদেশে জেলা ভিত্তিক সাম্য ও মানবিক সমাজ বিনির্মানে দিকনির্দেশনা মূলক যৌথ কর্মীসভায় তিনি এ কথা বলেন।

    এ সময় আব্দুল মোনায়েম মুন্না আরো বলেন,আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ তাদের পাপের কারনে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে, রাষ্ট্রের পট পরিবর্তনের পরে আমাদের দল বিএনপি যখন ক্ষমতা থেকে বিদায় নেয় তখন কিন্তু আমাদের দেশ থেকে পালাতে হয়নি। আমরা তো দেশে ছিলাম নিজের এলাকায় ছিলাম।আমাদের উপর হামলা হয়েছে আমাদের নামে মামলা হয়েছে তারপরও আমরা রাজনীতির মাঠ থেকে পালিয়ে যাইনি। আমরা পরবর্তী সময়ে ঠিকই আমাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি।

    এ সময় মাদারীপুর জেলা যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সভাপতির যৌথ সভাপতিত্বে ও তিন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের যৌথ সঞ্চালনায়
    সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না,যুবদলের কেন্দ্রীয় নিবার্হী কমিটির সদ্য সাবেক সহসাংগঠিক সম্পাদক দেওয়ান অলিউদ্দীন সুমন,কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান,কেন্দ্রীয় সমাজসেবা সম্পাদক মামুন হাশেমী দিপু,কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির,কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল সরকার,জেলা যুবদলের আহবায়ক ফারুক বেপারী,সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান ফুকু,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাহাদাত হাওলাদার,সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মাসুদ পারভেজ,জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান জাকির,সদস্য সচিব কামরুল আহসানসহ যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

    আরিফুর রহমান
    মাদারীপুর প্রতিনিধি ।।

  • ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন আজাদুল ইসলাম

    ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন আজাদুল ইসলাম

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    অবশেষে সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ৫নং মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আজাদুল ইসলাম।

    পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্যদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ও পরিষদের সদস্যদের রেজুলেশন এর উল্লেখিত সমর্থনে ইউনিয়ন পরিষদের আইন অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন বিএনপি নেতা আজাদুল ইসলাম। অভিযোগের ভিক্তিতে ও ইউপি সদস্যদের প্রস্তাবনায় গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে এক আলোচনায় জেলা বিএনপি ও জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে মহদীপুর ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ট সদস্যদের সমর্থনপ্রাপ্ত আজাদুল ইসলাম’কে ইউনিয়ন পরিষদ আইন অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

    এ বিষয়ে মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (ইউপি সচিব) আব্দুল জোব্বার প্রধান জানান,ইউনিয়ন পরিষদ আইন অনুযায়ী ইউপি সদস্যদের প্রস্তাবনায় রেজুলেশন অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনে আর কোন বাধা না থাকায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করে পরিষদ পরিচালনা করবেন আজাদুল ইসলাম। গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগ চিঠি হাতে পাওয়ার পর হতে আজাদুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত পালন করবেন।

    এ বিষয়টি নিশ্চিত করে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদ বলেন,ইউনিয়ন পরিষদের আইনানুযায়ী ইউপি সদস্যদের সমর্থন আদায়কারী ব্যক্তি পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। এটি ইউনিয়ন পরিষদ আইন অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরো বলেন, এখানে জেলা প্রশাসন বা উপজেলা প্রশাসনের কিছু করার নেই বা কাউকে দায়িত্ব দেয়ার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ আইনে সব উল্লেখ্য করা রয়েছে। এ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    উল্লেখ্য,পলাশবাড়ী উপজেলার ৫নং মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জামায়াত কর্মী রাহিদুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যদের অনাস্থা প্রস্তাবকে ঘিরে ২০শে নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় পলাশবাড়ীতে জামায়াত ও বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে,এতে বেশ কয়েকজন জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মী আহত হয়। এঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বসতবাড়ী,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মোটরসাইকেল ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করা। এর আগে করা ১৯শে নভেম্বর পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে ইউপি সদস্যদের অনাস্থা প্রস্তাবে ভিত্তিতে ইউনিয়ন পরিষদ আইন অনুযায়ী বিএনপি নেতা ইউপি সদস্য আজাদুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্বপালন করবেন।।

  • শীতের শুরুতেই ব্যস্ততা বেড়েছে চারঘাটের লেপ-তোষক কারিগরদের

    শীতের শুরুতেই ব্যস্ততা বেড়েছে চারঘাটের লেপ-তোষক কারিগরদের

    মোজাম্মেল হক, চারঘাট থেকেঃ

    শীতের আগমনী বার্তায় রাজশাহীর চারঘাটে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কারিগররা।

    মৌসুমি শীত না পড়লেও ঋতু পরিবর্তনে অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ। ভোরে কুয়াশা জমে থাকছে ঘাস আর লতাপাতায়। সন্ধ্যা নামতেই শরীরে শীতের ছোঁয়া। দিনে কিছুটা গরম থাকলেও রাতের শেষভাগে বইছে শীতের হাওয়া। 

    তাই শীত নিবারণের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে লেপ তোষক বানাতে ক্রেতারাও ভিড় করছে দোকানগুলোতে। অনেকেই আবার পুরোনো লেপ-তোশক মেরামত করার অর্ডার দিচ্ছেন।

    শীতের আগমনি বার্তায় প্রতিটি পরিবারে শীত মোকাবেলায় লেপ তোষকের চাহিদা বেড়ে যায়। শীত মৌসুমে গ্রাম অঞ্চলে বিয়ের ধুম পড়ে যায়। গ্রাম্য সংস্কৃতি অনুযায়ী নতুন কনের সাথে লেপ, তোষক, জাজিম, বালিশ, কোল বালিশসহ বিভিন্ন সামগ্রী উপহার হিসেবে দেওয়ার রেওয়াজও রয়েছে। যার ফলে সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই কারিগররা।

    শুক্রবার সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, চারঘাটে প্রতিটি লেপ-তোষকের দোকান রয়েছে ভিড়। শীত মৌসুমে ব্যবসায়ীরা রেডিমেড লেপ তোষক তৈরি করে তা বিক্রি করছেন।

    লেপ কিনতে এসেছেন রফিক নামের ক্রেতা তিনি বলেন, শীত পড়তে শুরু করেছে। বেশি শীত পড়ার আগেই ব্যবহারের জন্য নতুন লেপ-তোষক কিনতে এসেছি। গত বছরের তুলনায় দাম অনেক বেশি মনে হচ্ছে।

    চারঘাট বাজারের কারিগর সিহাব উদ্দিন বলেন, সারা বছরই টুকিটাকি বেচা-কেনা হয়। তবে শীত মৌসুমের শুরু থেকে দোকানে কাজের চাপ বাড়ে। এখন লেপ তোষক তৈরির অর্ডারও বেশি। প্রতিদিনই নতুন নতুন অর্ডার আসছে। তা ছাড়া তৈরি করা লেপ তোষক কিনতেও প্রতিদিন দোকানে আসছেন ক্রেতারা। কাপড়, তুলার মান ও পরিমাণের ওপর নির্ভর করে লেপ-তোষক তৈরির খরচ কম বেশি হয়ে থাকে।

    তিনি আরও জানান, একটি লেপ বা তোষক তৈরিতে একজন কারিগরের সময় লাগে ১ থেকে দেড় ঘণ্টা। একজন কারিগর দিনে ৫ থেকে ৬ টি লেপ বা তোষক তৈরির কাজ করে থাকেন। আর একটি লেপ-তোষক বিক্রি করলে তাদের ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা লাভ হয়। শীত মৌসুমের শুরুর দিক অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত কাজের চাপ বেশি থাকে। বছরের অন্যান্য সময়ের মন্দাভাব পুষিয়ে নিতে এখন সমান তালে কাজ করতে হয়।

    বর্তমানে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় সব জিনিসিপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় লেপ তোশক তৈরির সামগ্রীর দামও বেড়েছে। শিমুল তুলা প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কার্পাস তুলা প্রতি কেজি ১২০ থেকে ২৫০ টাকা, কালো রাবিশ তুলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, সাদা তুলা ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা করে দামে বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় তুলার দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাপড়ের প্রতি গজে ১০ থেকে ১৫ টাকা দাম বেড়েছে বলে তিনি জানান।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • মাধ্যমিক স্কুল শাখা পর্যায়ে যাত্রা শুরু করল সুজানগরের ঐতিহ্যবাহী আল্-ইহ্সান একাডেমী

    মাধ্যমিক স্কুল শাখা পর্যায়ে যাত্রা শুরু করল সুজানগরের ঐতিহ্যবাহী আল্-ইহ্সান একাডেমী

    এম এ আলিম রিপনঃ সুজানগর পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী আল্-ইহ্সান একাডেমী প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণীতে লেখাপড়ার পাশাপাশি এবারে ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত ভর্তির কার্যক্রম শুরু করেছে। পাবনার সুজানগর এন এ কলেজ সংলগ্ন আল্-ইহ্সান একাডেমী এন্ড হাই স্কুলের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার আল্-ইহ্সান একাডেমী এন্ড হাই স্কুলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা টুটুল হোসাইন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে উদ্বেধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা সরকারী এডওয়ার্ড কলেজের মার্কেটিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর নুরুল আলম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার জিল্লুর রহমান, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও পাবনা পদ্মা কলেজের অধ্যাপক ফারক-ই আযম, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর রফিকুল ইসলাম খান, এন এ কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক ও দৈনিক জীবন কথা পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি এটিএম শামসুজ্জামান ডন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রিয়াজ মন্ডল, শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী ও উপজেলা কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুর রহমান । এর আগে শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন আল্-ইহ্সান একাডেমী এন্ড হাইস্কুলের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. কামরুজ্জামান সোহেল। অনুষ্ঠানে সুজানগর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আরা পারভিন, ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ পারভিন, বাগানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, চরসুজানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ,চরভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহীনুজ্জামান, আতিকুর রহমান,আব্দুল জব্বার, আল্-ইহ্সান একাডেমী এন্ড হাইস্কুলটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ফরিদুল ইসলাম(বাবু), সিদ্দিকুর রহমান,কামরুল ইসলাম,আজাদ হোসেন, প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকদের মধ্যে আব্দুল কাদের,এরশাদ আলী, সাব্বির হোসেন, জসিম উদ্দিন, হাফেজ মো. হাসিবুল ইসলাম, মোছা. মমতাজ পারভিন, রিনি আক্তার, চম্পা আক্তার, রাবেয়া খাতুন,কার্নিজ ফাতেমা, কেয়া আক্তার,খালেদা আক্তার তহমিনা আক্তার, ছাত্রদল এন এ কলেজ শাখার আহ্বায়ক শাকিলখানসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ আল্-ইহ্সান একাডেমী এন্ড হাইস্কুলটিতে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার যে সুনাম ও সাফল্য সেটির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামীতে এই উপজেলার মধ্যে একটি শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনাম অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আল্-ইহ্সান একাডেমী এন্ড হাই স্কুলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা টুটুল হোসাইন বিশ্বাস জানান ২০১২ সালে প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণীতে শিক্ষার্থীদের ভর্তির মাধ্যমে লেখাপড়া শুরু হয়। এই প্রতিষ্ঠান থেকে কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে সর্বশেষ ২০২৩ সালের অনুষ্ঠিত বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩১জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করে। আর এবারে মুজাহিদ ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থীর ভতি ফরম জমা নেওয়ার মাধ্যমে ২০২৫ সালের ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত ভর্তির কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটি যেন তার সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে পারে এ জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • স্বরূপকাঠিতে ফেলে দেওয়া কলাগাছ  থেকে ব্যাপক কর্মসংস্থান  বৈদেশিক মুদ্র অর্জনের পথ সুগম

    স্বরূপকাঠিতে ফেলে দেওয়া কলাগাছ থেকে ব্যাপক কর্মসংস্থান বৈদেশিক মুদ্র অর্জনের পথ সুগম

    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি //

    সোনালী আঁশ পাট বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের পরিচিতি ঘটালেও প্লাষ্টিক সামগ্রির কারনে তার ঐতিহ্য কিছুটা মৃয়মান হয়ে যায়। সম্প্রতি সোনালী আঁশের কদর পূনরায় বৃদ্ধিপেতে শুরু করেছে। অতি সম্প্রতি পাটের সাথে যুক্ত হয়েছে আর একটি আশ যা তৈরী হয় কলাগাছের উচ্ছিষ্ট অংশ খেকে। বাগান থেকে কলা কেটে নেওয়ায় পরে গাছটিকে এতদিন হেলাফালা করে ডোবা নালা বা খাল-নদীতে বাসিয়ে দেওয়া হত। এতে বিপর্যয় ঘটত পরিবেশের। সেই পরিবেশ বিনষ্ট কারী কলাগাছ এখন একাট অর্থকরি সাম্রগীতে পরিনত হয়েছে। কলাগাছ থেকে এখন তৈরী হচ্ছে সুতা, ফাইবার কারু শিল্পের কাচামাল। রপ্তানি হয় বিদেশে। আর এর বিপ্লব ঘটিয়েছে স্বরূপকাঠী উপজেলার অশ্বথকাঠী গ্রামের জনার্দ্ধন দেবনাথের নেতৃত্বে দুই শতাধিক নারী-পুরূষ।

    স্বরূপকাঠী উপজেলার দক্ষিন পূর্ব সিমান্তর একটি গ্রামের নাম অশ্বত্থকাঠী। এলাকাটি কৃষি প্রধান হলেও শিক্ষদীক্ষা ও উদ্ভাবনী দিক থেকে অনেক এগিয়ে। ওই এলাকায় ধান থেকে শুরু করে হেন চাষাবাদ নেই যা তারা করেন না। এতদিন তারা একটি কলাবাগান থেকে কেবলা মাত্র কলা ছাড়া কিছুই পেতেন না। এক বছর পূর্বে কলাগাছের উচ্ছিষ্টংশ থেকে অর্থ আয় করাযায় তা শিখিয়েছেন উপজেলার রাহুতকাঠী গ্রামের বাসিন্দা দেশের সনামধন্য ইংরেজি অধ্যাপক মো.নজরুল ইসলামের ছেলে মামুন নেছার্স। যিনি এক জন কারু উদ্দোক্তা। ‘কারু বরিশাল’ নামে তার একটি সংস্থা রয়েছে। তিনি অশ্বথকাঠী গ্রামের জনার্দ্ধন দেবনাথকে প্রথমিক অবস্থায় কলাগাছের ফেলে দেওয়া অংশ থেকে অর্থকারি সামগ্রী উপাদন করা সম্ভব এ মন্ত্রে দীক্ষিত করেন ।

    গত পৌষ মাসে এলাকার ৫০ জন নারী পুরুষকে জনার্দ্ধন দেবনাথের বাড়ীতে একত্রিত করে মামুন ও তার বন্ধুরা প্রশিক্ষন দেন কিভাবে কলাগাছ থেকে আয় করা সম্ভব। এর পরে ওই এলাকার প্রশিক্ষন প্রাপ্ত নারী পুরুষ ফেলে দেওয়া কলাগাছ সংগ্রহ করে কারু সামগ্রী তৈরীর কাঁচামাল প্রস্তুত শুরু করেন। বর্তমানে এ সংখ্যা দুইশতাধিক অতিক্রম করেছে। ওই কাঁচা মাল তৈরী করে অনেকে নিজের পরিবারকে সাজিয়ে তুলেছেন। আয় করেছেন কেউ কেউ এক-দেড় লাক্ষ টাকা পর্ষন্ত। এমন সব তথ্য পাওয়ায় অশ্বথকাঠী গ্রামের বাড়ী বাড়ী ঘুরে।

    জনার্দ্ধন দেবনাথ জানান, মামুন আমার পূব পরিচিত তিনি এক বছর পূবে এ কাজে আত্বনিয়োগে পরামর্শ দেন। এখানে একটি গুদাম ঘর ভাড়া করে উৎপাদিত মালামাল খরিদ করে মজুদ করার ব্যবস্থা করে দেন। গ্রামের উদ্যোগতারা ওই কাঁচামাল তৈরী করে শুকিয়ে ওইখানে নিয়ে আসলে তা মেপে প্রতি কেজি ৭০ টাকা হিসাবে মূল্য দেওয়া হয়। এই মাল পাঠাবার মত মজুত হলে ট্রাকভাড়া করে রংপুরে পাঠিয়ে দেই। ইতি মধ্যে ৬ ট্রাক মাল পাঠানো হয়েছে।

    সরেজমিনে ওই এলাকায় গেলে দেখা যায় গোটা এলাকা জুড়ে সাড়িসাড়ি কলাগাছ। রাস্তারওপর ব্রিজ সাঁকোর ধরনীতে ছেড়া কলাগাছের বাকল(খোসা) শোভা পাচ্ছে। প্রতিটি কলাগাছের দুই দিকের অংশ কেটে ওপর থেকে সবুজ খোলগুলো ফেলে সাদা বাকল(ছাল) ছাড়ানো হচ্ছে। বিভিন্ন বাড়ীতে নারী-পুরুষ অনেকেই কলাগাছের ছেড়া বাকল শুকাতে ব্যাস্ত। শশীদ বাজারের নারী দোকানী মনিকা বলেন,জনার্দ্ধন দেবনাথের মাধ্যমে জানতে পেরে এ কাজ করছি। শুনেছি এ সুতা দিয়ে কলাবতী শাড়ী উৎপন্ন হয়। আমার দোকানের কাজের ফাঁকে এ কাজ করে ১৫ হাজার টাকা আয় করেছি। যা আমার সংসারের জন্য একটি বারতি আয়।

    সীমা বেগম বলেন, আমরা ভাল করে শুকিয়ে জনার্দ্ধন কাকার আড়তে নিয়ে গেলে সাথে সাথে মেপে ৭০ টাকা কেজি হিসেবে টাকা দিয়ে দেন। মো. ছায়েম, প্রান মন্ডল, মদন দেবনাথ বলেন, এ কাজ করে অনেকে সংসারের জন্য ফ্রিজ, ওভেনসহ নানা সামগ্রি কিনতে পেরেছে। কেউকেউ এক-দেড় লাখ টাকাও আয় করেছেন।

    মূল উদ্যোক্তা মো.মামুন নেসার্স মুঠো ফোনে বলেন, কলণাগাছ দিয়ে সুতা হয় যা দিয়ে ছেয়া, ব্যাগ এক কথায় পাট দারা যেসব কারুপন্য হয় তার সব কিছুই কলাগাছের বাকল দিয়ে হয়। আমি কারু শিল্পের সাথে জড়িত। আমার “কারু বরিশাল” নামে একটি প্রতিষ্ঠান আছে। সে সুবাদে আমার এক বড়ভাইয়ের সহায়তায় পাটের পাশাপাশি কলাগাছের সুতা দিয়ে অনেক কারু পন্য তৈরি করছি। কাঁচামাল সংগ্রহে অশ্বত্থকাঠি এলাকা থেকে বেশ সাড়া পাচ্ছি। ৬ ট্রাক মাল ইতোমধ্যে নিয়েছি। এখনো আমার ভাড়া করা গুদামে দুই ট্রাক মাল রয়েছে। জানুয়ারী মাসের দিকে এগুলো নেওয়া হবে। আমরা বিদেশী বায়ারদের সাথে চুক্তির চেষ্টা করছি। ইনশাল্লাহ জানুয়ারী ফেব্রæয়ারী মাস থেকে এর কার্যক্রম আরো বেগবান হবে।

    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে আমি সরেজমিনে ওই এলাকা পরিদর্শন করেছি। স্বরূপকাঠি উপজেলার মানুষ নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরিতে উৎসাহী। এখানের মানুষ কাঠ, নার্সারী, ক্রিকেট ব্যাট, ঝুড়–, পাপোষ, রশি, ম্যাড তৈরি করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কলাগাছের ফেলে দেওয়া অংশ দিয়ে অর্থ উপার্জনের যে উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবী রাখ। এর মূল উদ্যোক্তাকেও ধন্যবাদ জানাই। এ কাজের বিকাশে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বপ্রকার সহযোগীতা করা হবে।###

  • পঞ্চগড়ে পুলিশের ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

    পঞ্চগড়ে পুলিশের ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

     

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন. পঞ্চগড় ;

    জেলায় কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করার পঞ্চগড়ে পুলিশের ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে সদর থানা পুলিশের আয়োজনে জগদল বাজারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস,পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম মাসুদ পারভেজ,পঞ্চগড় ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক চন্দন কুমার রায়,জেলা জামায়াতের সাধারন সম্পাদক মাওলানা দেলোয়ার হোসেন,উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আনোয়ার হোসেন,জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবু, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন পঞ্চগড়ের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী প্রমুখ।

    পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সি বলেন, পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে সঠিক সেবা গ্রহণ করুন। পুলিশ জনগণের সেবক হয়ে সবসময় পাশে থেকে কাজ করছে এবং করবে। মাদকের সঙ্গে কোনো আপোস নেই। মাদক,নারী নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, চাঁদাবাজি,দূষ্কৃতিকারী বিরোধী সমাজ গড়তে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহবান জানান তিনি।

  • উজিরপুরে মিথ্যা মামলা দিয়ে মাছের ঘের দখ-লের পায়তারা। প্রতিবাদে মানব বন্ধন, বিক্ষো-ভ মিছিল

    উজিরপুরে মিথ্যা মামলা দিয়ে মাছের ঘের দখ-লের পায়তারা। প্রতিবাদে মানব বন্ধন, বিক্ষো-ভ মিছিল

    জুনায়েদ খান সিয়াম,

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের সাতলা সমন্বিত মৎস ঘেরের জমি মালিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার নেপথ্যে এলাকার চিন্থিত মামলাবাজ ও বহু মামলার আসামি মিজানুর রহমান ওরফে আরমি মিজান। এই ঘটনায় ২১ নভেম্বর সকাল ১০ টায় সাতলা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত সাতলা সমন্বিত মৎস ঘেরের পারে হয়রানি,মিথ্যা মামলা ও ঘের দখলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন,বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।ঘের সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যার শিকার  চাঞ্চল্যকর ইদ্রিস হাওলাদার ও তার ভাই সাগর হাওলাদার জোড়া খুনের মামলার এজহারভুক্ত ভুক্ত ২২ নম্বর আসামী ইউনিয়ন  আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হালাদের অন্যতম সহযোগী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন, বিক্ষোভ  মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে ঘের কমিটির সভাপতি ফয়জুল হক বালি ফারাহীন জানান, চলতি বছর ২৪ আগস্ট মৎস্য ঘের সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শনিবার রাত সাড়ে নটার দিকে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হন সাতলা বাজার ব্যবসায়ী ও ঘের মালিক ইদ্রিস হাওলাদার  ও তার চাচাতো ভাই সাগর হাওলাদার। এ মামলায় আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার সহ ২৬ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় বর্তমানে ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার জেল হাজতে রয়েছেন। তারই প্রতিশোধ নিতে ও ঘের দখল করে মাছ লুটপাট করার উদ্দেশ্যে হত্যার শিকার ইদ্রিস হাওলাদারের কলেজ পড়ুয়া ছেলে নায়েব হাওলাদার কে(১৯) প্রধান আসামি করে ১৫ জন জমির মালিকের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা সহ বিভিন্ন ধারায় বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে  মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ইদ্রিস ও সাগর হত্যা মামলার ২২ নং এজাহার ভুক্ত আসামি মোঃ মিজান মিয়ার ছোট বোন মমতাজ খানমকে বাদী করা হয়। তিনি আরো বলেন ১৫ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ১১ টায় মিজানুর রহমানের ভাই মনিরুজ্জামান মিয়াকে ভিকটিম বানিয়ে উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি না করে আগৈলঝারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে সাজানো মামলা দায়ের করেন। মিজানুর রহমান মিয়া তিনি এক সময় সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।এরপর থেকে এলাকায় কারো সাথে বিরোধ বাধলে তিনি নিকটতম স্বজনদের মাথার বিভিন্ন অংশে যখম তৈরি করে হাসপাতালে ভর্তি করে মামলা আদায় করেন বলে অভিযোগ করেন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে নারী কেলেংকারী, হত্যা মামলাসহ অগনিত মামলাবাজের অভিযোগ।
    প্রতিবাদ সভায় আব্দুস সাত্তার মিয়া সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সাবেক ইউপি সদস্য মোনাফসের হাওলাদার, জাকির মিয়া, সালাম বিশ্বাস, বনি আমিন বালি, মোস্তফা মিয়া, মিলন বিশ্বাস,ঘের সভাপতি ফয়জুল হক বালী ফারাহীন এর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন সেলিম মিয়া, আমজেদ মিয়া, ফরহাদ মীয়া,কামাল হোসেন, হান্নান হাওলাদার।  মামলার বাদী মমতাজ বেগম মুক্তা জানান,তার ভাই মিজানুর রহমানকে মিথ্যা হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে এবং ১৫ নভেম্বর সকাল ১১ টায় তার ভাই মনিরুজ্জামান মিয়াকে প্রতিপক্ষরা মাথায় কুপিয়ে জখম করায় তিনি বাদী হয়ে মামলা আদায় করেন। অভিযুক্ত মিজানুর রহমান মিয়া তিনি জানান, বিরোধী ও ঘেরে তিনি মাছ ছেড়েছেন কিন্তু তাকে ঘের দখল দিচ্ছে না, এবং তার ভাই খাবার দিতে গেলে তিনি হামলা শিকার হন।এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন।

  • সুজানগরে দুদকের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

    সুজানগরে দুদকের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধিঃপাবনার সুজানগর উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুর্নীতি বিরোধী স্লোগান সম্বলিত শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম এ আলিম রিপনের সঞ্চালনায় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মনোয়ার হোসেন ও উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মেহেদী হাসান। অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিদর্শক ইশতিয়াক আহমেদ ও সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) দিলীপ কুমার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরাই আগামীর বাংলাদেশ। তোমাদের মধ্যে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব লুকিয়ে আছে। এজন্য সততা ও আদর্শপূর্ণ জীবন গঠন করার এখনই উপযুক্ত সময়। দুর্নীতিমুক্ত জীবন গঠনের শিক্ষা নিতে পারলে আগামীর বাংলাদেশ দুর্নীতিমুক্ত হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মনোয়ার হোসেন দুদক কর্তৃক শিক্ষা উপকরণ বিরতণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সহায়তা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।সহকারী পরিদর্শক ইশতিয়াক আহমেদ জানান,শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে পরিবেশবান্ধব স্কুল ব্যাগ, দুর্নীতিবিরোধী স্লোগান সম্বলিত ছাতা, টিফিন বক্স, জ্যামিতি বক্স, ওয়াটার বোটল, খাতা ও স্কেল বিতরণ করা হয়। পর্যায়ক্রমে জেলার বিভিন্ন উপজেলায়ও এসব সামগ্রী বিতরণ করা হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর (পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নড়াইলে অতিরিক্ত মদ্যপানে দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর মৃ-ত্যু

    নড়াইলে অতিরিক্ত মদ্যপানে দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর মৃ-ত্যু

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের কালিয়ায় পূজা উপলক্ষে মদপানে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু। নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় মদপানে পূজা কর (১৫) নামে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এতে ত্রীনয়নী বিশ্বাস নামে আরও এক স্কুলছাত্রী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকালে উপজেলার নড়াগাতি থানার মহাজন গ্রামের মালোপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। পূজা করের মদপানে মৃত্যু হলেও বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
    বুধবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হয়।
    পূজা কর গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলার ভাটিয়াপাড়া গ্রামের ননী বিশ্বাসের মেয়ে। অপর স্কুলছাত্রী রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার আবাশপুর গ্রামের পলাশ বিশ্বাসের মেয়ে ত্রীনয়নী বিশ্বাস।
    জানা গেছে, পূজা উপলক্ষে পূজা কর ও তার খালাতো বোন ত্রীনয়নী মামাবাড়ি মহাজন গ্রামে বেড়াতে যায়। পূজা-পর্বনে তারা দু’জনে অতিরিক্ত মদ্যপান করে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাদের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পূজা কর কে মৃত ঘোষণা করেন। অপর ত্রীনয়নী হাসপাতালে চিকিৎসা অবস্থায় আছে।
    এদিকে পূজা কর ও ত্রীনয়নীর স্বজন ও পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা মদ্যপানের বিষয়টি গোপন রেখে এড়িয়ে যায়।
    লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক খালিদ সাইফুল্লাহ বেলাল জানান, পূজা করকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল। তার পরিবার জানায়, সে অতিরিক্ত মদ্যপান করেছিল। তাদের লোকজনের চাপের কারণে বিষয়টি পুলিশকে আমরা জানাতে পারি নাই তারা লাশ হাসপাতাল থেকে নিয়ে যায়।
    এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, মদপানে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে কিনা সেটা আমি দেখিনি বলতে পারবো না। তবে অন্য একজন মদপানে অসুস্থ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মো. আশিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনার ব্যাপারে আমাদের কেউ কিছু জানান নাই, খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে।