Blog

  • উজিরপুরে সিআরএসএস ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে ১৬ দিনব্যাপী নারী নির্যাতন প্রতিরোধ প্রচার অভিযান সভা অনুষ্ঠিত

    উজিরপুরে সিআরএসএস ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে ১৬ দিনব্যাপী নারী নির্যাতন প্রতিরোধ প্রচার অভিযান সভা অনুষ্ঠিত

    জুনায়েদ খান সিয়াম,
      
    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মুন্ডপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাঠে সিআরএসএস ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে ১৬ দিনব্যাপী নারী নির্যাতন প্রতিরোধ   প্রচার অভিযান শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    “স্বামী স্ত্রী মিলে কাজ করি, সুখী সফল পরিবার গড়ি” প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে কিশোর কিশোরীদেরকে নিয়ে বিভিন্ন সচেতনামূলক চিত্র অংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলেদেন অতিথিবৃন্দ। 

    ২৬ নভেম্বর  বিকেল চারটায় আব্দুল খালেক সরদারের সভাপতিত্বে শিকারপুর ইউনিয়ন কেন্দ্রের সিআর এসএস কমিউনিটি ডেভোপ্লমেন্ট অফিসার সিনথিয়া তন্বী এর সঞ্চালনায় প্রধান  অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কাজী ইসরাত জাহান। 

    শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সংরক্ষিত ইউপি সদস্য শিউলি আক্তার ও রিতা,  উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান মাসুম, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না, সিআর এসএস সহায়তাকারি চৈতি হালদার ,পল্লব বৈদ্য,  সুস্মিতা দাস, অঞ্জলি চক্রবর্তী,মিম, প্রিয়াঙ্কা, লাভলী।

  • চারঘাটে উপজেলা ও পৌরসভা স্থায়ী শুমারী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    চারঘাটে উপজেলা ও পৌরসভা স্থায়ী শুমারী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    “অর্থনৈতিক শুমারিতে তথ্য দিন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশ নিন” এই  প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে রাজশাহীর চারঘাটে ‘অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪’ এর মূল শুমারি কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে উপজেলা স্থায়ী শুমারি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আগামী ১০-২৬ ডিসেম্বর দেশব্যাপী চলবে অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর কার্যক্রম।

    উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের আয়োজনে মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উপজেলা সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    পরিসংখ্যান তদন্তকারী রবিউল আউয়াল এর সঞ্চালনায় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওয়ালি উল্লাহ মোল্লা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাসেদুজ্জামান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সোহেল রানা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সরওয়ারদ্দিন, নিমপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, সরদহ ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান, চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হক সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • উজিরপুরে যৌ-তুকের দাবিতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে পি-টিয়ে হাসপাতালে পাঠালো স্বামী

    উজিরপুরে যৌ-তুকের দাবিতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে পি-টিয়ে হাসপাতালে পাঠালো স্বামী

    জুনায়েদ খান সিয়াম,
    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের গাজীরপার গ্রামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্যাতিত নারীকে উদ্ধার করে উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনা  উজিরপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয়, অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বড়াকোঠা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড গাজীরপাড় গ্রামের মোঃ আব্দুল লতিফ হাওলাদারের মেয়ে মোসাম্মৎ রহিমা বেগমের(৩৫) এর সাথে আঠারো বছর পূর্বে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার মাগুরা গ্রামের মৃত আব্দুর রব আকনের পুত্র মোঃ হাবিবুর রহমান আকন (৩৫)এর  সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

     তারই ধারাবাহিকতায় রহিমা বেগমকে চাপ সৃষ্টি করে কয়েক দফা মোটা অংকের যৌতুক আদায় করে নেন তার স্বামী হাবিবুর রহমান। সম্প্রীতি ২৫ নভেম্বর সকাল ৯ টায় হাবিবুর রহমান স্ত্রীর বাড়িতে এসে পুনরায় ২লক্ষ টাকা  ব্যবসার জন্য দাবি করেন। এতে রহিমা ও তার পরিবার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে, রহিমা বেগমের  স্বামী হাবিবুর রহমান ক্ষিপ্তহয়ে বেদম মারধর করে পালিয়ে যায়।

    খবর পেয়ে রহিমার বড় বোন  সালমা তাকে উদ্ধার করে উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সএ ভর্তি করেন।এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান আকনকে কয়েকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। উজিরপুরনমডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সালাম জানান এই ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • থানচিতে বি-সেভেন্টি গাড়ি ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহ-ত

    থানচিতে বি-সেভেন্টি গাড়ি ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহ-ত

    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি।মথি ত্রিপুরা।

    বান্দরবানের থানচিতে বলিপাড়া ইউনিয়নের কমলা বাগান মারমা পাড়া এলাকায় বি-সেভেন্টি গাড়ি ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়।

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) অনুমানিক বেলা ২ টা সময় থানচি বলিপাড়া ইউনিয়নের কমলা বাগান মারমা পাড়া এলাকায় বি-সেভেন্টি গাড়ি ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক সিংলক ম্রো (১৭) গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় বান্দরবান সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান।

    জানা যায়, বিকাল ২টা সময় বলিপাড়া ইউনিয়নের কমলা বাগান মারমা পাড়া এলাকায় থানচি থেকে আসা বি-সেভেন্টি গাড়ি সাথে বলিবাজার থেকে নিজের বাড়িতে ফেরার পথে মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় চিকিৎসা সেবা নিতে তাৎক্ষণিকভাবে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে সিংলক ম্রো মারা যায়। এসময় বি-সেভেন্টি গাড়ি যাত্রী সহ চালক ৪জন  অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। সংঘর্ষে কারন হিসেবে উভয়ের গাড়ি ড্রাইভারের দ্রুততার সাথে গাড়ি চালানোকে দায় করা হয়। তবে ঘটনাস্থল উপস্থিত স্থানীয়দের অনুমান বি-সেভেন্টি গাড়ি চালক রং সাইডে চলে আসায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে স্হানীয় এলাকায় বাসীরা জানান।

    নিহত সিংলক ম্রো কমচম ম্রো ছেলে তিনি বলিপাড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সাকখয় কমান্ডার পাড়া বলে জানা যায়। বি-সেভেন্টি গাড়ি চালক মোঃ আকতার (২৩) পিতা আবদুল মালেক তিনি লামা বাজার পাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, লামা পৌরসভা বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

    এই নিয়ে থানচি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন মজুমদার বলেন, বি-সেভেন্টি গাড়ি ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঘটনার শুনেছি। তবে মরে যাওয়ার খবর এখনো পায়নি। আর এই নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।

  • সুজানগরে  ফুটপাতে জমে উঠেছে শীতের পোশাক বিক্রি

    সুজানগরে ফুটপাতে জমে উঠেছে শীতের পোশাক বিক্রি

    এম এ আলিম রিপনঃ সুজানগরে ফুটপাতে জমে উঠেছে শীতের পোশাকের ভ্রাম্যমাণ দোকান। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে ছোট বড় সব বয়সীদের স্যুয়েটার, জ্যাকেট, কোর্ট, গেঞ্জি, বেবিস্যুট, মাংকিটুপি, মোজা সহ নানা রংয়ের শীতের পোশাক সাজিয়ে রেখেছে বিক্রেতারা। এসব দোকানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। শীতে নিজেদের একটু উষ্ণ রাখতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সুজানগর উপজেলার নিম্নবিত্তের মানুষগুলো। তবে ফুটপাতে ভালো পোশাক কম দামে পাওয়াতেই মধ্যবিত্তের ক্রেতারা পছন্দের পোশাকটি কিনছেন।সুজানগর পৌর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় বাজার জামে মসজিদের পাশে ভ্রাম্যমান দোকান ও ভ্যানে করে গেঞ্জি, স্যুয়েটার, বেবিস্যুট, জ্যাকেট, কোর্ট, মোজা সহ নানা রংয়ের ও ডিজাইনের শীতের পোশাক সাজিয়ে রেখেছে বিক্রেতারা। দাম কম হওয়ায় ব্যস্ত দোকানদাররা। আর দোকানগুলোতে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকদের উপচে পড়া ভিড়। বড় বড় মার্কেটগুলোর চেয়ে কম দামে ভালো পোশাক পাওয়াতেই সবাই ফুটপাতে ভিড় করছেন এবং কয়েকটি দোকান ঘুরে পছন্দের পোশাকটি ক্রয় করছেন। কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, এবার বাচ্চা ও মহিলাদের পোশাকের চাহিদা বেশি। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বেচাকেনা চলে। তবে বিকালের পর থেকে রাত পর্যন্ত বেচাকেনা তুলনামূলক ভালো। আর এসব দোকানে ৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বাহারি শীতের পোশাক।ভ্রাম্যমাণ দোকানের বিক্রেতারা বলেন, শীতের শুরু থেকে বেচাকেনা ভাল হচ্ছে। তবে শীত বাড়লে বিক্রি আরো বেশি হবে। বাজারের বিভিন্ন মার্কেট থেকে শীতের পোশাক না ক্রয় করে ফুটপাত থেকে কেন ক্রয় করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে মোশারফ হোসেন ও আব্দুর রহমান বলেন, এইখানে শীতের পোশাকের দাম তুলনামূলক কম। আর ফুটপাতে কিছুটা কম মূল্যে পোশাক পাওয়া যায় তাই এখান থেকে পোশাক নেয়া হচ্ছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • রংপুর মহানগরীতে জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    রংপুর মহানগরীতে জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

    বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রংপুর এর উদ্দ্যোগে গত ২৫.১১.২০২৪ খ্রিঃ তারিখে প্রকৌঃ মুবিন-উল-ইসলাম, উপপরিচালক (পদার্থ) ও অফিস প্রধান এর নেতৃত্বে রংপুর মহানরীতে সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে আরও ছিলেন প্রকৌঃ মোঃ জাহিদুর রহমান, সহকারী পরিচালক (সিএম) এবং জনাব মারুফা বেগম, ফিল্ড অফিসার (সিএম)।

    উক্ত অভিযানে যে সকল প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত সিএম লাইসেন্স গ্রহণ/নবায়ন এবং গুণগত মানের পণ্য উৎপাদনের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে
    ১। মেসার্স রাহি মিঠাই, কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল, বদরগঞ্জ রোড, মহানগর, রংপুর।
    ২। মধু মঞ্জুরী সুইটস, বটতলা মোড়, বদরগঞ্জ রোড, মহানগর, রংপুর।
    ৩। দিপা মিষ্টি মেলা, কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল,বদরগঞ্জ রোড, মহানগর, রংপুর।
    ৪। দধি মিষ্টান্ন ভান্ডার, শাপলা চত্তর, স্টেশন রোড, মহানগর, রংপুর।
    ৫। কিং সুইটস্, শাপলা চত্ত্বর,স্টেশন রোড, মহানগর, রংপুর।
    ৬। নিউ মুসলিম সুইটস, শাপলা চত্ত্বর, স্টেশন রোড, মহানগর, রংপুর।
    ৭। হাঁড়ি মিষ্টি ও কনফেকশনারী, জাহাজ কোম্পানীর মোড়, জি এল রায় রোড, মহানগর, রংপুর।
    ৮। মিষ্টি মুখ, সেন্ট্রাল রোড, পায়রা চত্ত্বর, মহানগর, রংপুর।
    ৯। আকবরিয়া এক্সক্লুসিভ সুইটস্, সেন্ট্রাল রোড, পায়রা চত্ত্বর, মহানগর, রংপুর।
    ১০। বৈশাখী মিষ্টি মেলা, সেন্ট্রাল রোড, পায়রা চত্ত্বর, মহানগর, রংপুর।
    ১১। পুষ্টি, হাড়িপট্টি রোড, মহানগর, রংপুর।
    ১২। পপিন সুইটস্, হাড়িপট্টি রোড, মহানগর, রংপুর।
    ১৩। অনামিকা সুইটস্, সিও বাজার, মহানগর, রংপুর।
    ১৪। বিজিবি সুইটস্, সিও বাজার, কেল্লাবন্দ, মহানগর, রংপুর।
    ১৫। নিউ মা মনি হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট, ৮ তলা মসজিদ, মহানগর, রংপুর।
    ১৬। ইসলাম ফুডস্, ইসলামপুর, হনুমানতলা, মহানগর, রংপুর।
    ১৭। মতি বেকারী এন্ড সুইটস, কাচারী বাজার, মহানগর, রংপুর।
    ১৮। মধুমুখি, কাচারী বাজার, মহানগর, রংপুর।
    ১৯। মহুয়া সুইটস্, কাচারী বাজার, মহানগর, রংপুর।
    ২০। নিউ পারভেজ হোটেল এন্ড কাবাব রেস্টুরেন্ট, মেডিকেল মোড়, মহানগর, রংপুর।
    ২১। ঠিকানা রেস্তোরা, মেডিকেল মোড়, মহানগর, রংপুর।
    ২২। লবঙ্গ হোটেল এন্ড রেস্তোরা, ধাপ জেল রোড, মহানগর, রংপুর।
    ২৩। কস্তুরী রেস্তোরা, মেডিকেল মোড়, মহানগর, রংপুর।
    ২৪। মিন স্টার হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট, মেডিকেল মোড়, মহানগর, রংপুর।

  • চিত্রা নদীর অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত ৯৪ টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত

    চিত্রা নদীর অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত ৯৪ টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    দখল ও দুষন রোধে ঝিনাইদহের চিত্রা নদীর দুই ধারে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছে ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ড। বর্তমান অর্ন্তবতীকালীন সরকারের পানি সম্পদ উপদেষ্টার নির্দেশে ইতিমধ্যে দখলবাজদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। আগামী বছরের শুরুতে চিত্রা নদীর বুকে গজিয়ে ওঠা স্থাপনা ও পুকুর উচ্ছেদ করা হবে বলে জেলা প্রশাসনের একটি সুত্র জানায়। চিত্রা নদী দখলমুক্ত হলে এক সময়ের প্রমত্তা নদীটি আবারো প্রাণ ফিরে পেতে পারে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা। ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ১২টি নদ-নদী রয়েছে। এরমধ্যে চিত্রা নদীর ১৭১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মধ্যে ঝিনাইদহ রয়েছে ৫৭ কিলোমিটার। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটী, দোড়া, কালীগঞ্জ, তত্বিপুর ও মালিয়াট ইউনিয়নের উপর দিয়ে যশোরের অভয়নগর উপজেলায় মিশেছে চিত্রা। এই নদীর উপ্তত্তিস্থল চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে। সরজমিন দেখা গেছে, ঝিনাইদহ অংশে বেশির ভাগ নদী জুড়েই অবৈধ স্থাপনা ও শত শত পুকুর রয়েছে। নদীর তীরবর্তী বাজার এলাকায় অবৈধ দোকানপাট ও বাড়িঘর তৈরী করেছে দখলবাজরা। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না, জিয়ানগর, বংকিরা, হাজরা, লক্ষিপুর, মোহাম্মদপুর ও গোবিন্দ এলাকায় নদী বক্ষে পুকুর কেটে মাছ চাষ করা হচ্ছে। কোটচাঁদপুরের তালসার, ইকড়া, কালীগঞ্জ শহরের পুরাতন বাজার, বলিদাপাড়া, হেলাই, নিমতলা, নদীপাড়া ও ফয়লা এলাকায় দখল হয়ে গেছে চিত্রা। নদীর বুকে চাষাবাদ করছে মানুষ। নদীর মাটি কেটে ব্যক্তিগত কাজেও লাগাচ্ছেন কেউ কেউ। কালীগঞ্জ উপজেলার সিংদহ গ্রামে নদীর মধ্যে ৮টি পুকুর কেটে প্রভাবশালীরা মাছ চাষ করছেন। ফলে এক সময়ের প্রমত্তা নদী চিত্রা তার যৌবন হারিয়ে মৃতপ্রায়। দখলবাজদের কারণে নদীর কোথাও সরু কোথাও মৃত হয়ে হারানো ঐহিত্য নিয়ে দাড়িয়ে আছে। চিত্রা নদীর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ নিয়ে ঝিনাইদহের মানবাধিকার কর্মী অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান টুকু জানান, সরকারের এ ধরণের সিদ্ধান্ত খুবই যুগান্তকারী। জেলার নদ-নদীগগুলো বাঁচানোর এখনই উপযুক্ত সময়। কারণ রাজনৈতিক সরকারের আমলে প্রভাব বিস্তারের আশংকা থাকে। ফলে প্রভাবশালীদের নগ্ন হস্তক্ষেপে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ হয়ে যায়। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস শুক্রবার বিকালে জানান, প্রতিটি জেলায় একটি করে নদী দুষন ও দখল মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান অর্ন্তবতীকালীন সরকার। সেই হিসেবে ঝিনাইদহ জেলায় চিত্র নদীকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে দখলদারদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। নদীর বেশির ভাগ অংশ কোটচাঁদপুর ও কালীগঞ্জ উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত। তিনি বলেন, চিত্রা নদীর ৩০ কিলোমিটারে ৯৪টি অবৈধ স্থাপনা পাওয়া গেছে। এরমধ্যে রয়েছে ভবন, পুকুর, দোকান, বাজার, ঝুলন্ত স্থাপনা ও মুরগীর খামার। নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস জানান, হালনাগাদ তথ্য মতে চিত্রা নদীর কালীগঞ্জ অংশে ৬২টি, কোটচাঁদপুরের লক্ষিপুর বাজারে ১১টি ও একই উপজেলার ধোপাবিলা গ্রামে ২১টি স্থাপনা ও পুকুর উচ্ছেদের তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। আগামী নতুন বছরের শুরুতেই এই উচ্ছেদ অভিযান পারিচালনা করা হবে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, নদী, খাল ও বিল সরকারী সম্পাদ। বিশেষ করে ঝিনাইদহের ১২টি নদ-নদী দখল ও দুষনমুক্ত রাখতে পারলে জেলার মানুষ উপকৃত হবেন। এ জন্য প্রথমেই জেলাবাসীকে সচেতনতার পাশাপাশি এগিয়ে আসতে হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • ঝালকাঠিতে বিধবা নারীর রহস্য জনক মৃ-ত্যু, পরিবারের অভিযোগ হ-ত্যা

    ঝালকাঠিতে বিধবা নারীর রহস্য জনক মৃ-ত্যু, পরিবারের অভিযোগ হ-ত্যা

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঝালকাঠি সদর উপজেলাধীন দশনাকান্দা গ্রামে খালপাড় থেকে আয়েশা বেগম (৫৫),নামের পঞ্চাশার্ধ বয়সি এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। ২৫ নভেম্বর সোমবার সকালে  উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের দশনাকান্দা গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    নিহত আয়েশা বেগম উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের দশনাকান্দা এলাকার মৃত আব্দুর রশিদ শরীফের স্ত্রী।

    এ বিষয় স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১২ বছর আগে আয়েশা বেগমের স্বামী মারা গেলে তিনি তাঁর ছোট ছেলেকে নিয়ে নিজ বসত ঘরে বাস করতেন। বড় ছেলে ঝালকাঠিতে থাকেন।গতকাল ২৪ নভেম্বর রবিবার রাতে ছোট ছেলেও পাশের বাড়িতে ছিলেন। সকাল বেলা খালপাড়ে আয়শা বেগমের মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মৃত দেহটি উদ্ধার করে।

    এ বিষয় নিহতের বড়ছেলে রাশেদুল শরীর জানান, দীর্ঘদিন ধরে আমার চাচা ও চাচাতো ভাইদের সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এরই জেরে তারা পরিকল্পিতভাবে আমার মাকে হত্যা করা হয়েছে। তার মুখমণ্ডলে গুরুতর রক্তাক্ত জখমের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু পুলিশ ও প্রতিবেশীরা বলছে এটা স্বাভাবিক মৃত্যু ময়নাতদন্তের দরকার নেই। তারপর আমি মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের জন্য পুলিশকে ময়না তদন্তের কথা বলি।

    এ ঘটনায় ঝালকাঠি জেলা পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় ২৫ নভেম্বর সকালেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    এ বিষয় ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে একটি স্বাভাবিক মৃত্যু। তবে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন‌ রয়েছে।

  • সংসদ সদস্য হলে চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের স্থান হবে না- জনসভায় এম এ এইচ সেলিম

    সংসদ সদস্য হলে চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের স্থান হবে না- জনসভায় এম এ এইচ সেলিম

    বায়জিদ হোসেন,
    বিশেষ প্রতিনিধি ।।
    বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম বলেছেন, কারা কি করছেন সবকিছু বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে আছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে আমার অনুরোধ বুঝেশুনে কাজে করবেন। আমি সংসদ সদস্য হলে বাগেরহাটে চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের স্থান হবে না। একটা কথা মনে রাখবেন আমি শুধু একটা শ্রেনি বা দলেরর এমপি হব না, আমি বাগেরহাট জনপথের এমপি হব।

    সোমবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে প্রায় দেড়যুগ পরে বাগেরহাট সদর উপজেলার বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা অণুষ্ঠানে প্রকাশ্য জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    দীর্ঘদিন বাগেরহাট না আসা ও রাজনীতি থেকে দূরে থাকার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকারের সময় আমাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়। একটি জনসভায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় আমাকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছিল। মূলত আমাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য এমন ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আমি তখন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জানিয়ে শুধু জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। তবে দল থেকে অব্যাহতি নেননি এবং এখনো দলের সঙ্গে আছি।

    ভবিষ্যতে বাগেরহাটের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, বাগেরহাটবাসীর চাওয়ায় আমি সংসদ সদস্য হলে একটি মেডিকেল কলেজ করব, জেলা স্টেডিয়ামের পাশে যার জন্য জমি ক্রয় করা রয়েছে। এছাড়া কচুয়ার গোয়ালমাঠ এলাকায় থাকা মাজেদা বেগম কৃষি প্রযুক্তি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তর করব। এছাড়া বাগেরহাটবাসীর উন্নয়নে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করার প্রুতিশ্রুতি দেন তিনি।

    বেলায়েত হোসেন ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও কচুয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শেখ নজরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তরিকুল ইসলাম, মেহেবুবুল হক কিশোর, শেখ মাহবুর রহমান টুটুল, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক শিকদার নুরুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক শেখ হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

    এদিকে দীর্ঘদিন পরে সাবেক এই প্রভাবশালী নেতা বাগেরহাটে আসায় স্থানীয় বাসিন্দা, কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা কলেজ মাঠে ভিড় জমায়।

    সিলভার লাইন গ্রুপের মালিক বাগেরহাট সদর উপজেলার মুক্ষাইট গ্রামের বাসিন্দা বীরমুক্তিযোদ্ধা এমএ এইচ সেলিম ৯০ এর দশকের শেষ দিকে বাগেরহাটের রাজনীতিতে আসেন এবং জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই প্রভাবশালী নেতা শেখ হেলাল উদ্দিনকে হারিয়ে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। সংসদ সদস্য থাকাকালীন মুনিগঞ্জ সেতু, শহররক্ষা বাধ, মাজেদা বেগম কৃষি প্রযুক্তি কলেজ, বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন তিনি। বিএনপি ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পরে তত্ত্ববধায়ক সরকারের আমলে তিনি জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর পর থেকে তাকে প্রকাশ্য রাজনীতিতে যেমন দেখা যায়নি, বাগেরহাটেও তেমন আসেননি।

  • বৈষম্য বিরোধী সম্পাদক-সাংবাদিক ঐক্য জোটের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বৈষম্য বিরোধী সম্পাদক-সাংবাদিক ঐক্য জোটের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    শহিদুল ইসলাম,
    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    বৈষম্য বিরোধী সম্পাদক-সাংবাদিক ঐক্য জোট এর আলোচনা সভা অদ্য ২৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউরীস্হ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ৩১ ক্লাবে চট্টবাণী সম্পাদক নুরুল কবির’র সভাপতিত্বে ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া পরিচালক, দৈনিক আমাদের বাংলা বিশেষ প্রতিনিধি মুনীর চৌধুরী’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন
    বিশ্ব প্রেস কাউন্সিল ও বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল’র সাবেক সদস্য, চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজের অভিভাবক সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকত।
    প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ এডিটর ফোরাম’র কেন্দ্রীয় পরিষদ’র সভাপতি, দৈনিক আমাদের বাংলা ও দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম’র সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাব’র সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী।
    সাংবাদিকদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন এম আর তাওহীদ, মোঃ সাইফুর রহমান সাইফুল, মোঃ নজির উদ্দিন চৌধূরী, মোঃ দিদারুল বেলাল, ওসমান জাহাঙ্গীর, শহিদুল ইসলাম দুলদুল, ইফতেখার হোসেন, আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম, মোঃ সাকিব, মোঃ আজম খান, সাজ্জাদ উদ্দিন, মোহাম্মদ মাসুম, মোঃ হাসানুল আলম, মোঃ সাকিব, মোঃ তৈয়ব চৌধুরী, মোঃ আমিনুল হক, কাউছার সোহেল, মোঃ ওসমান গণি, ঝুমা আকতার, শামসুল ইসলাম রানা, অরুন নাথ, মোঃ রাশেদুল আজিজ, এম ডি এইচ রাজু, মোঃ শহিদুল ইসলাম,জহিরুল ইসলাম বাবর, মোঃ মাসুদ, সৈয়দ আবদুল্লা মজুমদার, মোঃ রাকিব, আমিনুল হক রিপন, তৌফিক আলম জোহাদী প্রমুখ।

    সভায় বক্তারা বলেন, যে সকল তথাকথিত সাংবাদিক চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নাম বিক্রি করে চাঁদাবাজির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করে টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছেন তাদেরকে প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
    বক্তারা আরও বলেন, দেশের কালোবাজারীরা সংবাদপত্রে বিনিয়োগ করে নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে, পেশার স্বার্থে ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে আমাদেরকে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।